Tag: বিয়ে

  • বিয়ে হচ্ছে না অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলার, যা বললেন অভিনেতা

    নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে কোনো দিন রাখঢাক করেননি টালিউড তারকা অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলা। ১৪ বছর তাদের প্রেমের ১৩ বছর পূর্ণ হবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি। এ উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি রহস্যময় পোস্ট দিয়েছেন। সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিয়ে নিয়ে। সঙ্গে প্রকাশ করেছেন দুজনের ঠোঁটে ঠোঁটে চুম্বনের একটি স্থিরচিত্র।

    শনিবার অঙ্কুশ লিখেছেন— ‘কিছু বিশেষ কারণে বিয়েটা হবে কিনা জানি না। কিন্তু এই ১৪ ফেব্রুয়ারি আমাদের সম্পর্কের ১৩ বছর পূর্ণ হবে। আমার জন্মদিনে এর থেকে বড় উপহার আর কী হতে পারে? বাকিটা ব্যক্তিগত।’

    এদিকে কয়েক বছর ধরেই শোনা যাচ্ছিল, শিগগিরই বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলা। বিয়ে নিয়ে ঐন্দ্রিলা বলেছিলেন, ‘বিভিন্ন রীতিতে নয়, শুধু বাঙালি রীতিতেই বিয়ে করব। সাজগোজেও থাকবে পুরোপুরি বাঙালিয়ানা। প্রচুর বাংলা ধারাবাহিকে আমায় বিয়ের সাজে সাজতে হয়েছে। তাই নিজের বিয়ের সাজটা একটু হলেও আলাদা করতে চাই। রিসেপশনে গাউন পরার ইচ্ছা রয়েছে।’

    বিয়ে প্রসঙ্গে অঙ্কুশ বলেছিলেন— ‘পরিবার আমার কাছে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। আমরা দুই পরিবার একসঙ্গেই থাকি। তাই বিয়েতে আর দেরি করতে চাই না। ডিসেম্বরে বিয়ে করছি। বিয়ের তারিখটা শুধু দুই পরিবার বসে ঠিক করতে বাকি রয়েছে। করোনা পরিস্থিতির কারণে, কীভাবে কী করব, কত লোকজন ডাকা সম্ভব হবে, সে বিষয়টা একটু দেখতে হবে।’

    এর পর কেটে গেছে বছরখানেক। কিন্তু এখনো বিয়ে করেননি তারা। এর মাঝে আবার এ ধরনের স্ট্যাটাস। তা হলে অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলার প্রেমের হ্যাপি এন্ডিং হচ্ছে না? প্রকাশিত ওই ছবির মন্তব্যের ঘরে কৌতূহলী অনুরাগীরা। তবে অঙ্কুশ সেসব বিষয়ে কিছু বলেননি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ের জন্য যেমন পাত্র খুঁজছেন মৌসুমী

    ক্যারিয়ারের সুসময় পার করছেন মডেল ও অভিনেত্রী মৌসুমী হামিদ। যেখানে যাচ্ছেন সেখানেই প্রশংসার পাশাপাশি কথা বলতে হচ্ছে নানাবিধ বিষয় নিয়ে। ব্যক্তিগত জীবনও উঠে আসছে। 

    বিয়ের প্রসঙ্গ আসতেই কম উচ্চতার পুরুষদের নিয়ে মন্তব্য করে বসলেন তিনি। জানালেন, খাটো ছেলেরা শয়তান হয়।

    সম্প্রতি সংবাদকর্মীদের সঙ্গে কথোপকথনের সময় বিয়ের প্রসঙ্গ উঠে আসে মৌসুমীর। ওই সময়ই এমন মন্তব্য করেন তিনি। মৌসুমী বলেন, ‘পাঁচ ফুট ৯ ইঞ্চি ছেলে লাগবে না। ছয় ফুট ছেলেই বিয়ে করব। বিয়ে করলে লম্বা ছেলেই বিয়ে করব। খাটো ছেলে কেন বিয়ে করব? লম্বা মানুষ ভালো হয়। খাটো ছেলেরা শয়তান হয়।’

    সম্প্রতি ওয়েব সিরিজ ‘গুটি'তে দেখা গেছে মৌসুমীকে। এতে অনবদ্য অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকের মনোযোগ ধরে রেখেছিলেন তিনি। বোদ্ধাদেরও প্রশংসা পেয়েছেন।

    মাদক কারবারির গল্প উঠে এসেছে ‘গুটি'তে। এতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে ছিলেন আজমেরী হক বাঁধন। সুলতানা নামের এক ড্রাগ ডিলারের চরিত্রে দেখা গেছে তাকে। সিরিজটিতে পার্শ্ব চরিত্রে থেকেও মূল চরিত্রের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অভিনয় করেছেন মৌসুমী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ের সানাই বাজছে স্বস্তিকার!

    সিঁথিতে লাল সিঁদুর, আলতা রাঙানো পা, কনের সাজে ধরা দিলেন স্বস্তিকা। আর জানালেন বিয়ের সানাই বাজছে। 

    rnrn

    চল্লিশের গণ্ডি পেরিয়েও বরাবরই নজরকাড়া অবয়বে পদায় ধরা দিয়েছেন স্বস্তিকা। দীর্ঘ ফিল্মি ক্যারিয়ারে বিতর্ক হামেশাই সঙ্গে থেকেছে স্বস্তিকার, তবুও সাহস নিয়ে এগিয়ে গিয়েছেন তিনি। 

    rnrn

    বৃহস্পতিবার ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও শেয়ার করেন স্বস্তিকা। যা দেখে চোখ আটকে গিয়েছে সবার। গাঢ় গোলাপি সিল্ক শাড়িতে সেজেছেন স্বস্তিকা, পরনে নেই ব্লাউজ। গলায় ভারি নেকপিস, খোলা চুল, সিঁথি রাঙানো লাল সিঁদুরে, কপালে লাল টিম, পায়ে আলতা, হাতে শাখা-পলা…. কপালে নিজের হাতেই পরছেন চন্দন। 

    rnrn

    ভিডিওর ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজছে নুসরত ফতেহ আলি খানের, ‘এরি সখি রে মোহে পিয়া ঘর আয়ে’। ক্যাপশনে অভিনেত্রী লিখছেন, ‘বিয়ের সানাই বাজচ্ছে…’।

    rnrn

    পর্দায় বহুবারই কনের সাজে ধরা দিয়েছেন স্বস্তিকা। তবে বাস্তব জীবনে একবার বিয়ের সাজ সেজেছিলেন। ১৯৯৮ সালে জনপ্রিয় রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী সাগর সেনের ছেলে প্রমিত সেনকে বিয়ে করেছিলেন স্বস্তিকা। বাবা-মায়ের পছন্দ করা পাত্রের সঙ্গে দেখাশোনা করে বিয়ে। তবে কয়েক বছরের মধ্যেই তাল কাটে সম্পর্কে। দুধের শিশু কোলে শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে আসেন স্বস্তিকা। তারপর থেকে একা হাতেই মানুষ করেছেন মেয়ে অন্বেষাকে।

    rnrn

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের ভাঙা সংসার নিয়ে মুখ খুলেছেন স্বস্তিকা। তার কথায়, ‘(অল্প বয়সে বিয়ে নিয়ে) আমার কোনো আফসোস নেই। কারণ আমি যখন ভাবি যে জীবনটা আমি ওই বিয়েটা ছাড়াও কাটাতে পারতাম, আমার মনে হয় তা হলে অন্বেষা আমার সঙ্গে থাকত না। আর এই ভাবনাটাই আমাকে ভাবিয়ে তোলে তা হলে তো আমার অস্তিত্বটাই অবলুপ্ত হয়ে যেত। আমি এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের কাছে কৃতজ্ঞ যে অন্বেষাকে আমি পেয়েছি। ও না থাকলে আমি ধ্বংস হয়ে যেতাম।’

    যুগান্তর ডেস্ক

  • টালিউডে ফের বিয়ের সানাই

    সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ও কিয়ারা আদভানির বিয়ের রেশ কাটতে না কাটতে এরই মধ্যে চুপি চুপি সাতপাকে বাঁধা পড়লেন জি সারেগামাপাখ্যাত গায়ক দেবরূপ রাহা। দীর্ঘদিনের প্রেমিকা দেবমিতা দের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধলেন গায়ক। শিলিগুড়ির ছেলে দেবরূপ ইন্ডিয়ান আইডল ১২-র বিচারকদেরও নজর কেড়েছিলেন। যদিও সেরা ১৫-তে জাগয়া হয়নি।

    কাকে বিয়ে করলেন দেবরূপ?
    দেবরূপের পাত্রীও টালিউডের গানের জগতের পরিচিত নাম। দেবমিতা দের সঙ্গে চারহাত হলো এ গায়কের। দেবমিতা ও তার বোন সুস্মিতা জুটি বেঁধে গান করেন। তাদের ব্যান্ডের নাম ইন্ডিসাইস। জুটির বিয়েতে হাজির ছিলেন টালিউডের বেশ কিছু পরিচিত মুখের। অভিনেত্রী অলিভিয়া সরকারের ঘনিষ্ঠ বান্ধবী দেবমিতা। ছোটবেলার বন্ধুর বিয়েতে উপস্থিত হয়েছিলেন তিনিও। দেবরূপ-দেবমিতার মালাবদলের ভিডিও ইনস্টাগ্রামে তুলে ধরেছেন অলিভিয়া, সেখানে রীতিমতো বরের কলার ধরে মালা পরাতে দেখা গেছে দেবমিতাকে। এই ভিডিও শেয়ার করে অলিভিয়া লেখেন— ‘মেয়েটা একটুও বড় হয়নি, শুধু বউ সেজেছে এই যা— এ রকমই আজব থাকিস, অনেক শুভেচ্ছা’। 

    বৈদিক মতে, বিয়ের পর্ব সেরেছেন দুজনে। কন্যাদান হয়নি, বৈদিক মন্ত্র উচ্চারণ আর গানে গানে সাতপাক ঘুরেছেন দেবরূপ-দেবমিতা। দুই পরিবার ও কাছের বন্ধুদের উপস্থিতিতেই শুভ কাজটা সেরে ফেলেন দুজনে। বিয়ের দিন বাঙালি নয়, একটু গুজরাটি ছোঁয়া পাওয়া গেল কনের সাজে। লাল পাড় সাদা লেহেঙ্গা পরেছিলেন কনে, বরের পরনে ছিল সাদা পাঞ্জাবি, চোস্তা আর কনের সঙ্গে ম্যাচিং লাল ওড়না।

    তৃণ-নীলেরও ঘনিষ্ঠ বান্ধবী দেবরূপ-দেবমিতা। যদিও বিয়ের আসরে নজরে আসেননি তারা। টালিপাড়ার এ মিউজিক্যাল জুটিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অনেকেই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সিদ্ধার্থের বিয়েতে আবেগাপ্লুত করণ জোহর

    বলিউডের পছন্দের জুটি সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ও কিয়ারা আদভানির বিয়ের আসর বসে জয়সলমেরে। এই জুটি প্রেম যে করতেন তাও কখনো প্রকাশ্যে আনেননি। বিয়েটাও করে ফেললেন প্রায় চুপিচুপি। নিরাপত্তা এতই কড়া যে খবর পাওয়ার উপায় ছিল না। অবশেষে চার হাত এক হয়েছে সিড-কিয়ারা। ভারতের রাজস্থানের জয়সালমেরের সূর্যগড় প্রাসাদে পাঞ্জাবি রীতি-রেওয়াজ মেনে মঙ্গলবার বিয়ের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। 

    rnrn

    সেখানে নিমন্ত্রণ পান প্রায় শতাধিক তারকা। এই শেরশাহ জুটির বিয়েতে অন্য অতিথির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বলিউড নির্মাতা করণ জোহর। বিয়ের একটি ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে আপ্লুত করণ জোহর তাদের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন। স্মরণ করেছেন পুরোনো দিনের কথা। 

    rnrn

    প্রায় ১৫ বছর আগে করণের সহকারী পরিচালক হিসেবে শোবিজে পথচলা সিদ্ধার্থের। তাই প্রিয় ছাত্রকে তার চেয়ে ভালো কে চেনে। ইনস্টাগ্রাম পোস্টে করণ জোহর লেখেন- আমি সিদ্ধার্থকে প্রথমবার দেখেছিলাম প্রায় ১৫ বছর আগে। শান্ত, কঠিন ও ভীষণ আবেগপ্রবণ মানুষ ও। এর বহু বছর পর আমার কিয়ারার সঙ্গে পরিচয় হয়। সেও একই রকমের শান্ত, কঠিন; সঙ্গে সমান পরিমাপে সংবেদনশীল। এরপর যখন ওদের পরিচয় হলো, আমি জানতাম, ওদের এই জুটি দারুণ হবে। আর সব থেকে সুন্দর একটি প্রেমের গল্প তৈরি করবে। ওদের একসঙ্গে দেখা মানে একটি রূপকথার গল্পকে চাক্ষুষ করা; যা পরিবার ও রীতি থেকে আসে।
    rn 
    rnকরণ আরও লেখেন- ওরা যখন সাত পাকে বাঁধা পড়ে শপথ নিচ্ছিলেন, ওখানে উপস্থিত আমরা সবাই সেই এনার্জি ফিল করছিলাম। আমি গর্বিত বোধ করছিলাম এবং ওদের জন্য ভালোবাসায় মন ভরে উঠছিল। অনেক ভালোবাসা সিদ্ধার্থ। তোমাকেও ভীষণ ভালোবাসি কিয়ারা। তোমরা এভাবেই একসঙ্গে থেকো।
    rn 
    rnপ্রিয় ছাত্রের বিয়ের অনেক কিছুই নিজে সামলেছেন করণ জোহর। কয়েক দিন আগেই সিদ্ধার্থ-কিয়ারার কুষ্ঠি মেলানোর জন্য হাজির হয়েছিলেন এক পুরোহিত। তাকে পাঠিয়েছিলেন করণ জোহরই। এর আগে আলিয়া ভাটের বিয়েতেও আবেগে কান্না করেছিলেন তিনি। প্রিয় ছাত্রদের ভালো-খারাপ যেকোনো বিষয়ে সব সময় খবর রাখেন করণ জোহর।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সাবেক প্রেমিক সিদ্ধার্থের বিয়ের পর যা বললেন আলিয়া

    সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ও আলিয়া ভাটের বলিউড যাত্রা শুরু হয়েছিল ‘স্টুডেন্ট অব দি ইয়ার’ সিনেমার মাধ্যমে। ২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া এই সিনেমা বক্স অফিসে দারুণ সাড়া ফেলেছিল।

    rnrn

    এ সিনেমায় অভিনয়ের সূত্র ধরে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন সিদ্ধার্থ-আলিয়া। কিন্তু তাদের সেই সম্পর্ক বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। রণবীর কাপুরকে মন দিয়ে বসেন আলিয়া। গত বছর তারা বিয়েও করেন। তাদের সংসারে জন্ম নিয়েছে কন্যাসন্তান।

    rnrn

    এদিকে মঙ্গলবার দীর্ঘ গোপন প্রেমের পর সাতপাকে বাঁধা পড়েছেন সিদ্ধার্থ-কিয়ারা। সাবেক প্রেমিকের বিয়েতে শুভেচ্ছা জানাতে ভুল করেননি আলিয়া। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ছবি পোস্ট করে লিখেছেন—দুজনকেই অনেক শুভেচ্ছা।

    rnrn

    ইন্ডাস্ট্রির সব থেকে জনপ্রিয় জুটিদের মধ্যে অন্যতম সিদ্ধার্থ-কিয়ারা। ২০২০ সালে ‘শেরশাহ’ ছবির শুটিং থেকেই নাকি সম্পর্কের সূত্রপাত দুজনের। সরাসরি স্বীকার না করলেও নিজেদের সম্পর্কটা কখনো অস্বীকারও করেননি তারা। এমনকি ‘কফি উইথ করণ’-এ এসে বড়সড় ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন তারা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জানা গেল সিদ্ধার্থ-কিয়ারার বিয়ের তারিখ কেন পিছিয়ে ছিল

    বলিউডের পছন্দের জুটি সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ও কিয়ারা আদভানির বিয়ে উপলক্ষ্যে রাজস্থানের মরুশহর জয়সলমেরের সূর্যগঢ় প্যালেস ঝলমলিয়ে উঠেছে। হাতে বোনা পোশাক আর ভারতীয় শিল্পকলার রংবাহারি স্টল। রাজস্থানি লোকগীতি আর লোকনৃত্য। এক কথায় বলা যায়- বিয়েকে ঘিরে যেন আনন্দ মেলা বসেছে সূর্যগঢ়ের অট্টালিকায়।  শুধু তাই নয়, সাথে থাকছে হরেক রকমের রাজকীয় খাবার। তবে এ বিয়ে সোমবারই হওয়ার কথা ছিল।

    rnrn

    ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকেই অপেক্ষা করে বসেছিলেন অনুরাগীরা। দুপুর গড়িয়ে বিকাল হলেও বিয়ের কোনো ঝলক দেখা গেল না। কখন সাত পাকে ঘুরবেন সিদ্ধার্থ মালহোত্রা এবং কিয়ারা আদভানি? প্রতীক্ষার অবসান ঘটল; কিন্তু সেদিন প্রণয় ঘটেনি। অনুরাগীদের মনে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে- কেন বিয়ের তারিখ পরিবর্তন হলো।

    rnrn

    গোপন সূত্রে খবর ছিল- প্রাক্‌-বিবাহ অনুষ্ঠান শুরু হবে ৪ তারিখ থেকে আর বিয়ে ৬ তারিখ; কিন্তু ৬ তারিখ রাত কেটে গেল ব্যাচেলর পার্টিতে। সেই খবর আগে থেকে কারও জানা ছিল না।

    rnrn

    জমজমাট অনুষ্ঠান, হইচইয়েই মেতে রয়েছে আদভানি আর মালহোত্রা পরিবার। নাচগান, খানাপিনা, পোশাকের ঝিলিকে বন্ধুবান্ধব এবং নিমন্ত্রিত অতিথিদেরও নাগাল পাওয়া ভার। তবে বিয়ে যে পিছিয়ে গিয়েছে সে খবর জানা গেল মঙ্গলবারই।

    rnrn

    সিড-কিয়ারার বিয়েতে বলিউডের তারকারা যেমন নিমন্ত্রিত, তেমনই রয়েছেন ইশা আম্বানির মতো ভিভিআইপি অতিথিও। সে কারণেই আরও জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বিয়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের ছবি যাতে বাইরে না বেরোয়, সেজন্য মূল অনুষ্ঠানের দিনে মোবাইল ফোন ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আত্মীয়-পরিজন ও বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে ব্যক্তিগত পরিসরেই সাত পাকে বাঁধা পড়তে চান সিড-কিয়ারা। বিয়েতে নিমন্ত্রিতের সংখ্যা ১০০ জন। নিরাপত্তার দিক থেকে ভিকি-ক্যাটরিনার পন্থাই গ্রহণ করেছেন তারাও।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সিদ্ধার্থ-কিয়ারার বিয়েতে থাকছে যেসব দেশের রাজকীয় খাবার

    বলিউডের পছন্দের জুটি সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ও কিয়ারা আদভানির বিয়ে উপলক্ষ্যে রাজস্থানের মরুশহর জয়সলমেরের সূর্যগঢ় প্যালেস ঝলমলিয়ে উঠেছে। হাতে বোনা পোশাক আর ভারতীয় শিল্পকলার রংবাহারি স্টল। রাজস্থানি লোকগীতি আর লোকনৃত্য। এক কথায় বলা যায়- বিয়েকে ঘিরে যেন আনন্দ মেলা বসেছে সূর্যগঢ়ের অট্টালিকায়।  শুধু তাই নয়, সাথে থাকছে হরেক রকমের রাজকীয় খাবার।

    গতকাল থেকেই সমগ্র মরুশহরে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। মঙ্গলবার এই জুটি চির বন্ধনে গাঁটছড়া বাঁধবেন। তারকার সমাগম হয়েছে জয়সলমেরে। সিদ্ধার্থ আর কিয়ারার পরিবারের সবাই উপস্থিত আছেন। ইতোমধ্যে মেহেদি আর গায়েহলুদের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। কিয়ারার হাতে লেখা হয়েছে সিদ্ধার্থের নাম।

    হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, মঙ্গলবার সকাল থেকেই রাজস্থানের জয়সলমেরের সূর্যগড় প্রাসাদে সাজসাজ রব চলছে। কারণ আজ এখানেই বসছে বলিউড তারকা সিদ্ধার্থ আর কিয়ারার বিয়ের আসর। দুই তারকার পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি থাকছেন কিয়ারার ছোটবেলার বান্ধবী ও আম্বানি পরিবারের কন্যা ঈশা আম্বানি। শোনা যাচ্ছে, মুকেশ আম্বানিও যোগ দিচ্ছেন এই বিয়েতে।

    কিয়ারা-সিদ্ধার্থের বিয়ে উপলক্ষে সূর্যগড়ের প্রধান ফটকে একটি বিলাসবহুল হোটেলের চেহারা দেওয়া হয়েছে। অতিথিদের একাধিক সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি বিয়ের দিনের খাবারের মেনুতেও থাকছে বিশেষ চমক। জানা গেছে, ১০ দেশের শতাধিক পদ থাকবে অতিথিদের জন্য। মেনুতে রয়েছে ইতালিয়ান, চাইনিজ, আমেরিকান, সাউথ ইন্ডিয়ান, মেক্সিকান, রাজস্থানি, পাঞ্জাবি এবং গুজরাটি খাবার। মিষ্টির মধ্যে থাকবে জয়সলমেরের বিখ্যাত ঘোটওয়ান লাড্ডু।

    পাঞ্জাব এবং দিল্লি থেকে আসা অতিথিদের জন্য মসলাদার ও চটকদার খাবারেরও ব্যবস্থা থাকছে। ৫০টির বেশি খাবারের স্টলের দায়িত্বে থাকবেন ৫ শতাধিক ওয়েটার। সকাল ও বিকালের নাশতাতেও রাখা হয়েছে চমক।

    এদিকে কয়েক দিন থেকেই তারকারা আসতে শুরু করেন সূর্যগড় প্রাসাদে। করণ জোহর, শহীদ কাপুর আর তার স্ত্রী মীরা রাজপুত, আকাশ আম্বানি, শ্লোকা মেহেতা, মনীশ মালহোত্রাসহ অনেকেই সিদ্ধার্থ-কিয়ারার বিয়ের উৎসবে অংশ নিয়েছেন। সন্ধ্যা ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে সিদ্ধার্থ আর কিয়ারার বর-কনে বেশের ছবি প্রকাশ্যে আসবে।

    বিয়ের পর নববিবাহিত জুটি উঠবেন সিদ্ধার্থের আরব সাগরমুখী বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে। যার ইন্টিরিয়র করেছিলেন গৌরী খান। তবে এটা হতে চলেছে অস্থায়ী বাস। জুহুতে তাদের পছন্দের বাংলোর কাজ শেষ হলেই সেখানেই উঠবেন তারকা এই জুটি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ের আগেই সন্তানের মা হওয়া নিয়ে যা বললেন কিয়ারা

    দীর্ঘদিন প্রেম করার পর অবশেষে আজ সিদ্ধার্থ মালহোত্রার সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়বেন কিয়ারা আদভানি। অনুরাগীদের নজর এখন বলিউড তারকা সিদ্ধার্থ-কিয়ারার বিয়ের অনুষ্ঠানের দিকে।

    সিদ্ধার্থ-কিয়ারার বিয়ে নিয়ে যখন আলোচনা চলছে, তখনই ভাইরাল কিয়ারার পুরনো একটি সাক্ষাৎকার।

    সাক্ষৎকারে কিয়ারা বলেন, ‘আমি অন্তঃসত্ত্বা হতে চাই, যাতে সেই সময়টা আমি যা ইচ্ছে তাই খেতে পারি। যাক বাদ দাও, তবে আমি দুটো সন্তান চাই, আশা করি ঈশ্বর সেটি আমায় দেবেন।’

    অভিনেত্রীকে প্রশ্ন করা হয়— যদি যমজ সন্তান হয়, তা হলে কী করবেন? অভিনেত্রী বলেন, ‘তা হলে যেন ঈশ্বর আমায় একটি মেয়ে এবং ছেলে দেন।’

    প্রথমে জানা যায়, রোববার সিদ্ধার্থ-কিয়ারার সংগীত ও মেহেন্দির অনুষ্ঠান হবে। এর পর ৬ ফেব্রুয়ারি বসবে বিয়ের বাসর। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বদলে যায় বিয়ের দিন। বলিপাড়ার এই জনপ্রিয় জুটি ৬ তারিখ নয়, বরং আজ গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছেন।

    রাজস্থানের জয়সলমেরের সূর্যগড় প্রসাদে বসছে সিদ্ধার্থ-কিয়ারার বিয়ের আসর। জানা গেছে, তাদের বিয়েতে আমন্ত্রিত অতিথির সংখ্যা ১০০। থাকছেন বলিউড থেকে দেশের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। নিকট বন্ধু এবং আত্মীয়দের উপস্থিতিতেই তারা সাতপাক ঘুরবেন।

    হবু বর যতই পাঞ্জাবি হোন আর কনে যতই সিন্ধি— বিয়ে জমেছে রাজস্থানি সুরে। ইতোমধ্যে তাদের বিবাহ বাসর যেখানে বসবে, সেই সূর্যগড়ের প্রাসাদ সেজে উঠেছে। ক্যামেরায় ধরা পড়েছে রাজস্থানি গান-নাচ। তবে কেবলই রাজস্থানি নাচ-গান নয়, রাজস্থানের বিশেষ পুতুল নাচ দেখার ব্যবস্থা করা হতে পারে অতিথিদের জন্য।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রসেনজিতের একাধিক বিয়ে নিয়ে খোঁটা

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা প্রসেনজিৎ বিয়ের পিঁড়িতে তিনবার বসেছেন। প্রথম দুটো সম্পর্ক স্থায়ী না হলেও আপাতত চুটিয়ে ঘর বেঁধেছেন অর্পিতা পালের সঙ্গে। 

    rnrn

    এক সময় যখন বাংলা সিনেমা দেখতে হলমুখী হওয়ার উৎসাহ মানুষের মধ্যে একেবারেই কমে গিয়েছিল, তখন নিজের কাঁধেই টেনেছেন টালিউডকে। কয়েকশ হিট ছবি উপহার দিয়েছেন দর্শকদের। তবে প্রসেনজিতের কাজ নিয়ে যত চর্চা হয়, ততটাই আলোচনায় থাকে অভিনেতার ব্যক্তিগত জীবনও। তার তিনবার বিয়ের পিঁড়িতে বসা নিয়ে কম কথা হয় না টালিউডে।

    rnrn

    এমনকি অভিনেত্রী সুদীপ্তা চক্রবর্তীও শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়ের টক শো-তে এসে মশকরা করেছিলেন এ নিয়ে। হোস্টের আসনে থাকা শাশ্বত যখন প্রশ্ন করেন সুদীপ্তা পেজ থ্রি-র রিপোর্টার হলে তিনি কী প্রশ্ন করবেন প্রসেনজিৎ, দেব ও জিৎকে। তখন জবাবে সুদীপ্তা বলেন, প্রসেনজিৎকে জিজ্ঞেস করতে পারি এতগুলো বিয়ে আপনি ঠাণ্ডা মাথায় সামলালেন কিভাবে! এমন কথা বলে নিজেই হেসে ফেলেন সুদীপ্তা। এরপর প্রসেনজিতকে নকল করে বলেন- থাকলেই বলে উঠত দুষ্টু, বড্ড বড় হয়ে গিয়েছিস না!

    rnrn

    ১৯৯৪ সালে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় বিয়ে করেন দেবশ্রী রায়কে। তবে সেই বিয়ের মেয়াদ ছিল খুব কম। প্রথম বিয়ে ভাঙার পর অপর্ণা গুহঠাকুরতাকে বিয়ে করেছিলেন প্রসেনজিৎ ১৯৯৭ সালে। যাতে ইতি টানেন তিনি ২০০২ সালে। এখন অর্পিতা পালকে নিয়ে ঘর বেঁধেছেন। তাদের ছেলে মিশুক ওরফে তৃষাণজিৎ খুব জলদিই হয়তো ডেবিউ করবে টলিউডে।

    rnrn

    শাশ্বতের কাছে এরপর সুদীপ্তা জানান- দেবের কাছে তিনি প্রশ্ন রাখবেন, ২০২৩ না ২০৩২ কবেনাগাদ আপনাকে সঠিক বাংলায় ডায়লগ বলতে শুনব? যদিও এই সাক্ষাৎকার বহুদিন আগের। আর উচ্চারণ নিয়ে দেবকে ট্রল আকছাড় হতো তখন। এখন অবশ্য নিজেকে অনেকটা বদলে ফেলেছেন। অন্তত প্রজাপতি দেখে দর্শক সেরকমটাই বলছে।

    rnrn

    জিতের উদ্দেশে প্রশ্ন সুদীপ্তার ‘আপকে ইয়ে হাসিন চেহেরাকা পিছে কা রাজ কেয়া হ্যায়।' এরপরই সুদীপ্তা জানান, জিতের কেরিয়ারের প্রথম হিরোইন তিনি। দুজনে কাজ করেছিলেন একসঙ্গে হিন্দি বিষবৃক্ষ ধারাবাহিকে।

    বিনোদন ডেস্ক