Tag: বিয়ে

  • আমাকে একটি মনের মানুষ খুঁজে দিন: পরিণীতি

    ২০২৩ সালের শুরু থেকেই তারকারা একের পর এক বসছেন বিয়ের পিঁড়িতে। কে এল রাহুল-আথিয়া শেট্টি, সিদ্ধার্থ -কিয়ারা থেকে স্বরা ভাস্কর-ফাহাদ আহমেদ— তালিকা দীর্ঘ। তবে তাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা নেই পরিণীতি চোপড়ার। জানালেন, সতীর্থরা বিয়ে করছেন বলে তার খুব ভাল লাগছে।  নিজেও মনের মানুষ খুঁজছেন। 

    rnrn

    পরিণীতি জানান, বিয়ে করতে আগ্রহী তিনিও। কিন্তু তা হতে হবে ঠিক সময়ে, ঠিক মানুষটির সঙ্গে। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, এখন তিনি একা, মনের মানুষ খুঁজছেন।

    rnrn

    অভিনেত্রী বলেন, আমাকে একটি ছেলে খুঁজে দিন, যাতে আমার ব্যক্তিগত জীবনটা সাজিয়ে নিতে পারি। 

    rnrn

    সন্তানের মা হতেও ইচ্ছে করে অভিনেত্রীর। ক্যারিয়ারেও ভারসাম্য চান তিনি। তার খুশি, আনন্দ ভাগ করে নিতে চান আত্মীয় ও বন্ধুদের সঙ্গে।

    rnrn

    ইন্ডাস্ট্রিতে তার সতীর্থরা বিয়ে করছেন দেখে খুব খুশি অভিনেত্রী। তিনি বলেন, যে দিন আমি আমার মনের মানুষটিকে খুঁজে পাব, তার প্রেমে পড়ব, আমিও নিশ্চয়ই বিয়ে করতে চাইব।

    rnrn

    পরিণীতিকে আগামী দিনে দেখা যাবে ইমতিয়াজ় আলির ‘চমকিলা’য়। এই ছবিতে তার সহ-অভিনেতা দিলজিৎ দোসাঞ্জ। এই ছবির কাজে তিনি এখন পঞ্জাবে রয়েছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ের ইঙ্গিত দিলেন পরিণীতি

    সঠিক মানুষটির অপেক্ষায় আছেন জানিয়ে এবার বিয়ের ইঙ্গিত দিলেন বলিউড অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়া।

    rnrn

    হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তিনি গাঁটছড়া বাঁধতে আগ্রহী। 

    rnrn

    পরিণীতি বলেন, ‘আমাকে একটা ছেলে খুঁজে দিন। এরপর আমার ব্যক্তিগত জীবন সাজাব।’ 

    rnrn

    বলিউডে সম্প্রতি বিয়ে হিড়িক পড়ে গেছে। এ নিয়ে পরিণীতি বলেন, ‘আমি আমার বন্ধুদের হাসি মুখ দেখে অনেক খুশি। যেদিন আমি আমার মানুষকে খুঁজে পাব এবং তার প্রেমে পড়ব, সেই মানুষকেই আমি বিয়ে করতে চাই।’ 

    rnrn

    পরিণীতি আরও জানান, তিনি বিয়ে করতে চান এবং সন্তানের মা হতে চান। উত্থান-পতন, সুস্বাস্থ্য এবং পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সুখ ভাগ করে নেওয়ার একটি দুর্দান্ত ভারসাম্যপূর্ণ ক্যারিয়ারের আশা পরিণীতির। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • অবশেষে বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন এই অভিনেত্রী

    গত বছরের ৪ ডিসেম্বর সোহেল কাঠুরিয়াকে বিয়ে করেছেন দক্ষিণ ভারতীয় অভিনেত্রী হানসিকা মোতওয়ানি। 

    rnrn

    বান্ধবীর ঘর ভেঙে নিজের সংসার পেতেছেন- সোশ্যাল মিডিয়ায় এ নিয়ে ট্রলের বিষয়ে অবশেষে মুখ খুললেন তিনি।

    rnrn

    সম্প্রতি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে তার বিয়ে নিয়ে বানানো রিয়েলিটি শো ‘লাভ, শাদি, ড্রামা’। সেই অনুষ্ঠানেও আভাস মিলেছে বিতর্কের। 

    rnrn

    হৃতিক রোশনের সঙ্গে শিশুশিল্পী হিসেবে ‘কোই মিল গ্যায়া’ সিনেমাতে কাজ করেছিলেন হানসিকা। ‘টিনা’ চরিত্রে তার অভিনয় মুগ্ধ করেছিল দর্শককে। পরবর্তীকালে দক্ষিণী সিনেমাতে অভিনয় করে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। কাজ করেছেন বলিউডেও। 

    rnrn

    রটেছিল, তিনি সোহেলের প্রথম বিয়ে ভাঙার জন্য দায়ী। এই অভিযোগ খণ্ডন করে হানসিকা বলেন, ‘মিডিয়ায় যেসব বিবরণ লেখা হয়েছে, বেস্ট ফ্রেন্ড, এই-সেই … দেখে আমার ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থা!’ 

    rnrn

    সোহেলের প্রথম বিয়েতে তার উপস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি জানান, সোহেল ছিলেন তার ভাইয়ের প্রিয় বন্ধু। তাই গিয়েছেন। কেনই বা যাবেন না?

    rnrn

    তাদের সম্পর্কের গভীরতা বোঝাতেই হানসিকা বলেন, ‘সব সময় ও আমার কাছাকাছি থাকত। আমার ভাইয়ের প্রিয় বন্ধু ছিল ও। ধীরে ধীরে আমারও প্রিয় বন্ধু হয়ে ওঠে। এভাবেই শুরু।’

    rnrn

    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ের আগেই সম্পর্ক করে যে গুনাহ করেছি, তার জন্য মাফ চাই: প্রভা

    ২০১০ সালের ১৬ এপ্রিল দীর্ঘদিনের প্রেমিক রাজিব হাসানের সঙ্গে বাগদান হয়েছিল ছোট পর্দার অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভার। ওই বছরেরই ১৯ আগস্ট শুটিং সেট থেকে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্বকে। 

    তাদের বিয়ের পর রাজিবের সঙ্গে প্রভার ব্যক্তিগত মুহূর্তের কিছু ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। রাজিবের সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের সেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে পরের বছর ফেব্রুয়ারিতে অপূর্বের সঙ্গে বিয়েবিচ্ছেদ হয় প্রভার।  

    এরপর দীর্ঘদিন পর্দার আড়ালে চলে যান তিনি। রাজিবের সঙ্গে আসলে কী ঘটেছিল তা নিয়ে এতদিন কোনো কথা না বললেও এবার মুখ খুললেন প্রভা। নিজের ফেরিভায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে বিষয়গুলো কিছু তথ্য শেয়ার করেছেন তিনি।

    প্রভা লিখেছেন- ‘আমি কোনো প্রতারণা করি নাই! আমি চুপ করে থাকি বলে এই না যে, আপনারা আমাকে নিয়ে যা খুশি তাই বানিয়ে বলবেন। আমার শুধু মনে হচ্ছিল আপনাদের কাছে প্রমাণ করে কি লাভ; ওপরে যিনি আছেন, যার কাছে যাব, যিনি বিচারকারী তিনি জানলেই তো হয়।

    ‘বিয়ের আগেই সম্পর্ক করে যে গুনাহ আমি করেছি সেই গুনাহর জন্য জনতার কাছে আমি প্রতিনিয়ত মাফ চাচ্ছি মাফ চাইব! কিন্তু যতদিন বেঁচে থাকব আপনাদের কাছ থেকে অনেক সোয়াব কামাবো! কারণ আপনারা না জেনে আমাকে গালি দেন। না বুঝে আমাকে একতরফা প্রতারক বানিয়ে দিয়েছেন।’

    তিনি লেখেন- ‘শোনেন….. প্রথমত আমি রাজিবকে সব জানিয়ে বিয়ের কথা শুরু হয়। কারণ বিয়ের নয় দশ মাস আমার সঙ্গে রাজিবের ব্রেকআপ থাকে, আমাদের সেই আট বছরের সম্পর্কের অলমোস্ট ৫-৬ বছরই ব্রেকআপ থাকতো। রাজিব আমাকে কখনই সম্পর্ক থেকে বের হতে দিত না। এটা ওর সাইকোলজিকাল সমস্যা ছিল। ব্রোকেন ফ্যামিলির ছেলে ও! কারণ ওর বাবা ওর মাকে ছেড়ে খুব ছোটবেলায় অন্য এক মহিলাকে বিয়ে করেছিল। তাই হয়ত ওর মনের মধ্যে ওই জেদ ছিল যে, ওকে ছেড়ে কেউ যেতে পারবে না! আর তাই এই আমাকে বিভিন্নভাবে কনভেন্স করে পার্সোনাল কিছু মুহূর্তের চিত্র ধারণ করে রাখে। যাই হোক সেটা যদি আপনারা সাইবার ক্রাইমের বিভিন্ন গল্প পড়ে থাকেন যে, কেমন করে ছেলেরা মেয়েদেরকে কনভেন্স করে, তাহলে আরও ক্লিয়ারলি জানতে পারবেন।’

    ‘আমি রাজিবকে অনেকবার ছেড়ে যেতে চেয়েছি। আমাদের ব্রেকআপ হয়েছে, ব্রেকআপের পরে আমার অন্য জায়গায় বিয়ে ঠিক হয়েছে, সেই বিয়ে আমি করিনি। রাজিব পড়াশোনা করত না। আমি তাকে চিনি যখন আমি ক্লাস নাইনে পড়ি। কিন্তু আমি যখন অনার্স থার্ড সেমিস্টার, তখন পর্যন্ত সে অনার্স ফার্স্ট সেমিস্টার। কেন জানেন, কারণ সে বিভিন্ন ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হতো! কিন্তু বারবার রেজাল্ট খারাপ করতো, ইউনিভার্সিটি তাকে বের করে দিত আবার অন্য ইউনিভার্সিটিতে টাকা দিয়ে ভর্তি হতো।

    ‘ও আরেকটা কথা রাজিব কিন্তু কোনো ইনকাম করত না। রাজিবের বাবার টাকা ছিল। কিন্তু রাজিবের সঙ্গে আমার আরেকটা সমস্যা ছিল সেটা হলো যে, রাজিব কোনো কিছু ইনকাম করতে চাইত না! ওর কথা, আমার বাবার এত আছে আমার কেন ইনকাম করতে হবে। এই জিনিস নিয়ে আমাদের প্রচণ্ড দ্বন্দ্ব হতো। সবচেয়ে বেশি হতো পড়াশোনা নিয়ে। এই সমস্ত জিনিস নিয়ে আমাদের প্রচুর ব্রেকআপ হয়েছে!’

    তিনি লিখেছেন- ‘যাইহোক ওই ছেলের সঙ্গে আমার বিয়ের কথা হয়েছিল, আংটি বদল হয়েছিল কিন্তু সে আংটি বদলের আট মাস আগে আমার কোনো যোগাযোগ ছিল না। ওই যে বললাম, আমাদের আট বছরের সম্পর্কের ব্রেকআপই থাকত অনেক। তো বিয়ের কথা শুরু হওয়ার সময় আমি রাজিবকে জানিয়ে দেই বিগত এতগুলো মাস আমার কার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল, আমি সেই ছেলে, তার সঙ্গে আমার ভালোলাগা আছে; কিন্তু এটা হবার না, হবে না বুঝেই গেছি- এরকম কথাগুলো আমি তার সঙ্গে ক্লিয়ার করে নিয়েছিলাম। আমার তখন বয়স ছিল ২২, মাথায় বুদ্ধি ছিল না। থাকলে তো সবার আগে রাজিবের সঙ্গে প্রেম করতাম না।’

    প্রভা লিখেছেন- ‘বুদ্ধি যদিও আমার এখনো হয় নাই। যাইহোক আমার কাছে মনে হয়েছে, বিয়ে করার আগে তাকে সব কিছু জানিয়ে দেই, যে কার সঙ্গে মাঝখানে সম্পর্কে হতে গিয়েও হয় নাই! (যার কথা বলছি ওনার সঙ্গে আমার পরবর্তীতে বিয়ে হয়েছিল পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছিলাম তাকে) এতে হিতে বিপরীত হয়েছে।

    ‘আমাদের এঙ্গেজমেন্টের পর থেকে প্রায় প্রতিদিনই রাজিবের সঙ্গে আমার কথা বলা বন্ধ থাকত। ঝগড়া হতো বিভিন্ন কারণে। প্রচণ্ড মিথ্যা কথা বলতো। সব কিছু মিলায়া আমার মন যখন কোনোভাবেই মান ছিল না ওকে বিয়ে করতে, আমি বারবার ওকে অনুরোধ করছিলাম যে, চলো বিয়েটা না করি। আমাদের এই বিয়ে ছয় মাসও টিকবে না! একথা আমি আমার বাসায়ও বলেছিলাম। কিন্তু আমার তো অনেক বয়স হয়ে গিয়েছিল। ২২/২৩ বছরের একটা মেয়ে বিয়ে তো করতেই হবে বলেন! যাইহোক এ সমস্ত কথা আর নাই বলি!’

    তিনি লিখেছেন, ‘পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করার ঘটনাটা খুব না জানা আপনাদের। যেদিন এই ঘটনাটা ঘটে তার বেশ কিছুদিন ধরে আমার আর রাজিবের খুব ঝগড়া, খুব বিশাল ঝগড়া হতো। রাজিব বুঝে গেছিল যে আমার মনটা নাই। বুঝে কেন যাবে, আমি তাকে ভেঙে নিজেই বলছি যে, শুধু আংটি পরানো হয়েছে, কিন্তু আর কিছু হয় নাই। চলো এটা এখানেই শেষ করি। কিন্তু সে তো নাছোড়বান্দা, তার ওপর সাইকোলজিক্যাল সমস্যা ছিল তার। মাথায় ছিল তার বাবা তার মাকে ছেড়ে চলে গেছিলো, তাকে ছেড়ে কেউ যেতে পারবে না, তার কাছে তো প্রমাণ আছে!

    ‘প্রমাণ এর কথায় মনে পড়ল, একবার খুব কায়দা করে তাকে জানতে চাইছিলাম যে, কই আছে ওগুলা, চলো তুমি আর আমি মিলে একটু দেখি। তখন সে আমাকে বলছিল, তুমি কি পাগল; তুমি আমার বউ হবা এইজন্য আমি সব কিছু ডিলিট করে দিছি। আসলে তো ডিলিট করে নাই। এখন বুঝতে চান, মানসিকভাবে মানুষটা কি পরিমাণ ক্রিমিনাল মাইন্ডেড!? আসলে ওকে সম্পূর্ণভাবে দোষ দেয়া যায় না! এমন একটা পরিবেশে, যে পরিবেশে বাবা ছিল না, কষ্টে সারাটা জীবন বয়ে বেড়াচ্ছে, ঠিকমত সোশ্যালি মানুষের সাথে মিশতে পারে নাই এরকম একটা মানুষ আস্তে আস্তে ক্রিমিনালই পরিণত হবেন।’

    প্রভা লিখেছেন, ‘তারপর সে আমার বাসায় এ ব্যাপারে বিচার বসায়। আমার বাবা-মা আমাকে বকাঝকা করে সত্যি কথা বলি। আমি বাবা-মাকে কষ্ট দিয়েছি, আমি আমার বাবা মাকে না বলে বাসা থেকে পালিয়ে গিয়ে আরেকজনের হাত ধরছিলাম… কিন্তু যার হাত ধরতে বলছিল ওই সময়ে সেই মানুষটাও তো ভুলই ছিল। যদিও সেই মানুষটার আমাকে পছন্দ ছিল, আসলে আমি নিরুপায় পছন্দ করেছিলাম। বাসায় এত বিয়ের চাপ দেয়া হয়েছিল যে, আমি নিরুপায় হয়ে ওকে বলেছিলাম ঠিক আছে তুমি আমাকে বিয়ে করো, কিন্তু আমি তো সব জানিয়ে বিয়েটা করতে গিয়েছিলাম। আমি কাকে ভালোবেসে ছিলাম, আমাদের ব্রেকআপের পরে সম্পর্ক তো হতেই পারে! তো মনের মধ্যে বিষ রেখে দিয়েছিল কেন যে ওকে ভালো লাগে না, এই ব্যাপারটা করত না সম্মতি দিতে হবে না, তুমি অন্য জায়গায় সম্পর্কে জড়িয়েছিলে, আমি তোমাকে বিয়ে করতে পারব না, তুমি তো মনের মধ্যে জেদ, সে যে আমারই হবে! কারণ আমার মাকে রেখে আমার বাবা অন্য মহিলাকে বিয়ে করেছিল। যাই হোক!

    ‘সেদিন বাসায় এমন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল, আমার কাছে মনে হয়েছিল যে, এখান থেকে মুক্তি পাওয়ার এই একটাই উপায় আর তাছাড়া আমাকে ফোন করে বলা হয়েছিল- তুমি বাসা থেকে বের হও, আব্বু-আম্মুর সঙ্গে আমার কথা বল। তুমি বের হলে আমাদের বিয়ে। ওহ আমার প্রাক্তন শ্বশুর-শাশুড়ি প্রাক্তন স্বামীর কলিগ থাকা অবস্থাতেই আমাকে অনেক আদর করতেন। বিশেষ করে আমার শ্বশুর, তাই আমার বরং ভরসাই লাগছিল। ভেবেছিলাম বিয়ের পরে কমাস পর বাবা-মা মেনে নেবে! তখন তো আস্তে আস্তে সব ঠিক হয়ে যাবে! যাই হোক বের হয়ে গেলাম বিয়ে হলো, সকাল সকাল ফোন দিয়ে রাজীবকে জানিয়ে দিলাম আমার বিয়ে হয়ে গিয়েছে, ও যেন আনন্দ থাকে, দুই দিনের মধ্যে সেই ডিলিট করা (আসলেতো মিথ্যা) ডকুমেন্টগুলো সে পাবলিক করে।’

    প্রভা লিখেছেন, ‘আর যেহেতু ধর্মীয়ভাবে অন্যায় করেছি, সোশ্যালি কোনো অন্যায় করিনি তাই ধর্মের নিয়মে বলছি, আমার এই ঘটনার পর আমার প্রাক্তন স্বামীর উচিত ছিল আমাকে আরও বেশি সাপোর্ট করা। মারাও যেতে পারতাম। শুধু আত্মহত্যা করলে কোনোভাবেই সৃষ্টিকর্তার কাছে যেতে পারবো না, সেই ভয়ে আর আল্লাহর সাথে দেখা করার লোভে আত্মহত্যা করি নাই। তার জীবন সুন্দর হয়েছে।’

    তিনি লেখেন, ‘যাইহোক ঘটনার দিনের গল্প বলি, আমার সাথে বহুদিন ধরে ঝগড়া-বিবাদ কথা বন্ধ মান-অভিমান চলছে আমার প্রথম কথা হয়েছিল চলো বিয়েটা না করেই বিয়েটা টিকবে না, তাই বুঝতে পারত আমিও বলতাম। তারপর উত্তর দেব তাকে কেউ ছাড়তে পারবে না এমনি বসে বন্ধুদের সাথে সিলেট বেড়াতে যাচ্ছিল যাবার আগে আমার একটা পুরনো ফোন সে আমার বাসা থেকে নিয়েছিল সেখানে আমার প্রাক্তন স্বামীর সাথে আমার একটা কনভারসেশন আছে।’

    ‘তুমি কই তোমাকে মিস করছি, মনে পড়ে তোমার কথা খুব, আমিও লিখেছি আমিও তোমাকে মিস করি, আমার তোমার কথা অনেক মনে পড়ে! আমি আমার প্রাক্তন স্বামীকে আসলে অনেক ভালোবেসেছিলাম। তো এটা পড়ে রাজিব আমাকে অনেক অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে এবং বলে তার সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নাই এবং এটা ফাইনাল। ও আরেকটা কথা রাজিবের সাথে আমার সম্পর্ক থাকাকালীন অবস্থায় যতবার ঝগড়া লেগেছে ততবারই আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করত এবং আমাকে নিয়ে অনেক মিথ্যা বানিয়ে বানিয়ে বলতো এবং পরবর্তীতে আবার আমার সাথে সে ঠিক করতে চাইত, ও ক্রিমিনাল কিন্তু আমি অনেক বড় ছাগল ছিলাম, যে একটা মানুষ যখন সম্পর্ক টিকেনা সম্পর্ক টানাপড়েন শুরু হয় তখন আমার ব্যক্তিগত চরিত্র নিয়ে বাজে কথা বলে, তাহলে সেই মানুষটার কাছে কেন বারবার আমি ছুটে যাই, ভয় ছিল বিশ্বাস করেন, ভালোবাসা অনেক আগেই মরে গিয়েছিল, ভয় ছিল ক্ষতির ভয়, যেটা সত্যিতে পরিণত হয়।’

    তিনি লেখেন, ‘আপনারা দয়া করে পত্রিকার কথা বিশ্বাস করবেন না। পত্রিকার লোকেদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ভালো না। তাদের সঙ্গে এক জায়গায় বসলে বা খেলে তাদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকে। তারা খুব অসুস্থ হয়ে গিয়েছে। তাদের পত্রিকা বিক্রির জন্য তারা নানান কথা বানিয়ে বানিয়ে লিখতে হয়। স্বচ্ছন্দ বোধ করছে।’

    প্রভা লেখেন, ‘যাই হোক তবে আমি এতোটুকু বলতে পারি আমি কোনোদিন লিভ টুগেদারে ছিলাম না। যে বাসায় আমি থাকি মানে আমার বাবা-মায়ের বাসা, সেখানে আমাকে শুটিং ব্যতীত রাত দশটা থেকে সাড়ে দশটার মধ্যে ঢুকতে হয়।

    ‘একটা কথা, বেঁচে যেহেতু আছি, জীবনে চলার পথে ভালোবাসা আসতে পারে। আপনাদের চোখে তো আবার আমি বাজে মেয়ে, বাজে মেয়েটা বহুবার ফিজিক্যালি অ্যাবিউজড হয়েছে। কিন্তু কিছু বলতে পারি নাই। চাইছি সম্পর্ক টিকুক। আমি আবার কিছু বললে আপনারা তো বিশ্বাস করবেন না।’

    দীর্ঘ এই আলাপের শেষের দিকে প্রভা লিখেন, ‘আত্মহত্যা করিনি বলে আপনারা আমাকে প্রতিনিয়ত ইন্সপায়ার করেন, মেরে ফেলতে চান, না জেনে না বুঝে আমাকে বিভিন্নভাবে খারাপ মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চান।’

    ২০০৫ সালের দিকে একটি সাবানের বিজ্ঞাপন দিয়ে বিনোদন প্রভা। এরপর নাটকের মাধ্যমে নিয়মিত হন ছোট পর্দায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিনেত্রী স্বরার বিয়ের খবরে যা বললেন কঙ্গনা

    আথিয়া শেঠি, কিয়ারা আদভানি-সিদ্ধার্থ মালহোত্রার পর এবার বিয়ে করেছেন বলিউড অভিনেত্রী স্বরা ভাস্কর। বৃহস্পতিবার হঠাৎ টুইটারে বিয়ের খবর দেন স্বরা।

    rnrn

    এদিন ঘোষণা দিলেও গত ৬ জানুয়ারি রাজনৈতিক কর্মী ফাহাদ আহমেদকে বিয়ে করেন ‘বীরে ডি ওয়েডিং’ অভিনেত্রী। শুধু বিয়ের খবরই নয়, টুইটারে কোর্ট ম্যারেজের বেশ কিছু ছবিও পোস্ট করেছেন স্বরা ভাস্কর।

    rnrn

    স্বরার বিয়ের খবরে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে টুইট করেছেন কঙ্গনা রানাউত। সরকারবিরোধী মন্তব্য করার কারণে বেশ কয়েকবার মতানৈক্য হয়েছে স্বরার সঙ্গে কঙ্গনার। তবে দুজনেই অবশ্য একসঙ্গে কাজ করেছেন তন্নু ওয়েডস মন্নু ও তন্নু ওয়েডস মন্নু রিটার্নসে। সেখানে দুজনে ছিলেন একে-অপের সবচেয়ে কাছের বন্ধু।

    rnrn

    টুইটারে স্বরা আর ফাহাদকে ট্যাগ করে কঙ্গনা লেখেন— ‘ভগবানের আশীর্বাদে তোমাদের দুজনকেই হাসিখুশি আর সুখী লাগছে। বিয়ে তো হৃদয়ের হয়, বাকি সবই আনুষ্ঠানিকতা।’ 

    rnrn

    এর আগে টুইটারে স্বরা বিয়ের খবরে লেখেন— ‘অনেক সময় আমরা এমন কিছু খুঁজি, যা চোখের সামনেই থাকে অথচ দূরে খুঁজতে থাকি। আমরা ভালোবাসা খুঁজছিলাম, পেলাম বন্ধুত্ব। তার পর একে অপরকে খুঁজে পেলাম। আমার মনে তোমাকে স্বাগত ফাহাদ। এখানে অনেক শোরগোল কিন্তু এই মন তোমার।’

    rnrn

    স্বরার পোস্ট শেয়ার করে ফাহাদ লিখেছেন, ‘কখনো ভাবিনি শোরগোলও এতটা সুন্দর হতে পারে। আমার হাত ধরার জন্য ধন্যবাদ।’

    rnrn

    স্বরার স্বামী ফাহাদ আহমেদ সমাজবাদী পার্টির যুবনেতা। জানা গেছে, একটি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তাদের প্রথম দেখা। রাজপথের মিছিল থেকে সেই সম্পর্ক এখন পরিণয়ে রূপ নিয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মন্দিরের ঘণ্টার মতো যে যেমন খুশি বাজায়: কৌশানী

    টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কৌশানী মুখোপাধ্যায়। এখন তিনি প্রযোজকও বটে। আগামীকাল শুক্রবার মুক্তি পাচ্ছে তার প্রযোজিত প্রথম ছবি ‘ডাল বাটি চুরমা।’ 

    rnrn

    সম্প্রতি তিনি আনন্দবাজারকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে সামাজিক মাধ্যমে ভক্ত-দর্শকদের নানা সমালোচনা নিয়ে কথা বলেন। 

    rnrn

    নিজের প্রযোজিত প্রথম ছবিটা সবার ভালো নাও লাগতে পারে, সে বিষয়ে কি আপনি মানসিকভাবে প্রস্তুত কিনা— এমন প্রশ্নের জবাবে কৌশানী বলেন, হ্যাঁ, আমরা আসলে মন্দিরের ঘণ্টা, যে পারে এসে বাজিয়ে চলে যায়। পাবলিক ফিগার হওয়া মানেই অলিখিত ঘোষণা, যে যেমন খুশি কথা বলতে পারে। ট্রল করতে পারে। আমরা এগুলো নিয়েই সংসার করি। নেতিবাচক মন্তব্য এখন আমি উপভোগ করি।

    rnrn

    ইন্ডাস্ট্রিতে নানারকম বৈষম্যের বিষয়ে তিনি বলেন, এমন অনেক সময় হয়েছে, একটা ছবিতে আমার নায়কের তুলনায় অনেক বেশি অংশ আমার। আমায় অনেক বেশি দিন সময় দিতে হয়েছে। কিন্তু শেষে নায়ককেই বেশি পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছে, আমায় নয়। আমি বনিকে অনেকবার প্রশ্ন করেছি। অনেক সময় বনির সঙ্গেই হয়তো ছবি করছি। ওর থেকে আমায় অনেক বেশি দিন সেই ছবির জন্য শুট করতে হয়েছে। কিন্তু দিনের শেষে আমাকে ওর থেকে কম টাকাই দেওয়া হয়েছে। তখনই বনিকে আমি বলেছিলাম— কেন এমনটা হয়?

    rnrn

    পরে অবশ্য কৌশানী বলেন, ও নিজে খেটে এই জায়গা তৈরি করেছে। বনি যদি কাউকে গিয়ে বলে, কৌশানীকে এত টাকা দাও, সেটি তো সম্ভব নয়। কৌশানী বললেই শুনছে না, বনি বললে কীভাবে শুনবে। আসলে অভিনেতাদের হাতে কিছু নেই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ে করা মানেই পায়ে বেড়ি পরা : জয়া আহসান 

    কিছুদিন থেকে রাজধানীর বিভিন্ন বিয়ের অনুষ্ঠানে হঠাৎ করেই হাজির হচ্ছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। বিয়ের অনুষ্ঠানে হাজির হওয়ায় বর-কনে কিছুটা হলেও চমকিত হচ্ছেন। তবে বর-কনে অনেক উচ্ছ্বসিতও হচ্ছেন।

    rnrn

    অন্যের বিয়ের অনুষ্ঠানে হঠাৎ হাজির হতে দেখা গেলেও অনেক অনুরাগীদের মাঝে ঘুরপাক খাচ্ছে- কবে বিয়ে করবেন তিনি? 

    rnrn

    সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে নিজের বিয়ে নিয়ে কথা বলেছেন এই নায়িকা। সোজাসাপটা উত্তর দিয়েছেন- আমি খুব ভালো আছি। কেন আমার পায়ে বেড়ি পরাতে চাইছেন।

    rnrn

    বিয়ের ব্যাপারে যে আপাতত কোনো ইচ্ছা নেই সে কথাও বললেন অভিনেত্রী- আমার তো কোনো ইচ্ছা নেই। তবে বলা যায় না, কখন কী হয়! আমি ভালো আছি। আপাতত বিয়ের ইচ্ছা নেই আমার।

    rnrn

    প্রসঙ্গত, রাজধানীতে বিয়ের অনুষ্ঠানে অভিনেত্রীর হাজির হওয়া মূলত একটি প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পেইনের অংশ। এর নাম দেওয়া হয়েছে ওয়েডিং ক্রাশ। প্রতিষ্ঠানের একটি পণ্যের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হয়েছেন জয়া আহসান।
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলার বিয়ের সাজের ছবি ফাঁস

    টালিউড তারকা অঙ্কুশ হাজরা ও ঐন্দ্রিলা সেনের বিয়ের বিষয়ে নতুন ছবি ফাঁস হয়েছে। এর আগে তাদের বিয়ে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার ঝড় ওঠে। এর শুরুটা অঙ্কুশই করেছিলেন। নায়িকার ঠোঁটে ঠোঁট বসানো ছবি পোস্ট করে জানিয়েছিলেন, ‘কিছু বিশেষ কারণে বিয়েটা হবে কিনা জানি না…।’ এ নিয়ে আলোচনার মাঝেই নতুন ছবি সোশ্যালে ভাইরাল।

    হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে— ছবিতে বরের সাজে অভিনেতা। হলুদ পাঞ্জাবিতে সেজেছেন তিনি। পাশেই কনের সাজে বসা ঐন্দ্রিলা। পরনে লাল বেনারসি, ওড়না, নাকে নথ, কপালে কলকে ও শরীরজুড়ে মানানসই গহনা।

    মঙ্গলবার ইনস্টাগ্রামে এমনই ছবি শেয়ার করেন টালিউড নায়িকা। ছবির ওপর লেখা— ‘বিয়ের আগের রাতে।’

    এর আগে সোমবার ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা হয় ছবিটি। সেই পোস্টই নিজের স্টোরিতে শেয়ার করেন নায়িকা। সেই ছবি এখন ঘুরে বেড়াচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এ নিয়ে নানা প্রশ্নও উঠেছে।

    অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলা এক যুগেরও বেশি সময় ধরে সম্পর্কে রয়েছেন। এই সময়ে তাদের সবচেয়ে বেশি প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে বিয়ে নিয়ে।

    এদিকে গত কয়েক দিন ধরে ‘বিয়ে কেন হচ্ছে না’ শিরোনামে কয়েকটি সিরিজ পোস্ট করেন অভিনেতা। সেখানে কখনো বিয়ে না হওয়া, কখনো ঐন্দ্রিলার সঙ্গে ব্রেকআপ, আবার কখনো প্রসেনজিৎ ও আবির চ্যাটার্জির প্রশ্ন নিয়ে ভিডিও পোস্ট করেন।

    বিয়ে কেন হচ্ছে না সিরিজের মাঝে বর-কনের সাজে ছবি নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। সোশ্যালে ওঠা প্রশ্নে অনেকে বলছেন, তা হলে কি অবশেষে বিয়ে করলেন অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলা। আবার কেউ বলছেন, এটি কোনো ওয়েব সিরিজ বা সিনেমার প্রচার।

    ধারণা করা হচ্ছে, অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলার পরবর্তী সিনেমা ‘লাভ ম্যারেজের’ প্রোমোশন এসব। তবে এ নিয়ে এখনো এই জুটির মধ্যে কেউ মুখ খোলেননি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শ্রাবন্তীকে বিয়ে করছে অঙ্কুশ? 

    টালিউড অভিনেতা অঙ্কুশ ও অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা সেন দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে সম্পর্কে রয়েছেন। দীর্ঘদিনের সম্পর্কে ‘কবে বিয়ে করছেন’, এ নিয়ে অনেকবার প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে তাকে। তবে গত ১২ ফেব্রুয়ারি রহস্যময় বার্তা দেন নায়ক। তারপর এ নিয়েই যত জল্পনার শুরু। 

    rnrn

    অঙ্কুশ ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে বলেন, ‘কিছু বিশেষ কারণে বিয়েটা হবে কিনা জানি না…। ১৪ ফেব্রুয়ারি আমাদের সম্পর্কের ১৩ বছর পূর্ণ হবে। আমার জন্মদিনে এর চেয়ে বড় উপহার আর কী-ই হতে পারে? বাকিটা ব্যক্তিগত।’ খবর এপিবি বাংলার। 

    rnrn

    ওই পোস্টে শুভাকাঙ্ক্ষীরা নানা প্রশ্ন করতে থাকেন। কিন্তু তাতে কোন সাড়া দেননি অঙ্কুশ কিংবা ঐন্দ্রিলা। তাদের বিয়ে নিয়ে বুম্বাদা প্রসেনজিৎ ও অভিনেতা আবির চ্যাটার্জিও প্রশ্ন করেন।

    rnrn

    এদিকে সোমবার ইনস্টাগ্রামে আরেকটি ভিডিও পোস্ট করেন নায়ক। সেখানে দেখা যায়, ঐন্দ্রিলা ফোনে একটি ভিডিও এসএমএস দেখে চিন্তিত হয়ে সোজা চলে যান অঙ্কুশের কাছে। অভিতোকে ভিডিওটি দেখান তিনি।

    rnrn

    ঐন্দ্রিলার ফোনের ভিডিওতে শ্রাবন্তীকে বলতে দেখা যায়, তোদের মনে হয় সম্পর্কের বারো বছর হয়েছে। অনেক দিন তো হলো, বিয়ে কবে করছিস? তারপরই অভিনেতা কাঁদো কাঁদো স্বরে বলেন, সবসময় একই প্রশ্ন ভালো লাগে না। সবাই একই কথা জিজ্ঞাস করছে। লজ্জায় কাউকে কিছু বলতে পারছি না।

    rnrn

    অঙ্কুশ আরও বলেন, তো শ্রাবন্তীর যদি এতই সমস্যা হয় তাহলে আমাকে ব্যাচেলর থাকতে দে। আমার অবিবাহিত থাকা নিয়ে শ্রাবন্তীর যদি সমস্যা হয় তাহলে আমায় ও বিয়ে করে নিক না! আমার কোনো সমস্যা নেই।

    rnrn

    এখানেও নেটিজেনরা ঐন্দ্রিলার সঙ্গে সম্পর্ক ও শ্রাবন্তীকে নিয়ে এই বার্তা দেয়া প্রসঙ্গে নানা প্রশ্ন করেন। তাতেও কোনো জবাব দেননি কোনো তারকা। তবে অঙ্কুশের এসব ভিডিও থেকে আঁচ করা যায়, এর সঙ্গে পর্দার কোন মিল রয়েছে। হয়তো নতুন কোন সিনেমার প্রচারণা চালাচ্ছেন। না হয় নতুন কোন ঘোষণা দেবেন তারা।
    rn 

    অনলাইন ডেস্ক

  • বিয়ের আগেই অন্তঃসত্ত্বা কিয়ারা!

    সদ্যই সাতপাকে বাঁধা পড়েছেন সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ও কিয়ারা আদভানি। রাজস্থানের জয়সলমের এবং দিল্লিতে বিয়ের উৎসব সেরে প্রায় এক সপ্তাহ পর মুম্বাইয়ে ফিরেছেন এই নবদম্পতি।

    rnrn

    বর্তমানে বিবাহোত্তর সংবর্ধনায় ব্যস্ত বলিউডের নবদম্পতি সিদ্ধার্থ সিদ্ধার্থ-কিয়ারা। এমন পরিস্থিতিতে তাদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন বলিউডের প্রভাবশালী চলচ্চিত্র সমালোচক কামাল আর খান ওরফে কেআরকে। টুইটারে এক পোস্টে তিনি ইঙ্গিতে কিয়ারাকে বিয়ের আগে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খোঁচা দিয়েছেন। 

    rnrn

    টুইটারে কেআরকে লেখেন, ‘আগে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পরে বিয়ে করা বলিউডের ট্রেন্ড হয়ে গেছে। সূত্রের খবর, বলিউডের সাম্প্রতিক বিয়ের কারণও একই। ভালোই তো!’ 

    rnrn

    রণবীর কাপুরের সঙ্গে বিয়ের আড়াই মাসের মধ্যেই অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। আর সম্প্রতি রাজস্থানে বিয়ে সেরেছেন সিদ্ধার্থ ও কিয়ারা জুটি। তাই নেটিজেনদের ধারণা, সিদ–কিয়ারাকে কটাক্ষ করেই কেআরকের এই টুইট। 

    যুগান্তর ডেস্ক