Tag: বিনোদনের খবর

  • আসছে ‘ব্ল্যাক প্যান্থার ৩’, যেসব ধামাকার অপেক্ষায় ভক্তরা

    মার্ভেল ভক্তদের জন্য দারুণ সুখবর। স্টুডিও কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে, ‘ব্ল্যাক প্যান্থার ৩’ নির্মাণের কাজ চলছে এবং ২০২৮ সালে সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। এবার আইকনিক ‘ব্ল্যাক প্যান্থার’ চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেতা ডেভিড জনসনকে। তিনি মূল সুপারহিরো টি’চাল্লার ছেলে প্রিন্স টি’চাল্লা দ্বিতীয়-এর ভূমিকায় অভিনয় করবেন।

    ২০২৬ সালের সান দিয়েগো কমিক-কনে করা ঘোষণা অনুযায়ী, ওয়াকান্ডার পরবর্তী রক্ষক হিসেবে ব্ল্যাক প্যান্থার ফ্র্যাঞ্চাইজিতে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করবেন জনসন। মার্ভেল জানিয়েছে, ২০২৮ সালের ১৫ ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী সিনেমাটি মুক্তি পাবে।

    সিনেমাটির গল্পে দেখা যাবে, শিশু হিসেবে পরিচিতি পাওয়া টি’চাল্লা দ্বিতীয় কীভাবে বড় হয়ে ওয়াকান্ডার নতুন অভিভাবক হিসেবে নিজের দায়িত্ব বুঝে নেয়। রায়ান কুগলার এবারও পরিচালকের আসনে থাকছেন। আগের মতোই ‘শুরি’ চরিত্রে লেটিশিয়া রাইট এবং ‘এম’বাকু’ চরিত্রে উইনস্টন ডিউক ফিরছেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ‘ব্ল্যাক প্যান্থার’-এর প্রথম সিনেমায় রাজা টি’চাল্লার ভূমিকায় অভিনয় করে তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন প্রয়াত চ্যাডউইক বোসম্যান। ২০২০ সালে বোসম্যানের অকালমৃত্যুর পর, ‘ব্ল্যাক প্যান্থার: ওয়াকান্ডা ফরএভার’ সিনেমায় শুরিকে ব্ল্যাক প্যান্থারের দায়িত্ব নিতে দেখা যায়। ওই সিনেমাতেই টি’চাল্লা ও নাকিয়ার ছেলে টি’চাল্লা দ্বিতীয়ের সঙ্গে দর্শকদের প্রথম পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

    অভিনেতা ডেভিড জনসন এর আগে ‘অ্যালিয়েন: রোমুলাস’ এবং ‘দ্য লং ওয়াক’-এর মতো সিনেমায় অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। ‘ব্ল্যাক প্যান্থার ৩’-এর মাধ্যমে তিনি এখন মার্ভেলের অন্যতম জনপ্রিয় সুপারহিরোর ঐতিহ্যকে আরও সামনে এগিয়ে নিতে প্রস্তুত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নিজের তন্বী চেহারার রহস্য জানালেন জয়া আহসান

    দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান সম্প্রতি কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় পরিচালিত সিনেমা ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’তে অভিনয়ের পর ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন। তবে নিজের কর্মক্ষমতা ধরে রাখার জন্য প্রত্যেক শিল্পীকেই নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়। ব্যতিক্রম নন জয়া আহসানও। কিন্তু তার প্রতিদিনের জীবনযাপন খানিক অবাক করে দিতে পারে তার ভক্ত-অনুরাগীদের।

    ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’র চরিত্র পদ্মা তথা জয়া আহসানের জিমে বড় আলস্য। এ সিনেমার শুটিং শুরু হওয়ার মাসকয়েক আগে থেকে জিম করা শুরু করেন অভিনেত্রী। তখন পিলাটিজ করে ক্যালোরি ঝরান তিনি। অর্থাৎ চিরাচরিত ফিটনেস রুটিনের প্রতি ঝোঁক নেই তার। কিন্তু জনপ্রিয় শারীরচর্চা থেকে খানিক দূরে থাকলেও মাঠঘাট, চাষের ক্ষেত তাকে সুস্থ রাখে, আনন্দে রাখে। 

    জয়া বলেন, জিম করা যে দরকার, তা অস্বীকার করি না। কিন্তু নিয়মিত জিম করা হয় না আমার। আসলে যে যার মতো করে ফিট থাকার চেষ্টা করেন। আমি যেমন চাষ করি। সে সময়ে মাটি তৈরি করা থেকে শুরু করে, দরকারে কোদাল দিয়ে মাটি কোপানোর কাজও করি। 

    বাড়িতে হরেকরকম সবজির চাষ হয়। খাবারের থালাতেও সেই সবিজ রাঁধা পদই থাকে। বাড়িতে তৈরি সবজি দিয়ে রাঁধা খাবারই বেশি পছন্দ তার। ফলে রাসায়নিক সারের ভীতি থাকে না। নিজে চাষ করে খাওয়াদাওয়ারই পক্ষপাতি জয়া। তবে কালেভদ্রে যে বাইরের খাবার খান না, তা নয়। পিৎজা তার খুবই পছন্দের একটি খাবার। তা ছাড়া জাঙ্ক ফুডের প্রতি তত প্রীতি নেই তার। 

    জয়া বলেন, যদি জাঙ্ক ফুড খেয়েও ফেলি, তা নিয়ে অপরাধবোধে ভুগি না আমি। কারণ মাঝে মাঝে মন ও আত্মাকেও খাওয়ানো উচিত বলে মনে করি। আর খুব বেশি সতর্ক হয়ে গেলে খাবার খাওয়ার অভিজ্ঞতা উপভোগ করবেন কীভাবে বলে জানান এ অভিনেত্রী।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পুষ্টিবিদ অনন্যা ভৌমিক বলেন, চাষ করার চেয়ে ভালো শারীরচর্চা আর কী-ই বা হতে পারে! যারা নিয়মিত চাষবাস করেন, তাদের যে কেবল ক্যালোরি ঝরে, তা-ই নয়, পেশি মজবুত হয়, টোনিংয়ের কাজও হয়। তা ছাড়া সূর্যালোকের সংস্পর্শে শরীরে ভিটামিন ডির মাত্রা বেড়ে যায়। এই ভিটামিন শরীরের হাজারো কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

    অনন্যা ভৌমিক আরও বলেন, আদিম যুগে কি জিম ছিল? যন্ত্র বা ব্যায়ামের নতুন ধারাও তখন আবিষ্কার হয়নি। তখন তারা ক্ষেতের কাজ করতেন, মাছ ধরতে যেতেন, কেউ বা শিকারে যেতেন। আর এসব কাজই একটা মানুষকে সুস্থ রাখতে পারে। যত কায়িক শ্রম হবে, ততই শারীরবৃত্তীয় কাজ স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন হবে। এর পাশাপাশি নিজের হাতে তৈরি সবজি দিয়ে রান্না করা খাবার খাওয়ার মতো স্বাস্থ্যকর কী-ই বা হবে।

    বাগান হোক বা চাষের কাজ করা হোক, পুষ্টিবিদের মতে, এই সমস্ত কাজ মনকে আনন্দ দেয়। ফলে শরীরে ‘হ্যাপি হরমোন’-এর ক্ষরণ বাড়ে, আবার স্ট্রেস হরমোন অর্থাৎ কর্টিসলের মাত্রা কমে। সব মিলিয়ে হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্যও মাঠেঘাটে কাজ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

    পুষ্টিবিদের পরামর্শ, যারা চাষের ক্ষেতে কাজ করার সুযোগ পান না, তারা বড় করে বাগান করতে পারেন। অনেকটা জায়গাজুড়ে হাঁটাচলা করা, ঘোরাঘুরি করার মাধ্যমেও শরীর বেশ সক্রিয় থাকে। কিন্তু ছোটখাটো বাগানে এই উপকারিতাগুলো মিলবে না।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ইরানে হামলার ভিডিওতে নিজের গানে ক্ষুব্ধ কেটি পেরি, বললেন—‘আমি এর অনুমতি দিইনি’

    ইরানের ওপর সামরিক হামলার দৃশ্য সংবলিত একটি ভিডিওতে অনুমতি ছাড়া নিজের জনপ্রিয় গান ‘ফায়ারওয়ার্ক’ ব্যবহার করায় ট্রাম্প প্রশাসনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন পপ তারকা কেটি পেরি।

    সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে পেরি লিখেন, ‘আমি ভীষণ ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত… আমি এর অনুমতি দিইনি, আমার কাছে জানতেও চাওয়া হয়নি এবং আমি কোনোভাবেই এটিকে সমর্থন করি না।’ 

    তিনি আরও বলেন, ‘আত্মমর্যাদা ও অনুপ্রেরণার একটি বার্তাকে ধ্বংস ও সহিংসতার কাজে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে দেখাটা আমার গানের মূল চেতনার সম্পূর্ণ পরিপন্থি।’

    হোয়াইট হাউসের টিকটক অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা ভিডিওটিতে সামরিক হামলার দৃশ্যের নেপথ্যে পেরির ওই গানটি বাজানো হয়। সঙ্গে ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘ইরানকে সতর্ক করা হলো’। 

    উল্লেখ্য, বিলবোর্ড হট ১০০-এর তালিকায় শীর্ষে থাকা গায়িকার ৯টি গানের মধ্যে এটি অন্যতম।

    ২০২৩ সালে কার্লাইল গ্রুপ ইনকরপোরেটেড-সমর্থিত লিটমাস মিউজিকে নিজের সবচেয়ে সফল পাঁচটি অ্যালবামের মাস্টার রেকর্ডিং ও প্রকাশনাস্বত্ব বিক্রি করে দেন পেরি। এর মধ্যে ‘টিনেজ ড্রিম’ অ্যালবামটিও ছিল, যার অন্যতম একটি গান হলো ‘ফায়ারওয়ার্ক’। বিলবোর্ডের তৎকালীন প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই চুক্তির অর্থমূল্য ছিল ২২ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এই মার্কিন তারকা সবসময়ই ডেমোক্রেটিক দলের প্রতি নিজের সমর্থনের কথা খোলাখুলি প্রকাশ করে এসেছেন। ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হিলারি ক্লিনটন, ২০২০ সালে জো বাইডেন এবং ২০২৪ সালে কমলা হ্যারিসকে সমর্থন দিয়েছিলেন তিনি। ব্যক্তিগত জীবনে বর্তমানে তিনি কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে প্রেম করছেন বলে জানা গেছে।

    বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে অনুমতি ছাড়াই নিজেদের শিল্পকর্ম বা সংগীত ব্যবহার করার অভিযোগে ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনা করা শিল্পীদের দীর্ঘ তালিকায় সর্বশেষ যুক্ত হলেন কেটি পেরি। নিজেদের আদর্শের সঙ্গে মেলে না, এমন কাজে অনুমতি ছাড়া গান বা শিল্পকর্ম ব্যবহারের প্রতিবাদ এর আগে করেছিলেন অলিভিয়া রদ্রিগো, সাবরিনা কারপেন্টার এবং জনপ্রিয় শিশুতোষ বইয়ের সিরিজ ‘ফ্র্যাঙ্কলিন দ্য টার্টল’-এর প্রকাশক কিডস ক্যান প্রেস।

    এর বাইরেও ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিভিন্ন রাজনৈতিক সমাবেশে নিজেদের গান বাজানোর তীব্র প্রতিবাদ করেছিলেন ব্রুস স্প্রিংস্টিন, নিল ইয়াং, অ্যাডেল এবং রিহানার মতো বিশ্বখ্যাত শিল্পীরা।

    সূত্র: এনডিটিভি

    বিনোদন ডেস্ক

  • যুক্তরাষ্ট্রের ১৬ শহরে গাইবেন কনা

    জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী দিলশাদ নাহার কনা মঙ্গলবার (২১ জুলাই) কনসার্টের উদ্দেশে আমেরিকা ট্যুরে গেছেন। তবে কবে, কোথায় গাইবেন, সেসব না জানিয়ে পাড়ি জমান সাতসমুদ্দর তেরো নদীর ওপারে। রেখেছিলেন গোপন। শনিবার সেটি প্রকাশ করলেন। কনা জানান, তার এই ট্যুর আয়োজন করছে দেশি মিউজিক এন্টারটেইনমেন্ট।

    একটি সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ১৬ শহরে গান গাইবেন গায়িকা কনা। যেসব শহরে গাইবেন, তার মধ্যে রয়েছে— ইন্ডিয়ানা, মিশিগান, আটলান্টিক সিটি, লস অ্যাঞ্জেলেসে, ওকলোহামা সিটি, ডালাস, হিউস্টন, শিকাগো, বস্টন, অরল্যান্ডো, ওয়াশিংটন ডিসি, মিয়ামি, আটলান্টা, আবেয়া, অ্যারিজোনা ও নিউইয়র্ক। তার এ কনসার্ট ট্যুর শুরু হচ্ছে ২৫ জুলাই থেকে। আর শেষ হবে আগামী ৩ অক্টোবর। প্রায় তিন মাস ধরে তিনি দেশটির বিভিন্ন শহরে গান শোনাবেন। দেশের শিল্পীদের মধ্যে এটা অন্যতম দীর্ঘ সংগীত সফর বটে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আমেরিকা যাওয়ার সামাজিক মাধ্যমে এ সংগীতশিল্পী ঘোষণা দিয়েছেন। সেখানে কনা  লিখেছেন— ‘প্রিয় আমেরিকাবাসী, আমি আসছি তোমাদের শহরে। চলো, একসঙ্গে স্মরণীয় কিছু মুহূর্ত উপভোগ করি।’ 

    এর আগে কনার সর্বশেষ গান প্রকাশ হয়েছে ১১ জুলাই সিএমভির ইউটিউব চ্যানেলে— ‘তোমার হতে চাই’ গানটি। রবিউল ইসলাম জীবনের কথায় গানটির সুর ও সংগীত করেছেন সজীব দাস। গানে কনার সঙ্গে দ্বৈত গেয়েছেনও সজীব। এটি ব্যবহৃত হয়েছে রাফাত মজুমদার রিংকুর নাটক ‘ভালোবাসার গল্প’তে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আইসোলেশনে শাবানা আজমি

    বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শাবানা আজমি হঠাৎ করেই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। অসুস্থতার কারণে চিকিৎসকের পরামর্শে বর্তমানে আইসোলেশনে রয়েছেন এ অভিনেত্রী। সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। সে কারণে আগে থেকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া দেশটিতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনে প্রতিবাদ কর্মসূচিতেও অংশ নিতে পারেননি তিনি।  

    একটি ছাত্র সংগঠনের আয়োজনে প্রতিবাদসভায় তার উপস্থিত থাকার কথা ছিল। সেখানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন শাবানা আজমি। তবে হঠাৎ সোয়াইন ফ্লু ধরা পড়ায় চিকিৎসক তাকে বাড়ির বাইরে যেতে নিষেধ করেছেন। সংক্রমণ যাতে অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্যই তাকে আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে শাবানা আজমি বলেন, অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে না পারায় তিনি হতাশ। শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকতে না পারলেও শিক্ষার্থীদের প্রতি তার সমর্থন সবসময় থাকবে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে দ্রুত সুস্থতার জন্য সবার কাছে প্রার্থনা কামনা করেছেন অভিনেত্রী।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    শাবানার অসুস্থতার খবর সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ্যে আসার পর তার ভক্ত-অনুরাগী ও শুভানুধ্যায়ীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।

    সোয়াইন ফ্লু একটি ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ। এ রোগে সাধারণত জ্বর, সর্দি, কাশি, গলাব্যথা, শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা ও ক্লান্তির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। গুরুতর ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্টও হতে পারে। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে আক্রান্ত ব্যক্তিকে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।

    উল্লেখ্য, অভিনেত্রী শাবানা আজমি দীর্ঘদিন ধরে অভিনয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে নিজের মতপ্রকাশ করে আসছেন। ছাত্র আন্দোলন, মানবাধিকার ও নারী অধিকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাকে সরব হতে দেখা গেছে। এবার অসুস্থতার কারণে ছাত্রদের ওই কর্মসূচিতে অংশ নিতে না পারায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন তিনি। এর আগে গত ২০ জুলাই ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিতে হাজারো নাগরিকের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন শাবানা আজমি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • নান্দনিক সাজে ভক্তদের ধরা দিলেন তটিনী

    অভিনেত্রী তানজিম সাইয়ারা তটিনী অভিনয়ের পাশাপাশি প্রায়ই সামাজিক মাধ্যমে নিজেকে নান্দনিক সাজে মেলে ধরেন। এবারও সামাজিক মাধ্যমে ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে নিজেকে মেলে ধরেন অনন্য রূপে। 

    সম্প্রতি ফেসবুক পেজে নান্দনিক সোনালি কাজের লাল একটি শাড়ি পরে ছবি শেয়ার করে নিয়েছেন অভিনেত্রী। সঙ্গে পরনে লাল ব্লাউজ, হাতে লাল চুড়ি, গলায় অলংকার আর চুলে খোঁপা। লাল টকটকে শাড়িতে ঝলমলে হাসি আর কপালে লাল টিপ; একগুচ্ছ চেনা-অচেনা মিষ্টি ভঙ্গির ছবিতে সামাজিক মাধ্যমে ধরা দিয়ে ভক্ত-অনুরাগীদের হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দিয়েছেন তটিনী। 

    পোস্ট করা ছবিগুলো ইনডোর লোকেশনে তোলা। কখনো মৃদু হাসিতে, আবার কখনো চোখ নামিয়ে পোজ দিয়েছেন। আবার কানের কাছে হাত রেখে মিষ্টি ভঙ্গিতেও ক্যামেরা বন্দি হয়েছেন অভিনেত্রী। ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক হিসেবে জুড়ে দিয়েছেন রবীন্দ্রনাথের অমর সৃষ্টি  ‘ভালোবেসে সখী’ গানটি। আর সেই গানেরই একটি কথা  টেনে তটিনী লিখেছেন— ‘আমার নামটি লিখো, তোমার মনের মন্দিরে।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নিজের সাবলীল অভিনয় ও স্নিগ্ধ উপস্থিতি দিয়ে সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিম সাইয়ারা তটিনী মুগ্ধতা ছড়িয়েছেন ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে। সুন্দরী এ তারকার এমন মিষ্টি আকুতি আর চোখজুড়ানো রূপের ঝলক দেখে চোখ ফেরাতে পারছেন না ভক্ত-অনুরাগীরা। 

    পোস্টটি করা মাত্রই লাইক, কমেন্ট আর শেয়ারের ঝড় উঠেছে সামাজিক মাধ্যমে। অভিনেত্রীর রূপ ও ক্যাপশনের সঙ্গে মিলিয়ে অনুরাগীরা মন্তব্য বক্সে কাব্যিক সব অনুভূতির প্রকাশ ঘটাচ্ছেন। অনেকেই রবীন্দ্রনাথের গানের কলি কমেন্ট বক্সে লিখেছেন— আমার পরানে যে গান বাজিছে তাহার তালটি শিখো।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • মোদি সরকারবিরোধী আন্দোলনে বিক্ষোভকারীদের পাশে এবার বলিউড তারকারা

    দিল্লির রাজপথে সহিংস রূপ নেওয়া বিক্ষোভের পরদিন শিক্ষার্থীদের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন বেশ কয়েকজন অভিনয়শিল্পী ও সংগীতশিল্পী।

    রাজধানীতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভের সমর্থনে এবং আন্দোলনকারীদের ওপর ‘পুলিশের ধরপাকড়ের’ প্রতিবাদে সরব হচ্ছেন ক্রমেই বেশিসংখ্যক তারকা ও চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব।

    পাঞ্জাবি অভিনেতা ও গায়ক দিলজিৎ দোসাঞ্জ, যিনি আগে এই বিক্ষোভ থেকে নিজেকে দূরে রেখেছিলেন, মঙ্গলবার তিনি শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি ব্যবস্থার তীব্র সমালোচনা করেছেন।

    মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে ইনস্টাগ্রামে এই গায়ক লেখেন, ‘যা ঘটেছে তা দুঃখজনক। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এমন আচরণ করা উচিত হয়নি।’

    ‘জনগণের কণ্ঠস্বর’কে ‘ঈশ্বরের কণ্ঠস্বর’ আখ্যা দিয়ে দিলজিৎ কর্তৃপক্ষকে ‘শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ ও অভিযোগ শোনার’ আহ্বান জানান। কৃষক আন্দোলনের সময় কথা বলে ‘দেশদ্রোহী’ তকমা পাওয়ার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে এই গায়ক বলেন, সে সময় তাকে অনেক ভুগতে হয়েছিল এবং ‘এবারও হয়তো আমাকে দেশদ্রোহী বলা হবে।’

    অভিনেতা দম্পতি রিতেশ দেশমুখ ও জেনেলিয়া ডি’সুজাও বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছেন এবং তাদের কথা শোনার জোর দাবি জানিয়েছেন।

    এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এই দম্পতি লেখেন, ‘আমরা আমাদের দেশের তরুণদের সঙ্গে পূর্ণ সংহতি জানাচ্ছি। তাদের কণ্ঠস্বর শোনা উচিত—উচ্চকণ্ঠে, স্পষ্টভাবে এবং ভয়হীনভাবে। তারাই আমাদের গণতন্ত্রের স্পন্দন এবং আমাদের জাতির ভবিষ্যতের প্রকৃত স্থপতি। আসুন, আমরা তাদের কথা শুনি, সমর্থন দিই এবং ক্ষমতায়ন করি। আমাদের তরুণদের শক্তি, সাহস ও স্বপ্নই সেই ভারত গড়বে, যে ভারতের স্বপ্ন আমরা দেখি।’

    এর আগে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হওয়ার আগেই প্রবীণ অভিনেত্রী শাবানা আজমি এবং অভিনেতা-নির্মাতা প্রকাশ রাজ দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যোগ দেন।

    এই বিক্ষোভ যে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ এবং সাংবিধানিক মূল্যবোধের ওপর ভিত্তি করে হচ্ছে, সে বিষয়ে জোর দেন শাবানা আজমি। তিনি বলেন, ‘আমরা যারা এখানে এসেছি, সবাই একটি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের জন্য এসেছি। আমাদের দেশের সংবিধান প্রদত্ত অধিকার চর্চা করতেই এই জমায়েত। মহাত্মা গান্ধী আমাদের শিখিয়েছেন কীভাবে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করতে হয়, আর আমরা সেই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েই এখানে এসেছি। কোনো ধরনের সহিংসতা সৃষ্টির বিন্দুমাত্র উদ্দেশ্য আমাদের নেই এবং আমরা এই আশাতেই দৃঢ়ভাবে এখানে দাঁড়িয়ে আছি।’

    সোমবার বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশের অ্যাকশনের পর বলপ্রয়োগের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন অনেক তারকা।

    অভিনেতা হুমা কুরেশি বলেন, বিক্ষোভের এসব দৃশ্য তার মনে ‘দীর্ঘদিন গেঁথে থাকবে’। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর ‘এমন পাশবিক বলপ্রয়োগ ও লাঠিচার্জ’ তাকে ‘গভীরভাবে ব্যথিত করেছে’ বলে জানান তিনি।

    চলচ্চিত্র রচয়িতা সুতপা সিকদার লিখেছেন, জবাবদিহি চাইতে আসা বিক্ষোভকারীদের অনেকেই ছিলেন শিক্ষার্থী, যারা ‘পকেটে মাত্র ২০ টাকা’ আর ‘বুকভরা আশা’ নিয়ে সেখানে হাজির হয়েছিলেন। 

    তিনি আরও বলেন, এই তরুণেরা কেউ ‘প্রভাবশালী ধনী বাবার আদুরে সন্তান’ নন এবং ‘তাদের বাঁচাতেও কেউ আসেনি’। 

    সারা জীবন বাসের জন্য, ট্রেনের জন্য, ভর্তির জন্য কিংবা পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে যেভাবে লড়াই করে তারা টিকে থেকেছেন, এখানেও তারা সেভাবেই মাটি কামড়ে পড়ে ছিলেন বলে উল্লেখ করেন সুতপা।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিনেতা ও নির্মাতা নন্দিতা দাস জানিয়েছেন, যারা বিশ্বাস করেন মানুষ যখন সমবেত হতে পারে, কথা বলতে পারে, শুনতে ও শোনাতে পারে, তখনই গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়—তিনি তাদের প্রতি সংহতি জানাচ্ছেন।

    তিনি লিখেছেন, ‘গঠনমূলক ভিন্নমতই গণতন্ত্রকে বাঁচিয়ে রাখে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যে ভারতের ওপর আমরা বিশ্বাস রাখি, সেই ভারতের জন্য দিল্লিতে শান্তিপূর্ণভাবে পদযাত্রা করা সবার সঙ্গেই আমি আত্মিকভাবে আছি।’

    ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক বিস্তারিত পোস্টে অভিনেতা ভূমি পেডনেকার বলেছেন, সহিংসতা কখনো কোনো সমাধান হতে পারে না। শিক্ষাব্যবস্থার নানা অসংগতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের প্রতি মনোযোগ দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

    সূত্র: এনডিটিভি

    বিনোদন ডেস্ক

  • অর্জুন কাপুরের সঙ্গে প্রেম? মুখ খুললেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর সাহিবা বালি

    লন্ডনে ভারত বনাম ইংল্যান্ডের ওয়ানডে ম্যাচে অর্জুন কাপুরের সঙ্গে ফ্রেমবন্দী হওয়ার পর অনলাইনে তাদের প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। তবে বিষয়টি নিয়ে রসিকতার সঙ্গেই জবাব দিয়েছেন অভিনেত্রী ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর সাহিবা বালি। 

    রোববার (১৯ জুলাই) লন্ডনের লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ভারত বনাম ইংল্যান্ডের তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচ চলাকালে অর্জুন কাপুরের সঙ্গে দেখা যায় সাহিবা বালিকে। এরপর থেকেই তাদের প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে চর্চা শুরু হয়। একসঙ্গে বসে খেলা উপভোগ করার ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ভক্তদের মনে প্রশ্ন জাগে, এটি কি নিছকই কোনো বন্ধুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ, নাকি তার চেয়েও বেশি কিছু?

    অনলাইনে যখন এই গুঞ্জন ডালপালা মেলতে শুরু করে, তখন সেটিকে আর বাড়তে না দিয়ে নিজের স্বভাবসুলভ রসবোধ দিয়ে বিষয়টি সামাল দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন সাহিবা। সামাজিক মাধ্যমে এ অভিনেত্রীর একটি মজার পোস্ট দ্রুত তার অবস্থান পরিষ্কার করে দেয়, পাশাপাশি ভক্তদেরও হাসির খোরাক জোগায়।

    অর্জুনের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জনে সাহিবার প্রতিক্রিয়া

    লম্বা কোনো ব্যাখ্যার দিকে না গিয়ে মজার ছলেই জবাব দিয়েছেন সাহিবা। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে গ্যালারিতে তোলা অর্জুন কাপুরের সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করে তিনি লেখেন, ‘সবকিছু বিশ্বাস করবেন না পর্ব-২’। এভাবেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রেমের গুঞ্জনে পানি ঢেলে দেন তিনি।

    এদিকে, অনলাইনে ভাইরাল হওয়া কিছু পোস্টে অনেকেই সাহিবাকে অভিনেত্রী আনুশকা শর্মার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন। এই বিভ্রাট নিয়েও হাসাহাসি করেছেন তিনি। বিরক্ত না হয়ে বরং মজার ছলেই বিষয়টি উড়িয়ে দিয়েছেন সাহিবা, যা ইন্টারনেটে চলা অন্যান্য চর্চার সঙ্গে বাড়তি মাত্রা যোগ করে। তবে এবারই প্রথম নয়, এর আগেও একাধিক তারকার সঙ্গে তার নাম জড়িয়েছে। অতীতে কমেডিয়ান সময় রায়না ও আদিত্য কুলশ্রেষ্ঠের সঙ্গেও তার প্রেমের গুঞ্জন উঠেছিল, যা নিয়ে তিনি সোজাসাপ্টা কথা বলেছিলেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    লর্ডসের গ্যালারিতে বলিউড তারকাদের মেলা

    অর্জুন কাপুর ও সাহিবা বালি ছাড়াও লর্ডসের এই হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ উপভোগ করতে গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন বলিউডের আরও বেশ কয়েকজন পরিচিত মুখ। তাদের মধ্যে ছিলেন অক্ষয় কুমার ও কৃতি শ্যানন। ছেলে তৈমুর আলী খানকে নিয়ে খেলা দেখেছেন সাইফ আলী খান। এছাড়াও স্ত্রী সাক্ষী ধোনিকে নিয়ে মাঠে উপস্থিত ছিলেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জন্মদিনে স্বামী-সন্তানের সঙ্গে বিশেষ মুহূর্ত ভাগ করলেন ক্যাটরিনা

    বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ তার ৪৩তম জন্মদিন পরিবারের সঙ্গে ঘরোয়া আয়োজনে উদযাপন করেছেন। এ উপলক্ষে স্বামী ভিকি কৌশল ও তাদের আট মাস বয়সি ছেলে ভিহানকে নিয়ে তোলা কিছু বিশেষ মুহূর্তের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন তিনি।

    ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত ছবিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে একটি আবেগঘন ছবি। সেখানে ক্যাটরিনাকে ছেলে ভিহানের ছোট্ট হাতে স্নেহভরে চুমু খেতে দেখা যায়। তবে সন্তানের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষায় ছবিতে তার মুখ দেখানো হয়নি। পোস্টে জন্মদিনের একক ছবির পাশাপাশি ভিকি কৌশলেরও একটি ঝলক রয়েছে।

    ছবিগুলোর ক্যাপশনে ক্যাটরিনা লিখেছেন, সবচেয়ে মূল্যবান আশীর্বাদের জন্য আমি সবসময় কৃতজ্ঞ। এটাই ছিল আমার জীবনের সেরা জন্মদিন।

    অভিনেত্রী দিয়া মির্জা পোস্টটির মন্তব্যে লেখেন, ভালোবাসা ও শুভকামনা। এছাড়া বাণী কাপুর, আদিতি রাও হায়দারি, নীল নিতিন মুকেশ ও জোয়া আখতারের মতো তারকারা লাল হৃদয়ের ইমোজি দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

    এর আগে ভিকি কৌশলও স্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে একটি ছবি শেয়ার করেছিলেন। সেই ছবিতে ক্যাটরিনাকে জড়িয়ে ধরে কেকের একটি টুকরো হাতে ক্যামেরার দিকে হাসিমুখে পোজ দিতে দেখা যায় এই তারকা দম্পতিকে। ছবির ক্যাপশনে ভিকি হিন্দিতে লিখেছিলেন, আমার প্রিয় মানুষের জন্মদিন।

    জানা যায়, ২০১৯ সালে নির্মাতা জোয়া আখতারের আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্রথম দেখা হয় ভিকি ও ক্যাটরিনার। এরপর একই বছর তাদের প্রেমের সম্পর্ক শুরু হয়। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে রাজস্থানের সিক্স সেন্সেস ফোর্ট বারওয়ারায় বিয়ে করেন তারা।

    ২০২৫ সালের নভেম্বরে এই দম্পতির ঘরে জন্ম নেয় প্রথম সন্তান ভিহান। চলতি বছরের শুরুতে তারা জানান, ‘উরি: দ্য সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ সিনেমায় ভিকির চরিত্রের নাম অনুসারেই ছেলের নাম রাখা হয়েছে ভিহান।

    বর্তমানে মাতৃত্বকে সময় দেওয়ার জন্য চলচ্চিত্র থেকে বিরতিতে রয়েছেন ক্যাটরিনা কাইফ। অন্যদিকে ভিকি কৌশলকে পরবর্তী সময়ে সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’ সিনেমায় আলিয়া ভাট ও রণবীর কাপুরের সঙ্গে দেখা যাবে।

    সূত্র: এনডিটিভি

    বিনোদন ডেস্ক

  • সিনেমার প্রস্তাবে ডেকে খুন করা হয়েছিল অভিনেত্রীকে

    বলিউডে নিজের জায়গা তৈরি করার স্বপ্ন নিয়ে মুম্বাইয়ে এসেছিলেন মীনাক্ষী থাপা। অভিনয়ের সুযোগের অপেক্ষায় থাকা এই তরুণ অভিনেত্রীর সামনে তখনো বড় সাফল্যের দরজা খোলেনি। কিন্তু যে স্বপ্নের শহরে তিনি নিজের ভবিষ্যৎ খুঁজতে গিয়েছিলেন, সেখানেই তার জীবনের সবচেয়ে ভয়াবহ পরিণতি অপেক্ষা করছিল।

    ২০১২ সালের মার্চে নিখোঁজ হন ২৬ বছর বয়সি মীনাক্ষী। পরে জানা যায়, একটি ভুয়া সিনেমার প্রস্তাবের ফাঁদে ফেলে তাকে অপহরণ করা হয়েছিল। আর এই পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলিউডেরই দুই জুনিয়র শিল্পী, যাদের সঙ্গে তার পরিচয় হয়েছিল সিনেমার সেটে। 

    মীনাক্ষীর মৃত্যুর ঘটনা আজও বলিউডের অন্যতম আলোচিত ও ভয়াবহ অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়। কারণ, এতে উঠে এসেছিল বিনোদনজগতের নতুনদের সংগ্রাম, কাজ পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা এবং সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে প্রতারণার নির্মম চিত্র। 

    সেটে পরিচয়, পরে তৈরি হয় ফাঁদ

    উত্তরাখন্ডের দেরাদুন থেকে মুম্বাইয়ে এসেছিলেন মীনাক্ষী। বড় পর্দায় নিজের পরিচিতি তৈরি করাই ছিল তার স্বপ্ন। তিনি এর আগে সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার ‘৪০৪’ ছবিতে অভিনয় করেছিলেন। পরে পরিচালক মাধুর ভান্ডারকারের ‘হিরোইন’ ছবিতেও কাজের সুযোগ পান। কারিনা কাপুর অভিনীত ওই ছবির সেটেই তার সঙ্গে পরিচয় হয় জুনিয়র আর্টিস্ট অমিত জয়সওয়াল ও প্রীতি সুরিনের। 

    পুলিশের তদন্ত ও আদালতের নথি অনুযায়ী, অমিত ও প্রীতি মীনাক্ষীর সঙ্গে পরিচয়ের পর তার পরিবারের আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে পারেন। তারা ধারণা করেছিলেন, মীনাক্ষীর পরিবার বেশ অর্থশালী। সেই ভুল ধারণা থেকেই তারা তাকে অপহরণের পরিকল্পনা করেন।

    অভিনয়ের সুযোগের কথা বলে নিয়ে যাওয়া হয় উত্তর প্রদেশে

    অভিনয়ে সুযোগের অপেক্ষায় থাকা মীনাক্ষী ওই প্রস্তাবে বিশ্বাস করেছিলেন। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাকে বলেছিলেন, উত্তর প্রদেশে একটি সিনেমায় কাজের সুযোগ রয়েছে। নতুন অভিনেত্রী হিসেবে মীনাক্ষীর কাছে এটি ছিল বড় সুযোগ পাওয়ার একটি সম্ভাবনা। 

    ২০১২ সালের ১৩ মার্চ অমিত ও প্রীতির সঙ্গে উত্তর প্রদেশের উদ্দেশে রওনা দেন মীনাক্ষী। গন্তব্য ছিল প্রয়াগরাজ।

    কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর পর থেকেই তার সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। ফোন ধরছিলেন না মীনাক্ষী। উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে তার পরিবার।

    মুক্তিপণ দাবি, দেওয়া হয় ভয়ংকর হুমকি

    ঘটনার কয়েক দিন পর, ১৭ মার্চ মীনাক্ষীর পরিবারের কাছে অজ্ঞাত নম্বর থেকে একটি বার্তা আসে। সেখানে ১৫ লাখ রুপি মুক্তিপণ দাবি করা হয়। শুধু টাকা দাবিই নয়, পরিবারকে ভয় দেখাতে আরও ভয়ংকর হুমকি দেওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল, টাকা না দিলে মীনাক্ষীকে পর্নোগ্রাফিক ছবিতে কাজ করতে বাধ্য করা হবে।

    পরিবারের পক্ষে এত টাকা জোগাড় করা সম্ভব ছিল না। তারা মীনাক্ষীর ব্যাংক হিসাবে প্রায় ৬০ হাজার রুপি জমা করেছিলেন। কিন্তু সেই অর্থ তাকে বাঁচাতে পারেনি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    হত্যা, দেহ গুম এবং তদন্তের মোড়

    তদন্তকারীদের দাবি, মুক্তিপণের টাকা না পাওয়ার পর অমিত ও প্রীতি মীনাক্ষীকে হত্যা করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তাকে শ্বাস রোধ করে হত্যার পর দেহ খণ্ডিত করা হয়। মীনাক্ষীর মাথাবিহীন দেহ প্রীতির পরিবারের বাড়ির কাছের একটি সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। তার বিচ্ছিন্ন মাথা একটি বাসে করে লখনৌ যাওয়ার পথে ফেলে দেওয়া হয় বলে তদন্তে উঠে আসে। তবে সেটি আর কখনো উদ্ধার করা যায়নি।

    সিম কার্ড ও ডেবিট কার্ডেই ধরা পড়ে অভিযুক্তরা

    হত্যার পরও অভিযুক্ত ব্যক্তিরা মীনাক্ষীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে টাকা দাবি করতে থাকে। কিন্তু তদন্তে একটি ভুল করে বসেন তারা। তারা মীনাক্ষীর সিম কার্ড নিজেদের কাছে রেখে দেন এবং তার ডেবিট কার্ড ব্যবহার করে টাকা তোলার চেষ্টা করেন। পুলিশ ফোন রেকর্ড ও ইলেকট্রনিক তথ্য বিশ্লেষণ করে তাদের গতিবিধি অনুসরণ করতে শুরু করে। ২০১২ সালের ১৪ এপ্রিল মুম্বাইয়ের বান্দ্রা স্টেশনের কাছে একটি এটিএমে অভিযানের পরিকল্পনা করে পুলিশ।

    সেখানে যাওয়ার পরই অমিত জয়সওয়াল ও প্রীতি সুরিনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে মীনাক্ষীর সিম কার্ড ও ডেবিট কার্ড পাওয়া যায় বলে পুলিশ জানায়। দুই দিন পর, ১৬ এপ্রিল সেপটিক ট্যাংক থেকে মীনাক্ষীর দেহ উদ্ধার করা হয়। 

    ছয় বছর পর আসে আদালতের রায়

    এই মামলার বিচার শেষ হতে সময় লাগে প্রায় ছয় বছর। ২০১৮ সালের ৯ মে মুম্বাইয়ের একটি আদালত অমিত জয়সওয়াল ও প্রীতি সুরিনকে হত্যা এবং মুক্তিপণের জন্য অপহরণের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে। বিশেষ সরকারি আইনজীবী উজ্জ্বল নিকম এ ঘটনাকে ‘বিরলতম অপরাধ’ উল্লেখ করে মৃত্যুদণ্ডের আবেদন করেছিলেন। তবে আদালত দুজনকেই যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দেন।

    মীনাক্ষী থাপা মুম্বাইয়ে এসেছিলেন একটি সুযোগের অপেক্ষায়। তিনি বিশ্বাস করেছিলেন, একটি ভালো চরিত্র তার জীবন বদলে দিতে পারে। কিন্তু সেই সুযোগের প্রতিশ্রুতিই শেষ পর্যন্ত হয়ে উঠেছিল তার মৃত্যুর কারণ, যে প্রস্তাবের পেছনে ছিল না কোনো সিনেমা, ছিল শুধু একটি ভয়ংকর অপরাধের পরিকল্পনা।

    বিনোদন ডেস্ক