Tag: বিনোদনের খবর

  • প্রাণ দেবে তারুণ্য, ভুগবে পরিবার, সুবিধা নেবে এলিট শ্রেণি: আসিফ

    দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি ও সামাজিক অবক্ষয়ের চিত্র তুলে ধরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। ছোটখাটো চুরি ও অনিয়মের খবর গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রকাশ পেলেও লুটেরা গোষ্ঠীর দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড নিয়ে তেমন আলোচনা হয় না বলে দাবি করেছেন তিনি।

    এ ছাড়া সাফ ফুটবলের নেতৃত্ব, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এবং ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম নিয়েও সমালোচনা করেন তিনি। তার দাবি, এসব বিষয় ‘একই সূত্রে গাঁথা পুরোনো নকশার অংশ’।

    সোমবার (৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন আসিফ আকবর।

    পোস্টে তিনি লেখেন, স্কুলের টিফিন সরানোর অপরাধে এক শিক্ষককে পাকড়াও ও হেনস্তা করা হয়। পত্রিকা আর সোশ্যাল মিডিয়ায় অহরহ ছোটখাটো চুরি ও অন্যায়ের খবর খুব ফলাও করে প্রচার করা হয়। নড়ে ওঠে তথাকথিত নেটিজেনরা, পাবলিক রিঅ্যাকশনও থাকে খুব তীব্র। সামান্য খাবার চুরির অপরাধে এ দেশে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয় মানুষ কিংবা বোবা প্রাণী।

    তিনি আরও লেখেন, ওদিকে লুটেরা গোষ্ঠী লুটেই যাচ্ছে দেশটাকে। রাজনীতিকে হাতিয়ার বানিয়ে দেশটাকে খোকলা করে এরাই আবার হয়ে যায় জনপ্রতিনিধি। সাধারণ জনতাই তাদের নেতা বানায়, অভিভাবক বানায়, প্রতিশ্রুতির ফাঁদে পড়ে পেছনে পেছনে ঘোরে আর ‘আমার ভাই, তোমার ভাই’ বলে চিৎকার করে। তারাই আন্দোলন-সংগ্রাম করে ত্যাগী ও মজলুম হয়, পরে তারাই আবার নিজেদের তৈরি ফ্রাঙ্কেনস্টাইনকে নেতার পদ ফিরিয়ে দিয়ে প্যাদানি খায়।

    আসিফ বলেন, এই চক্রেই চলছে বাংলাদেশের রাজনীতি ও সমাজব্যবস্থা। উচ্চশিক্ষিত চর্বিওয়ালারা জানে চুরির সব অভিনব কৌশল, কাঙালের দল সেই কৌশলের ফাঁদে পড়ে লোভী হয়ে ওঠে; তারাই আবার সেই চোরকে দেয় প্রাতিষ্ঠানিক অবয়ব।

    পোস্টে ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম সবাক বাংলা চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’-এর প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি ২০২৪ সালের ৩ আগস্টের একটি রাজনৈতিক ঘটনার সঙ্গে তুলনা টেনে নিজের মতামত তুলে ধরেন।

    তিনি বলেন, কয়েক দিন আগে দেখলাম, সাফ ফুটবলের বসও হলেন সেই ফ্যাসিস্টেরই রেপ্লিকা। নির্বাচিত বাফুফে আর অথর্ব ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ‘স্পিকটি নট’। খুব হিসাব কষে চলছে তাদের নতুন নির্বাক ছবির শুটিং। এগুলো সাধারণ কোনো ঘটনা নয়, একই সূত্রে গাঁথা পুরোনো ডিজাইন।

    নিজের পোস্টের শেষাংশে আসিফ লেখেন, এই দেশের মানুষের শত্রুর প্রয়োজন নেই, নিজেদের বিনাশে নিজেরাই যথেষ্ট। বিষাক্ত কালচারাল ফ্যাসিস্ট আর তেলের মতো ভেসে থাকা কিছু দালাল মিডিয়া দেশের অভ্যন্তরের ফ্রন্টলাইন শত্রু। এই সত্যটা বুঝলে ভালো, না বুঝলে পরিস্থিতি একই রকম আছে, সমস্যার কিছু নেই। প্রাণ দেবে তারুণ্য, ভুগবে তার পরিবার, এনজয় করবে এলিট শ্রেণি, আর হাততালি দেবে কাঙালের দল—এটাই নিয়ম।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রিনা রহমান আর নেই

    দেশের ছোট ও বড়পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রিনা রহমান আর নেই। সোমবার (৩ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুর খবরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে দেশের সাংস্কৃতিক ও বিনোদন অঙ্গনে।

    অভিনেত্রী রিনা রহমানের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভিনেতা ও পরিচালক অনুভব মাহবুব। সোমবার দিনগত রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে রিনা রহমানের একটি ছবি প্রকাশ করে তিনি তার মৃত্যুর খবর জানান।

    জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন রিনা রহমান। অসুস্থতার মধ্যেও নিয়মিত অভিনয় চালিয়ে গেলেও শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে তিনি কাজ থেকে অনেকটাই দূরে ছিলেন।

    মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক ‘পরম্পরা’য় অভিনয় করছিলেন। তবে অসুস্থতার কারণে ওই নাটকের শুটিংয়ে নিয়মিত অংশ নিতে পারছিলেন না।

    দীর্ঘ অভিনয়জীবনে টেলিভিশন নাটক, চলচ্চিত্র ও মঞ্চে অসংখ্য বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের প্রশংসা কুড়িয়েছেন রিনা রহমান। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে বিটিভির কালজয়ী ধারাবাহিক ‘সংশপ্তক’ (১৯৮৭), জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘মান অভিমান’ এবং চলচ্চিত্র ‘ঠিকানা’ (১৯৯৪) ও ‘ঘানি’ (২০০৬)।

    বিনোদন ডেস্ক

  • গোপনে বিয়ে করেছিলেন রামগোপাল ও ঊর্মিলা, ফাঁস হলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

    নব্বইয়ের দশকে বলিউড নির্মাতা রামগোপাল ভার্মা ও অভিনেত্রী ঊর্মিলা মাতন্ডকরের প্রেমের গুঞ্জন বেশ চর্চিত বিষয় ছিল। দীর্ঘ সময় পর পুরোনো সেই সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এক প্রবীণ সাংবাদিক দাবি করেছেন, প্রেমের সম্পর্কে থাকাকালীন এই চর্চিত জুটি নাকি গোপনে বিয়েও করেছিলেন!

    ইউটিউবার সিদ্ধার্থ কানন-এর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে প্রবীণ বলিউড সাংবাদিক জ্যোতি ভেঙ্কটেশ এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ‘জেন্টলম্যান’ সিনেমার শুটিং সেটে দক্ষিণী মেগাস্টার চিরঞ্জীবীর কাছ থেকে প্রথম তিনি এই খবর পেয়েছিলেন।

    চিরঞ্জীবী তাকে বলেছিলেন, জ্যোতি, একজন সাংবাদিক হিসেবে তুমি তো সবকিছু নিয়েই লেখো, তাহলে রামগোপাল ভার্মা ও ঊর্মিলার বিয়ের খবরটি কেন লিখলে না?

    এমন খবর শুনে সাংবাদিক অবাক হয়ে চিরঞ্জীবীর কাছে প্রমাণ চান। তখন অভিনেতা তাকে জানান, অন্ধ্র প্রদেশের একটি মন্দিরে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছিল। এমনকি যে পুরোহিত তাদের বিয়ে পড়িয়েছিলেন, চিরঞ্জীবী তার ফোন নম্বরও এই সাংবাদিককে দিয়েছিলেন।

    তবে খবরটি পত্রিকায় ছাপানোর আগে নিশ্চিত হওয়ার জন্য ঊর্মিলাকে ফোন করেছিলেন ভেঙ্কটেশ। তার দাবি, খবরটি শোনা মাত্রই এই অভিনেত্রী কেঁদে ফেলেন। তিনি বলেন, আপনি আমাকে নিয়ে এমন কথা কীভাবে লিখতে পারেন! আমি ইন্ডাস্ট্রিতে আসার পর থেকেই তো আপনি আমাকে চেনেন।

    সাংবাদিক জানান, এরপর আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের জন্য তিনি রামগোপাল ভার্মার সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু এই নির্মাতা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

    রামগোপাল ও ঊর্মিলার বিচ্ছেদের পেছনের কারণও জানিয়েছেন জ্যোতি ভেঙ্কটেশ। তার দাবি অনুযায়ী, ঊর্মিলা আইনিভাবে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু রামগোপাল সেই মুহূর্তে এমন কোনো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত ছিলেন না। আর এই মতবিরোধ থেকেই শেষ পর্যন্ত তাদের বিচ্ছেদ ঘটে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    উল্লেখ্য, নব্বইয়ের দশক থেকে ২০০০ সালের শুরুর দিক পর্যন্ত এই জুটি একসঙ্গে বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় সিনেমায় কাজ করেছেন। এর মধ্যে ‘রঙ্গিলা’, ‘দাউদ’, ‘সত্য’ এবং ‘প্যায়ার তুনে ক্যায়া কিয়া’ উল্লেখযোগ্য।

    পেশাগত সফলতার চূড়ান্ত পর্যায়ে থাকাকালীন তাদের সম্পর্কের গুঞ্জন ইন্ডাস্ট্রিতে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। তখনকার কিছু সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, কাজের গণ্ডি পেরিয়ে তাদের সম্পর্ক বহুদূর গড়িয়েছে। এমনকি এই গুঞ্জনের কারণেই রামগোপাল ও তার তৎকালীন স্ত্রী রত্না ভার্মার সম্পর্কে ফাটল ধরেছিল বলেও শোনা যায়।

    পরবর্তী সময়ে নিজের আত্মজীবনী ‘গানস অ্যান্ড থাইস: দ্য স্টোরি অব মাই লাইফ’-এ এই অভিনেত্রীর প্রতি নিজের মুগ্ধতার কথা অকপটে স্বীকার করেছেন রামগোপাল ভার্মা। বইটিতে ‘উইমেন ইন মাই লাইফ’ (আমার জীবনের নারীরা) শিরোনামের পুরো একটি অধ্যায় তিনি ঊর্মিলাকে উৎসর্গ করেন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ঊর্মিলার সৌন্দর্যে তিনি এতটাই বিমোহিত ছিলেন যে, সেই মুগ্ধতা থেকেই তাকে ‘রঙ্গিলা’ সিনেমার প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

    সূত্র: এনডিটিভি

    বিনোদন ডেস্ক

  • টক্সিকে যশ–কিয়ারার ঘনিষ্ঠতা নিয়ে সমালোচনা, কড়া জবাব হুমা কুরেশির

    বলিউডের আলোচিত সিনেমা ‘টক্সিক’-এর ‘তাবাহি’ গান প্রকাশের পর থেকেই যশ ও কিয়ারা আদভানির ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। বিশেষ করে কিয়ারাকে লক্ষ্য করে নানা ধরনের কটাক্ষ ছুড়ে দেওয়ার পর এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী হুমা কুরেশি। তিনি কিয়ারা ও যশের পাশে দাঁড়িয়ে সমালোচনাকে ‘অসুস্থ মানসিকতার’ বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন।

    গানটি প্রকাশের পর অনেকেই দাবি করেন, একজন বিবাহিত নারী এবং সদ্য মা হওয়ার পর কিয়ারার এমন দৃশ্যে অভিনয় করা উচিত হয়নি। তবে একই দৃশ্যে অভিনয় করা যশও বিবাহিত এবং সন্তানের বাবা হলেও তাকে ঘিরে তেমন সমালোচনা দেখা যায়নি। বিষয়টিকে দ্বৈত মানদণ্ডের উদাহরণ হিসেবে দেখছেন হুমা।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এ ধরনের মন্তব্য নারীবিদ্বেষী মানসিকতার পরিচয় বহন করে। তার ভাষায়, এটা খুবই অসুস্থ এবং নোংরা মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। তবে আমার বিশ্বাস, এই ছবির অভিনেত্রী ও পরিচালকই শেষ পর্যন্ত জিতবেন। এসব মন্তব্যের জবাব দেওয়ার প্রয়োজন নেই। মানুষের মানসিকতা কথায় বদলানো যায় না, ছবিটাই সব প্রশ্নের উত্তর দেবে।

    হুমা আরও বলেন, বাস্তব পৃথিবী অনেক সুন্দর হলেও ইন্টারনেটের পরিবেশ সব সময় তেমন নয়। তাই অনলাইনের ট্রোলদের সঙ্গে বিতর্কে জড়ানোর কোনো অর্থ নেই। তার মতে, সিনেমা মুক্তির পর দর্শকরাই এর যথাযথ মূল্যায়ন করবেন।

    এদিকে বিতর্ক শুধু কিয়ারার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। তার স্বামী অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রাকেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা মন্তব্যের মুখে পড়তে হয়েছে। অনেকেই তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে গিয়ে কিয়ারার অভিনয় ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেছেন।

    ‘টক্সিক’ ঘিরে বিতর্ক অব্যাহত থাকলেও সিনেমাটির কলাকুশলীরা মনে করছেন, সব সমালোচনার জবাব দেবে পর্দায় সিনেমার উপস্থাপনাই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘আমার সিদ্ধান্ত নিয়ে উপদেশ দেবেন না’—সাফ কথা বাঁধনের

    নতুন সিনেমা ‘গুলশানের চামেলি’-তে অভিনয়ের ঘোষণা দেওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার মুখে পড়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। তবে সমালোচনার জবাবে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে একাধিক পোস্টে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তিনি।

    রোববার (২ আগস্ট) ফেসবুক পোস্টে বাঁধন জানান, ‘গুলশানের চামেলি’ সিনেমার মহরত সম্পন্ন হয়েছে। গল্পটি প্রথম শোনার পরই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, এটি এমন একটি কাজ, যার বলার মতো গুরুত্বপূর্ণ বার্তা রয়েছে। আবদুল্লাহ জহির বাবুর চিত্রনাট্য, মোহাম্মদ ইকবালের পরিচালনা এবং জাহাঙ্গীর শিকদারের প্রযোজনায় নির্মিত সিনেমাটি সমসাময়িক একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে তুলে ধরবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    বাঁধন বলেন, সিনেমাটিতে অভিনয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ ছিল না। তবে একজন অভিনেতা হিসেবে নিজেকে আরও সমৃদ্ধ করতে আমি সবসময় চ্যালেঞ্জিং গল্প ও নতুন অভিজ্ঞতাকে বেছে নিই। তিনি জানান, অর্থবহ আলোচনার জন্ম দিতে পারে—এমন একটি গল্পের অংশ হওয়াই ছিল মূল উদ্দেশ্য।

    এ ছাড়া সিনেমাটিতে কিংবদন্তি শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়ে নিজেকে সম্মানিত মনে করছেন বলেও জানান বাঁধন। বিশেষ করে সহশিল্পী মধুমিতার প্রশংসা করে তিনি বলেন, এই যাত্রা শেখা, সহযোগিতা এবং অর্থবহ কিছু সৃষ্টির আনন্দে ভরপুর হবে।

    পরবর্তীতে আরেকটি পোস্টে সমালোচনার সরাসরি জবাব দেন এই অভিনেত্রী। তিনি লেখেন, বহু বছর ধরে বিভিন্ন পরিচালক ও প্রযোজনার সঙ্গে কাজ করে প্রতিটি অভিজ্ঞতা থেকে তিনি শিক্ষা নিয়েছেন। জীবনের সব অভিজ্ঞতার জন্য তিনি কৃতজ্ঞ এবং সেগুলোই তাকে আরও শক্তিশালী করেছে।

    সমালোচকদের উদ্দেশে বাঁধন স্পষ্ট ভাষায় বলেন, আমার বিল কেউ পরিশোধ করে না, আর আমার জীবনও অন্য কেউ যাপন করে না। তাই অনুগ্রহ করে আমার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে উপদেশ দেওয়ার জন্য আপনাদের মূল্যবান সময় ব্যয় করবেন না।

    তিনি আরও জানান, তার জীবনে এমন কিছু মানুষ আছেন, যাদের পরামর্শ তিনি বিশ্বাস করেন, সম্মান করেন এবং গুরুত্ব দিয়ে শোনেন। নিজের জীবন নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট বলেও উল্লেখ করে বলেন, ইনশাআল্লাহ সময়ের সঙ্গে তিনি আরও এগিয়ে যাবেন এবং আরও সুখী হবেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বলিউডকে আর আগের মতো ‘পরিবার’ মনে হয় না: সঞ্জয় দত্ত

    চার দশকের বেশি সময় আগে যখন অভিনয়ে নাম লিখিয়েছিলেন, তখনকার চেয়ে হিন্দি চলচ্চিত্র শিল্প এখন অনেক বেশি প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠেছে। বলিউডের এই বদলে যাওয়া রূপ নিয়ে আক্ষেপ ঝরেছে প্রবীণ অভিনেতা সঞ্জয় দত্তের কণ্ঠে। তার মতে, বলিউডকে এখন আর আপন কোনো ‘পরিবার’ মনে হয় না।

    সম্প্রতি এআইজি হসপিটালস-এর ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ৬৭ বছর বয়সি এই অভিনেতা বলেন, একসময় বলিউডে একতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার দারুণ এক মেলবন্ধন ছিল।

    সঞ্জয় দত্ত বলেন, আমি যখন কাজ শুরু করি, তখন এই ইন্ডাস্ট্রিকে একটি পরিবারের মতো মনে হতো। সবাই একসঙ্গে থাকতো, সবাই একে অপরকে সাহায্য করত। কিন্তু এখন এটি অনেক বেশি নির্দয় এবং প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠেছে। হলিউডের হিসাবটা অবশ্য এখান থেকে আলাদা।

    উল্লেখ্য, ১৯৮১ সালে ‘রকি’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয় সঞ্জয় দত্তের। এরপর তিনি ‘খলনায়ক’ এবং ‘মুন্না ভাই এমবিবিএস’-এর মতো একাধিক ব্লকবাস্টার সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকহৃদয় জয় করেছেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সাক্ষাৎকারে এ অভিনেতা কারাগারে কাটানো সময়ের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন। তিনি জানান, জেলে বসে তার শেখা সবচেয়ে মূল্যবান শিক্ষাটি ছিল ‘ক্ষমা করা’।

    সঞ্জয় দত্ত বলেন, আমি ক্ষমা করতে শিখেছি। সেখানকার একজন কনস্টেবল আমাকে এ শিক্ষাটা খুব ভালোভাবে দিয়েছিলেন। তিনি আমাকে বলেছিলেন, ‘মানুষকে ক্ষমা করতে শিখুন, তাহলে জীবনে আরও বড় হতে পারবেন।’ হয়তো আপনি জানেন যে কেউ আপনাকে কষ্ট দিয়েছে, তারপরও তাকে ক্ষমা করে দিন।

    তিনি আরও জানান, ক্ষমা করার এ গুণটি তার জীবনের দৃষ্টিভঙ্গিকে পুরোপুরি বদলে দিয়েছে এবং একজন ভালো মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে সাহায্য করেছে।

    সঞ্জয় দত্তকে সর্বশেষ দেখা গেছে আদিত্য ধর পরিচালিত অ্যাকশন থ্রিলার সিনেমা ‘ধুরন্ধর’-এ। এই সিনেমায় তার অনবদ্য অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছে।

    সূত্র: সামা টিভি

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাকিব-বুবলীর একসঙ্গে কাটানো সেই স্মৃতি সামনে আনলেন নির্মাতা

    ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান, চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী এবং তাদের ছেলে শেহজাদ খান বীরকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে কাটানো কিছু মুহূর্ত একসময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। সেই স্মৃতিই আবার সামনে আনলেন নাট্য ও চলচ্চিত্র নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী।

    সোমবার (৩ আগস্ট) নিজের ফেসবুক আইডিতে এক বছর আগে করা একটি পোস্টের ‘মেমোরি’ শেয়ার করে তিনি লেখেন, মেমোরি, এই দিনে… টাইম ফ্লাইস ফাস্ট… (সময় দ্রুতই চলে যায়)।

    ২০২৫ সালের ওই পোস্টে শাকিব খান, বুবলী ও তাদের ছেলে শেহজাদ খান বীরকে নিয়ে আবেগঘন অনুভূতি প্রকাশ করেছিলেন চয়নিকা। তিনি লিখেছিলেন, একজন শাকিব খান, একজন শবনম বুবলী, একজন শেহজাদ খান বীর। অনেক অনেক অভিনন্দন। বন্ধু দিবসে এই ছবিগুলো দেখে আনন্দে চোখে জল এলো।

    তিনি আরও লেখেন, কিছু সম্পর্কের টান এমনই হয়—সময়, দূরত্ব কিংবা নীরবতা কিছুই তা থামিয়ে রাখতে পারে না। তারা হয়তো দুটি মানুষ, কিন্তু গল্পটা সবসময়ই একটাই ছিল। তারা দুজনেই শেহজাদ খান বীরের মা-বাবা। এটাই সবচেয়ে বড় সত্য এবং সবচেয়ে সুন্দর।

    পোস্টে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, জীবনে কখনো কখনো ফিরে আসাটাই সবচেয়ে সাহসী সিদ্ধান্ত। আর একবার দুটি আত্মা এক হয়ে গেলে সেটি আর শুধু ফিরে আসা নয়, বরং হয়ে ওঠে ভালোবাসার চিরস্থায়ী মেলবন্ধন।

    ছেলে বীরকে উদ্দেশ করে তিনি লেখেন, মা-বাবার সঙ্গে কাটানো সুন্দর স্মৃতিগুলো সন্তানের জীবনে অমূল্য সম্পদ হয়ে থাকবে। তিনি শাকিব ও বুবলীর সুখী পারিবারিক জীবনের জন্য শুভকামনাও জানান।

    চয়নিকা চৌধুরীর সেই আবেগঘন পোস্টটি একসময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। এক বছর পর একই পোস্টের স্মৃতি শেয়ার করায় সেটি আবারও ভক্তদের নজর কাড়ে।

    এদিকে শাকিব খান বর্তমানে তার নতুন সিনেমা ‘সোলজার’-এর কাজ নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন বলে জানা গেছে। অন্যদিকে বুবলী সম্প্রতি দ্বিতীয়বারের মতো মা হয়েছেন। গত ১১ মে তাদের কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। নবজাতকের নাম রাখা হয়েছে শারলিন খান।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৩১ বছর আগে তোমাকে ঘরে তুলেছিলাম: মৌসুমীকে ওমর সানী

    ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় তারকা দম্পতি ওমর সানী ও মৌসুমী তাদের দাম্পত্য জীবনের ৩১তম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন করছেন। বিশেষ এই দিনে স্ত্রীকে ভালোবাসা ও শুভকামনা জানিয়ে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন চিত্রনায়ক ওমর সানী।

    রোববার (২ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে মৌসুমীর সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে সানী লেখেন, হ্যাপি অ্যানিভার্সারি মৌসুমী। আজ থেকে ৩১ বছর আগে তোমাকে ঘরে তুলেছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ, তোমার-আমার ঘর আলোকিত করে এসেছে ফারদিন এবং ফাইজা। বেঁচে থাকুক আমাদের সম্পর্ক কবর পর্যন্ত। আমিন।

    ওমর সানীর এই পোস্টটি প্রকাশের পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই প্রায় ৫৩ হাজারের বেশি প্রতিক্রিয়া পড়ে। মন্তব্যের ঘরে ভক্ত-অনুরাগীরা এই তারকা দম্পতিকে শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় ভাসিয়ে দেন।

    ১৯৯২ সালে প্রথম দেখা হয় ওমর সানী ও মৌসুমীর। সে সময় সানীর প্রথম সিনেমা মুক্তি পেয়েছিল, আর মৌসুমীর অভিষেক ছবি ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ মুক্তির অপেক্ষায়। পরে ১৯৯৩ সালে ‘দোলা’ সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়, যা পরবর্তীতে প্রেমে রূপ নেয়।

    যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৯৫ সালের ২ আগস্ট জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে তাদের বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়, তবে এর কয়েক মাস আগে, ৪ মার্চ পারিবারিকভাবে গোপনে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছিল। দুই পরিবারের সম্মতিতেই সেই বিয়ের আয়োজন হয়েছিল এবং দীর্ঘদিন বিষয়টি গোপন রাখা হয়, যাতে অভিনয়জীবনে কোনো প্রভাব না পড়ে।

    বর্তমানে ওমর সানী বাংলাদেশে থাকলেও মৌসুমী প্রায় দুই বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে তাদের সম্পর্ক নিয়ে মাঝেমধ্যে নানা গুঞ্জন ছড়ালেও ওমর সানী বারবার তা নাকচ করেছেন। তিনি বলেছেন, তাদের সম্পর্ক আগের মতোই অটুট রয়েছে।

    ৩১তম বিবাহবার্ষিকীতে ওমর সানীর আবেগঘন বার্তা সেই দাবিকেই নতুন করে সামনে এনেছে। ভক্তদের প্রত্যাশা, দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময়ের এই দাম্পত্য বন্ধন আরও দীর্ঘ ও সুখময় হোক।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মামলা ও ফের বিয়ে করা নিয়ে মুখ খুললেন পরীমনি

    চিত্রনায়িকা পরীমনি সাম্প্রতিক এক সংবাদ সম্মেলনে ব্যক্তিগত জীবন, আইনি লড়াই, গ্রেফতার ও ফের বিয়ে করা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন নীরব থাকার কারণ ছিল সত্য একদিন না একদিন প্রকাশ পাবে—এই বিশ্বাস।

    পরীমনি বলেন, আমি যদি আমার ভাইয়ের সঙ্গেও ছবি দিই, সেখানেও গালি খাই। মানুষ আমাকে কোনো পুরুষের সঙ্গে দেখতে চায় না। আমাকে সিঙ্গেল এবং আমার সন্তানদের সঙ্গে দেখতে চায়। কেন এমনটা হয়, আমি জানি না।

    গ্রেফতারের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জেল থেকে আসার পর এ বিষয়ে আমি একবারও কথা বলিনি। আমার শুধু মনে হয়েছে, সত্য একদিন ব্লাস্ট করে। আপনি যতই চাপা দিয়ে রাখেন, কোনো না কোনোভাবে তা বেরিয়ে আসে। যেমন কোনো অপরাধই নিখুঁত নয়, তেমনি কোনো সত্যও চিরদিন চাপা থাকে না।

    তিনি দাবি করেন, তাকে গ্রেফতারের সময় আইনগত প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। তিনি জানান, তখন গ্রেফতারের কোনো ওয়ারেন্ট ছিল না। এমনকি আমার বাসায় তল্লাশি চালানোর অনুমতিও তাদের কাছে ছিল না।

    পরীমনি জানান, পরে পুরো ঘটনার বর্ণনা শুনে তার মনে হয়েছে, অনেক কিছুই পরিকল্পিত ছিল। তবে তিনি ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করেছেন।

    তিনি বলেন, এই ছয় বছরে ধৈর্যই আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে। আমি যে কী পরিমাণ হ্যাপি, মনে হয়েছে যে আমার দুইটা পাখা হয়েছে, আমি অনেক রিলিফ হয়ে গেছি, আমার মনে হয় ঘাড় থেকে সমস্ত বোঝা নেমে গেছে।

    মামলার বিষয়ে পরীমনি বলেন, মামলাটি কোনো ব্যক্তি করেননি। বলা হয়েছিল, আমি নাকি বিভিন্ন মানুষকে বিরক্ত করি, ব্ল্যাকমেইল করি—এ ধরনের নানা অভিযোগ আনা হয়েছিল।

    চলমান আইনি প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি কখনো রাষ্ট্রকে চাপ দিইনি বা আহাজারি করিনি। আমি আইনের ওপর বিশ্বাসী। যতদিন সময় লাগুক, যত বছর হাজিরা দিতে হোক, আমি দেব। আমার বিশ্বাস, একদিন আদালত আমাকে নির্দোষ ঘোষণা করে সম্মান ফিরিয়ে দেবে।

    দেশে শিল্পীদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে পরীমনি বলেন, শুধু শিল্পী নয়, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, শিল্পী, রিকশাচালক বা অন্য যে-ই হোক, সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়া উচিত। আমরা সবাই হেনস্তা থেকে মুক্তি চাই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এ এক অন্যরকম ভালোবাসা, বাংলাদেশিকে বিয়ে পাকিস্তানি ব্লগারের

    সীমান্তের বিভেদ ভুলে এক বাংলাদেশি যুবকের সঙ্গে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় নারী ব্লগার রুবিনা মারুফ। এই সুন্দর পরিণয়ের নেপথ্যে লুকিয়ে আছে এক ঐতিহাসিক ও পারিবারিক টান। রুবিনা মারুফ পাকিস্তানি ব্লগার হিসেবে পরিচিতি পেলেও জন্মসূত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে তার সম্পর্ক বেশ গভীর। 

    ১৯৬৮ সালে রুবিনার বাবা যশোর ছেড়ে পাকিস্তানের পাঞ্জাবে পাড়ি জমান। সেখানেই পরে স্থায়ী হয়ে সংসার শুরু করেন। অনেক বছর পর বাবার সেই স্মৃতিবিজড়িত প্রিয় মাতৃভূমির এক যুবকের সঙ্গেই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন এ তরুণী ব্লগার। 

    ভালোবাসা যে ভৌগোলিক সীমানারেখা কিংবা কাঁটাতারের বেড়া মানে না, সেই সত্যকে আবারও মনে করিয়ে দিলেন এ তরুণী। সম্প্রতি জমকালো আয়োজনে তাদের শুভ পরিণয় সম্পন্ন হয়েছে। বিয়ের পর সামাজিক মাধ্যমে বর-কনের একাধিক ছবি পোস্ট করে ভক্ত-অনুরাগীদের সেই আনন্দের খবরটি নিজেই নিশ্চিত করেছেন রুবিনা মারুফ।

    সামাজিক মাধ্যমে নিজের জীবনের সবচেয়ে সেরা মুহূর্তের অনুভূতি প্রকাশ করে একটি পোস্ট দিয়েছেন রুবিনা মারুফ। সেই পোস্টে তিনি লিখেছেন— ‘নিকাহর দিনে বাবা-মায়ের মুখে গর্ব ও আনন্দের হাসি দেখতে পাওয়াটাই আমার জন্য সব থেকে বড় আশ্বাস ছিল।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    রুবিনা মারুফ বলেন, ‘সীমান্তের গণ্ডি পেরিয়ে যাওয়া এ ভালোবাসা, নতুন সূচনা এবং একজন বাংলাদেশি জীবনসঙ্গী পাওয়ার জন্য আলহামদুলিল্লাহ। আমার হৃদয় আজ পরিপূর্ণ, আমার বাবা-মা অত্যন্ত আনন্দিত এবং জীবনের বাকি দিনগুলোর জন্য আমি ভীষণ রোমাঞ্চিত।’

    এক আবেগঘন অনুভূতি প্রকাশ করে এ ব্লগার আরও বলেন, ‘একজন বাংলাদেশিকে বিয়ে করলাম। পুরো প্রক্রিয়াটির ওপর ভরসা রাখা সবসময় সহজ ছিল না। তবে আমার জীবনের পথ যেদিকে যাওয়ার কথা ছিল, তা মেনে নেওয়া আমাকে এমন এক আনন্দ দিয়েছে, যা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।’

    বিনোদন ডেস্ক