Tag: বিনোদনের খবর

  • বাংলা ছবি দেখেন না, তবে করতে চান কাজল

    বলিউডের নামজাদা অভিনেত্রী কাজল। গত শতকের নব্বইয়ের দশক থেকে দর্শককে মাতিয়ে রেখেছেন। এখনো তার প্রভাব কম নয়। তিনি এবার পেলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আনন্দবাজার ডট কমের ‘বছরের বেস্ট ২০২৬’ পুরস্কার।

    কাজলের শেকড় বাংলায়। তবে বাংলাটা ঠিকঠাক বলতে পারেন না তিনি। শুক্রবার পুরস্কার গ্রহণের পর তার কাছে জানতে চাওয়া হয়, বাংলা ছবি দেখেন কিনা। জবাবে অকপটে জানান, ‘না’। তবে সময়-সুযোগের সমন্বয় ঘটলে বাংলা ছবিতে অভিনয়ের আগ্রহ প্রকাশ করেন অভিনেত্রী।

    কাজলের মা তনুজা ভারতের খ্যাতিমান অভিনেত্রী। হিন্দির পাশাপাশি বাংলায়ও তার দাপট ছিল বেশ। কাজল কি মায়ের মতোই হতে পেরেছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এখনও চেষ্টা করে চলেছি। মা অনেক বড় মাপের অভিনেত্রী। সারাজীবন মায়ের দেখানো পথেই হেঁটে এসেছি।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    কথার ফাঁকে কাজল এটাও জানান, তিনি ভীষণ নিয়মমাফিক চলেন। তার ভাষ্য, ‘আমি ভীষণ শৃঙ্খলাপরায়ণ। বলিউডের খুব কম লোক আছেন, যারা সঠিক সময়ে সেটে আসেন, আমি কিন্তু তাদের মধ্যে এক জন। আবার ঠিক সময়ে সেট থেকে বেরিয়েও পড়ি। এটাই আমার স্বভাব।’ 

    প্রসঙ্গত, এবার আনন্দবাজারের ‘বছরের বেস্ট’ পুরস্কার কাজল ছাড়াও পেয়েছেন পাওলি দাম, দেব, নিকিতা গান্ধী, ব্রাত্য বসুসহ অনেকে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ধারাবাহিক নাটকে ফিরছেন সুমাইয়া শিমু

    একটা সময় নাটকের নিয়মিত অভিনেত্রী ছিলেন সুমাইয়া শিমু। একক কিংবা ধারাবাহিক দুই ধরনের নাটকেই তার জনপ্রিয়তা ছিল ঈর্ষণীয়। অভিনয়ে মুগ্ধতাও ছড়িয়েছেন বরাবরই। তবে ব্যক্তিগত কারণে অনেক দিন ধরে অভিনয়ে অনিয়মিত তিনি।

    মাঝে নুহাশ হুমায়ূনের ‘২ষ’ সিরিজের ‘বেসুরা’ পর্ব দিয়ে অভিনয়ে ফিরেছেন শিমু। তখনই জানিয়েছিলেন, পছন্দসই কাজ পেলে নিশ্চয়ই অভিনয় করবেন তিনি।

    এবার ধারাবাহিক নাটকে ফিরছেন শিমু। তাও আবার মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের নির্মাণে। ‘ফিরে আসার গল্প’ নামের নতুন এই ধারাবাহিকে ‘রুকাইয়া’ চরিত্রে অভিনয় করবেন শিমু। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বৃহস্পতিবার ‘ফিরে আসার গল্প’-তে সুমাইয়া শিমুর লুক প্রকাশ করে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সিনেমাওয়ালা এন্টারটেইনমেন্ট। যদিও এখনই এই নাটক কিংবা নিজের চরিত্রটি নিয়ে কথা বলতে নারাজ অভিনেত্রী। নির্মাতা রাজও রয়েছেন চুপ।

    সাম্প্রতিক সময়ে রাজের নির্মাণে ‘এটা আমাদেরই গল্প’ ধারাবাহিকটি বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। সেটারই ধারাবাহিকতায় এবার ‘ফিরে আসার গল্প’ বানাচ্ছেন তিনি। এখন চলছে শুটিংয়ের প্রস্তুতি। শুটিং শুরু হবে আগামী মাসে। এতে শিমুর আর কারা অভিনয় করবেন, তাদের সঙ্গে এক এক করে পরিচয় করিয়ে দেবেন নির্মাতা।

    উল্লেখ্য, সুমাইয়া শিমুর ক্যারিয়ারে বেশ কিছু দর্শকনন্দিত ধারাবাহিক নাটক রয়েছে। যেমন ‘হাউজফুল’, ‘এফএনএফ’, ‘ললিতা’, ‘বিহাইন্ড দ্য সিন’, ‘ফাঁদ ও বগার গল্প’ ইত্যাদি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রতারণা মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ, জামিন পেলেন চিত্রনায়িকা ববি

    প্রতারণার মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন ঢালিউডের চিত্রনায়িকা ইয়ামিন হক ববি। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বুধবার (১৫ জুলাই) আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন তিনি। পরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জসিতা ইসলাম শুনানি শেষে এক হাজার টাকার মুচলেকায় পরবর্তী শুনানির তারিখ পর্যন্ত তার জামিন মঞ্জুর করেন।

    আদালতে ববির পক্ষে শুনানি করেন ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মোক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

    আদালত সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১৫ জুলাই) বিকাল ৩টার দিকে মামলাটির শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। তবে মামলার অভিযোগের বিস্তারিত বা কী অভিযোগে ববি আদালতে হাজির হয়েছেন, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।  

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এদিন আদালতে বোরকা ও সানগ্লাস পরে হাজির হন ববি। তার সঙ্গে কয়েকজন সহযোগীকেও দেখা যায়। এ বিষয়ে জানতে অভিনেত্রীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে চলচ্চিত্রে কাজ করলেও বিভিন্ন সময় ব্যক্তিগত জীবন ও নানা বিতর্কের কারণে আলোচনায় ছিলেন ববি। সর্বশেষ তাকে বড় পর্দায় দেখা গেছে ‘ময়ূরাক্ষী’ চলচ্চিত্রে। বর্তমানে তার নতুন কোনো সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায় নেই।

    স্পোর্টস ডেস্ক

  • পৈতৃক ভিটায় মসজিদ নির্মাণ করছেন ববিতা

    বয়সের শেষ প্রান্তে এসে মানুষের কল্যাণে স্মরণীয় একটি কাজ করে যেতে চান বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেত্রী ববিতা। সেই লক্ষ্য থেকেই যশোরে নিজের পৈতৃক ভিটায় একটি মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই অভিনেত্রী।

    সম্প্রতি বড় বোন সুচন্দা ও ছোট বোন চম্পাকে সঙ্গে নিয়ে যশোরের বিজয়নগরে অবস্থিত তাদের দাদাবাড়ি পরিদর্শনে যান ববিতা। শৈশবের নানা স্মৃতিবিজড়িত সেই সফরে তিনি মসজিদ নির্মাণের জন্য উপযুক্ত স্থানও চূড়ান্ত করে এসেছেন বলে জানিয়েছেন।

    গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ববিতা বলেন, ‘দাদাবাড়িতে গিয়ে মসজিদের জন্য জমি দেখে এসেছি এবং জায়গাটি চূড়ান্ত করেছি। এতে আমার ভীষণ ভালো লাগছে। মনে হচ্ছে, আল্লাহ আমাকে একটি ভালো কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছেন। আমি খুব সুন্দর একটি মসজিদ নির্মাণ করতে চাই।’

    তিনি আরও বলেন, ‘পৃথিবীতে কেউ চিরদিন থাকে না। জন্ম হয়েছে, একদিন মৃত্যুও আসবে। তাই চলে যাওয়ার আগে এমন একটি কাজ করে যেতে চাই, যা মানুষের উপকারে আসবে। খুব শিগগির মসজিদের নকশা করা হবে। এরপর ধাপে ধাপে নির্মাণকাজ শুরু করব। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।’

    উল্লেখ্য, সম্প্রতি চলচ্চিত্রের আরেক জনপ্রিয় অভিনেত্রী রোজিনা নিজ জেলার পৈতৃক ভিটায় মায়ের নামে একটি ১০ গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদ নির্মাণ করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। তুর্কি স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত সেই মসজিদটি ইতোমধ্যে স্থানীয়দের কাছে আকর্ষণীয় স্থাপনা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।   

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র ববিতার চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু হয় ১৯৬৮ সালে জহির রায়হান পরিচালিত ‘সংসার’ চলচ্চিত্রে শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয়ের মাধ্যমে। তখন তার নাম ছিল সুবর্ণা। পরে ‘জ্বলতে সুরুজ কি নিচে’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সময় জহির রায়হানই তার নাম রাখেন ‘ববিতা’, যা পরবর্তীতে তাকে এনে দেয় ব্যাপক পরিচিতি।

    নায়িকা হিসেবে তার প্রথম চলচ্চিত্র ছিল ‘শেষ পর্যন্ত’। ফরিদা আক্তার পপি তার প্রকৃত নাম হলেও দর্শকদের কাছে তিনি ববিতা নামেই সমধিক পরিচিত। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তিনি তিন শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘অশনি সংকেত’, ‘অনঙ্গ বউ’, ‘আলোর মিছিল’, ‘লাইলী-মজনু’, ‘চ্যালেঞ্জ’, ‘জন্ম থেকে জ্বলছি’, ‘দহন’ এবং ‘দীপু নাম্বার টু’।

    বাংলাদেশে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার চালুর পর টানা তিনবার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার অর্জন করে বিরল কৃতিত্ব গড়েন ববিতা। চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৬ সালে তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ লিখে কেয়া পায়েলের ফেসবুক পোস্ট

    চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ ও অভিনেত্রী কেয়া পায়েলের একটি ফেসবুক পোস্ট ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। দুজনই নিজেদের ফেসবুকে একই ছবি প্রকাশ করেছেন। ছবিতে দেখা যায়, কেয়া পায়েলকে আলিঙ্গন করে আছেন শুভ। আর ক্যাপশনে লেখা- ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ উইথ কেয়া পায়েল।

    পোস্টটি প্রকাশের পরই নেটিজেনদের একাংশের মনে প্রশ্ন জাগে, তবে কি সত্যিই বিয়ে করেছেন আরিফিন শুভ ও কেয়া পায়েল? অনেকেই বিষয়টিকে সত্যি ভেবে শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন। আবার কেউ কেউ ধারণা করেন, ব্যক্তিগত জীবনে বিচ্ছেদের পর শুভ নতুন করে সংসার শুরু করতেই পারেন।

    তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিয়ের খবরটি সত্য নয়। এটি মূলত একটি নতুন ওয়েব ফিল্মের প্রচারণার অংশ। দর্শকদের আগ্রহ তৈরি করতেই এমন ব্যতিক্রমী প্রচারণার কৌশল নেওয়া হয়েছে।

    জানা গেছে, ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ নামের একটি নতুন ওয়েব ফিল্মে জুটি বেঁধেছেন আরিফিন শুভ ও কেয়া পায়েল। এটি পরিচালনা করছেন জাহিদ প্রীতম। এরই মধ্যে এর শুটিং শুরু হয়েছে। ওয়েব ফিল্মটি প্রযোজনা করছে ছবিয়াল। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এটি ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকির ব্যানারে নির্মিত হচ্ছে। অসম সম্পর্কের গল্প নিয়ে তৈরি এই ওয়েব ফিল্মটি মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’ প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত। নির্মাতাদের দাবি, গল্পে সম্পর্কের টানাপোড়েন, ভালোবাসা ও বাস্তব জীবনের নানা দিক তুলে ধরা হবে।

    তবে প্রচারণার এই কৌশল নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই এটিকে সৃজনশীল উদ্যোগ হিসেবে দেখলেও, অনেকে আবার সমালোচনা করেছেন। তাদের মতে, দর্শকদের বিভ্রান্ত করে প্রচারণা চালানো উচিত নয়। কেউ কেউ একে ‘সস্তা প্রচারণা’ বলেও মন্তব্য করেছেন।

    প্রসঙ্গত, চরকি ২০২৩ সালে ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’ প্রকল্পের ঘোষণা দেয়। ভালোবাসাকে কেন্দ্র করে ১২ জন নির্মাতার ১২টি মৌলিক গল্প নিয়ে শুরু হয় এই উদ্যোগ। এরই মধ্যে প্রকল্পের আওতায় মুক্তি পেয়েছে ‘লাস্ট ডিফেন্ডারস অব মনোগ্যামি’, ‘কাছের মানুষ দূরে থুইয়া’, ‘ফরগেট মি নট’, ‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’ এবং ‘থার্টি সিক্স-টোয়েন্টি ফোর-থার্টি সিক্স’।

    এদিকে, আরিফিন শুভকে সর্বশেষ দেখা গেছে ‘উনিশ২০’ ওয়েব ফিল্মে। দর্শকপ্রিয় সেই কাজের পর এবার ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ দিয়ে আবারও আলোচনায় এলেন তিনি। তবে বাস্তবে নয়, আপাতত পর্দার গল্পেই জুটি হচ্ছেন শুভ ও কেয়া পায়েল।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কেয়া পায়েলের জুটি শুভ

    অভিনেতা আরিফিন শুভকে এবার বলিউড হিরো বলা যেতেই পারে। কারণ বলিউড সিরিজ ‘জ্যাজ সিটি’র সাফল্য তাকে নতুনত্বের পরিচয় দিয়েছে। এ সিরিজ সাফল্যে দারুণ সময় পার করছেন এ ঢালিউড অভিনেতা।  শুধু ভারতীয় দর্শকদের কাছেই নয়, বাংলাদেশেও ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। 

    আরিফিন শুভর চিরচেনা ইমেজের বাইরে নতুন লুক, পরিমিত অভিনয় ও সংলাপ বলার ভিন্নধর্মী ভঙ্গিতে সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের মুগ্ধ করেছেন। সেই প্রশংসার প্রতিফলন মিলেছে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রথম সারির রিভিউতেও, যেখানে আরিফিন শুভর অভিনয় বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

    তারই ধারাবাহিকতায় গত ঈদে মুক্তি পায় তার অভিনীত অ্যাকশন সিনেমা ‘মালিক’। মুক্তির পর সিনেমাটি ঈদের আলোচিত চলচ্চিত্রগুলোর একটি হয়ে ওঠে। দীর্ঘদিন পর অ্যাকশন ঘরানায় এ সিনেমায় শুভকে দর্শকরাও ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন।

    এরই মধ্যেই আরিফিন শুভর নতুন খবর হচ্ছে— প্রথমবার জুটি বাঁধতে চলেছেন ছোটপর্দার অভিনেত্রী কেয়া পায়েলের সঙ্গে। জাহিদ প্রীতম পরিচালিত ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ সিনেমায় জুটি হয়ে কাজ করতে দেখা যাবে তাদের। এ সিনেমার মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর আবারও চরকির প্লাটফর্মে কাজ করছেন আরিফিন শুভ। চরকির মিনিস্ট্রি অব লাভ প্রজেক্টের ব্যানারে এটি প্রযোজনা করছে ছবিয়াল।

    সমকালীন জীবনের জটিলতা, পারিবারিক সম্পর্কের চিরন্তন বন্ধন এবং সামাজিক মাধ্যমের ব্যবহারকে এ কনটেন্টে এক সুতোয় বাঁধা হয়েছে বলে জানান নির্মাতা। 

    জাহিদ প্রীতম বলেন, ‘কাছাকাছি সময়ের দুটি সময়ের মানুষের গল্প এটি। তারা তাদের ব্যক্তিসত্তা, পরিবার, সমাজ ও সম্পর্ক নিয়ে কী ভাবেন, তার একটি প্রতিফলন পাওয়া যাবে এ সিনেমায়। আমি আশাবাদী যে, সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের মধ্যে একটা উপলব্ধি আমি তৈরি করতে পারব।’

    ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ সিনেমায় আরিফিন শুভ অভিনয় করছেন আনিস চরিত্রে। আরিফিন শুভকে সচরাচর অ্যাকশন লুকে বা আলফা মেইল হিসেবে দেখা যায়। কিন্তু ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ সিনেমায় তাকে দেখা যাবে সিগমা মেইল (স্বাধীন, আত্মনির্ভরশীল ও একাকী জীবনযাপন করা পুরুষ) চরিত্রে।

    আরিফিন শুভ বলেন, ‘উনিশ২০–এর পর চরকির সঙ্গে নতুন কাজ করছি। রম–কম ঘরানার কাজ এটি। শুধু বলার জন্য বলা না, এ রকম চরিত্রে কখনো কাজ করিনি। তিনি বলেন, দর্শকরা সাধারণত আমাকে যেভাবে দেখে অভ্যস্ত, এখানে সেভাবে দেখা যাবে না। অর্থাৎ কনভেনশনাল স্ট্রং মেইল ক্যারেক্টারাইজেশন না এটা।’ আরিফিন শুভ আরও জানান, তার চরিত্রটি মফস্বলের অত্যন্ত দায়িত্বশীল এক যুবকের, যার পুরো পৃথিবী জুড়েই রয়েছে পরিবার, ছোট ভাইবোন ও প্রিয় মানুষেরা।’

    সিনেমাটির মূল ভাবনা আবর্তিত হয়েছে এ যুগের এক জটিল মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক টানাপোড়েন কেন্দ্র করে। গল্পের এক প্রান্তে সহজ-সরল, সৎ যুবক আনিস। অন্যদিকে উচ্চবিত্ত ও আধুনিক শহুরে সংস্কৃতির চাদরে মোড়ানো তরুণী অনামিকা– এ চরিত্রে অভিনয় করেছেন কেয়া পায়েল। তার চরিত্রটি আবর্তিত হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার রোমাঞ্চ, সেলিব্রেটি ফ্যান্টাসি এবং ভার্চুয়াল জগতের মোহনীয় রঙিন স্বপ্নকে ঘিরে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • লন্ডনে পিটবুলের কনসার্টে গিনেস রেকর্ড, ২২ হাজার দর্শক পরলেন ‘টাক টুপি’

    ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তীব্র গরমে মাথায় আঁটসাঁট প্লাস্টিকের টুপি পরা খুব একটা আরামদায়ক বিষয় নয়। তবু লন্ডনের হাইড পার্কে ২২ হাজার ১৪১ জন মানুষ ঠিক এই কাজটিই করেছেন। পরনে ছিল সাদা শার্ট, কালো টাই এবং এভিয়েটর রোদচশমা। বিএসটি ফেস্টিভ্যালের মূল আকর্ষণ র‍্যাপার পিটবুলকে সম্মান জানাতে এবং সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষের টাক টুপি পরার গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়তেই তাদের এই অদ্ভুত আয়োজন।

    কালো স্যুট পরে রেকর্ড ভাঙার এই স্বীকৃতি গ্রহণ করার সময় এই র‍্যাপার বলেন, আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। কে ভেবেছিল প্রথম প্রজন্মের একজন কিউবান এভাবে রেকর্ড ভাঙবে এবং গড়বে?

    পিটবুল নিজেও টাক মাথার অধিকারী, কিন্তু রেকর্ডের অংশ হতে তাকেও একটি ‘টাক টুপি’ পরতে হয়েছিল। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের অফিশিয়াল বিচারক উইল মুনফোর্ডের মতে, এটি সবচেয়ে বেশি সংখ্যক টাক মানুষের সমাবেশের কোনো রেকর্ড ছিল না। তাই ‘মিস্টার ওয়ার্ল্ডওয়াইড’ (র‍্যাপারের ডাকনাম) হিসেবে পরিচিত পিটবুলকেও রেকর্ডভুক্ত হতে এই টুপি পরতে হয়েছে।

    মুনফোর্ড জানান, সঠিক ফলাফল নিশ্চিত করতে প্রবেশদ্বার ও অনুষ্ঠানস্থলে ৪০০ জন স্বেচ্ছাসেবক ব্যক্তিগতভাবে সবাইকে চেক করেছেন এবং ব্যাকস্টেজে ৪২ জন গণনাকারীর সাহায্যে ড্রোন ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

    কনসার্টের আগে এই টুপির চাহিদা এতই বেড়ে গিয়েছিল যে, অনেকেই শেষ মুহূর্তে এটি জোগাড় করতে হিমশিম খেয়েছেন। ৩০ বছর বয়সি লুসি তার সেরা বন্ধু হান্নাহর সঙ্গে তৃতীয়বারের মতো পিটবুলের কনসার্টে এসেছিলেন। 

    তিনি বলেন, এই সপ্তাহে আমি তিনটি ভিন্ন ফ্যান্সি ড্রেসের দোকানে গিয়েছিলাম, কিন্তু সব জায়গায় টুপি শেষ হয়ে গিয়েছিল। লুসি ভয় পাচ্ছিলেন যে, টাক টুপির এই বিশাল সমুদ্রে আমরাই হয়তো একমাত্র টুপি ছাড়া থাকব। মনে হচ্ছিল, এটি যেন ৬০ হাজার মানুষের মধ্যকার নিজেদের একটি দারুণ মজার জোকস।

    এই বিশ্ব রেকর্ড গড়ার ধারণাটি পিটবুল, বিএসটি বা গিনেস কর্তৃপক্ষের কারও মাথা থেকেই আসেনি; এর শুরুটা করেছিলেন একজন ভক্ত।

    পডকাস্ট হোস্ট ও সাংস্কৃতিক বিশ্লেষক জ্যাক রেমিংটন মজা করে বলেন, এই পুরো ঘটনাটি আমার জন্যই ঘটেছে। গত বছর বিএসটি যখন পিটবুলের পারফরম্যান্সের ঘোষণা দেয়, তখন রেমিংটন টিকটকে একটি মজার ভিডিও পোস্ট করে বলেছিলেন, বিএসটি-র ৬৫ হাজার ধারণক্ষমতা পিটবুলের মতো সাজা মানুষদের দিয়ে বিশ্ব রেকর্ড ভাঙার জন্য অনায়াসেই যথেষ্ট।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হয় এবং শিগগিরই রেমিংটন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস এবং বিবিসি রেডিও ১-এর গ্রেগ জেমসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারা পিটবুলকে মেসেজ পাঠিয়ে জানতে চান যে তিনি এই চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত কিনা। ‘মিস্টার ওয়ার্ল্ডওয়াইড’ আনন্দের সঙ্গেই উত্তর দিয়েছিলেন, ‘দেল!’ (স্প্যানিশ ভাষায় যার অর্থ ‘এগিয়ে যাও’ বা ‘শুরু করো’, যা তার একটি অ্যালবামেরও নাম)।

    মুনফোর্ড বলেন, এই রেকর্ডটি শুধু চমক সৃষ্টির জন্য নয়। এটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার কারণ হলো—এত বিশাল সংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণ এবং এমন অনেক মানুষ রেকর্ড গড়ার অংশ হতে পেরেছেন, যারা হয়তো আগে কখনো এমন সুযোগ পাননি। পিটবুলের মতো সাজগোজ করার এই ইন্টারনেটভিত্তিক ট্রেন্ডটি আগে থেকেই বেশ জনপ্রিয় ছিল, যা এই রেকর্ড গড়তে সাহায্য করেছে।

    পিটবুলের অনুকরণ করার এই ট্রেন্ডটি ২০২১ সালে শুরু হয়েছিল, যখন কয়েকজন ভক্ত তাকে মজা করে নকল করে কনসার্টে এসেছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় কয়েকটি ভাইরাল ভিডিওর সুবাদে এটি দ্রুত একটি বিশাল ফ্যান মুভমেন্টে পরিণত হয় এবং এখন ‘মিস্টার ওয়ার্ল্ডওয়াইড’-এর শো-তে তার মতো সেজে আসাটাই যেন অলিখিত নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    কিউবান-আমেরিকান এ র‍্যাপার এই বিষয়টিকে সাদরে গ্রহণ করে তার ভক্তদের নাম দিয়েছেন ‘দ্য বাল্ডিস’। এমনকি তিনি নিজের ওয়েবসাইটে অফিশিয়াল ‘মিস্টার ওয়ার্ল্ডওয়াইড কিট’ এবং টাক টুপি যথাক্রমে ৪০ ও ১০ পাউন্ডে বিক্রি করছেন। যার দুটিই এখন সোল্ড আউট।

    শাওনা (যিনি টাক টুপি পরেছিলেন) এবং জ্যাক (যার মাথায় সত্যিই টাক), ৩৩ বছর বয়সি এই দুই বন্ধু পিটবুলের অন্ধ ভক্ত নন, তবে তারা এসেছিলেন নস্টালজিক ও বাঁধভাঙা আনন্দের একটি রাত কাটানোর আশায়।

    শাওনা বলেন, কোনো কনসার্টে দেখা এটি আমার সবচেয়ে কম অহংকারী দর্শকসারি। পৃথিবী আক্ষরিক অর্থেই পুড়ছে, তাহলে কেন আমি মাথায় একটা টাক টুপি পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের দিনগুলোর সেই প্রিয় পপ গানগুলোর তালে নেচে একটু ভালো অনুভব করব না?

    সূর্য অস্ত যাওয়ার পর র‍্যাপার যখন মঞ্চে ওঠেন, তখন হাজার হাজার অনুকরণকারীকে তার সঙ্গে প্রতিটি গানের কলি গাইতে দেখে তিনি দৃশ্যতই অবাক হয়ে যান। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের স্বীকৃতি দিয়ে তিনি বলেন, লন্ডনে ‘বাল্ডিস’দের দেখা পাওয়া আমার জন্য এক আশীর্বাদ এবং সম্মানের বিষয়।

    সূত্র: দি গার্ডিয়ান

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘জুরাসিক পার্ক’ তারকা স্যাম নিল আর নেই

    ‘জুরাসিক পার্ক’ চলচ্চিত্রে ড. অ্যালান গ্রান্ট চরিত্রে অভিনয়ের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পাওয়া স্যাম নিল মারা গেছেন। সোমবার (১৩ জুলাই) অস্ট্রেলিয়ায় ৭৮ বছর বয়সে হলিউডের এ জনপ্রিয় অভিনেতা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। 

    তার পরিবার এক বিবৃতিতে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। তবে তারা কারণ জানায়নি।

    বিবৃতিতে জানানো হয়, স্যাম নিলের মৃত্যু ছিল ‘হঠাৎ এবং অপ্রত্যাশিত।’ তবে মৃত্যুর সময় তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেই ছিলেন এবং জীবনের মতোই মর্যাদার সঙ্গে শেষ বিদায় নিয়েছেন।

    ২০২৩ সালে প্রকাশিত আত্মজীবনীতে স্যাম নিল জানান, তিনি তৃতীয় পর্যায়ের নন-হজকিন লিম্ফোমায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। তখন নিজেকে মৃত্যুর মুখোমুখি বলে মনে করেছিলেন। পরে জিনভিত্তিক ইমিউন থেরাপির মাধ্যমে তিনি ক্যান্সারমুক্ত হন। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, মৃত্যুর সময়ও তিনি ক্যান্সারমুক্ত ছিলেন।

    পরিবারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তার মৃত্যু হঠাৎ এবং অপ্রত্যাশিত ছিল। তবে তিনি ক্যান্সারমুক্ত অবস্থায় পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন, যা আমাদের জন্য কিছুটা স্বস্তির।

    মৃত্যুর আগে তিনি অস্ট্রেলিয়ার সিডনির সেন্ট ভিনসেন্টস প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

    ১৯৭০-এর দশকে অভিনয়জীবন শুরু করা নিউজিল্যান্ডের এই অভিনেতা দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ‘জুরাসিক পার্ক’ ছাড়াও ‘পিকি ব্লাইন্ডার্স’ ‘দ্য হান্ট ফর রেড অক্টোবর’ এবং ‘দ্য পিয়ানো’সহ বহু জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন সিরিজে অভিনয় করেছেন।

    অভিনয়ের বাইরে তিনি নিউজিল্যান্ডের সেন্ট্রাল ওটাগো অঞ্চলে নিজস্ব আঙুরের বাগান পরিচালনা করতেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জীবন ও সমাজ নিয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি ছিল অসাধারণ

    নাট্যকার মান্নান হীরার জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে নাটক মঞ্চায়ন ও স্মারক বক্তৃতার আয়োজন করেছে আরণ্যক নাট্যদল। শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকালে রাজধানীর জাতীয় নাট্যশালার সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় এ স্মারক বক্তৃতা।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আরণ্যকের প্রতিষ্ঠাতা নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদ। তিনি বলেন, মানুষের জীবন ও সমাজ সম্পর্কে মান্নান হীরার দৃষ্টিভঙ্গি ছিল অসাধারণ ও গভীর। তার রচিত ‘এবং বিদ্যাসাগর’, ‘ময়ূর সিংহাসন’ এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনকে কেন্দ্র করে লেখা ‘খেলাখেলা’ নাটকগুলো সেই চিন্তারই প্রতিফলন। এছাড়া তার একক নাটক ‘লাল জমিন’ দেশে ও দেশের বাইরে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছে। মোমেনা চৌধুরীর অভিনয়ে নাটকটি বিশেষভাবে দর্শকপ্রিয়তা লাভ করে।

    মামুনুর রশীদ আরও বলেন, পথনাট্যের বিকাশে মান্নান হীরার অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তিনি পথনাটকের সঙ্গে শিল্পবোধ ও সামাজিক সচেতনতাকে সফলভাবে যুক্ত করেছিলেন।

    স্মারক বক্তৃতা অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আরণ্যকের প্রধান সম্পাদক হারুন রশীদ।

    অনুষ্ঠানে ‘নাট্যচর্চার আধুনিকায়নে বাংলাদেশের একাডেমিশিয়ানদের নিকেশ-কড়চা’ শীর্ষক বক্তৃতা দেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ইউসুফ হাসান অর্ক।

    মান্নান হীরার মৃত্যুর পর থেকে প্রতি বছর তার জন্মদিন উপলক্ষে স্মারক বক্তৃতার আয়োজন করে আসছে আরণ্যক নাট্যদল। এ বছর অনুষ্ঠিত হলো এই আয়োজনের পঞ্চম আসর। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    স্মারক বক্তৃতায় উপস্থিত ছিলেন গবেষক ও নাট্যসমালোচক বিপ্লব বালা, নাট্যজন ঠান্ডু রায়হান, নাট্যকার ও নির্দেশক মাসুম রেজা, গবেষক বাবুল বিশ্বাস, নাট্যনির্দেশক ও সংগঠক মোহাম্মদ বারী, অভিনেতা ও নাট্যনির্দেশক আজাদ আবুল কালাম, নাট্যকার অলোক বসু, নাট্যজন শহীদুল মামুন, অভিনয়শিল্পী ও সংগঠক আহাম্মদ গিয়াস, শাহ নেওয়াজ, অভিনেত্রী নাজনীন চুমকি, নাট্যকার আসাদুল ইসলাম, অভিনেত্রী মোমেনা চৌধুরী, সামিউন জাহান দোলা, জয়িতা মহলানবিশ, নাট্যসমালোচক আবু সাঈদ তুলু, সংগঠক তোসাদ্দেক মান্না, নাট্যকার সাইফ সুমন, পরিমল মজুমদার, অপু মেহেদী, শামীমা শওকত এবং প্রশান্ত হালদারসহ সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

    এর আগে, জন্মজয়ন্তী উদযাপনের অংশ হিসেবে ৭ জুলাই জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে মঞ্চস্থ হয় মান্নান হীরার বহুল আলোচিত নাটক ‘ময়ূর সিংহাসন’।

    সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক

  • চলচ্চিত্র অনুদান কমিটিতে অভিনেত্রী মুক্তি

    সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্র বাছাইয়ের কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পুনর্গঠিত হলো ‘পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদান কমিটি’। ১১ সদস্যের এই কমিটিতে ঠাঁই পেয়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের নব্বই দশকের অন্যতম জনপ্রিয় ও সুপরিচিত মুখ রুমানা ইসলাম মুক্তি। সরকারি কমিটিতে যুক্ত হওয়ায় আনন্দিত এই নন্দিত অভিনেত্রী। 

    এ প্রসঙ্গে মুক্তি বলেন, ‘অনুদান কমিটিতে আমাকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। চলচ্চিত্র একটি সমাজের দর্পণ, আর সরকারি অনুদান আমাদের দেশের প্রতিভাবান চলচ্চিত্র নির্মাতাদের স্বপ্ন পূরণের একটি অন্যতম বড় মাধ্যম। একজন চলচ্চিত্রকর্মী হিসেবে সবসময়ই চেয়েছি আমাদের দেশের চলচ্চিত্র শিল্প আরও সমৃদ্ধ হোক। এবার সরাসরি এই মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে নিজের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেল বলে মনে করছি।’

    তার কথায়, ‘অত্যন্ত সততা, নিষ্ঠা এবং নিরপেক্ষতার সঙ্গে আমার দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করব। আমার মূল লক্ষ্য থাকবে এমন কিছু গল্প ও চিত্রনাট্য নির্বাচন করা, যা আমাদের দেশীয় সংস্কৃতিকে সঠিকভাবে তুলে ধরবে, সমাজকে ইতিবাচক বার্তা দেবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলা চলচ্চিত্রের গৌরব বৃদ্ধি করবে। বিশেষ করে নতুন ও তরুণ নির্মাতাদের সৃজনশীল ভাবনাকে এগিয়ে নিতে আমি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেব।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোছা: শারমিন আখতার স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীকে সভাপতি করে এবং যুগ্মসচিবকে (চলচ্চিত্র) সদস্য সচিব করে মোট ১১ জন সদস্যকে নিয়ে পুনর্গঠিত হয়েছে কমিটি।

    কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন- তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সচিব, অতিরিক্ত সচিব (চলচ্চিত্র), বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রযোজক সরদার সানিয়াত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের সাবেক সভাপতি প্রফেসার ড. সাইফুল ইসলাম ও চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি আওলাদ হোসেন উজ্জ্বল।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদান বাছাই কমিটির সুপারিশ ও পর্যালোচনাপূর্বক, সরকারি অনুদান প্রদান নীতিমালা ২০২৫ (সংশোধিত) এর আলোকে এই কমিটি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে অনুদান প্রদান বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে।

    বিনোদন ডেস্ক