Tag: বিনোদনের খবর

  • আল্লাহ যেন ঈমানের সঙ্গে জীবনযাপন ও নেক আমল করার সুযোগ দেন

    জীবনের আরও একটি বছর পার হওয়ার উপলক্ষে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন শিশুশিল্পী সিমরিন লুবাবা। 

    রোববার (১৬ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি অতীতের ভুল-ত্রুটি ক্ষমা এবং ভবিষ্যৎ জীবন বরকতময় করার জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন।

    স্ট্যাটাসে লুবাবা লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, জীবনের আরও একটি বছর পার হয়ে গেল। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যেন আল্লাহর নৈকট্য ও তাকওয়া বৃদ্ধি পায়—এটাই আমার সবচেয়ে বড় চাওয়া।

    তিনি সবার কাছে আন্তরিকভাবে দোয়া চেয়ে বলেন, আল্লাহ যেন আমার অতীতের সব ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে দেন, ভবিষ্যৎ জীবনকে বরকতময় করেন, ঈমানের সঙ্গে জীবনযাপন করার তাওফিক দান করেন এবং নেক আমল করার সুযোগ দেন।

    লুবাবা আরও প্রার্থনা করেন, জীবনের অবশিষ্ট সময় যেন আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে কাটাতে পারেন। একই সঙ্গে নিজের পরিবার ও সব মুসলিম উম্মাহর জন্য দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ কামনা করেন তিনি।

    নিজের জন্য সবার দোয়ার গুরুত্ব তুলে ধরে এই শিশুশিল্পী লেখেন, আপনাদের দোয়া আমার জন্য অনেক মূল্যবান। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।

    স্ট্যাটাসের শেষাংশে তিনি আল্লাহর কাছে জ্ঞান বৃদ্ধি ও জীবনে বরকতের প্রার্থনা করেন। এ সময় তিনি লেখেন, হে আমার রব, আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন এবং আমার জীবনে বরকত দান করুন।

    লুবাবার এই দোয়া ও শুভকামনার পোস্টে তার ভক্ত-অনুরাগী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান এবং তার সুন্দর ও সফল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শুটিংয়ের ফাঁকে যে অভ্যাসের কারণে সাইফ অন্যদের থেকে আলাদা

    প্রথমবারের মতো পতৌদি পরিবারের নবাব অভিনেতা সাইফ আলি খানের সঙ্গে কাজ করছেন পরিচালক প্রিয়দর্শন। তাদের আসন্ন ‘হৈবান’ সিনেমায় সাইফকে পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা জানালেন তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সাইফকে ‘লোভী, কিন্তু বাধ্য’ উল্লেখ করেছেন পরিচালক। এর পাশাপাশি জানিয়েছেন কাজ করতে করতে পরিচালকের প্রতি অভিনেতার আস্থা কীভাবে তৈরি হয়েছিল, তা জানান প্রিয়দর্শন।

    সাইফকে ‘পরিণত শিশু’ উল্লেখ করে প্রিয়দর্শন বলেন, অভিনেতার মনে কাজ নিয়ে অনেক প্রশ্ন থাকে। তবে সেই প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গেলে তিনি আর কোনো তর্ক না করে পরিচালকের নির্দেশ মেনে কাজ করে যান।

    পরিচালক বলেন, ওর প্রতিবারই অনেক প্রশ্ন থাকে। অবশ্য প্রত্যেক অভিনেতারই প্রশ্ন করার অধিকার রয়েছে। কিন্তু প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার পরেই ও পরিচালকের কথা মেনে নেয়। তিনি বলেন,  দুদিন পর দেখলাম আর কোনো প্রশ্ন নেই। তাই এক সকালে ওকে জিজ্ঞাসা করলাম—কোনো প্রশ্ন আছে? ও বলল, ‘না স্যার, এখন আমি জানি আপনি কী শুট করতে চাইছেন।’

    প্রিয়দর্শন বলেন, এই পারস্পরিক বোঝাপড়াই ধীরে ধীরে দুজনের মধ্যে আস্থা তৈরি করেছে। এভাবেই আমাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস তৈরি হয় এবং কাজ এগিয়ে যায়। সাইফ ভীষণ নিষ্ঠাবান।

    অভিনেতার আরও একটি অভ্যাস নজর কেড়েছে বলে জানান পরিচালক। তিনি বলেন, শুটিংয়ের ফাঁকে অন্য অনেক অভিনেতার মতো ফোনে ডুবে না থেকে সাইফ বই পড়েন। বর্তমান সময়ে অভিনেতাদের মধ্যে সেই অভ্যাস খুঁজে পাওয়া বেশ কঠিন বলে জানান প্রিয়দর্শন।

    তিনি বলেন, সাইফ অত্যন্ত বইপাগল মানুষ। তার চারপাশের পৃথিবী সম্পর্কে জ্ঞানও যথেষ্ট গভীর। ফলে অভিনেতার সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করতেও তার ভালো লেগেছে।

    কাজের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে পরিচালক বলেন, আমি ওর সঙ্গে অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে পারতাম। কারণ আমি পতৌদি নবাবের খুব বড় ভক্ত। তাই ওর সঙ্গে অনেকটা সময় কাটিয়েছি। ও আমাকে পতৌদির স্বক্ষরসহ একটি সুন্দর বইও উপহার দিয়েছে। ফলে ওর সঙ্গে সময় কাটিয়ে আমার খুব ভালো লেগেছে বলে জানান প্রিয়দর্শন।

    এ নির্মাতা বলেন, আমি ওকে খুব বাধ্য অভিনেতা হিসাবে পেয়েছি। একটু লোভী, কিন্তু খুবই বাধ্য অভিনেতা। আর এটাই ওর সবচেয়ে ভালো দিক। তিনি বলেন, আমার মনে হয়, ও আমার ওপর একটা নির্দিষ্ট ধরনের আস্থা তৈরি করেছিল। সেটি সিনেমাটাকে খুব মসৃণভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে আমাকে অনেক সাহায্য করেছে। সেই সঙ্গে কাজের ক্ষেত্রে, চরিত্র নিয়ে আরও জানার লোভই সাইফকে পরিণত অভিনেতা হতে সাহায্য করেছে বলে মনে করেন পরিচালক। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • রোমান্টিক আবহে দেব-শুভশ্রী

    একসময়ের টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা দীপক অধিকারী দেব ও অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলি দীর্ঘ ১১ বছর পর একসঙ্গে আবারও জুটি হয়ে কাজ শুরু করেছেন। সময়ের ব্যবধানে তা অনেক হলেও মাঝখানে মনোমালিন্যে ভাটা পড়েছিল। ইন্ডাস্ট্রিতে থাকলেও দুজন দুদিকে ছিল। তবে দীর্ঘদিন পর মান-অভিমান ভুলে গত বছর তাদের অভিনীত ‘ধূমকেতু’ মুক্তি পেয়েছিল। যদিও সেই সিনেমাটির কাজ হয়েছিল ২০১৫ সালে। 

    তবে এবার ‘দেশু ৭’ দিয়ে নতুন করে জুটি বাঁধলেন দেব-শুভশ্রী। এ সিনেমার ফার্স্টলুক পোস্টার প্রকাশ্যে এসেছে। এ সিনেমাটি দিয়েই প্রথমবারের মতো পরিচালকের আসনে বসেছেন দেব। তাই ভক্ত-অনুরাগীদের কাছে ‘দেব-শু ৭’ সিনেমাটি একটু বেশিই বিশেষ। আগামী ১৬ অক্টোবর মুক্তির লক্ষ্যে পুরোদমে শুটিং করে চলেছেন এ তারকা জুটি।

    দেব ও শুভশ্রী হচ্ছে টালিউডের অন্যতম সফল জুটি। তাদের সব সিনেমাই হয়েছে ব্যবসাসফল। সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের কাছে ‘দেশু’ বিপুল জনপ্রিয়। কিন্তু মাঝের ব্যক্তিগত কারণে অনেক বছর একসঙ্গে কাজ করা হয়নি তাদের। এতেই ভক্তরা মর্মাহত ছিলেন। তবে আবারও প্রাণ ফিরেছে ‘দেশু’ ভক্ত-অনুরাগীদের। দীর্ঘ বিরতির পর জুটি হয়ে শুটিংয়ে ফিরেছেন দেব-শুভশ্রী। 

    দেব পরিচালিতি ‘দেশু ৭’ সিনেমাটির ফার্স্টলুক পোস্টার প্রকাশ্যে এসেছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) প্রকাশিত হয়েছে তাদের প্রথম পোস্টার। যেখানে পুরনো আমেজের রোমান্টিক আবহে ধরা দিয়েছেন এ তারকা জুটি।

    পোস্টারে দেখা গেছে, পাহাড়ের ওপর বাইক নিয়ে বসে আছেন দেব, অন্যদিকে তাকে জড়িয়ে বসে আছেন শুভশ্রী। সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করা এই ফার্স্টলুকের ক্যাপশনে লেখা হয়েছে— ‘যতই আসুক না বাধা, তোমায়-আমায় করা যাবে না আলাদা। ভালোবাসা তাদের চোখে, আগুন তাদের রক্তে। প্রেম, অ্যাকশনের নতুন এক অধ্যায়ের জন্য সবাই প্রস্তুত হও।’  

    তাদের দুজনের এই প্রেমময় মুহূর্তে মজেছেন সামাজিক মাধ্যমের নেটিজেনসহ ভক্ত-অনুরাগীরা। সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে পোস্টের পরপরই প্রায় ৬০ হাজার প্রতিক্রিয়া আর কয়েক হাজার মন্তব্য জমা পড়েছে।

    শুধু তাই নয়, সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের পাশাপাশি দেব-শুভশ্রীর এই পুনর্মিলনে উচ্ছ্বসিত তাদের বর্তমান সঙ্গীরাও। দেবের প্রেমিকা রুক্মিণী মৈত্র ও শুভশ্রীর স্বামী-নির্মাতা রাজ চক্রবর্তীও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঢাকায় এসে যেভাবে গিটারের জাদুকর হয়ে উঠেন আইয়ুব বাচ্চু

    বিনোদন জগতের সংগীতাঙ্গনের বাংলা ব্যান্ডসংগীতের কিংবদন্তি গিটারবাদক, সুরকার ও সংগীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চুর জন্মদিন আজ। যদি তিনি বেঁচে থাকতেন, তবে আজ ৬৪ বছরে পা দিতেন এ গিটারবাদক। ১৯৬২ সালের এই দিনে চট্টগ্রাম শহরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

    এ কিংবদন্তির সংগীতশিল্পীর জন্মদিন উপলক্ষ্যে এবার প্রকাশ পাচ্ছে তার ২০টি কালজয়ী গান। নতুন সংগীতায়োজনে গানগুলো নিয়ে সাজানো হয়েছে বিশেষ অ্যালবাম ‘উত্তরাধিকার’। আজ রোববার (১৬ আগস্ট) তার জন্মদিনে অ্যালবামটি প্রকাশ করা হচ্ছে। এতে দেশের আটটি উদীয়মান ব্যান্ড ও ১২ জন একক শিল্পী কণ্ঠ দিয়েছেন। 

    দ্বৈত অ্যালবামের পাশাপাশি বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যমেও গানগুলো প্রকাশ করা হবে। ইকবাল আসিফ জুয়েলের তত্ত্বাবধানে তৈরি অ্যালবামটিতে থাকছে আইয়ুব বাচ্চুর জনপ্রিয় গান ‘চলো বদলে যাই’, ‘রুপালি গিটার’, ‘নীল বেদনা’, ‘গতকাল রাতে’, ‘চাঁদ মামা’, ‘অচেনা জীবন’, ‘মাধবী’ ও ‘বাংলাদেশ’সহ আরও বেশ কয়েকটি গান।

    মাত্র ৫৬ বছরের জীবনে আইয়ুব বাচ্চু বাংলা সংগীতকে যা দিয়ে গেছেন, তা তাকে করে তুলেছে অনন্য। গিটার হাতে মঞ্চে দাঁড়িয়ে তার পরিবেশনা যেমন দর্শকদের মুগ্ধ করত, ঠিক তেমনি তার কণ্ঠের গান ছুঁয়ে যেত শ্রোতাদের হৃদয়। ভক্ত-অনরাগীদের কাছে তিনি ছিলেন ‘বস’। কারও কাছে ‘স্যার’। আবার কারও কাছে সংগীতাঙ্গনে পরিচিত ছিলেন গিটারের জাদুকর হিসেবে।

    আইয়ুব বাচ্চু রকসংগীতের শিল্পী হলেও নিজেকে কোনো একটি ঘরানায় আটকে রাখেননি। আধুনিক গান, লোকগীতি ও চলচ্চিত্রের গানেও শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন তিনি। তার কণ্ঠ, সুর ও গিটারের অনন্য মিশেলে তৈরি হয়েছে অসংখ্য জনপ্রিয় গান। ১৯৮৩ সালে মাত্র ৬০০ টাকা নিয়ে ঢাকায় এসেছিলেন এ গিটারবাদক। 

    এরপর প্রতিভা, পরিশ্রম আর অদম্য ইচ্ছাশক্তির মাধ্যমে ধীরে ধীরে নিজেকে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। সোলসসহ বিভিন্ন ব্যান্ডে কাজ করার পর ১৯৯০ সালে গড়ে তোলেন নিজের ব্যান্ড ‘লিটল রিভার ব্যান্ড’, যা পরবর্তী সময়ে ‘লাভ রান্স ব্লাইন্ড’ বা এলআরবি নামে পরিচিতি পায়। তবে হাসি-আনন্দের আড়ালে আইয়ুব বাচ্চুর ভেতরে ছিল গভীর অভিমান ও বেদনা। 

    কাছের মানুষের ভাষ্যানুযায়ী, আইয়ুব বাচ্চু ছিলেন অত্যন্ত আবেগপ্রবণ ও অভিমানী একজন মানুষ। নিজের কষ্ট সবসময় প্রকাশ করতেন না। কখনো কখনো সেই না বলা কথাগুলোই উঠে এসেছে তার গান ও সুরে। মায়ের মৃত্যুর পর ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। মায়ের প্রতি তার গভীর ভালোবাসার কথা নানা সময় নিজেই বলেছেন। মায়ের চলে যাওয়া তার জীবনের সবচেয়ে বড় কষ্টগুলোর একটি হয়েছিল।

    আইয়ুব বাচ্চুর সবচেয়ে বড় ভালোবাসা ছিল গিটার। তিনি বলতেন, গিটারই তার প্রথম ও শেষ ভালোবাসা। জীবনের বড় একটি অংশ তিনি গিটার সংগ্রহ ও বাজানোর পেছনে ব্যয় করেছেন। বিভিন্ন দেশে গিয়ে নামি গিটারের দোকানে ঘুরেছেন, নতুন গিটার সংগ্রহ করেছেন। তার কাছে এসব গিটার ছিল শুধু বাদ্যযন্ত্র নয়, আবেগ ও ভালোবাসার অংশ। জীবনের শেষ দিকে নিজের গিটারগুলো নিয়ে দেশব্যাপী একটি প্রতিযোগিতা আয়োজনের স্বপ্নও দেখেছিলেন তিনি। চেয়েছিলেন— প্রতিভাবান গিটারবাদকরা তার প্রিয় গিটারগুলো বাজাবেন। কিন্তু সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা পাননি। আজ তার জন্মদিনে আবারও মনে পড়ে সেই শিল্পীকে, যিনি গিটার হাতে প্রজন্মের পর প্রজন্মকে গান শুনিয়েছেন। তার চলে যাওয়ার আক্ষেপ হয়তো কখনোই শেষ হবে না। তবে তার সৃষ্টি, গান ও গিটারের সুর তাকে বাঁচিয়ে রাখবে সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে। আইয়ুব বাচ্চু নেই, কিন্তু তার গান আছে। আর সেই গানেই বারবার ফিরে আসবেন গিটারের এই জাদুকর।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ের মাস যেতে না যেতেই দুঃসংবাদ আমিরের বাড়িতে

    ২০২৬ সালের ৫ জুলাই দীর্ঘদিনের বান্ধবী গৌরী স্প্র্যাটকে আইনিভাবে বিয়ে করেন বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট অভিনেতা আমির খান। এটি তার তৃতীয় এবং গৌরীর দ্বিতীয় বিয়ে। তৃতীয় বিয়ের পর থেকেই একের পর এক সমস্যায় জর্জরিত অভিনেতা। বিয়ের পরই ‘লাভ জিহাদ’ কটাক্ষে জর্জরিত তিনি। শুধু তাই নয়, দিল্লির যন্তর-মন্তরে প্রতিবাদে মুখ না খোলা থেকে শুরু করে বারবার অন্য ধর্মের নারীকে বিয়ে করা পর্যন্ত— একাধিক বিষয় নিয়ে কটাক্ষের শিকার হয়েছেন মিস্টার পারফেকশনিস্ট অভিনেতা।

    আমির খান জানান, গৌরী হিন্দু নয় ক্রিস্টিয়ান। সাবেক স্ত্রীরা মুসলিম না হলেও তিনি কখনোই কাউকে ধর্ম পরিবর্তন করার জন্য জোর দেননি। এ ছাড়া ভিন্ন ধর্মে বিয়ে তার পরিবারে একাধিকবার হয়েছে, তাই এ ক্ষেত্রে লাভ জিহাদ কথাটির কোনো মানে নেই। 

    খুব স্বাভাবিকভাবেই বোঝা যাচ্ছে, সময়টা একেবারেই ভালো যাচ্ছে না এ অভিনেতার। এর মধ্যেই হঠাৎ করে সাবেকের সঙ্গে দেখতে পাওয়া গেল আমির খানকে। শুধু তাই নয়, মুখ গম্ভীর ও চোখে পানি। আমিরের এমন রূপ দেখে খুব স্বাভাবিকভাবেই চিন্তিত সবাই। হঠাৎ এমন কী হলো অভিনেতার?

    সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে কিছু ছবি, যেখানে দেখতে যাচ্ছে— সাবেক স্ত্রী কিরণ রাও এবং ছেলে আজাদের সঙ্গে দাঁড়িয়ে রয়েছেন আমির খান। কান্নায় ভেঙে পড়েছে আজাদ। অন্যদের মুখও গম্ভীর। 

    জানা গেল আসল কারণ। ছেলে ও সাবেক স্ত্রীকে নিয়ে পেট ক্লিনিক থেকে বেরিয়ে আসছিলেন আমির খান। ফলে বোঝাই যায় বাড়ির কোনো পোষ্য হয়তো অসুস্থ। সেই পোষ্যকে নিয়েই তাই তড়িঘড়ি ক্লিনিকে দৌড়েছেন মিস্টার পারফেকশনিস্ট অভিনেতা।

    যদিও এ বিষয় নিয়ে আমির খান বা তার পরিবারের তরফ থেকে কিছু জানানো হয়নি। তবে আজাদের কান্না দেখে অনেকেই ভাবছেন— হয়তো পোষ্য গুরুতর অসুস্থ। আবার অনেকে ভাবছেন— হয়তো বাড়ির পোষ্য মারা গেছে, তাই কান্নায় ভেঙে পড়েছে আজাদ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সত্য কখনো চাপা থাকে না, সামনে আসবেই: সাদিয়া আয়মান

    বিনোদন  জগতের ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান প্রায়ই তার সাবলীল অভিনয় স্টাইলিশ লুক নিয়ে আলোচনায় থাকেন। নানা সময়ে তারকাদের প্রেম, বিয়ে কিংবা বিভিন্ন গুঞ্জন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের
    মধ্যে চর্চা
    হওয়া নতুন কিছু নয়। সম্প্রতি বেশ কিছু নাটক, ফিল্ম, ওয়েব ফিল্ম দিয়ে আলোচনায় এলেও বর্তমানে অভিনেত্রীর ব্যস্ততা খানিকটা কম দেখা গেছে।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ছড়িয়ে পড়া নানা গুঞ্জন, ব্যক্তিগত জীবন ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। কোনো বিষয়ে পালটাপালটি মন্তব্য করে বিতর্ক বাড়ানো নয়, বরং নিজের কাজ মানসিক শান্তি রক্ষা করাকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন বলে জানান তিনি।

    সাদিয়া আয়মান বলেন, ‘গুঞ্জন তো গুঞ্জনই। গুঞ্জন নিয়ে বলার কিছু নেই, থাকেও না। তবে কিছু কথা না বললেও হয়। যখন একটা মানুষ তার কথা বলে ফেলে, আমি যদি আমার সাইড অফ স্টোরি বলি, তখন কিন্তু গল্পটা আসলে অন্যরকম হবে।

    তিনি বলেন, তো ওইটা হয়তোবা যে মানুষটা বলে সে চিন্তাও করে না। আমি চাই না আসলে কাদা ছোড়াছুড়ি হোক। আমি চাই না একজন একটি ইন্টারভিউতে এক কথা বলছে, আবার আমি আরেক কথা বলব। এ রকম নোংরামি করতে চাই না। আমার মনে হয় সত্য কখনো চাপা থাকে না, সত্য একসময় সামনে আসবেই।

    সাদিয়া আয়মান বলেন, ‘আমি আগেও বলেছিআমার প্রেমের খুব ইচ্ছা নেই। আমি সব সময় আমার সেটেলমেন্ট করাতেই বিশ্বাসী। আমার কাছে যখন মনে হবে ঠিকঠাক মতো সময়, সুযোগআল্লাহ তো সব লিখে রেখেছে কপালে। আমরা অনেক কিছু চাইলেও সেটা হয় না। আল্লাহ সবকিছু আসলে প্ল্যান করে রেখেছেন। আমাদের কোনো প্ল্যান থাকলেও সেটা আসলে পরক্ষণেই চেঞ্জ হয়ে যেতে পারে। তো আমার মনে হয় যখন সঠিক সময় হবে, যা হবে সব।

    অভিনেত্রী বলেন, অহেতুক বিতর্ক থেকে দূরে থেকে নিজের কাজ, পরিবার মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষাতেই নজর দিচ্ছেন। তিনি
    বলেন,
    আমার মনে হয় এখন সময় না। আমি এখন অনেক ছোট, কাজ করে যাই। যখন অনেক বড় হব, সিনিয়র হয়ে যাব, তখন আমার গল্পগুলো বলব, তখন সেগুলো আরও ভ্যালু অ্যাড করবে।

    সাদিয়া আয়মান বলেন, আসলে এত এনার্জি নষ্ট করার কোনো মানে হয় না। শুটিংয়ের কাজ, ফ্যামিলি, আমার বিড়ালের যত্ন নেওয়াআমাকে নিজেকে নিয়েই চিন্তা করতে হয়। আমার মেন্টাল হেলথ আমি খুবই প্রটেক্ট করি। যেগুলো আমাকে মেন্টাল হেলথে ইফেক্ট করতে পারে, সেগুলোকে আমি পাত্তাই দিই না বলে জানান এ অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ইমরান-পড়শীর যে গান ছাড়াল ১০০ মিলিয়ন

    ৯ বছর আগে, ২০১৭ সালে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ইমরান মাহমুদুল ও সাবরিনা পড়শীর দ্বৈত কণ্ঠে একটি গান গেয়েছিলেন। সে সময় শ্রোতারা খুব একটা ইউটিউব কেন্দ্রিক না হলেও আজ অনেকদিন পর এসে সেই গান স্পর্শ করল এক দারুণ মাইলফলক। ইউটিউবে ১০০ মিলিয়ন ভিউ অর্থাৎ ১০ কোটি বার দেখা হয়েছে গানটি। 

    গানটির নাম ‘জনম জনম’। ইমরান-পড়শী জুটির প্রথম ডুয়েট এটি। সময়ের ব্যবধানে তারা জুটি বেঁধে বহু গান করলেও পুরোনো এই গানটি এখনও শুনছেন শ্রোতারা।

    শুক্রবার দুপুরে গানটির এমন অর্জন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট দেন গায়ক ইমরান মাহমুদুল। উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে লেখেন, ‘আমার মিউজিক ক্যারিয়ারে পড়শীর সঙ্গে এটাই ছিল প্রথম কোনো ডুয়েট গান। দেখতে দেখতে গানটি ১০ কোটিরও বেশি ভিউ পার করেছে।’

    ইমরান লেখেন, ‘যদিও গানটি ইউটিউবের যুগের গান নয়, তারপরও সময় ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আজও গানটি শ্রোতাদের ভালোবাসা পাচ্ছে এটাই সত্যিই আনন্দের।’  

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    গানটি লিখেছেন জনপ্রিয় গীতিকার রবিউল ইসলাম জীবন। সহশিল্পীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ইমরান আরও লেখেন, রবিউল ইসলাম জীবনের কথায়, আমার সুর ও সংগীতে ‘জনম জনম’ গানটি ছিল পড়শীর তৃতীয় একক অ্যালবামের গান। সেই অ্যালবামের সবচেয়ে জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে এটিও ছিল অন্যতম। গানটির সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও ভালোবাসা। ‘জনম জনম’ এভাবেই বেঁচে থাকুক শ্রোতাদের ভালোবাসায়।

    ২০১৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি জি-সিরিজের ইউটিউব চ্যানেলে অফিসিয়াল ভিডিও আকারে প্রকাশ করা হয় গানটি। ভিডিওটি পরিচালনা করেছিলেন রম্য খান। অডিও ক্যাসেট ও সিডির যুগ পেরিয়ে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও গানটি একইভাবে সফল, তা বলাই বাহুল্য।

    এদিকে, ইমরানের পোস্টের কমেন্ট সেকশনে শুভেচ্ছা এবং পুরানো স্মৃতি প্রকাশ করছেন ভক্ত-অনুরাগীরা। গানটির গীতিকার রবিউল ইসলাম জীবন নিজেও ইমরানকে ভালোবাসার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। মন্তব্য ঘরে এক ভক্ত লিখেছেন, ‘নোকিয়া ফোনে শুনতাম গানটা, এখনো সেই আগের মতো ইউটিউবে শুনি সেম ফিল পাই।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ছেলের জন্মদিনে ঘরোয়া আয়োজন, পরীমনির আবেগঘন বার্তা

    চার বছর পূর্ণ করল ঢাকাই চিত্রনায়িকা পরীমনির ছেলে শাহীম মুহাম্মদ পূণ্য। বিশেষ এই দিনে ঘরোয়া আয়োজন করেছেন অভিনেত্রী। 

    রোববার (৯ আগস্ট) সেই আয়োজনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের পাশাপাশি ভক্তদের উদ্দেশে দিয়েছেন বিশেষ বার্তা।

    এবার তেমন কোনো আয়োজনের খবর এখন পর্যন্ত পাওয়া না গেলেও জন্মদিনের প্রথম প্রহরে দেখা মিলেছে ঘরোয়া আয়োজনের। পাশাপাশি নিজের মাতৃত্ব নিয়ে একটি বিশেষ বার্তা দিয়েছেন পরীমণি। বিশেষ এই দিনটিকে তিনি নিজের ‘নতুন জীবনের জন্ম’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে পরীমণি জানান, ছেলেকে তিনি বলেছিলেন, বাজান, হ্যাপি বার্থডে।

    জবাবে ছেলে পূণ্য বলে, হ্যাপি বার্থডে টু ইউ আম্মু।

    ছেলের এমন প্রতিক্রিয়ায় আবেগাপ্লুত হয়ে পরীমনি লেখেন, তাই তো! আজ আমার এই সুন্দর এক নতুন জীবনের জন্ম তোমার জন্যই হয়েছে। আজ আমারও জন্মদিন। মা পরীর জন্মদিন। দোয়া করবেন সবাই।

    এরপর প্রকাশ করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ঘরের টেবিলজুড়ে হাফ ডজন কেক। চারপাশে সাজানো রঙিন বেলুন। টেবিলের পাশেই বিছানায় ঘুমিয়ে ছিল পূণ্য।

    ভিডিওটির ক্যাপশনে অভিনেত্রী লেখেন, আমার বাজান বড় হয়ে দেখবে এসব পাগলামি করি আমরা।

    ২০২২ সালের ১০ আগস্ট জন্ম নেয় পরীমণির ছেলে শাহীম মুহাম্মদ পূণ্য। সন্তানের জন্মের পর থেকেই প্রতিবছর নানা আয়োজনের মাধ্যমে ছেলের জন্মদিন উদযাপন করে আসছেন এই চিত্রনায়িকা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • একসঙ্গে নব্বই দশকের পর্দা কাঁপানো চার তারকা

    বাংলা চলচ্চিত্রের নব্বইয়ের দশকে পর্দা কাঁপানো কয়েকজন পরিচিত মুখকে নিয়ে নিজের নস্টালজিয়া প্রকাশ করেছেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় তারকা ওমর সানী। চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় খলনায়ক মিশা সওদাগরের বাসায় দাওয়াতে গিয়ে এই স্মৃতি প্রকাশ করেন তিনি।

    দীর্ঘদিন পর একসঙ্গে চার পরিচিত মুখ—অমিত হাসান, আমিন খান, মিশা সওদাগর ও ওমর সানীকে দেখতে পেয়ে ভালোবাসা জানিয়েছেন নেটিজেনরাও।

    সোমবার (১০ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে বর্তমানে কে কোথায় অবস্থান করছেন, সে কথাও জানান ওমর সানী।

    পোস্টে তিনি বলেন, আমাদের বন্ধু অমিত হাসান আপাতত প্রবাসজীবন কাটাচ্ছেন। আমি আর আমিন খান বাংলাদেশে পড়ে আছি। আর বন্ধু মিশা সওদাগরের আসা-যাওয়ার মধ্যেই সময় কেটে যায়, প্লেনের মধ্যে অনেক জ্বালা।

    তিনি আরও বলেন, অমিত আসার পর মিশা সওদাগর আমাদের দাওয়াত দিলেন তার বাসায়। আর হয়ে গেলাম নব্বই দশকের ভালোবাসার ইতিহাস।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ক্যানসারের কাছে হার মানলেন ‘গজনি’ ও ‘লাগান’খ্যাত অভিনেতা প্রদীপ রাওয়াত

    ক্যানসারের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে মারা গেছেন প্রবীণ অভিনেতা প্রদীপ রাওয়াত। তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর।

    উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রায় ১০ দিন আগে তাকে মুম্বাইয়ের কোকিলাবেন ধিরুভাই আম্বানি হাসপাতাল থেকে ভিওয়ান্ডির একটি ক্যানসার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছিল। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও এক ছেলে বিক্রমাদিত্যকে রেখে গেছেন।

    সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে এই অভিনেতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন আরেক বলিউড অভিনেতা যশপাল শর্মা।

    তিন দশকের বেশি সময়ের অভিনয়জীবনে হিন্দি, তেলেগু, তামিল, কন্নড় ও মালায়ালম সিনেমায় বেশ পরিচিত মুখ ছিলেন প্রদীপ রাওয়াত। ২০০৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত তামিল সিনেমা ‘গজনি’তে নিষ্ঠুর খলনায়কের চরিত্রে অভিনয় করে তিনি ব্যাপক পরিচিতি পান। তার অভিনয় এতটাই প্রশংসিত হয়েছিল যে, ২০০৮ সালে আমির খানের বিপরীতে সিনেমাটির হিন্দি রিমেকেও তাকেই একই চরিত্রে নেওয়া হয়েছিল।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এর আগে, ২০০১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘লাগান’ সিনেমাতেও আমির খানের সঙ্গে কাজ করেছিলেন তিনি।

    তবে অনেক দর্শক প্রদীপ রাওয়াতকে প্রথম চেনেন বি আর চোপড়ার কালজয়ী টেলিভিশন ধারাবাহিক ‘মহাভারত’–এর মাধ্যমে। সেখানে তিনি দ্রোণাচার্যের ছেলে অশ্বত্থামার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। ১৯৮৫ সালে ‘মেরি জং’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে তার অভিষেক হলেও, ‘মহাভারত’–এ তার চরিত্রটিই তাকে ব্যাপক স্বীকৃতি এনে দেয়।

    তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে—‘সরফরোশ’, ‘দ্য হিরো: লাভ স্টোরি অব আ স্পাই’, ‘স্ট্যালিন’, ‘বীরাম’, ‘১: নেনোক্কাডিন’, ‘লৌক্যাম’, ‘নেনু সাইলাজা’, ‘সাররাইনোডু’, ‘নেনে রাজু নেনে মন্ত্রী’, ‘আয়িরাথিল ইরুভার’, ‘মার্কেট রাজা এমবিবিএস’ এবং ‘মিস ম্যাচ’।

    প্রদীপের অভিনয়জীবনের একটি বড় মাইলফলক ছিল এস এস রাজামৌলির ‘সায়’ (২০০৪) সিনেমাটি। এর মাধ্যমেই তেলেগু সিনেমায় তার অভিষেক হয়েছিল।

    সূত্র: এনডিটিভি

    বিনোদন ডেস্ক