Tag: বলিউড

  • লম্বা হওয়ার কারণেও প্রত্যাখ্যাত হয়েছিলেন অমিতাভ বচ্চন

    বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন ক্যারিয়ারের শুরুতে নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি তার চেহারা ও অতিরিক্ত উচ্চতা নিয়েও একসময় সমালোচনা শুনতে হয়েছে। সম্প্রতি ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের এমনই এক তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন এই বর্ষীয়ান অভিনেতা।

    ‘কৌন বানেগা ক্রোড়পতি ১৮’-এর বিশেষ এক পর্বে কমনওয়েলথ গেমস ২০২৬-এর স্বর্ণজয়ী অ্যাথলেট লাভলিনা বরগোহাইন, ঝান্ডু কুমার, শর্মিলা ধনকর ও অস্মিতা দের সঙ্গে কথোপকথনের সময় অমিতাভ তার পুরোনো দিনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

    অস্মিতা জানতে চান, প্রশিক্ষণের সময় ভুল করলে যেমন অ্যাথলেটদের কোচদের বকুনি খেতে হয়, তেমনি অমিতাভও কি চলচ্চিত্রের শুটিং সেটে বকুনি খেয়েছেন?

    জবাবে অমিতাভ বচ্চন জানান, ক্যারিয়ারের শুরুতে তাকে অনেক বকাঝকা শুনতে হয়েছে। তিনি বলেন, শুরুর দিকে আমাকে অনেক বকুনি শুনতে হয়েছে। বলা হত, তুমি অভিনয়ের কিছুই জানো না। তুমি অনেক লম্বা, বাড়ি চলে যাও।

    অভিনেতা জানান, পরে যখন তিনি কাজের সুযোগ পেতে শুরু করেন, তখনও তাকে নানা বিষয়ে সংশোধন করা হত। অমিতাভ বলেন, তখন বলা হত, ঠিক আছে, ওখানে দাঁড়াও এবং সংলাপ বলো। এরপর তারা জিজ্ঞেস করত, এভাবে কেউ সংলাপ বলে? তারা আমাকে বকত, ভুল ধরিয়ে দিত এবং সংশোধন করত। এভাবেই ধীরে ধীরে আমি উন্নতি করেছি।

    ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে শুটিংয়ে দেরি করায় একবার পরিচালক তাকে সেট থেকে বের করে দিয়েছিলেন বলেও জানান অমিতাভ।

    তিনি বলেন, সাধারণত আমি সময়মতো শুটিংয়ে পৌঁছানোর চেষ্টা করি। একবার আমি দেরি করে ফেলেছিলাম। পরিচালক তখন সেটের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। সে সময় আমার নিজের কোনো গাড়ি ছিল না, তাই অন্য একজনের গাড়িতে করে সেখানে পৌঁছাই। আমাকে দেখেই পরিচালক জানান, শুটিং শেষ করে সবাই চলে গেছে। এরপর তিনি আমাকে সেখান থেকে চলে যেতে বলেন।

    অমিতাভ বচ্চনের দীর্ঘ অভিনয়জীবনের শুরুর দিকের এই অভিজ্ঞতা আবারও তুলে ধরেছে, তারকা হওয়ার আগে তাকে কতটা সংগ্রাম করতে হয়েছে।

    এদিকে কাজের দিক থেকে অমিতাভ বচ্চনকে পরবর্তী সময়ে প্রভাসের সঙ্গে ‘কালকি ২’ সিনেমায় দেখা যাবে। সিনেমাটি ২০২৭ সালের ডিসেম্বরে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

    সূত্র: এনডিটিভি

    বিনোদন ডেস্ক

  • কম বয়সি নায়িকার সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত গোবিন্দ, ‘সুগার ড্যাডি’ বলে আখ্যা স্ত্রীর

    এক সময়ের বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা গোবিন্দ এখন ইন্ডাস্ট্রি থেকে অনেকটাই দূরে। তবে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেন মাঝে আলোচনায় আছেন তিনি। সম্প্রতি নতুন করে চাউর হয়েছেন পরকীয়া নিয়ে। অভিনেত্রী কোমল রানি স্বর্ণকারের সঙ্গে নাকি নাম জড়িয়েছে অভিনেতার। আবার শোনা যায়, স্বামী গোবিন্দকে ‘সুগার ড্যাডি’ বলেও খোঁচা দিয়েছেন স্ত্রী সুনীতা আহুজা। এ ঘটনায় যখন বড়িপাড়া তোলপাড়, ঠিক তখনই অভিনেতার পক্ষে প্রকাশ্যে সাফাই গাইলেন বলিউডের একসময়ের অভিনেত্রী সোমি আলী। 

    কম বয়সি সহশিল্পীর সঙ্গে অভিনয় করা প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, ‘কম বয়সি নায়িকার সঙ্গে জুটি বাঁধায় গোবিন্দর তো কোনো দোষ নেই। চিচি (গোবিন্দ) ও সুনীতা— উভয়ের প্রতিই আমি শ্রদ্ধাশীল। তিনি বলেন, তবে কম বয়সি অভিনেত্রীর সঙ্গে কোনো অভিনেতার কাজ করার সিদ্ধান্তকে বয়সের মাপকাঠিতে ফেলে বিচার করা ঠিক নয়। কারণ প্রতিভার কোনো এক্সপায়ারি ডেট হয় না।

    এর আগে বিমানবন্দরে অভিনেত্রী কোমল রানির সঙ্গে ক্যামেরাবন্দি হন বর্ষীয়ান অভিনেতা গোবিন্দ। এর পরপরই সামাজিক মাধ্যমে তাদের প্রেমের চর্চা জোরালো হয়। এই বিতর্কের মাঝেই পরোক্ষ খোঁচা দিয়ে গোবিন্দপত্নী বলেন, গোবিন্দর মতো একজন ধনী ‘সুগার ড্যাডি’ আছেন, ভালো পোশাক পরুন। 

    সুনীতা আহুজার এমন বক্তব্যের পর বলিপাড়ায় নতুন করে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে তৈরি হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। তবে স্ত্রী ও নেটিজেনদের সমালোচনার পর গোবিন্দর পাশে দাঁড়ান সোমি আলী। গোবিন্দর সঙ্গে তোলা পুরোনো কিছু ছবি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেন অভিনেত্রী। 

    সেই পোস্টে তিনি লিখেছেন— আমি ইচ্ছাকৃতভাবেই সোশ্যাল মিডিয়ায় কথাগুলো তুলে ধরলাম। কারণ অন্য কেউ হয়তো এ কথাগুলো বলবে না। গোবিন্দকে আমি ব্যক্তিগত ও পেশাগত— দুভাবেই চিনি। তাই দুদিক বিচার করেই তার সম্পর্কে বলতে পারি। গোবিন্দ হিন্দি সিনেদুনিয়ার অন্যতম সেরা প্রতিভা। এ ইন্ডাস্ট্রিতে থাকাকালীন যাদের সঙ্গে পরিচয় হয়েছে, তাদের মধ্যে অন্যতম বিনয়ী অভিনেতা গোবিন্দ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জেল থেকে মুক্তির পর কঠিন সময়ের কথা জানালেন রিয়া

    অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর ২০২০ সালে নাটকীয়ভাবে বদলে যায় অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তীর জীবন। প্রয়াত অভিনেতার পরিবারের পক্ষ থেকে একাধিক অভিযোগের মুখে পড়েন তিনি। পরে মাদক মামলায় ভারতের নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি) তাকে গ্রেফতার করে। সুশান্তের মৃত্যুর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি মাদক মামলায় গ্রেফতার করা হয় রিয়ার ভাই শৌভিক চক্রবর্তীকেও।

    সম্প্রতি ফারাহ খানের ভ্লগে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সেই কঠিন সময়ের কথা স্মরণ করেন রিয়া। তিনি জানান, কাজ হারানোর পর ভাই শৌভিককে নিয়ে পোশাকের ব্র্যান্ড ‘চ্যাপ্টার ২’ শুরু করেন।

    রিয়া বলেন, অনেক কষ্টে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। তাই এখনো ভয় লাগে। ‘চ্যাপ্টার ২’ আমরা শুরু করেছি, কারণ শৌভিক ক্যাট পরীক্ষায় ৯৭ শতাংশ নম্বর পেয়েছিল। এরপর ২০২০ সাল আসে এবং সবকিছু ঘটে যায়। আমার সঙ্গে তাকেও গ্রেফতার করা হয়।

    তিনি জানান, শৌভিক ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টে (আইআইএম) ভর্তির সুযোগ পেয়েছিলেন এবং তারা ভর্তির ফিও জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তী পরিস্থিতির কারণে তার পড়াশোনা আর এগোয়নি এবং গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্ট হয়ে যায়।

    জেল থেকে বের হওয়ার পর দুজনের কাছেই কোনো কাজ ছিল না বলেও জানান রিয়া। তার বলেন, আমরা বাড়িতে বসে থাকতাম। সমাজ আমাদের পুরোপুরি বয়কট করেছিল এবং কোনো সিনেমার প্রস্তাবও পাচ্ছিলাম না। শৌভিক কোনো চাকরিও পাচ্ছিল না। কোনো করপোরেট প্রতিষ্ঠান তাকে নিয়োগ করতে চাইছিল না।

    সুশান্তের মৃত্যুর পর কী ঘটেছিল

    ২০২০ সালের জুনে মুম্বাইয়ের ফ্ল্যাটে ৩৪ বছর বয়সে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় সুশান্ত সিং রাজপুতকে। তার সাবেক প্রেমিকা রিয়া ও ভাই শৌভিক মৃত্যুর মাত্র ছয় দিন আগে পর্যন্ত সুশান্তের সঙ্গে একই বাসায় থাকতেন। কোভিড-১৯ মহামারির কারণে লকডাউন শেষ হওয়ার পর তারা সেখান থেকে চলে যান।

    সুশান্তের মৃত্যুর পরের দিনগুলোতে রিয়া ও শৌভিক দুজনকেই গ্রেফতার করা হয়। শুরুতে তাদের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ ওঠে। পরে মাদক ব্যবহার, অর্থ আত্মসাৎ ও অন্যান্য বিষয়েও তদন্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো বাদ দেওয়া হয়। তবে তদন্ত চলাকালে দুজনকেই কারাগারে সময় কাটাতে হয়েছিল।

    শোবিজে ফিরেছেন রিয়া

    পরবর্তী সময়ে আবারও বিনোদন জগতে ফিরেছেন রিয়া। তিনি এমটিভি রোডিজে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি নিজের পডকাস্ট ও ফ্যাশন ব্র্যান্ডও শুরু করেছেন। ভাই শৌভিক তার ফ্যাশন ব্যবসার অংশীদার।

    বর্তমানে রিয়াকে করণ জোহর সঞ্চালিত রিয়েলিটি শো ‘দ্য ট্রেইটর্স’-এর দ্বিতীয় মৌসুমে দেখা যাচ্ছে। অনুষ্ঠানটির নতুন পর্ব প্রতি বৃহস্পতিবার অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওতে প্রকাশিত হচ্ছে।

    সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা ২’ নিয়ে এবার মুখ খুললেন জোয়া

    জনপ্রিয় বলিউড সিনেমা ‘জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা’-এর বহুল প্রত্যাশিত সিক্যুয়েল নিয়ে বড় আপডেট দিয়েছেন নির্মাতা জোয়া আখতার। তিনি জানিয়েছেন, ছবিটির দ্বিতীয় কিস্তি নিয়ে কাজ চলছে। তবে গল্পটি এমন একটি পর্যায়ে পৌঁছানো পর্যন্ত অপেক্ষা করছেন তারা, যখন পুরোনো চরিত্রগুলোকে বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে ফিরিয়ে আনা যথাযথ মনে হবে।

    সম্প্রতি মনসুন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ‘দ্য হলিউড রিপোর্টার ইন্ডিয়া’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জোয়া বলেন, ‘জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা ২’ নিয়ে আমরা কাজ করছি। শেষ পর্যন্ত কী হবে বা হবে না, তা আমরা জানি না। তবে চরিত্রগুলোর সঙ্গে আজকের সময়ে আবার দেখা করার গল্পটি যদি সঠিক মনে হয়, তাহলে সেটি ভালো হবে। যখন হবে, আমি নিজেই ঘোষণা করব।

    এটি সিনেমাটির সিক্যুয়েল নিয়ে এখন পর্যন্ত জোয়ার দেওয়া অন্যতম স্পষ্ট আপডেট। এর আগে বিভিন্ন সময়ে তাকে ছবিটির চরিত্রগুলোকে আবার পর্দায় ফিরিয়ে আনার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলেও এবার তিনি নিশ্চিত করেছেন, বিষয়টি নিয়ে পুরোদমে কাজ চলছে।

    বিজ্ঞাপনকে সিক্যুয়েলের ট্রেলার ভেবে ভুল

    ২০২৫ সালে ‘জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা ২’ নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয় হৃতিক রোশন, অভয় দেওল ও ফারহান আখতারকে একটি বিজ্ঞাপনে একসঙ্গে দেখা যাওয়ার পর। ইয়াস আইল্যান্ডের ওই বিজ্ঞাপন দেখে অনেক দর্শক প্রথমে ভেবেছিলেন, এটি বুঝি ‘জেডএনএমডি ২’-এর ট্রেলার।

    পরে এটি সিনেমার ট্রেলার নয়, বিজ্ঞাপন—জানতে পেরে ভক্তদের একাংশ হতাশ হন। 

    জোয়া জানান, এ নিয়ে তাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত বার্তায় কটূক্তির মুখেও পড়তে হয়েছিল। তিনি বলেন, মানুষ ভেবেছিল এটা ট্রেলার। প্রথমে সবাই বলছিল, ‘হ্যাঁ!’ কিন্তু পরে আমার ডিএমে এসে অনেকে গালাগাল করতে শুরু করে। তারা বলছিল, এটা মোটেও মজার ছিল না।

    সিক্যুয়েল চান ফারহানও

    ২০২৫ সালে সিনেমাটির অন্যতম অভিনেতা ও প্রযোজক ফারহান আখতারও সিক্যুয়েল তৈরির ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ২০১১ সাল থেকেই তাকে ‘জেডএনএমডি ২’ নিয়ে প্রশ্ন করা হচ্ছে। সিনেমাটিতে অভয় দেওল, হৃতিক রোশন, ক্যাটরিনা কাইফ ও কালকি কোয়েচলিনের সঙ্গে স্পেনে কাজ করার অভিজ্ঞতাকে তিনি দারুণ বলে উল্লেখ করেন।

    ফারহানের ভাষায়, জীবনের কোনো একটি সিনেমার শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা আবার করার সুযোগ পেলে তিনি এক মুহূর্তও না ভেবে ‘জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা’ বেছে নেবেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, জোয়া দ্বিতীয় কিস্তিটি নির্মাণ করবেন।

    ‘জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা’ সিনেমা

    ২০১১ সালে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি পরিচালনা করেন জোয়া আখতার। প্রযোজনা করেন ফারহান আখতার ও রিতেশ সিধওয়ানি। এতে অভিনয় করেন হৃতিক রোশন, অভয় দেওল, ফারহান আখতার, ক্যাটরিনা কাইফ ও কালকি কোয়েচলিন।

    সিনেমার গল্প তিন শৈশবের বন্ধু—অর্জুন, কবীর ও ইমরানকে ঘিরে। কবীরের ব্যাচেলর পার্টি উপলক্ষে তারা স্পেনজুড়ে তিন সপ্তাহের রোড ট্রিপে বের হয়। বন্ধুত্ব, সম্পর্ক, জীবন ও নিজের ভয়কে জয় করার গল্প দর্শকদের ব্যাপকভাবে আকৃষ্ট করে।

    বক্স অফিসে সফল হওয়ার পাশাপাশি সময়ের সঙ্গে সিনেমাটি বলিউডের একটি কাল্ট-ক্লাসিক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। তাই অর্জুন, কবীর ও ইমরানকে আবার একসঙ্গে পর্দায় দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন ভক্তরা।

    সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

    বিনোদন ডেস্ক

  • সিনেমায় ৫১ বছর পূর্ণ করলেন রজনীকান্ত

    ভারতীয় চলচ্চিত্রে ৫১ বছর পূর্ণ করেছেন দক্ষিণী সিনেমার সুপারস্টার রজনীকান্ত। ১৫ আগস্ট অভিনয়জীবনের এই মাইলফলক উদযাপন করলেন তিনি। এ সময় তার নতুন সিনেমা ‘ধরমন’-এর সেটে পরিচালক অশ্বথ মারিমুথু এবং ছবির অভিনয়শিল্পী ও কলাকুশলীদের উপস্থিতিতে কেক কেটে রজনীকান্তের বর্ণাঢ্য চলচ্চিত্রযাত্রার ৫১ বছর উদযাপন করা হয়।

    যেভাবে শুরু রজনীকান্তের যাত্রা

    কমল হাসান অভিনীত ‘অপূর্ব রাগাঙ্গাল’ সিনেমার মাধ্যমে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট অভিনয়ে অভিষেক ঘটে রজনীকান্তের। শুরুতে পার্শ্বচরিত্র ও খলনায়কের ভূমিকায় অভিনয় করলেও ধীরে ধীরে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন প্রধান অভিনেতা হিসেবে।

    পাঁচ দশকের বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম প্রভাবশালী ও জনপ্রিয় তারকায় পরিণত হয়েছেন। ভক্তদের কাছে ‘থালাইভা’ নামে পরিচিত রজনীকান্ত তামিল, তেলেগু, কন্নড়, হিন্দি ও ইংরেজি ভাষার সিনেমায় অভিনয় করেছেন।

    বিভিন্ন ঘরানার সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি তার নিজস্ব স্টাইল, সংলাপ বলার ধরন এবং পর্দায় উপস্থিতি তামিল সিনেমার গণ্ডি পেরিয়ে ভারতীয় চলচ্চিত্রে বিশেষ প্রভাব ফেলেছে।

    ধরমন’ নিয়ে যত আয়োজন

    বর্তমানে ‘ধরমন’ সিনেমার শুটিং করছেন রজনীকান্ত। এটি তার অভিনীত ১৭৩তম সিনেমা। অশ্বথ মারিমুথুর পরিচালনায় সিনেমাটি প্রযোজনা করছেন কমল হাসান ও আর মহেন্দ্রন। রাজ কমল ফিল্মস ইন্টারন্যাশনাল ও টারমেরিক মিডিয়ার ব্যানারে নির্মিত হচ্ছে সিনেমাটি।

    রজনীকান্তের সঙ্গে এতে অভিনয় করছেন সিমরান বাগ্গা, রাশি খান্না ও যোগী বাবু। পরিচালনার পাশাপাশি সিনেমাটিতে অভিনয়ও করছেন অশ্বথ মারিমুথু। এর আগে ‘পেট্টা’ সিনেমায় রজনীকান্তের সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন সিমরান। নতুন সিনেমাটির মাধ্যমে তারা আবারও একসঙ্গে পর্দায় ফিরছেন।

    সিনেমাটির সংগীত ও আবহসংগীত পরিচালনা করছেন অনিরুদ্ধ রবিচন্দর। চিত্রগ্রহণের দায়িত্বে রয়েছেন নিখেত বোম্মিরেড্ডি এবং সম্পাদনা করছেন প্রদীপ ই রাঘব। অ্যাকশন দৃশ্য পরিচালনা করছেন অনবাড়িভ জুটি। সম্প্রতি সিনেমাটির দ্বিতীয় ধাপের শুটিংও শুরু হয়েছে।

    এরপর ‘জেলার ২’

    ‘ধরমন’-এর কাজ শেষ করার পর রজনীকান্তকে দেখা যাবে ‘জেলার ২’ সিনেমায়। নেলসন দিলীপ কুমারের পরিচালনায় নির্মিত এই অ্যাকশনধর্মী সিনেমায় গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে মিঠুন চক্রবর্তী, বিদ্যা বালান, এস জে সূর্যাহ ও সুরজ ভেঞ্জারামুডুর অভিনয়ের কথা রয়েছে।

    প্রথম ‘জেলার’ সিনেমায় অতিথি চরিত্রে অভিনয় করা মোহনলাল ও শিব রাজকুমারও দ্বিতীয় কিস্তিতে একইভাবে ফিরতে পারেন। এ ছাড়া হৃতিক রোশনকে বিশেষ চরিত্রে দেখা যেতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে।

    নির্মাতাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ‘জেলার ২’ আগামী ১৫ অক্টোবর ২০২৬ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা।

    সূত্র: এনডিটিভি

    বিনোদন ডেস্ক

  • বক্স অফিসে ইমরান হাশমির ‘আওয়ারাপন ২’ ঝড়

    বলিউড অভিনেতা ইমরান হাশমির জনপ্রিয়তা, পুরোনো দিনের নস্টালজিয়ায় ‘আওয়ারাপন ২’ মুক্তির পর বক্স অফিসে দারুণ সাড়া ফেলেছে। মাত্র তিন দিনেই সিনেমাটি ভারতে ৮১ কোটি ৭৫ লাখ রুপি নেট এবং ৯৮ কোটি ১০ লাখ রুপি গ্রস আয় করেছে।

    তৃতীয় দিনে আয় কত?

    ভারতের স্বাধীনতা দিবসের তুলনায় রোববার (১৬ আগস্ট) সিনেমাটির আয় কিছুটা কমেছে। এদিন ৯ হাজার ৪০৩টি প্রদর্শনী থেকে আয় করেছে প্রায় ২৬ কোটি রুপি। আন্তর্জাতিক বাজারে রোববার সিনেমাটির আয় হয়েছে প্রায় ৪ কোটি রুপি। ফলে বিশ্বব্যাপী মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১১০ কোটি ১০ লাখ রুপি গ্রস।

    স্বাধীনতা দিবসের বক্স অফিস লড়াইয়েও স্পষ্টভাবে এগিয়ে ছিল ‘আওয়ারাপন ২’। ওই দিন সিনেমাটি ৪০ কোটি ৫০ লাখ রুপি আয় করে। একই দিনে ‘তামিল বিশ্বনাথ অ্যান্ড সন্স’ ২৬ কোটি, ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’ ১৬ কোটি ২০ লাখ, ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ ১২ কোটি আয় করে।

    ইমরানের পুরোনো রেকর্ড ভাঙল

    মুক্তির প্রথম দিনেই ‘আওয়ারাপন ২’ মূল ‘আওয়ারাপন’-এর পুরো আয়কে ছাড়িয়ে যায়। ২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া প্রথম সিনেমাটি ভারতে মোট ৭ কোটি ৭৫ লাখ রুপি নেট আয় করেছিল।

    শনিবারের মধ্যেই ইমরান হাশমির বেশ কয়েকটি সফল সিনেমার চূড়ান্ত আয়ও ছাড়িয়ে যায় ‘আওয়ারাপন ২’। এর মধ্যে রয়েছে ‘হক’ (২০ কোটি), ‘রাজ ২’ (২৫ কোটি ৫০ লাখ), ‘এক থি ডায়ান’ (২৬ কোটি) এবং ‘জান্নাত’ (৩০ কোটি)। ফলে এটি ইমরান হাশমির একক নায়ক হিসেবে সবচেয়ে বেশি আয় করা সিনেমা হওয়ার পথে রয়েছে।

    কী আছে ‘আওয়ারাপন ২’-এ?

    ২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া ‘আওয়ারাপন’ প্রথমদিকে বক্স অফিসে বড় সাফল্য পায়নি। তবে সময়ের সঙ্গে সিনেমাটি দর্শকদের মধ্যে বিশেষ জনপ্রিয়তা অর্জন করে। সিনেমাটির গান, আবেগঘন গল্প এবং ইমরান হাশমির অভিনয় এটিকে কাল্ট সিনেমার মর্যাদা এনে দেয়।

    নিতিন কক্করের পরিচালনায় ‘আওয়ারাপন ২’ প্রযোজনা করেছেন বিশেষ ভাট। বিশেষ ফিল্মসের ব্যানারে নির্মিত সিনেমাটিতে ইমরান হাশমির সঙ্গে অভিনয় করেছেন দিশা পাটানি ও শাবানা আজমি।

    সমালোচকদের কাছ থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পেলেও ইমরানের ভক্তরা সিনেমাটিতে তার অভিনয়, ব্যক্তিত্ব ও পর্দার উপস্থিতির প্রশংসা করছেন।

    আসছে কি ‘আওয়ারাপন ৩’?

    ‘আওয়ারাপন ২’-এর বিশেষ প্রদর্শনীতে মুম্বাইয়ে দর্শকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ইমরান হাশমি ‘আওয়ারাপন ৩’ নিয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন। সিক্যুয়েলে শিবম পণ্ডিত চরিত্রে ফিরেছেন তিনি। সহ-অভিনেত্রী দিশা পাটানির সঙ্গে ওই প্রদর্শনীতে উপস্থিত হয়ে দর্শকদের প্রতিক্রিয়াও শোনেন।

    ইমরান বলেন, এই সিনেমা নির্মাতাদের চেয়ে ভক্তদের বেশি। তাই আমরা আবার ফিরে এসেছি।

    এক দর্শক ‘আওয়ারাপন ২’ সুপারহিট হবে বলে মন্তব্য করলে ইমরান বলেন, সিনেমা এখনো শেষ হয়নি, দ্বিতীয়ার্ধ আরও ভালো।

    এরপরই ‘আওয়ারাপন ৩’ নিয়ে সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, আশা করি, খুব শিগগিরই আসছে ‘আওয়ারাপন ৩’। 

    সূত্র: এনডিটিভি

    বিনোদন ডেস্ক

  • কাপড় খুলে ব্লেড হাতে অভিনেত্রীর হামলা, অতঃপর…

    মুম্বাইয়ে ট্রেনের সংরক্ষিত আসন নিয়ে বচসার জেরে রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্সের (আরপিএফ) কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে মডেল-অভিনেত্রী অন্তরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। ঘটনায় ৩১ বছর বয়সি এই অভিনেত্রীকে গ্রেফতার করেছে রেল পুলিশ। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

    রোববার (১২ আগস্ট) অরাবল্লী এক্সপ্রেসের একটি সংরক্ষিত শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) কামরায় ওঠার পর আরপিএফ কর্মীদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন অন্তরা। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে পোশাক খুলে ব্লেড হাতে নিয়ে হামলা চালানোর অভিযোগও ওঠে তার বিরুদ্ধে।

    জানা গেছে, একটি শুটিংয়ের কাজে সুরাট যাচ্ছিলেন অন্তরা। তার কাছে ছিল স্লিপার শ্রেণির টিকিট। অভিযোগ, ওই টিকিট থাকা সত্ত্বেও তিনি অরাবল্লী এক্সপ্রেসের সংরক্ষিত এসি কোচে উঠে পড়েন।

    ঘটনাটি রাত সাড়ে ৯টা থেকে রাত ১০টা ৫০ মিনিটের মধ্যে বোরিভলি ও দহানুর মধ্যবর্তী এলাকায় ঘটে। অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে দায়ের করা এফআইআরে বলা হয়েছে, এক যাত্রী অন্তরাকে সংরক্ষিত আসন ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন। তিনি আসন ছাড়তে অস্বীকার করলে ওই যাত্রী বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও আরপিএফকে জানান।

    আরপিএফের অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টর যামিনীকান্ত মিশ্র ও কনস্টেবল রাজেশ কুমার ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। অভিযোগ, তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন অন্তরা। একপর্যায়ে তার আচরণ আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

    পুলিশের দাবি, একপর্যায়ে অভিনেত্রী নিজের পোশাক খুলে ফেলেন এবং হাতে রেজর ব্লেড নিয়ে আরপিএফ কর্মীদের ভয় দেখাতে শুরু করেন। ওই ব্লেড দিয়ে এক কর্মকর্তাকে আঘাতও করেন বলে অভিযোগ। এ ঘটনায় অন্তরাও আহত হন। যামিনীকান্ত মিশ্রের অভিযোগ, অন্তরা তার পোশাক ও মোবাইলও ক্ষতিগ্রস্ত করেন।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কায় কামরার দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। তখন কামরা থেকে বের হওয়ার জন্য জানালার কাচ ভাঙারও চেষ্টা করেন অন্তরা। পরে দহানু স্টেশনে তাকে ট্রেন থেকে নামিয়ে সরকারি রেল পুলিশকে (জিআরপি) হস্তান্তর করা হয়।

    ঘটনাটি এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলে বলে জানা গেছে। এতে ট্রেনের অন্য যাত্রীদের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

    বোরিভলি রেল পুলিশ অন্তরাকে হেফাজতে নেয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, এসি কামরার টিকিট না পাওয়ায় অভিনেত্রী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    পুলিশের পক্ষ থেকে অন্তরাকে পরিবারের সদস্য বা আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ দেওয়া হলেও তিনি তাতে রাজি হননি বলে দাবি করা হয়েছে। বরং তাকে গ্রেফতারের দাবি জানান অভিনেত্রী।

    এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, এফআইআর দায়ের হওয়ার পর অন্তরা কিছুটা শান্ত হন। তার বিরুদ্ধে জননিরাপত্তা বিপন্ন করা, সরকারি কর্মীকে গুরুতরভাবে আহত করা, হামলা ও ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করার মতো অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। পরে তাকে নোটিশ দিয়ে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। তবে ঘটনার তদন্ত চলছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এক-দুটি গানের ক্ষেত্রে আমি নীতিতে অটল থাকতে পারিনি: কুমার শানু

    বলিউডে নব্বইয়ের দশকে কাজ করার সময় বেশ কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল বলে জানিয়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কুমার শানু। ওই দশকের অন্যতম জনপ্রিয় রোমান্টিক গানের কণ্ঠশিল্পী তিনি। তবে ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই অশ্লীলতা বা অশোভনীয়তার সীমা অতিক্রম করে—এমন গান এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেছেন বলে জানিয়েছেন এই শিল্পী। যদিও শিল্পজগতের চাপের কারণে এক-দুবার সেই নীতিতে ছাড় দিতে হয়েছিল বলেও স্বীকার করেছেন তিনি।

    ‘জুম’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নব্বইয়ের দশকের সংগীত নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন কুমার শানু। তার মতে, ওই সময়ের অনেক গান এখনো শ্রোতাদের মনে জায়গা করে আছে। তবে একই সময়ে এমন কিছু গানও তৈরি হয়েছিল, যেগুলো সময়ের সঙ্গে তাদের আবেদন হারিয়েছে। নিজের গানকে সেই ধরনের বিষয়বস্তু থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করতেন তিনি।

    কুমার শানু বলেন, আমার একটি নীতি ছিল—আমার গানে অশ্লীলতা আনব না। কিন্তু এক-দুটি ক্ষেত্রে আমি সেই নীতিতে অটল থাকতে পারিনি। কারণ তখন এমন চাপ ছিল যে মনে হয়েছিল, গানগুলো গাইতেই হবে, না হলে হয়তো কাজ চলবে না।

    বলিউডের তথাকথিত ‘মুভি মাফিয়া’র চাপের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার ভাষ্য, কিছু গান গাইতে অস্বীকৃতি জানানোয় পেশাগতভাবে ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছিল। তবে নিজের নেওয়া সিদ্ধান্ত নিয়ে তার কোনো আক্ষেপ নেই।

    তিনি বলেন, তার কণ্ঠে গাওয়া এক-দুটি গান ওই বিতর্কিত শ্রেণিতে পড়ে। উদাহরণ হিসেবে তিনি ‘রাজ গয়া তবলা তবেলে মে…’ গানটির কথা উল্লেখ করেন। তবে এ ধরনের গান খুবই কম এবং তিনি বরাবরই সরাসরি অশ্লীল গান এড়িয়ে চলেছেন। এখনো সেই নীতি অনুসরণ করেন বলেও জানান তিনি।

    কুমার শানু নব্বইয়ের দশকে বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় প্লেব্যাক গায়ক হয়ে ওঠেন। এ সময় বহু জনপ্রিয় সিনেমায় গান গেয়েছেন তিনি এবং কাজ করেছেন শীর্ষস্থানীয় সংগীত পরিচালক ও অভিনেতাদের সঙ্গে।

    তার জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘মেরা দিল ভি কিতনা পাগল হ্যায়’, ‘তুম মিলে দিল খিলে’, ‘আব তেরে বিন’, ‘দো দিল মিল রহে হ্যায়’ এবং ‘আঁখ হ্যায় ভারি ভারি’। এসব গান নব্বইয়ের দশকের সংগীতপ্রেমীদের কাছে এখনো ব্যাপক জনপ্রিয়।

    সূত্র: এনডিটিভি

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঘুমের মধ্যেই চিরঘুমে বলিউড অভিনেত্রী

    বলিউডের পরিচিত মুখ অভিনেত্রী অনন্যা রাজ মাত্র ২৭ বছর বয়সে মারা গেছেন। তার আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবার, বন্ধু ও ভক্তদের মধ্যে। অভিনেত্রীর মৃত্যুর প্রায় এক মাস পর সম্প্রতি তার পরিবারের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়।

    পরিবারের বিবৃতি অনুযায়ী, গত ১৫ জুলাই ২০২৬ মধ্যরাতে ঘুমের মধ্যেই মারা যান অনন্যা। তবে তার মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানানো হয়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গত এক বছর ধরে অনন্যা শারীরিক ও মানসিক নানা সমস্যায় ভুগছিলেন। বিভিন্ন ধরনের অস্বস্তি ও কষ্টের মধ্যেও তিনি সাহসের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছিলেন।

    অভিনেত্রীর শেষকৃত্যের কয়েকটি ছবিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছে তার পরিবার। তবে মৃত্যুর বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। এ সময়ে পরিবারের গোপনীয়তা ও মানসিক অবস্থার প্রতি সম্মান দেখানোর জন্য সবার প্রতি অনুরোধ করা হয়েছে।

    অনন্যা রাজের মৃত্যুর পর তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া সর্বশেষ পোস্টটিও আলোচনায় এসেছে। গত ১৭ মে ওই পোস্টটি করেছিলেন তিনি। একটি শুটিংয়ের ছবি প্রকাশ করে ক্যামেরার সামনে পোজ দিয়েছিলেন অভিনেত্রী। ছবির সঙ্গে লিখেছিলেন, ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট। এবার জ্বলে ওঠার সময়।

    মৃত্যুর আগে দেওয়া এই আশাবাদী বার্তাই এখন ভক্তদের মধ্যে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

    অনন্যার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেড় লাখের বেশি অনুসারী ছিল। ২০১৬ সালে ‘সেভেন আওয়ার্স টু গো’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয় তার। এরপর ২০১৭ সালে ‘দ্যা ফাইনাল এক্সিট’ এবং ২০১৯ সালে ‘ঘোস্ট’ সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি।

    সিনেমার পাশাপাশি বিভিন্ন মিউজিক ভিডিওতেও কাজ করেছেন অনন্যা। টি-সিরিজ, জি মিউজিক ও টাইমস মিউজিকের মতো প্রতিষ্ঠিত মিউজিক লেবেলের বেশ কয়েকটি প্রকল্পে দেখা গেছে তাকে। আঞ্চলিক চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন তিনি। ‘থাগ্গেদে লে’ এবং ত্রিভাষিক সিনেমা ‘মাদ্রাসি গ্যাং’ তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে।

    সূত্র: বলিউড শাদিজ

    বিনোদন ডেস্ক

  • শুটিংয়ের ফাঁকে যে অভ্যাসের কারণে সাইফ অন্যদের থেকে আলাদা

    প্রথমবারের মতো পতৌদি পরিবারের নবাব অভিনেতা সাইফ আলি খানের সঙ্গে কাজ করছেন পরিচালক প্রিয়দর্শন। তাদের আসন্ন ‘হৈবান’ সিনেমায় সাইফকে পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা জানালেন তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সাইফকে ‘লোভী, কিন্তু বাধ্য’ উল্লেখ করেছেন পরিচালক। এর পাশাপাশি জানিয়েছেন কাজ করতে করতে পরিচালকের প্রতি অভিনেতার আস্থা কীভাবে তৈরি হয়েছিল, তা জানান প্রিয়দর্শন।

    সাইফকে ‘পরিণত শিশু’ উল্লেখ করে প্রিয়দর্শন বলেন, অভিনেতার মনে কাজ নিয়ে অনেক প্রশ্ন থাকে। তবে সেই প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গেলে তিনি আর কোনো তর্ক না করে পরিচালকের নির্দেশ মেনে কাজ করে যান।

    পরিচালক বলেন, ওর প্রতিবারই অনেক প্রশ্ন থাকে। অবশ্য প্রত্যেক অভিনেতারই প্রশ্ন করার অধিকার রয়েছে। কিন্তু প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার পরেই ও পরিচালকের কথা মেনে নেয়। তিনি বলেন,  দুদিন পর দেখলাম আর কোনো প্রশ্ন নেই। তাই এক সকালে ওকে জিজ্ঞাসা করলাম—কোনো প্রশ্ন আছে? ও বলল, ‘না স্যার, এখন আমি জানি আপনি কী শুট করতে চাইছেন।’

    প্রিয়দর্শন বলেন, এই পারস্পরিক বোঝাপড়াই ধীরে ধীরে দুজনের মধ্যে আস্থা তৈরি করেছে। এভাবেই আমাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস তৈরি হয় এবং কাজ এগিয়ে যায়। সাইফ ভীষণ নিষ্ঠাবান।

    অভিনেতার আরও একটি অভ্যাস নজর কেড়েছে বলে জানান পরিচালক। তিনি বলেন, শুটিংয়ের ফাঁকে অন্য অনেক অভিনেতার মতো ফোনে ডুবে না থেকে সাইফ বই পড়েন। বর্তমান সময়ে অভিনেতাদের মধ্যে সেই অভ্যাস খুঁজে পাওয়া বেশ কঠিন বলে জানান প্রিয়দর্শন।

    তিনি বলেন, সাইফ অত্যন্ত বইপাগল মানুষ। তার চারপাশের পৃথিবী সম্পর্কে জ্ঞানও যথেষ্ট গভীর। ফলে অভিনেতার সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করতেও তার ভালো লেগেছে।

    কাজের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে পরিচালক বলেন, আমি ওর সঙ্গে অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে পারতাম। কারণ আমি পতৌদি নবাবের খুব বড় ভক্ত। তাই ওর সঙ্গে অনেকটা সময় কাটিয়েছি। ও আমাকে পতৌদির স্বক্ষরসহ একটি সুন্দর বইও উপহার দিয়েছে। ফলে ওর সঙ্গে সময় কাটিয়ে আমার খুব ভালো লেগেছে বলে জানান প্রিয়দর্শন।

    এ নির্মাতা বলেন, আমি ওকে খুব বাধ্য অভিনেতা হিসাবে পেয়েছি। একটু লোভী, কিন্তু খুবই বাধ্য অভিনেতা। আর এটাই ওর সবচেয়ে ভালো দিক। তিনি বলেন, আমার মনে হয়, ও আমার ওপর একটা নির্দিষ্ট ধরনের আস্থা তৈরি করেছিল। সেটি সিনেমাটাকে খুব মসৃণভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে আমাকে অনেক সাহায্য করেছে। সেই সঙ্গে কাজের ক্ষেত্রে, চরিত্র নিয়ে আরও জানার লোভই সাইফকে পরিণত অভিনেতা হতে সাহায্য করেছে বলে মনে করেন পরিচালক। 

    বিনোদন ডেস্ক