Tag: নায়িকা

  • প্রতারণার ফাঁদে নায়িকা ববি

    রেস্টুরেন্টের ব্যবসায় গিয়ে ভয়ঙ্কর প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন টালিউড অভিনেত্রী ইয়ামিন হক ববি। এ ঘটনায় শাহিনা ইয়াসমিন, তার ছেলে জাওয়ান আল মামুনসহ ৭ জন ও অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জনের নামে মামলা করেছেন তিনি।

    সোমবার রাজধানীর গুলশানে রাজধানীর রেডঅর্কিড রেস্টুরেন্টে এক সংবাদ সম্মেলনে নিজের প্রতারিত হওয়ার ঘটনা নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। 

    নায়িকা ববি বলেন, সৎভাবে জীবনযাবন অব্যাহত রেখে আর্থিক সচ্ছলতার আশায় আমি গুলশান-২ এর ১১৩ নম্বর রোডের ওয়াই এন সেন্টারের একটি রেস্টুরেন্ট ক্রয় করি। রেস্টুরেন্টে অপারেশন পার্টনার হিসেবে রয়েছেন আমার পূর্বপরিচিত মির্জা বাশার। আগের রেস্টুরেন্টের মালিক আমানের সঙ্গে তার রেস্টুরেন্টের সমুদয় আসবাবপত্র (ইন্টেরিয়র ও অন্যান্য) ৫৫ লাখ টাকা মূল্য ধরে একটি চুক্তি হয়। একই সময়ে রেস্টুরেন্ট ভবনের (বিল্ডিং) মালিকের স্ত্রী শাহিনা ইয়াসমিন ও ছেলে জাওয়াদ আল মামুনের সঙ্গে ভবন রেস্টুরেন্ট মালিকসহ আলোচনা করি। তখন শাহিনা ইয়াসমিন ও জাওয়াদ রেস্টুরেন্টটি আমাকে ভাড়া নিতে উৎসাহিত করেন এবং চলমান রেস্টুরেন্ট হস্তান্তর করলে তারা পরবর্তী সময়ে আমাদের নামে নতুন চুক্তিপত্র করে দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। তাদের প্রতিশ্রুতির পর আমরা আমানকে ১৫ লাখ টাকা দেই এবং টাকা পাওয়ার পর দিন আমানের সঙ্গে আমাদের চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী তাকে দুটি চেকও দেওয়া হয়।

    তিনি বলেন, গত এপ্রিল মাসে আমান আমাদের কাছে রেস্টুরেন্ট হস্তান্তর করেন। আমরা এপ্রিল থেকে রেস্টুরেন্টের ভাড়া প্রতি মাসে আড়াই লাখ ও বিদ্যুৎ বিলসহ অন্যান্য খরচ পরিশোধ করছি। ভবনের মালিক আমাদের নামে ভাড়া জমা নিয়ে রসিদও দেন। রেস্টুরেন্টে ওঠার পর আমরা ডেকোরেশন পরিবর্তনের কাজ শুরু করি। যাতে প্রায় ১ মাস সময় লাগে। ডেকোরেশনে প্রায় ৫০ লাখ টাকা খরচ হয়। এ পর্যায়ে আমরা রেস্টুরেন্ট পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করি এবং ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য আমরা ভবনের শাহিনা ইয়াসমিন ও জাওয়াদ আল মামুনকে চুক্তিপত্র, ফায়ার সেফটি ও বাণিজ্যিক অনুমতির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেওয়ার অনুরোধ করি।

    তিনি অভিযোগ করেন, আমরা যখন ট্রেড লাইসেন্স করতে এসব কাগজপত্র চেয়েছি তখন থেকে হঠাৎ করেই পূর্বের রেস্টুরেন্ট মালিক আমান, মালিক শাহিনা ইয়াসমিন, জাওয়াদ, ভবনের দায়িত্বে থাকা জয়, সাকিবসহ অন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা আমাদের হয়রানি শুরু করেন। প্রথমে আমান তাকে পরিশোধ করা ১৫ লাখ টাকার বিষয়ে অস্বীকার করেন। অন্যদিকে শাহিনা ও জাওয়াদের নির্দেশে ভবনের দায়িত্বে থাকা কর্মচারী জয়, সাকিব, হারুন ও তাদের সহযোগীরা বারবার আমার রেস্টুরেন্টের বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ করে দিয়ে আমাকে হয়রানি শুরু করেন। এর মধ্যে গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ওয়ান গ্রুপ থেকে বারবার সন্ত্রাসী ও লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে রেস্টুরেন্টে এসে ভয়ভীতি দেখাতে থাকে। গুলশানের মতো জায়গায় এমন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করছে দেখে আমি ভীত হয়ে যাই এবং এরা আসলে কাদের লোক তা জানার চেষ্টা করি। তখনই আমরা প্রথম জানতে পারি, শাহিনা ইয়াসমিন বিএনপি নেতা গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের স্ত্রী এবং এই ভবনের মালিক গিয়াস উদ্দিন আল মামুন নিজেই।

    ববি বলেন, এমন পরিস্থিতিতে বিপদের আশঙ্কা দেখে ট্রেড লাইসেন্সের বিষয়ে করণীয় কী সে পরামর্শ করতে আমরা সিটি করপোরেশনে যাই এবং জানতে পারি, ওই বিল্ডিংয়ের কোনোরকম বাণিজ্যিক কার্যক্রমের অনুমতি নেই। এ জন্য গত ফেব্রুয়ারি মাসে বেইলি রোডে রেস্টুরেন্টে আগুন লাগার পর এই বিল্ডিংটি সিলগালা করে দেয়া হয়। পরে শাহিনা ইয়াসমিন তিন মাসের মধ্যে বাণিজ্যিক কার্যক্রম সরিয়ে ফেলার লিখিত প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিল্ডিং খোলেন।

    তিনি আরও বলেন, এই ঘটনার পর আমরা বুঝতে পারি, আমান, শাহিনা ও জাওয়াদ মিলে আমাদের সঙ্গে এক ভয়াবহ প্রতারণা করেছেন। তারা অবৈধ রেস্টুরেন্ট বাঁচাতে না পারার ভয়ে বিক্রি করে টাকা তুলে নেওয়ার ফাঁদ পাতেন। সেই ফাঁদে আমাদের ফেলা হয়েছে। বাণিজ্যিক কোনো অনুমতি না থাকার পরও মাত্র তিন মাসের লিখিত প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসে আমাদের প্রায় ৮০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করিয়েছেন এবং তারা আমাদের থেকে ভাড়াও নিচ্ছেন। তারা ধারণা করেছিল, আমরা বৈধ কোনো কাগজপত্র চাইব না। সিলগালা হওয়া ভবনটিতে এখনো আগের মতোই সব বাণিজ্যিক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

    ভবনের বৈধ কাগজপত্র দাবি করায় তাদের উচ্ছেদের চেষ্টা হচ্ছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে তারা আমাদের হুমকি দিতে থাকে। সর্বশেষ গত ২২ জুন রাত ১১টায় আমরা রেস্টুরেন্ট বন্ধ করে বেরিয়ে যাই। পরদিন ২৩ তারিখ সকালে রেস্টুরেন্টের কর্মচারীরা গেলে নিরাপত্তাকর্মীসহ অন্যরা তাদের ঢুকতে বাধা দেয়। খবর পেয়ে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মির্জা বাশার সেখানে গেলে হঠাৎ করেই ১৫-২০ জনের সন্ত্রাসী দল তার ওপর আক্রমণ শুরু করে। সেখানে বাশারকে একা পেয়ে বেদম মারধর ও হত্যাচেষ্টা করা হয়। যার সিসিটিভি ভিডিও রয়েছে। আমি বিষয়টি জানতে পেরে তৎক্ষণাৎ থানায় অব্যহিত করি এবং সেখানে পুলিশ ও আমি একই সঙ্গে পৌঁছাই। পুলিশের উপস্থিতিতে আমরা রেস্টুরেন্টে ঢুকতে গেলে দেখতে পাই সেখানে নতুন তালা লাগানো হয়েছে।

    মারধর করে উল্টো তাদের নামেই মামলা দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে ববি বলেন, আমরা গুলশান থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে থানা থেকে মির্জা বাশারকে আগে চিকিৎসা করিয়ে এসে পরে মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়। পরে আমরা মামলা করতে গিয়ে জানতে পারি তারা আগেই মামলার অভিযোগ জমা দিয়েছে। যেখানে আমাকে আসামি করা হয়েছে। কিন্তু ঘটনাস্থলে আমি পুলিশের সঙ্গে যাই এবং পুলিশের সঙ্গে বের হয়ে প্রথমে থানায় যাই। মামলায় তদন্ত হচ্ছে, আশা করি তদন্তে সত্যতা উঠে আসবে।

    অনলাইন ডেস্ক

  • চুরি ও মারধর মামলার পর পালটা মামলা নায়িকা ববির

    পালটা মামলা দিয়েছেন ‘ময়ূরাক্ষী’ সিনেমার নায়িকা ইয়ামিন হক ববিও। এর আগে ববিসহ দুজনের বিরুদ্ধে হত্যার উদ্দেশে চুরি, মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে গুলশান থানায় মামলা হয়। সেখানে ববির সহযোগী মির্জা আবুল বাশারকে ১ নম্বর এবং ববিকে দ্বিতীয় আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায়ই পালটা মালা দেন তারা।

    rnrn

    মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই আনোয়ার হোসাইন বলেন, গুলশানের ২ নম্বরে ১১৩ নম্বর সড়কে ওয়াইএন সেন্টারের ‘ভুবন’ নামের একটি রোস্তোরাঁ ব্যবসাকে কেন্দ্র করে এই মামলা ও পালটা মামলা হয়েছে।

    rnrn

    গুলশান থানার এসআই জানান, ওয়াইএন সেন্টারের ‘ভুবন’ নামের রোস্তোরাঁ ফ্লোরের মালিক শাহিনা ইয়াসমিন, তার ছেলে জাওয়ান আল মামুনসহ ৭ জন ও অজ্ঞাত ১০-১২ জনকে আসামি করে ববি ও বাশার এ পালটা মামলা করেন।

    rnrn

    তিনি বলেন, গত ২৩ জুন ববির সহযোগী মির্জা আবুল বাশারকে (৩৪) এক নম্বর এবং ববিকে দ্বিতীয় আসামি করে গুলশান থানায় একটি মামলা হয়েছে। গুলশানের ওয়াইএন সেন্টারের এজিএম মুহাম্মাদ সাকিব উদ্দোজা বাদী হয়ে এ মামলা করেন।

    rnrn

    এসআই আনোয়ার হোসাইন বলেন, এ বিষয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করা যাবে না, যেহেতু এটি তদন্তাধীন।

    rnrn

    ওয়াইএন সেন্টারের এজিএম সাকিবের করা মামলায় বলা হয়েছে, হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিট করিয়া সাধারণ ও গুরুতর জখম, চুরি, ক্ষতিসাধন ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অপরাধ। এ ঘটনায় ওয়াইএন সেন্টারের ক্ষতির পরিমাণ দেড় লাখ টাকা ও চোরাই এক লাখ টাকা যা এখনো উদ্ধার হয়নি।

    rnrn

    এসব নিয়ে কথা বলতে নায়িকা ববির মোবাইলে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি তা ধরেননি। তবে বাশার বলেন, ববি এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানাবেন।

    rnrn

    ওয়াইএন সেন্টারের এজিএম মুহাম্মাদ সাকিব উদ্দোজা বলেন, তাদের কাছ থেকে আমান উল্লাহ আমান নামের এক ব্যক্তি ‘ভুবন’ নামের একটি রেস্তোরাঁ ভাড়া নেন। আমান পরে ওই ব্যবসায় তৃতীয় পক্ষ হিসেবে ববি ও বাশারও যুক্ত করেন।

    rnrn

    আমান বলেন, আমরা পোষাতে না পেরে মূলত রেস্তোরাঁটি ছেড়ে দিতে চাই। তখন ববি ও বাশারের সঙ্গে রেস্তোরাঁর আসবাবপত্রসহ অন্যান্য বাবদে ৫৫ লাখ টাকার দাম ঠিক করা হয়। সবকিছু তারা কিনে নেন। এরপর ববি ও বাশার ২৫ লাখ ও ১৫ লাখ টাকার দুটো চেক দেন এবং আরও ১৫ লাখ টাকা দেবেন বলে জানান। কিন্তু তাদের কাছ থেকে পাওয়া দুটো চেকই ডিজঅনার হয়। ফলে আমরা কোনো টাকা পাইনি।

    rnrn

    ওয়াইএন সেন্টারের এজিএম মুহাম্মাদ সাকিব উদ্দোজা বলেন, রেস্তোরাঁর ভাড়া বকেয়া থাকার কারণে আমানের কাছে ভাড়া চাইলে আমান একসময় আমাদের তৃতীয় পক্ষের কাছ থেকে ভাড়া নিতে বলে এবং জানায় যে এরপর থেকে ববি ও বাশার এটি পরিচালনা করবে।

    rnrn

    সাকিব অভিযোগ করেন, আমরা এক মাসের ভাড়া হিসেবে মে মাসের আড়াই লাখ টাকা পেয়েছি ববি ও বাশারের কাছ থেকে। আড়াই লাখ টাকার যে রশিদ তাদের দিয়েছিলাম, সেটি নকল করে একই রশিদ নম্বরে তারা ৭ লাখ টাকার আরেকটি ভুয়া রশিদ তৈরি করে। যেখানে লেখা ছিল ওয়াইএনসি কর্তৃপক্ষ আরও সাত লাখ টাকা বুঝে পেয়েছে। এটি মিথ্যা, আমরা বুঝতে পারি ববি ও বাশার লোক ভালো না।

    rnrn

    ওই ফ্লোরের মালিকের অনুমতি নিয়ে আমান গত ২৩ জুন রেস্তোরাঁ তালাবন্ধ করে দেন সাকিব।

    rnrn

    তিনি বলেন, নতুন তালা লাগানোর পর বাশার গাড়ি নিয়ে ফটক ভাঙে। ভেতরে এসে ম্যানেজার জয়নালসহ আমাদের লোকদের ভয়ভীতি দেখায়। অনেকের গায়েও হাত দেয়।

    rnrn

    সাকিব বলেন, ববি আমাকে থাপ্পড় মারে এবং বাশার আমাকে ঘুষি মারে। বাশারের হাতে আংটি ছিল, এতে আমি রক্তাক্ত হই। বুঝতে পারি যে পেশীশক্তি খাটিয়ে রেস্তোরাঁ দখল করতে চায় বাশার। 

    rnrn

    তিনি বলেন, তখন আমরা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশের সহায়তা নিয়েছি। পুলিশ আসার পরে আমরা মামলা করেছি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পরীমনির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন তারিখ নির্ধারণ

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় ঢাকাই সিনেমার অভিনেত্রী পরীমনিসহ তিন জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত। ঘোষিত তারিখ অনুযায়ী, আগামী ২৮ জুলাই এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ হবে। 

    rnrn

    সোমবার ঢাকার বিশেষ জজ-১০ আদালতের বিচারক মো. নজরুল ইসলাম এই আদেশ দেন। পরীমনির বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল আজ। এদিন পরীমনির পক্ষে হাজিরা দেন তার আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী। এরপর আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী মামলাটির উচ্চ আদালতের আদেশের কপি না আসায় সাক্ষ্যগ্রহণ পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করেন। এছাড়া অন্য দুই আসামি আদালতে হাজিরা দেন। এরপর আদালত পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য ২৮ জুলাই দিন ধার্য করেন।

    rnrn

    পরীমনির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    rnrn

    মামলার নথি থেকে জানা যায়, গত বছরের ১৫ নভেম্বর ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ পরীমনিসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আমলে নেন এবং মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ-১০-এ বদলির নির্দেশ দেন। এর আগে গত বছরের ৪ অক্টোবর আদালতে এ মামলায় অভিযোগপত্র জমা দেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পরিদর্শক এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কাজী মোস্তফা কামাল।

    rnrn

    গত বছরের ৪ আগস্ট সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পরীমনিকে তার বনানীর বাসা থেকে আটক করে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। পরের দিন তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়।

    rnrn

    মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২১ সালের ৪ আগস্ট বাদীসহ র‌্যাব-১-এর সদস্যরা গুলশান-১ গোলচত্বরে অবস্থান করছিলেন। সে সময় বিকেল ৪টা ৫মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন, বনানীর একটি বাসায় পরীমনি সহযোগী আশরাফুল ইসলাম দিপুর মাধ্যমে বিদেশি মদ সংগ্রহ করে নিজের বাসায় মজুত রেখেছেন। তখন তারা বাসায় অবস্থান করছেন। পরে বাসার পঞ্চমতলায় অভিযান চালিয়ে পরীমনির বাসার শয়নকক্ষ থেকে নারী র‌্যাব সদস্যদের সহায়তায় তাকে আটক করা হয়।

    rnrn

    এজাহারে আরও বলা হয়, পরীমনির দেখানো মতে শয়নকক্ষের একটি কাঠের ফ্রেমের ভেতর থেকে বিদেশি মদ জব্দ করা হয়। এছাড়া শয়নকক্ষ থেকে একটি সাদা জিপারে রাখা চার গ্রাম আইস বা ক্রিস্টালমেথ জব্দ করা হয়। এক ব্লট এলএসডি মাদকও জব্দ করা হয়। 

    rnrn

    পরীমনির বাসা থেকে বিদেশি মদসহ অন্যান্য মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য দুই লাখ সাত হাজার টাকা। পরীমনি এসব মদ কবির নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে সংগ্রহ করে বাসায় রাখতেন।

    rnrn

    এজাহার অনুযায়ী, পরীমনিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায়, তিনি প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজের কাছ থেকে মদ সংগ্রহ করতেন।

    rnrn

    গত বছরের ৪ অক্টোবর চিত্রনায়িকা পরীমনিসহ তিন জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন সিআইডির পরিদর্শক এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কাজী মোস্তফা কামাল। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • নায়িকা ববির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ 

    চিত্রনায়িকা ইয়ামিন হক ববির বিরুদ্ধে চুরি ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। 

    rnrn

    রোববার দুপুরে গুলশান থানায় মুহাম্মদ সাকিব উদ্দোজা নামের এক ব্যক্তি এ অভিযোগ করেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ওই থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম। 

    rnrn

    ওসি বলেন, একটি রেস্টুরেন্টে দু’পক্ষের হাতাহাতি হয়েছে। দু’পক্ষই পৃথক পৃথক অভিযোগ করেছে। তাদের ডেকেছি, দু’পক্ষের সঙ্গে একসঙ্গে বসে কথা বলবো।  
    rnএ বিষয়ে অভিনেত্রী ববির মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। 

    rnrn

    প্রসঙ্গত, ববি ও মির্জা আবুল বাসার নামের এক ব্যক্তি যৌথভাবে গুলশানের ওয়াই এন সেন্টারে একটি রেস্টুরেন্ট ক্রয় করেন। ওই রেস্টুরেন্টটি ‘ববস্টার’ নাম দেওয়া হয়। সেই রেস্টুরেন্ট নিয়েই এ ঘটনার সূত্রপাত বলে জানা গেছে।
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিনয় থেকে দূরে থাকার কারণ জানালেন বাঙালি নায়িকা রিমি সেন

    রিমি সেন। বলিউডে দুই দশকের পথচলা। বড়পর্দায় অভিনয়জগতে শুরু। যাত্রা শুরুর আগে নাম পরিবর্তন করেছিলেন তিনি। বড় বড় শক্তিমান অভিনেতাদের সঙ্গে অভিনয় করেছেন। অক্ষয় কুমার, অমিতাভ বচ্চন, সালমান খান, অভিষেক বচ্চন, অজয় দেবগনের মতো তারকাদের সঙ্গে স্কিন শেয়ার করেছেন। কিন্তু যত দ্রুততার সঙ্গে তিনি জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন, ঠিক ততটাই দ্রুত বলিউড থেকে হারিয়ে গেছেন বাঙালি অভিনেত্রী রিমি সেন। 

    আনন্দবাজারের প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, রিমি সেনের বলিউডে দুই দশকের পথচলা। বড়পর্দায় অভিনয়জগতে শুরু। অক্ষয় কুমার, অমিতাভ বচ্চন, সালমান খান, অভিষেক বচ্চন, অজয় দেবগনের মতো তারকাদের সঙ্গে স্কিন শেয়ার করেছেন। কিন্তু যত দ্রুততার সঙ্গে তিনি জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন, ঠিক ততটাই বলিউড থেকে দ্রুত হারিয়ে গেছেন এ বাঙালি অভিনেত্রী রিমি সেন। তার উল্লেখযোগ্য কিছু ছবি— ‘গরম মশলা’, ‘কিউ কি’, ‘দিওয়ানা হুয়ে পাগল’, ‘ফির হেরা ফেরি’, ‘গোলমাল: ফান আনলিমিটেড’, ‘ধুম ২’, ‘হ্যাটট্রিক’, ‘জনি গদ্দার’, ‘দে তালি’, ‘থ্যাংক ইউ’-এর মতো একাধিক হিন্দি ছবিতে অভিনয় করেন রিমি। 

    ২০০০ সালে অপর্ণা সেনের পরিচালনায় ‘পারমিতার একদিন’ ছবিতে প্রথম অভিনয় করেন রিমি সেন। যদিও পার্শ্বচরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পান তিনি। ২০০৩ সালে বলিউডে ‘হাঙ্গামা’ ছবি দিয়ে আত্মপ্রকাশ করেন রিমি। অক্ষয় খন্না, পরেশ রাওয়াল ও আফতাব শিবদাসানির সঙ্গে এ ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। ‘হাঙ্গামা’ ছবিতে অভিনয় করেন নবাগত অভিনেত্রী হিসাবে। ছবি মুক্তির পর রাতারাতি প্রচারে আসেন রিমি। এরপর অমিতাভ বচ্চন ও হেমা মালিনীর ছবি ‘বাগবান’-এ পার্শ্বচরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পান। ২০০৪ সালে ‘ধুম’ ছবিতে অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে জুটি বেঁধে বলিউডে জনপ্রিয় হয়ে যান রিমি। এর পর একের পর এক হিন্দি ছবির প্রস্তাব পেতে থাকেন তিনি। এমনকি দুটি তেলেগু ছবিতে অভিনয় করেন রিমি সেন। 

    একাধিক ছবিতে অভিনয়ের পাশাপাশি বাংলা বিজ্ঞাপনেও অভিনয় করেন রিমি সেন। আমির খানের মতো তারকার সঙ্গেও বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন তিনি। খুব অল্প সময়ের মধ্যে বিজ্ঞাপনের জগতে পরিচিতি লাভ করেন রিমি। এক দশক বলিউডে থাকলেও হঠাৎ করেই ছবির সংখ্যা কমে যেতে থাকে তার ক্যারিয়ারের ঝুলিতে। ২০১১ সালে পরিচালক তিগমাংশু ধুলিয়ার ‘শাগির্দ’ ছবিতে শেষবার বড়পর্দায় দেখা যায় রিমি সেনকে। দীর্ঘ বিরতির পর আবার হাজির হন। তবে এবার আর ক্যামেরার সামনে নয়, ক্যামেরার পেছনে। অভিনয় থেকে সরে যাওয়ার পর জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ‘বুধিয়া সিংহ’ নামে একটি ছবির প্রযোজনা করেন রিমি।

    বলিউডে প্রথম সারির তারকাদের সঙ্গে অভিনয় করেছেন রিমি। কিন্তু এখন কারও সঙ্গেই যোগাযোগ রাখেন না তিনি। বলেন, ‘আমি কারও কাছে সাহায্য চাইতে পারি না। সবাই তো নিজের সুবিধাটাই দেখেন। গায়ে পড়ে কেউ অন্য কাউকে সাহায্য করতে চান না। যতক্ষণ না  আপনি অন্য কারও হাতে-পায়ে পড়ছেন, ততক্ষণ কেউ আপনাকে সাহায্য করবে না। আমি তো এসব করতে পারি না।’

    রিমি আরও বলেন, ‘অভিনয় দক্ষতা তো অনেক পরের হিসাব। আপনি লোকজনের সঙ্গে কতটা মিশতে পারছেন, সেটিই আসল হিসাব। তা না হলে কিছুই হবে না। সারাজীবন ঘরের এক কোনে পড়ে থাকতে হবে। আমি নিজেকে তো বিক্রি করতে পারি না।’

    এদিকে রিমি ২০১৭ সালে রাজনীতিতে নাম লেখান। বিজেপিতে যোগ দেন। এর পর ২০২২ সালে বিজেপি থেকে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। কিন্তু মূল স্রোতের রাজনীতিতে সেভাবে দেখা যায়নি তাকে।

    সম্প্রতি চার কোটি টাকা প্রতারণার শিকার হন রিমি। অভিনেত্রীর দাবি, বছর তিনেক আগে মুম্বাইয়ের অন্ধেরির এক জিমে রৌণক যতীন ব্যাস নামে এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে আলাপ হয়েছিল রিমি সেনের। অল্প সময়ের মধ্যেই ভালো বন্ধুত্ব হয় তাদের মধ্যে। এরপর তাকে একটি নতুন ব্যবসায়িক উদ্যোগে বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছিলেন রৌণক। বিনিয়োগ করলে ২৮ থেকে ৩০ শতাংশ লাভ উঠবে— এমনটিই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি। নিজের প্রযোজনা সংস্থার টাকায় ওই বিনিয়োগ করেছিলেন রিমি। অভিনেত্রীর অভিযোগ— লাভ তো দূরে থাক আসল টাকাই ফেরত পাননি তিনি। পরে রৌণকের বিরুদ্ধে চার কোটিরও বেশি টাকার প্রতারণার অভিযোগ করেন অভিনেত্রী।

    এফআইআরে রিমি জানান, ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই মাসের মধ্যে ব্যবসায় এক কোটি টাকা লগ্নি করেন তিনি। রৌণক তখন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, পরবর্তী বিনিয়োগে রিমিকে কিছু লভ্যাংশ দেবেন। সেই মতো ২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে ২০২০ সালের নভেম্বর মাসের মধ্যে আরও তিন কোটি ১৪ লাখ টাকা লগ্নি করেন অভিনেত্রী। কিন্তু প্রতিশ্রুতিমতো কোনো টাকাই রৌণক দেননি বলে দাবি করেন রিমি।

    রিমির অভিযোগ, প্রতিশ্রুতি মোতাবেক টাকা না পেয়ে চুক্তির অংশ হিসাবে সিকিউরিটি বাবদ রৌণকের দেওয়া সাড়ে তিন কোটি টাকার চেক ভাঙাতে যান তিনি। চেক ভাঙাতে গিয়ে জানতে পারেন, সেই অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করা রয়েছে। রিমি বুঝতে পারেন, তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন।
     
    তিনি বলেন, টাকার পাশাপাশি কিছুটা ব্যক্তিগত বিষয়েও জড়িয়েছে এ প্রতারণার সঙ্গে। আমার আবেগে আঘাত করেছে সে। বন্ধু হিসাবে আমার বাড়িতেও গিয়েছিল ও। আমার মায়ের সঙ্গে বসে খাওয়াদাওয়াও করেছে রৌণক। কিন্তু ভাবতেও পারিনি সে আমার সঙ্গে এমন করবে।

    রিমির প্রতারণাকাণ্ডের দায়িত্ব নিয়েছে সিআইডি। ২০২২ সালে মুম্বাইয়ের খার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের পর সিআইডি তদন্তের দায়িত্ব নেয়। তিনি বলেন, আমি নিশ্চিত, ন্যায্য বিচার পাব।

    ২০১৫ সালে ছোটপর্দার জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো ‘বিগ বস্’-এ প্রতিযোগী হিসাবে অংশগ্রহণ করেন রিমি। কিন্তু কয়েক সপ্তাহ পর সেই শো থেকে বাদ প়ড়ে যান। কানাঘুষা শোনা যায়, প্রতিযোগিতায় তেমন সক্রিয় ছিলেন না বলে শো থেকে বাদ দেওয়া হয় তাকে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • খাবার বিক্রি করে দিন কাটাচ্ছেন সালমানের নায়িকা, কে এই অভিনেত্রী

    বলিউডের অনেক তারকা শূন্য হাতে অভিনয় জগতে প্রবেশ করে এখন হয়েছেন কোটিপতি। বড় তারকার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেলে তো কোনো কথায় নেই।  তবে ব্যতিক্রম চিত্র দেখা গেছে সালমান খানের এক নায়িকার ক্ষেত্রে।  শুধু তাই নয়, সময়ের পরিক্রমায় বলিউড থেকে হারিয়েছেন এই অভিনেত্রী। 

    ভাততীয় সংবাদমাধ্যম ডিএনএ এর প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, তার জীবনের নানান খবর। তার ক্যারিয়ারে সেভাবে কোনো হিট সিনেমা নেই। তার সঙ্গে পারিবারিক ঝামেলা এবং শারীরিক অসুস্থতায় তার ক্যারিয়ারে ইতিবাচক কিছু আনতে পারেনি। পূজা দাদওয়াল এখন প্রায় ভুলে যাওয়া এক নাম। বর্তমানে খাবারের ব্যবসা করেই সংসার চলে পূজার।

    তবে এই অভিনেত্রীর ক্যারিয়ারের শুরুটা ছিল সুন্দর। ১৯৭৭ সালের ৫ জানুয়ারি মহারাষ্ট্রের মুম্বাইয়ে জন্ম পূজার। ছোটবেলা থেকে সিনেমা দেখতে ভালোবাসতেন তিনি।

    ছোট থেকেই অভিনেত্রী হতে চাইতেন তিনি। তাই স্কুলজীবন থেকেই অভিনয়ের প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন তিনি। প্রশিক্ষণ চলাকালে একটি হিন্দি সিনেমাতে অভিনয়ের প্রস্তাব পান তিনি। 

    ১৯৯৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘বীরগতি’ সিনেমাতে সালমান খানের বিপরীতে অভিনয়ের সুযোগ পান পূজা। মাত্র ১৭ বছর বয়সে বড় পর্দায় পা রাখেন তিনি। কিন্তু বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ে সিনেমাটি। 

    তবে সালমানের নায়িকা হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন বলে বলি ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের পরিচিতি গড়ে তোলেন পূজা। ‘হিন্দুস্থান’, ‘সিন্দুর সৌগন্ধ’, ‘ইন্তেকাম’-এর মতো একাধিক হিন্দি সিনেমাতে অভিনয় করেন তিনি।

    ‘আশিকি’ ও ‘ঘরানা’র মতো দুটি জনপ্রিয় ধারাবাহিকের অংশ ছিলেন তিনি। এরপর বিয়ে করে স্বামীর সঙ্গে মুম্বাই ছেড়ে গোয়া চলে যান পূজা। গোয়ায় একটি ক্যাসিনো চালাতেন তার স্বামী। বিয়ের পর ক্যাসিনোর ব্যবসাই সামলাতে শুরু করেন পূজা। কিন্তু তার স্থায়িত্বও খুব বেশি দিনের নয়।

    ২০১৮ সালে হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন পূজা। স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে জানা যায় যে যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত হয়েছেন অভিনেত্রী। কিন্তু পূজার পাশে তার স্বামী ছিল না। পূজাকে মৃত্যুশয্যায় একা ফেলে চলে যান তিনি। পরে ইউটিউবে একটি ভিডিও প্রকাশিত হওয়ার পর পূজার অসুস্থতার কথা ছড়িয়ে পড়ে। 

    ভিডিওটিতে প্রথম সিনেমার নায়ক সালমান খানের কাছে সাহায্যের আবেদন করতে দেখা যায় পূজাকে। অসুস্থতার খবর পেয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন সালমান। ছয় মাস চিকিৎসা চলার পর সুস্থ হয়ে ওঠেন পূজা। মুম্বাইয়ে ফিরে গিয়ে নিজের জীবন নতুন করে শুরু করেন তিনি।

    ২০২০ সালে একটি পাঞ্জাবি সিনেমাতে অভিনয়ের সুযোগ পান পূজা। কিন্তু এই সিনেমাটিও বক্স অফিসে তেমন ব্যবসা করতে পারেনি। 

    এক পুরনো সাক্ষাৎকারে পূজা জানিয়েছিলেন, তার পুরনো বন্ধু রাজেন্দ্র ব্যবসা করার পরিকল্পনা দেন পূজাকে। বন্ধুর পরামর্শ অনুযায়ী হোম ডেলিভারির ব্যবসা শুরু করেন পূজা। বর্তমানে মুম্বাইয়ে খাবারের ব্যবসা করেন তিনি, থাকেন একটি একচালার ঘরে।
     

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাকিবের ফিটনেস নিয়ে যা বললেন কলকাতার নায়িকা 

    টালিউডে একের পর এক ছবিতে কাজ করছেন ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান। সম্প্রতি তার বিপরীতে ‘তুফান’ ছবিতে মিমি চক্রবর্তী কাজ করেছেন। বাংলাদেশের সিনেমা হলে এখন ঝড়ের গতিতে চলছে তুফান।  আবার ‘দরদ’ ছবিতে শাকিবের নায়িকা পায়েল সরকার। এ ছাড়া তারও আগে দুই বাংলা প্রযোজিত ‘প্রিয়তমা’ ছবিতে কিং খানের বিপরীতে নায়িকা ছিলেন ইধিকা পাল। সে ছবিতে কিং খান বাজিমাত করেন। 

    rnrn

    আনন্দবাজার সূত্রে জানা যায়, শাকিবের ফিটনেস নিয়ে উচ্ছ্বসিত কলকাতার নায়িকা পায়েল সরকার। তার মতে শাকিব আগের থেকে আরও রোগা হয়ে গেছেন, তাতে আরও ঝকঝকে দেখতে লাগছে তাকে।’ শাকিব কি আরও বেশি টালিউড নায়িকাদের সঙ্গে অভিনয় করছেন?এমন প্রশ্নে সঙ্গে সঙ্গে পায়েলের স্বতঃস্ফূর্ত জবাব— ‘শাকিবের মধ্যে নায়কোচিত সব গুণ আছে। দুই বাংলা মিলিয়ে এখন শাকিব প্রচুর কাজ করছে। সে ক্ষেত্রে শাকিব এপার বাংলায় বেশি কাজ করলে আখেরে লাভ টালিউডেরই।’

    rnrn

    পায়েল অবশ্য শাকিবের সঙ্গে এর আগেও কাজ করেছেন। ২০১৮ সালে তিনি, শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় আর শাকিব মিলে ‘ভাইজান এলো রে’ ছবিতে অভিনয় করেছিলেন। অনন্য মামুন পরিচালিত ‘দরদ’ ছবিটি পুরোপুরি বাণিজ্যিক ঘরানার হলেও ভিন্ন স্বাদের। পরিচালক এ ছবির প্রযোজকও। সহ-প্রযোজনায় টালিউডের এসকে মুভিজ়। সদ্য মুক্তি পেয়েছে ছবির ঝলক। দেখা যাচ্ছে নায়ক মানসিক বিকারগ্রস্ত খুনি। পায়েল উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক।

    rnrn

    এই প্রথম পুলিশের ভূমিকায় অভিনয় করলেন পায়েল সরকার? আনন্দবাজারের এক সাক্ষাৎকারে এমন প্রশ্নে পায়েল সরকার বলেন, ‘বরাবর এই পদটিকে শ্রদ্ধা করি। কতবার কত জায়গায় যেতে যেতে দেখেছি রোদ-ঝড়বৃষ্টি মাথায় করে প্রশাসনিক মহল আমাদের নিরাপত্তার খাতিরে পথে নামে। এবার আমি তাদেরই ভূমিকায় দরদে অবতীর্ণ হয়েছি। অনেক দিন ধরেই আমার ইচ্ছ ছিল মহিলা পুলিশের ভূমিকায় অভিনয় করার।’ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সঠিক সময় ও স্ক্রিপ্টের জন্য অপেক্ষা করছি

    তরুণ প্রজন্মের মডেল ও অভিনেত্রী তানজিন তিশা। ঈদ উপলক্ষ্যে ‘পয়জন’ নামে একটি ওয়েব ফিল্মে অভিনয় করেছেন এ অভিনেত্রী। তাছাড়া ঈদে বেশ কিছু নাটকেও অভিনয় করেছেন। ঈদের কাজ নিয়ে আজকের ‘হ্যালো…’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি।

    rnrn

    * ট্রেলারে দেখা গেছে, ‘পয়জন’ ওয়েব ফিল্মে চিত্রনায়িকার চরিত্রে অভিনয় করেছেন আপনি। চরিত্রটিতে কোন নায়িকার মিল পেয়েছেন?

    rnrn

    ** আমি ব্যক্তিগত অভিমতের জায়গা থেকে বলব, এ চরিত্রের সঙ্গে বাস্তবের কোনো নায়িকার পুরোপুরি মিল নেই। এটা একজন নারীর টিকে থাকার গল্প। একজন নারী সমাজে চলতে গিয়ে কত কিছুর মুখোমুখি হয় এবং সেগুলো কীভাবে প্রতিকার করে সেসব নিয়েই এই ওয়েব ফিল্ম। চরিত্রটি ফুটিয়ে তুলতে গিয়ে আমাকে অনেক স্টাডি করতে হয়েছে। সিনেমার নায়িকাদেরও ফলো করতে হয়েছে এটা সত্যি, তবে এ চরিত্রের সঙ্গে বাস্তবের নায়িকাদের মিল নেই।

    rnrn

    * চরিত্রটি কতটা চ্যালেঞ্জিং ছিল আপনার কাছে?

    rnrn

    ** অবশ্যই অনেক চ্যালেঞ্জিং ছিল। কারণ আমি সিনেমার নায়িকা নই। আমি নাটকের মেয়ে। সেই জায়গা থেকে একটা সিনেমার নায়িকার চরিত্র ফুটিয়ে তোলাটা একটু চ্যালেঞ্জিং ছিল। তবে আমি আমার সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করেছি ফুটিয়ে তুলতে। এখানে আমার চরিত্রের অনেক লেয়ার দেখতে পাবে দর্শক।

    rnrn

    * ‘পয়জন’-এ কী ধরনের বক্তব্য দিতে চেয়েছেন?

    rnrn

    ** আমার কাছে মনে হয়, যে কোনো কিছু অতিরিক্ত মানেই পয়জন। আমি যদি কাউকে ভালোবাসি এবং সেটি অনেক বেশি হয়ে যায় সেটিও পয়জন হতে পারে। আবার আমি যদি কাউকে অতিরিক্ত মাত্রায় ঘৃণা করি সেটিও পয়জন হতে পারে। মোটকথা আমি যা করি, তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় সেটা পয়জন হতে পারে। আমরা এ বক্তব্যই দিতে চেয়েছি সিনেমাটির মাধ্যমে।

    rnrn

    * নাটকে এখন আপনাকে কম দেখা যায় কারণ কী?

    rnrn

    ** কই কমেছে? করছি তো। তবে এখন আগের চেয়ে আরও সচেতন হয়ে করছি। দর্শক আমার থেকে যে ধরনের কাজ আশা করেন, সে ধরনের গল্পেই কাজ করার চেষ্টা করছি। বলতে পারেন ভালো কাজের দিকে আরও মনোযোগ দিয়েছি। আগের মতো ধারাবাহিকভাবে অভিনয় করছি না। স্ক্রিপ্ট পছন্দ হলেই করছি। বেছে বেছে কাজ করছি।

    rnrn

    * আপনাকে বড় পর্দায় দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা আছে কি?

    rnrn

    ** আমার তো বড় পর্দায় কাজ করার স্বপ্ন অনেক আগে থেকেই। তবে সঠিক সময় ও সঠিক স্ক্রিপ্টের জন্য অপেক্ষা করছি। ব্যাটে-বলে মিলে গেলে অবশ্যই বড় পর্দায় দেখা যাবে। আমিও আপনাদের মতোই অপেক্ষায় আছি সঠিক সময়ের।

    rnrn

    * ঈদে আর কী কী কাজ আসছে?

    rnrn

    ** আমার অভিনীত মাত্র ৪-৫টি নাটক দেখতে পাবেন দর্শক। পুরো ক্যারিয়ারে এবারই প্রথম ঈদে এত কম কাজ করেছি শুধু ‘পয়জন’ সিনেমাটির কাজ ও রিসার্চের জন্য। এ সিনেমাটিই আমার এবারের ঈদের মেইন ফোকাস। কারণ এটি আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে ব্যতিক্রম কাজ। এ চরিত্রটি আমাকে সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিল। সাধারণত আমাকে আমার দর্শক রোমান্টিক নাটক কিংবা মিষ্টি মেয়ের চরিত্রে দেখেছে। তবে তারা সব সময় চাইতেন আমি যেন ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে নিজেকে মেলে ধরি। এ সিনেমায় সে সুযোগটা পেয়েছি।

    রিয়েল তন্ময়

  • শাকিব খানের নায়িকা হওয়ার বিষয়ে এবার মুখ খুললেন তুষি

    ‘হাওয়া’ সিনেমা মুক্তির পর আর কোনো সিনেমায় দেখা যায়নি চিত্রনায়িকা নাজিফা তুষিকে। সম্প্রতি সামাজিকমাধ্যমে আলোচনা হচ্ছে- শাকিব খানের পরবর্তী সিনেমার নায়িকা হতে যাচ্ছেন তুষি। আর সিনেমাটি নির্মাণ করবেন ভার্সেটাইল মিডিয়ার কর্ণধার ও প্রযোজক আরশাদ আদনান।

    শাকিবের সঙ্গে তুষির জুটি হওয়ার বিষয়টি নিয়ে চারদিকে যখন নানা আলোচান আসছে, ঠিক তখনই মুখ খুললেন নায়িকা তুষি। জানালেন, এ খবরটি মিথ্যা। 

    শনিবার (১ জুন) গণমাধ্যমকে এ নায়িকা জানান, শাকিবের নায়িকা হওয়ার বিষয়টি গুজব ছাড়া অন্য কিছু নয়।

    এ অভিনেত্রী বলেন, শাকিব ভাইয়ের পরবর্তী সিনেমায় আমার নায়িকা হতে যাওয়ার বিষয়টি কেবলই মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। এ নিয়ে আমার সঙ্গে কারও কোনো কথা বা আলোচনা হয়নি। এরপরও যারা দাবি করেছেন, তাদের উচিত ছিল এ ধরনের নিউজ করার আগে আমার সঙ্গে কথা বলা।

    ঢালিউড সুপারস্টারের সঙ্গে সিনেমা সংক্রান্ত কোনো কথা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে নাজিফা তুষি বলেন, নাহ, তার সঙ্গে এ ব্যাপারে আমার কোনো কথা হয়নি। এমনকি তার সঙ্গে আমার কখনো দেখাও হয়নি।

    সম্প্রতি শাকিব খানের প্রতিষ্ঠান রিমার্ক হারলানের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে যুক্ত হয়েছেন অভিনেত্রী নাজিফা। এ ব্যাপারে তার ভাষ্য, শাকিব ভাই যে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে রয়েছেন, সেটিও জানা ছিল না আমার।

    তিনি বলেন, আমার সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির কয়েকজন কর্মকর্তা যোগাযোগ করেছিলেন। তাদের সঙ্গেই কথা বলেছি আমি। কিন্তু শাকিব ভাই যে ওই প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে রয়েছে, সেটি জানা ছিল না আমার। তবে পরে জানতে পেরেছি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মায়ের গয়না বিক্রির ১৩ লাখ টাকায় ভোট করেন নিপুণ

    বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে হেরে গেছেন নিপুণ আক্তার। ১৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত নির্বাচনে নিপুণের বিরুদ্ধে জয়ী মনোয়ার হোসেন ডিপজলের দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞা এসেছে। এরপর সমিতিতে নিপুণের ভূমিকা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া কাজ করছে।

    rnrn

    নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ এনে এই ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠনের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে নিপুণের রিটে। পাশাপাশি নির্বাচনের ফল বাতিল চেয়ে নতুন করে নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে।

    rnrn

    এর প্রতিবাদে গত ২২ মে এফডিসিতে ব্যানার নিয়ে মিছিল করেছেন শিল্পী সমিতির কয়েকজন সদস্য। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, নিপুণ এত টাকা কোথায় পান? 

    rnrn

    সেই প্রশ্নের উত্তর আমেরিকা থেকে দিলেন অভিনেত্রী। নিপুণ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘নির্বাচনের আগে ঢাকার তাঁতিবাজারের মুকুট জুয়েলার্সে ১৩ লাখ টাকার গয়না বিক্রি করেছি। গয়নাগুলো ছিল আমার খুব শখের। এফডিসিকে কতটা ভালোবাসি এবার ভাবুন! একজন মেয়ে প্রয়োজনে তাঁর অন্যান্য প্রিয় জিনিস বিক্রি করে; কিন্তু সহজে গয়না হাত ছাড়া করে না। 

    rnrn

    গয়না বিক্রির টাকা কোথায় খরচ করেছেন সেই ব্যাখ্যায় নায়িকা বলেন, নির্বাচনে প্রতিদিন আমার কর্মীরা প্রচার-প্রচারণায় খেটেছেন, কাজ করেছেন, পোস্টার-ব্যানার করতে হয়েছে বলেই এ খরচটা করতে হয়েছে। আমি কাউকে একটা টাকাও দিইনি ভোট কেনার জন্য। পারলে উনারা তাঁতিবাজারে গিয়ে মুকুট জুয়েলার্সে খোঁজ নিয়ে দেখুক। দেশে ফেরার পর আরো অনেক প্রমাণ দেব। শুধু অপেক্ষায় আছি জুনের মাঝামাঝি পর্যন্ত। তখন দেশে ফিরে থলের বিড়াল বের করে দেব।
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক