Tag: নাটক

  • সংসার আর সন্তানই আমার কাছে বড়: ফেরদৌসী মজুমদার

    ‎সত্যজিৎ রায়ের চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছিলেন ফেরদৌসী মজুমদার। এমন সুযোগ পেয়েও কেন অভিনয় করলেন না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার ত্রপা (ত্রপা মজুমদার) তখন ছোট। ওরে রেখে অভিনয় করা আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না। কারণ সংসার আর সন্তানই আমার কাছে বড়। 

    শনিবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যায় নাট্য সংগঠন অনুস্বরের ৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ‘ফেরদৌসী মজুমদার: জীবন ও অভিনয়’ শীর্ষক আয়োজনে এক প্রশ্নের তিনি এসব কথা বলেন।

    এরপরেও ‘দমকা’ সিনেমা অভিনয় করেছিলেন। আর কোনো সিনেমায় অভিনয় করেননি। তিনি জানান, অভাব মেটাতে তিনি সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন। এসময় তিনি সিনেমা, মঞ্চ ও টিভি নাটকের পার্থক্য নিয়ে আলোচনা করেন।

    সংসার জীবনে অভিনয়ে বাধা এসেছিল কিনা এ বিষয়ে তিনি বলেন, সংসার আমাকে স্বাধীনতা দিয়েছে, সহযোগিতা করেছে। ছোট বেলায় বাবার চোখ ফাঁকি দিয়ে অভিনয় করেছি। ভেবেছিলাম, এরপর আর অভিনয় করা হবে না। কিন্তু শ্বশুরবাড়িতে এসে দেখি সবাই অভিনয় করে। রামেন্দু মজুমদারের ভাই আমার ভাসুর অভিনয় করতেন। আমার মেয়েও বাধা দেয়নি।

    পরে কথা প্রসঙ্গে তার অভিনিত নাটক ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’, ‘কোকিলারা’, ‘ম্যাকবেথ’, ‘মেরাজ ফকিরের মা’, ‘লাভ লেটার’ সহ মঞ্চে অভিনিত বেশ কয়েকটির সংলাপ প্রক্ষেপণ করেন।

    ‎এ সময় উচ্ছ্বসিত করতালি তাকে সাধুবাদ জানান উপস্থিত দর্শক-স্রোতা।

    অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন অনুস্বরের প্রধান মোহাম্মদ বারী। শুরুতে তার প্রশ্নের উত্তর দেন ফেরদৌসী মজুমদার। পরে উপস্থিত দর্শকের নানা প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি।

    তার শৈশবের ছেলে-মেয়ের মধ্যে এমন বৈষম্য ছিল না। আমি ছেলেদের সঙ্গে মার্বেল খেলেছি, ডাঙ্গুলি খেলেছি। জিতেছিও।

    নাট্যাঙ্গনে ভাঙাগড়ার বিষয়ে তিনি বলেন, না ভাঙলে গড়বে কী করে। সুতরাং ভাঙাটাকে অস্বাভাবিকভাবে দেখার কিছু নাই।

    মঞ্চে অভিনয় কেন বেশি করেছেন এমন প্রশ্নের জবাবে ফেরদৌসী মজুমদার বলেন, মঞ্চে প্রত্যক্ষ ফিডব্যাক পাওয়া যায়। এটা গ্রহণ করেল আনন্দ পাওয়া যায়। ‎

    আপনার মতো হতে গেলে কী করতে হবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার মতো না। আমাকে ছাড়িয়ে যেতে হবে। তবে শিল্পীকে পরিশ্রমী হতে হবে। ত্রপা সাংঘাতিক পারফেকশনিস্ট। অসম্ভব নিষ্ঠাবান, অসম্ভব পরিশ্রমী।

    ‎জীবনের লক্ষ্য কী ছিল এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমার জীবনের কোনো লক্ষ্য ছিল না। লক্ষ্য ঠিক করে কিছু হয় কিনা জানি না।

    ‎সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক

  • শুক্রবার শিল্পকলায় ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ এর ৪৪তম মঞ্চায়ন

    ঢাকার অন্যতম নাটকের দল ঢাকা পদাতিক। দলটির ৩৮তম প্রযোজনা ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’। আগামী শুক্রবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার দলে নাটকটির ৪৪তম মঞ্চায়ন অনুষ্ঠিত হবে।

    বৃটিশবিরোধী আন্দোলনের বীর সেনানী মাস্টারদা সূর্যসেনের প্রহসনমূলক বিচার ও হত্যাকাণ্ডের বিষয়বস্তুকে উপজীব্য করে নাটকটি মঞ্চে আনে ঢাকা পদাতিক। নাটকটির রচনা ও মূল নির্দেশনা দিয়েছেন একুশে পদকপ্রাপ্ত নাট্যজন মাসুম আজিজ। তার মৃত্যুর পর নাটকটির নবনির্দেশনার দায়িত্ব পালন করছেন দেশের প্রথিতযশা অভিনেতা ও নির্দেশক নাদের চৌধুরী।

    প্রয়োজন অনুযায়ী, নাটকটির কিছু অংশে অলংকরণ ও মঞ্চ-পরিকল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন তিনি। নাটকটি মঞ্চপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, শক্তিশালী সংলাপ এবং নির্মাণশৈলীর কারণে এটি বর্তমানে নাট্যাঙ্গনের আলোচিত প্রযোজনাগুলোর অন্যতম।

    এরই মধ্যে ভারতের দিল্লিতে নাটকটির দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে দর্শক ও নাট্যসমালোচকদের কাছ থেকে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে।

    নবনির্দেশনার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে নাদের চৌধুরী বলেন, ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের ইতিহাসভিত্তিক একটি গুরুত্বপূর্ণ নাটক। এর রচনা ও নির্দেশনা দিয়েছেন একুশে পদকপ্রাপ্ত মাসুম আজিজ ভাই। তার প্রয়াণের পর প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু অংশে অলংকরণ করে নবনির্দেশনার কাজটি করেছি। নাটকে আমি মাস্টারদা সূর্যসেন চরিত্রে অভিনয় করছি। ইতিহাসভিত্তিক এই নাটক বর্তমান প্রজন্মের অবশ্যই দেখা উচিত।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    প্রায় ৪০টি চরিত্র নিয়ে নির্মিত নাটকটির উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো-সূর্যসেন, কল্পনা দত্ত, তারকেশ্বর দস্তিদার, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, অম্বিকা চক্রবর্তী, নির্মল সেন, ব্রিটিশ উকিল, নেত্র সেন ও বাঙালি উকিল।

    বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন নাদের চৌধুরী, মাহবুবা হক কুমকুম, মনজুরুল ইসলাম নান্টু, সাবিহা জামান, হাসনাহেনা শিল্পী, মামুন উর রশিদ, শ্যামল হাসান, রবিউল মিলটন, আক্তার হোসেন, তারেক আলী মিলন, আতিকুর রহমান, আল আমিন স্বপন, সুমন ঘোষ, ফারজানা নিপা, আরিফ, মাকসুদ, জাহিদ প্রমুখ।

    নাটকটির আলোক পরিকল্পনায় রয়েছেন জাকারিয়া কিরণ, সংগীত পরিচালনায় আবুল বাশার সোহেল এবং মঞ্চ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছেন শ্যামল হাসান।

    বলে রাখা ভালো, ২০১৮ সালের ১৮ জানুয়ারি ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’-এর উদ্বোধনী প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এরপর দেশ-বিদেশে একাধিক সফল মঞ্চায়নের মধ্য দিয়ে নাটকটি ইতিহাসভিত্তিক নাট্যপ্রযোজনার অন্যতম আলোচিত সংযোজন হিসেবে দর্শকমহলে বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে।

    নিজস্ব প্রতিবেদক

  • জোড়া সুখবর দিলেন মৌসুমী হামিদ

    গত মার্চে অভিনেত্রী মৌসুমী হামিদের সংসার ভাঙার খবর প্রকাশ্যে এলে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। তবে সেই ঘটনার চার মাসের মধ্যেই তিনি একসঙ্গে দুটি সুখবর জানালেন। দ্বিতীয়বার বিয়ের পাশাপাশি মা হতে যাওয়ার সংবাদও প্রকাশ করেন তিনি।

    শুক্রবার ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকির অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে বেবি বাম্প নিয়ে উপস্থিত হয়ে সহকর্মীদের চমকে দেন মৌসুমী হামিদ।

    অভিনেত্রীর বর্তমান স্বামীর নাম আবদুল ওয়াদুদ সজীব। তিনি ডিজিটাল মিডিয়া ও বিজ্ঞাপন প্রযুক্তি খাতে কর্মরত।

    অভিনেত্রী বলেন, আমরা দীর্ঘ ১৪ বছরের পুরোনো বেস্ট ফ্রেন্ড। আমাদের মধ্যে অনেক বিষয়ে মিল ছিল। যে কারণেই বিয়ে সিদ্ধান্ত নিই। সবকিছুর জন্য দোয়া চাই।

    মৌসুমী হামিদের দ্বিতীয় বিয়ে ও সন্তানসম্ভবা হওয়ার খবর অনেকেরই অজানা ছিল। চরকির অনুষ্ঠানে তাই তাকে দেখে সহকর্মীরা জড়িয়ে ধরেন, শুভকামনা জানান।

    মৌসুমী হামিদ বলেন, আমি সবাইকে সারপ্রাইজ দেওয়ার জন্য প্রথম বাইরে এসেছি। জানতাম এখানে অনেকেই থাকবে। সবার সঙ্গে দেখা হবে। এ জন্য স্বামীসহ এসেছি মা হওয়া খবর দিতে।

    এত দিন দ্বিতীয় বিয়ের খবর গোপন রাখার কারণও স্পষ্ট করেন অভিনেত্রী। মৌসুমী হামিদ বলেন, অনেকেই ভুলভাবে খবর প্রকাশ করবে। এ জন্য আমি এত দিন কাউকে কিছু বলিনি। এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সঠিকভাবেই মা হওয়ার খবরটা জানবে সবাই। আমি এবং আমার অনাগত সন্তান ভালো আছি, নতুন একটা অনুভূতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। এ জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।

    এর আগে ২০২৪ সালের ১২ জানুয়ারি নাট্যকার আবু সাইয়িদ রানাকে বিয়ে করেন মৌসুমী হামিদ। দুই বছরের মাথায় ফাটল ধরে তাদের ভালোবাসার সংসারে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে সেপারেশনে চলে যান। এরপর গত মার্চে মৌসুমী জানান বিচ্ছেদের খবর।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সম্পর্কে জড়ালেন নাজনীন নীহা, প্রেমিকের বিষয়ে যা জানালেন অভিনেত্রী

    অভিনেত্রী নাজনীন নীহার ব্যক্তিজীবন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এবার কোনো গুঞ্জন নয়, নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি পরিবর্তনের মাধ্যমেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন তিনি।

    সোমবার (২৯ জুন) ফেসবুক প্রোফাইলে নিজের রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস ‘এনগেজড’ হিসেবে হালনাগাদ করেন নীহা।

    এরপর থেকেই শুরু হয়েছে ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে নতুন করে জল্পনা— তবে কি সত্যিই বাগদান সারলেন এই অভিনেত্রী? 

    তবে বাগদানের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন হালের জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী। প্রেমিকের পরিচয় গোপন রেখেছেন তিনি। 

    এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে নাজনীন নীহা জানিয়েছেন, ‘আমি কিন্তু কোথাও বাগদানের কথা বলিনি। শুধু লিখেছি, এনগেজড। এর মানে আমি এখন আর সিঙ্গেল না। কারো সঙ্গে সম্পর্কে আছি। বাকিটা সময় হলে সবাই জানতে পারবেন।’

    প্রেমিকের পরিচয় জানতে চাইলে অভিনেত্রী জানান, বিশেষ মানুষটির পরিচয় এখনই প্রকাশ করতে চাচ্ছেন না। উপযুক্ত সময় এলেই তার পরিচয় সবার সামনে আনবেন। এখনই সম্পর্ক নিয়ে এর বেশি কিছু বলতে চান না তিনি। 

    তার ভাষ্য, আমি আমার জায়গা থেকে অনেস্ট থাকতে পছন্দ করি। ফেসবুকে এনগেজড লেখার অর্থ হচ্ছে, আমি এখন আর সিঙ্গেল না। কোনো না কোনোভাবে আমি একটি সম্পর্কে জড়িয়েছি। এ তথ্যটা লুকিয়ে রাখতে চাইনি বলেই নিজে থেকেই জানিয়েছি।

    এদিকে, নীহার এক বিশ্বস্ত সূত্রের বরাতে বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম জানিয়েছে, পাকিস্তানি ছেলের সঙ্গে বাগদান সেরেছেন এই অভিনেত্রী। কয়েক মাস আগে বিদেশে ঘুরতে গিয়ে পরিচয় তাদের। এরপর পরিণয় এবং অবশেষে পারবারিকভাবে বাগদান।  তবে এর সত্যতা যাচাই করতে পারেনি যুগান্তর। 

    এর আগে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ ক্যাপশন দিয়ে হলুদ মাখানো দুটি হাতের একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন নাজনীন নীহা। সেই ছবি ঘিরে বিয়ের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লেও পরে তিনি সেটিকে ‘নাটকের প্রচারণা’ বলে ব্যাখ্যা করেছিলেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘পবিত্র কাবার দিকে তাকালাম, সব শব্দ হারিয়ে গেল’

    জনপ্রিয় অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা পবিত্র ওমরাহ পালন করেছেন। জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই ধর্মীয় সফরে সম্প্রতি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সৌদি আরবে যান তিনি। পবিত্র মক্কা শরিফে ওমরাহ সম্পন্ন করার পাশাপাশি প্রথমবার কাবা শরিফ দেখার আবেগঘন অনুভূতিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

    পবিত্র কাবার সামনে দাঁড়িয়ে তোলা কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে ভাবনা জানান, জীবনের এই বিশেষ মুহূর্ত তাকে গভীর শান্তি ও প্রশান্তিতে ভরিয়ে দিয়েছে। একই সঙ্গে এমন সৌভাগ্য অর্জনের সুযোগ করে দেওয়ায় মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি।

    এবারের ওমরাহ সফরে ভাবনার সঙ্গী হয়েছেন তার বাবা, মা এবং ছোট বোন। শুক্রবার (২৬ জুন) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মক্কা শরিফ থেকে প্রকাশিত ছবিগুলোর মাধ্যমে ভক্তদের এ সুখবর জানান তিনি।

    মক্কা শরিফ থেকে ছবি শেয়ার করে ভাবনা লিখেছেন, প্রথমবার যখন পবিত্র কাবার দিকে তাকালাম, আমার মুখ থেকে যেন সব শব্দ হারিয়ে গেল। কোনো ভাষা বা শব্দ দিয়ে সেই মুহূর্তের গভীর আবেগ, মনের ভেতরের উপচেপড়া পরম শান্তি আর অন্তরের কৃতজ্ঞতাকে প্রকাশ করা সম্ভব নয়।

    জীবনের এই পরম সৌভাগ্যের জন্য সৃষ্টিকর্তার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি আরও লেখেন, সবকিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ মালিক। 

    ভাবনার এই পোস্টটি প্রকাশের পর থেকেই তার সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও ভক্তরা তাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন এবং তার পরিবারের জন্য দোয়া করছেন।

    ছোটপর্দার মাধ্যমে অভিনয়জগতে পথচলা শুরু হয়েছিল আশনা হাবিব ভাবনার। এরপর ২০১৭ সালে নির্মাতা অনিমেষ আইচ পরিচালিত ‘ভয়ংকর সুন্দর’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় তার অভিষেক ঘটে। সিনেমাটিতে ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের বিপরীতে ‘নয়নতারা’ চরিত্রে অভিনয় করে দর্শক ও সমালোচকদের দারুণ প্রশংসা কুড়ান তিনি।

    পরবর্তীতে ‘লাল মোরগের ঝুঁটি’ ও ‘দামপাড়া’র মতো ভিন্নধর্মী ও প্রশংসিত চলচ্চিত্রে অভিনয় করে নিজেকে একজন জাত অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন ভাবনা। অভিনয়ের পাশাপাশি একজন দক্ষ নৃত্যশিল্পী, চিত্রশিল্পী এবং লেখক হিসেবেও সংস্কৃতি অঙ্গনে তার বেশ পরিচিতি রয়েছে।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • কেয়া-তৌসিফের গল্পে আসছে ‘অবশেষে তুমি এলে’

    নির্মাণ হয়েছে নতুন নাটক ‘অবশেষে তুমি এলে’। এতে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন তৌসিফ মাহবুব ও কেয়া পায়েল। জাগো এন্টারটেইনমেন্টের প্রযোজনায় নাটকটি নির্মাণ করেছেন পরিচালক সেলিম রেজা। এর গল্প লিখেছেন পারভেজ ইমাম।

    নাটকের প্রধান দুই চরিত্রে তৌসিফ মাহবুব ও কেয়া পায়েল ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আরও রয়েছেন তুটিয়া ইয়াসমিন পাপিয়া, ডিকন নূর, আশরাফুল আলম সোহাগ, নিজাম উদ্দিন তামুর, ফারুক আহমেদ এবং আরও অনেকে। 

    নাটকটিতে বিশেষ চরিত্রে অভিনয় করেছেন বরেণ্য অভিনেতা আবুল হায়াত। 

    পরিচালক জানান, এ নাটকের শুটিং হয়েছে রাজধানীর উত্তরা এলাকার ৩০০ ফুট বনবিথি হাউসে। নির্মাতা সূত্রে জানা গেছে, নাটকটি শিগগিরই ইউটিউব প্ল্যাটফর্ম জাগো এন্টারটেইনমেন্টে প্রকাশ করা হবে।

    নাটকের গল্পে দেখা যাবে, রাজবংশের শেষ উত্তরসূরীর ফুলের প্রতি ভালোবাসা এবং বাবার রেখে যাওয়া ফ্লাওয়ার শপে বসে বসে বাংলা নাটকের অনেক বড় সুপারস্টার হওয়ার স্বপ্নে বিভোর থাকা দুই তরুণ তরুণীর কাহিনি। ফুলপ্রেমী কেয়া পায়েল অফিস থেকে বাসায় ফেরার পথে সালমানের ফ্লাওয়ার শপে আসে ফুল কিনতে। প্রথম দেখাতেই কেয়ার প্রেমে পড়ে যায় তৌসিফ। এগিয়ে চলে নাটকের গল্প।

    নির্মাতা নিশ্চিত করেছেন, রোমান্টিক ট্রাজেডি ও পারিবারিক আবহে চমৎকার গল্পের এই নাটকটি জাগো এন্টারটেইনমেন্টের ইউটিউব চ্যানেলে অবমুক্ত হবে।

    নাটকটিতে একটি সুন্দর গান রয়েছে। ‘ছুঁয়ে থাকো আমায়’ শিরোনামে গানটি লিখেছেন রবিউল ইসলাম জীবন। সুর ও টিউন করেছেন কাওসার খান। গানটিতে কন্ঠ দিয়েছেন শাওন গানওয়ালা এবং অবন্তি সিথি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘মা এখন বহুদূরে, আকাশের তারা হয়ে জ্বলছে’

    নাটকের জনপ্রিয় অভিনেতা ফারুক আহমেদ মা দিবসে মাকে স্মরণ করে আবেগঘন একটি পোস্ট দিয়েছেন। শনিবার (৯ মে) রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে শৈশবের একটি স্মৃতি তুলে ধরে তিনি মায়ের কাছ থেকে পাওয়া সততার শিক্ষার কথা জানান।

    পোস্টে অভিনেতা লিখেন, আজ মা দিবস। আজ থেকে ৫৮ বছর আগের ঘটনা। আমার বয়স তখন ৮/৯ বছর। মা বললেন, যা বাবা কেনুর মায়ের বাড়ি থেকে এক সের বেগুন নিয়ে আয়। এই নে পয়সা।

    আমি মায়ের দেওয়া এক আনা পয়সা নিয়ে আমাদের বাড়ির পিছনে সুতালড়ি গ্রামের দিকে জমির আল ধরে দৌড় দিলাম।

    কেনুর মা বৃদ্ধা। স্বামী মারা গেছে কেনুর জন্মের পরপর। লাউ পাতা, শাক-সবজি বিক্রি করে চালাতো সংসার।

    ফারুক আহমেদ স্মৃতিচারণ করে বলেন, আমি কেনুর মা’র হাতে এক আানা পয়সা দিয় বললাম, মা বলছে এক সের বেগুন দিতে।

    তিনি মিষ্টি হাসি দিয়ে বললেন, খাড়াও দিতেছি। কেনুর মা বেগুন গাছ থেকে তাজা বেগুন ছিড়ে ছিঁড়ে চটৈর ছোট থলিতে রাখলেন। বললেন, যাও নিয়া যাও। মাপুনের কাম নাই। আন্দাজ কইরা  দিছি। এক সেরের বেশি হইবো। আমি থলি নিয়ে দৌড়।

    রান্না ঘরে গিয়ে মাকে বললাম, মা বেগুন। মা বেগুনের থলি হাতে নিয়ে বললেন, এত বেগুন কেন? এইখানে এক সেরের বেশি আছে। মা পাল্লা নিয়ে সব বেগুন মাপ দিলেন। মাপ দিয়ে দেখলেন বেগুন দুই সের। 

    মা তখন বললেন, আমি তোমারে এক সেরের পয়সা দিছি। তুমি দুই সের আনলা কিভাবে। 

    জবাবে ফারুক আহমেদ বলেন, কেনুর মা ওজন দেয় নাই। আন্দাজ করে দিছে। বলছে এক সেরের একটু বেশি হইতে পারে। গাছের জিনিস। নিয়া যাও। আমি নিয়া আসছি।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মা আমার দিকে নির্বিকার তাকিয়ে থেকে এক আনা পয়সা দিয়ে বললেন, যাও বাবা কেনুর মায়েরে দিয়া আসো। বলবা বেগুন ছিলো দুই সের। মা আরও এক সেরের দাম এক আনা পাঠাইছে। রাখেন।

    পোস্টে অভিনেতা উল্লেখ করেন, এক আনা পয়সা কেনুর মায়ের হাতে গুঁজে দিয়ে বাড়ির দিকে দৌড় দিলাম। মা আমাকে দেখে বললেন, কেনুর মায়েরে পয়সা দিছো? আমি মাকে জড়িয়ে ধরে বললাম, দিছি মা। মা বললেন, শোন বাবা, নিজে ঠকবে অন্যকে ঠকাবে না।

    আমি মাকে কি করে বুঝাই, মা আমি কেনুর মাকে ঠকাই নাই। সে নিজে আমাকে ইচ্ছা করে বেশি বেগুন দিয়েছে। তারপরও মা আমি আজীবন তোমার কথার খেলাপ করবো না।

    মাকে স্মরণ করে ফারুক আহমেদ আরও লিখেন, মা এখন দূর বহুদূরে। হয়তো রাতের আকাশের তারা হয়ে জ্বলছে। হয়তো আমাকে বলছে, ভালো আছিস বাবা?

    অভিনেতার এই আবেগঘন পোস্ট সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই তার মায়ের প্রতি ভালোবাসা ও সততার শিক্ষাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শুটিং চলাকালীন অভিনেত্রীর গর্ভপাত

    কলকাতার টিভি পর্দার পরিচিত মুখ অভিনেত্রী অন্বেষা রায় মুখোপাধ্যায়। সম্প্রতি এই অভিনেত্রীর জীবনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা থাকা এই অভিনেত্রীর সম্প্রতি এক ধারাবাহিকের শুটিং চলাকালীন গর্ভপাত হয়েছে। 

    স্টার জলসার ‘কম্পাস’ ধারাবাহিকে শুটিংয়ের এক পর্যায়ে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। 

    কিছুদিন আগেই অভিনেত্রী জানতে পারেন তিনি অন্তঃসত্ত্বা। শুক্রবার (৮ মে) শুটিং চলাকালীন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। এর পরই শুটিং থেকে সোজা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। 

    হাসপাতালে পৌঁছে তিনি জানতে পারেন গর্ভপাত হয়েছে। সেসময় পরিস্থিতি এতটাই কঠিন হয়ে পড়ে যে, অভিনেত্রীর প্রাণহানিরও ভয় ছিল। এই মুহূর্তে হাসপাতালেই আছেন অন্বেষা। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    হাসপাতালের বেড থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট করেছেন অন্বেষা। সেই পোস্টের ক্যাপশেন অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘প্রায় মা হয়েই গিয়েছিলাম, জীবন আর কতটা কঠিন হতে পারে? আমার অস্ত্রোপচারের ঠিক কয়েক মিনিট আগে এই লেখাটা পোস্ট করছি যাতে ভবিষ্যতে মনে করতে পারি, আমি কতটা যন্ত্রণা সহ্য করেছি এবং এই কষ্টকর অগ্নিপরীক্ষার পুরোটা সময় জুড়ে আমি কতটা অটল ও শক্তিশালী ছিলাম। মানসিকভাবে, আবেগিকভাবে এবং শারীরিকভাবে সব দিক থেকেই! তবুও আমি মুখে হাসি ধরে রেখেছিলাম। ঠিক মা দিবসের দুদিন আগে, আমি প্রায় মা হয়েই গিয়েছিলাম।’ 

    চিকিৎসকদের মতে, পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে অভিনেত্রীর জীবনও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারত।

    এই আকস্মিক ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন অন্বেষা। তবে কঠিন এই সময়ে তার পাশে ছিলেন স্বামী ও শুটিং ইউনিটের সদস্যরা। সবার প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • থালাপতি বিজয়কে নিয়ে যা বললেন অভিনেতা সিদ্দিক

    ভারতের তামিলনাড়ুতে প্রথমবারের মতো জোট সরকার গঠনের পথে এগোচ্ছেন অভিনেতা-রাজনীতিক থালাপতি বিজয়। ছোট দলগুলোর সমর্থনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করার পর এখন মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। একজন শিল্পী হয়ে রাজনীতিতে তার সাফল্যের জন্য অনেকেই তার প্রশংসা করেছেন। 

    সম্প্রতি কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া ছোট পর্দার পরিচিত মুখ সিদ্দিকুর রহমানও বিজয়কে নিয়ে নিজস্ব অভিমত প্রকাশ করেছে। গণমাধ্যমকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি তার অভিমত দেন। 

    সিদ্দিকুর রহমান বলেন, সবাই বলে যে শিল্পীদের আসলেই রাজনীতিতে যাওয়া ঠিক না। এটার পক্ষে-বিপক্ষে প্রচুর কথা আছে। কিন্তু আমি মনে করি ওই শিল্পীটার ভেতরের মানুষটা যদি মনুষ্যত্বহীন না হয়, যদি সামাজিক হয়, সেবকের চিন্তা-ভাবনা থাকে, দেশকে ধারণ করার চিন্তা-ভাবনা থাকে, সার্বভৌমত্ব রক্ষার করার চিন্তা করে এবং সত্যিকার অর্থে সেবক হিসেবে মানুষকে সেবা দিতে পারবে- সেই জায়গা থেকে এ পথে হাঁটা উচিত। আর যদি মনে হয়- আমি সেই জায়গায় গিয়ে আমি আমাকে আমি হিসেবে বিশ্বাস করি, আমি আমরাতে বিশ্বাস করব না। আমরাতে পরিণত হবো না। আমার কী হলো? আমার কী পাওয়া দরকার? আমি কী পেয়েছি? এ শব্দগুলো যদি একটা শিল্পীর ভেতরে থাকে- সেই শিল্পীর রাজনীতিতে যাওয়া উচিত না। আর যে গুণগুলোর কথা আমি আগেই বললাম; সেগুলো করবে- তাহলে আমি মনে করি তার রাজনীতির পথে হাঁটা উচিত। 

    তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি আপনি ভারতে দেখেন- থালাপতি বিজয় একজন শিল্পী হয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন। তিনি যেমন সিনেমার হিরো; ঠিক তেমনি জনগণের কাছে হিরো হিসেবেই আছেন। ও রকম হিরো লাগবে- ও রকম হিরোর মেন্টালিটি যদি না থাকে; তাহলে হবে না। জেলেনস্কিকে দেখেন- তিনিও কিন্তু অভিনেতা। এ রকম বড় বড় অনেক জায়গায় অভিনেতা-অভিনেত্রীরা আছেন যারা মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে প্রেসিডেন্ট থেকে শুরু করে বড় বড় জায়গায় আছেন। কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট একটু অন্যরকম। একটু পরেই দেখা যাবে আমার কমেন্ট বক্সের নিচে লেখা শুরু হবে- সিদ্দিক ভাই লেবাস পালটাই নাই; সিদ্দিক ভাই কিন্তু ওই ধরনের কথা বলতেছে। নো আমি অবশ্যই ভেতরে আল্লাহকে ধারণ করি। আমি হেদায়েতপ্রাপ্ত হয়েছি সেখান থেকে। সেটাকে আমি ধারণ করব; ওটা আমাকে মৃত্যুর পর পরের জীবনেও ধারণ করতে হবে। আর রাজনীতি যে কথাটি আমি বলছি- মৃত্যুর পরেও তা আমি ধারণ করতে পারব; যদি আমি সত্যিকার অর্থে রাজনীতিটা ওই আল্লাহর হেদায়েতের জায়গা থেকে করি। যদি আমি হেদায়েতপ্রাপ্ত হয়ে মানুষের জন্য করি; আমার জন্য না করি- তাহলেই হবে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আসছে জিয়াউর রহমানের জীবনভিত্তিক নাটক ‘জেড’

    নবগঠিত শিল্প সংস্থা ‘থিয়েটার দ্য লা মেজঁ ফ্রঁসেজ’ বাংলাদেশের জন্য একটি অনলাইন বাংলা থিয়েটার ডিপ্লোমা কর্মসূচি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে ফ্রান্স। ব্রিটানিতে ‘ফ্রেঞ্চ হাউস থিয়েটার ডিপ্লোমা–বাংলাদেশ চ্যাপ্টার’ শিরোনামের এ কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলা নাট্যচর্চাকে আন্তর্জাতিক পরিসরে সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। থিয়েটারের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    ফ্রান্স প্রবাসী কবি ও নাট্যকার চয়ন খায়রুল হাবিব ডিপ্লোমা কোর্সের আবাসিক লেখক, নির্দেশক ও সমন্বয়ক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯৯০ সালে ঢাকার ব্রিটিশ কাউন্সিলে অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ লিটারেচার সেমিনারে হাবিব বাংলাদেশের প্রথম আফ্রিকান নাটক অনুবাদ ও নির্দেশনা দিয়েছিলেন। সেই সময় তার অপেরা-ধর্মী ‘জুলেখা ট্রিলজি’ ঢাকার শিল্পকলা একাডেমিতে মঞ্চস্থ হয়ে প্রশংসিত হয়েছিল।

    তিন মাসব্যাপী এই অনলাইনভিত্তিক ‘ফ্রেঞ্চ হাউস থিয়েটার ডিপ্লোমা–বাংলাদেশ চ্যাপ্টার’ শিরোনামের এ কর্মসূচিতে থাকছে নাট্যলেখন, নাট্যপাঠ, নির্দেশনা, অভিনয়, মঞ্চ ও আলো পরিকল্পনার ওপর প্রশিক্ষণ। কোর্স শেষে অংশগ্রহণকারীরা বাংলাদেশে তিনটি প্রযোজনায় অংশ নেবেন।

    তিনটি প্রযোজনায় অংশ নেওয়া প্রশিক্ষণার্থীরা প্রথম প্রযোজনা শকুন্তলার কাহিনি অবলম্বনে একটি পৌরাণিক নাটকে অংশ নেবেন। দ্বিতীয় প্রযোজনাটি হবে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক, যেখানে সেনানিবাসে তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমানের বিদ্রোহ এবং চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তার স্বাধীনতা ঘোষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় তুলে ধরা হবে। এই নাটকের নাম হবে ‘জেড’।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সংস্থাটি জানিয়েছে, এতে প্রয়াত সংগীতশিল্পী ও মুক্তিযোদ্ধা আজম খান এবং শহীদ চলচ্চিত্রকার জহির রায়হানের সঙ্গে জিয়ার কাল্পনিক মেলবন্ধন দেখানো হবে। প্রযোজনার আগে নাটকটি বাংলাদেশ জাতীয় কপিরাইট অফিসে জমা দেওয়া হবে এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হবে। শকুন্তলা অবলম্বনে নাটক এবং ‘জেড’—দুটি নাটকেরই রচনা ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

    তৃতীয় প্রযোজনাটি হবে অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণার্থীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বেগম রোকেয়াকে নিয়ে একটি ইম্প্রোভাইজড নাট্যপ্রয়াস। এর পাশাপাশি কোর্সে শহীদ নাট্যকার মুনীর চৌধুরীর নাটকগুলোর সংক্ষিপ্ত অন্তর্ভুক্ত। সেই সঙ্গে বিশ্বনাটকের অংশ হিসেবে নাইজেরিয়ার ওলে সোয়িঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি উইলিয়ামস, ইভ এন্সলার এবং ফ্রান্সের ইয়াসমিন রেজার নাটকও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    এদিকে আয়োজনকারীদের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ উদ্যোগে স্থানীয় অংশীদার হিসেবে যুক্ত হয়েছে ‘নন্দন বিশ্বমেলা’ প্ল্যাটফর্ম, যারা ২০২৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি বহুমাত্রিক শিল্পানুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। কর্মসূচিটির সমন্বয়ক ড. শাহনাজ পারভীন ‘জেড’ প্রজেক্টের লিয়াজোঁ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। ঢাকার পরিসর আর্ট সেন্টারের জুনায়েদ ইউসুফ এ প্রযোজনার ডিজাইন কনসালট্যান্ট হিসেবে যুক্ত থাকবেন।

    নাটক ‘জেড’ ইংরেজি ও ফরাসি ভাষায় অনূদিত হবে এবং ভবিষ্যতে ফ্রান্সে স্কুলশিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মঞ্চস্থ করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ।

    ডিপ্লোমা কোর্সটি আগামী আগস্টে শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং নভেম্বর থেকে সরাসরি মহড়া শুরু হবে। ‘জেড’ নাটকের প্রাথমিক ওয়ার্কশপ প্রযোজনা ২০২৭ সালের ১৯ জানুয়ারি, জিয়াউর রহমানের জন্মদিনে, চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস মাঠে মঞ্চস্থ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    ফরাসি অংশের সমন্বয় করছেন প্যাট্রিসিয়া গিদাস। আয়োজকদের আশা—  এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলা নাট্যচর্চা আন্তর্জাতিক মাত্রা পাবে এবং তরুণ শিল্পীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলবে।

    বিনোদন ডেস্ক