Tag: থালাপতি বিজয়

  • তৃষার ইনস্টাগ্রাম পোস্টেও থালাপতি বিজয়কে খুঁজে পেলেন ভক্তরা!

    তামিল চলচ্চিত্র জগৎ ও রাজনীতির মেলবন্ধন বরাবরই নাটকীয়তায় ভরপুর, তবে ২০২৬ সালের মে মাস যেন সবকিছুকে ছাড়িয়ে গেছে। একদিকে থালাপতি বিজয়ের ঐতিহাসিক রাজনৈতিক উত্থান, অন্যদিকে অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একের পর এক রহস্যময় পোস্ট—সব মিলিয়ে দক্ষিণ ভারতীয় বিনোদন অঙ্গন এবং নেটপাড়া এখন উত্তাল। 

    বুধবার (২০ মে) তৃষা তার ইনস্টাগ্রামে সুরিয়ার সঙ্গে অভিনীত তার সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত তামিল সিনেমা ‘কারুপ্পু’-এর শুটিংয়ের কিছু পর্দার পেছনের ছবি ও ভিডিও শেয়ার করেছেন। তবে নেটিজেনদের নজর কেড়েছে ছবির ক্যাপশন, যেখানে তিনি ‘জয়’ শব্দটির ওপর বিশেষভাবে জোর দিয়েছেন। 

    তৃষা লিখেছেন, ‘আমার ম্যাজিক্যাল মে (অলৌকিক মে মাস) বলল, জয়ের জন্য আরও একটি। শুধুই ঈশ্বরের কৃপা।’ এই পোস্টের পরই ভক্তরা দুইয়ে দুইয়ে চার মেলাতে দেরি করেননি। 

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই দাবি করছেন, তৃষা আসলে পরোক্ষভাবে অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া বিজয়ের এই মাসের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে বিশাল জয়কেই ইঙ্গিত করেছেন। 

    নেটিজেনরা তৃষার ব্যক্তিগত জীবন, বিজয়ের ঐতিহাসিক রাজনৈতিক মোড় এবং সিনেমার সাফল্যকে একই সুতোয় বেঁধে একটি চমৎকার সময়রেখা তৈরি করেছেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এই যেমন, গত ৪ মে বিজয়ের রাজনৈতিক দল ‘তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম’ তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। কাকতালীয়ভাবে, এই একই দিনে তৃষা তার ৪৩তম জন্মদিন উদযাপন করেন। 

    প্রায় সপ্তাহখানেক পর ১০ মে বিজয় আনুষ্ঠানিকভাবে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। এই হাই-প্রোফাইল অনুষ্ঠানে তৃষা শুধু উপস্থিতই ছিলেন না, বরং বিজয়ের বাবা-মায়ের সঙ্গে তাকে বেশ আন্তরিকভাবে কুশল বিনিময় করতে দেখা যায়। 

    শপথ অনুষ্ঠানের পরদিন ১১ মে তৃষা নিজের কিছু ছবি শেয়ার করে ক্যাপশনে লেখেন, ‘ভালোবাসার আওয়াজ সবসময়ই তীব্রতর হয়।’ 

    এর চারদিন পর ১৫ মে জটিলতা কাটিয়ে মুক্তি পায় সুরিয়া ও তৃষা অভিনীত ফ্যান্টাসি অ্যাকশন থ্রিলার ‘কারুপ্পু’। মুক্তির পরপরই এটি বক্স অফিসে ঝড় তোলে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, সিনেমার শুরুতেই ‘তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জোসেফ বিজয়’-কে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। 

    আর বুধবার (২০ মে) ‘কারুপ্পু’ সিনেমার সাফল্য উদযাপনের সময় তৃষা তার ‘ম্যাজিক্যাল মে’ ও ‘জয়’ সংক্রান্ত ক্যাপশনটি পোস্ট করেন। 

    যদিও এই ‘জয়’ তৃষার সিনেমার বক্স অফিস সাফল্যের উদ্দেশ্যে বলা, তবুও ভক্তদের একাংশ নিশ্চিত যে এর পেছনে বিজয়ের রাজনৈতিক বিজয়কে অভিনন্দন জানানোর একটি প্রচ্ছন্ন বার্তা লুকিয়ে রয়েছে। 

    তৃষার এই সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টগুলো এতটা আতশিকাঁচের নিচে থাকার মূল কারণ বিজয় এবং তার দীর্ঘদিনের অনস্ক্রিন রসায়ন। তামিল ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম সেরা এই জুটির ইতিহাস বেশ দীর্ঘ। ‘গিল্লি’, ‘থিরুপাচি’, ‘আথি’ এবং ‘কুরুভি’-র মতো ব্লকবাস্টার সিনেমার মাধ্যমে ২০০০-এর দশকের বাণিজ্যিক সিনেমার সংজ্ঞা বদলে দিয়েছিলেন এই জুটি। 

    তবে মাঝে দীর্ঘদিন তারা একসঙ্গে কোনো সিনেমা করেননি, যা ভক্তদের মনে এই জুটিকে নিয়ে এক ধরনের নস্টালজিয়া তৈরি করে। 

    অবশেষে ২০২৩ সালে লোকেশ কানাগরাজের অ্যাকশন থ্রিলার ‘লিও’ সিনেমার মাধ্যমে দীর্ঘ ১৫ বছর পর তারা পর্দায় জুটি বাধেন, যা আবারও তাদের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা উস্কে দেয়। 

    এরই মাঝে চলতি বছরের ৫ মার্চ চেন্নাইয়ে একটি হাইপ্রোফাইল বিয়ের অনুষ্ঠানে বিজয় ও তৃষা একই গাড়িতে একসঙ্গে প্রবেশ করলে গুঞ্জন নতুন মাত্রা পায়। এর ঠিক কিছুদিন আগেই বিজয়ের বৈবাহিক বিচ্ছেদের বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছিল। 

    নির্বাচনী প্রচারণার সময় রাজনৈতিক বিরোধীরা বিজয়ের সঙ্গে তৃষার এই সম্পর্ককে হাতিয়ার করার চেষ্টা করলেও, সাধারণ মানুষ বিজয়কেই ব্যালটের মাধ্যমে বেছে নিয়েছেন। যদিও সম্পর্কের গুঞ্জন নিয়ে বিজয় বা তৃষা কেউই কখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেননি। 

    সূত্র: এনডিটিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিজয়-তৃষাকে নিয়ে গণমাধ্যমের ‘রুচিহীন’ প্রশ্নে অভিনেত্রীর কড়া জবাব

    দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মালবিকা মোহনন। সম্প্রতি এই তারকা তামিলনাড়ুর একটি মিডিয়া ইভেন্টে রুপালি পর্দা থেকে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হওয়া থালাপতি বিজয় ও অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানকে নিয়ে করা কিছু ‘রুচিহীন’ ও ‘চাঞ্চল্যকর’ প্রশ্নের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন। 

    পাশাপাশি বিজয় এবং তার ভ্রমণসূচি ঘিরে তৈরি হওয়া নানা গুঞ্জন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি দীর্ঘ বিবৃতি দিয়ে নিজের অবস্থানও পরিষ্কার করেন এই অভিনেত্রী। 

    ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা যায়, একটি অনুষ্ঠানে মালবিকাকে বিজয় ও তার বিভিন্ন সফরের বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। একই সঙ্গে বিজয়ের সঙ্গে অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানের একাধিক ভ্রমণের গুঞ্জন টেনে এনে ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন করেন কয়েকজন সাংবাদিক।

    এই ঘটনার প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মালবিকা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, ‘আমি গতকাল একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। তামিলনাড়ুর সমস্ত সাংবাদিক এবং সংবাদমাধ্যমের সদস্যদের প্রতি আমার সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা রয়েছে। তবে তাদের মধ্যে কয়েকজন ক্রমাগত কিছু অত্যন্ত রুচিহীন প্রশ্ন করছিলেন, যা সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয় এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল।’ 

    বিবৃতিতে মালবিকা থালাপতি বিজয়ের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সুসম্পর্কের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং তার পেশাগত ও ব্যক্তিগত সফরের প্রশংসা করে বলেন, ‘থালাপতি বিজয় এমন একজন মানুষ, যাকে আমি গত সাত বছর ধরে চিনি। তার প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে এবং তাকে বন্ধু হিসেবে পেয়ে আমি কৃতজ্ঞ। তার এই পথচলা কাছ থেকে দেখা সত্যিই দারুণ এক অভিজ্ঞতা।’ 

    ভবিষ্যতে সাক্ষাৎকার বা যেকোনো পাবলিক ইভেন্টে গণমাধ্যমকে আরও সংবেদনশীল ও পেশাদার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মালবিকা তার বক্তব্য শেষ করেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি বলেন, ‘আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ থাকব যদি ভবিষ্যতে গণমাধ্যমের কার্যক্রম সবার স্বার্থে আরও সম্মানজনক এবং বিবেচনামূলক হয়। ধন্যবাদ।’ 

    মালবিকার এই পোস্টটি ভাইরাল হওয়ার পরপরই নেটিজেন এবং তার ভক্তরা অভিনেত্রীর পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। পরিস্থিতি অত্যন্ত শান্ত অথচ দৃঢ়ভাবে মোকাবেলা করার জন্য অনেকেই অভিনেত্রীর সাহসিকতার প্রশংসা করছেন। 

    উল্লেখ্য, লোকেশ কানাগরাজ পরিচালিত ব্লকবাস্টার হিট সিনেমা ‘মাস্টার’-এ বিজয়ের বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন মালবিকা মোহনন। সিনেমাটি বক্স অফিসে তুমুল সফলতা পায়। বর্তমানে থালাপতি বিজয় তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার নিয়ে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন। 

    অন্যদিকে বিজয়ের বৈবাহিক বিচ্ছেদের গুঞ্জনের মাঝে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তার সঙ্গে তৃষা কৃষ্ণানের উপস্থিতি নিয়েও বিনোদন পাড়ায় বেশ চর্চা চলছে। 

    সূত্র: বলিউড হাঙ্গামা 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিজয়কে নিয়ে ভক্তের প্রশ্নে লজ্জা পেলেন তৃষা

    নানা আইনি ও আর্থিক জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে পরিচালক আরজে বালাজির বহুল প্রতীক্ষিত অ্যাকশন ড্রামা ‘করুপ্পু’। ছবিটির মুক্তির প্রথম দিনেই প্রেক্ষাগৃহে হাজির হয়ে ফার্স্ট ডে-ফার্স্ট শো উপভোগ করেছেন এই ছবির অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান। 

    তবে সিনেমা দেখার আনন্দ ছাপিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন মূল আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে তৃষা এবং তামিলনাড়ুর নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়ের মধ্যকার সম্পর্কের গুঞ্জন। 

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতে দেখা যায়, তৃষা সিনেমা হল থেকে বের হয়ে নিজের গাড়িতে ওঠার সময় ভক্তরা তাকে ঘিরে ধরেন। এ সময় এক অনুরাগী চিৎকার করে বলেন, ‘থালাপতিকে বলবেন আমি তার খোঁজ নিয়েছি। ভক্তের এই কথায় চারদিকে হাসির রোল পড়ে যায়। তৃষাও মুচকি হেসে জবাব দেন, ‘অবশ্যই’। 

    এরপর হাসিমুখে মাথা নিচু করে ফোনে ব্যস্ত হয়ে পড়েন এবং গাড়ি ছাড়ার আগে ভক্তদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়েন অভিনেত্রী। 

    এই ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার অন্যতম কারণ চলতি সপ্তাহেই তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজয়ের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে তৃষার উপস্থিতি। সেখানে বিজয়ের স্ত্রী বা সন্তানদের মধ্যে কেউ না আসলেও মা উমা কৃষ্ণানকে সঙ্গে নিয়ে সেই অনুষ্ঠানে তৃষা ঠিকই যোগ দিয়েছিলেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    শপথ অনুষ্ঠানের বেশ কিছু মুহূর্ত ইতোমধ্যেই নেটদুনিয়ায় ঝড় তুলেছে। একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, বিজয়ের বক্তব্য শোনার সময় তৃষা বেশ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছেন এবং তার চোখে আনন্দাশ্রু স্পষ্ট। 

    অন্য একটি ছবিতে তাকে বিজয়ের মা শোভা চন্দ্রশেখরের সঙ্গে উষ্ণ আলিঙ্গন করতে দেখা যায়। অনুষ্ঠানের পরদিন তৃষা নিজের ইনস্টাগ্রামে ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখেন, ‘ভালোবাসার আওয়াজ সবসময়ই তীব্রতর হয়।’ গত কদিনে এসব কিছুই তাদের প্রেমের গুঞ্জনের আগুনে যেন ঘি ঢেলেছে। 

    বিজয় ও তৃষার সম্পর্ক নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই তামিল চলচ্চিত্র পাড়ায়ও জোর গুঞ্জন চলছে। অতি সম্প্রতি বিজয়ের স্ত্রী সঙ্গীতা সোর্নালিঙ্গম ডিভোর্সের আবেদন করার পর এই জল্পনা আরও তীব্র হয়। এর মাঝেই একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে একসঙ্গে উপস্থিত হয়েছিলেন বিজয় ও তৃষা। 

    উল্লেখ্য, বিজয় ১৯৯৯ সালে সঙ্গীতাকে বিয়ে করেন এবং তাদের দুটি সন্তান রয়েছে। অন্যদিকে তৃষা ২০১৫ সালে ব্যবসায়ী বরুণ মানিয়ানের সঙ্গে বাগদান সম্পন্ন করলেও পরে তা ভেঙে যায়। এখনো তিনি অবিবাহিতাই আছেন। 

    এদিকে ২০০৫ সালের ব্লকবাস্টার ছবি ‘আরু’-র পর ‘কারুপ্পু’ সিনেমার মাধ্যমে দীর্ঘ ২১ বছর পর পর্দায় একসঙ্গে হাজির হলেন সুরিয়া ও তৃষা কৃষ্ণান। ছবিতে তৃষা ‘প্রীতি’ নামের এক আইনজীবীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। সুরিয়াকে দেখা যাবে ‘শারাভানান’ চরিত্রে, যিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করেন। সিনেমার খলনায়ক ও আইনজীবীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন স্বয়ং পরিচালক আরজে বালাজি। 

    সূত্র: এনডিটিভি অবলম্বনে

    বিনোদন ডেস্ক

  • স্ট্যালিনপুত্রের কাছ থেকে তৃষা পেলেন কোটি টাকার প্রস্তাব

    তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া থালাপতি বিজয়ের শপথগ্রহণের পর পাঁচ দিন গত হয়েছে। সেদিন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ অনুষ্ঠানে একেবারে প্রথম সারিতে বসেছিলেন বিজয়ের আলোচিত ‘প্রেমিকা’ অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান।

    এর মধ্যেই  শুরু হয়েছে দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অন্দরমহলের গুঞ্জন— তৃষার জন্যই নাকি প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে থালাপতি বিজয়ের। চলছে বিচ্ছেদের মামলা। এর মাঝেই নাকি মুখ্যমন্ত্রীর বিরোধী পক্ষের থেকে মোটা অঙ্কের প্রস্তাব পেলেন অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান।

    গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, এমকে স্ট্যালিনের পুত্র তথা তামিলনাড়ুর সাবেক উপমুখ্যমন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিনের তরফে নাকি ১২ কোটি রুপির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে তৃষা কৃষ্ণানকে। উদয়নিধি একটি সিনেমা তৈরি করছেন, যাতে তিনি তৃষাকে নায়িকা হিসাবে নিতে চান। সেখানেই পারিশ্রমিক হিসাবে ১২ কোটি রুপির প্রস্তাব দিয়েছেন স্ট্যালিনপুত্র। 

    এই অঙ্ক তৃষার প্রাপ্ত পারিশ্রমিকের প্রায় ছয় গুণ বেশি বলে জানা গেছে। ডিএমকেপ্রধান স্ট্যালিনের ছেলে উদয়নিধি রাজনীতির পাশাপাশি তামিল সিনেমার একজন অভিনেতা ও প্রযোজক। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তবে এ মুহূর্তে রাজনীতির কারণে অভিনয় থেকে খানিকটা দূরে আছেন তিনি। জাানা গেছে, আবারও সিনেমা নির্মাণে হাত দিচ্ছেন উদয়নিধি স্ট্যালিন। সেখানেই নায়িকা হিসাবে তার প্রথম পছন্দ অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান। যদিও অভিনেত্রী তার এ প্রস্তাব গ্রহণ করবেন কিনা, সেই নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে বিস্তর জল্পনা শুরু হয়েছে। 

    অন্যদিকে তৃষা কৃষ্ণানের সিনেমা ‘করুপ্পু’ মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে সকালের শোও বরাদ্দ হয়ে গেছে। তবু শেষ মুহূর্তে পিছিয়ে যায় সিনেমাটি মুক্তির তারিখ। ঠিক কবে মুক্তি পাবে তৃষার সেই সিনেমা করুপ্পু, তা অবশ্য জানা যায়নি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার তৃষার জন্য যে সিদ্ধান্ত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়

    তামিলের রুপালি পর্দায় সাড়া জাগানো অভিনেতা থালাপতি বিজয় ওরফে চন্দ্রশেখর জোসেফ বিজয় এখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর মসনদে বসেছেন। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর থেকেই একের পর এক চমকপ্রদ সিদ্ধান্ত নিয়ে সাড়া ফেলছেন তিনি। 

    এবার অভিনেতা সুরিয়া ও তৃষা কৃষ্ণানের নতুন সিনেমা ‘কারুপ্পু’-র জন্য প্রথম প্রদর্শনী চালুর বিশেষ অনুমতি দিলেন বিজয়। 

    সাধারণত তামিলনাড়ুতে সিনেমার প্রথম শো শুরু হওয়ার নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী জোসেফ বিজয়ের বিশেষ অনুমতিতে ‘কারুপ্পু’-র প্রদর্শনী বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল ৯টা থেকেই শুরু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। 

    এ বিষয়ে ছবিটির প্রযোজনা সংস্থা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ বিজয়কে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানিয়ে একটি পোস্ট করেছে। সেখানে তারা লিখেছে, ‘আমাদের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী জোসেফ বিজয়কে ‘কারুপ্পু’র ৯টার শো প্রদর্শনের বিশেষ অনুমতি দেওয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।’ 

    এদিকে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান এবং বিজয়কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে নানা জল্পনা। বিশেষ করে গত ১০ মে বিজয়ের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে তৃষার উপস্থিতি সেই জল্পনার আগুনে আরও ঘি ঢেলেছে। 

    ভক্তরা লক্ষ্য করেছেন যে, যেদিন (৪ মে) নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয় এবং বিজয়ের জয় নিশ্চিত হয়, সেদিনই ছিল এই অভিনেত্রীর জন্মদিন। সময়ের এই কাকতালীয় মিল ভক্তদের মাঝে ব্যাপক আলোচনার খোরাক জোগাচ্ছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অন্যদিকে সকাল ৯টার শো চালুর ঘোষণায় ভক্তদের মাঝে মিশ্র ও মজাদার সব প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ কৌতুক করে লিখেছেন, ‘আপনি ৪টা বা ৬টার শোর জন্যও আবদার করতে পারতেন।’ আবার অনেকে বিজয়ের এই উত্থানে মুগ্ধ হয়ে লিখেছেন, ‘এক সময় নিজের সিনেমার স্পেশাল স্ক্রিনিংয়ের জন্য সরকারের কাছে অনুমতি চাইতেন বিজয়, আর আজ তিনি নিজেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সেই অনুমতি দিচ্ছেন—কী দুর্দান্ত এক যাত্রা!’ 

    কেমন হতে যাচ্ছে ‘কারুপ্পু’? 

    কয়েক দিন আগে মুক্তি পাওয়া ছবির ট্রেইলারটি ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে ইতোমধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। ছবিতে সুরিয়া দ্বৈত চরিত্রে এবং তৃষা অভিনয় করেছেন একজন আইনজীবীর ভূমিকায়। গ্রামীণ অ্যাকশন, রাজনীতি, আদালতের লড়াই এবং অলৌকিক কিছু উপাদানের মিশেলে ছবিটি নির্মিত হয়েছে। 

    সুরিয়ার সাম্প্রতিক কিছু সিনেমা যেমন ‘রেট্রো’ এবং ‘কাঙ্গুভা’ বক্স অফিসে আশানুরূপ ফল না করায়, সুরিয়ার জন্য ‘কারুপ্পু’ একটি বড় কামব্যাক হবে কিনা, এখন সেটাই দেখার অপেক্ষায় সবাই। 

    সূত্র: নিউজ২৪ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে যা বললেন অভিনেতা কমল হাসান

    সদ্যই তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন অভিনেতা থেকে রাজনীতিক বনে যাওয়া থালাপতি বিজয়। শপথ নিয়েই হুমকি দিয়েছেন মুসমানের বিরুদ্ধে কোনো নির্যাতন হলে ইতিহাস গড়ে ফেলবেন তিনি। সেই সঙ্গে মদ বিক্রি বন্ধের ঘোষণাও দিয়েছেন অভিনেতা। তার এ পদক্ষেপে ভূয়সী প্রশংসা করেছেন আরেক দক্ষিণী বর্ষীয়ান অভিনেতা কমল হাসান।

    যদিও গত বছর মদ বিক্রি থেকে তামিলনাড়ু সরকারের আয় ছিল প্রায় ৪৮ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু এই বিপুল অঙ্কের রাজস্ব হারানোর ঝুঁকি থাকলেও জনস্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে থালাপতি বিজয়ের এমন সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফুটবে বলে মনে করছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা কমল হাসান।

    তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েই বিজয় ৭১৭টি সরকারি মদের দোকান বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। নতুন নিয়মানুযায়ী, কোনো ধর্মীয় উপাসনালয় কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫০০ মিটারের মধ্যে কোনো মদের দোকান থাকতে পারবে না। মাদকমুক্ত তামিলনাড়ু গড়ার যে প্রতিশ্রুতি তিনি নির্বাচনের আগে দিয়েছিলেন, এটি তারই প্রথম বাস্তবায়ন বলে মনে করা হচ্ছে।

    তামিলনাড়ুতে সরকারি সংস্থার অধীনে বর্তমানে চার হাজার ৭৬৫ মদের দোকান রয়েছে। এর মধ্যে ২৭৬টি ধর্মীয় স্থানের কাছে এবং ১৮৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশে অবস্থিত। এসব দোকানই এখন বন্ধের তালিকায় রয়েছে।

    সিনেমার দাপুটে অভিনেতা ‘থালাপতি’ এখন সিনেমার রূপ ধরেই মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন। শপথ নেওয়ার ৪৮ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই জনহিতকর কাজে নেমে পড়েছেন চন্দ্রশেখর জোসেফ বিজয়। আর তার নেওয়া প্রথম সাহসী পদক্ষেপেই মুগ্ধ দক্ষিণী সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেতা কমল হাসান। বিজয়ের নেওয়া সংস্কারমূলক উদ্যোগের প্রশংসা করে রীতিমতো পঞ্চমুখ তিনি। 

    বিজয়কে অভিনন্দন জানিয়ে এ বর্ষীয়ান অভিনেতা বলেন, ‘তামিল পরিবারগুলোর দীর্ঘদিনের একটি প্রত্যাশা আজ পূরণ হলো। দায়িত্বগ্রহণের পরপরই এটি বিজয়ের অত্যন্ত বলিষ্ঠ একটি পদক্ষেপ। মদ বিক্রি করা কোনো সরকারের কাজ হওয়া উচিত নয়; বরং এটি নিয়ন্ত্রণ করা সরকারের নৈতিক দায়িত্ব। তামিলনাড়ু সরকারকে এ লক্ষ্যেই এগিয়ে যেতে হবে। ৭১৭ সংখ্যাটি তো কেবল শুরু, আমি আশাবাদী ভবিষ্যতে এ সংখ্যা আরও বাড়বে বলে মনে করেন কমল হাসান।

    বিনোদন ডেস্ক

  • তামিলনাড়ুর ইতিহাসে প্রথম খ্রিস্টান মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়

    ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জনবহুল দক্ষিণ ভারতীয় রাজ্য তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে সম্প্রতি এক নতুন যুগের সূচনা হয়েছে। গত রোববার (১০ মে) ৫১ বছর বয়সি জনপ্রিয় চলচ্চিত্র তারকা থেকে রাজনীতিতে আসা থালাপতি বিজয় ওরফে চন্দ্রশেখর জোসেফ বিজয় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। 

    তামিলনাড়ুর ইতিহাসে তিনিই প্রথম খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এই দায়িত্ব নিলেন। 

    বিজয়ের নবগঠিত দল তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম বা ‘তামিল ভিক্টরি পার্টি’ (টিভিকে) বিধানসভার ২৩৪টি আসনের মধ্যে ১০৮টিতে জয়লাভ করেছে। এর পর কয়েকদিনের নাটকীয়তা শেষে বামপন্থী ও কমিউনিস্ট দল এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগের সমর্থনে সরকার গঠন করতে সক্ষম হন তিনি। 

    এই ফলাফলের মাধ্যমে তামিলনাড়ুতে গত প্রায় ছয় দশক ধরে দুই রাজনৈতিক দল ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে-এর পর্যায়ক্রমিক ক্ষমতার ধারার অবসান ঘটল।

    পরিচয় ও আদর্শ  

    জনপ্রিয়ভাবে ‘থালাপতি’ (সেনাপতি) নামে পরিচিত বিজয় প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক এস.এ. চন্দ্রশেখর এবং গায়িকা শোভা চন্দ্রশেখরের সন্তান। তিনি ক্যাথলিক হিসেবে বেড়ে উঠেছেন। তবে নির্বাচনি প্রচারণায় ধর্মীয় পরিচয়ের চেয়ে জনকল্যাণমূলক কাজের ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। 

    তিনি তার আদর্শিক পথপ্রদর্শক হিসেবে সমাজ সংস্কারক পেরিয়ার ই.ভি. রামাসামি, সি.এন. আন্নাদুরাই, কে. কামরাজ এবং সংবিধান প্রণেতা বি.আর. আম্বেদকরের নাম উল্লেখ করেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ক্যাথলিক প্রকাশনা দ্য নিউ লিডার-এর সম্পাদক ফাদার চার্লস অ্যান্থনিস্বামী বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ের দলের এই জয়কে ‘প্রকৃতপক্ষে ঐতিহাসিক’ বলে অভিহিত করেছেন। 

    তার মতে, নির্বাচনি প্রচারণায় ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) বিজয়ের ধর্মীয় পরিচয়কে লক্ষ্যবস্তু করায় সংখ্যালঘুদের ভোট একীভূত হতে সাহায্য করেছে। তবে বিজয় নিজে সব ধর্মের উপাসনালয় পরিদর্শন করে একটি ধর্মনিরপেক্ষ ভাবমূর্তি বজায় রেখেছেন। 

    বিজয়ের দল আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েছে। সেটা হলো তারা ‘দলিত খ্রিস্টান’দের জন্য তফসিলি জাতি মর্যাদার দাবিকে সমর্থন করেছেন। 

    বর্তমানে ভারতীয় আইন অনুযায়ী কেবল হিন্দু, শিখ এবং বৌদ্ধ ধর্মের দলিতরা সরকারি চাকরিজীবী এবং শিক্ষায় এই সংরক্ষণ সুবিধা পান। বিজয় এই সুবিধা খ্রিস্টান ধর্মান্তরিতদের জন্যও বাড়ানোর পক্ষে সোচ্চার। 

    ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রেক্ষাপট 

    এমন এক সময়ে বিজয়ের এই উত্থান ঘটল যখন ভারতে খ্রিস্টানদের ওপর সহিংসতার হার ক্রমাগত বাড়ছে। ইউনাইটেড খ্রিস্টান ফোরামের তথ্যমতে, ২০২১ সালে ভারতে এই সহিংসতার ঘটনা ছিল ৪৮৬টি। ২০২৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৮৩৪টিতে এবং গত বছর এই সংখ্যা প্রায় ৯০০-তে পৌঁছেছে। 

    সিনিয়র সাংবাদিক জন দয়াল উল্লেখ করেছেন, বিজয় ভারতের প্রথম খ্রিস্টান মুখ্যমন্ত্রী নন (উত্তর-পূর্ব ভারতে এমন নজির রয়েছে), তবে তামিলনাড়ুর মতো বড় রাজ্যে তার এই বিজয় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। 

    প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজয়ের এই জয়যাত্রা কেবল তারকার জনপ্রিয়তার ওপর নির্ভর করছে না, বরং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং জনকল্যাণমুখী প্রশাসনের প্রত্যাশাকে সামনে নিয়ে এসেছে। 

    সূত্র: দ্য খ্রিস্টান পোস্ট 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিজয়ের শপথের দিনে তৃষাকে পরজীবী বললেন সুচিত্রা

    তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে সর্বাধিক আসন পেয়েছেন অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া থালাপতি বিজয়। তার দল তামিলাগা ভেট্রি কাজাগাম (টিভিকে) ১০৮ আসনে জয় পেয়েছে। কিন্তু এককভাবে সরকার গঠনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় শুরু হয় আরেক রাজনীতি। এরপর চলে দীর্ঘ রাজনৈতিক টানাপড়েন, ঠিক যেন সিনেমার গল্পকেও হার মানিয়ে দেয়। টানা পাঁচ দিনের জল্পনা এবং নাটকীয় পটপরিবর্তনের পর অবশেষে রোববার (১০ মে) তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন দক্ষিণী তারকা থালাপতি বিজয়। আর অভিনেতার এই বিশেষ দিনে চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠান মঞ্চে উপস্থিত হন অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান। এবার অভিনেত্রীকে ইঙ্গিত করে কটাক্ষ করলেন দক্ষিণী সংগীতশিল্পী সুচিত্রা।

    মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রীর শপথ নিচ্ছেন বিজয় থালাপতি বিজয়। নিচে খুশিতে ডগমগ তৃষা কৃষ্ণান। আজ তার বিশেষ সাজ, তাকেই কটাক্ষে বিঁধলেন এ গায়িকা। তিনি তৃষা কৃষ্ণানকে একেবারেই পছন্দ করেন না বলে জানান সুচিত্রা! তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রীর আলোচিত ‘প্রেমিকা’কে কটাক্ষ করলেন ‘পরজীবী’ বলে। 

    সম্প্রতি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে নিজের মতামত দিয়ে গিয়ে সুচিত্রা বলেন, ‘আমি তৃষাকে একেবারেই পছন্দ করি না। আমি এটা প্রকাশ্যেই বলব এবং আমার এই বক্তব্য কোনোভাবেই প্রভাবিত হবে না। আমি বিজয়কে খুব পছন্দ করি। আমি কোনো পক্ষ না নিয়ে সততার সঙ্গে আমার মতামত জানালাম।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তৃষার বিরুদ্ধে ক্রমাগত ক্ষোভ উগরে দিয়ে তাকে ‘সুযোগসন্ধানী’ও বলেছেন এ সংগীতশিল্পী। তিনি বলেন, বিজয় বিধানসভা নির্বাচন জিতেছেন। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন তিনি। তাই-ই নাকি অভিনেত্রী তার সঙ্গে রয়েছে বলে জানান। 

    প্রসঙ্গত, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে ‘বিজয় ঝড়’-এ বিপর্যস্ত তামিলনাড়ুর বাকি রাজনৈতিক দল। রোববার (১০ মে) সকালে চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে শপথ নেন দক্ষিণী তারকা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তৃষা কৃষ্ণান। তার স্নিগ্ধ সাজ এ দিন সবার নজর কেড়েছে। এরপরেই তৃষাকে ‘পরজীবী’ বলেছেন সুচিত্রা। 

    এ সংগীতশিল্পী বলেন, সফল মানুষেরা যখন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন, তখন তাদের জীবনে পরজীবীদের প্রবেশের প্রবণতা দেখা যায়। বিজয় তার মা-বাবা এবং স্ত্রীর থেকে দূরে সরে গিয়ে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। তিনি একা— এমন পরিস্থিতিতে রাজনীতিতে এসেছেন। এখন অন্য কারও থেকে তার বেশি প্রয়োজন তার বাবা চন্দ্রশেখরকে। যিনি তাকে রাজনৈতিক পথে সঠিকভাবে চালিত করতে পারবেন। বাবাকে পাশে না পেলে, তার পরামর্শ না নিলে, বিজয় রাজনীতিতে কিছুই অর্জন করতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন সংগীতশিল্পী সুচিত্রা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিজয়ের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ‘প্রেমিকা’ তৃষা, স্নিগ্ধ সাজে নজর কাড়লেন অভিনেত্রী

    তামিলনাড়ু নির্বাচনের ফল প্রকাশ্যে আসে ৪ মে বিজয়ের চর্চিত প্রেমিকা তৃষা কৃষ্ণানের জন্মদিনেই। বিপুল ভোটে জয়ী হন অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ থালাপতি বিজয়। এরপর চলে দীর্ঘ রাজনৈতিক টানাপড়েন, ঠিক যেন সিনেমার গল্পকেও হার মানিয়ে দেয়। 

    টানা পাঁচ দিনের জল্পনা, নাটকীয় পটপরিবর্তনের পর অবশেষে রোববার (১০ মে) তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন দক্ষিণী তারকা থালাপতি বিজয়। অভিনেতার বিশেষ দিনে চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠান মঞ্চে উপস্থিত হন অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান। 

    বাড়ি থেকে বেরোতেই ক্যামেরাবন্দি হন তৃষা। পরনে নীল সিল্কের শাড়ি, বেইজ রঙা সূক্ষ্ম সুতোর কাজ করা ব্লাউজ। সঙ্গে মানানসই সোনালি গহনা। নজর কাড়ে গলায় হীরে ও পান্নার হার। হালকা মেকআপ, খোঁপায় জুঁই ফুলের মালা। বাড়ি থেকে বেরোতেই ফটোসাংবাদিকদের মুখোমুখি অভিনেত্রী। ‘উদগ্রীব হয়ে আছি’, স্বল্প কথায় নিজের প্রতিক্রিয়া জানান দিলেন তিনি। অভিনেত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার মা উমা কৃষ্ণান। তৃষার স্নিগ্ধ সাজ অনুরাগীদের নজর কাড়ে।

    মাসকয়েক ধরেই শিরোনামে বিজয়। অভিনয়ের পাশাপাশি তার রাজনৈতিক সফরে দেখা গেছে অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানকে। সেই সঙ্গে আলোচনায় উঠে এসেছে তার ব্যক্তিগত জীবনও। বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করেছেন অভিনেতার স্ত্রী সংগীতা। সেই আবহেই জোরালো হয়েছে তৃষা কৃষ্ণানের সঙ্গে বিজয়ের প্রেমের গুঞ্জন।

    দক্ষিণী তারকা থালাপতি বিজয় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ পাঠ করলেন— ‘আমি শ্রী জোসেফ বিজয়…’। তামিল ভাষায় শপথ নিলেন তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী। হাততালিতে ফেটে পড়ল স্টেডিয়াম। তার দল টিভিকে এবার তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে। তবে একক সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় জাদুসংখ্যা ছুঁতে পারেননি তিনি। তাই সর্বোচ্চ আসন পেলেও তার সরকার গঠনে বাধা ছিল। অবশেষে সেই বাধা পেরোলেন বিজয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • থালাপতি বিজয়ের দেহরক্ষীর রহস্যময় বার্তা

    রুপালি পর্দার পর এবার রাজনীতির ময়দানেও ‘ব্লকবাস্টার’ সাফল্য দেখালেন দক্ষিণী সুপারস্টার থালাপতি বিজয়। তার নবগঠিত রাজনৈতিক দল তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে ১০৮টি আসনে জয়লাভ করে একক বৃহত্তম দল হিসেবে নিজেদের সক্ষমতার জানান দিয়েছে। 

    ২৩৪ সদস্যের বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ১১৮টি আসন, যা থেকে মাত্র ১০টি আসন দূরে অবস্থান করছে বিজয়ের দল।

    নির্বাচনি ফলাফলের পর সরকার গঠন নিয়ে যখন টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে, ঠিক তখনই বিজয়ের ব্যক্তিগত দেহরক্ষী আরুন সুরেশের একটি ইনস্টাগ্রাম স্টোরি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

    ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে তিনি লিখেছেন, ‘মহাবিশ্ব কখনো ভুল করে না। ধৈর্য ধরুন… আরও বড় কোনো লক্ষ্য উন্মোচিত হতে যাচ্ছে। শুভ দিন।’ 

    বিজয়ের অনুসারীরা এই বার্তাকে বিজয়ের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগাম ইঙ্গিত হিসেবেই দেখছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ‘বড় লক্ষ্য’ হতে পারে কোনো শক্তিশালী জোট গঠন বা সরকার গঠনের চূড়ান্ত ‘নীল নকশা’। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    কেন আটকে আছে সরকার গঠন? 

    ১০৮টি আসন পেয়ে একক বৃহত্তম দল হলেও ম্যাজিক ফিগার ১১৮ ছুঁতে ব্যর্থ হয়েছে বিজয়ের নেতৃত্বাধীন দল টিভিকে। তবে সূত্রের খবর, বিজয় ইতোমধ্যেই ছোট দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছেন।

    প্রসঙ্গত, দুই রাজনৈতিক দল ভিসিকে এবং আইইউএমএল ইতোমধ্যেই বিজয়কে নিঃশর্ত সমর্থন দেওয়ার কথা জানিয়েছে। 

    জোটের সমীকরণে কংগ্রেসের ৫ জন এবং বামপন্থী দলগুলোর সমর্থনে বিজয়ের জোটের শক্তি ১২০-এ পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে, যা তাকে অনায়াসেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা এনে দেবে। 

    বিজয়ের পাশে কলিউড 

    বিজয়ের এই অভাবনীয় সাফল্যে উচ্ছ্বসিত তামিল চলচ্চিত্র জগৎ (কলিউড)। অভিনেতা বিশাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ লিখেছেন, ‘তামিলনাড়ুতে টিভিকে-কে ছাড়া কোনো জোট কল্পনা করা অসম্ভব এবং বিস্ময়কর।’ এছাড়া খুশবু সুন্দরসহ বহু তারকা বিজয়কে অগ্রিম অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    ছয় দশকের পুরোনো দ্রাবিড় রাজনীতির দ্বিমেরু আধিপত্য ভেঙে বিজয়ের এই উত্থানকে ভারতীয় রাজনীতির এক নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাজভবনের সবুজ সংকেত পেলেই সম্ভবত আজ বা কালকের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারেন জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর ওরফে থালাপতি বিজয়। 

    সূত্র: ইন্ডিয়া ডটকম 

    বিনোদন ডেস্ক