Tag: থালাপতি বিজয়

  • বিজয়ের শেষ সিনেমা ‘জন নায়াগান’, আরও ৩ সিনেমা মুক্তি

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ থালাপতি বিজয়ের  সিনেমা ‘জন নায়াগান’ মুক্তি পেয়েছে। এ সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন এইচ বিনোথ। এ অভিনেতার শেষ সিনেমা মুক্তির দিনে আরও তিনটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। যেখানে সুপারম্যান থেকে অ্যাকশন— সব স্বাদের ছোঁয়াই থাকছে এসব সিনেমায়।

    রাজনীতিতে পূর্ণ সময় দেওয়ার আগে অভিনয়জীবন থেকে তার বিদায় ঘোষণা করা এ সিনেমাটি বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। 

    ভক্ত-অনুরাগীদের কাছে সপ্তাহের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ নিঃসন্দেহে ‘জন নায়াগান। এটাই নাকি অভিনেতা থালাপতি বিজয়ের শেষ সিনেমা! এখন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী তিনি। তাই হয়তো আর সিনেমাই করবেন না রাজনীতিক বনে যাওয়া এ অভিনেতা। সেসব ভেবে তাকে শেষবার বড়পর্দায় দেখার উচ্ছ্বাস ধরা পড়েছে বিভিন্ন ভিডিওতে। 

    এ সিনেমায় রয়েছে অ্যাকশন, আবেগ ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের মিশেল। সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হয়ে ওঠা এক নেতার যাত্রাপথই সিনেমার মূল উপজীব্য। মুক্তির আগেই সিনেমাটি ঘিরে তৈরি হয়েছে তুমুল উন্মাদনা।

    অভিনেতা থালাপতি বিজয়ের  ‘জন নায়াগান’ সিনেমা মুক্তির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আরও তিনটি সিনেমা আজ শুক্রবার (২৪ জুলাই) মুক্তি পেয়েছে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে— ‘কাতুকুতু বুড়ো’ সিনেমা। 

    এ সিনেমা দিয়েই পরিচালনায় অভিষেক হচ্ছে উজান গাঙ্গুলির। এ সপ্তাহে বাংলা সিনেমার তালিকায় নজর কাড়তে পারে তার ‘কাতুকুতু বুড়ো’। রহস্য, সমাজ বাস্তবতা ও মানবিক টানাপোড়েনের মিশেলে তৈরি এ সিনেমার কেন্দ্রে রয়েছে এক তরুণের জীবন-সংগ্রাম। 

    এরই মধ্যে উজান গাঙ্গুলির ভাঙাচোরা সুপারম্যানের ভাবনা ফুটে উঠবে পর্দায়। এ সিনেমার মাধ্যমে নতুন গায়িকা রাপূর্ণা ভট্টাচার্যকে নায়িকা হিসেবে দেখবেন সিনেমাপ্রেমী দর্শকরা। জানা গেছে, সিনেমার প্রচারের ফাঁকে পরিচালক ও নায়িকার বন্ধুত্ব গভীর হয়েছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অন্যদিকে প্রয়াত অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের শেষ সিনেমা ‘ছবিওয়ালা’। যার প্রচারে অভিনেতাকে প্রতিমুহূর্তে মনে করেছেন তার সহ-অভিনেতারা। গল্পে একজন ফটোগ্রাফারের ক্যামেরায় ধরা পড়ে শুধু মুখ নয়, ধরা পড়ে সময়, স্মৃতি আর মানুষের গল্পও। সেই আবেগকেই উপজীব্য করেছে ‘ছবিওয়ালা’। 

    সম্পর্কের উষ্ণতা, হারিয়ে যাওয়া মুহূর্তের নস্টালজিয়া এবং শিল্পীর দৃষ্টিভঙ্গি কেন্দ্র করে এগোয় সিনেমার কাহিনি। চেনা জীবনের মধ্যেই অসাধারণকে খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা রয়েছে এ সিনেমায়।

    দীর্ঘ এক যাত্রার শেষ অধ্যায় এবার বড়পর্দায়। বিশ্বজোড়া জনপ্রিয় অ্যানিমেশন সিনেমার ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘অ্যাটাক অন টাইটান’-এর চূড়ান্ত পর্ব ‘দ্য লাস্ট অ্যাটাক’ হাজির হচ্ছে প্রেক্ষাগৃহে। মানুষের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই, বন্ধুত্ব, বিশ্বাসঘাতকতা ও আত্মত্যাগ— সব মিলিয়ে এক মহাকাব্যিক সমাপ্তির সাক্ষী হবেন সিনেমাপ্রেমী দর্শকরা। চোখধাঁধানো অ্যানিমেশন ও আবেগঘন গল্পই এ সিনেমার প্রধান আকর্ষণ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘জনা নায়াগান’-এর প্রথম শোয়ে তৃষা, সাধারণ সাজেই কাড়লেন নজর

    তামিল অভিনেতা থেকে রাজনীতিক হওয়া এবং বর্তমানে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের বহুল প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্র ‘জনা নায়াগান’ মুক্তি পেয়েছে ২৩ জুলাই। সেন্সর বোর্ড (সিবিএফসি) জটিলতা ও আদালতের কার্যক্রমের কারণে একাধিকবার পিছিয়ে যাওয়ার পর অবশেষে ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে আসে।

    ছবির প্রথম দিনের প্রথম প্রদর্শনী দেখতে চেন্নাইয়ের রোহিণী থিয়েটারে হাজির হন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান। তাকে ঘিরে ভক্তদের ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়। তবে অতিরিক্ত নজর এড়াতে এদিন তিনি বেছে নেন একেবারে সাধারণ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পোশাক।

    তৃষার পরনে ছিল নীল রঙের স্ট্রেট-লেগ ডেনিম জিন্স ও সাদা রঙের একটি সাধারণ টি-শার্ট। খোলা চুলে মাঝখানে সিঁথি করে তিনি নিজের লুক সম্পূর্ণ করেন। সঙ্গে ছিল ছোট স্টাড কানের দুল, নীল পেনডেন্টের নেকলেস এবং কালো গোলাকার সানগ্লাস। সিনেমা শেষে থিয়েটার থেকে বের হওয়ার সময় ভক্তদের ভিড়ে তাকে ঘিরে হুড়োহুড়ি দেখা যায়। পরে তিনি গাড়িতে করে সেখান থেকে চলে যান।

    এর আগে চলতি বছরের ১০ মে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজয়ের শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন তৃষা। সে সময় তার পরনে ছিল নীল রঙের ঐতিহ্যবাহী কাঞ্জিভরম সিল্ক শাড়ি ও সোনালি ব্লাউজ। সাদা ফুলে সাজানো খোঁপা, হীরার নেকলেস, লাল পাথরখচিত দুল এবং হালকা মেকআপে তার সাজ সামাজিক মাধ্যমে প্রশংসা কুড়িয়েছিল।

    এরও আগে ৪ মে, নিজের ৪৩তম জন্মদিনে অন্ধ্র প্রদেশের তিরুপতির ভেঙ্কটেশ্বর মন্দিরে পূজা দিতে যান তৃষা। সে সময় তিনি সাধারণ হ্যান্ডলুম পোশাকে উপস্থিত হয়েও ভক্তদের নজর কাড়েন।

    নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন বিজয়ের বাসভবনে উপস্থিত হওয়া, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তার শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া এবং এবার ‘জন নায়াগান’-এর প্রথম প্রদর্শনীতে উপস্থিতি—সব মিলিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে তৃষা কৃষ্ণনকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

    সূত্র: এনডিটিভি

    বিনোদন ডেস্ক

  • গুঞ্জন উড়িয়ে জন্মদিনে বিজয়কে শুভেচ্ছা তৃষার, ছবি ভাইরাল

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেতা ও তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়ের জন্মদিন ছিল ২২ জুন। স্বাভাবিকভাবেই দর্শক, জনগণ, সতীর্থ ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন অভিনেতা। কিন্তু বিশেষ একজনের কাছ থেকে পাওয়া যায়নি কোনো বার্তা— বিজয়ের সহকর্মী, কথিত প্রেমিকা অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানের।

    এর আগে ১৯৯৯ সালে সংগীতা সোর্নালিঙ্গমের সঙ্গে ঘর বাঁধেন অভিনেতা থালাপতি বিজয়। কিছু দিন আগেই সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে খবর ছড়িয়ে পড়ে, এ দম্পতির সংসার নাকি ভেঙে গেছে। যদিও তার আগ থেকেই তৃষার সঙ্গে অভিনেতার প্রেমের গুঞ্জন শোনা যায়। বিশেষ করে কিছু দিন আগে তামিলনাড়ুর নির্বাচনের সময় বিজয়ের সমর্থনে তৃষার উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। এবার জন্মদিনে ‘প্রেমময়’ ছবি দিয়ে যেন সেই সম্পর্কের গুঞ্জন আরও পাকা করলেন এ তারকা জুটি।

    জন্মদিনের বার্তা না দেওয়া ইস্যুতে গুঞ্জন ওঠে— বিজয়কে নাকি ইনস্টাগ্রামেও আনফলো করেছেন তৃষা কৃষ্ণান। দুজনের মধ্যকার সম্পর্কে চিড় ধরার কথাও শোনা যাচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের একাংশের মাঝে। কিন্তু সব গুঞ্জন তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিলেন তৃষা কৃষ্ণান। 

    মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে প্রেমময় এক ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে নেটিজেনদের ঘুম কেড়ে নিলেন অভিনেত্রী। সেই পোস্ট করা ছবিতে দেখা গেছে, তৃষা কৃষ্ণানের সঙ্গে বসেই একান্তে জন্মদিনের কেক কাটছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী। দুজনের মুখেই আনন্দের হাসি।

    সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করা ছবির ক্যাপশনে তৃষা কৃষ্ণান লিখেছেন— জন্মদিনের প্রথম মুহূর্ত তার সঙ্গেই কেটেছে বিজয়ের। সময়ের আভাস হিসেবে ‘০০.০০’ উল্লেখ করেছেন অভিনেত্রী। 

    হৃদয়ের ইমোজি জুড়ে দিয়ে অভিনেত্রী আরও লিখেছেন— ‘যে মানুষটি সবকিছুকে সার্থক করে তোলে, তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।’

    অভিনেত্রীর পোস্টটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। ১৫ ঘণ্টায় এতে ৪৪ লাখের বেশি রিঅ্যাকশন পড়েছে। আর মন্তব্যের সংখ্যা প্রায় তিন লাখ! বোঝাই যাচ্ছে, বিজয়-তৃষাকে একসঙ্গে এমন হাস্যোজ্জ্বল দেখে ভক্তদের আনন্দের সীমা নেই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘ধর্ম কখনো তাদের সম্পর্কের বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি’—বিজয়ের মন্তব্য ভাইরাল

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেতা থালাপতি বিজয় সদ্যই নির্বাচিত তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসেছেন। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসার পর থেকেই পুরোনো এক মন্তব্য নিয়েও নতুন করে আলোচনায় আসেন তিনি। পুরোনো এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা বলেছিলেন, তার বাবা ও মায়ের ভিন্ন ধর্মের বিয়ে এবং নিজের ধর্মীয় ভাবনার কথা। সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে আবারও সেই আলোচনা নতুন করে শুরু হয়েছে।

    সম্প্রতি ‘বিস্ট’ সিনেমার প্রচারের সময়ে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন থালাপতি বিজয়। পরিচালক নেলসন দিলীপ কুমারের সঙ্গে কথোপকথনে তিনি জানিয়েছিলেন, তার পরিবারে কখনো ধর্মকে বিভেদের কারণ হিসাবে দেখা হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর বিজয়ের সেই পুরোনো ভিডিও নতুন করে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে।

    সেই কথোপকথনে পরিচালক নেলসন দিলীপ কুমার ‘বিস্ট’ সিনেমার শুটিংয়ের একটি ঘটনা মনে করেন। পরিচালক বলেন, একদিন রাতের খাওয়াদাওয়ার পর বিজয় কিছুক্ষণের জন্য কোথাও চলে গিয়েছিলেন। পরে জানতে চাইলে অভিনেতা বলেছিলেন— তিনি একটি গির্জায় গিয়েছিলেন সিনেমার সব কলাকুশলীর জন্য প্রার্থনা করতে।

    এর পরেই আধ্যাত্মিকতা নিয়ে নিজের মতামত জানান বিজয়। তিনি বলেছিলেন— ‘গির্জায় গেলে আমি শান্তি পাই। আমি মন্দির ও দরগাতেও গেছি। সব জায়গাতেই আমি একই রকম ইতিবাচক অনুভূতি পাই।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নেলসন দিলীপ কুমার আরও বলেন, বিজয় সেই সাক্ষাৎকারে আরও জানিয়েছিলেন— তিনি দক্ষিণ ভারতের পিল্লাইয়ারপট্টি ও তিরুনাল্লারের মতো বিখ্যাত মন্দিরে গেছেন। এ ছাড়া ‘কাঠতি’ নামের একটি সিনেমার শুটিংয়ের সময়ে তিনি অন্ধ্রপ্রদেশের আমিনপীর দরগাতেও গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছিলেন বিজয়। সর্বত্রই শান্তি খুঁজে পেয়েছিলেন তিনি।

    বিজয় নিজের বাবা-মায়ের ধর্ম নিয়েও সেই সাক্ষাৎকারে কথা বলেছিলেন। সেই সময় এ অভিনেতা জানিয়েছিলেন— তার মা গায়িকা শোভা চন্দ্রশেখর হিন্দু এবং বাবা পরিচালক এসএ চন্দ্রশেখর খ্রিস্টান। ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন তারা। ধর্ম কখনো তাদের সম্পর্কের মধ্যে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। তাকেও স্বাধীন পরিসরে বড় করা হয়েছিল বলে জানিয়েছিলেন তিনি। অভিনেতা আরও জানিয়েছিলেন— ছোটবেলায় পাওয়া এ শিক্ষাগুলো বড় হওয়ার পরও তার জীবনে প্রভাব ফেলেছে। নিজের পরিবারেও তিনি একই দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখার চেষ্টা করেছেন বলে জানান থালাপতি বিজয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিজয়ের দাম্পত্য বিচ্ছেদের গুঞ্জনে নতুন মোড়, জানা যাবে আজ

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় সুপারস্টার থালাপতি বিজয়ের স্ত্রী সংগীতা সোর্নালিঙ্গম লন্ডনে বসবাসকারী শ্রীলংকার তামিল পরিবারের মেয়ে। ১৯৯৯ সালের আগস্ট মাসে তিনি ভালোবেসে বিজয়কে বিয়ে করেছিলেন। সংগীতা বরাবরই প্রচারের আলো থেকে দূরে থাকতে পছন্দ করেন। বিজয় ও সংগীতার দুই সন্তান রয়েছে— জেসন সঞ্জয় ও দিব্যা সাশা।

    দীর্ঘদিন ধরে চলছেন তাদের সংসার ভাঙনের গুঞ্জন। তবে এখন শোনা যাচ্ছে ভিন্ন সুর। তাদের আবার এক হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এতে বিজয়ের ভক্ত-অনুরাগীরা উচ্ছ্বসিত। এ দম্পতির আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের অপেক্ষায় রয়েছেন তারা। 

    সোমবার (১৫ জুন) আদালতের শুনানির পরই পরিষ্কার হতে পারে, তারা বিবাহবিচ্ছেদের পথে এগোবেন না কি সম্পর্ক আবার ঠিক করার সিদ্ধান্ত নেবেন।

    জানা গেছে, এ দম্পতির মধ্যে দূরত্ব কমানোর চেষ্টা চলছে এবং তারা সব মিটমাট করে সম্পর্ক জোড়া লাগানোর পথে হাঁটতে পারেন। যদিও আজ তাদের বিবাহবিচ্ছেদের মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

    ২০২৪ সালে অভিনয় ছেড়ে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন থালাপতি বিজয়। রাজনৈতিক দল গঠন করেন। এবং দলের নাম দেন তামিলাগা ভেট্রি কাজাগাম। তিনি দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। এ দলের হয়ে নির্বাচন করে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন থালাপতি বিজয়। তবে বিধানসভা নির্বাচনের বেশ কয়েক মাস আগে থেকেই খবরের শিরোনামে ছিলেন বিজয়। 

    জানা গেছে, বিবাহবিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন বিজয় ও তার স্ত্রী সংগীতা সোর্নালিঙ্গম। বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করেছেন সংগীতা, এমনও শোনা গিয়েছিল। এর মধ্যে অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানের সঙ্গেও গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে বিজয়ের। কিন্তু বর্তমান খবর ভিন্ন— স্ত্রী সংগীতার সঙ্গেই নাকি মীমাংসার পথে হাঁটছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী। 

    আরও জানা গেছে, এ দম্পতির মধ্যে দূরত্ব কমানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন বিজয়ের মা। সব মিটমাট করে সম্পর্ক জোড়া লাগানোর পথে হাঁটতে তিনি। বিজয়ের মা শোভা চন্দ্রশেখর দুপক্ষের মধ্যে যোগাযোগ করিয়ে সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করছেন। তবে এ দাবির কোনো নিশ্চিত প্রমাণ এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।

    দুপক্ষের মধ্যে হওয়া আলোচনার ধরন বদলেছে। আগে যেখানে বিরোধের বিষয় ছিল, এখন সেখানে সমাধানের পথ খোঁজা হচ্ছে। এর থেকেই আদালতের বাইরে সমঝোতার জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে এ মামলার ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনো কোনো পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিচ্ছেদ নাকি পুনর্মিলন? বিজয়-সঙ্গীতাকে ঘিরে জল্পনার শেষ কোথায়!

    তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী তথা জনপ্রিয় অভিনেতা জোসেফ বিজয় এবং তার স্ত্রী সংগীতা সোর্নালিঙ্গম আবার নতুন করে খবরের শিরোনামে এসেছেন। 

    আগামী ১৫ জুন তাদের বিবাহবিচ্ছেদ মামলার শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও, সাম্প্রতিক কিছু প্রতিবেদন থেকে আভাস মিলছে যে এই দম্পতি নিজেদের মধ্যকার দূরত্ব মিটিয়ে ফেলে পুনর্মিলনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

    বেশ কিছু গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিজয় ও সংগীতার মধ্যেকার সমস্ত ভুল বোঝাবুঝি ও মতবিরোধ শান্তিপূর্ণভাবে মিটিয়ে ফেলার জন্য পর্দার আড়ালে আলোচনা চলছে। যদিও এই বিষয়ে এখনো কোনো পক্ষের তরফ থেকেই আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি, তবে গত কয়েক সপ্তাহে তাদের আবার একসঙ্গে হওয়ার গুঞ্জন বেশ জোরালো হয়ে উঠেছে। 

    কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, বিজয়ের মা শোভা চন্দ্রশেখর উভয় পক্ষকে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ বজায় রাখতে এবং একটি সাধারণ সমঝোতায় পৌঁছাতে সক্রিয়ভাবে সাহায্য করছেন। তবে এই দাবির সত্যতা এখনো যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

    এই দম্পতির দাম্পত্য কলহের গুঞ্জন প্রথম শুরু হয় যখন বিজয়ের রাজনৈতিক প্রচারণামূলক কার্যক্রম এবং তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক ইভেন্টে সংগীতাকে অনুপস্থিত থাকতে দেখা যায়। এর পাশাপাশি সন্তানদের নিয়ে তার দীর্ঘদিন লন্ডনে অবস্থান করার বিষয়টি এই বিচ্ছেদের গুঞ্জনকে আরও উসকে দেয়। 

    জানা গেছে, চলতি বছরের শুরুর দিকে বিশেষ বিবাহ আইনের অধীনে তাদের পারস্পরিক মতপার্থক্যের কথা উল্লেখ করে এই বিবাহবিচ্ছেদের আবেদনটি করা হয়েছিল। তবে এই মামলা নিয়ে এ পর্যন্ত বিজয় বা সংগীতা কেউই প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আগামী ১৫ জুন এই বিবাহবিচ্ছেদ মামলার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শুনানি নির্ধারিত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে দুই পক্ষের মধ্যকার আলোচনা এখন সংঘাত থেকে সমঝোতার দিকে মোড় নিয়েছে। যার ফলে আদালতের বাইরেই বিষয়টি মিটমাট হয়ে যাওয়ার জোর সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তবে মামলার ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করা হয়নি। 

    কে এই সংগীতা সোর্নালিঙ্গম

    সংগীতা  লন্ডনে বসবাসকারী একটি শ্রীলংকান তামিল পরিবারের সন্তান। ১৯৯৯ সালের আগস্ট মাসে তিনি অভিনেতা বিজয়ের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পর থেকে তিনি মূলত প্রচারমাধ্যমের আড়ালে থাকতেই পছন্দ করতেন। এই দম্পতির ঘরে জেসন সঞ্জয় এবং দিব্যা সাশা নামে দুটি সন্তান রয়েছে। বিগত বছরগুলোতে বিজয়ের বিভিন্ন সিনেমার অনুষ্ঠান এবং পারিবারিক অনুষ্ঠানে সবসময়ই তাকে বিজয়ের পাশে থেকে সমর্থন জোগাতে দেখা গেছে। 

    সূত্র: সিয়াসাত ডেইলি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিজয়ের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জনের মাঝেই তৃষার কড়া জবাব

    তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী ও জনপ্রিয় অভিনেতা বিজয় এবং অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানের সম্পর্ক নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে দক্ষিণী চলচ্চিত্র পাড়ায় চলছে তীব্র গুঞ্জন। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্রমাগত কটাক্ষ ও সমালোচনার শিকার হতে হচ্ছে তৃষাকে। এবার নীরবতা ভেঙে সমালোচকদের এক হাত নিলেন অভিনেত্রী। 

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি রহস্যময় পোস্টের মাধ্যমে তিনি নিন্দুকদের মোক্ষম জবাব দিয়েছেন। 

    সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে নিজের ‘মে ডাম্প’ (মে মাসের কিছু বিশেষ মুহূর্তের ছবি) শেয়ার করেন তৃষা। সেখানে নিজের কিছু চমৎকার মুহূর্তের পাশাপাশি তার পোষা কুকুরের ছবি ও ভিডিও পোস্ট করেন তিনি। ক্যাপশনে লেখেন, ‘ম্যাজিক্যাল মে-র আরও কিছু মুহূর্ত। যা আমার মুখে দীর্ঘদিন হাসি ধরে রাখবে।’ 

    তবে ভক্তদের নজর কেড়েছে তার শেয়ার করা একটি ভিডিওর ক্যাপশন। বিছানায় শুয়ে থাকা তার পোষ্য কুকুরের একটি ভিডিওর ওপর তৃষা লেখেন, ‘আমার ব্যক্তিগত বিষয়ে নাক গলানোর অনুমতি কেবল এই একটি নাকেরই রয়েছে।’ 

    সেখানে কোনো নাম উল্লেখ না করলেও, নেটিজেনদের বুঝতে বাকি নেই যে এই বার্তাটি আসলে তাকে নিয়ে ছড়াতে থাকা গুঞ্জন এবং সমালোচকদের উদ্দেশেই দেওয়া। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    যেভাবে ছড়াল বিজয়-তৃষার সম্পর্কের গুঞ্জন 

    ২০১৫ সালে ব্যবসায়ী বরুণ মানিয়ানের সঙ্গে বাগদান হয় তৃষার। কিন্তু পরে তা ভেঙে যায়। অন্যদিকে ১৯৯৯ সালে সংগীতা সোর্নালিঙ্গমকে বিয়ে করেন অভিনেতা বিজয়। তাদের ঘরে দুই সন্তানও রয়েছে। তবে চলতি বছরের শুরুতে খবর ছড়ায় যে, প্রায় তিন দশকের দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনে বিচ্ছেদের আবেদন করেছেন সংগীতা। গুঞ্জন ওঠে, এক নামী অভিনেত্রীর সঙ্গে বিজয়ের সম্পর্কের জের ধরেই এই সিদ্ধান্ত। 

    এর পরপরই গত মার্চ মাসে চেন্নাইয়ে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে বিজয় ও তৃষাকে একই রঙের (গোল্ডেন) পোশাকে দেখা গেলে গুঞ্জন আরও ডালপালা মেলে। এছাড়া সম্প্রতি বিজয়ের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে তৃষাকে আবেগপ্রবণ হতে এবং অভিনেতা অজিত কুমারের মায়ের মৃত্যুতে বিজয়ের সঙ্গে তার বাড়িতে সান্ত্বনা জানাতে যেতে দেখা যায়। তবে এই সমস্ত গুঞ্জন নিয়ে বিজয় বা তৃষা কেউই এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেননি। 

    ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মাঝেই বক্স অফিসে রীতিমতো ঝড় তুলেছেন তৃষা। সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া আরজে বালাজি পরিচালিত এবং সুরিয়া অভিনীত তার ‘কারুপ্পু’ সিনেমাটি সমালোচক ও দর্শক মহলে দারুণ প্রশংসিত হয়েছে।

    ইতিমধ্যেই সিনেমাটি ২০২৬ সালের সর্বোচ্চ আয়কারী তামিল চলচ্চিত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ভারতে ১৮০ কোটি টাকার বেশি ব্যবসা করার পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে এটি ৩০০ কোটি রুপির মাইলফলক স্পর্শ করার দোরগোড়ায় রয়েছে। 

    সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস 

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে কারণে থালাপতিকে প্রশংসায় ভাসালেন সুপারস্টার রাম চরণ

    আগামী ৪ জুন বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেতে যাচ্ছে দক্ষিণী তারকা রাম চরণ এবং জাহ্নবি কাপুর অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত তেলেগু স্পোর্টস অ্যাকশন-ড্রামা ‘পেদ্দি’। সম্প্রতি এই সিনেমার একটি জমকালো প্রি-রিলিজ অনুষ্ঠানে মঞ্চে এসে তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী এবং ‘তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম’ প্রধান সি. জোসেফ বিজয় ওরফে থালাপতি বিজয়ের উদ্দেশ্যে এক আবেগঘন বার্তা দেন রাম চরণ।

    সিনেমার প্রচারণার মঞ্চ থেকেও বিজয়ের প্রতি রাম চরণের এই বিশেষ সম্মান প্রদর্শন মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। 

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় রাম চরণ অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে বলেন, ‘আমি তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাতে চাই। মুখ্যমন্ত্রী জোসেফ বিজয় মানুষের সেবা করার মহৎ উদ্দেশ্যে নিজের তারকাখ্যাতি বা জনপ্রিয়তার একদম শীর্ষে থাকা অবস্থায় রূপালী পর্দা ছেড়ে এসেছেন। 

    চলচ্চিত্র জগতের একজন মানুষ হিসেবে আমি তার এই সিদ্ধান্তে অত্যন্ত গর্বিত। আমি বিজয় স্যার এবং তামিলনাড়ুর জনগণ—উভয়কেই অভিনন্দন জানাচ্ছি।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    রাম চরণের এই বক্তব্যের ভিডিওটি এক্স (সাবেক টুইটার) এবং ইনস্টাগ্রামে প্রকাশ পাওয়ার পরপরই বিজয়ের লাখ লাখ ভক্ত তা শেয়ার করতে শুরু করেন। বিজয়ের একটি ফ্যান ক্লাব ভিডিওটি শেয়ার করে ক্যাপশনে লেখে, ‘মুখ্যমন্ত্রী জোসেফ বিজয় গারু মানুষের সেবা করার জন্য পিক স্টারডম পেছনে ফেলে এসেছেন…।’ 

    প্রসঙ্গত, গত ৪ মে তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর এক নতুন ইতিহাস রচনা করেন সি. জোসেফ বিজয়। তার দল ‘তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম’ প্রায় ৬০ বছরের দ্রাবিড়ীয় রাজনৈতিক দুর্গ ভেঙে এককভাবে জয়লাভ করে। 

    এই নির্বাচনে বিজয় নিজে দুটি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন—‘পেরাম্বুর’ এবং ‘তিরুচিরাপল্লী’ (পূর্ব)। দুটি আসনেই তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে তার রাজনৈতিক দূরদর্শিতার প্রমাণ দেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • মায়ের মৃত্যুতে সুপারস্টার অজিত কুমারের পাশে বিজয় ও তৃষা

    তামিল সিনেমার অন্যতম শীর্ষ তারকা অজিত কুমারের মা মোহিনী মণি (৮৯) শনিবার (৩০ মে) বার্ধক্যজনিত কারণে মারা গেছেন। মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে অজিত কুমারও বিদেশ থেকে দ্রুত চেন্নাইয়ে ফিরে এসেছেন। 

    অভিনেতার এই কঠিন সময়ে তার প্রতি সমবেদনা জানাতে এবং শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করতে অজিতের বাসভবনে ছুটে গেলেন রুপালি পর্দায় তার একসময়ের প্রতিদ্বন্দ্বী আরেক মহাতারকা এবং তামিলনাড়ুর নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয় এবং অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান। 

    তামিল গণমাধ্যম ‘সান নিউজ’-এর শেয়ার করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিজয় এবং তৃষা কৃষ্ণান একসঙ্গে চেন্নাইয়ে অজিত কুমারের বাসভবনে প্রবেশ করছেন। 

    আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, শোকস্তব্ধ অজিত কুমার নিজেই বাড়ির ভেতরে বিজয়কে স্বাগত জানাচ্ছেন। রূপালী পর্দায় পেশাগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও, বাস্তব জীবনের এই কঠিন মুহূর্তে অজিতের পাশে বিজয়ের এভাবে দাঁড়িয়ে থাকাটা অনুরাগীদের গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিনেতার পারিবারিক সূত্র অনুসারে, পালভাক্কামে অজিত কুমারের নিজ বাসভবনেই প্রয়াত মোহিনী মণির শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যে চলচ্চিত্র জগতের বহু তারকা ও শুভাকাঙ্ক্ষী এই প্রবীণের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। 

    এদিকে মায়ের এই আকস্মিক বিয়োগের শোক সামলে ওঠার পাশাপাশি অজিত কুমারের আগামী দিনের চলচ্চিত্র নিয়ে ভক্তদের মাঝে তৈরি হয়েছে তুমুল আগ্রহ। মায়ের মৃত্যুর শোক কাটিয়ে অভিনেতা খুব শিগগিরই তার আগামী প্রজেক্টে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে। 

    অজিতের আসন্ন সিনেমার নাম প্রাথমিকভাবে রাখা হয়েছে ‘একে৬৪’ যেটি পরিচালনা করছেন আধিক রবিচন্দ্রন। ‘গুড ব্যাড আগলি’ সিনেমার পর এই পরিচালকের সঙ্গে এটি অজিত কুমারের দ্বিতীয় কাজ হতে যাচ্ছে। হাইভোল্টেজ এই অ্যাকশন এন্টারটেইনার সিনেমাটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নির্মাতারা খুব শিগগিরই দেবেন বলে জানা গেছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সিনেমার উন্নয়নে মুখ্যমন্ত্রী থালাপতির নতুন সিদ্ধান্ত

    তামিল চলচ্চিত্র শিল্পকে আরও গতিশীল করতে নতুন একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী ও দক্ষিণী সুপারস্টার থালাপতি বিজয়ের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, রাজ্যের সব সিনেমা হলে নতুন মুক্তিপ্রাপ্ত ছবির জন্য প্রতিদিন পাঁচটি শো চালানোর সুযোগ থাকবে। তবে এই সুবিধা শুধু সিনেমা মুক্তির পর প্রথম সাত দিনের জন্য কার্যকর হবে।

    ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনার পর এ সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানানো হয়। ইন্ডাস্ট্রির পক্ষ থেকে নতুন সিনেমার প্রচার এবং ব্যবসায়িক সম্ভাবনা বাড়াতে অতিরিক্ত একটি শো চালুর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। পরে সরকার সেই প্রস্তাবে অনুমোদন দেয়।

    এর আগে ১৯৫৭ সালের তামিলনাড়ু সিনেমা বিধিমালা অনুযায়ী, রাজ্যের প্রেক্ষাগৃহগুলোতে প্রতিদিন সর্বোচ্চ চারটি শো আয়োজনের নিয়ম ছিল। তবে উৎসব, সরকারি ছুটি বা বিশেষ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে অতিরিক্ত শো প্রদর্শনের সুযোগ ছিল।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নতুন নিয়ম অনুসারে, সিনেমা মুক্তির প্রথম সপ্তাহে প্রতিদিন পাঁচটি শো পরিচালনা করা যাবে। পাশাপাশি সরকারি ছুটি, স্থানীয় উৎসব এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে অতিরিক্ত শোর জন্য আলাদা অনুমতির প্রয়োজন হবে না।

    চলচ্চিত্র অঙ্গনের সংশ্লিষ্টরা এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের ধারণা, এর ফলে নতুন সিনেমার দর্শক উপস্থিতি এবং বক্স অফিস আয় দুটিই বাড়তে পারে।

    বিনোদন ডেস্ক