Tag: ঢালিউড

  • বেশিরভাগ পুরুষের চেয়ে হীরা মেয়েদের মন বেশি বোঝে: নুসরাত ফারিয়া

    ঢালিউড অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়াকে জুলাই গণ-আন্দোলনের পর রুপালি পর্দায় খুব একটা দেখা যায়নি। তবে অভিনয়ে নিয়মিত না থাকলেও সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনসহ ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে বরাবরই সরব উপস্থিতি রয়েছে তার। 

    সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে মাঝে একগুচ্ছ ছবি পোস্ট করেছেন নুসরাত ফারিয়া। সেখানে তার গ্ল্যামারাস লুক দেখে যে মুগ্ধ হয়েছেন ভক্ত-অনুরাগীরা, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। 

    সেখানে নুসরাত ফারিয়াকে দেখা গেছে, কাঁধখোলা কালো গাউন, নজরকাড়া নেকলেস আর খানিকটা স্নিগ্ধ বোল্ড লুকে। টিউব কাটের বডি ফিটেড কালো মেরমেড গাউনে ফুটে উঠেছে অভিনেত্রীর শার্প লুক। সাজসজ্জায় বেছে নিয়েছেন ডায়মন্ড ও পান্নার মিশেলে তৈরি নেকলেস, মানানসই দুল ও ব্রেসলেট। এ ছবিগুলোতে নুসরাত ফারিয়ার অভিব্যক্তিতে ফুটে ওঠে আভিজাত্য আর আত্মবিশ্বাসের ছাপ। সেসব ছবিতে দেখা গেছে, কখনো জানালার পাশে দাঁড়িয়ে, আবার কখনো বিলাসবহুল সোফায় হেলান দিয়ে ক্যামেরায় পোজ দিচ্ছেন অভিনেত্রী।

    তিনি বলেন, শুধু ছবিই নয়, ভক্তদের নজর কেড়েছে ছবির পোস্টে দেওয়া  ক্যাপশনটি। সেই ক্যাপশনে নুসরাত ফারিয়া লিখেছেন— বেশিরভাগ পুরুষের চেয়ে হীরাই মেয়েদের মন বেশি বোঝে। 

    ছবিগুলো পোস্ট করার পরপরই মন্তব্যের ঘরে নেটিজেনসহ ভক্ত- অনুরাগীদের মন ভরে যায়। অনেকেই বোল্ড লুকের প্রশংসা করেছেন অভিনেত্রীর রূপের প্রশংসা করে এক নেটিজেন  লিখেছেন— ‘একদম কুইন লুক!’ আরেক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন— ‘সত্যিই দারুণ লাগছে ফারিয়া আপু!’ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আবারও লন্ডন যাচ্ছেন ইলিয়াস: রোজিনা

    ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন আবারও উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যাচ্ছেন। যদিও তিনি এখনো পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেননি, তবে তার শারীরিক অবস্থার ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চিত্রনায়িকা রোজিনা।

    সম্প্রতি কাঞ্চনের সঙ্গে দেখা করতে তার গুলশানের বাসায় যান রোজিনা। পরে নিজের ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানান তিনি। রোজিনা লিখেছেন, বাংলা চলচ্চিত্রের অভিনেতা কাঞ্চন। কয়েকদিন আগেই লন্ডন থেকে ঢাকায় এসেছে। কাঞ্চনের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম তার গুলশানের বাসায়। কাঞ্চন এখনো পুরোপুরি সুস্থ হয়নি। ইনশাআল্লাহ অতি দ্রুতই সুস্থ হয়ে যাবেন।

    তিনি আরও জানান, লন্ডনের চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী আগামী ১২ আগস্ট আবারও চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যাবেন কাঞ্চন।

    পোস্টে রোজিনা আরও উল্লেখ করেন, অসুস্থতার এই সময়ে কাঞ্চনের পাশে রয়েছেন তার স্ত্রী ফরিদা, ছেলে, মেয়ে ও মেয়ের জামাই। তারা সার্বক্ষণিক তার দেখাশোনা করছেন।

    সবশেষে অভিনেতার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন রোজিনা। তিনি লিখেছেন, আপনারা সবাই কাঞ্চনের জন্য দোয়া করবেন। মহান আল্লাহ পাক যেন তাকে দ্রুত সুস্থতা দান করেন।

    দীর্ঘ ১৫ মাসেরও বেশি সময় যুক্তরাজ্যে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন বরেণ্য অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন। গত সোমবার (৩ আগস্ট) বিকাল ৫টা ১০ মিনিটে তিনি ঢাকায় পৌঁছান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ও জামাতা।

    বিমানবন্দরের ভিআইপি টার্মিনালে সাংবাদিকদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলাপকালে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, আমি দেশে এসেছি। দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই। আমি সবসময় সবার জন্য দোয়া করি।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • ‘কিশোর কুমারের জুতা আঁকড়ে আজও বেঁচে আছি’

    সিনেমাজগতের উপমহাদেশের অবিসংবাদিত কিংবদন্তি ও সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংগীতশিল্পী, অভিনেতা, সুরকার ও পরিচালক কিশোর কুমারের আজ জন্মদিন।

    ১৯২৯ সালের ৪ আগস্ট মধ্যপ্রদেশের খন্ডওয়াতে জন্মগ্রহণ করা এই বহুমুখী প্রতিভাধর শিল্পী তার জাদুকরী কণ্ঠ, অনবদ্য ‘ইয়োডেলিং’ শৈলী এবং খামখেয়ালি ব্যক্তিত্বের জন্য সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। বলিউডের  পাশাপাশি বাংলা গানেও তার অবদান ছিল অতুলনীয়। মাত্র ৫৮ বছর বয়সে ১৯৮৭ সালের ১৩ অক্টোবর এই মহান শিল্পী মৃত্যুবরণ করেন। 

    সেই সংগীতশিল্পীকে আঁকড়ে আজও বেঁচে আছেন গায়ক গৌতম ঘোষ। কিংবদন্তি গায়ক কিশোর কুমারের জন্মদিনে একটি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে জানালেন তাকে নিয়ে বেঁচে থাকার গল্প।

    জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী গৌতম ঘোষের ‘কিশোরকণ্ঠী’ হিসাবেই সংগীতজগতে পরিচিত। একেবারে শৈশব থেকে কিশোর কুমারের গান খুব ভালো লাগত তার। সেই গান যেদিন বুঝতে শিখলেন গৌতম ঘোষ, সেদিনই বুঝতে পারলেন কিশোর কুমারকে। সেদিনই তাকে নতুন করে আবিষ্কার করলেন তিনি। 

    আমার বাবা ও মায়ের পর যদি কারও স্থান থাকে, তবে তিনি কিশোর কুমার। তিনি আমার ভগবান, তিনিই আমার অন্নদাতা। তিনি গান না গাইলে আমার কোনো দিন গান গাওয়া হতো না বলে জানান সংগীতশিল্পী গৌতম ঘোষ। তিনি বলেন, আমাকেও কেউ চিনত না। আমি হয়তো সরকারি কেরানি হতাম। কিন্তু আজও আমি কিশোর কুমারকে নিয়েই বেঁচে আছি। 

    ওর বিভিন্ন ধরনের গান শুনতাম। এই করতে করতে, ওর গান গাইতে গাইতেই গৌতম ঘোষ হয়ে গেলাম। সেই থেকেই শুরু সংগীতজগতে তার হাত ধরে আমার পথচলা।

    আগে পাড়ার যে কোনো অনুষ্ঠানে সুযোগ চাইতাম কিশোর কুমারের গান গাওয়ার জন্য। এরপর ১৯৭৪ সালে পেশাদার হিসেবে গান গাওয়া শুরু করি। ওই কিশোর কুমারই আমার জীবনের সম্বল। ওর গান গেয়েই প্রথম রোজগার করেছিলাম ৩ বা ৪ টাকা। তখন ওই টাকার মূল্য ছিল অনেক। আমার কাঁধে সংসারের দায়িত্ব ছিল— বৃদ্ধ বাবা, মা, আর পাঁচ বোন। পুরো সংসার চালাতে পেরেছি শুধু কিশোর কুমারের জন্যই, ওর গান গেয়েই। অবশ্য ধীরে ধীরে পারিশ্রমিক বাড়ল। বিভিন্ন জায়গায় গান গেয়ে, জলসায় অংশ নিয়ে রাতের পর রাত জেগে, একেক দিন দুটা-তিনটা করে অনুষ্ঠানও করেছি। আমাদের সময় তেমন প্রচারও ছিল না। শুধু কিশোর কুমারের জনপ্রিয়তার জেরেই আমি রয়ে গেছি।

    তিনি বলেন, একটা দুঃখ ছিল, কিশোর কুমারের গান গাইতাম, কিন্তু ওকে সামনে থেকে কখনো দেখিনি। যেদিন তাকে প্রথম দেখলাম, সেটি আমার জীবনের ঐতিহাসিক দিন। ১৯৮৪ সালে আমি মুম্বাই চলে গিয়েছিলাম। ক্যারিয়ার তৈরি করতে নয়, কিশোর কুমারকে দেখার জন্য। ওখানে ঘুরে ঘুরে যে কোনো জায়গায় কিশোর কুমারের রেকর্ডিং থাকলেও আমি চলে যেতাম। কীভাবে তিনি গান গাইছেন, রেকর্ডিং করছেন, কীভাবে হাঁটছেন, কথা বলছেন— সব হাঁ করে দেখতাম। তিনি প্রতিটা গান গাওয়ার সময় যে আলাদা এক্সপ্রেশন দিতেন, সেটি দেখে রপ্ত করার চেষ্টা করতাম।

    ১৯৮৫ সালে অবশেষে আলাপ হলো কিশোর কুমারের সঙ্গে। মেহবুব স্টুডিওর রেকর্ডিস্ট ছিলেন অভিনন্দন ঠাকুর, তিনি আলাপ করিয়ে দিলেন। আমায় নিয়ে গিয়ে বললেন— ওর নাম গৌতম ঘোষ। ও কলকাতায় থাকে, আপনার গান গায়। চার লাইন গানও শুনিয়েছিলাম আমার গুরুদেবকে। মনে আছে, গেয়েছিলাম— ‘মেরে নয়না সাওন ভাদোঁ’। শুনে ভালো-খারাপ কিছুই বলেননি। আমি তো তখন ‘স্যার’ বলে ডাকতাম, পরে অবশ্য দাদা হয়ে গিয়েছিলেন। দাদা বলেই ডাকতাম। স্টুডিওতে দেখা হতো, কথা হতো।

    একবার তার বাড়িতে গিয়েছিলাম গৌরীকুঞ্জে, চা খেতে। একা যেতে ভয় পেয়েছিলাম। তখন বাপ্পি লাহিড়ীর ম্যানেজার ছিলেন ভরতজি, তিনি আমার সঙ্গে গিয়েছিলেন। কুড়ি-পঁচিশ মিনিট ছিলাম। আমার কাছে ওই সময়টা স্বপ্নের মতো। সেখানে ওর সঙ্গে গল্প হয়েছিল। আমায় কিছু টিপস দিয়েছিলেন, যা আমার কাছে একান্ত সম্পদ।

    কিশোর কুমার বলেছিলেন— আমার গানটা আমার মতো করে গাওয়ার চেষ্টা কর না। প্রত্যেক শিল্পীর গান শুনে, প্রত্যেক শিল্পীর গান গাওয়ার চেষ্টা কর। তাহলে স্বাতন্ত্র্য বজায় থাকবে। 

    আবার বলেছিলেন— যে কোনো গান গাওয়ার আগে গানের কথা মুখস্থ করে বুঝে নেবে, একেবারে অন্তরে ঢুকিয়ে নিও, যাতে খাতা না দেখেও গাইতে পারো, তবেই সঠিক এক্সপ্রেশন দিতে পারবে। 

    গৌতম ঘোষ বলেন, সব শিল্পীই মহান। কিন্তু কিশোর কুমারের কণ্ঠস্বর আর একটাও  হবে না। যেমন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, দেবব্রত বিশ্বাসের মতো কণ্ঠ হবে না, ঠিক তেমনই কিশোর কুমার হবে না। ওর গানে এত নাটক, ওর গায়কী দিয়ে উনি হিট করে দিতেন। অমিত কুমারের মধ্যে পরবর্তী সময়ে এটা দেখেছি। কুমার শানুর মধ্যেও খানিকটা রয়েছে।

    গলা ভালো রাখার জন্য আমায় অনেক পরামর্শ দিয়েছিলেন। ওকে দেখেছি চিৎকার করে কথা বলতে, ফিসফিস করে কথা বলেননি কখনো। কিন্তু অযাচিত গলার ওপর চাপ দিতেন না। তবে অনুষ্ঠান কম করার পরামর্শ দিয়েছিলেন আমায়। বলতেন— যতটুকু দরকার, ততটুকুই অনুষ্ঠান কর। 

    দুর্ভাগ্য, কিন্তু কম অনুষ্ঠান করলে রোজগার করতে পারতাম না। ওর মতো অত রেকর্ডিং ছিল না আমাদের। আমি শুনেছিলাম, তিনি প্রতিদিন ১০০ গ্রাম করে টকদই খেতেন। আর বলতেন— গলাকে নিয়ে বেশি ভাবলে মুশকিল। গলাকে গলার মতোই থাকতে দাও। কথা বলার মতো করে গান গাও।

    ওর জন্য সেভাবে কিছু করতে পারিনি। শুধু একটাই ইচ্ছা পূরণ হয়েছে— আমি নিজের উদ্যোগে টালিগঞ্জ স্টুডিওপাড়ায় কিশোর কুমারের একটা মূর্তি স্থাপন করেছি। ২০০০ সালের ১৮ আগস্ট সেই মূর্তি উদ্বোধন করেছিলেন শক্তিমান অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। কারণ জীবনের শেষ গান মিঠুনের লিপেই গেয়েছিলেন তিনি। নানা মানুষ নানা কথা বলেন, অন্য গানকে ওর শেষ গান বলেন। কিন্তু আমি জানি— আমি শেষ দিন রেকর্ডিংও ছিলাম। 

    ১২ অক্টোবর মেহবুব স্টুডিওতে কিশোর কুমার আর আশা ভোঁসলের ডুয়েট গান রেকর্ড হয়েছিল। বাপ্পি লাহিড়ীর সুরে ‘ওয়াক্ত কি আওয়াজ’ সিনেমার গান ‘গুরু গুরু’। মিঠুন আর শ্রীদেবীর সিনেমার জন্য গান রেকর্ড করেছিলেন। ওটাই ওর শেষ গান। পরের দিন বিকেলে খবর এলো— আমার গুরুদেব আর নেই।

    একটাই আফসোস— তিনি ভারতবর্ষের গৌরব। তবে কোনো সরকারি পুরস্কার তিনি পাননি। যদি মরণোত্তর ভারতরত্ন পুরস্কার তাকে দেওয়া যায়, সেটি চাইব। শেষ দিন পর্যন্ত লড়াই করব। আমার কাছে আজ ওর একটাই স্মৃতি আছে— তাকে আঁকড়ে বাঁচি আজও। অমিত কুমারের কাছ থেকে কিশোর কুমারের একজোড়া জুতা নিয়ে এসেছি, সেটি আমার কাছে আছে। আজও অনুষ্ঠানে বেরোনোর আগে ওই জুতায় প্রণাম করে বের হই। আর একবার যদি গুরুদেবের দেখা পেতাম, ওর পায়ের ওপর মাথা রেখে হাউমাউ করে কাঁদতাম। তিনি নিশ্চয়ই বুকে টেনে নিতেন আমায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাকিব খানের অনুরোধ রাখতে যে শর্ত দিলেন ববিতা

    ঢালিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী ববিতা ও শাকিব খান বেশ কয়েকটি ব্যবসাসফল সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেছেন। তাদের অভিনীত ‘মা আমার স্বর্গ’, ‘খোদার পরে মা’ এবং ‘মায়ের জিহাদ’ ছবিগুলো প্রেক্ষাগৃহে দারুণ জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল।

    সম্প্রতি জন্মদিন উপলক্ষে একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে বিশেষ সাক্ষাৎকারে যোগ দিয়েছিলেন অভিনেত্রী ববিতা। সেই অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়েছিলেন শাকিব খান। দুই তারকার মধ্যে হয় কথোপকথন। এ সময় ববিতাকে একটি বিশেষ অনুরোধ জানান তিনি। কথাও রাখেন ববিতা। সেই সঙ্গে কিছু শর্ত জুড়ে দেন এ কিংবদন্তি অভিনেত্রী।

    বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা শাকিব খান অভিনেত্রী ববিতাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। আলাপচারিতার একপর্যায়ে চলচ্চিত্রে ববিতার দীর্ঘ অনুপস্থিতি নিয়ে কথা বলেন শাকিব খান এবং তার সঙ্গে নতুন করে একটি সিনেমায় কাজ করার অনুরোধ জানান।

    শাকিব বলেন, ‘আপনি প্লিজ সিনেমা করবেন। এটা আমার হাম্বল রিকোয়েস্ট আপনার প্রতি। আপনার সঙ্গে আমি আরও কাজ করতে চাই।’

    এ কথা শুনে ববিতা জানান, মনের মতো গল্প ও শক্তিশালী চরিত্রের অভাবেই তিনি দীর্ঘদিন পর্দায় অনুপস্থিত ছিলেন। তবে শাকিবের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে এ কিংবদন্তি অভিনেত্রী বলেন, ‘সে রকম গল্প নিয়ে আসো, তোমার আর আমার যেন সে রকম কিছু করণীয় থাকে, চ্যালেঞ্জিং রোল থাকে, তাহলে আমি করব। কথা দিলাম তোমায়, তোমার সঙ্গে ছবি করব।’

    একই সঙ্গে অনুষ্ঠানে শাকিব খানের পেশাদারত্ব, কাজের প্রতি নিষ্ঠা এবং সাম্প্রতিক কাজেরও প্রশংসা করেন ববিতা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রিনা রহমান আর নেই

    দেশের ছোট ও বড়পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রিনা রহমান আর নেই। সোমবার (৩ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুর খবরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে দেশের সাংস্কৃতিক ও বিনোদন অঙ্গনে।

    অভিনেত্রী রিনা রহমানের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভিনেতা ও পরিচালক অনুভব মাহবুব। সোমবার দিনগত রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে রিনা রহমানের একটি ছবি প্রকাশ করে তিনি তার মৃত্যুর খবর জানান।

    জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন রিনা রহমান। অসুস্থতার মধ্যেও নিয়মিত অভিনয় চালিয়ে গেলেও শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে তিনি কাজ থেকে অনেকটাই দূরে ছিলেন।

    মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক ‘পরম্পরা’য় অভিনয় করছিলেন। তবে অসুস্থতার কারণে ওই নাটকের শুটিংয়ে নিয়মিত অংশ নিতে পারছিলেন না।

    দীর্ঘ অভিনয়জীবনে টেলিভিশন নাটক, চলচ্চিত্র ও মঞ্চে অসংখ্য বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের প্রশংসা কুড়িয়েছেন রিনা রহমান। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে বিটিভির কালজয়ী ধারাবাহিক ‘সংশপ্তক’ (১৯৮৭), জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘মান অভিমান’ এবং চলচ্চিত্র ‘ঠিকানা’ (১৯৯৪) ও ‘ঘানি’ (২০০৬)।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাবনূরের বিশেষ বার্তা

    ঢালিউডের একসময়ের জনপ্রিয় নায়িকা শাবনূর অনেক বছর ধরেই অভিনয়ে অনিয়মিত। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাস করলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সক্রিয় তিনি। নিয়মিতই নিজের নতুন ছবি, ব্যক্তিগত মুহূর্ত এবং জীবনের নানা ভাবনা-অনুভূতি ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন।

    বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে চারটি নতুন ছবি পোস্ট করেন এই অভিনেত্রী। কমলা রঙের স্টাইলিশ ব্লেজারে ক্যামেরাবন্দি শাবনূরের হাস্যোজ্জ্বল উপস্থিতি ভক্তদের দৃষ্টি কাড়ে। ছবিগুলোর পেছনে ছিল রঙিন ফুলের মনোরম সাজ, যা তার লুককে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

    ছবিগুলোর সঙ্গে একটি অর্থবহ বার্তাও শেয়ার করেন তিনি। শাবনূর লেখেন, ‘বিবেচনাহীন মানুষ যেমন না ভেবে যা খুশি বলে, তেমনি অবিবেচক মানুষ যাচাই না করেই তা বিশ্বাস বা গ্রহণ করে।’

    তার এ পোস্টটিতে অধিকাংশ ভক্তই অভিনেত্রীর বক্তব্যের সঙ্গে একমত প্রকাশ করেন এবং মন্তব্যের ঘরে তার প্রতি ভালোবাসা ও সমর্থনের বার্তা জানান।

    কেউ আবার শাবনূরের প্রশংসায় লিখেছেন, তুমি হাজার ফুলের মাঝে একটি গোলাপ, তুমি হাজার তাঁরার মাঝে একটি যে চাঁদ, তুমি হাজার নায়িকার মাঝে একটি যে নাম শাবনূর, শাবনূর, শাবনূর।

    একজন ভক্ত লিখেছেন, দূর কে কি বলবে বলুক, আমরা জানি শাবনূর আপু অনেক ভালো মানুষ।

    প্রায় দুই বছর আগে ‘রঙ্গনা’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়ে ফেরার ঘোষণা দিয়েছিলেন শাবনূর। তবে সিনেমাটির কাজ শেষ হয়নি। এরই মধ্যে সিনেমার কিছু অসম্পাদিত ফুটেজ ও শুটিং ক্লিপ প্রকাশ্যে এলে তা নিয়ে সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এরপর থেকে নতুন কোনো চলচ্চিত্রে এখনও দেখা যায়নি জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীকে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘তোমাকে ছাড়া এখনো বেঁচে আছি’—কার অপেক্ষায় দিন গুনছেন প্রভা?

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিজীবন কিংবা মনের কথা খুব একটা প্রকাশ করেন না অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা। তবে মাঝেমধ্যে তার দেওয়া রহস্যময় কিংবা আবেগঘন পোস্ট ভক্তদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি করে। এবারও তেমনই এক বার্তা দিয়ে আলোচনায় এসেছেন এই অভিনেত্রী।

    সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেছেন প্রভা। ছবিগুলোতে হালকা রঙের পোশাক, সাদামাটা সাজ ও নান্দনিক উপস্থিতিতে দেখা গেছে তাকে। খোলা চুলে গোলাপি ও সাদা রঙের সালোয়ার-কামিজে অভিনেত্রীর সাজও নজর কেড়েছে।

    ছবিগুলোর সঙ্গে দেওয়া ক্যাপশনেই অবশ্য তৈরি হয়েছে রহস্য। প্রভা লিখেছেন, ‘তোমাকে ছাড়া এখনো বেঁচে আছি। আবার দেখা হবে—সেই দিনটির অপেক্ষায় প্রতিটি দিন গুনছি।’

    তবে এই বার্তা কার উদ্দেশে, তা স্পষ্ট করেননি এই অভিনেত্রী। ফলে পোস্টটি প্রকাশের পর থেকেই ভক্তদের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন, প্রিয় কোনো মানুষকে উদ্দেশ্য করেই হয়তো এমন আবেগঘন কথা লিখেছেন তিনি। যদিও এ বিষয়ে প্রভার পক্ষ থেকে কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    প্রকাশিত ছবিগুলোতেও ছিল ভিন্ন আবহ। কোনো ছবিতে পার্কের পাশে বেঞ্চিতে বসে থাকতে দেখা গেছে তাকে। আবার কোথাও ফুল ছোঁয়ার চেষ্টা করছেন অভিনেত্রী। অন্য একটি ছবিতে রাস্তার পাশে ক্যামেরার সামনে পোজ দিয়েছেন তিনি। সব মিলিয়ে ছবিগুলোতে প্রভার স্বাভাবিক ও নান্দনিক উপস্থিতিই ফুটে উঠেছে।

    এদিকে অভিনয়েও ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রভা। ফয়েজ আহমেদ রেজার পরিচালনায় ‘লুক আ লাইক’ নামের একটি ফিকশনে অভিনয় করেছেন তিনি। ফিকশনটি বঙ্গতে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৯ বছরে রূপ-লাবণ্যে কতটা বদলালেন পূজা

    ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূজা চেরী প্রথম সারির অভিনেত্রী হয়ে উঠেছেন। তার অভিনীত সিনেমার সাফল্যও কম নয়। বড়পর্দায় তার অভিনয় বরাবরই প্রশংসিত। 

    পূজা চেরীকে সর্বশেষ দেখা গেছে, কুরবানির ঈদের সিনেমা ‘মাসুদ রানা’য়। সৈকত নাসিরের এ সিনেমাটি অবশ্য প্রেক্ষাগৃহে সাড়া জাগাতে পারেনি। এরপর থেকেই অবশ্য আর নতুন কোনো সিনেমার খবরে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে সামাজিক মাধ্যমে বরাবরের মতোই তার উপস্থিতি রয়েছে। প্রায়ই নিজের নানা ভালোলাগা-মন্দলাগার মুহূর্ত শেয়ার করে নেন অভিনেত্রী। যেমন মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে দুটি ছবি পোস্ট করেন তিনি। যার একটি তোলা হয়েছিল ২০১৭ সালে, অন্যটি বর্তমান সময়ের।

    সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করা একটি ছবিতে দেখা গেছে, কালো রঙের ওপর গোলাপি নকশার একটি জামা পরে আছেন পূজা চেরী। এ ছবিটি ২০১২ সালে ‘ভালোবাসার রঙ’-এ শিশুশিল্পী হিসেবে তার অভিনয়ের পথচলা শুরু। অন্য ছবিতে দেখা গেছে, ধূসর রঙের জামা পরা অবস্থায়। নায়িকা চরিত্রে অভিষেক হওয়া ২০১৮ সালে, ‘নূরজাহান’ সিনেমা দিয়ে। দুটি ছবিতেই তার চেহারার পার্থক্য দেখা গেছে। কারণ এরই মধ্যে কেটে গেছে ৯ বছর।

    অভিষেক সিনেমা ‘নূরজাহান’ দিয়ে বাজিমাৎ করেছিলেন পূজা চেরী। এরপর সুপারহিট ‘পোড়ামন ২’ দিয়ে পেয়ে যান রাতারাতি খ্যাতি। একই বছর চমকে দেন ‘দহন’ সিনেমায় অভিনয় করে। এরপর একে একে হাজির হয়েছেন ‘শান’, ‘গলুই’, ‘হৃদিতা’, ‘জ্বীন’, ‘লিপস্টিক’, ‘আগন্তুক’ ও ‘দম’-এর মতো আলোচিত সিনেমায়। 

    সময়ের সঙ্গে পূজার ক্যারিয়ার যেমন বদলেছে, ঠিক তেমনি বদলেছে তার রূপ-লাবণ্য চেহারায়ও। অভিনেত্রী এই ছবি পোস্টের পর নেটিজেনদের কেউ কেউ লিখেছেন— ‘আগেই বেশি কিউট ছিলে পূজা’। কেউ লিখেছেন— ‘টিন ভার্সেস ম্যাচিউর’। আবার বেউ লিখেছেন— ‘সময় বদলেছে, কিন্তু তুমি যেন একই রয়ে গেছ’। 

    কেউ আবার পূজাকে এবার বিয়ের পরামর্শও দিয়েছেন। তবে বরাবরের মতোই তার ভক্তঅনুরাগীদের মন্তব্যের কোনো প্রতিক্রিয়া দেননি অভিনেত্রী পূজা চেরী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দৃষ্টিনন্দন মেহেদির নকশায় পরীমনি

    ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনিকে এখন আর রুপালি পর্দায় খুব একটা দেখা যায় না। অভিনেত্রী কাজের চেয়ে নিজের এবং সন্তানের দিকেই বেশি নজর দিচ্ছেন। তবে তার ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে বরাবরই সরব তিনি। এবার সামাজিক মাধ্যমে তার ‘সানকিসড’ ফটো নিয়েই আলোচনায় এলেন পরীমনি। 

    পরীমনিকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা যাই হোক না কেন, তার রূপের জাদু ভক্ত-অনুরাগীদের মুগ্ধ করে। বেশি কিছু ছবি সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী। শেয়ার করা সেই ছবিতে দেখা যায়, এক শান্ত, মনোরম পরিবেশে যেন নিজেকে হারিয়ে ফেলেছেন তিনি। পরিমনির মুখের শান্ত অভিব্যক্তি এবং আধবোজা চোখ দেখে মনে হচ্ছে— মিঠে রোদ নয়, বরং কোনো অদৃশ্য ভালোবাসার উষ্ণতা অনুভব করছেন তিনি। তার হাতে দেখা যাচ্ছে নজরকাড়া মেহেদির নকশা। সঙ্গে কমলা-খয়েরি প্রিন্টের পোশাক।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পরীমনির হাতে নান্দনিক মেহেদির নকশা, শান্ত মুখে রোদের পরশ। যেন এক অপার্থিব সৌন্দর্য হয়েই ধরা দিলেন। সাতসকালেই সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকের স্ক্রিনে তিনটি ক্লোজআপ ছবি ভেসে উঠল। আর তাতেই চোখ আটকে গেল ভক্ত-অনুরাগীদের। ছবির সঙ্গে অভিনেত্রীর ছোট্ট ক্যাপশন— ‘সানশাইন’।

    সেই ছবি পোস্ট করার মুহূর্তেই নেটিজেনদের মাঝে ভাইরাল হয়ে পড়ে। ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে বেশ সাড়া ফেলেছে। পোস্ট করা ছবির কমেন্টবক্সে ভক্ত-অনুরাগীরা তার মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন। ভক্তদের অনেকেই আবার মেহেদির নকশা নিয়ে প্রশ্ন করেছেন— কে এই মেহেদি পরিয়ে দিল?

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে তরুণীর জন্য এখনও আফসোস করেন শাকিব

    দীর্ঘদিন পর নিজের প্রেমের একটি ঘটনা প্রকাশ্যে আনলেন ঢালিউডের জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খান। এক সাক্ষাৎকারে জীবনের এক অপূর্ণ ভালোবাসার গল্প শেয়ার করলেন দেশের জনপ্রিয় এই অভিনেতা।

    সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে শাকিব খান জানান, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে গুলশানের ইংরেজি মাধ্যমের এক তরুণীর প্রেমে পড়েছিলেন তিনি। মেয়েটির সঙ্গে তার সম্পর্ক খুব বেশি দূর এগোয়নি। তবে সেই ভালোবাসার স্মৃতি এখনো তাকে নাড়া দেয়।

    শাকিব বলেন, ‘আমার বাসার কাছাকাছি ছিল ওর বাড়ি। দেখতেও ভীষণ সুন্দর ছিল। আমি কিন্তু তার সঙ্গেই সেটেলড হতে চেয়েছিলাম।’

    অভিনেতা আরও বলেন, ‘আমি মনে মনে সিরিয়াসলি তাকেই বিয়ে করতে চেয়েছিলাম। আমাকে মেয়েটি খুব ভালোবাসত। আমি সত্যিই তার সঙ্গেই সংসার করতে চেয়েছিলাম। মাঝে মাঝে একা বসে ভাবি—আমি চাইলাম কাকে, ভালোবাসলাম কাকে, আর কোথায় গেলাম!’

    অনুষ্ঠানে অভিনেত্রী পূর্ণিমা জানতে চান, সেই মানুষটিকে এখনো মনে পড়ে কি না। জবাবে শাকিব খান বলেন, ‘আমি এখনো তাকে মিস করি। মাঝেমাঝেই যখন একা থাকি তখন ভাবি যে, কেন এরকম হলো! সম্পর্কে যখন ভালোবাসাবাসি বেশি হয়ে যায় তখন মনে হয় এরকম হয়ে যায়।’

    সেই তরুণী যদি আবার তার জীবনে ফিরে আসে, তাহলে তাকে গ্রহণ করবেন কি না। উত্তরে শাকিব বলেন, ‘সে অনেক ভালো কিছু ডিজার্ভ করে। আমি চাই, সে অনেক ভালো থাকুক।’

    বিনোদন ডেস্ক