Tag: টেইলর সুইফট

  • কেন আইনি পথে হাঁটলেন টেইলর সুইফট

    এআই প্রযুক্তির দ্রুত উন্নতির ফলে তারকাদের কণ্ঠস্বর ও চেহারার অপব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে নিজের পরিচয় সুরক্ষায় নতুন আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন মার্কিন পপ তারকা টেইলর সুইফট।

    সম্প্রতি তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পেটেন্ট ও ট্রেডমার্ক অফিসে তিনটি আবেদন জমা দিয়েছেন, যেখানে নিজের কণ্ঠস্বর ও নির্দিষ্ট একটি ভিজ্যুয়াল অবয়বকে ট্রেডমার্ক করার চেষ্টা করছেন।

    আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ভ্যারাইটি-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ এপ্রিল তার প্রতিষ্ঠান ‘টিএএস রাইটস ম্যানেজমেন্ট’ এই আবেদনগুলো করে। এর মধ্যে দুটি আবেদন তার কণ্ঠস্বর সম্পর্কিত—‘হেই, ইটস টেইলর সুইফট’ এবং ‘হেই, ইটস টেইলর’ বাক্যাংশকে ঘিরে। তৃতীয় আবেদনটি একটি ভিজ্যুয়াল ট্রেডমার্ক, যেখানে তাকে গোলাপি গিটার হাতে ঝলমলে পোশাকে মঞ্চে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

    আইনজীবী জশ গারবেন প্রথম বিষয়টি সামনে আনেন। তার মতে, এআই প্রযুক্তির কারণে বিনোদন জগতের তারকারা ক্রমেই চিন্তিত, কারণ তাদের অনুমতি ছাড়া কণ্ঠ ও চেহারা ব্যবহার করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সাধারণত ট্রেডমার্ক আইন কোনো ব্যক্তির সম্পূর্ণ চেহারা বা কণ্ঠ রক্ষার জন্য তৈরি হয়নি। তবে এই নতুন কৌশলের মাধ্যমে প্রচলিত ‘রাইট অব পাবলিসিটি’ আইনের পাশাপাশি অতিরিক্ত সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব হতে পারে—বিশেষ করে এআই-ভিত্তিক অপব্যবহারের বিরুদ্ধে।

    এর আগেও বিভিন্ন এআই কনটেন্টে অনুমতি ছাড়া সুইফটের চেহারা ব্যবহার করা হয়েছে। এমনকি মেটার এআই চ্যাটবটেও তার অননুমোদিত ব্যবহার দেখা গেছে এবং অনলাইনে তার নামে ভুয়া ও আপত্তিকর ছবিও ছড়িয়েছে। ২০২৪ সালের মার্কিন নির্বাচনের সময় ডোনাল্ড ট্রাম্পের শেয়ার করা কিছু এআই ছবিতে ভুলভাবে দেখানো হয়েছিল যে সুইফট তাকে সমর্থন করছেন।

    এর আগে অভিনেতা ম্যাথিউ ম্যাককনাঘেও একই ধরনের ট্রেডমার্ক সুরক্ষা পেয়েছেন। ২০২৫ সালে তার জন্য একাধিক ট্রেডমার্ক অনুমোদন দেয় যুক্তরাষ্ট্রের পেটেন্ট ও ট্রেডমার্ক অফিস। তার আইনজীবীদের মতে, এই পদ্ধতি ব্যবহার করলে অনুমতি ছাড়া কারও কণ্ঠ বা চেহারা ব্যবহার করে তৈরি এআই কনটেন্টের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হয়।

    বর্তমানে নিউইয়র্ক ও ক্যালিফোর্নিয়ার মতো অঙ্গরাজ্যে ‘রাইট অব পাবলিসিটি’ আইন রয়েছে, যা কারও ছবি বা পরিচয়ের বাণিজ্যিক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করে। তবে ট্রেডমার্ক আইনের আওতায় মামলা ফেডারেল আদালতে করা যায়, যা সারা দেশে প্রযোজ্য—ফলে এটি আরও শক্তিশালী আইনি প্রতিরোধ হিসেবে কাজ করতে পারে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • টেইলর সুইফটের গান নিয়ে গবেষণা, ইন্টারভিউ ছাড়াই অক্সফোর্ডে ভর্তির সুযোগ

    মার্কিন পপ তারকা টেইলর সুইফটের গানের লিরিক্স নিয়ে গবেষণা করে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিদ্যাপীঠ অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেয়েছেন ভিয়েতনামের এক শিক্ষার্থী। 

    সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো, কোনো প্রকার ইন্টারভিউ বা সাক্ষাৎকার ছাড়াই ২২ বছর বয়সী এই নারী শিক্ষার্থীকে সরাসরি ভর্তির সুযোগ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

    হুইন কুয়ং এনগুয়েন নামের ওই মেধাবী শিক্ষার্থী গত মার্চ মাসে অক্সফোর্ড এবং ক্যামব্রিজ—উভয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই ভর্তির চিঠি পেয়েছেন। বর্তমানে তিনি ‘ইউনিভার্সিটি অব দ্য নাং’-এ ইংরেজি ভাষা শিক্ষা বিষয়ে স্নাতক পড়ছেন। 

    এনগুয়েনের এই অভাবনীয় সাফল্যের মূল চাবিকাঠি ছিল তার গবেষণার বিষয়। তিনি মূলত টেইলর সুইফটের গানের ‘কনসেপচুয়াল মেটাফোর’ বা ধারণাগত রূপক নিয়ে কাজ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষে থাকাকালীন তিনি এ গবেষণা শুরু করেন, যেখানে তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে সুইফটের গানে মানুষের আবেগ ও বাস্তব অভিজ্ঞতাকে বিভিন্ন মেটাফোরের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়। যেমন- ভালোবাসাকে একটি ‘ভ্রমণ’ হিসেবে দেখা, স্মৃতিকে একটি ‘নির্দিষ্ট স্থান’ হিসেবে উপস্থাপন করা, খ্যাতিকে একটি ‘রাজ্য’ হিসেবে চিত্রায়িত করা। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এনগুয়েন তার গবেষণায় যুক্তি দিয়েছেন, এ মেটাফোরিক বা রূপক প্যাটার্নগুলোর কারণেই সুইফটের গান বিভিন্ন সংস্কৃতি ও ভাষার মানুষের হৃদয়ে এত গভীরভাবে জায়গা করে নিতে পারে।

    সাধারণত অক্সফোর্ড বা ক্যামব্রিজের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে সাক্ষাৎকার একটি বাধ্যতামূলক ধাপ। কিন্তু এনগুয়েনের স্বাধীন গবেষণার দক্ষতা এবং তার অনন্য দৃষ্টিভঙ্গি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এতটাই মুগ্ধ করেছে যে তারা তাকে সরাসরি ভর্তির সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। 

    এমনকি নিজের ব্যক্তিগত বিবৃতিতেও তিনি সুইফটের ‘লং লিভ’ গানের উক্তি দিয়ে শুরু করেছিলেন। 

    তার গবেষণার বিশেষত্ব হলো- এটি কোনো শিক্ষকের তত্ত্বাবধান ছাড়াই সম্পূর্ণ নিজস্ব উদ্যোগে করা। তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে মেটাফোর বা রূপক ব্যবহার করে ইংরেজি ভাষা শিক্ষাকে আরও সহজ ও প্রাণবন্ত করা যায়।

    তার এ গবেষণাটি ভিয়েতনামের শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পুরস্কারও লাভ করেছে।

    শুধুমাত্র গবেষণাই নয়, এনগুয়েনের একাডেমিক রেকর্ডও অত্যন্ত ঈর্ষণীয়। তার সিজিপিএ ৪.০০ এর মধ্যে ৩.৯৭। পাশাপাশি তিনি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও বেশ সক্রিয়। এ শিক্ষার্থী একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেছেন যা ১২ হাজারের বেশি শিক্ষক তাদের পাঠদানে ব্যবহার করেছেন। 

    পাশাপাশি তিনি সুবিধাবঞ্চিত পথশিশুদের জন্য সপ্তাহে দুই দিন বিনামূল্যে ইংরেজি ক্লাস নিতেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উৎসবে দোভাষী হিসেবেও কাজ করেছেন। 

    বর্তমানে অক্সফোর্ড এবং ক্যামব্রিজ—উভয় জায়গা থেকে ডাক পেলেও এনগুয়েন এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। তিনি মূলত স্কলারশিপের ফলের অপেক্ষায় আছেন। তার দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য হলো ভাষা নিয়ে আরও গভীর গবেষণা করা এবং ভিয়েতনামে ইংরেজি শিক্ষা ব্যবস্থায় কার্যকর কোনো পরিবর্তন আনা। 

    সূত্র: ভিএনএক্সপ্রেস 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ে করছেন টেইলর সুইফট, অনুষ্ঠান হবে নিউইয়র্কে

    বিশ্বজুড়ে কোটি ভক্তের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন পপ সুপারস্টার টেইলর সুইফট এবং এনএফএল তারকা ট্রাভিস কেলসে। এরই মধ্যে আমন্ত্রিত অতিথিদের কাছে তাদের বিয়ের ‘সেভ দ্য ডেট’ কার্ডটিও পৌঁছে গেছে। 

    চলতি বছরের ৩ জুলাই নিউইয়র্ক সিটিতে এই তারকা যুগলের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস (৪ জুলাই) উদযাপনের প্রতি সুইফটের দীর্ঘদিনের যে ভালোবাসা, তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই এই তারিখটি বেছে নেওয়া হয়েছে। 

    অনেক ভক্তই ধারণা করেছিলেন, সুইফটের রোড আইল্যান্ডের বিশাল প্রাসাদে এই বিয়ে হবে, যেখানে তিনি সাধারণত তার বিখ্যাত ফোর্থ অব জুলাই পার্টিগুলো আয়োজন করেন। তবে সংবাদমাধ্যম ‘পেজ সিক্স’-এর বরাতে জানা যায়, এই জুটি বড় পরিসরে এবং আভিজাত্যের সঙ্গে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন করতে চান। তাই প্রচুর সংখ্যক অতিথির স্থান সংকুলান এবং জৌলুসের কথা মাথায় রেখে নিউইয়র্কের ম্যানহাটনকেই অনুষ্ঠানস্থল হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এছাড়া নিউইয়র্ক সিটির প্রতি টেইলর সুইফটের গভীর টান থাকাটাও এই সিদ্ধান্তের অন্যতম বড় কারণ। ২০১৪ সালে এই পপ তারকা প্রথম এখানে বসবাস শুরু করেন। পরবর্তীতে প্রায় ৫০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের বিশাল সম্পত্তির মালিক হন তিনি। 

    পাশাপাশি সুইফটের বিখ্যাত গান ‘ওয়েলকাম টু নিউইয়র্ক’ এই শহরের প্রতি তার ভালোবাসার এক অনন্য নিবেদন। এই গায়িকা নিউইয়র্কের গ্লোবাল ওয়েলকাম অ্যাম্বাসেডর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তাকে প্রায়ই নিউইয়র্কের বিখ্যাত রেস্টুরেন্টগুলোয় তার তারকা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে দেখা যায়। 

    অন্যদিকে গায়িকার বাগদত্তা ট্রাভিস কেলসিকেও এই শহরের প্রাণবন্ত শক্তির প্রশংসা করতে দেখা গেছে। 

    নিউইয়র্ক সিটিতে বিয়ে করার মাধ্যমে সুইফট ও কেলসে এখন বিয়ন্সে-জে জি, সারাহ জেসিকা পার্কার-ম্যাথু ব্রডেরিকের মতো জনপ্রিয় দম্পতিদের তালিকায় যুক্ত হতে যাচ্ছেন, যারা এই শহরকে তাদের জীবনের বিশেষ মুহূর্তের সাক্ষী হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • একমঞ্চেই ৭ পুরস্কার জিতলেন টেইলর সুইফট

    মার্কিন পপ তারকা টেইলর সুইফটের সফলতায় যুক্ত হলো নতুন পালক। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) লস অ্যাঞ্জেলেসের ডলবি থিয়েটারে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে এই সংগীতশিল্পী মোট সাতটি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। এর মধ্যে বছরের সেরা শিল্পী বা ‘আর্টিস্ট অব দ্য ইয়ার’-এর সম্মাননাও রয়েছে।

    ২০২৬ সালের অলিম্পিকে সোনা জয়ী স্কেটার অ্যালিসা লিউ তার হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন।

    পুরস্কার গ্রহণের পর ৩৬ বছর বয়সি এই গায়িকা তার দীর্ঘ ক্যারিয়ার, শখের কাজ এবং বর্তমান প্রজন্মের স্বপ্ন নিয়ে এক আবেগঘন ও অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য দেন।

    টেইলর তার বক্তব্যে ফেলে আসা দিনগুলোর কথা স্মরণ করেন। তিনি জানান, গান লেখা শুরুতে ছিল কেবল একটি ‘শখ’। স্কুল থেকে দ্রুত বাড়ি ফিরে গিটার নিয়ে গান লিখতে বসা ছিল তার প্রিয় কাজ।

    ‘১২ বছর বয়সে আমি হাজার হাজার ঘণ্টা ব্যয় করেছি নিজের কাজকে নিখুঁত করতে। তখন ভুল করার এবং নিজে নিজে শেখার সুযোগ ছিল, কারণ তখন কেউ আমাকে নজরদারি করছিল না’, বলেন তিনি।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বর্তমান সময়ের তরুণদের উদ্দেশ্যে টেইলর একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। তিনি বলেন, এখনকার সময়ে কোনো কিছু করার সঙ্গে সঙ্গেই মানুষ প্রতিক্রিয়া পায়, যা সৃজনশীলতাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

    এক্ষেত্রে তার পরামর্শ, নিজের শখ বা আবেগকে লালন করার জন্য নিজেকে পর্যাপ্ত সময় দিন। কোনো কাজ শেখার সময় ভুল করাটা স্বাভাবিক, তাই তাড়াহুড়ো না করে দক্ষতা বাড়ানোর দিকে নজর দিন।

    টেইলরের ভাষ্য, ‘আপনি আপনার মগজকে যা দেবেন, তা আপনার ভেতরে গেঁথে যাবে। কিন্তু ইন্টারনেটে যা দেবেন, তা আপনার স্বপ্নকে মেরে ফেলার চেষ্টা করবে।’

    সবশেষে ভক্তদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ১৪ বার গ্র্যামি জয়ী এই তারকা বলেন, তাদের সমর্থনের কারণেই তিনি তার শখকে ক্যারিয়ার এবং স্বপ্নে রূপান্তর করতে পেরেছেন।  

    সূত্র: পিপল

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিশ্বের সবচেয়ে ধনী নারী সংগীতশিল্পী এখন টেইলর সুইফট

    সংগীত জগতের মহাতারকা টেইলর সুইফটের মুকুটে যুক্ত হল আরও একটি পালক। বিশ্বখ্যাত ফোর্বস সাময়িকীর ২০২৬ সালের ‘বিশ্বের বিলিয়নিয়ার তালিকা’ অনুযায়ী, সুইফটের মোট সম্পদের পরিমাণ এখন ২ বিলিয়ন (২০০ কোটি) ডলারে পৌঁছেছে। এর মাধ্যমে তিনি বিশ্বের সবচেয়ে ধনী নারী সংগীতশিল্পী হিসেবে নিজের অবস্থান আরও সুসংহত করলেন।

    ২০২৪ সালে টেইলরের সম্পদের পরিমাণ ছিল ১.৬ বিলিয়ন ডলার। মাত্র দুই বছরের ব্যবধানে এই বিশাল প্রবৃদ্ধির নেপথ্যে রয়েছে তার ব্লকবাস্টার ‘দ্য ইরাস ট্যুর’ এবং রয়্যালটি থেকে আসা প্রায় ১ বিলিয়ন ডলারের আয়।

    ফোর্বসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সুইফটের গানের স্বত্বের বর্তমান মূল্য প্রায় ৯০০ মিলিয়ন ডলার।  এরই সঙ্গে তার মালিকানাধীন স্থাবর সম্পত্তির বাজারদর প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলার।

    এর আগে ২০২৫ সালের অক্টোবরে সুইফট তার সর্বশেষ অ্যালবাম ‘দ্য লাইফ অব আ শোগার্ল’ প্রকাশের মাধ্যমে সংগীতের ইতিহাসে সর্বকালের বৃহত্তম ডেবিউ সপ্তাহের রেকর্ড গড়েন। প্রথম সপ্তাহেই অ্যালবামটির ৪ মিলিয়নেরও বেশি কপি বিক্রি হয়।

    সেই সাফল্যে ভক্তদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এই সংগীতশিল্পী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন, ‘এই অ্যালবামের পেছনে বিনিয়োগ করা এবং একে আপন করে নেওয়ার ৪ মিলিয়ন কারণ আমার কাছে আছে। আমি এই অনুভূতি আজীবন লালন করব।’

    এদিকে টেইলর সুইফটের সাফল্যের এই মিছিলে যুক্ত হয়েছে আরও একটি বিরল সম্মান। মাত্র ৩৬ বছর বয়সে এই পপ তারকা ‘সংরাইটার্স হল অব ফেম’-এ অন্তর্ভুক্ত হতে যাচ্ছেন, যা তাকে এই সম্মানে ভূষিত হওয়া ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ নারীতে পরিণত করবে।

    আগামী ১১ জুন নিউইয়র্ক সিটিতে একটি জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সম্মাননা দেওয়া হবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিধানে জায়গা পেল টেইলর সুইফটের নাম

    পপ সম্রাজ্ঞী টেইলর সুইফটের জয়যাত্রা কেবল কনসার্টের মঞ্চ বা বিলবোর্ড চার্টেই সীমাবদ্ধ নেই, এবার তা পৌঁছে গেছে শব্দের দুনিয়ায়। বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় অনলাইন অভিধান Dictionary.com আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের শব্দভাণ্ডারে যুক্ত করেছে নতুন একটি শব্দ— ‘Swiftie’ (সুইফটি)।

    অভিধান অনুযায়ী, ‘সুইফটি’ শব্দের অর্থ হল— ‘টেইলর সুইফটের সঙ্গীতের একজন অনুরাগী বা ভক্ত।’ বছরের পর বছর ধরে ভক্তরা নিজেদের এই নামে ডেকে আসলেও, এখন এটি একটি স্বীকৃত ইংরেজি শব্দ।

    বিয়ন্সের ভক্তদের ‘বিহাইভ’ (Beyhive), স্টার ট্রেকের ভক্তদের ‘ট্রেকি’ (Trekkies) কিংবা জেন অস্টিনের ভক্তদের ‘জেনেট’ (Janeite)-এর মতো লিজেন্ডারি ফ্যানবেসগুলোর তালিকায় এখন সগৌরবে যুক্ত হল ‘সুইফটি’ নামটি।

    কেন এই অন্তর্ভুক্তি? 

    ডিকশনারি ডটকম-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোনো শব্দকে অভিধানে জায়গা দিতে হলে তার ব্যাপক ব্যবহার এবং সর্বজনীন অর্থ থাকতে হয়। তাদের ভাষ্য, ‘আমাদের ভাষাবিজ্ঞানীরা লক্ষ্য করেন শব্দটি কেবল একজন নয়, বরং অসংখ্য মানুষ ব্যবহার করছেন কিনা। কোনো শব্দ যখন সবার কাছে একটি নির্দিষ্ট এবং গ্রহণযোগ্য অর্থ বহন করে এবং দীর্ঘকাল টিকে থাকার সম্ভাবনা তৈরি করে, তখনই তাকে আমরা তালিকায় যুক্ত করি।’

    ফলে সুইফটিরা যে ফুটবল স্টেডিয়াম থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক রাজনীতি—সবখানেই প্রভাব ফেলছে, তা এই স্বীকৃতির মাধ্যমে আরও একবার প্রমাণিত হল।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আইনি লড়াই 

    উল্লেখ্য, এই নামের অধিকার নিয়ে টেইলর সুইফট আগে থেকেই বেশ সচেতন ছিলেন। ২০১৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনি তার প্রতিষ্ঠান ‘টিএএস রাইটস ম্যানেজমেন্ট, এলএলসি’-এর মাধ্যমে ‘সুইফটি’ শব্দটি ট্রেডমার্ক করার জন্য আবেদন করেছিলেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর ২০২২ সালে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে নিবন্ধিত হয়।

    টেইলর সুইফটের গানগুলোর মতো এই নামটিও যে সহজে ম্লান হবে না তা অভিধান কর্তৃপক্ষও স্বীকার করেছে। ভক্তদের এই আবেগ এখন কেবল একটি ডাকনাম নয়, বরং আধুনিক পপ সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • টেইলর সুইফটের বিয়ের তারিখ চূড়ান্ত, যা জানা গেল

    বিশ্বখ্যাত পপ আইকন টেইলর সুইফট এবং এনএফএল (NFL) তারকা ট্রাভিস কেলসির বিয়ের গুঞ্জনে এখন উত্তাল হলিউড। শোনা যাচ্ছে, আগামী ১৩ জুন যুক্তরাষ্ট্রের রোড আইল্যান্ডে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই তারকা জুটি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে যাচ্ছেন।

    মার্কিন ম্যাগাজিন ‘পেজ সিক্স’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৩ তারিখটি টেইলর সুইফটের জন্য অত্যন্ত সৌভাগ্যের সংখ্যা। এমনকি তার জন্মদিনও ১৩ ডিসেম্বরে। পছন্দের এই তারিখে বিয়ে করার জন্য সুইফট ইতোমধ্যে ভেন্যু বুকিংও নিশ্চিত করেছেন।

    মজার ব্যাপার হল, ওই দিনে ভেন্যুটি আগে থেকেই অন্য এক দম্পতির জন্য বুক করা ছিল। তবে সুইফট মোটা অঙ্কের ফি দিয়ে দিনটি নিজের নামে নিশ্চিত করেছেন বলে জানা গেছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বিয়েটি ব্যক্তিগত এবং আবেগপূর্ণ হলেও এতে তারকার অভাব থাকবে না বলে জানা যায়। আমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকায় সুইফটের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও বিনোদন জগতের অনেক তারকাই থাকছেন। চমকপ্রদ তথ্য হল, র্যাপার ফ্লেভার ফ্লেভ নিজেই বিয়ের অনুষ্ঠান পরিচালনার ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেছেন। এছাড়া জনপ্রিয় ব্রিটিশ সঞ্চালক গ্রাহাম নর্টনও উপস্থিত থাকতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে।

    হোটেল ভাড়া বৃদ্ধি 

    মার্কিন ওয়েবসাইট ‘এন্টারটেইনমেন্ট টুনাইট’ জানিয়েছে, এই পপ তারকার বিয়ের খবর প্রকাশের পর থেকেই রোড আইল্যান্ডের ওই ভেন্যুর আশপাশের হোটেলগুলোর ভাড়ায় ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। ইন্টারনেটে বিয়ের তারিখ ছড়িয়ে পড়ার পর হোটেলের রুম বুকিংয়ের হার যেমন বেড়েছে, তেমনি দামও বেড়েছে আকাশচুম্বী।

    দুই বছরের প্রেম ও বাগদান 

    টেইলর সুইফট এবং ট্রাভিস কেলসি প্রায় দুই বছর চুটিয়ে প্রেম করার পর গত বছরের ২৬ আগস্ট তাদের বাগদানের ঘোষণা দেন। সেই থেকে ভক্তরা অধীর আগ্রহে এই প্রেমিক যুগলের বিয়ের দিনের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। ১৩ জুন তারিখটি সুইফটের ব্যক্তিগত লাকি চার্ম হওয়ার কারণে বিয়ের জন্য এই দিনটিই বেছে নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    টেইলর সুইফট এ পর্যন্ত রেকর্ড চারবার গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসে ‘অ্যালবাম অব দ্য ইয়ার’ জয় করেছেন। অন্যদিকে ট্রাভিস কেলসি আমেরিকান ফুটবলের অন্যতম জনপ্রিয় তারকা। 

    সূত্র: মিড-ডে

    বিনোদন ডেস্ক

  • টেইলর সুইফটের নামে বালিশ-বিছানার চাদর বিক্রি, গায়িকার আইনি পদক্ষেপ

    একটি বেডিং প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এবার অভিযোগ তুলেছেন বিশ্বখ্যাত পপ তারকা টেইলর সুইফট। এ গায়িকার দাবি, নিউ ইয়র্কভিত্তিক ‘ক্যাথে হোম’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান তার নাম ও খ্যাতি ব্যবহার করে পণ্য বিক্রি করছে। বিষয়টি নিয়ে তাই আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি। 

    তার অভিযোগ, ‘সুইফট হোম’ নামে ট্রেডমার্ক ব্যবহার করে বিছানার চাদর ও বালিশ বাজারজাত করার চেষ্টা করছে প্রতিষ্ঠানটি। এতে সাধারণ গ্রাহকরা বিভ্রান্ত হয়ে পণ্যগুলোর সঙ্গে গায়িকার সম্পৃক্ততা আছে বলে মনে করতে পারেন— এমন আশঙ্কা থেকেই মার্কিন সরকারের কাছে ট্রেডমার্কটি বাতিলের আবেদন জানিয়েছেন তিনি। 

    টেইলর সুইফটের আইনজীবী জানিয়েছেন,  নিউইয়র্কভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ক্যাথে হোম তাদের পণ্যের ব্র্যান্ডিংয়ে ‘সুইফট হোম’ শব্দটি এমনভাবে লোগো হিসেবে ব্যবহার করেছে, যা গায়িকার স্বাক্ষরের অনুকরণ বলে মনে হয়। গত বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ইউনাইটেড স্টেটস প্যাটেন্ট অ্যান্ড ট্রেডমার্ক অফিসে জমা দেওয়া নথিতে সুইফটের প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিষ্ঠান টিএএস রাইটস ম্যানেজমেন্ট এলএলসি এই আপিল করে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    উল্লেখ্য, নিজের নাম, আদ্যক্ষর, অ্যালবামের নাম এমনকি গানের কিছু অংশের সুরক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রে ইতোমধ্যে ৩০০টিরও বেশি ট্রেডমার্ক নিবন্ধন করেছেন টেইলর সুইফট। পোশাক থেকে শুরু করে গৃহস্থালি পণ্য— নানা ক্ষেত্রে তার নাম ব্যবহারের অধিকার তিনি আগে থেকেই সংরক্ষণ করে রেখেছেন। 

    বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম ধনী সংগীতশিল্পী টেইলর সুইফট। তার রেকর্ডভাঙা বিশ্বভ্রমণ দ্য ইরাস ট্যুর থেকে আয়ের পর গায়িকার মোট সম্পদের পরিমাণ ১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। 

    বরাবরই নিজের ব্র্যান্ড ইমেজ রক্ষায় তাকে কঠোর অবস্থান নিতে দেখা যায়। সর্বশেষ এই আইনি পদক্ষেপ যেন তারই নতুন এক উদাহরণ।  

    সূত্র: বিবিসি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • নতুন গানের মিউজিক ভিডিওতে টেইলর সুইফটের চমক

    বিশ্বখ্যাত পপ তারকা টেইলর সুইফটের দ্বাদশ স্টুডিও অ্যালবাম ‘দ্য লাইফ অব আ শোগার্ল’-এর নতুন একক গান ‘ওপালাইট’-এর মিউজিক ভিডিও সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। নতুন এই মিউজিক ভিডিওটি ইতোমধ্যে ভক্তদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। 

    ভিডিওতে একঝাঁক তারকার উপস্থিতিতে দর্শকদের নব্বই দশকের নস্টালজিয়ায় ফিরিয়ে নিয়ে যান এ পপ গায়িকা।  ভিডিওর রচয়িতা ও পরিচালকও সুইফট নিজেই। 

    তবে ‘ওপালাইট’-এর মিউজিক ভিডিওর আইডিয়াটি কিন্তু মজার ছলেই তার মাথায় এসেছিল যেখানে কিলিয়ান মারফি, ডমনাল গ্লিসন, গ্রেটা লি এবং লুইস ক্যাপালডির মতো তারকারা অভিনয় করেছেন। 

    তারকাখচিত এই ভিডিওটি বানানোর ধারণা কীভাবে তার মাথায় আসল, সে প্রসঙ্গে সুইফট জানান- গত বছরের অক্টোবর মাসে যুক্তরাজ্যের জনপ্রিয় ‘গ্রাহাম নর্টন শো’ থেকে তিনি এই ধারণাটি পান। সেসময়ে এই শোতে কিলিয়ান মারফি, ডমনাল গ্লিসন, গ্রেটা লি এবং লুইস ক্যাপালডির সঙ্গে অতিথি হিসেবে টেইলর সুইফটও অংশ নিয়েছিলেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সুইফটের ভাষ্য, সেই শো চলাকালীন হ্যারি পটার খ্যাত অভিনেতা ডমনাল গ্লিসন রসিকতা করে সুইফটের ভিডিওতে অভিনয় করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। সেই মজার ছলে বলা কথা থেকেই সুইফটের মাথায় পরিকল্পনাটি আসে। 

    ইনস্টাগ্রামে সুইফট লিখেছেন, এটি যেন বড়দের জন্য একটি স্কুল গ্রুপ প্রজেক্ট ছিল। মজার ব্যাপার হল, ওই শো-এর সকল অতিথি এমনকি খোদ গ্রাহাম নর্টনও এই ভিডিওতে অভিনয় করেছেন। 

    ভিডিওর গল্পে দেখা যায় একটি ‘ওপালাইট স্প্রে’, যার জাদুকরি শক্তিতে জড় বস্তু মানুষে পরিণত হতে পারে। ভিডিওতে সুইফট একটি পাথরকে নিজের প্রিয় বন্ধু হিসেবে সঙ্গে রাখেন। অন্যদিকে ডমনাল গ্লিসনের সঙ্গী একটি ক্যাকটাস, যা ওপালাইট স্প্রে করার পর মানবী টেইলর সুইফটে রূপান্তরিত হয়। 

    গানের নাম ‘ওপালাইট’ রাখার পেছনে একটি ব্যক্তিগত কারণও খুঁজে পাচ্ছেন ভক্ত-অনুরাগীরা। সুইফটের বাগদত্তা ট্রাভিস কেলসির বার্থস্টোন (জন্মরত্ন) হল ‘ওপাল’, যার সঙ্গে গানটির নামের মিল রয়েছে।  গানটি বর্তমানে এই পপ তারকাকে ব্যাপক আলোচনায় রেখেছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • টেইলর সুইফটের ক্যারিয়ারে নতুন পালক

    টেইলর সুইফটের ক্যারিয়ারে এবার নতুন এক সফলতার পালক যুক্ত হল। মাত্র ৩৬ বছর বয়সেই ইতিহাসের দ্বিতীয় কনিষ্ঠতম গীতিকার হিসেবে ‘সংরাইটার্স হল অব ফেম’-এ স্থান পেতে যাচ্ছেন সুইফট। সংগঠনটি জানিয়েছে, আগামী ১১ জুন নিউইয়র্ক সিটির ম্যারিয়ট মারকুইস হোটেলে জমকালো এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সম্মাননা প্রদান করা হবে।  

    এর আগে ৩৩ বছর বয়সে সর্বকনিষ্ঠ হিসেবে এই কৃতিত্ব অর্জন করেন সোলের কিংবদন্তি স্টিভ ওয়ান্ডার। 

    সংরাইটার্স হল অব ফেমের এবারের তালিকায় সুইফট সহ আরও যোগ দেবেন অ্যালানিস মরিসেট, কেনি লগিনস এবং কিস ব্যান্ডের পল স্ট্যানলি ও জিন সিমন্স। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    উল্লেখ্য, এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৯ সালে। এতে জায়গা পেতে হলে গীতিকারের প্রথম গান প্রকাশের অন্তত ২০ বছরের অভিজ্ঞতা ও বিখ্যাত গানের তালিকা থাকা বাধ্যতামূলক।  আর সুইফট তো এই কাজে সব থেকে বেশি পারদর্শী। 

    এই পপ তারকা ইতোমধ্যেই ক্যারিয়ারে গ্র্যামি জিতেছেন ১৪টি। এর মধ্যে ‘অ্যালবাম অব দ্য ইয়ার’-এর শিরোপা তার হাতে উঠেছে মোট চারবার। পাশাপাশি এ গায়িকার ‘দ্য টর্চারড পোয়েটস ডিপার্টমেন্ট’ অ্যালবামটি ২০২৪ সালে মুক্তি পেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৮০ লাখ কপি বিক্রি হয়ে বিলবোর্ডের শীর্ষে রয়েছে। 

    বিনোদন ডেস্ক