Tag: জন্মদিন

  • ‘আমার হৃদয় চায় উড়ে পাকিস্তানে চলে যাই’

    নিজের ৮০তম জন্মদিনে পাকিস্তানের কাটানো স্মৃতি এবং সেখানকার মানুষের কাছ থেকে পাওয়া অফুরন্ত ভালোবাসার কথা গভীর অনুরাগের সঙ্গে স্মরণ করলেন প্রাক-স্বাধীন ও স্বাধীনোত্তর যুগের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী শবনম। 

    ঢাকায় আয়োজিত জন্মদিনের বিশেষ অনুষ্ঠানে ‘দেহলিজ’ খ্যাত এই কিংবদন্তি বাংলাদেশি অভিনেত্রী জানান, তার ভক্তরা ভালোবেসে নিজেদের কন্যাসন্তানদের নামও তার নামে রাখতেন।

    পাকিস্তান চলচ্চিত্রের স্মৃতিকাতরতায় তিনি বলেন, ‘আমি পাকিস্তানকে খুব মিস করি। আমার হৃদয় চায় উড়ে পাকিস্তানে চলে যাই।’ 

    নিজের দীর্ঘ অভিনয় জীবন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, তৎকালীন সময়ের প্রায় সব শীর্ষ নায়কের সঙ্গেই কাজ করার সুযোগ হয়েছে তার। তবে প্রবীণ অভিনেতা নাদিমের সঙ্গেই সবচেয়ে বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ৮০তম জন্মদিনে পদার্পণ উপলক্ষে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য অনুরাগী ও শুভানুধ্যায়ীদের শুভেচ্ছা বার্তায় সিক্ত হন এই বর্ষীয়ান অভিনেত্রী। নন্দিত এই অভিনেত্রী ১৯৪৬ সালের ১৭ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন। 

    উল্লেখ্য, শবনম তার ক্যারিয়ারে উর্দু, বাংলা ও পাঞ্জাবি মিলিয়ে প্রায় ১৬০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। বিশেষ করে পাকিস্তানের কিংবদন্তি অভিনেতা নাদিমের সঙ্গে তার অনস্ক্রিন জুটি তৎকালীন সময়ে একের পর এক সুপারহিট সিনেমা উপহার দিয়েছিল, যা আজও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের হৃদয়ে অমলিন। 

    সূত্র: সামা টিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৬০০ টাকা নিয়ে ঢাকায় এসে কিংবদন্তি, আইয়ুব বাচ্চুর জন্মদিন আজ

    বাংলা ব্যান্ড জগতের কিংবদন্তি শিল্পী আইয়ুব বাচ্চু। দেশের জনপ্রিয় এই গায়ক, গিটারবাদক, গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক ১৯৬২ সালের আজকের এই দিনে (১৬ আগস্ট) চট্টগ্রাম শহরে জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র ৫৬ বছরের ছোট্ট জীবনে এই কিংবদন্তি বাংলা ব্যান্ডজগতকে কেবল সমৃদ্ধই করে গেছেন। বেঁচে থাকলে আজ ৬৪ বছরে পা দিতেন তিনি। 

    ১৯৭৮ সালে ‘ফিলিংস’ ব্যান্ডের মাধ্যমে ব্যান্ড সংগীতে পথচলা শুরু করেন আইয়ুব বাচ্চু। ১৯৮৩ সালে মাত্র ৬০০ টাকা নিয়ে পা রাখেন ঢাকায়। এরপর প্রতিভা, পরিশ্রম ও অদম্য ইচ্ছাশক্তির মাধ্যমে ধীরে ধীরে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা হিসেবে। এরপর ১০ বছর সোলস ব্যান্ডের লিড গিটারিস্ট হিসেবে কাজ করেন তিনি। 

    ১৯৯০ সালে যাত্রা শুরু হয় তার নিজের ব্যান্ড দল ‘এলআরবি’র। শুরুতে ব্যান্ডটির নাম ‘লিটল রিভার ব্যান্ড’ রাখা হলেও পরবর্তী সময়ে ‘লাভ রান্স ব্লাইন্ড’ বা এলআরবি নামে এটি পরিচিতি পায়। 

    রক সংগীতের বরপুত্র হিসেবে খ্যাত হলেও আইয়ুব বাচ্চু নিজের সুরের ভুবন কেবল একটি নির্দিষ্ট ঘরানায় সীমাবদ্ধ রাখেননি। আধুনিক গান, লোকসংগীত কিংবা চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক—সবখানেই তিনি শ্রোতাদের বিমোহিত করেছেন তার অসাধারণ কণ্ঠ, সুর ও গিটারের জাদুকরী মূর্ছনায়। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    শ্রোতাদের সামনে হাসিমুখ ও উল্লাসের আড়ালে এই শিল্পীর ভেতরে লুকিয়ে ছিল গভীর অভিমান। কাছে থেকে যারা তাকে চিনেছেন, তাদের মতে তিনি ছিলেন অত্যন্ত আবেগপ্রবণ ও সংবেদনশীল এক হৃদয়বান মানুষ। তবে নিজের ভেতরে জমে থাকা কষ্টের কথাগুলো মুখ ফুটে না বললেও, তা ফুটে উঠত তার গান আর সুরের মুর্ছনায়। 

    জানা যায়, মায়ের প্রয়াণ ছিল তার জীবনের সবচেয়ে বড় ধাক্কা। মায়ের প্রতি গভীর ও নিঃশর্ত ভালোবাসার কথা তিনি বারবার প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন আড্ডায় ও সাক্ষাৎকারে। মায়ের এই না-ফেরার দেশে চলে যাওয়া তার আত্মাকে গভীরভাবে ক্ষতবিক্ষত করেছিল। 

    পাশাপাশি, ব্যান্ডের সহশিল্পীদের দলছুট হওয়াও তাকে প্রবলভাবে আহত করত। কারণ ব্যান্ড সদস্যদের তিনি কেবল মিউজিশিয়ান মনে করতেন না, ভাবতেন তার নিজের পরিবারেরই অংশ। আর আইয়ুব বাচ্চুর সবচেয়ে বড় ভালোবাসা ছিল গিটার। তিনি বলতেন, গিটারই তার প্রথম ও শেষ ভালোবাসা। জীবনের বড় একটি অংশ তিনি গিটার সংগ্রহ ও বাজানোর পেছনে ব্যয় করেছেন। 

    দীর্ঘ কয়েক দশকের সংগীত জীবনে অসংখ্য কালজয়ী ও শ্রোতাপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন আইয়ুব বাচ্চু। ‘চলো বদলে যাই,’ ‘হাসতে দেখো,’ ‘এখন অনেক রাত,’ ‘রুপালি গিটার’, ‘মেয়ে’ ‘আমি কষ্ট পেতে ভালোবাসি,’ ‘সুখের এ পৃথিবী,’ ‘ফেরারী মন,’ ‘উড়াল দেবো আকাশে,’ ‘বাংলাদেশ,’ ‘আমি বারো মাস তোমায় ভালোবাসি,’ ‘এক আকাশের তারা,’ ‘সেই তারা ভরা রাতে,’ ‘কবিতা,’ ‘আমি তো প্রেমে পড়িনি,’ ‘তিন পুরুষ,’ ‘যেওনা চলে বন্ধু,’ ‘বেলা শেষে ফিরে এসে,’ ‘আমি তো প্রেমে পড়িনি,’ ‘তিন পুরুষ’ সহ অসংখ্য জনপ্রিয় গানের স্রষ্টা তিনি। 

    ২০১৮ সালের ১৬ আগস্ট ঘরোয়া আয়োজনে কাছের মানুষদের নিয়ে নিজের শেষ জন্মদিন পালন করেছিলেন আইয়ুব বাচ্চু। তার মাত্র দুই মাস পর ১৮ অক্টোবর হঠাৎ করেই না ফেরার দেশে চলে যান বাংলা ব্যান্ড সংগীতের এই কিংবদন্তি। 

    আইয়ুব বাচ্চুর চলে যাওয়ার প্রায় ৮ বছর হতে চললেও এ কিংবদন্তির সৃষ্টি, গান ও গিটারের সুর প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে তাকে বাঁচিয়ে রাখবে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • যার এক হাসিতেই কুপোকাত, সেই অভিনেত্রীর পড়াশোনা কতদূর?

    যার এক হাসিতেই কুপোকাত সবাই, বলিউডের জনপ্রিয় সেই লাস্যময়ী অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিতের আজ জন্মদিন। বৃহস্পতিবার (১৫ মে) ৫৭ বছরে পা রাখলেন বলিউডের ‘ধক ধক গার্ল’। তবে ৬০ ছুঁই ছুঁই বয়সেও মাধুরী তার সৌন্দর্যে দিব্যি হার মানাতে পারেন যেকোনো বলিউড তারকাকেই।

    ১৯৬৭ সালের ১৫ মে মহারাষ্ট্রে মারাঠী ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন লাস্যময়ী এই তারকা। তার বাবার নাম শঙ্কর দীক্ষিত ও মা স্নেহলতা দীক্ষিত। তাদের পরিবার মুম্বাই শহরের আদি বাসিন্দা। ১৯৮৪ সালে নাট্যধর্মী সিনেমা ‘অবোধ’-এর হাত ধরে বলিউডে অভিষেক হয় মাধুরীর।

    বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান নন মাধুরী। তার দুই বোন ও ভাইও রয়েছে। অভিনয় ছাড়াও মাধুরী প্রশিক্ষিত নৃত্যশিল্পী। মাত্র তিন বছর বয়স থেকেই নাচ শিখতেন তিনি। তারপর ধীরে ধীরে হয়ে ওঠেন প্রশিক্ষিত ও পেশাদার কত্থক নৃত্যশিল্পী। 

    আন্ধেরির ডিভাইন চাইল্ড হাইস্কুলে মাধুরী শিক্ষা অর্জন করেন। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি নাটকের মতো অতিরিক্ত পাঠ্যক্রমিক কার্যকলাপে অংশ নেন। একজন মাইক্রোবায়োলজিস্ট হওয়ার আকাঙ্ক্ষায় মাধুরী ভিলে পার্লের (মুম্বাই) সাথায়ে কলেজে ভর্তি হন। সেখানে বিএসসিতে মাইক্রোবায়োলজি বিষয়ে অধ্যয়ন করেন। তবে কোর্স শুরু করার ছয় মাস পরই মাধুরী পড়াশোনা বন্ধ করে চলচ্চিত্রে পূর্ণকালীন ক্যারিয়ার গড়ার সিদ্ধান্ত নেন।

    পড়াশোনার পাঠ চুকিয়ে সম্পূর্ণভাবে অভিনয়ে মনোনিবেশ করেন মাধুরী। এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেন, দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ার সময় থেকেই তিনি ভাবছিলেন নতুন কী করা যেতে পারে। এরই মাঝে রাজশ্রী প্রোডাকশনের ‘অবোধ’ সিনেমার জন্য নতুন মুখ খোঁজা হচ্ছিল। আর সেখানেই সুযোগটা পেয়ে যান তিনি।

    ব্যক্তিগত জীবনে মাধুরীর স্বামী শ্রীরাম নেনে পেশায় একজন চিকিৎসক। স্বামীর কর্মসূত্রেই দীর্ঘ দিন বিদেশে কাটিয়েছেন অভিনেত্রী। সেই সময় সম্পূর্ণ সংসারেই মনোনিবেশ করেছিলেন তিনি। দম্পতির দুই পুত্র সন্তান রয়েছে। তাদের নাম অরিন ও রায়ান।

    এদিকে মাধুরী দীক্ষিত তার অভিনয় ক্যারিয়ারে ৬টি ফিল্ম ফেয়ার অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। ২০০৮ সালে তাকে ভারত সরকারের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার পদ্মশ্রীতেও সম্মানিত করা হয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাকিবের জন্মদিনে ভারতীয় তারকার ‘এক পৃথিবী শুভেচ্ছা’

    ঢাকাই সিনেমার সুপারস্টার শাকিব খানের জন্মদিন আজ। ১৯৮৩ সালের এই দিন নারায়ণগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার প্রকৃত নাম মাসুদ রানা। চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে এসে নাম বদলে হয়েছেন শাকিব খান।

    শাকিব খানের জন্মদিনে অনেক তারকা শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ভারতীয় টেলিভিশন এবং চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ইধিকা পালও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    সাকিবের সঙ্গে তোলা একটি ছবি পোস্ট করে ইধিকা লিখেন, ‘এক পৃথিবী শুভেচ্ছা রইল জন্মদিনের! আপনি এমনি করেই মানুষের মনের মণিকোঠায় “মেগাস্টার” হয়ে থাকুন, সমাদরে থাকুন , ভালোবাসায় থাকুন।’

    ১৯৯৯ সালে নির্মাতা সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত ‘অনন্ত ভালোবাসা’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় শাকিব খানের। তারপর কয়েক বছর কেটে গেলেও ২০০৭ সালে ‘কিং খান’ হিসেবে তারকা খ্যাতি লাভ করা শুরু করেন তিনি।

    এরপর অভিনয়ের মাধ্যমে জায়গা করে নিয়েছেন দর্শকহৃদয়ে। আর এর বাইরে ব্যক্তিজীবনে ভালোবেসে চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস ও শবনম ইয়াসমিন বুবলীকে বিয়ে করেছিলেন। দুই নায়িকারই সন্তানের বাবা হয়েছেন তিনি। কিন্তু কারো সঙ্গেই স্থায়ী হয়নি সংসার।

    শুক্রবার (২৮ মার্চ) শাকিব খানের জন্মদিন উপলক্ষ্যে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে সিনেমার দৃশ্যে দুজনার একটি ফ্রেম পোস্ট করে ভালোবাসার ইমোজি দিয়ে অপু বিশ্বাস লিখেছেন, ‘শুভ জন্মদিন জীবন্ত মেগাস্টার শাকিব খান।’ এরপরই হ্যাশট্যাগ দিয়ে লিখেছেন- ‘আমার শাহরুখ খান।’

    অন্যদিকে সাবেক স্বামীর প্রতি ভালোবাসার কথা জানাতে বাদ রাখেন চিত্রনায়িকা শবনম বুবলীও। এ নায়িকা ফেসবুকে লিখেছেন- ‘শুভ জন্মদিন বাংলা চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির মহারাজা শাকিব খান।’ এর মাঝে জুড়ে দিয়েছেন ভালোবাসার ইমোজি।

    শাকিব খান অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলো হচ্ছে― ‘জানের জান’, ‘অনন্ত ভালোবাসা’, ‘ঠেকাও মাস্তান’, ‘স্বপ্নের বাসর’, ‘মুখোশধারী’, ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’, ‘প্রাণের মানুষ’, ‘সাহসী মানুষ চাই’, ‘বস্তির রানী সুরিয়া’, ‘খুনি শিকদার’, ‘আমার স্বপ্ন তুমি’, ‘সিটি টেরর’, ‘পিতার আসন’, ‘ডাক্তার বাড়ি’, ‘আমার প্রাণের স্বামী’, ‘তুই যদি আমার হইতি রে’, ‘১ টাকার বউ’, ‘প্রিয়া আমার প্রিয়া’, ‘মাই নেম ইজ সুলতান’, ‘ডেয়ারিং লাভার’, ‘দুই পৃথিবী’, ‘প্রিয়তমা’, ‘রাজকুমার’ ও ‘দরদ’।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আসিফ আকবরের জন্মদিন আজ

    বাংলা গানের যুবরাজখ্যাত গায়ক আসিফ আকবরের ৫৪তম জন্মদিন আজ। ১৯৭২ সালের এই দিনে কুমিল্লার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে তার জন্ম। 

    ২০০১ সালে তার প্রথম অ্যালবাম‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’ প্রকাশের পর স্ফুলিঙ্গের মতো ছড়িয়ে পড়ে সারা দেশের আনাচে কানাচে। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে দারুণ সাড়া ফেলে গানগুলো। সেই অ্যালবাম দিয়েই গানের জগতে নিজের নামটি প্রতিষ্ঠা করে নায়ক বনে যান আসিফ আকবর। 

    দেশের জনপ্রিয় এই শিল্পী বলেন, ‘বয়সটা বেড়ে যাচ্ছে। ৫৩ বছর শেষ হয়ে গেল। আরও কাজ করতে হবে অনেক।’

    আসিফ জানান, পঁচিশে মার্চ জাতির জীবনে কালো রাত। সেই রাতের শহিদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে জন্মদিন পালন করেন না আসিফ। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না। এই দিনটির প্রতি সম্মান জানিয়ে জন্মদিনের আয়োজন থেকে বিরত থাকা নিজের দায়িত্ব বলে মনে করেন আসিফ।

    ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’ অ্যালবামের পর আসিফের যে উত্থান সময়ের স্রোতে সেটা বেড়েছে। অডিও এবং সিনেমার গানে তিনি হয়ে উঠেছেন সফল এক নাম। উপহার দিয়েছেন একে একে ‘তুমিই সুখী হও’, ‘তুমিই কথা রাখনি, ‘তুমিও কাঁদবে একদিন’, ‘সুখে থেকো তুমি বান্ধবী’, ‘পাষাণী তুমি পাষাণী’, ‘তুমিই মনে রাখনি’, ‘বাতাসে প্রেম উড়িয়ে দিও’সহ ৩০টি একক অ্যালবাম।

    এছাড়া অসংখ্য মিশ্র ও দ্বৈত অ্যালবাম প্রকাশ হয়েছে তার কণ্ঠে। পাশাপাশি চলচ্চিত্রের গানেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ২০০৬ সালে‘রানীকুঠির বাকি ইতিহাস’ চলচ্চিত্রে গান গেয়ে পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।

    ক্রিকেটপাগল আসিফ ক্রিকেট নিয়ে গেয়েছেন দারুণ গান। ‘বেশ বেশ বেশ- শাবাশ বাংলাদেশ’ গানটি জনপ্রিয়তার বিচারে বাংলাদেশ ক্রিকেটের অঘোষিত থিম সং-এ পরিণত হয়েছে। পৃথিবীর যে প্রান্তেই খেলা হোক, সেখানে বাংলাদেশিরা থাকলে আসিফের এই গানটি বাজতে শোনা যায়।

    আজ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রকাশ হচ্ছে কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনের সঙ্গে আসিফের একটি দেশের গান ‘আমার পতাকা লাল সবুজে আঁকা’। ঈদ উপলক্ষে প্রকাশ হবে দ্বৈত গান ‘আমি শুধু তোমাকে চাই’। ঈদের পরও বেশ কয়েকটি গান ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করবেন তিনি। এর মধ্যে আছে দ্বৈত গান ‘তুমি শুধু তোমারই মতো’। এ গানে আসিফের সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন নবীন কণ্ঠশিল্পী জ্যোতি।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • আমিরের জন্মদিনে উদযাপন দেশজুড়ে, চমকের অপেক্ষায় বলিপাড়া

    বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট অভিনেতা আমির খান আর কয়েক দিন পরই প্রবীণ নাগরিকের তালিকায় নাম লেখাতে চলেছেন। কারণ বর্তমান বয়স তার ৬০ ছুঁইছুঁই।  ক্যালেন্ডার বলছে— আগামী শুক্রবার (১৪ মার্চ) থেকে এ অভিনেতা ‘প্রবীণ নাগরিক’। কিন্তু তার চেহারা বলছে— ‘চকোলেট হিরো’র যাবতীয় লক্ষণ তাকে ছেড়েও যেন ছাড়েনি। আজও তিনি হাসলে অনেক নারীর বুকে দোলা লাগে। তারই জেরে নাকি উত্তর বসন্তে আমিরের প্রেমে পড়েছেন বেঙ্গালুরুর এক নারী।

    আবার কাজের সময় এই নায়কই প্রচণ্ড খুঁতখুঁতে। ক্যামেরার খুঁটিনাটি থেকে বাকি সহ-অভিনেতাদের অভিনয়— কোনো কিছুই তার শোনদৃষ্টি এড়ায় না। এমন এক ব্যক্তির জন্মদিনে বিশেষ আয়োজন থাকবে না, তা কি করে হয়?

    বলিউড সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৪ মার্চ থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত আমির অভিনীত নানা স্বাদের ছবি দেখানো হবে। এই বিশেষ উদযাপনের নাম ‘আমির খান: সিনেমা কা জাদুগর’। গতকাল রোববার (৯ মার্চ) এ কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করলেন চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতার। তিনি জানিয়েছেন, দেশের বিভিন্ন মাল্টিপ্লেক্সে আমিরের বাছাই করা ছবি দেখতে পাবেন তার ভক্ত-অনুরাগীরা। জন্মদিন উপলক্ষ্যে আমির অভিনীত নানা স্বাদের ছবি দেখানো হবে। এমন একটি ঘোষণার জন্য কেন জাভেদকে বেছে নেওয়া হলো?

    তারও জবাব রয়েছে। জাভেদের লেখা চিত্রনাট্যেই প্রথম অভিনয় করেছিলেন মিস্টার পারফেকশনিস্ট অভিনেতা। একইভাবে ফারহান আখতারের প্রথম সিনেমাও আমিরের সঙ্গে। অভিনেতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে জাভেদ আখতার জানান, তিনি কিছুতেই ‘দঙ্গল’ সিনেমার কথা ভুলতে পারেন না। যেখানে বয়সের আগেই আমির এ ছবিতে বয়ঃবৃদ্ধ পিতা। তিন কন্যার অভিভাবক। আমিরের সব সিনেমার মধ্যে বর্ষীয়ান চিত্রনাট্যকার তাই এই সিনেমাকেই এগিয়ে রাখেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ছোট বোনের জন্মদিনে শাবনূরের অনন্য উপহার

    ছোট বোন ঝুমুরের গাওয়া গানে বড় বোন ঢাকাই সিনেমার এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাবনূরের একটি মিউজিক ভিডিও প্রকাশ হয়েছে। ঝুমুরের জন্মদিন উপলক্ষে গানটি সোমবার ঝুমুর মেলোডি ইউটিউবে প্রকাশিত হয়েছে। 

    গানটিতে কণ্ঠ দেওয়ার পাশাপাশি ভিডিওতে মডেলও হন ঝুমুর। গানটির সংগীত পরিচালনায় ছিলেন জে কে মজলিশ।

    ‘সুখ তুমি নিও, দুঃখ আমায় দিও’ গানটির ভিডিও বানিয়েছেন অভিনেত্রী শাবনূর। গত বছরের শেষদিকে তার কণ্ঠে একটি কাভার গান প্রকাশিত হয়েছে। মাসখানেকের ব্যবধানে এবার নতুন একটি গান প্রকাশিত হলো। 

    আর এর মধ্যদিয়েই নতুন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফিরছেন শাবনূর। ইউটিউবের মাধ্যমে এবার গান নিয়ে শ্রোতাদের কাছে ফিরতে উৎসাহিত করেছেন ছোট বোনকে। বর্তমানে তারা দুজনই অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে থাকেন।

    ঝুমুর জানান, ২০০৫ সালের দিকে গানটির ভিডিও বানানো হয়। তখন ভিডিওটি পরিচালনা করেন শাবনূর। গানটি এর আগে অন্য একটি ইউটিউব প্ল্যাটফর্মে আপলোড করা হয়েছিল। এরপর গানটি সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। দীর্ঘ সময় পর গানটি আবার প্রকাশ করা হলো। 

    তিনি জানান, শাবনূর এখন অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে থাকেন। তিনিও পরিবার নিয়ে সেখানে থাকেন। তবে শখের বশে বিভিন্ন পারিবারিক আয়োজনে গান গেয়ে থাকেন।

    ঝুমুর বলেন, আমার স্মৃতিতে উজ্জ্বল হয়ে রয়েছে এই গানের শুটিংয়ের দিনের কথা। সারা দিন পরিচালনা নিয়ে অনেক ব্যস্ত ছিল শাবনূর, আমি ভারি গাউন পরে একটা দিন শুধু গানের ভিডিওতে কাজ করেই বুঝে গিয়েছিলাম- এসব আমার জন্য নয়। সেদিনই বুঝতে পেরেছিলাম, পর্দায় তারকাদের জীবন যতটা চাকচিক্যপূর্ণ মনে হয়, বাস্তবে তাদের প্রতিটা দিন অনেক বেশি পরিশ্রমের। আপুর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা সেদিন আরও অনেক বেশি বেড়ে গিয়েছিল।

    ২০০৫ সালে শাবনূরের উৎসাহেই ঝুমুরের গানে অভিষেক হয়েছিল। একই বছরে সাতটি বাংলা সিনেমায় গান গেয়েছিলেন ঝুমুর। এরপর উচ্চশিক্ষার জন্য অস্ট্রেলিয়ায় চলে আসেন। একসময় শাবনূরও থিতু হন অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে। 

    গানের প্রসঙ্গে শাবনূর বলেন, এই গানের কথা আমার প্রায়ই মনে পড়ে। সিনেমার গানের দৃশ্যধারণ করতে করতে একসময় নিজেরও ইচ্ছা হয়, কোনো দিন যদি গানের ভিডিও ডিরেকশন দেওয়া যায়। সেই শখ পূরণ করে দিয়েছিল ঝুমুরই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জন্মদিনে রাতভর উল্লাস, নিরাপত্তার ঘেরাটোপে সালমান

    জন্মদিনে নাকি বলি‘ভাইজান’খ্যাত অভিনেতা সালমান খান পার্টি দেবেন না। বাইরের কেউ ডাক পাবেন না তার জন্মদিনের আগাম নৈশপার্টিতে, তাই তার জন্মদিনে কোনো পার্টি হবে না—এমনই কথা ছিল।  কিন্তু ভাইজানের জন্মদিনে কোনো পার্টি হবে না—এও কি সম্ভব? 

    ৫৯তম জন্মদিনে সালমান খান পার্টি করেছেন ঠিকই, তবে উপরিউক্ত শর্ত অক্ষরে অক্ষরে মানা হয়েছে। আঁটসাঁট নিরাপত্তায় বাইরের ‘মাছি’টিও খানদানের অন্দরে গলতে পারেনি। তাতে অবশ্য জমায়েতে ভাটা পড়েনি। লতাপাতায় খান পরিবারের সঙ্গে জড়িত প্রায় সবাই ২৬ ডিসেম্বর রাত থেকে গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টে উপস্থিত ছিলেন। সেই সঙ্গে ছিলেন সালমান খানের দেহরক্ষীরাও।

    রাত যত গভীর হয়েছে, মুম্বাই ততই লাস্যময়ী ও আগাগোড়া। ২৫ ডিসেম্বর বলি তারকারা ঝেঁটিয়ে নৈশপার্টিতে মেতেছিলেন। খান পরিবার সেই দিন থেকেই তৈরি ছিল। ২৬ ডিসেম্বর ঘড়ির কাঁটা রাত ১২টার দিকে এগিয়েছে। গাড়ির ভিড় বেড়েছে আবাসনের সামনেও। সালমানের জন্মদিনেই জন্মদিন তার ভাগনির। খানদানের অন্দরমহল লোকে লোকারণ্য। টেবিলে রেড ভেলভেট থেকে তিন থাকের রামধনু কেক, চকলেট কেকের সারি। কালো টি শার্ট, বাদামি জ্যাকেট আর জিন্সে সেজে ‘বার্থ ডে বয়’। একের পর এক কেকের বুকে ছুরি বসিয়ে গেছেন তিনি। বাড়িতে কচিকাঁচা থেকে বর্ষীয়ানদের উল্লাসের মচ্ছব।

    সেই জন্মদিনের ছবি ও ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। কেবল যেন হাসি নেই ‘কিসি কি ভাই কিসি কা জান’-এর মুখে। চোখের কোলে ক্লান্তি ভর করেছে।

    জেঠুকে শুভেচ্ছা জানাতে পার্টিতে হাজির ছিলেন সোহেল খানের একমাত্র ছেলে নির্বাণ খানও। এসেছিলেন সস্ত্রীক অভিনেতা আয়ুশ খান, নিখিল দ্বিবেদী, গৌরি পণ্ডিত। 

    এদিকে ‘বিগ বস ১৮’-তেও ‘উইকঅ্যান্ড কা ভার’-এ সালমানের জন্মদিন পালনের আয়োজন করে। প্রথমে ঠিক ছিল— পুরো খানদান হাজির থাকবে সেখানে। কিন্তু পরে নিরাপত্তার খাতিরে সেই উদ্যোগ বাতিল করা হয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দেবের জন্মদিনে রুক্মিণীর আবেগঘন পোস্ট

    ওপার বাংলার তারকা জুটি দেব-রুক্মিণী। অফস্ক্রিন হোক বা অনস্ক্রিন সব জায়গাতেই সুপারহিট তারা। এদিকে দেবের জন্মদিন উপলক্ষ্যে পার্টি ছিল একেবারে অন্যরকম।

    ‘মন মানে না’ থেকে ‘পাগলু ডান্স’- একের পর এক গানে নাচতে দেখা যায় তাদের। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে এসব ভিডিও শেয়ার করেছেন। 

    দেবকে শুভেচ্ছা জানিয়ে রুক্মিণী পোস্ট দিয়ে লিখেছেন, এই বিশ্বের কাছে প্রার্থনা জানাই, শুধু তোমার জন্মদিন নয়, প্রতিটা দিন শুভ করার জন্য। এমনভাবেই চালিয়ে যাও। আরও সফল হও। অপরাজিত থেকো। কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মানুষের জন্য ভালো কাজ করো। এই মহাবিশ্ব সবসময় তোমার পাশে থাকবে। শুভ জন্মদিন দেব, ভালোবাসা সব সময়ের জন্য।

    ম্যাচিং কালো পোশাকে এ দিন পার্টিতে দেখা যায় এ তারকা জুটিকে। অভিনেত্রী মনামী ঘোষ জন্মদিনের পার্টির একঝাঁক ছবিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেছেন। কেক কাটা, ছবি তোলার পাশাপাশি তারা জমিয়ে নাচলেন। ‘মন মানে না’ সিনেমার গানে দেব আর রুক্মিণীর নাচের মুহূর্তে হলো ক্যামেরাবন্দি।

    দেবের জন্মদিনের পার্টিতে উপস্থিত ছিল তাদের কাছের মানুষেরা। যিশু সেনগুপ্ত ও সৃজিত মুখার্জিকেও দেখা যায়। একটি ছবিতে দেবকে দেখা মিলল মনামী ঘোষের সঙ্গে ক্যামেরায় পোজ দিতে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অবশেষে প্রেমে সিলমোহর কৃতির

    বেশ কিছু দিন ধরে জল্পনা ছিল, লন্ডন নিবাসী শিল্পপতি কবীর বহিরার সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন কৃতি শ্যানন। বলিউডে বেশ কিছু দিন ‘একাকিনী’ তকমা নিয়েই ছিলেন অভিনেত্রী। তবে গত জুলাইয়ে জন্মদিনের সময় থেকে জল্পনা শুরু হয় কৃতির সম্পর্ক নিয়ে। অবশেষে সেই প্রেমেই সিলমোহর দিলেন অভিনেত্রী। প্রকাশ্যে কবীর বহিয়ার সঙ্গে ধরা দিলেন কৃতি।

    পরিবারের সঙ্গে ঘটা করে দীপাবলি পালন করেছেন অভিনেত্রী। তবে সেই উদযাপনে ছিলেন একেবারেই ঘনিষ্ঠ পরিমণ্ডল। দেখা যায় কবীরকেও। ছবি থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায়, গুঞ্জন শুধু নয়। সত্যিই সম্পর্কে রয়েছেন তারা। আর এ বার প্রকাশ্যে এসে সেই জল্পনাই স্পষ্ট করলেন অভিনেত্রী। সেই ভিডিও ছড়িয়েছে নেটপাড়ায়।

    ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, কৃতির পরনে কালো শর্টস ও কালো টপ। তার ওপরে চাপিয়ে নিয়েছেন রংচঙে জ্যাকেট। পায়ে স্নিকার্স। বিমানবন্দরে হাজির কৃতি। ছবিশিকারিদের ক্যামেরায় ধরা দেন তিনি। তবে নেটাগরিকের চোখ এড়ায় না কিছুই। কিছুটা দূরেই দাঁড়িয়ে ছিলেন কবীর। তার পরনে কালো টিশার্ট ও ডেনিম প্যান্ট। দীপাবলি একসঙ্গে কাটিয়ে একসঙ্গে ছুটি কাটাতে চললেন তারা? প্রশ্ন তুলেছেন নেটাগরিকেরা।

    জন্মদিনে মাইকোনস নামে গ্রিসের এক দ্বীপে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন কৃতি। সেখানেই কবীরের সঙ্গে ক্যামেরাবন্দি হয়েছিলেন অভিনেত্রী। দেখা গিয়েছিল, একটি পার্টিতে বেশ সুখী সময় কাটাচ্ছেন যুগলে। তাদের অজান্তেই সেখানে উপস্থিত কেউ ছবি তুলেছিলেন।

    কিছু দিন আগেই মুক্তি পেয়েছে কৃতির ছবি ‘দো পত্তি’। দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী। অভিনয় প্রশংসিত হলেও ছবিটির সমালোচনা হচ্ছে নেটপাড়ায়। এই ছবিতেই পুলিশের চরিত্রে অভিনয় করেছেন কাজল।

    বিনোদন ডেস্ক