Tag: চিত্রনায়িকা

  • মাকে নিয়ে পরীমনির আবেগঘন পোস্ট

    ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমনি। অভিনয় হোক বা অন্য কোনো বিষয়, বরাবরই নানা ইস্যুতে সংবাদের শিরোনামে জায়গা করে নেন তিনি। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্ট ঘিরে ফের আলোচনায় এই অভিনেত্রী। 

    শুক্রবার (২২ মে) দুপুরের দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের মাকে নিয়ে আবেগঘন একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন পরী। সেখানে মাতৃত্বের অনুভূতি এবং নিজের মা না থাকার শূণ্যতার বিষয়টি প্রকাশ করেছেন তিনি।  

    পরী লিখেছেন, ‘আমার ছেলে অসুস্থ হলে একদম ছোট্ট বাচ্চা হয়ে যায়। বিড়ালের মতো গায়ে ঘেঁষে থাকে সারাক্ষণ। শুধু আমি আমার মায়ের গা ঘেঁষতে পারি না।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    স্ট্যাটাসের মন্তব্যের ঘরে অভিনেত্রীর ভক্ত-অনুরাগী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের তার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে দেখা গেছে। কেউ কেউ অভিনেত্রীর জন্য সহমর্মিতা জানিয়েছেন, সান্ত্বনা প্রকাশ করেছেন। 

    সাথী আরজু নামের এক নেটিজেন পোস্টে মন্তব্য করেছেন, ‘মা তো মা-ই, মায়ের অভাব কেউ পূরণ করতে পারে না’। নিশি ইসলাম নামে আরেকজনের মন্তব্য, ‘যার মা নাই সেই বোঝে মা না থাকার কী যন্ত্রণা’। ফারহানা জলি লিখেছেন, ‘অসুস্থ হলে মাকে অনেক প্রয়োজন পড়ে’। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিশেষ সম্মাননা পেলেন বুবলী

    ঈদে মুক্তি পেয়েছে ‘জংলি’। সেই সিনেমায় অভিনয়ের জন্য প্রশংসায় ভাসছেন চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। এরইমধ্যে তাকে বিশেষ সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে। বুবলী চলচ্চিত্র অভিনেত্রী হিসেবে আলোকিত নারী সম্মাননা পেয়েছেন।

    শনিবার রাজধানীর আগারগাওয়ে লায়ন্স টাওয়ারে আযোজিত এক অনুষ্ঠানে বুবলীর হাতে ‘আলোকিত নারী সম্মাননা স্মারক ২০২৫’ তুলে দেন একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য অভিনেত্রী দিলারা জামান।

    বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন এই অভিনেত্রী। তিনি লিখেছেন, পৃথিবীর সব নারীর প্রতি ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা।

    বুবলী আরও লিখেছেন, কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মাননা প্রাপ্তি সবসময়ই অনেক ভালোলাগার। এটা আরও ভালো কাজের জন্য উৎসাহ যোগায়। তবে সফল সব নারীদের নিয়ে কোনো আয়োজনে যখন আলাদা করে সম্মাননা জানানো হয় তখন একটু বেশিই আনন্দ দেয়। কারণ, একজন নারী হিসেবে এটি ভীষণ গর্বের এবং সম্মানের। আর এই সম্মাননাটি গ্রহণ করি আমি আমাদের জীবন্ত কিংবদন্তী অভিনেত্রী শ্রদ্ধেয় দিলারা জামান ম্যামের হাত থেকে, এটাও অনেক অনেক ভালোলাগার বিষয়।

    ঈদে মুক্তি পেয়েছে বুবলী অভিনীত ‘জংলি’ সিনেমা। এ সিনেমা প্রসঙ্গে বুবলী বলেন, প্রথম দিন থেকে এখন পর্যন্ত ভালোবাসা পাচ্ছে ‘জংলি’। পরিবারসহ সবাই দেখছেন- এটা একজন শিল্পী হিসেবে সত্যিই ভীষণ ভালোলাগার। আমার বিশ্বাস এই ভালোলাগার রেশ থেকে যাবে বহুদিন।

    এদিকে বুবলীর প্রযোজনা সংস্থা ‘বিগ প্রোডাকশনস’ থেকে শিগগিরই কাজ শুরু হতে যাচ্ছে। এরইমধ্যে তিব্বত লাক্সারি সোপর বিজ্ঞাপনেও মডেল হয়েছেন তিনি। এটি নির্মাণ করেছেন সনক মিত্র।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমার সামনে দুটি পথ খোলা ছিল: পপি

    দীর্ঘ চার বছরের বেশি সময় ধরে শোবিজ অঙ্গনের বাইরে থাকার পর সম্প্রতি পারিবারিক এক ইস্যুতে আলোচনায় আসেন চিত্রনায়িকা পপি। বর্তমানে স্বামী ও এক সন্তান নিয়ে পুরোদস্তুর একজন সংসারী এক সময়কার এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী।

    সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে বিয়ে, মা হওয়া, নিজের ক্যারিয়ারসহ জীবনের নানা উত্থান-পতন নিয়ে কথা বলেছেন পপি।

    দীর্ঘ ওই সাক্ষাৎকারের একপর্যায়ে অভিনেত্রী জানান, বিয়ে নিয়ে তার কোনো পরিকল্পনা ছিল না। তার ভাষ্য, ২০১৯ সালে বাসায় একটা ‘ভয়াবহ দুর্ঘটনা’ ঘটে। সেদিন অনেক বড় অঙ্কের টাকা চুরি হয়। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে থানায় জিডি করেন। পরে তাকে রমনা থানায় ডাকা হয়।

    সেদিনের বর্ণনা দিতে গিয়ে পপি বলেন, ‘সেদিন আদনানকেও ডাকি। থানায় গিয়ে দেখলাম, আমার ভাই-বোনেরা। ঘটনাচক্রে জীবন নিয়ে আমি আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। মনে হলো, আমি কারো কাছে নিরাপদ নই। ফিল্মের কাজে সবার সঙ্গে মিশেছি ঠিকই, কিন্তু আপনজন কেউই ছিল না। বরাবরই আমি পরিবার অন্তঃপ্রাণ মানুষ। অথচ সেই আমার কাছেই পরিবারের সবাই অচেনা হয়ে গেল। সম্পত্তি ও টাকাপয়সা নিয়ে জটিলতা শুরু হয়। জটিলতার এই পুরো সময়ে আদনান আমাকে ছায়ার মতো আগলে রেখেছে। কোনো জটিলতাই আমাকে স্পর্শ করতে দেয়নি। আমার হাতটা শক্ত করে ধরে বলেছিল, ‘আমি আছি, নো টেনশন।’

    অভিনেত্রী বলেন, ওই সময়ে এমন একজন বন্ধুকে যদি না পেতাম, আমার জীবনটাই বিপন্ন হয়ে যেত। ২০২০ সালের দিকে আবার জটিলতা শুরু হয়। তখনো ভাবলাম, আমাকে মা-বোনেরা বাঁচতে দেবে না। বাসা থেকে বের হয়ে পড়ি। যোগাযোগ করি আদনানের সঙ্গে। এরপর আমার জায়গাজমির দলিল, ব্যাংকের কাগজপত্র ও প্রয়োজনীয় সব ডকুমেন্ট পুলিশের সহযোগিতায় উদ্ধার করি। বলতে পারেন, রীতিমতো জীবন বাঁচাতে বাসা থেকে পালিয়ে গেলাম। তখন আমার সামনে দুটি পথ খোলা ছিল; হয় আত্মহত্যা করতে হতো, নয়তো ওদের হাতে খুন হয়ে যেতে…।

    পপি বলেন, আদনানই তখন আমাকে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছে। পরিস্থিতির কারণে আমরা বিয়ে করতে বাধ্য হই। ২০২০ সালের নভেম্বরে বিয়ে করি বাসায় কাজি ডেকে। আমার আত্মীয়স্বজন ছিলেন। এটা সত্য, বিয়েতে আমার মাকে ডাকিনি। হয়তো এটা বিশ্বাস করবে না কেউ, কিন্তু এটাই সত্য। আমার মা চাইতো না আমি বিয়ে করে সংসারী হই।’

    কথা প্রসঙ্গে পপি জানান, তিনি তার মতো সংসার শুরু করেন। স্বামীর সঙ্গে ধানমন্ডিতে থাকতেন। তার ভাষ্য, ‘আমার সংসার বাঁচানোর জন্য আমি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এরপর আমার স্বামী যেভাবে চেয়েছে, সেভাবেই জীবনটাকে গুছিয়ে নিয়েছি। আমি কিন্তু অনেকবার বলেছিও, বিয়ের পর আমি সিনেমা ছেড়ে দেব। আমার স্বামী না চাইলেও সিনেমায় কাজ করব না।’

    প্রথম পরিচয় কবে? জানতে চাইলে পপি বলেন, ‘আমাদের পরিচয় সাত বছরের। পরিচয়ের তিন বছর পর আমাদের বিয়ে হয়। তবে বিয়ে নিয়ে আমাদের কোনো পরিকল্পনাও ছিল না। আদনানের সঙ্গে আমার মা-বাবাসহ পরিবারের সবার সঙ্গে চমৎকার সম্পর্ক ছিল। দুই পরিবারে যাওয়া-আসা ছিল। আমরা সবাই মিলে ঘুরতেও গেছি। পারিবারিক বন্ধু, আমার অসাধারণ একজন শুভাকাঙ্ক্ষী। আমার যেকোনো বিপদে সে ছায়ার মতো পাশে ছিল।

    এর আগে মারধর ও হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে গত ৩ ফেব্রুয়ারি খুলনার সোনাডাঙ্গা থানায় পপির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন তার বোন ফিরোজা বেগম। 

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পৈতৃক জমি নিজ দখলে নিতে স্বামী ও তার সহযোগীসহ সোমবার বেলা সাড়ে ১২টায় সোনাডাঙ্গার শিববাড়িতে জড়ো হন তারা। বাধা দিলে একপর্যায়ে ফিরোজা পারভীনসহ সবাইকে হুমকি দেন পপি ও তার স্বামী।

    ফিরোজা বেগমের দাবি, পপি তাকে মারধর করেছেন এবং পপির স্বামী তাকে হত্যার হুমকি দিয়েছেন। এ অভিযোগের প্রমাণ হিসেবে সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশকে দেওয়া হয়েছে। তবে চিত্রনায়িকা পপি অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন।

    পারিবারিক বিরোধের কারণে পপির বিরুদ্ধে করা সেই অভিযোগের তদন্তের অনুমতি চেয়ে সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশ আদালতে আবেদন করেছে। সম্প্রতি খুলনার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই আবেদন করেন সোনাডাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক খালিদ উদ্দিন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • পপির স্বামী কে এই আদনান উদ্দিন কামাল?

    ঢাকাই চলচ্চিত্রের একসময়ের আলোচিত চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভিন পপি। অভিনয়গুণে দর্শকহৃদয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই জায়গা করে নিয়েছিলেন। একাধিক জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই নায়িকা দীর্ঘ সময় ধরে অন্তরালে রয়েছেন। হঠাৎ করেই নিজেকে আড়াল করে নেন এই অভিনেত্রী। 

    প্রথম দিকে পপির এ অনুপস্থিতিকে স্বাভাবিক মনে করেছিলেন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা। কিন্তু সময় যতই এগোতে থাকে ততই তাকে ঘিরে ধোঁয়াশা তৈরি হয়। নায়িকার আড়ালে যাওয়ার রহস্য খুঁজতে বেরিয়ে আসে তার গোপন সংসার ও সন্তান জন্মের খবর।

    অনুসন্ধানে প্রকাশ্যে এসেছে পপির স্বামীর পরিচয়, ছবি ও সন্তানের নাম। ছবিতে দেখা গেছে, সন্তানের জন্মদিন পালন করছেন পপি ও তার স্বামী। সন্তানের নাম রেখেছেন আয়াত। বয়স প্রায় চার বছর। আর তার স্বামীর নাম আদনান উদ্দিন কামাল। তিনি একটি গ্রুপ অব প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং ডিরেক্টর। জাহাজের ব্যবসা রয়েছে। লালবাগ কাজী রিয়াজ উদ্দিন রোডের বাসিন্দা।

    সোমবার অভিনেত্রীর বোন ফিরোজা পারভীন খুলনা নগরীর সোনাডাঙ্গা থানায় বোন পপির বিরুদ্ধে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

    সোনাডাঙ্গা থানার জিডি সূত্রে জানা গেছে, পৈতৃক জমি দখলের নেওয়ার জন্য স্বামী আদনান উদ্দিন কামাল, কল্লোল মজুমদার ও শিপনসহ পপি সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শিববাড়ি এলাকার ভাড়াটিয়া বাড়ির সামনে যান। এতে বাধা দিলে পপি ও তার স্বামী মিলে বোন ফিরোজা পারভীনকে হুমকি দেন। আর স্থানীয়রা জানান, পপি ও তার স্বামী বর্তমানে খুলনায় অবস্থান করছেন।

    এরই মধ্যে অভিনেত্রীর পরিবার জানায়, পপিকে জোর করে বিয়ে করে আদনান উদ্দিন কামাল। যদিও বিয়ের পর পপিকে মানসিকভাবে খুব একটা ভালো রাখেনি তার স্বামী। তাই স্বামীর মন রাখতে নিজ পরিবারের সম্পত্তি দখলে নেমেছেন নায়িকা। তাই পপির বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি করেছেন বোন ফিরোজা পারভিন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বাড়াতে যা করেন ববি

    ঢাকাই চিত্রনায়িকা ইয়ামিন হক ববি একযুগেরও বেশি সময় ধরে সিনেমায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। বিভিন্ন ধরনের অ্যাকশন ছবি থেকে শুরু করে রোম্যান্টিক ছবিতেও কাজ করেছেন তিনি।

    দর্শকদের কাছে ববির পরিচয় কখনো লেডি অ্যাকশন স্টার, আবার কখনো বিজলি। কিন্তু ববির ক্যারিয়ারে এমন অবস্থানে আসার পেছনের গল্প খুব একটা সুখকর ছিল না। যেমন, ইন্ডাস্ট্রিতে ছিল নানান প্রতিকূলতা, আবার ছিল না কোনো পারিবারিক সহায়তাও। সব মিলিয়ে নিজের চেষ্টায়, নিজের মাটি শক্ত করেছেন এই নায়িকা।

    সম্প্রতি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারিয়ার নিয়ে কথা বলেছেন ববি।

    ‘খোঁজ দ্য সার্চ’ সিনেমার নায়িকা ববি বলেন, ‘একজন শিল্পী সবসময়ই শিল্পী। তবে এই শিল্পীসত্তার বাইরে তাকে বহু মাধ্যমে কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। একটা মানুষের অনেকগুলো কোয়ালিটি থাকতে পারে। যদি কেউ ব্যবসা করে কিংবা অন্য কোনো পেশার সঙ্গে জড়িত হয় তাতে সমস্যার কিছু নেই। এতে একজন শিল্পীর অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বাড়ে। তবে ফোকাসটা অভিনয়ের ওপরই হওয়া উচিত। আমি নিজেও ব্যবসা করি। কিন্তু আমার মূল ফোকস অভিনয়। ফলে অভিনয়ে কাজ না থাকলেও সমস্যা হওয়ার কথা না।’

    গেল বছর ‘ময়ূরাক্ষী’ সিনেমা মুক্তির পর নির্মাতার সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে যান ববি। বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা কম হয়নি। এমন ঘটনা যে শুধু তার ক্ষেত্রেই ঘটেছে বা ঘটছে তা নয়। পারিশ্রমিকসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নির্মাতা-শিল্পীর মধ্যে বিবাদ হর-হামেশাই চোখে পড়ে।

    ববি হক বলেন, ‘খারাপ অভিজ্ঞতা আমি বেশি মনে রাখি না। ভালো অভিজ্ঞতাগুলো সবার সঙ্গে শেয়ার করি। আমাদের মধ্যে ঝামেলা নিয়ে কিছু বলার নেই। কারণ, নিজের পরিবারেও এমন ঘটনা অহরহ ঘটে। তবে একটা কথা বলতে চাই, আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে প্রফেশনালিজমের বড়ই অভাব। কাজের ক্ষেত্রে প্রফেশনাল হলে আমাদের মধ্যে এসব ভুল বোঝাবোঝি আর হবে না।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • নায়িকা রুবিনার হাতিরঝিল কাণ্ড: খোঁজ মিলেছে সেই গাড়ি মালিকের

    রাজধানীর হাতিরঝিলে রাইড শেয়ারিং উবার চালকের রহস্যজনক আচরণের মুখে পড়েছিলেন চিত্রনায়িকা নিঝুম রুবিনা। মঙ্গলবার উবারে চড়ে বনশ্রী থেকে ধানমন্ডি যাওয়ার পথে হাতিরঝিলে অবস্থা বেগতিক দেখে গাড়ি থেকে ঝাঁপ দেন এই নায়িকা। 

    সেই ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করেছিলেন অভিনেত্রী। এবার সেই গাড়ির মালিকের খোঁজ পাওয়া গেছে। তিনিও একজন নায়িকা!

    বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে রুবিনা বলেন, গাড়ির মালিকের সন্ধান পাওয়া গেছে। গাড়ির মালিক আমাদের ইন্ডাস্ট্রিরই একজন নায়িকা। পুলিশ তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে। কিন্তু এ ঘটনায় তিনি জড়িত কিনা, তা এখনো বুঝতে পারছি না। পুলিশের তদন্ত শেষে পুরো বিষয়টা জানতে পারব।

    এই অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘চালকের খোঁজ পাওয়া যাবে। উবার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পুরো ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। গাড়ির মালিকের কাছে চালকের যেসব তথ্য আছে, তা নিয়েই চালকের বাড়িতে যাওয়া হবে।’

    গত মঙ্গলবার দুপুরে রুবিনার সঙ্গে অপ্রীতিকর সেই ঘটনাটি ঘটে। রাতেই ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি জানান তিনি। পাশাপাশি ভিডিও বার্তায়ও সেই ভয়াবহ ঘটনার কথা মনে করে কাঁদতে দেখা যায় তাকে। 

    ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ওই পোস্টে রুবিনা লেখেন, ‘আমার স্বামী গ্রামের বাড়ি গিয়েছে। যে কারণে নিজের গাড়ি রেখেই বের হতে হয়। কারণ আমি ড্রাইভিং পারি না। যে কারণে রাইড শেয়ারিং উবারে কল করি বনশ্রী থেকে ধানমন্ডি যাব। চালক হাতিরঝিলে উঠে সরাসরি ধানমন্ডির রোডে না ঢুকে গুলশানের দিকে প্রবেশ করেন। জানতে চাইলে বলেন, আপনার লোকেশনেই যাচ্ছি, চুপ থাকেন।

    ‘মঙ্গলবার রাস্তা ফাঁকা, তারপরও সে গুলশান রোডে ঢুকেছে। তখন তার গাড়ির স্পিড প্রায় ৮০ থেকে ১০০। অনেক হাই স্পিডে গাড়ি টেনে যাচ্ছিল। বিষয়টি আমার কাছে সন্দেহ লাগে। তাকে বলি, আমাকে এখানেই নামিয়ে দেন। তখন সে আমাকে বলল, চুপ থাক। কোনো কথা বলবি না। তারপর আমি গাড়ির গ্লাস খুলে বাঁচাও বাঁচাও করে চিৎকার শুরু করি। কারও সাড়া পাইনি। একটা পর্যায়ে গাড়ির গতি একটু কম মনে হলে লাফ দিয়ে গাড়ি থেকে নেমে যাই’, যোগ করেন রুবিনা।

    প্রসঙ্গত, নির্মাতা জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘এর বেশি ভালোবাসা যায় না’ সিনেমা দিয়ে ২০১৩ সালে চলচ্চিত্রে পথচলা শুরু নিঝুম রুবিনার। এরপর ‘অনেক সাধনার পরে’, ‘মেঘকন্যা’, ‘বেসামাল’, ‘লিপস্টিক’সহ বেশকিছু সিনেমায় দেখা গেছে তাকে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • গানের মডেল চিত্রনায়িকা আঁচল

    দীর্ঘদিন ধরেই সিনেমায় নেই আঁচল আঁখি। তবে কাজের মধ্যেই আছেন তিনি। নিয়মিত নতুন মিউজিক ভিডিওতে মডেল হয়ে হাজির হচ্ছেন।

    চলতি বছরেই শুরুতেই স্বামী সংগীতশিল্পী সৈয়দ অমির গাওয়া ‘মাতাল’ শিরোনামে একটি গানের ভিডিওতে ভিন্ন লুকে হাজির হয়েছিলেন এ নায়িকা। সঙ্গে মডেল হিসাবে জুটি বেঁধেছিলেন অমি। ভিডিওটি থেকে বেশ সাড়া পেয়েছেন বলে জানান এ দম্পতি।

    সেই ধারাবাহিকতায় বছর শেষে নতুন আরও একটু গানের মডেল হলেন আঁচল। গানের শিরোনাম ‘দুই চাক্কার সাইকেল’। এ গানটিও গেয়েছেন অমি। সালাউদ্দিন সাগরের কথায় গানটিতে তার সঙ্গে দ্বৈত কণ্ঠ দিয়েছেন সানজিদা রিমি। সুর করেছেন এএন ফরহাদ এবং সংগীতায়োজন করেছেন অমি নিজেই।

    মালয়েশিয়া এবং সিলেটের মনোরম লোকেশনে গানটির চিত্রধারণ হয়েছে। সম্প্রতি একটি  ইউটিউব চ্যানেলে মিউজিক ভিডিওটি মুক্তি পেয়েছে।

    এ প্রসঙ্গে চিত্রনায়িকা আঁচল বলেন, বছরের শুরুতে আমাদের ‘মাতাল’ গানটি থেকে দারুণ সাড়া পেয়েছিলাম। চিন্তা করছিলাম বছর শেষে দর্শকদের ভিন্ন কিছু উপহার দেই। সেই ভাবনা থেকে ব্যতিক্রম ঘরানার একটি গান ‘দুই চাক্কার সাইকেল’ তৈরি হলো। গানটি প্রকাশ্যে আসতেই দর্শকদের প্রচুর সাড়া ও প্রশংসা পাচ্ছি।

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • ভিন্ন কাজে ব্যস্ত মিম

    চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম। দীর্ঘদিন ধরেই পর্দায় অনুপস্থিত। কিছুদিন আগেই একটি সিনেমায় কাজের কথা জানালেও, সেটির তেমন কোনো অগ্রগতি নেই। সম্প্রতি গিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে সেখানে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেন। পুরস্কৃতও হয়েছেন।

    টানা ১২ দিনের সফর শেষে দেশে ফিরেছেন এ অভিনেত্রী। ফিরেই ফের ব্যস্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রচারের কাজে। অভিনয়ের পাশাপাশি এ অভিনেত্রী করপোরেট দুনিয়ায় বেশ সরব। একসঙ্গে অনেকগুলো প্রতিষ্ঠানের শুভেচ্ছাদূত তিনি। তাই এদিকেই বেশি সময় ব্যয় করতে হচ্ছে তাকে।

    বর্তমান ব্যস্ততা প্রসঙ্গে এ অভিনেত্রী বলেন, এখন সিনেমার কাজ কম। তাই অন্যদিকেই একটু বেশি ফোকাস দিচ্ছি। অনেকগুলো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শুভেচ্ছাদূত হিসাবে কাজ করছি। সেগুলোর বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের শুটিং করছি।

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • সাবেক স্বামীর কবর জিয়ারতের পর মুখ খুললেন পরীমনি

    ঢাকা-ভাঙ্গা মহাসড়কের মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার পাচ্চর এলাকায় গত ২২ নভেম্বর ভোরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনির প্রথম স্বামী ইসমাইল হোসেন।

    দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেছেন শিবচর হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাকিল আহমেদ। ওসি শাকিল আহমেদ জানিয়েছেন, ‘শুক্রবার ভোরে শিবচরের পাচ্চর এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় ইসমাইল হোসেন জমাদ্দার নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তবে দুর্ঘটনার বিস্তারিত কারণ এখনো জানা যায়নি।’

    ইসমাইলের চাচা কবির হোসেন জমাদ্দার বলেন, ‘ইসমাইল তার বন্ধু মনিরকে নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে ঢাকায় যাচ্ছিলেন। ভোরে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে পেছন থেকে ট্রাক তাদের ধাক্কা দেয়। এতে ইসমাইল ও তার বন্ধু মনির গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) নিলে চিকিৎসক ইসমাইলকে মৃত ঘোষণা করেন। আর মনিরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আগারগাঁও পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পঙ্গু হাসপাতালে মনিরের একটি পা কেটে ফেলা হয়।’

    তিনি আরও বলেন, ‘শুক্রবার রাতে ইসমাইলের লাশ বাড়িতে আনা হয় এবং রাতেই জানাজা শেষে ছোট শৌলা গ্রামের বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।’ ইসমাইল হোসেনের মৃত্যুর খবরটি শনিবার দেশের সব গণমাধ্যমে প্রকাশ পায় বিষয়টি নিয়ে বিরক্ত ও ক্ষুব্ধ পরীমণি।

    পরীমনি বলেন, ‘কারও মৃত্যু তো হাসি-তামাশার বিষয় নয়। ইসমাইলের মৃত্যু নিয়ে যে যেভাবে পারছেন, খবর প্রকাশ করেছেন। উৎসব উৎসব ভাব মনে হচ্ছে। এটা সত্যিই কষ্টদায়ক। এমনটা মোটেও আশা করিনি।’

    এই অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘এবার বাড়িতে আসার পরই আমার মা (খালাকে মা বলে ডাকেন পরীমনি) বললেন, ও (ইসমাইল) তো বাইক অ্যাক্সিডেন্ট করছে।’ আমি বললাম, ‘কী!’ পরে বললেন, ‘ও তো মারা গেছে!’ এলাম নানুভাইয়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে, এসে শুনি ইসমাইলের মৃত্যুর খবর! এটা মেনে নেওয়া যে কতটা কষ্টের, বলে বোঝাতে পারব না।’

    সাধারণত মৃত মানুষের মুখ দেখতে পারি না উল্লেখ করে পরী বলেন, ‘এ জীবনে একমাত্র নানুভাইয়ের মরা মুখটাই শুধু দেখতে পেরেছি। আর কারোটা দেখা সম্ভব হয়নি। ইসমাইলেরও দেখা সম্ভব হয়নি। কবর জিয়ারত করেছি। সেই কবরস্থানে পাশাপাশি আমাদের পরিবারেরই অনেকগুলো কবর। সবচেয়ে নতুন কবর, ইসমাইলের। ওর বাবাসহ আমরা কবর জিয়ারতে গেছি। সবকিছু ছাপিয়ে সে তো আমার আত্মীয়। তাই তার সঙ্গে আমার সম্পর্কও তো সব সময়ের।’

    ২০১২ সালের ২৮ এপ্রিল শামসুন্নাহার স্মৃতি ওরফে চিত্রনায়িকা পরীমনির সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল ইসমাইলের। তিনি মঠবাড়িয়া উপজেলার মিরুখালী ইউনিয়নের ছোট শৌলা গ্রামের ব্যাংক কর্মকর্তা জাকির হোসেন জমাদ্দারের ছেলে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যার চলে যায় সেই বোঝে হায় বিচ্ছেদের কী যন্ত্রণা: পরীমনি

    ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমনি।  বিভিন্ন কর্মকাণ্ড এবং ফেসবুক পোস্টে প্রায়ই আলোচনায় আসেন তিনি। শুক্রবার পরীর প্রথম স্বামী সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। এ ঘটনার মধ্যে পরীমনি তার ফেসবুকে জানিয়েছেন তিনি তার নানার মৃত্যুবার্ষিকীর জন্য বরিশাল অবস্থান করছেন। পোস্ট করেছেন কয়েকটি ভিডিও। তা ছাড়া তিনি দুঃখভরা একটি পোস্টও দিয়েছেন।

    এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘নিয়তির ডাকে দিলে যে সাড়া ফেলে গেলে শুধু নীরবতা। যার চলে যায় সেই বোঝে হায় বিচ্ছেদের কী যন্ত্রণা!’

    হঠাৎ পরীর এমন স্ট্যাটাসের প্রতিক্রিয়ায় ভক্তরা এর কারণ খুঁজে পাচ্ছেন। অনেকেই মনে করছেন প্রথম স্বামীর মৃত্যুর খবরে এই স্ট্যাটাস দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। 

    আবার অনেকেই পরীমনির নানা শামসুল হক গাজীর মৃত্যুর সঙ্গে এই স্ট্যাটাসের যোগসূত্র খুঁজে পাচ্ছেন। কারণ এক বছর আগে ঠিক এইদিনেই নানা শামসুল হক গাজীকে হারিয়েছেন তিনি।

    এর আগে, শুক্রবার ভোরে ঢাকা-ভাঙ্গা মহাসড়কের শিবচরের পাচ্চর এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান তার প্রথম স্বামী ইসমাইল হোসেন জমাদ্দার।

    ইসমাইল জমাদ্দার পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার মিরুখালী ইউনিয়নের ছোট শৌলা গ্রামের ব্যাংক কর্মকর্তা জাকির হোসেন জমাদ্দারের ছেলে। ২০১২ সালের ২৮ এপ্রিল শামসুন্নাহার স্মৃতি ওরফে পরীর সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল।

    ইসমাইলের চাচা কবির হোসেন জমাদ্দার বলেন, ‘ইসমাইল পরিমনির প্রথম স্বামী ছিলেন। তবে তাদের তালাকের পরে ইসমাইল আবারো বিয়ে করেছিলেন। সেই ঘরে তার স্ত্রী ও দুটি সন্তান রয়েছে।’

    অন্যদিকে পরী বরাবরই নিজের প্রথম বিয়ে নিয়ে নিশ্চুপ ছিলেন। মিডিয়াতেও কখনো ইসমাইলকে নিয়ে কোনো প্রশ্নের জবাব বা উত্তর দেননি তিনি।

    তবে নায়িকার ঘনিষ্ঠজনেরা বলছেন, ইসমাইলের মৃত্যুর খবরে কষ্ট পেয়েছেন পরী। শুরু থেকেই যেহেতু এই বিয়ে নিয়ে নিশ্চুপ ছিলেন তিনি সে কারণে মৃত্যুর খবরেও আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি।

    বিনোদন ডেস্ক