Tag: অভিষেক বচ্চন

  • বচ্চন পরিবারের সুনাম নিয়ে হাইকোর্টের প্রশ্ন

    অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের মেয়ে আরাধ্যা বচ্চনের স্বাস্থ্য ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর ভিডিও প্রকাশের অভিযোগের মামলায় গুরুত্বপূর্ণ কিছু আইনি প্রশ্ন তুলেছেন দিল্লি হাইকোর্ট। 

    আদালত জানতে চেয়েছে, কোনো পরিবারের নামের সঙ্গে যুক্ত সুনাম কি প্রজন্মের পর প্রজন্ম উত্তরাধিকারসূত্রে বহমান থাকে এবং থাকলে তা কতদূর পর্যন্ত কার্যকর হয়?

    ২০২৩ সালে আরাধ্যা বচ্চন একাধিক ইউটিউব চ্যানেলের বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেন। তার অভিযোগ ছিল, তার স্বাস্থ্য নিয়ে সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। বিভিন্ন ভিডিওতে তাকে গুরুতর অসুস্থ এবং হাসপাতালে ভর্তি বলে দাবি করা হয়। এমনকি একটি ভিডিওতে তার মৃত্যুরও মিথ্যা দাবি করা হয়েছিল। এসব ভিডিওর মাধ্যমে তার ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।

    বৃহস্পতিবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি অনুপ জে ভাম্ভানি বলেন, কোনো পণ্য বা সেবার সঙ্গে যুক্ত ট্রেডমার্কের মূল্য ও সুনাম যেমন থাকে, একজন ব্যক্তির ক্ষেত্রে বিষয়টি কিছুটা ভিন্ন। এ সময় তিনি প্রশ্ন তোলেন, কোনো পারিবারিক নামের সঙ্গে যদি ট্রেডমার্কের মতো সুনাম যুক্ত থাকে, তাহলে সেই সুনাম প্রজন্মের কতদূর পর্যন্ত বহাল থাকে।

    আদালত আরও জানতে চান, পরিবারের কোনো সদস্যের অর্জন, খ্যাতি বা নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে সাফল্যের কারণে যে পারিবারিক সুনাম তৈরি হয়, সেটি পরবর্তী প্রজন্মের সদস্যদের ক্ষেত্রেও একইভাবে প্রযোজ্য কি না।

    আরাধ্যার পক্ষে আইনজীবী প্রবীণ আনন্দ যুক্তি দেন, বচ্চন পরিবারের সুনাম ক্ষুণ্ন করা বা তা ব্যবহার করে সুবিধা নেওয়ার যেকোনো প্রচেষ্টা বন্ধ করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, পরিবারের ছবি ব্যবহার করে মিথ্যা খবর ছড়ানো হচ্ছে এবং এসব প্রতিবেদনের সঙ্গে বচ্চন নামটিও জড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

    এর আগে ২০২৩ সালের ২০ এপ্রিল দিল্লি হাইকোর্ট একাধিক ইউটিউব চ্যানেলকে আরাধ্যার স্বাস্থ্য নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন। আদালত বলেছিলেন, একটি শিশুর স্বাস্থ্য নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো অত্যন্ত গুরুতর বিষয় এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

    আদালত আরও পর্যবেক্ষণ করেছিলেন, প্রতিটি শিশুর সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। শিশুর স্বাস্থ্য সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো আইনের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ অসহনীয় বলেও মন্তব্য করেছিলেন বিচারপতি।

    মামলাটি আগামী সেপ্টেম্বরে ফের শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত হয়েছে। আরাধ্যার পক্ষ থেকে তার বাবা অভিষেক বচ্চন আদালতে আবেদন করেন। মামলায় বচ্চন পরিবারের ব্যক্তিগত তথ্য ও মর্যাদা রক্ষার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে।

    সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে কারণে বিয়ে ভাঙে অভিষেক-কারিশমার

    বলিউড অভিনেতা অভিষেক বচ্চন ও অভিনেত্রী কারিশমা কাপুরের ২০০২ সালের অক্টোবরে বাগদান হয়। ২০০৩ সালের জানুয়ারি মাসে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা ছাড়াই সেই বাগদান ভেঙে যায়। একই বছরের পরবর্তী সময়ে কারিশমা কাপুর দিল্লির ব্যবসায়ী সঞ্জয় কাপুরকে বিয়ে করেন। 

    বলিউডের বহুল আলোচিত এ প্রেমের সমাপ্তি ঘটলেও এর গল্প এখনো চলমান রয়েছে। অভিষেক বচ্চন ও কারিশমা কাপুরের বাগদান হওয়ার পরও শেষ পর্যন্ত বিয়ে পর্যন্ত গড়ায়নি। দুই দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও সেই বিচ্ছেদ নিয়ে এখনো নানা আলোচনা-সমালোচনা চলমান। সম্প্রতি তাদের সম্পর্ক নিয়ে নতুন দাবি করেছেন প্রয়াত অভিনেতা মুকরির মেয়ে নাসিম মুকরি।

    সাংবাদিক ভিকি লালওয়ানির পডকাস্টে নাসিম মুকরি দাবি করে বলেছেন, কারিশমা কাপুরের মা ও অভিনেত্রী ববিতা শুরু থেকেই সেই সম্পর্কের বিরোধিতা করেছিলেন। শুধু তাই নয়, বিয়ের আগেই অভিষেক বচ্চনকে কারিশমার নামে বড় অঙ্কের অর্থ স্থানান্তরের শর্তও দেওয়া হয়েছিল।

    ‘হ্যাঁ ম্যায়নে ভি পেয়ার কিয়া’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় অভিষেক ও কারিশমার প্রেমের শুরু হয়েছিল— পডকাস্টে ভিকি লালওয়ানি এমন প্রশ্নের দাবি নাকচ করে নাসিম মুকরি বলেন, ‘সিনেমার শুটিং শুরুর আগেই তাদের প্রেম হয়েছিল। শুটিংয়ের সময় দুজনের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।’

    তিনি  বলেন, ‘ববিতা শুরু থেকেই এই সম্পর্কের বিরুদ্ধে ছিলেন। তিনি কারিশমাকে সম্পর্ক ভাঙতে বাধ্য করেন। তিনি বলেছিলেন— বিয়ের আগে অভিষেককে কয়েক কোটি টাকা কারিশমার নামে লিখে দিতে হবে, তবেই বিয়ে হবে। কারণ তখন কারিশমা অভিষেকের চেয়ে বড় তারকা ছিলেন।’

    সেই একই পডকাস্টে পরিচালক সুনীল দর্শনও অভিষেক-কারিশমার সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেছিলেন। সুনীল দর্শন বলেন, দুজনের মধ্যে রসায়নের কোনো অভাব ছিল না। তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ ম্যায়নে ভি পেয়ার কিয়া’ সিনেমা দেখলেই বোঝা যায়, তাদের অনস্ক্রিন রসায়ন বাস্তব জীবনের সম্পর্কেরই প্রতিফলন ছিল।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এ পরিচালক বলেন, সম্পর্ক ভাঙার কারণ দুজনের ব্যক্তিগত দূরত্ব নয়, বরং বাইরের বিভিন্ন চাপ। তিনি বলেন, আমি ভেবেছিলাম সবকিছু ঠিকঠাকই চলছে। কিন্তু বাইরের নানা পরিস্থিতিই শেষ পর্যন্ত তাদের সম্পর্কে প্রভাব ফেলেছিল।’

    কারিশমা যদি সত্যিই ভালোবাসতেন, তাহলে মায়ের শর্ত মেনে নিলেন কেন? ভিকি লালওয়ানি এমন প্রশ্নের জবাবে নাসিম মুকরি বলেন, ‘মা যদি হিটলারের মতো হন, তাহলে মেয়েরা ভয় পেতেই পারে। অভিনেত্রীরকারিনা কাপুর মায়ের কর্তৃত্ব মেনে নেননি, আলাদা হয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু কারিশমা মায়ের সঙ্গেই ছিলেন।’

    তিনি আরও বলেন, বিয়ের আগে একটি চুক্তির প্রস্তাবও ছিল। তার ভাষ্য, ‘শর্ত ছিল— বিয়ের আগে অভিষেককে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দিতে হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে বিচ্ছেদ হলে কারিশমা কত টাকা পাবেন, সেটিও চুক্তিতে উল্লেখ থাকবে। কিন্তু বচ্চন পরিবার এতে রাজি হয়নি। এরপরই বাগদান ভেঙে যায়। পরে কারিশমা ব্যবসায়ী সঞ্জয় কাপুরকে বিয়ে করেন।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিচ্ছেদের গুঞ্জন উড়িয়ে একসঙ্গে নিউইয়র্কের রাস্তায় অভিষেক-ঐশ্বরিয়া

    বলিউডের তারকা যুগল অভিনেতা অভিষেক বচ্চন ও সাবেক বিশ্বসুন্দরী অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের দাম্পত্য জীবন নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে চলছে নানা গুঞ্জন। দুজন বিচ্ছেদ ঘটে যাচ্ছে কি না, তা নিয়েও ছিল নানা আলোচনা।

    অভিষেক বচ্চনকে নিয়ে একই সময়ে অভিনেত্রী নিমরত কৌরের সম্পর্কের গুঞ্জনও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। তবে এসব দাবির পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। 

    দীর্ঘদিন ধরে চলা এই সংসার ভাঙার গুঞ্জনের মধ্যেই নিউইয়র্কে একসঙ্গে দেখা গেছে এই তারকা দম্পতিকে। বর্তমানে শাহরুখ খান অভিনীত ‘কিং’ সিনেমার শুটিং নিয়ে ব্যস্ত অভিষেক বচ্চন। সেই ব্যস্ততার মাঝেই শুটিং থেকে স্বল্প বিরতি নিয়ে স্ত্রী ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে সময় কাটাতে নিউইয়র্কে গেছেন তিনি।

    সেখানে হঠাৎ করেই তাদের এক সন্ধ্যায় হাঁটার সময় এক ভক্তের সঙ্গে সেলফির জন্য পোজ দেন অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। তবে এসব নিয়ে কখনোই প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি এ তারকা দম্পতি। তাদের একসঙ্গে তোলা কয়েকটি ছবি ইতোমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

    ভাইরাল হওয়া সেই ছবিতে দেখা গেছে, সন্ধ্যায় হাঁটার সময় এক ভক্তের সঙ্গে সেলফি তুলেছেন অভিষেক ও ঐশ্বরিয়া। এ সময় অভিষেকের পরনে ছিল টি-শার্ট ও ক্যাপ। অন্যদিকে কালো পোশাকে দেখা যায় সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে।

    স্পোর্টস ডেস্ক

  • ঐশ্বরিয়ার বিয়ের সেই আলোচিত শাড়ির দাম কত ছিল

    প্রেম, বিয়ে ও তারকাখ্যাতির গল্পে বারবার আলোচনায় উঠে আসে বলিউডের তারকা দম্পতি অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন । ২০০৭ সালের ২০ এপ্রিল শুরু হয়েছিল তাদের দাম্পত্য জীবন। দেখতে দেখতে কেটে গেছে ১৯টি বছর। এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে গুঞ্জন যেমন এসেছে, তেমনি তাদের সম্পর্ক ঘিরে ভক্তদের আগ্রহও একটুও কমেনি।

    অভিষেক ও ঐশ্বরিয়ার বিয়ে ছিল সে সময়ের অন্যতম ‘হাইপ্রোফাইল’ আয়োজন। অমিতাভ বচ্চনের ‘জলসা’ ও ‘প্রতীক্ষা’ ঘিরে ছিল দর্শক ও গণমাধ্যমের উপচে পড়া ভিড়। যদিও সে সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এতটা শক্তিশালী ছিল না, তবু এই বিয়ের প্রতিটি খুঁটিনাটি জানার জন্য ভক্তরা উদ্গ্রীব ছিলেন। ফলে সীমিত পরিসরের এ আয়োজনের খুব বেশি ছবি বা ভিডিও প্রকাশ্যে আসেনি, যা রহস্য ও কৌতূহল; দুটোকেই আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল।

    তবে যে বিষয়টি আজও আলোচনার কেন্দ্র, তা হলো ঐশ্বরিয়ার বিয়ের সাজ। ডিজাইনার নীতা লুল্লার তৈরি করা শাড়িতে সেজেছিলেন সাবেক এই বিশ্বসুন্দরী। সেই সময়ে দাঁড়িয়ে শাড়িটির মূল্য ছিল বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯০ লাখ টাকা। সোনা ও হিরার ভারী গয়নায় সজ্জিত সেই সাজ আজও বলিউডের অন্যতম আইকনিক ব্রাইডাল স্টাইল হিসেবে বিবেচিত। একই সঙ্গে শ্বশুরবাড়ি থেকে পাওয়া মঙ্গলসূত্র, যা জয়া বচ্চন ও অমিতাভ বচ্চনের উপহার। এর মূল্য নিয়েও কম আলোচনা হয়নি। সেটির দামও কয়েক কোটি টাকা সমপর্যায়ের ছিল বলে শোনা যায়।

    এই জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের পেছনে ছিল এক রোমান্টিক গল্প। ২০০৬ সালে মুক্তি পাওয়া ‘উমরাও জান’ ছবির সেটে একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে অভিষেক ও ঐশ্বরিয়া কাছাকাছি আসেন। তবে তাদের সম্পর্কের গভীরতা তৈরি হয় পরবর্তী সময়ে। অভিষেক নিজেই জানিয়েছেন, নিউইয়র্কের একটি হোটেলের বারান্দায় দাঁড়িয়ে প্রায়ই ঐশ্বরিয়াকে নিয়ে ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখতেন তিনি। সেই স্বপ্নের জায়গাতেই একদিন প্রিয়তমাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এর আগে ২০০৭ সালের শুরুতে মুক্তি পায় অভিষেক ও ঐশ্বরিয়ার আরেকটি আলোচিত ছবি ‘গুরু’। ছবিটির সাফল্যের মধ্যেই তাদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়। পরে নিউইয়র্কেই ঐশ্বরিয়াকে প্রস্তাব দেন অভিষেক, আর সানন্দে তাতে সম্মতি জানান এই অভিনেত্রী। এরপর একই বছরের ২০ এপ্রিল হিন্দু রীতিতে সম্পন্ন হয় ঐশ্বরিয়া ও অভিষেকের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। বলিউডের শীর্ষ তারকা, শিল্পী ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সেই আয়োজন ছিল জমকালো, কিন্তু নিয়ন্ত্রিত। বিয়ের পর থেকেই তারা বলিউডের অন্যতম ‘পাওয়ার কাপল’ হিসেবে পরিচিতি পান। ২০১১ সালের ১৬ নভেম্বর তাদের একমাত্র কন্যা আরাধ্যা বচ্চন জন্মগ্রহণ করে। পরিবারকেন্দ্রিক জীবনযাপন, সন্তানের লালন-পালন সবকিছু মিলিয়ে সময়ের সঙ্গে তাদের অগ্রাধিকারও বদলেছে।

    মাঝেমধ্যে তাদের সম্পর্ক নিয়ে বিচ্ছেদের গুঞ্জন উঠলেও, সাম্প্রতিক সময়ে একসঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে সেই জল্পনাকে অনেকটাই নস্যাৎ করেছেন এই দম্পতি। আজ এই আলোচিত দম্পতির বিবাহবার্ষিকী ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দেখা যাচ্ছে ভক্তদের সরব উপস্থিতি। অনেকেই তাদের পুরোনো ছবি শেয়ার করে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন এই তারকা দম্পতিকে। একই সঙ্গে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে ঐশ্বরিয়ার সেই বিয়ের শাড়ির দাম, প্রায় ৯০ লাখ টাকা, যা এত বছর পরও তাদের বিয়ের স্মৃতিকে আলাদা করে মনে করিয়ে দেয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘ঐশ্বরিয়ার পাশে হাঁটতে ভয় লাগে’

    বেশ কয়েক বছর বড়পর্দায় সরাসরি দেখা না গেলেও, ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে কেন্দ্র করে দর্শকের উৎসাহ কমে না। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তার এবং অভিষেক বচ্চনের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। তারা সবসময়ই সচরাচর নীরব থেকেছেন।

    কয়েক মাস আগে ঐশ্বরিয়ার মেয়ে আরাধ্যার স্কুল অনুষ্ঠানে পুরো পরিবার হাজির হয়ে সকল সমালোচকের মুখ বন্ধ করেছিলেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিষেক প্রকাশ করেছেন, লাল গালিচায় ঐশ্বরিয়ার পাশে দাঁড়ালে তিনি নিজেকে ‘কাঠের গুঁড়ির মতো’ অনুভব করেন।

    অভিষেক বলেন, প্রিমিয়ারে সর্বজিৎ–এর লাল গালিচায় হাঁটতে গিয়ে তিনি ভীষণ অস্বস্তি বোধ করেন। ঐশ্বরিয়া অত্যন্ত প্রফেশনাল, তাই তিনি কী করবেন তা সহজেই বুঝে যান, আর তার পাশে নিজেকে অদ্ভুত ও অনভ্যস্ত মনে হয় অভিষেকের। তাই তিনি প্রায়ই পকেট হাতে রেখে দাঁড়ান।

    চিত্রগ্রাহকরা মাঝে মাঝে রসিকতা করে বলেন, ‘কেন হাসছেন না?’ তবে অভিষেকের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে দাঁড়ালে তিনি শুধু নিজেকে ছোট মনে করেন এবং এই কারণে লাল গালিচার মুহূর্তটি তার জন্য চাপের হয়ে ওঠে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হরর সিনেমায় অভিনয় করতে যাচ্ছেন অভিষেক বচ্চন

    বলিউড অভিনেতা অভিষেক বচ্চন ভৌতিক ঘরানার সিনেমায় অভিনয় করতে যাচ্ছেন । নির্মাতা সিদ্ধার্থ আনন্দের নতুন একটি প্রজেক্টে তাকে দেখা যাবে— এমনটাই শোনা গেছে। 

    সম্প্রতি গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, সিনেমার প্রাথমিক বিষয়গুলো নিয়ে ইতোমধ্যে নির্মাতার সঙ্গে অভিষেকের আলোচনাও হয়েছে। পরিচালক সিদ্ধার্থ আনন্দ সেই সিনেমাটি পরিচালনার পাশাপাশি প্রযোজনার দায়িত্বেও থাকবেন। এটি শুধু ভৌতিক সিনেমা নয়, বরং এতে রহস্য ও রোমাঞ্চের সংমিশ্রণও থাকবে। বর্তমানে সিনেমাটির চিত্রনাট্য তৈরির কাজ চলছে। সব কিছু ঠিক থাকলে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাস থেকেই সিনেমাটির দৃশ্যধারণ শুরু হওয়ার কথা।

    ক্যারিয়ারে বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন অভিষেক বচ্চন। সম্প্রতি বলি বাদশাহ শাহরুখ খানের ‘কিং’ সিনেমায় তার লুক নিয়ে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে, যেখানে তাকে নেতিবাচক চরিত্রে দেখা যাবে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নতুন এই হরর প্রজেক্টেও নাকি একটি বাবা-মেয়ের সম্পর্কের সমীকরণ দেখা যাবে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। এর আগে ‘আই ওয়ান্ট টু টক’ সিনেমায় বাবা-মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসায় ভাসছিলেন অমিতাভপুত্র। তবে নতুন এ সিনেমায় নির্মাতা তাকে বাণিজ্যিক ঘরানার মোড়কে সম্পূর্ণ নতুনভাবে পর্দায় উপস্থাপন করতে চলেছেন।

    বলিউডের প্রেমের গুঞ্জন থেকে বর্তমানে ব্যক্তিগত জীবনে বিচ্ছেদের গুঞ্জন— অভিষেক বচ্চন সবসময়ই লাইমলাইটেই থাকেন। একসময় কারিশমা কাপুর কিংবা রানি মুখার্জির সঙ্গে তার নাম জড়ালেও শেষ পর্যন্ত মালা পরান সাবেক বিশ্বসুন্দরী অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে। বর্তমানে অভিনেতা ‘কিং’ সিনেমা নিয়েই ব্যস্ত আছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঐশ্বরিয়া নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নেন: অভিষেক

    বলিউড অভিনেতা অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের বিচ্ছেদ নিয়ে বছর দেড়েক ধরে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। তবে এ বিষয়ে বরাবরই নীরব ছিলেন এ তারকা যুগল। কিছুদিন আগে দুজনই জানিয়েছেন তাদের মধ্যে সুসম্পর্ক রয়েছে। এবার স্ত্রীর নিয়ে মন্তব্য করে বাহবা কুড়ালেন অভিষেক।

    দীর্ঘদিন বড়পর্দার বাইরে আছেন অভিনেত্রী। বেছে বেছে কাজ করছেন। এককথায় বলা যায়, কাজ কমিয়ে দিয়েছেন তিনি। শেষবার অভিনেত্রীকে দেখা গেছে ২০২৩ সালে ‘পোন্নিয়ান সেলভান ২’ সিনেমায়। তবু ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে নিয়ে উৎসাহের অন্ত নেই সিনেপ্রেমী দর্শকদের। 

    সেই সময় তার অভিনয়ের প্রশংসা হয় সর্বত্র। তখনই সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের একটি অংশ অভিষেকের কাছে অনুরোধ জানান, ঐশ্বরিয়া যাতে আরও বেশি বেশি সিনেমায় কাজ করেন তার অনুমতি দিন। আর তাতেই অভিষেক বলেন, আমি ওকে অনুমতি দেওয়ার কেউ নই। ওর নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নেয়। আর যে কাজ করতে ও ভালোবাসে সেখানে আমার অনুমতির প্রশ্নই নেই।    

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিষেকের এহেন মন্তব্য মন জয় করে নিয়ে নেটিজেনরা। স্বামী হিসেবে তিনি একেবারে ঐশ্বরিয়ার যোগ্য সে বিষয় সহমত প্রকাশ করেন অনেকেই।

    গত কয়েক বছর ধরে তার ও অভিষেক বচ্চনের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও কাটাছেঁড়া হয়েছে বারবার। তাদের দাম্পত্যজীবন নিয়ে নানা কথা রটেছে। তবু নীরব ছিলেন তারা। এবার সাবেক বিশ্বসুন্দরীকে নিয়ে মন্তব্য করে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে সেরা স্বামীর বাহবা কুড়ালেন অভিনেতা।

    বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতায় জিতে বলিউডে প্রবেশ করেছিলেন অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে বলিপাড়ায় প্রথম সারির অভিনেত্রী হয়ে ওঠেন তিনি। যদিও একটা সময়ে স্বেচ্ছায় এ কর্মব্যস্ত জীবন থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন ঐশ্বরিয়া। তা নিয়ে কোনো রকমের কোনো নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন না তিনি। 

    অভিনেত্রী বলেন, আমার মধ্যে কোনো দিনই কোনো নিরাপত্তাহীনতা ছিল না। আমার মেয়েকে বড় করার দায়িত্ব রয়েছে। এ ছাড়া স্বামীকে সময় দিচ্ছিলাম। তাই এ ধরনের জিনিস মাথায় আসে না। আর জীবনের প্রতি আমার দৃষ্টিভঙ্গিও সম্পূর্ণ আলাদা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিষেককে হৃদয়ছোঁয়া বার্তা ঐশ্বরিয়ার, কী লেখা আছে এতে?

    সব গুঞ্জনের অবসান ঘটিয়ে এক ছাদের নিচে বসবাস করছেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও অভিষেক দম্পতি। নিন্দুকের মুখে নুন ছিটা দিয়ে অভিষেক বচ্চনকে ভালোবাসাময় বার্তা দিয়েছেন প্রিয়তমা স্ত্রী। এই ভালোবাসা প্রকাশ্যে আসতেই আবারও নেটিজেনদের মাঝে আলোচনার কেন্দ্রে এলেন অভিনেত্রী।
    বুধবার  (৪ ফেব্রুয়ারি) ৪৯ বছরে পা রাখেন অভিষেক বচ্চন। বিশেষ এই দিনে সামাজিক মাধ্যমে স্বামীর শৈশবের একটি ছবি শেয়ার করে নিয়েছেন ঐশ্বরিয়া। সেই ছবিতে দেখা গেছে, ছোট্ট অভিষেক গাড়ির স্টিয়ারিং ধরে বসে আছেন—মুখে সহজ-সরল হাসি। নস্টালজিয়ায় ভরা সেই ছবির সঙ্গে আবেগঘন শুভেচ্ছাবার্তাও জুড়ে দিয়েছেন সাবেক এ বিশ্বসুন্দরী। সেই ছবির ক্যাপশনে ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন লিখেছেন— শুভ জন্মদিন। সুস্থ থাকো। ভালোবাসা আর আলোয় ভরে উঠুক তোমার জীবন। ঈশ্বর তোমার মঙ্গল করুন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সংক্ষিপ্ত হলেও বার্তায় ছিল উষ্ণতা আর আন্তরিকতার ছাপ, যা ভক্ত-অনুরাগীদের মন ছুঁয়ে গেছে।
    সম্প্রতি অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের একমাত্র কন্যা আরাধ্য কৈশোরে পা দিয়েছে। বিচ্ছেদের গুঞ্জনের মাঝেই মেয়ের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে একসঙ্গে দেখা গেছে এ তারকা দম্পতিকে। শুধু তাই নয়, একাধিক অনুষ্ঠানে তাদের হাসিখুশি ও ঘনিষ্ঠ মুহূর্তও দেখা গেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এশার স্বামী হিসাবে অভিষেককেই চাইতেন হেমা মালিনি, যে কারণে ভেঙে যায় সম্পর্ক

    বলিউড অভিনেত্রী হেমা মালিনির নাকি ইচ্ছা ছিল অমিতাভপুত্র অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে মেয়ে এশা দেওলের বিয়ে দেবেন। কিন্তু সেই আশায় পানি ঢালেন খোদ ধর্মেন্দ্রকন্যা।

    অভিনেতা অভিষেক বচ্চন ও অভিনেত্রী এশা দেওল দুজনেই তারকাসন্তান ছিলেন। বলিউডের প্রথম সারির পরিবারগুলোর কর্মজগতের সম্পর্ক অনেক সময় বদলে গেছে পারিবারিক সম্পর্কে। অনেক বছর আগে করণ জোহরের অনুষ্ঠানে এসে হেমা জানান, অভিষেক ইন্ডাস্ট্রির বিবাহযোগ্য পুরুষ। এমনকি তিনি নাকি মেয়ে এশার জন্য অভিষেকের মতোই কাউকে জামাই হিসাবে পেতে চান। 

    তারপর করণ জোহরের আরেক অনুষ্ঠানে এসেছিলেন ছিলেন এশা দেওল। তখন তাকে সেই প্রশ্ন করেন পরিচালক। তিনি কি অভিষেকের মতো কাউকে জীবনসঙ্গী হিসাবে পেতে চান? করণ জোহরের এমন প্রশ্নের উত্তরে এশা বলেন, একেবারেই না। মায়ের সেই ইচ্ছা পূরণ করতে পারব না। তিনি বলেন, কারণ অভিষেককে আমি বড় দাদার মতো দেখি।

    অভিষেক ছাড়াও আরও এক নায়ককে পছন্দ ছিল হেমা মালিনির। তিনি হলেন সুরেশ ওবেরয়ের পুত্র অভিনেতা বিবেক ওবেরয়। তারাও ইন্ডাস্ট্রির অন্দরের মানুষ। ওবেরয়দের সঙ্গেও হেমার পরিবারের সখ্য রয়েছে। যদিও বিবেককেও নাকি পাত্র হিসাবে পছন্দ করেননি এশা।  অভিনেত্রী বলেন, বিবেক একেবারেই তেমন মানুষ নন, যাকে তিনি জীবনসঙ্গী হিসাবে চান। 

    অবশেষে ২০১২ সালে হীরা ব্যবসায়ী ভরত তখতানিকে বিয়ে করেন এশা দেওল। বিয়ের পর থেকে দীর্ঘ চড়াই-উতরাই দেখেন তারা দাম্পত্যজীবনে। ২০২৪ সালে বিবাহবিচ্ছেদের পথে হাঁটেন এশা ও ভরত। বর্তমানে নতুন সম্পর্কে জড়িয়েছেন এশার সাবেক স্বামী ভরত তখতানি। দুই সন্তানকে নিয়ে হেমার সঙ্গে থাকেন এশা দেওল।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ে হয়ে গেলে নায়িকাদের জনপ্রিয়তা কমে যায়, যা বললেন অভিষেক

    অনেক সময় বিয়ে নিয়ে নানা ধরনের প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় বিনোদন জগতের তারকাদের। বিশেষ করে নায়িকাদের অনেক সময়েই বলতে শোনা যায়— বিয়ে নয়, নিজেদের কাজে মন দিতে চান তারা। 

    এর আগে এক সাক্ষাৎকারে সেই মন্তব্যের বিরোধিতা করেছিলেন বলিউড অভিনেত্রী ও সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। এবার স্ত্রীর সুরেই সুর মেলালেন স্বামী-অভিনেতা অভিষেক বচ্চন। বিয়ের পর অভিনত্রীদের জনপ্রিয়তা প্রসঙ্গে সেই জবাব দিলেন অভিনেতা?

    বলি ইন্ডাস্ট্রির একাংশের দাবি— বিয়ে হয়ে গেলে নায়ক-নায়িকাদের জনপ্রিয়তা কমে যায়। একটা সময় তো অভিনেতারা বিয়ের পর নিজেদের বিবাহিত সম্পর্ক লুকিয়ে রাখতেন। এসবই ভ্রান্ত ধারণা বলে মত দেন অভিষেকের। ঐশ্বর্যা ও অভিষেকের দাম্পত্যজীবন ১৮ বছরের। 

    নিজের অভিজ্ঞতা থেকে অভিনেতা বলেন, বিয়ের পর বিন্দুমাত্র ঐশ্বরিয়ার জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি। বরং অনেক বেশি আলোচনা হয়েছে। শুধু ঐশ্বরিয়া নয়; অভিনেত্রী হেমা মালিনী তো এ বিষয়ে আদর্শ উদাহরণ হতে পারে। বিয়ের পর তার অভিনীত সব সিনেমাই জনপ্রিয় হয়েছে।

    একই সঙ্গে অভিষেক এটিও মানেন যে, বিয়ে হয়ে গেলে কিংবা সন্তান হওয়ার পর জীবন অনেকটাই বদলে যায়। দায়িত্ব মানুষের মধ্যে অনেকটাই পরিবর্তন আনে। 

    তিনি বলেন, সন্তান হওয়ার পর কিংবা বিয়ের পর যদি কেউ আত্মকেন্দ্রিক হন, তাহলে মুশকিল। যদি কেউ আমিত্বতে ভোগেন, তাহলে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে সমস্যা হবে।

    উল্লেখ্য, একটা সময় ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও অভিষেক বচ্চনের সম্পর্ক নিয়েও বিপুল জলঘোলা হয়েছিল। যদিও সে বিষয়ে কেউ-ই কোনো মন্তব্য করেননি।

    বিনোদন ডেস্ক