Tag: অভিষেক বচ্চন

  • হবু শাশুড়ির যে কথায় কেঁদেছিলেন ঐশ্বরিয়া

    বেশ কয়েক মাস ধরে চলছিল অভিষেক বচ্চন এবং ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের বিচ্ছেদ নিয়ে চর্চা। যদিও সব জল্পনায় পানি ঢেলে দেন এই দম্পতি। সরাসরি মুখ না খুললেও, তাঁরা যে একসঙ্গেই রয়েছেন তার প্রমাণ মিলেছে ক্যামেরার সামনে। তবে আলোচনায় নতুন করে এসেছে শাশুড়ি জয়া বচ্চনের সঙ্গে তার সম্পর্ক।

    এরমাঝে নতুন এক ঘটনা সামনে এসেছে। ঐশ্বরিয়াকে পুত্রবধু বানানোর আগেই এমন কিছু বলেছিলেন জয়া, যাতে কান্না করে দিয়েছিলেন ঐশ্বরিয়া। ঘটনা ২০০৭ সালের। ফিল্মফেয়ার পুরস্কার বিতরণী সভায় উপস্থিত ছিলেন জয়া বচ্চন, অমিতাভ বচ্চন এবং ঐশ্বরিয়া। 

    অনুষ্ঠানে লাইফটাইম এচিভমেন্ট পুরস্কারে পুরস্কৃত হয়েছিলেন জয়া। পুরস্কার নিতে মঞ্চে উঠে তিনি হবু পুত্রবধুর সম্পর্কে এমন কিছু বলেছিলেন যা শুনে রীতিমতো চোখে জল চলে এসেছিল বলিউড কুইন ঐশ্বরিয়ার।

    ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মঞ্চে উঠে জয়া বলছেন, আমি খুব শীঘ্রই একজন অসাধারণ সুন্দরী মেয়ের শাশুড়ি হতে যাচ্ছি। আমার কাছে এটা ভীষণ আনন্দের। তোমাকে আমি আমার পরিবারের স্বাগত জানাই। তোমাকে অনেক অনেক ভালোবাসা।

    ঐশ্বরিয়ার উদ্দেশ্যে বলা জয়া বচ্চনের কথা শুনে তার চোখে পানি চলে আসে। পাশে দাঁড়িয়ে থাকা অমিতাভও জয়ার প্রত্যেকটি কথায় সম্মতি জানিয়েছিলেন। বিয়েটাও হয়ে যায় দ্রুত।

    ২০০৭ সালে বিয়ে করেন অভিষেক ও ঐশ্বরিয়া। তার আগে ‘গুরু’ ছবির শুটিংয়ের সময় থেকে তাদের প্রেম শুরু। ২০১১ সালে তাদের কোলে আসে আরাধ্যা।

    যুগান্তর ডেস্ক

  • ঐশ্বরিয়ার প্রকাশ্যে প্রেম নিবেদন, এড়িয়ে গেলেন অভিষেক!

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা অভিষেক বচ্চন ও সাবেক বিশ্বসুন্দরী অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের বারবার তাদের ব্যক্তিগত জীবন খবরের শিরোনামে উঠে আসে। গত বছর সামাজিক মাধ্যমে তাদের বিচ্ছেদের খবর নিয়ে নানান আলোচনা-সমালোচনা হয়। তবে সেই খবর যে একেবারেই মিথ্যা ছিল, তা প্রমাণ করে দেন এ দম্পতি। একাধিক অনুষ্ঠানে তাদের দেখা গেছে খোশমেজাজেই। কিন্তু এর মধ্যেই আবার নতুন করে বিতর্ক শুরু। এবার জানা গেল, স্বামীর প্রতি প্রকাশ্যে প্রেম প্রকাশ করার পরও স্ত্রী ঐশ্বরিয়াকে সম্পূর্ণ এড়িয়ে গেলেন অভিষেক? কিন্তু কেন? 

    সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও ঘিরেই এ সমস্যার সূত্রপাত। অভিষেক ও অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে প্রথম ভ্রমণের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে নিতে দেখা যায় ঐশ্বরিয়াকে। ভিডিওটি পুরোনো হলেও নতুন করে ছড়িয়েছে সামাজিক মাধ্যমে। অভিনেত্রী সেই ভিডিওতে অভিষেকের প্রশংসা করছিলেন। এমনকি জুনিয়র বচ্চনের প্রতি প্রেমও প্রকাশ পায় ঐশ্বরিয়ার কথায়। কিন্তু অভিষেক নাকি সম্পূর্ণ এড়িয়ে যান অভিনেত্রীকে। কোনো গুরুত্বই নাকি দেননি তিনি সাবেক বিশ্বসুন্দরীকে।

    ঐশ্বরিয়া বলেছিলেন, এই প্রথম আমার ভালোবাসা, অর্থাৎ আমার স্বামীর সঙ্গে আমার প্রথম ভ্রমণ। ওটা ওর প্রথম বিশ্বভ্রমণ ছিল। এই ভ্রমণের কথা আমার সারাজীবন মনে থাকবে। কারণ আমরা একসঙ্গে গিয়েছিলাম। তিনি বলেন, এই ভ্রমণের অভিজ্ঞতা আমার কাছে আরও বিশেষ। কারণ আমার শ্বশুর-শাশুড়িও গিয়েছিলেন। 

    ঐশ্বরিয়া যখন অভিষেকের ভূয়সী প্রশংসায় পঞ্চমুখ, তখন অভিনেতা নাকি নির্বিকার ছিলেন। এই দেখে এক নিন্দুক মন্তব্য করে বলেন, ঐশ্বরিয়া কত ভালো ভালো কথা বলছে অভিষেকের জন্য। আর অভিনেতার মুখটা দেখুন। নিজেকে কি রাজা ভাবেন? ঐশ্বরিয়ার জন্য খারাপ লাগে।

    আরেক নিন্দুক কটাক্ষের সুরে বলেন, আরে ভাই, সামান্য হাসতে তো পারেন। এভাবে মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে থাকতে আপনাকে কে বলেছে?

    উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে বিয়ে করেছিলেন অভিষেক ও ঐশ্বরিয়া। তার আগে ‘গুরু’ ছবির শুটিংয়ের সময় থেকে তাদের প্রেম শুরু। ২০১১ সালে তাদের কোলে আসে আরাধ্যা।  

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিষেকের ফোন থেকে প্রিয়াংকার প্রেম বার্তা, তিনি কে?

    এক নায়িকার কথা নাকি খুব মনে পড়ছে। এমন একটি বার্তা সেই নায়িকাকে সটান পাঠিয়েছিলেন অভিষেক বচ্চন। বর্তমানে তারা দুজনই নিজেদের সংসার নিয়ে ব্যস্ত। কিন্তু একটা সময় সেই নায়িকাকে অভিষেক লিখে পাঠিয়েছিলেন, ‘তোমার কথা আমার খুব মনে পড়ছে।’ তবে অভিষেকের এই বার্তার নেপথ্যে ছিল আরও একটি ঘটনা। সেই ঘটনা একটি সাক্ষাৎকারে প্রকাশ্যে আনেন প্রিয়াংকা চোপড়া।

    ‘ব্লাফমাস্টার’ ছবিতে অভিনয় করেছিলেন প্রিয়াংকা ও অভিষেক। ছবির সেটে প্রায়শই নানা ধরনের খুনসুটি করতেন অভিষেক। এমনই এক দিন প্রিয়াংকার ফোন লুকিয়ে রেখে দেন অভিষেক। তার পরেই অভিষেকের সঙ্গে পালটা খুনসুটি করার ফন্দি আঁটেন প্রিয়াংকা।

    অভিনেত্রী বলেছেন, ‘ও আমার ফোন প্রথমে চুরি করেছিল। ফোনের ওপর বসে পড়েছিল।’ এর প্রতিশোধ নিয়েছিলেন প্রিয়াংকা। অভিষেকের ফোন থেকে তিনি রানি মুখোপাধ্যায়কে লিখে পাঠিয়েছিলেন, ‘তোমার কথা খুব মনে পড়ছে। তুমি কোথায়?’ এই বার্তা পাঠিয়ে সঙ্গে সঙ্গে সেই ফোন বন্ধ করে দিয়েছিলেন তিনি। গোটা একটা দিন প্রায় ফোন খুঁজতে খুঁজতেই কেটে গিয়েছিল অভিষেকের। পরে রানি পালটা বার্তায় লিখেছিলেন, ‘তোমার কি কিছু হয়েছে অভিষেক?’ যদিও রানি জানতে পারেননি, এই খুনসুটি আসলে প্রিয়াংকা করেছেন।

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ‘বান্টি অউর বাবলি’, ‘যুবা’র মতো ছবিতে জুটি বেঁধেছিলেন রানি ও অভিষেক।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঐশ্বরিয়ার মুখ থেকে যে বাক্যটি শুনলেই দুশ্চিন্তায় পড়ে যান অভিষেক

    প্রায় এক বছর ধরে জল্পনা চলেছিল বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। শুরুটা হয়েছিল অনন্ত আম্বানী ও রাধিকা মার্চেন্টের বিয়ের আসর থেকে। এরপর থেকে বেশ কিছুদিন একসঙ্গে দেখা যায়নি এ দম্পতিকে। তবে মাঝে মেয়ে আরাধ্যার জন্মদিন নাকি একসঙ্গেই উদ্যাপন করেছিলেন তারা। 

    এরপর আবার আরাধ্যার স্কুলের অনুষ্ঠানে একসঙ্গে হাজির হন বচ্চন দম্পতি। সেখানে জল্পনার অবসান ঘটিয়ে তারকা জুটি এই বার্তাই দেন যে, দিব্যি একসঙ্গে রয়েছেন তারা। 

    বিয়ের প্রায় ১৭ বছর পার করে ফেলেছেন একসঙ্গে কিন্তু এখনো নাকি ঐশ্বরিয়ার ফোন এলেই বুক কাঁপে অভিষেকের।

    সম্প্রতি একটি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন অভিষেক। সেখানে নিজের সদ্য মুক্তি পাওয়া ‘আই ওয়ান্ট টু টক’ ছবির জন্য পুরস্কৃত হন। আর সেই অনুষ্ঠানেই তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, বাস্তব জীবনে কার কাছ থেকে এই চারটি বাক্য, অর্থাৎ ‘আমি কথা বলতে চাই’ শুনলে বেশ চাপেই পড়ে যান জুনিয়র বচ্চন। 

    তাতেই অভিনেতা সাফ বলেন, ‘যখনই আমার স্ত্রী ঐশ্বরিয়া ফোন করে বলেন তিনি কিছু বলতে চান, আমি খুব দুশ্চিন্তায় পড়ে যাই!’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঐশ্বরিয়ার ফোন এলেই চাপে থাকেন অভিষেক!

    বলিউডের তারকা দম্পতি অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই। মাস কয়েক আগে গুঞ্জন ছড়ায় বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন তারা।  তবে নিন্দুকের মুখে ছাই দিয়ে তারা জানালেন, কোনো দূরত্ব নয় এখনো কাছাকাছি আছেন উভয়েই। অভিষেক স্ত্রীকে এখনো এতটা ভয় পান যে, ঐশ্বরিয়ার ফোন এলে চাপে পড়ে যান। 

    সম্প্রতি শো-শা রিল অ্যাওয়ার্ডে ‘আই ওয়ান্ট টু টক’ সিনেমার জন্য সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন অভিষেক বচ্চন। সেই মঞ্চেই তিনি স্ত্রী ঐশ্বরিয়া সম্পর্কে এ কথা বলেন। 

    অনুষ্ঠানে অর্জুন কাপুরের সঙ্গে অভিষেকের মজার একটি কথপোকথন নজর কেড়েছে সবার।  এসময় জুনিয়র বচ্চন অর্জুনকে বিয়ে নিয়ে টিপস দেন। শুধু তাই নয় তিনি জানান, ঐশ্বরিয়া থেকে তিনি ফোন পেলেই ভয় পেয়ে যান। চাপে পড়েন। কিন্তু কেন এমনটা হয়?

    এদিন এই অ্যাওয়ার্ডের মঞ্চে অর্জুন কাপুর অভিষেককে জিজ্ঞেস করেন, কে সেই ব্যক্তি যিনি অভিষেককে ‘আমি তোমার সঙ্গে কথা বলতে চাই’ বললেই অভিনেতা চাপে পড়ে যান? 

    জবাবে অভিনেতা বলেন, ‘তোমার এখনো বিয়ে হয়নি না? যখন হবে তখন তুমি এটার উত্তর পেয়ে যাবে।’ অভিষেকের এই কথা শুনে হেসে গড়িয়ে পড়েন সকলে। বলাই বাহুল্য অভিনেতা যে এদিন তার স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে কথাটা বলেছেন।

    বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তিনি আরও বলেন, ‘যখন তুমি তোমার স্ত্রীর থেকে ফোন পাবে আর তাকে বলতে শুনবে যে আমার তোমার সঙ্গে কিছু কথা আছে তখনই বুঝে যেও যে তুমি বিপদে পড়েছ।’

    এদিন সেরা অভিনেতার পুরস্কার হাতে নিয়ে অভিষেক বচ্চন বলেন, ‘এটা আমার প্রথম সেরা অভিনেতার পুরস্কার। আমি সম্মানীয় জুরিকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি, আমাকে এই পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করার জন্য। কিন্তু এই ছবিতে আমার গোটা পারফরমেন্সের ক্রেডিট সুজিত সরকারের (পরিচালক)। উনি এই দুর্দান্ত ছবিটি বানিয়েছেন।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমার ছেলে আমার উত্তরাধিকারী নয়: অমিতাভ বচ্চন

    বচ্চন পরিবারে সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। জানা গেছে, ছোটবেলা থেকেই ছেলেমেয়েদের নাকি কড়া শাসনে বড় করেছেন অভিনেত্রী জয়া বচ্চন। যদিও বাবা অমিতাভ বচ্চন নাকি ছেলেমেয়েদের সঙ্গে অনেক সহজভাবে মেলামেশা করেন। আর মেয়ে শ্বেতা যে বাবার চোখের মণি, বড় আদরের, তা বিভিন্ন সময় ব্যক্ত করেছেন তারকা। এমনিতেই বচ্চন পরিবারের অন্দরে পুত্রবধূ ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও মেয়ে শ্বেতা বচ্চনের সমীকরণ নিয়ে নানা মত রয়েছে। এবার ছেলে অভিষেক বচ্চনকে উত্তরাধিকার মানতে নারাজ বিগ বি অমিতাভ বচ্চন। কিন্তু কেন?

    সামাজিক মাধ্যম টুইটারে বেশ সক্রিয় বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন। নিজের এক্স হ্যান্ডলে (সাবেক টুইটার) অভিনেতা হিন্দিতে লিখেছিলেন— আমার ছেলে, ছেলে হওয়া সত্ত্বেও আমার উত্তরসূরি হবে না। যে আমার উত্তরসূরি হবে, সে আমার পুত্র হবে। আমার বাবা এ কথাই বলতেন। আর অভিষেক সেই কথা পূরণ করছে। অভিনেতার এহেন পোস্ট দেখে জল্পনা শুরু অনুরাগীদের মধ্যে। সবাই প্রায় অবাক! হঠাৎ এমন হেঁয়ালিপূর্ণ পোস্ট করলেন কেন অমিতাভ বচ্চন? 

    এক নেটিজেন লিখেছেন— আপনি কি দয়া করে এটি ব্যাখ্যা করতে পারেন? অন্য আরেক নেটিজেন লিখেছেন— আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, অভিষেকের যদি ‘বচ্চন’ ট্যাগ না থাকত, তা হলে সে তারচেয়ে অনেক বেশি সফল হতো। যদিও অনুরাগীদের কৌতূহল নিরসন করেননি অমিতাভ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কন্যা আরাধ্যার প্রভাব অভিষেক বচ্চনের সিনেমায়

    গত বছর অভিনেতা অভিষেক বচ্চন ও অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের বিবাহবিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন— বলিপাড়ার এমন খবরে নেটিজেনদের মাঝে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। কিন্তু বছরের শেষ মুহূর্তে এসে নিজেরাই সেই জল্পনায় পানি ঢেলে দেন। বচ্চন দম্পতি দিব্যি আছেন। আরাধ্যার স্কুলের অনুষ্ঠানে থেকেই ফের ভুল বোঝাবুঝি মিটিয়ে নিয়েছেন অভিষেক-ঐশ্বরিয়া। তবে এ নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়াই দেননি এ তারকা দম্পতি।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিষেক বচ্চন জানিয়েছেন, কন্যা আরাধ্যার বড় প্রভাব রয়েছে তার জীবনে। এমনকি কাজের জগতেও মেয়ের বড় প্রভাব রয়েছে। ‘বি হ্যাপি’ নামে একটি সিনেমাতে অভিনয় করেছেন অভিষেক বচ্চন। এ সিনেমায় একাকী বাবার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন অভিনেতা। কন্যার সঙ্গে বাবার সমীকরণ তুলে ধরা হয়েছে এ সিনেমায়। এখানেই আরাধ্যার সঙ্গে তার সম্পর্ক বড় ভূমিকা পালন করেছে। 

    অভিষেক বলেন, বাস্তবের সঙ্গে যোগ তৈরি করা গেলে, সিনেমার চরিত্র আরও ভালো করে ফুটিয়ে তোলা সহজ হয়ে ওঠে। বাস্তবের অভিজ্ঞতা থেকে আবেগ ফুটিয়ে তোলা সহজ।

    বর্তমানে আরাধ্যার বয়স ১৩। এমনই বয়সের এক কিশোরীর বাবার চরিত্রে দেখা যাবে অভিষেক বচ্চনকে। জুনিয়র বচ্চন এ প্রসঙ্গে বলেন, অভিনেতা হিসেবে আমরা সবাই সবসময়ে ব্যক্তিগত জীবনের সঙ্গে যোগ খোঁজার চেষ্টা করি। বাস্তবের অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিল খুঁজে পেলে অভিনয় আরও সহজ হয়ে ওঠে। নিখুঁতভাবে চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলা সম্ভব হয়।

    এ সিনেমাতে অভিষেকের কন্যার চরিত্রে অভিনয় করেছে ইনায়ত ভার্মা। ‘লুডো’ সিনেমাতেও অভিষেকের কন্যার চরিত্রে অভিনয় করেছিল ইনায়ত। এ ছাড়া এ সিনেমায় আরও আছেন নোরা ফাতেহি, হারলিন শেঠি, জনি লিভার প্রমুখ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিষেকের অভিব্যক্তি সম্পর্কে যা বললেন অমিতাভ

    বলিউড অভিনেতা অভিষেক বচ্চনের পাশে বরাবরই দাঁড়িয়েছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন। ছেলের অভিনয়জীবনের একেবারে শুরু থেকে তার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। বিষয়টি স্বাভাবিক হলেও খুব ভালো মনে মেনে নিতে পারেননি অমিতাভ বচ্চনও। 

    কিন্তু অভিষেকের মন ছুটেছে অভিনেত্রী নোরা ফাতেহির দিকে। স্ত্রীর বিচ্ছেদ ভুলে ধীরে ধীরে নোরার দিকে মন দিচ্ছেন অভিনেতা। কারণ নাকি তার একমাত্র কন্যা। অভিষেকের এ বিষয়ে যা বললেন শাহেনশাহ।

    যদিও এটা বাস্তব নয়। রেমো ডিসুজা পরিচালিত ‘বি হ্যাপি’ সিনেমায় আগামী দিনে ফের এমনই এক একাকী বাবার চরিত্রে দেখা যাবে অভিষেককে। কিন্তু এর মধ্যেই তার বাবা অমিতাভ বচ্চন সামাজিক মাধ্যমে করে বসলেন অদ্ভুত এক মন্তব্য। সদ্য মুক্তি পেয়েছে ‘বি হ্যাপি’-র প্রথম ঝলক। সেখানে নানাভাবে এক একাকী পিতারূপে অভিষেককে দেখে অনুরাগীরা প্রশংসা করেছেন তার। 

    এক্স হ্যান্ডলে অভিষেককে উল্লেখ করে এক নেটিজেন লিখেছেন— অভিষেক অকারণ ‘নেপোটিজম’-এর নেতিবাচকতায় আক্রান্ত। অথচ ওর অভিনয়জীবনে ভালো সিনেমার সংখ্যা অনেক বেশি। এই বক্তব্যকে সমর্থন করে অমিতাভ লিখেছেন—আমারও ঠিক একই কথা মনে হয়… সেটি শুধু আমি ওর বাবা বলে নয়।

    অভিষেকের পাশে বরাবরই দাঁড়িয়েছেন বিগ বি অমিতাভ বচ্চন। গত বছরের একেবারে শেষ প্রান্তে মুক্তি পেয়েছিল অভিষেক অভিনীত সিনেমা ‘আই ওয়ান্ট টু টক’। কিন্তু তেমনভাবে প্রচারই করা হয়নি সুজিত সরকারের সিনেমাটির। সমালোচক মহলে যথেষ্ট প্রশংসা পায় অভিষেকের অভিনয়। সেখানে এক ক্যানসার আক্রান্ত একাকী বাবার চরিত্রে দেখা গিয়েছিল তাকে। এবারও সেই একাকী বাবা এবং তার ছোট্ট মেয়ে। তবে রেমো মানেই গল্পের পরতে পরতে নাচ। তাই অভিষেকের বিপরীতে লাস্যময়ী নোরা। এমন একটি সিনেমার প্রথম ঝলক স্বাভাবিকভাবেই আকর্ষণ করেছে দর্শকদের মনে।

    স্বয়ং শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন এক্স হ্যান্ডলে ‘বি হ্যাপি’-র ঝলক শেয়ার করে লিখেছেন— অভিষেক, তুমি অসাধারণ…, যেভাবে প্রতিটা সিনেমার চরিত্রকে ভিন্নভাবে গ্রহণ করো, তা শিল্পের পর্যায়ে পৌঁছায়, অনন্য… ভাইয়ু তোমাকে ভালোবাসি।

    সম্প্রতি একটি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন অভিষেক বচ্চন। সাদা পোশাকে তাকে দেখাচ্ছিল উজ্জ্বল। ফটোসাংবাদিকদের সামনে স্মিতহাস্যে দাঁড়িয়েছেন তিনি, হাত জোড় করে সম্ভাষণ জানিয়েছেন। সেই ভিডিও শেয়ার করেও এক নেটিজেন অভিষেকের প্রশংসা করেছেন। সেখানেও অমিতাভ লিখেছেন— ‘অসাধারণ অভিষেক… মনোমুগ্ধকর… তোমার হাঁটা, তোমার সৌষ্ঠব এবং ভঙ্গি… কোনো আদিখ্যেতা নেই, যেন একেবারে সাধারণ… অকারণ উত্তেজনা প্রদর্শন এবং দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা নেই…।’ এখানেও অমিতাভ ছেলের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করে লাল হৃদয়ের ইমোজি ব্যবহার করেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিচ্ছেদ গুঞ্জন উড়িয়ে বিয়েবাড়িতে ম্যাচিং পোশাকে অভিষেক-ঐশ্বর্য

    ঐশ্বরিয়া রাই এবং অভিষেক বচ্চন মধ্যে ডিভোর্সের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল ২০২৪ সালের জুলাই মাস থেকে। অনন্ত আম্বানির বিয়ের অনুষ্ঠানের পর থেকেই এই বিষয়টা প্রকাশ্যে আসা শুরু হয়েছিল।

    কেউ বলেছেন এই দম্পতির মধ্যে তৃতীয় ব্যক্তি ঢুকে পড়েছেন। কেউ বলেছেন শাশুড়ি জয়ার সঙ্গে রাই সুন্দরীর সম্পর্ক ভালো না। আবার কারোর কথায়, ননদের কারণেই শ্বশুরবাড়ি থেকে আলাদা থাকছেন ঐশ্বরিয়া। সম্পত্তি নিয়ে নাকি ঝগড়া?

    যদিও এসব গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে গত বছরের শেষে আরাধ্যা বচ্চনের স্কুলের বার্ষিক ঐশ্বরিয়ার সঙ্গেই পৌঁছেছিলেন অভিতাভ-অভিষেক। তারপর আবার সপরিবারে ঘুরতেও গিয়েছিলেন তারা। আর এবার পরিচালক আশুতোষ গোয়ারিকরের ছেলের বিয়েতে একসঙ্গেই পৌঁছালেন অভিষেক-ঐশ্বরিয়া। সেখানে আবার তাদের পোশাকেও ছিল ম্যাচিং রঙ।

    অভিষের পরেছিলেন আইভরি রঙের গলাবন্ধ। আর ঐশ্বরিয়া ওই রঙেরই আনারকলি ড্রেস পরেছিলেন। সুন্দর এই মুহূর্তটি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। জানা যাচ্ছে, বৃন্দাবন মন্দিরে যাওয়ার আমন্ত্রণও পেয়েছেন এই দম্পতি।

    শুধু তাই নয়, বিয়েবাড়িতে নতুন বর-কনে কোনার্ক গোয়ারিকর ও নিয়তি কানাকিয়ারসহ অন্যান্য আরও অনেকের সঙ্গেই পোজ দিতে দেখা যায় ঐশ্বরিয়া-অভিষেককে। 

    এদিকে অভিষেক-ঐশ্বরিয়াকে একসঙ্গে দেখে নেটপাড়ায় কমেন্টের বন্যা বয়ে গেছে। একজন লিখেছেন, ‘অবশেষে তারা এক হলেন।’ কেউ লিখেছেন, ‘যাক, ঝগড়া মিটেছে তাহলে!’ একজন কটাক্ষ করে লিখেছেন, ‘কারা যেন বলছিলেন ওদের ডিভোর্স হবে! কেউ কেউ তো অভিষেকের দ্বিতীয় বিয়ের কথাও ভেবে ফেললেন!’

    বিনোদন ডেস্ক

  • এক ছাদের তলায় মদপান সালমান-অভিষেকের!

    বলিউডের ভাইজানখ্যাত অভিনেতা সালমান খান ও অভিনেতা অভিষেক বচ্চন— দুই তারকাকে একত্রে দেখা যায় না। কেন দেখা যায় না? তার কারণও প্রায় সবার কাছেই পরিষ্কার। কিন্তু একটা সময়ে নিশিঠেকে একই ছাদের তলায় মদপানে মজতেন তারা। এমনকি তাদের সঙ্গে যোগ দিতেন বলিউডের শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চনও। সম্প্রতি বলিউডের এমন নানা অজানা কথা প্রকাশ্যে এনেছেন ডিজে অকিল।

    একটা সময়ে মোবাইলের রমরমা ছিল না। কোথাও গেলেই সেলফি তোলার ভিড় জমত না। যখন তখন ক্যামেরাবন্দি হতেন না তারকারা। তাই তারা নির্দ্বিধায় পরস্পরের সঙ্গে জমায়েতে মাততেন। ডিজে অকিল বলেছেন, একটা সময় পর্যন্ত ব্যক্তিগত জমায়েতে আমি গান বাজাতে যেতাম। তার পর নিশিঠেকের পার্টিতে গানবাজানো শুরু করি। এক নির্দিষ্ট নিশিঠেকে বলিউডের বড় বড় তারকারা আসতেন। তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন সালমান খান, অভিষেক বচ্চন, ফারদিন খান, জন আব্রাহাম, হৃতিক রোশন, ডিনো মারিয়াসহ আরও অনেকেই। সিনিয়র ও জুনিয়র দুই বচ্চনই একসঙ্গে পার্টি করতেন মনে আছে। তখন কোনো ক্যামেরা ছিল না।

    সামাজিক মাধ্যমের রমরমার পর বন্ধ হয়ে গেছে বলিউডের সেই পার্টি বলে জানান ডিজে অকিল। তিনি বলেন, এখন তারকারা ভয় পান। এখন ওরা নিশিঠেকে প্রবেশ করতেই পারেন না। প্রত্যেকে এখন ওদের সঙ্গে ছবি তুলতে চান। লোকজন ওদের বিরক্ত করেন। মানসিক শান্তি নেই ওদের মধ্যে। কিন্তু আগে এসব বিষয় নিয়ে কাউকে চিন্তা করতে হতো না। ওরা আসতেন, মদপান করতেন, আনন্দ করতেন নির্দ্বিধায়। ওদের ছবির গান বাজালে মনের আনন্দে নাচতেন। বিশেষ করে বাদশাহ শাহরুখ খান, ভাইজান সালমান ও মিস্টার পারফেকশনিস্ট আমির খান নিজেদের ছবির গানে নাচতে ভালোবাসতেন।

    একসময়ে নিয়মিত শাহরুখের বাড়ির জমায়েতেও গান বাজাতেন ডিজে অকিল। প্রতি রাতে গান বাজিয়ে ৩০-৪০ হাজার টাকা পেতেন বলে জানান তিনি। 

    বিনোদন ডেস্ক