হলিউড ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশাল বিনিয়োগ

Written by

in

এবার হলিউড ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মে নিজের প্রভাব বিস্তার করতে চাইছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমন প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে বিনোদন জগতে। সম্প্রতি নেটফ্লিক্স এবং ওয়ার্নার ব্রাদার্স ডিসকভারির মধ্যে একটি বিশাল চুক্তি হয় সম্পন্ন হয়। সেখানেই এবার নজর পড়ল ট্রাম্পের! প্রতিষ্ঠান দুটির বিপুল পরিমাণ বন্ড বা ঋণপত্র কিনেছেন এ মার্কিন প্রেসিডেন্ট। 

গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে একটি আর্থিক বিবরণী প্রকাশ করা হয়েছে। তা থেকে জানা যায়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ওই কোম্পানি দুটির প্রত্যেকটি থেকে অন্তত ৫ লাখ ডলার মূল্যের মোট ১০ লাখ ডলারের ঋণপত্র (বন্ড) কিনেছেন। ওয়ার্নার ব্রাদার্সকে অধিগ্রহণে নেটফ্লিক্সের ৮ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের সেই ঐতিহাসিক চুক্তির ঘোষণার মাত্র কয়েক দিনের মাথাতেই এ বিনিয়োগ সেরে নিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

এ মার্কিন প্রেসিডেন্ট দুই দফায় নেটফ্লিক্সের বন্ডগুলো কিনেছেন। এর মধ্যে গত ১২ ডিসেম্বর প্রথম দফায় দুই লাখ ৫০ হাজার থেকে পাঁচ লাখ ডলার সমমূল্যের এবং ১৬ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় সমপরিমাণ মূল্যের বন্ড কেনা হয়েছে। নেটফ্লিক্সের এই বন্ডগুলোর মেয়াদ ২০২৯ সালের নভেম্বরে শেষ হবে। 

আরও পড়ুন
আরও পড়ুন

এক বিবরণীতে জানা যায়, ট্রাম্প ওয়ার্নার ব্রাদার্স ডিসকভারির সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘ডিসকভারি কমিউনিকেশনস এলএলসি’র ইস্যু করা বন্ডও কিনেছেন। নেটফ্লিক্সের মতোই গত ১২ ডিসেম্বর প্রথম দফায় দুই লাখ ৫০ হাজার থেকে পাঁচ লাখ ডলার এবং ১৬ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় একই পরিমাণ মূল্যের বন্ড কেনেন তিনি। ওয়ার্নার ব্রাদার্সের এ বন্ডগুলোর মেয়াদ ২০৩০ সালে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। 

নথিতে আরও দেখা গেছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প শুধু নেটফ্লিক্স বা ওয়ার্নার ব্রাদার্সেই বিনিয়োগ করেননি। ডিসেম্বরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য ও শহরের প্রচুর মিউনিসিপ্যাল বন্ড (সরকারি বন্ড) কিনেছেন। এর পাশাপাশি জেনারেল মোটরস, বোয়িং, মেসিস ও ভিক্টোরিয়াস সিক্রেটের মতো বড় বড় আমেরিকান কোম্পানির বন্ডও তার তালিকায় রয়েছে। 

হোয়াইট হাউসের দাবি, এ বিনিয়োগ ট্রাম্পের ব্যক্তিগত কোনো সিদ্ধান্ত নয়। এটি মূলত একটি ‘স্বয়ংক্রিয় বিনিয়োগ পদ্ধতি’, যেখানে কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে না বেছে বরং বাজারের শীর্ষ কোম্পানিগুলোর একটি সাধারণ তালিকা (সূচক) অনুসরণ করে বিনিয়োগ করা হয়। 

যেহেতু নেটফ্লিক্স বা ওয়ার্নার ব্রাদার্স বাজারের বড় কোম্পানি, তাই ওই তালিকার অংশ হিসেবেই অর্থ বিনিয়োগ হয়েছে। এই পুরো প্রক্রিয়াটি পেশাদার ব্যবস্থাপকরা পরিচালনা করলেও ট্রাম্পের সরাসরি কোনো হস্তক্ষেপ নেই। 

বিনোদন ডেস্ক

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *