Tag: নেটফ্লিক্স

  • বায়োপিকের পর এবার মাইকেল জ্যাকসনকে নিয়ে ডকুসিরিজ ‘দ্য ভারডিক্ট’

    বিশ্বখ্যাত পপ তারকা মাইকেল জ্যাকসনের জীবনের ওপর নির্মিত ব্লকবাস্টার বায়োপিক ‘মাইকেল’র অভাবনীয় সফলতার পর, এবার তাকে নিয়ে একটি সম্পূর্ণ নতুন ডকুসিরিজ নিয়ে আসছে স্ট্রিমিং জায়ান্ট নেটফ্লিক্স। তিন পর্বের এই তথ্যচিত্রের নাম রাখা হয়েছে ‘মাইকেল জ্যাকসন: দ্য ভারডিক্ট’। 

    আগামী ৩ জুন ওটিটি প্ল্যাটফর্মটিতে এটি প্রিমিয়ার হতে যাচ্ছে। 

    ‘কিং অব পপ’ খ্যাত এই তারকার জীবনের ওপর নির্মিত এই নতুন সিরিজটি সম্পূর্ণভাবে জ্যাকসনের ২০০৫ সালের তার সেই বহুল আলোচিত ফৌজদারি মামলাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। 

    ২০০৩ সালে তার বিরুদ্ধে ওঠা শিশু যৌন নির্যাতনের অভিযোগ, পরবর্তী সময়ে দীর্ঘ আইনি লড়াই এবং সেই পুরো বিচার প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে বিশ্বজুড়ে সংবাদমাধ্যমের যে নজিরবিহীন উন্মাদনা তৈরি হয়েছিল—তা এই সিরিজে অত্যন্ত গভীরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

    এই ডকুসিরিজে জ্যাকসনের মামলার উভয় পক্ষ, অর্থাৎ প্রসিকিউশন (অভিযোগকারী পক্ষ) এবং ডিফেন্স (আত্মপক্ষ সমর্থনকারী পক্ষ)—দুটিরই চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এতে এমন সব ব্যক্তিদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে যারা সরাসরি সেই সময় আদালতের ভেতরে উপস্থিত ছিলেন; যার মধ্যে রয়েছেন জুরি সদস্য, প্রত্যক্ষদর্শী, অভিযোগকারী এবং জ্যাকসনের আইনজীবীরা। 

    এছাড়াও মাঠপর্যায়ে থেকে এই ঐতিহাসিক ঘটনা কাভার করা বিশিষ্ট গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সঙ্গেও বিস্তারিত কথা বলেছেন নির্মাতারা। 

    শো-রানার ডেভিড হারম্যানের সৃষ্টি এবং ‘ক্যান্ডেল ট্রু স্টোরিজ’-এর প্রযোজনায় নির্মিত এই সিরিজটির মূল লক্ষ্য ছিল দর্শককে সরাসরি সেই ঐতিহাসিক বিচার কক্ষের ভেতরে নিয়ে যাওয়া। আর এ কারণেই নির্মাতারা শুধুমাত্র সেইসব প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য নিয়েছেন যারা এই ঘটনার সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। 

    নিক গ্রিনের পরিচালনায় এই তথ্যচিত্রটির নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে আছেন ফিওনা স্টুয়ার্টন, ডেভিড হারম্যান এবং জেমস গোল্ডস্টন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নেটফ্লিক্সের নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম ‘টুডুম’-এর সঙ্গে আলাপকালে নির্মাতারা জানান, এই বিচার প্রক্রিয়া এবং এর পেছনে রয়ে যাওয়া অমীমাংসিত প্রশ্নগুলোকে নতুন করে খতিয়ে দেখার জন্য এখনই উপযুক্ত সময়। তারা এই প্রজেক্টটিকে একটি ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে উপস্থাপন করতে চেয়েছেন, যেখানে আদালতে যেভাবে তথ্যপ্রমাণ উন্মোচিত হয়েছিল, ঠিক সেভাবেই তা দেখানো হয়েছে। 

    তারা উল্লেখ করেন, ‘মাইকেল জ্যাকসনের সেই ঐতিহাসিক বিচারের পর ২০ বছর কেটে গেছে, যেখানে তিনি সব অভিযোগ থেকে নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছিলেন। তা সত্ত্বেও আজ অবধি এই বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক কমেনি। যেহেতু সেই সময় আদালতের ভেতরে কোনো ক্যামেরা প্রবেশের অনুমতি ছিল না, তাই সাধারণ মানুষ কেবল সংবাদমাধ্যমের খণ্ডিত এবং নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবেশিত খবরই দেখতে পেরেছিল। ফলে পুরো বিচার প্রক্রিয়াটির একটি ফরেনসিক বা নিরপেক্ষ চুলচেরা বিশ্লেষণ দীর্ঘকাল ধরেই বাকি ছিল।’ 

    যদিও এই গ্লোবাল আইকন শেষ পর্যন্ত সমস্ত অভিযোগ থেকে খালাস পেয়েছিলেন, তবুও ২০০৯ সালে তার আকস্মিক মৃত্যুর পরও তার জটিল আইনি লড়াই এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে জনসাধারণের আগ্রহ এখনো আকাশচুম্বী। 

    নির্মাতাদের বিশ্বাস, যারা মাইকেল জ্যাকসনের জীবন ও ইতিহাস সম্পর্কে জানতে আগ্রহী, এই ডকুসিরিজটি তাদের জন্য এক বিরল সুযোগ। এটি মূলত চার দেয়ালের মাঝে আটকে থাকা একটি রুদ্ধদ্বার ঘটনার গভীরে গিয়ে প্রকৃত সত্যকে উপলব্ধি করার সুযোগ করে দেবে। 

    সূত্র: জিও নিউজ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আফগানিস্তান যুদ্ধ নিয়ে সিনেমা বানাচ্ছেন হ্যারি-মেগান

    ব্রিটেনের প্রিন্স হ্যারি এবং তার স্ত্রী মেগান মার্কেল আফগানিস্তানে ব্রিটিশ সামরিক বাহিনীর একটি সত্য অভিযান অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে যাচ্ছেন। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্স নিশ্চিত করেছে, একটি জনপ্রিয় আত্মজীবনীমূলক বই বা মেমোরিয়াল থেকে সিনেমাটি তৈরি করা হবে। 

    ব্রিটিশ মেজর অ্যাডাম জোয়েটের লেখা বেস্টসেলার বই ‘নো ওয়ে আউট: দ্য সিয়ারিং ট্রু স্টোরি অব মেন আন্ডার সিজ’ অবলম্বনে নির্মিত হবে এই চলচ্চিত্রটি। 

    ২০০৬ সালের জুলাই মাসে আফগানিস্তানের হেলমান্দ প্রদেশের মুসা কালা এলাকায় অল্প সংখ্যক প্যারাট্রুপার এবং রয়্যাল আইরিশ রেঞ্জার্স নিয়ে তালেবান ঘাঁটির বিরুদ্ধে মেজর জোয়েটের বীরত্বপূর্ণ ও রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের সত্য ঘটনা এই বইটিতে তুলে ধরা হয়েছে। হেলমান্দ প্রদেশটি তখন আফিম চাষ এবং তালেবানদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল।

    নেটফ্লিক্স ফরাসি সংবাদ সংস্থা এএফপি-কে জানিয়েছে, হ্যারি ও মেগান তাদের নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা ‘আর্চওয়েল প্রোডাকশনস’-এর স্ক্রিপ্টেড কনটেন্ট প্রধান ট্রেসি রায়ারসনের সঙ্গে যৌথভাবে সিনেমাটি প্রযোজনা করবেন। 

    এর চিত্রনাট্য লেখার দায়িত্ব পেয়েছেন অস্কার মনোনীত বিখ্যাত চিত্রনাট্যকার ম্যাট চারম্যান, যিনি ২০১৫ সালের সাড়া জাগানো সিনেমা ‘ব্রিজ অব স্পাইস’-এর জন্য পরিচিত। 

    প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল ব্রিটিশ রাজপরিবার ত্যাগ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানোর পর, ২০২০ সাল থেকে নেটফ্লিক্সের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কাজ করছেন। রাজপরিবারের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে নিজেদের আয়ে স্বাধীনভাবে চলার লক্ষ্যেই তারা এই চুক্তি করেছিলেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নেটফ্লিক্সের সঙ্গে তাদের প্রথম প্রামাণ্যচিত্র ‘হ্যারি অ্যান্ড মেগান’ বিশ্বব্যাপী দারুণ সাড়া ফেলেছিল। 

    তবে ওটিটি জায়ান্টটির সঙ্গে করা প্রায় ২০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তির পরবর্তী প্রকল্পগুলো খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি। এর মধ্যে মেগানের লাইফস্টাইল সিরিজ ‘উইথ লাভ, মেগান’ তীব্র সমালোচনার মুখেও পড়ে। 

    প্রসঙ্গত, রাজা চার্লসের কনিষ্ঠ পুত্র প্রিন্স হ্যারি নিজে একজন সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর সদস্য হয়ে আফগানিস্তানে দুটি যুদ্ধকালীন অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন। সেনাবাহিনী থেকে অব্যাহতি নেওয়ার আগে তিনি ‘ক্যাপ্টেন’ পদমর্যাদায় উন্নীত হন। 

    ফলে আফগান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত হতে যাওয়া এই চলচ্চিত্রটি হ্যারির ব্যক্তিগত সামরিক অভিজ্ঞতার কারণে দর্শকদের মধ্যে বাড়তি কৌতুহল সৃষ্টি করছে। 

    সূত্র: জিও নিউজ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • তথ্য গোপন ও নজরদারির অভিযোগে নেটফ্লিক্সের বিরুদ্ধে মামলা

    ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য অবৈধভাবে সংগ্রহ এবং প্ল্যাটফর্মটিকে আসক্তিমূলকভাবে গড়ে তোলার অভিযোগে স্ট্রিমিং জায়ান্ট নেটফ্লিক্সের বিরুদ্ধে মামলা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্য। সোমবার (১১ মে) ডালাস এলাকার একটি আদালতে টেক্সাসের রিপাবলিকান অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটন ৫৯ পৃষ্ঠার একটি অভিযোগপত্র দাখিল করেন। 

    মামলার শুরুতেই প্যাক্সটন অভিযোগ করেন, ‘আপনি যখন নেটফ্লিক্স দেখেন, নেটফ্লিক্স তখন আপনাকে দেখে।’ 

    মামলার বিবরণী অনুযায়ী, নেটফ্লিক্সকে একটি বিশাল তথ্যের ভাণ্ডার হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। অভিযোগ করা হয়েছে, কোম্পানিটি ব্যবহারকারীদের দেখার অভ্যাস, পছন্দ-অপছন্দ এবং অন্যান্য সংবেদনশীল আচরণগত তথ্য নিয়মিত ট্র্যাক ও লগ করে রাখে।

    একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্যাক্সটন দাবি করেন, নেটফ্লিক্স টেক্সাসের শিশু এবং সাধারণ গ্রাহকদের ওপর নজরদারি চালাচ্ছে। সংগৃহীত এই তথ্যগুলো পরবর্তীতে বিজ্ঞাপনদাতাদের সরবরাহ করা হয়, যাতে তারা গ্রাহকদের লক্ষ্য করে সুনির্দিষ্ট বিজ্ঞাপন প্রচার করতে পারে। 

    মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়েছে যে, নেটফ্লিক্স এমন কিছু প্রযুক্তি ব্যবহার করছে যা তরুণ দর্শকদের এই প্ল্যাটফর্মের প্রতি আসক্ত করে তোলে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘অটোপ্লে’ ফাংশন। 

    শিশুদের প্রোফাইলসহ সব প্রোফাইলে এটি ডিফল্ট হিসেবে চালু থাকে। এর ফলে একটি পর্ব শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরবর্তী পর্ব শুরু হয়ে যায়, যা দর্শকদের দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিনে আটকে রাখে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নেটফ্লিক্সের প্রতিক্রিয়া 

    এই অভিযোগের জবাবে এএফপি-কে দেওয়া এক বিবৃতিতে নেটফ্লিক্স জানিয়েছে, ‘এই মামলার কোনো ভিত্তি নেই এবং এটি ভুল ও বিকৃত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে।’ 

    প্রতিষ্ঠানটি আরও দাবি করেছে যে, তারা সদস্যদের গোপনীয়তাকে গুরুত্ব দেয় এবং বিশ্বজুড়ে প্রচলিত ডেটা সুরক্ষা আইন মেনেই তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে। 

    বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট নির্বাচনে বর্তমান সিনেটর জন কর্নিনের বিরুদ্ধে প্রাথমিক লড়াইয়ে যুক্ত আছেন কেন প্যাক্সটন। এই অ্যাটর্নি জেনারেল এক বিবৃতিতে বলেন, ‘নেটফ্লিক্স যেমন দাবি করে তারা আসলে তেমন বিজ্ঞাপনমুক্ত বা শিশুবান্ধব প্ল্যাটফর্ম নয়। বরং তারা গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করে তাদের ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় করছে।’ 

    এই মামলা চলাকালীন গ্রাহকদের তথ্য সংগ্রহ বা প্রকাশ নিষিদ্ধ করার জন্যও আদালতের নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে। টেক্সাসের ‘ডিসিপ্টিভ ট্রেড প্র্যাকটিস অ্যাক্ট’ লঙ্ঘনের দায়ে প্রতিটি অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ১০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত দেওয়ানি জরিমানার আবেদন করা হয়েছে। 

    সূত্র: দ্য হিন্দু 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আবারও ফিরছে নেটফ্লিক্সে কালজয়ী সিরিজ ‘মানি হাইস্ট’

    স্পেনের একটি সাধারণ সিরিজ থেকে বিশ্ব কাঁপানো পপ-কালচার আইকনে পরিণত হওয়া ‘মানি হাইস্ট’ (লা কাসা দে পাপেল) আবারও পর্দায় ফিরছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নেটফ্লিক্স এই ফ্র্যাঞ্চাইজির নতুন প্রজেক্টের ঘোষণা দিয়েছে। 

    ‘বেলা চাও’ গানের সুর যে এখনই থামছে না, সেটি এখন নিশ্চিত। তবে ভক্তদের প্রশ্ন, এবার কি আসছে ‘মানি হাইস্ট’-এর ষষ্ঠ সিজন, নাকি তৈরি হচ্ছে নতুন কোনো স্পিন-অফ?

    সিরিজটিতে ‘প্রফেসর’ চরিত্রে অভিনয় করা আলভারো মোর্তে স্বয়ং এই ফেরার ঘোষণা দেন। সম্প্রতি ‘বার্লিন’ সিরিজের দ্বিতীয় সিজনের প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানে তিনি এই খবরটি সবার সামনে আনেন। 

    উল্লেখ্য, আগামী ১৫ মে নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ‘বার্লিন’ সিজন ২। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) একটি ভিডিও শেয়ার করে নেটফ্লিক্স ক্যাপশন দিয়েছে, ‘বেলা চাও এখনও বাজছে। মানি হাইস্ট-এর দুনিয়া চলতেই থাকবে।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নতুন কী থাকছে? 

    নেটফ্লিক্সের পক্ষ থেকে এখনো স্পষ্ট করা হয়নি যে, এটি মূল সিরিজের নতুন সিজন হবে নাকি কোনো স্পিন-অফ। তবে স্প্যানিশ সংবাদপত্র ‘এল পাইস’-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিরিজের স্রষ্টা অ্যালেক্স পিনা এবং ভ্যানকুভার প্রোডাকশন বর্তমানে ৪ পর্বের একটি মিনি-সিরিজের কাজ করছেন। এই মিনি-সিরিজের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে পারেন জনপ্রিয় চরিত্র কর্নেল তামায়ো (ফার্নান্দো কায়ো)। 

    তবে নেটফ্লিক্সের সাম্প্রতিক রহস্যময় ঘোষণাটি কি এই কর্নেল তামায়োর গল্প নিয়ে, নাকি প্রফেসরের টিমের নতুন কোনো মিশনের ইঙ্গিত—তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। 

    এক সময় বাতিলের খাতায় চলে যাওয়া এই সিরিজটি নেটফ্লিক্সে আসার পর বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে। ইতোমধ্যে এর স্পিন-অফ ‘বার্লিন’, দুটি তথ্যচিত্র এবং ভিডিও গেম মুক্তি পেয়েছে। 

    বিদ্রোহের প্রতীক লাল জাম্পসুট আর ডালি মাস্ক আবারও স্ক্রিনে দেখার অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন সারা বিশ্বের কয়েক কোটি দর্শক। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বৈশ্বিক আধিপত্যের সঙ্গে টিকে থাকার লড়াই

    বিদেশি প্ল্যাটফর্মের হাত ধরে ওটিটির সঙ্গে পরিচিত হন দেশের দর্শকরা। শুরুতে নির্দিষ্ট একটা শ্রেণির মাধ্যমগুলোর দর্শক ছিলেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সকল হিসেব পাল্টে গেছে। প্রতিনিয়তই মাধ্যমটিতে যুক্ত হচ্ছেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। দর্শক বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশে ওটিটির তালিকাও দীর্ঘ হচ্ছে। প্রসারিত হচ্ছে নির্মাতা-শিল্পী-কলাকুশলীদের কাজের পরিধি। তবে একইসঙ্গে নেটফ্লিক্স, হইচই, অ্যামাজন প্রাইমের মত বৈশ্বিক জায়ান্টদের আধিপত্যে চরকি, বঙ্গ, দীপ্ত প্লে, আইস্ক্রিনের মতো দেশীয় প্লাটফর্মগুলোকে রীতিমতো যুদ্ধে নামতে হচ্ছে। 

    বাংলাদেশে বর্তমানে কয়েক কোটি মানুষ নিয়মিত ওটিটি কনটেন্ট দেখেন। তবে তাদের বড় একটি অংশ নেটফ্লিক্স, হইচই ও ডিজনি প্লাস হটস্টারের মতো জনপ্রিয় প্লাটফর্মের দর্শক। বিশেষ করে তরুণ প্রজš§ এই মাধ্যমগুলোর কনটেন্ট দেখতে বেশি পছন্দ করেন। তবে পিছিয়ে নেই দেশের প্ল্যাটফর্মগুলো। বিগত তিন-চার বছরে অভাবনীয় উন্নতি করেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, বাংলাদেশের ওটিটি বাজার বর্তমানে বছরে প্রায় ৩০০-৫০০ কোটি টাকার, যা প্রতি বছর ২০-২৫ শতাংশ হারে বাড়ছে। তারা বলছেন, দেশের ওটিটির জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে। এভাবে চলতে থাকলে চলতি বছরের শেষে ওটিটি ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১০ মিলিয়ন ছেড়ে যাবে। যদিও বিষয়টি নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন অনেকেই। বর্তমানে ওটিটি সেবার ওপর ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ রয়েছে। যা দেশীয় প্লাটফর্মগুলোর পরিচালনা ব্যয় বৃদ্ধি করেছে। এতে গ্রাহক সেবায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। সেই সুযোগে বিদেশি প্ল্যাটফর্মগুলো বাড়তি সুবিধা হিসেবে টেনে নিচ্ছে দেশীয় দর্শক।-এমনটাই মনে করছেন বোদ্ধারা।

    কনটেন্টের মান, গল্প বলার ধরনে দেশি কনটেন্ট চমক দেখালেও বাজেটের ক্ষেত্রে বিদেশি প্ল্যাটফর্ম বিশেষ করে নেটফ্লিক্স বা প্রাইম ভিডিওর বাজেটের কাছে দেশীয় প্ল্যাটফর্মগুলো নস্যি। যেখানে একটি ‘স্কুইড গেম’ বা ‘মানি হাইস্ট’-এর বাজেট শতকোটি, সেখানে বাংলাদেশের একটি পূর্ণাঙ্গ সিরিজের বাজেট ধরা হয় মাত্র ১-২ কোটি টাকা! তবে বাজেটে পিছিয়ে থাকলেও গল্পের গভীরতায় দেশীয় কনটেন্ট চমক দেখাচ্ছে। প্রথমদিকে দেশীয় ওটিটি কন্টেন্টের মান নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও বর্তমানে দ্রুত উন্নত হচ্ছে। ‘তকদির’, ‘কারাগার’, ‘মহানগর’ ‘কাইজার’ বা ‘পেট কাটা ষ’-এর মতো সিরিজগুলো প্রমাণ করেছে যে, শক্তিশালী মেধা ও মৌলিক গল্প থাকলে বিদেশি কনটেন্টের সঙ্গেও টেক্কা দেওয়া সম্ভব। বিদেশি দর্শকরাও এখন বাংলাদেশি থ্রিলার বা ড্রামা কনটেন্টের প্রশংসা করছেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এদিকে ওটিটি নিয়ে দর্শক গ্রহণযোগ্যতার ক্ষেত্রেও অনেকটাই বিভাজন লক্ষ্য করা যায়। ইংরেজি বা আন্তর্জাতিক মানের কনটেন্টের জন্য দর্শকরা এখনও নেটফ্লিক্স বা অ্যাপল টিভিকেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে। যদিও নিজের ভাষা, সংস্কৃতি এবং চারপাশের পরিচিত গল্প দেখার জন্য মানুষ দেশীয় প্ল্যাটফর্মগুলোর দিকেই ঝুঁকছে। ভিন্ন ভাষার বিদেশি দর্শক সেভাবে টানতে না পারলেও প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে দেশীয় ওটিটি এখন সবচেয়ে বড় বিনোদন মাধ্যম। কাজের মান নিয়ে এখনও নানা প্রশ্ন থাকলেও বিদেশি প্ল্যাটফর্মের সাবস্ক্রিপশন ফি বেশি হওয়া এবং দেশের প্ল্যাটফর্মগুলোর কম ও সহজ পেমেন্ট সিস্টেম দর্শকদের বাড়তি সুবিধা দিচ্ছে। সেই জায়গা থেকে অনেকেই প্রেক্ষাগৃহের বদলে ঘরে বসে ওটিটির কনটেন্ট দেখায় অভ্যস্ত হচ্ছেন। তবে এখনও বাইরের দর্শকের কাছে নিজেদের কনটেন্ট পৌঁছাতে না পারলে প্ল্যাটফর্মগুলো বিশ্ববাজারে অনেকটাই পিছিয়েছে রয়েছে।

    যদি প্রশ্ন করা হয়, নেটফ্লিক্স বা অ্যামাজনের সঙ্গে কি আমাদের প্ল্যাটফর্মগুলো সত্যিই তাল মেলাতে পারছে? সবাই হয়তো ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’ উভয়ই উত্তর দেওয়ার দিকেই ঝুঁকবেন। যাত্রা শুরুর সময় থেকেই দেশীয় প্লাটফর্মগুলো বিদেশি ওটিটির সঙ্গে তাল মেলাতে লড়াই করছে। কিন্তু অপ্রিয় হলেও সত্য, সময়ের সঙ্গে অনেকটাই এগিয়ে গেলেও এখন অবধি সমানতালে চলার মতো অবস্থায় পৌঁছাতে পারেনি। বিদেশি প্লাটফর্মগুলোর কন্টেন্টের মান এবং বাজেটের সঙ্গে দেশীয় প্লাটফর্মগুলোর পেরে ওঠা অনেকটাই স্বপ্নই রয়ে গেছে। সৃজনশীলতায় তাল মেলাতে পারলেও বাজারজাতকরণ, ডাটা অ্যানালিটিক্স এবং বিশ্বব্যাপী বিপণনে দেশীয় প্ল্যাটফর্মগুলো এখনো পিছিয়ে। বিদেশি ওটিটিগুলো প্রতিটি দেশের জন্য আলাদা স্ট্র্যাটেজি তৈরি করে, যা আমাদের দেশীয় প্ল্যাটফর্মগুলোর ক্ষেত্রে সীমিত। তবে আশার কথা হলো, নেটফ্লিক্স বা হইচই এখন বাংলাদেশি নির্মাতাদের দিয়ে কনটেন্ট তৈরি করাচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে আমাদের মেধার স্বীকৃতি দিচ্ছে। অন্যদিকে দেশীয় কন্টেন্টের প্রতি সাধারণ দর্শকদের আবেগ ও নিজস্ব সংস্কৃতি বোঝার সুবিধা দেশের প্লাটফর্মগুলোকে লোকাল অ্যাডভান্টেজ দিচ্ছে। যার ফলে ‘চরকি’ বা ‘হইচই-বাংলাদেশ’ নিয়মিত ভালো কন্টেন্ট দিয়ে একটি নির্দিষ্ট দর্শকশ্রেণি তৈরি করেছে।

    অন্যদিকে প্রযুক্তি ও অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জও মোকাবেলা করতে হচ্ছে দেশি প্ল্যাটফর্মগুলোকে। ওটিটির মূল ভিত্তি হলো হাই-স্পিড ইন্টারনেট এবং উন্নত স্ট্রিমিং প্রযুক্তি। ওকলা স্পিডটেস্টের তথ্যমতে, বাংলাদেশে ইন্টারনেটের গতি বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে এখনো কম। বলা চলে, প্রযুক্তির দিক থেকে বিদেশি প্ল্যাটফর্মগুলো বেশ এগিয়ে। নেটফ্লিক্সের অ্যালগরিদম বা ইন্টারফেস এতটাই মসৃণ যে, একজন ব্যবহারকারী খুব সহজেই তার পছন্দের কনটেন্ট খুঁজে পান। অন্যদিকে দেশীয় প্ল্যাটফর্মগুলোতে বাফারিং সমস্যা, অ্যাপ ক্র্যাশ করা বা দুর্বল সার্চ ইঞ্জিনের অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়। এছাড়া ফোর-কে রেজ্যুলেশন বা ডলবি অ্যাটমোস সাউন্ডের মতো আধুনিক সুবিধাগুলো দেশীয় অ্যাপগুলোতে এখনও পুরোপুরি কার্যকর নয়। প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে এই বিষয়গুলোর ব্যবধান কমানো দেশের প্ল্যাটফর্মগুলোর জন্য এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    তবে সফলতা-ব্যর্থতার অঙ্কে যে ফলাফলই হোক, দেশের ওটিটি শিল্প এখন একটি রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এ কথা বলা বাহুল্য। বিদেশি প্ল্যাটফর্মগুলো যেমন চ্যালেঞ্জ নিয়ে এসেছে তেমনি খুলে দিয়েছে বিশ্ববাজারের দুয়ারও। দেশীয় ওটিটিগুলো যদি প্রযুক্তির উন্নয়ন ঘটিয়ে এবং নিজেদের সাংস্কৃতিক শেকড়কে আঁকড়ে এগোতে পারে তাহলে শুধু প্রতিযোগিতা করা নয়, বিশ্ববাজারে নিজেদের অবস্থান পোক্ত করতে খুব বেশি সময় লাগবে না।

    এ এম রুবেল

  • বিটিএস-এর কনসার্ট দেখতে নেটফ্লিক্সে ১৮.৪ মিলিয়ন দর্শক

    দীর্ঘ বিরতির পর আবারও পূর্ণ শক্তিতে ফিরল বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় কে-পপ ব্যান্ড বিটিএস। শনিবার (২১ মার্চ) সিউলের ঐতিহাসিক গোয়াংঘওয়ামুন স্কয়ারে অনুষ্ঠিত তাদের এই ‘কামব্যাক’ কনসার্টটি নেটফ্লিক্সের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৮.৪ মিলিয়ন মানুষ সরাসরি উপভোগ করেছেন।

    ২০২২ সালের অক্টোবরে দক্ষিণ কোরিয়ার আইন মেনে বিটিএসের সদস্যরা বাধ্যতামূলক সামরিক সেবায় যোগ দেন। এ কারণে তাদের গান থেকে বিরতিতে যেতে হয়।  সেই বিরতির পর এই প্রথম ব্যান্ডের সাত সদস্য— জিন, সুগা, জে-হোপ, আরএম, জিমিন, ভি এবং জংকুককে একসঙ্গে পারফর্ম করতে দেখা গেল।

    এই কনসার্টটি ছিল মূলত বিটিএস-এর নতুন স্টুডিও অ্যালবাম ‘আরিরাং’-এর প্রচারের অংশ, যা গত ২০ মার্চ মুক্তি পেয়েছে।

    অ্যালবামটি প্রকাশের প্রথম দিনেই প্রায় ৪ মিলিয়ন (৩৯.৮ লাখ) কপি বিক্রি হয়ে নতুন এক রেকর্ড সৃষ্টি করেছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অ্যালবামের লিড সিঙ্গেল ‘সুইম’ এবং ‘বডি টু বডি’ গান দুটি ইতোমধ্যে বিশ্বজুড়ে মিউজিক চার্টগুলোর শীর্ষে অবস্থান করছে।

    এন্টারটেইনমেন্ট কোম্পানি ‘হাইব’-এর তথ্যমতে, বিটিএস-এর কনসার্টে সশরীরে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ১ লাখ ৪ হাজার ভক্ত। তবে সিউল নগর কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা ছিল ২ লাখ ৬০ হাজার দর্শকের। ধারণা করা হচ্ছে, নেটফ্লিক্সে সরাসরি সম্প্রচার এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও ড্রোন-বিরোধী ব্যবস্থার কারণে সরাসরি উপস্থিত দর্শকের সংখ্যা কিছুটা কম হয়েছে।

    শেয়ার বাজারে ধস 

    তবে বিটিএস-এর এই রাজকীয় প্রত্যাবর্তনের মধ্যেও সোমবার (২৩ মার্চ) ‘হাইব’-এর শেয়ার বাজারে ১৫.৫% পতন লক্ষ্য করা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, কনসার্টে প্রত্যাশার চেয়ে কম দর্শক উপস্থিতি এবং বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা এই পতনের অন্যতম কারণ। তবে ব্যান্ডটির আসন্ন ৮২টি কনসার্টের ওয়ার্ল্ড ট্যুর থেকে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার আয় হবে বলে আশা করছে বিলবোর্ড।

    নেটফ্লিক্সের নতুন মাইলফলক 

    অবশ্য লাইভ ইভেন্ট ব্রডকাস্টিংয়ে মার্কিন প্রতিষ্ঠান নেটফ্লিক্সের জন্য এটি একটি বড় জয়। এর আগে মাইক টাইসন ও জেক পলের বক্সিং ম্যাচ যে পরিমাণ দর্শক টেনেছিল, বিটিএস-এর এই কনসার্ট সেই ধারাকেই আরও শক্তিশালী করল। বিশ্বের ১৯০টিরও বেশি দেশে সম্প্রচারিত এই কনসার্টটি ২৪টি দেশে নেটফ্লিক্স র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে ছিল। 

    সূত্র: বিবিসি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • রোমান্টিক কমেডি সিনেমায় ব্ল্যাকপিঙ্কের লিসা

    গানের জগতে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি অর্জনের পর অভিনয়ে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন দক্ষিণ কোরীয় গার্ল গ্রুপ ব্ল্যাকপিঙ্ক সদস্য লিসা। জানা গেছে, সামনে নেটফ্লিক্সের একটি রোমান্টিক কমেডি সিনেমায় দেখা যাবে এই তাকে। 

    এর আগে এইচবিওর আলোচিত সিরিজ ‘দ্য হোয়াইট লোটাস’-এর তৃতীয় মৌসুমে অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের থেকে ব্যাপক সাড়া পান তিনি। 

    আসন্ন এই সিনেমাটি সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত কিছু জানা না গেলেও সংশ্লিষ্ট একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, জুলিয়া রবার্টস ও হিউ গ্রান্ট অভিনীত জনপ্রিয় রোমান্টিক কমেডি ‘নটিং হিল’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই ছবিটি নির্মিত হবে। 

    ছবিটিতে অভিনয়ের পাশাপাশি এর নির্বাহী প্রযোজকের দায়িত্বেও থাকছেন লিসা। এর চিত্রনাট্য লিখেছেন নেটফ্লিক্সের রোমান্টিক কমেডি ‘সেট ইট আপ’-এর চিত্রনাট্যকার কেটি সিলভারম্যান। এর বাইরে নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় ‘এক্সট্র্যাকশন’ ইউনিভার্সের একটি সিনেমায়ও অভিনয় করেছেন এই কে-পপ তারকা। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    উল্লেখ্য, সংগীতের মাধ্যমে লিসা প্রথম শোবিজে পা রাখেন। ২৯ বছর বয়সি এই তারকা তার ১০ বছরের অধিক ক্যারিয়ারে এশিয়া থেকে শুরু করে ইউরোপ পর্যন্ত ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত লিসার প্রথম একক পূর্ণদৈর্ঘ্য অ্যালবাম ‘অলটার ইগো’ বিলবোর্ড ২০০ চার্টে সপ্তম স্থানে উঠে আসে। 

    গান দিয়ে অনুরাগীদের মন জয়ের পর এবার অভিনয়ে নিজের সক্ষমতার প্রমাণ রেখে যাচ্ছেন গুণি এই তারকা। 

    কে-পপ তারকা হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পেলেও লিসার জন্ম থাইল্যান্ডে। ১৩ বছর বয়সে দক্ষিণ কোরিয়ায় পাড়ি জমানোর পর ২০১৬ সালে তিনি ব্ল্যাকপিঙ্কে যোগ দেন। এরপর থেকে তিনি কোরিয়াতেই স্থায়ী হয়েছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘জওয়ান’ থেকে ‘শয়তান’, নেটফ্লিক্সের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি দেখা বলিউড সিনেমা

    ওটিটি প্ল্যাটফর্মে সিনেমা দেখা এখন দর্শকদের কাছে ঘরে বসে বিনোদনের প্রধান মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। টিকিট কাউন্টারে লাইনে দাঁড়ানোর দিন পেরিয়ে, প্রেক্ষাগৃহে দেখার পরও দর্শকের সিনেমা দেখার আগ্রহ যেন এতটুকুও কমেনি। বরং ওটিটির কল্যাণে তা আরও বেড়েছে। যার ফলে নেটফ্লিক্সে মুক্তিপ্রাপ্ত বেশকিছু বলিউড সিনেমা বিপুল দর্শকসংখ্যা অর্জন করে বিশ্বব্যাপী চার্টের শীর্ষে পৌঁছেছে। 

    নিচে নেটফ্লিক্স-এ সর্বকালের সবচেয়ে বেশি দেখা বলিউড সিনেমাগুলোর তালিকা তুলে ধরা হলো— 

    ১. জওয়ান (এক্সটেন্ডেড কাট) 

    ভিউ: ৩৩.৭ মিলিয়ন 

    শাহরুখ খানের ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘জওয়ান’ তালিকার শীর্ষে। নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাওয়া এক্সটেন্ডেড কাটে অতিরিক্ত দৃশ্য থাকায় দর্শকরা নতুন করে ছবিটি দেখার আগ্রহ পান। অ্যাকশন, দ্বৈত চরিত্র, শক্তিশালী সামাজিক বার্তা এবং পূর্ণাঙ্গ বলিউড বিনোদনের মিশ্রণে ছবিটি বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহের পর ওটিটিতেও বিপুল জনপ্রিয়তা পায়। 

    ২. অ্যানিমেল 

    ভিউ: ৩১.৪ মিলিয়ন 

    মুক্তির পর বছরের সবচেয়ে আলোচিত সিনেমাগুলোর একটি ছিল অ্যানিমেল। দীর্ঘ সময়কাল, সহিংসতা ও বিতর্কিত থিম সত্ত্বেও রণবীর কাপুরের অভিনয় ঘিরে কৌতূহল দর্শকদের নেটফ্লিক্সে টেনে আনে। বিশেষ করে ছবিটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনাই এটির ভিউ বাড়াতে বড় ভূমিকা রাখে। 

    ৩. গাঙ্গুবাই কাঠিয়াওয়াড়ি 

    ভিউ: ৩১.১৪ মিলিয়ন 

    আলিয়া ভাট অভিনীত এই পিরিয়ড ড্রামা প্রমাণ করেছে, স্থানীয় গল্পও বিশ্বব্যাপী আবেদন রাখতে পারে। রেড-লাইট এলাকার এক নারীর জীবনকাহিনি নিয়ে নির্মিত এই ছবিটি ভারত ছাড়াও থাইল্যান্ড সহ একাধিক দেশে ট্রেন্ডিংয়ে উঠে আসে। 

    ৪. লাপাতা লেডিস 

    ভিউ: ৩১.১ মিলিয়ন 

    কিরণ রাও পরিচালিত এই হৃদয়ছোঁয়া সিনেমাটি তালিকার সবচেয়ে চমকপ্রদ সংযোজন। বড় তারকা ও স্বল্প বাজেটে নির্মিত এই ছবিতে দুই হারিয়ে যাওয়া বধূর সহজ-সরল গল্প মুখে-মুখে ছড়িয়ে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত বড় ব্লকবাস্টার ছবির সমান দর্শক টানে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ৫. ক্রু

    ভিউ: ২৮.৮ মিলিয়ন 

    টাবু, কারিনা কাপুর খান ও কৃতি শ্যানন অভিনীত ‘ক্রু’ সিনেমাটি ছিল একটি আনন্দদায়ক চমক। দক্ষ উপস্থাপনা ও তিন অভিনেত্রীর দুর্দান্ত রসায়ন ছবিটিকে সহজ ও পারিবারিক বিনোদনের আদর্শ পছন্দে পরিণত করেছে। 

    ৬. ফাইটার

    ভিউ: ২৭.৫ মিলিয়ন

    হৃতিক রোশন ও দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত এই বিগ বাজেটের সিনেমাটি আকাশযুদ্ধের ভিজ্যুয়াল ও ডগফাইট দৃশ্যের জন্য ঘরোয়া দর্শকদের মন জয় করে। জাতীয় গর্বের আবহও ছবিটিকে দীর্ঘদিন নেটফ্লিক্সের এই তালিকায় রেখেছে। 

    ৭. জান জান

    ভিউ: ২.৪২ কোটি

    প্রেক্ষাগৃহ এড়িয়ে সরাসরি নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাওয়া এই রহস্যধর্মী ছবিটি প্ল্যাটফর্মের অন্যতম সফল ভারতীয় চলচ্চিত্র। ‘দ্য ডিভোশন অব সাসপেক্ট এক্স’ অবলম্বনে নির্মিত এই সিনেমায় কারিনা কাপুর খান, জয়দীপ আহলাওয়াত ও বিজয় ভার্মার অভিনয় ভূয়সী প্রশংসিত হয়। 

    ৮. শয়তান 

    ভিউ: ২.৪ কোটি

    অজয় দেবগন ও আর মাধবন অভিনীত অতিপ্রাকৃত থ্রিলার ‘শয়তান’ কালো জাদু ও পারিবারিক সুরক্ষার গল্পে দর্শকদের শিহরিত করেছে। ভয়ের আবহ ও সাসপেন্স থ্রিলারপ্রেমীদের ছবিটি আলাদাভাবে আকৃষ্ট করেছে। 

    ৯. ডার্লিংস

    ভিউ: ২৩.৪ মিলিয়ন

    আলিয়া ভাটের প্রযোজক হিসেবে প্রথম ছবি ডার্লিংস। গাঢ় রসবোধে পারিবারিক নির্যাতনের গুরুতর বিষয় তুলে ধরে ছবিটি প্রেক্ষাগৃহ এড়ানোর পরও ওটিটি হিটে পরিণত হয়। 

    ১০. ভুল ভুলাইয়া ২ 

    ভিউ: ২১.৬ মিলিয়ন 

    নতুন অভিনয়শিল্পী নিয়েও ‘ভুল ভুলাইয়া’-এর পর জনপ্রিয় এই সিক্যুয়েল মঞ্জুলিকার রহস্য ফিরিয়ে আনে। টাবু অভিনীত যমজ চরিত্রের মোড় গল্পকে নতুন মাত্রা দেয় এবং দর্শকদের আগ্রহ ধরে রাখে। এটি প্রেক্ষাগৃহেও বড় সাফল্য পেয়েছিল। 

    সূত্র: ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস 

    বিনোদন ডেস্ক

  • নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেল ধানুশ-কৃতির ‘তেরে ইশক মে’

    প্রেক্ষাগৃহে দর্শকমন জয়ের পর ধানুশ ও কৃতি শ্যানন অভিনীত আলোচিত ছবি ‘তেরে ইশক মে’ অবশেষে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্স-এ মুক্তি পেয়েছে। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) থেকে ছবিটি জনপ্রিয় এই প্ল্যাটফর্মে দেখা যাচ্ছে। তথ্যটি নেটফ্লিক্স তাদের অফিশিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া পেজে জানিয়েছে। 

    ‘তেরে ইশক মে’ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় গত বছরের ২৮ নভেম্বর। অবশ্য সে সময় ছবিটি মিশ্র প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়লেও বক্স অফিসে অন্য ছবিগুলোর সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতা করে দর্শকদের আগ্রহ ধরে রাখতে সক্ষম হয়। দর্শকের মুখে মুখে ইতিবাচক প্রচারণার জেরেই মূলত শেষ পর্যন্ত ছবিটি বাণিজ্যিকভাবে সফলতার দেখা পায়। 

    ক্ষতি, অনুশোচনা এবং অমীমাংসিত অনুভূতির প্রেক্ষাপটে আবেগঘন প্রেমের গল্প নিয়ে নির্মিত ‘তেরে ইশক মে’ পরিচালনা করেছেন আনন্দ এল. রাই। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সিনেমায় ধানুশ অভিনয় করেছেন শঙ্কর চরিত্রে। অন্যদিকে, কৃতি শ্যাননের চরিত্রের নাম মুক্তি।  কলেজ জীবনে শুরু হয় শঙ্কর ও মুক্তির সম্পর্ক। পরবর্তীতে প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় আবার যখন দুজন একত্রিত হয় তখন তাদের পূর্বের স্মৃতি কীভাবে দুজনের জীবনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে সেটাই রুপালি পর্দায় তুলে ধরেছেন নির্মাতা। 

    ছবিটি নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-তে প্রকাশিত এক পর্যালোচনায় সমালোচক শৈবাল চ্যাটার্জি লেখেন, ‘মুখ্য চরিত্রে থাকা ধানুশ ও কৃতি শ্যানন, শঙ্কর ও মুক্তি চরিত্রে যথাসাধ্য আবেগ ও তীব্রতা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। তবে গল্পের জটিলতা এতটাই বেশি যে, অভিনয়ে দুজনের আপ্রাণ প্রচেষ্টার পরও সেটা সামাল দেওয়া সম্ভব হয়নি।’ 

    রানঝানা (২০১৩) ও আতরঙ্গি রে (২০২১)-এর পর পরিচালক আনন্দ এল. রাইয়ের পরিচালনায় দক্ষিণী তারকা ধানুশের এটি তৃতীয় সিনেমা। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • হলিউড ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশাল বিনিয়োগ

    এবার হলিউড ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মে নিজের প্রভাব বিস্তার করতে চাইছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমন প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে বিনোদন জগতে। সম্প্রতি নেটফ্লিক্স এবং ওয়ার্নার ব্রাদার্স ডিসকভারির মধ্যে একটি বিশাল চুক্তি হয় সম্পন্ন হয়। সেখানেই এবার নজর পড়ল ট্রাম্পের! প্রতিষ্ঠান দুটির বিপুল পরিমাণ বন্ড বা ঋণপত্র কিনেছেন এ মার্কিন প্রেসিডেন্ট। 

    গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে একটি আর্থিক বিবরণী প্রকাশ করা হয়েছে। তা থেকে জানা যায়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ওই কোম্পানি দুটির প্রত্যেকটি থেকে অন্তত ৫ লাখ ডলার মূল্যের মোট ১০ লাখ ডলারের ঋণপত্র (বন্ড) কিনেছেন। ওয়ার্নার ব্রাদার্সকে অধিগ্রহণে নেটফ্লিক্সের ৮ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের সেই ঐতিহাসিক চুক্তির ঘোষণার মাত্র কয়েক দিনের মাথাতেই এ বিনিয়োগ সেরে নিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

    এ মার্কিন প্রেসিডেন্ট দুই দফায় নেটফ্লিক্সের বন্ডগুলো কিনেছেন। এর মধ্যে গত ১২ ডিসেম্বর প্রথম দফায় দুই লাখ ৫০ হাজার থেকে পাঁচ লাখ ডলার সমমূল্যের এবং ১৬ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় সমপরিমাণ মূল্যের বন্ড কেনা হয়েছে। নেটফ্লিক্সের এই বন্ডগুলোর মেয়াদ ২০২৯ সালের নভেম্বরে শেষ হবে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এক বিবরণীতে জানা যায়, ট্রাম্প ওয়ার্নার ব্রাদার্স ডিসকভারির সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘ডিসকভারি কমিউনিকেশনস এলএলসি’র ইস্যু করা বন্ডও কিনেছেন। নেটফ্লিক্সের মতোই গত ১২ ডিসেম্বর প্রথম দফায় দুই লাখ ৫০ হাজার থেকে পাঁচ লাখ ডলার এবং ১৬ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় একই পরিমাণ মূল্যের বন্ড কেনেন তিনি। ওয়ার্নার ব্রাদার্সের এ বন্ডগুলোর মেয়াদ ২০৩০ সালে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। 

    নথিতে আরও দেখা গেছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প শুধু নেটফ্লিক্স বা ওয়ার্নার ব্রাদার্সেই বিনিয়োগ করেননি। ডিসেম্বরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য ও শহরের প্রচুর মিউনিসিপ্যাল বন্ড (সরকারি বন্ড) কিনেছেন। এর পাশাপাশি জেনারেল মোটরস, বোয়িং, মেসিস ও ভিক্টোরিয়াস সিক্রেটের মতো বড় বড় আমেরিকান কোম্পানির বন্ডও তার তালিকায় রয়েছে। 

    হোয়াইট হাউসের দাবি, এ বিনিয়োগ ট্রাম্পের ব্যক্তিগত কোনো সিদ্ধান্ত নয়। এটি মূলত একটি ‘স্বয়ংক্রিয় বিনিয়োগ পদ্ধতি’, যেখানে কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে না বেছে বরং বাজারের শীর্ষ কোম্পানিগুলোর একটি সাধারণ তালিকা (সূচক) অনুসরণ করে বিনিয়োগ করা হয়। 

    যেহেতু নেটফ্লিক্স বা ওয়ার্নার ব্রাদার্স বাজারের বড় কোম্পানি, তাই ওই তালিকার অংশ হিসেবেই অর্থ বিনিয়োগ হয়েছে। এই পুরো প্রক্রিয়াটি পেশাদার ব্যবস্থাপকরা পরিচালনা করলেও ট্রাম্পের সরাসরি কোনো হস্তক্ষেপ নেই। 

    বিনোদন ডেস্ক