Tag: ডোনাল্ড ট্রাম্প

  • কেন ট্রাম্পের পোস্ট থেকে সরানো হলো টেইলর সুইফটের গান?

    পপ তারকা টেইলর সুইফটের গান আর কোনোভাবেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রচারের সঙ্গে যুক্ত থাকছে না।

    সম্প্রতি ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণার অফিশিয়াল টিকটক অ্যাকাউন্ট থেকে টেইলর সুইফটের যেসব গান বা অডিও ব্যবহার করা হয়েছিল, তা সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। 

    এর একটি পোস্টে সুইফটের জনপ্রিয় গান ‘অগাস্ট’-এর পরিবর্তে একটি কান্ট্রি মিউজিক যুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া তার ‘ফাদার ফিগার’ গানটির কথা উল্লেখ করে তৈরি করা অপর একটি পোস্টে এখন দেখাচ্ছে— ‘দিস সাউন্ড ইজ নট অ্যাভেইলেবল’। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এই বিষয়ে বক্তব্য জানতে টেইলর সুইফটের এক মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মতামত দিতে রাজি হননি।

    উল্লেখ্য, কেবল টেইলর সুইফটই নন; কেটি পেরি, সাবরিনা কার্পেন্টার এবং অলিভিয়া রদ্রিগোর মতো অন্যান্য তারকারাও প্রকাশ্যে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে তাদের গান বা সুর ব্যবহার না করার ব্যাপারে আপত্তি জানিয়েছিলেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘কে ভেবেছিল একজন উন্মাদ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হবেন?’, ট্রাম্পকে হলিউড অভিনেতার কটাক্ষ

    হলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা রিচার্ড গিয়ার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তীব্র সমালোচনা করে তাকে একজন ‘উন্মাদ’ বলে অভিহিত করেছেন। তার মতে, ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ভালো ‘প্রায় সবকিছুই ধ্বংস করে দিয়েছেন’। 

    সম্প্রতি অসলোতে ‘ভ্যাকলাভ হ্যাভেল ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ ফর ক্রিয়েটিভ ডিসেন্ট’ (মানবাধিকার ও সৃজনশীল প্রতিরোধের জন্য প্রদত্ত পুরস্কার) প্রদান অনুষ্ঠানে ৭৬ বছর বয়সি এই তারকা বলেন, ‘আমরা এই গ্রহের বুকে আমার দেখা সবচেয়ে অন্ধকার মুহূর্তটির মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।’ 

    শত শত দর্শকের উপস্থিতিতে গিয়ার প্রশ্ন তোলেন, ‘কে ভেবেছিল আমেরিকা এভাবে বদলে যেতে পারে? কে ভেবেছিল এই ধরণের একজন উন্মাদ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হবেন? দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিন থেকেই এই ব্যক্তি মার্কিন সরকার এবং মার্কিন জনগণের ভালো ভালো উদ্যোগগুলোর প্রায় সবকিছুই ভেঙে চুরমার করে দিয়েছেন।’ 

    অসলো ফ্রিডম ফোরামে কারাবন্দি চীনা শিল্পী গাও জেন এবং মিয়ানমারের জান্তাবিরোধী ভিন্নমতাবলম্বী সাই-এর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ার সময় রিচার্ড গিয়ার স্বীকার করেন যে, হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের ফিরে আসার বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাতে তিনি নিজে যথেষ্ট ভূমিকা রাখতে পারেননি। 

    প্রবীণ এই অভিনেতা আক্ষেপ করে বলেন, ‘এটা কীভাবে সম্ভব হলো? কারণ আমরা ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। আমরা গুরুত্ব দিইনি। আমরা ভোট দিইনি। আমরা আসলে শুনিনি।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নিজের সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে গিয়ার জানান, কিছুদিন আগেই তিনি জার্মানির দাগাউতে অবস্থিত সাবেক নাৎসি কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন। সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে তিনি সবাইকে সতর্ক করে বলেন, ‘আমাদের লক্ষণগুলো দেখতে হবে—এই দানবদের একনায়কতন্ত্র কত দ্রুত ঘটে যায়, তা বুঝতে হবে। আমাদের সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে।’ 

    দীর্ঘদিন ধরে তিব্বতের সমর্থক এবং বৌদ্ধ ধর্মে দীক্ষিত রিচার্ড গিয়ার প্রায়শই তিব্বতের নির্বাসিত আধ্যাত্মিক নেতা দালাই লামার সঙ্গে দেখা করেছেন। উল্লেখ্য, চীন সরকারের তরফ থেকে দালাই লামার বিরুদ্ধে হিমালয় অঞ্চলে বিচ্ছিন্নতাবাদ উসকে দেওয়ার অভিযোগ অনেকদিনের। 

    ২০২৪ সাল থেকে মার্কিন অভিনেতা রিচার্ড গিয়ার তার তৃতীয় স্ত্রী আলেজান্দ্রা সিলভার সঙ্গে স্পেনে বসবাস করছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘আমেরিকা চরম শোচনীয় অবস্থায় আছে’

    ডোনাল্ড ট্রাম্পের জীবনীভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘দ্য অ্যাপ্রেন্টিস’-এ ট্রাম্পের চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন অভিনেতা সেবাস্টিয়ান স্ট্যান। কানের মঞ্চে সেই সিনেমাটি প্রিমিয়ার হওয়ার দুই বছর পর, নিজের নতুন সিনেমা ‘ফিওর্ড’-এর সংবাদ সম্মেলনে এসে মার্কিন রাজনীতি ও সমাজব্যবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করলেন এই অভিনেতা। 

    তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, আমেরিকা বর্তমানে ‘সত্যিই এক চরম শোচনীয় অবস্থায়’ রয়েছে। 

    সংবাদ সম্মেলনে একজন সাংবাদিক স্ট্যানকে জিজ্ঞেস করেন—২০২৪ সালের মার্কিন নির্বাচনের ঠিক আগে ‘দ্য অ্যাপ্রেন্টিস’ মুক্তি পেয়েছিল, আর এখন ট্রাম্প এক বছরেরও বেশি সময় ধরে আবারও আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদে আসীন; এই পুরো বিষয়টিকে তিনি এখন কীভাবে দেখছেন? 

    প্রশ্নটি শোনার সঙ্গে সঙ্গেই সংবাদ কক্ষে উপস্থিত সাংবাদিকদের মধ্যে এক ধরনের অস্বস্তিকর ও নার্ভাস হাসির রোল পড়ে যায়। কিন্তু বিষয়টি মোটেও হালকাভাবে নেননি স্ট্যান। তিনি গম্ভীর কণ্ঠে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, ‘সত্যি বলতে, এটা মোটেও হাসির কোনো বিষয় নয়। একদমই নয়।’ 

    ‘আমার মনে হয় আমরা খুবই বাজে একটা পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। আমি সত্যিই তা বিশ্বাস করি। আপনি যদি চারপাশের পরিস্থিতির দিকে তাকান—গণমাধ্যমের একচেটিয়াকরণ, সেন্সরশিপ, প্রতিনিয়ত হুমকি এবং তথাকথিত আইনি মামলার পাহাড়, যা কখনো শেষ হয় না কিন্তু কোনো ফলও বয়ে আনে না—তবে বুঝবেন ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাচ্ছে। আমরা যখন এই সিনেমাটি (দ্য অ্যাপ্রেন্টিস) বানাচ্ছিলাম, তখনই দেওয়ালে এই বিপদের লিখন স্পষ্ট ছিল। আমরা সিনেমাটি তৈরি করতে গিয়ে এই সবকিছুর মুখোমুখি হয়েছি’, যোগ করেন তিনি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে কান উৎসবে প্রিমিয়ারের আগে পরিচালক আলী আব্বাসির এই সিনেমাটির মুক্তি আটকে দেওয়ার সবরকম চেষ্টা করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সিনেমাটিকে ‘আবর্জনা’ ও ‘সম্পূর্ণ কাল্পনিক’ আখ্যা দিয়ে আইনি মামলার হুমকিও দিয়েছিলেন তিনি। 

    স্ট্যান জানান, উৎসব শুরুর মাত্র তিন দিন আগেও তারা নিশ্চিত ছিলেন না যে সিনেমাটি আদৌ প্রদর্শিত হতে পারবে কিনা। 

    এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কের পাশাপাশি পেশাগত দিক থেকে কান উৎসবে এক অবিস্মরণীয় রাত পার করেছেন সেবাস্টিয়ান স্ট্যান। সোমবার (১৮ মে) রাতে তার অভিনীত নতুন সিনেমা ‘ফিওর্ড’-এর ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার শেষে উপস্থিত দর্শকরা দাঁড়িয়ে টানা ১০ মিনিট করতালি দিয়ে সিনেমাটিকে অভিবাদন জানান।

    রোমানিয়ান খ্যাতিমান চলচ্চিত্র নির্মাতা ক্রিস্টিয়ান মুঞ্জিউ পরিচালিত এই হৃদয়স্পর্শী পারিবারিক ছবিটিতে সেবাস্টিয়ান স্ট্যান এবং রেনাটে রেইনসভে এক দম্পতির চরিত্রে অভিনয় করেছেন। 

    কড়া ধর্মীয় অনুশাসনে বিশ্বাসী এক রোমানিয়ান-নরওয়েজিয়ান পরিবারকে নিয়ে সিনেমার গল্প, যারা নরওয়ের একটি ছোট গ্রামে স্থানান্তরিত হয়। কিন্তু স্কুলে পড়াশোনা করা তাদের মেয়ের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়ার পর, নরওয়ের শিশু সুরক্ষা দপ্তর তাদের পাঁচ সন্তানকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে নেয়। এরপর শুরু হয় এক টানটান আইনি ও মানসিক লড়াই। 

    চলচ্চিত্র সমালোচকদের মতে—পরিচালক মুঞ্জিউ, সেবাস্টিয়ান স্ট্যান এবং রেনাটে রেইনসভের এই ত্রয়ী কম্বিনেশন ‘ফিওর্ড’ সিনেমাটিকে এবারের কানের সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘পাম দ’অর’ জেতার দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে দিয়েছে।

    পরিচালক ক্রিস্টিয়ান মুঞ্জিউ এর আগেও ২০০৭ সালে তার বিশ্বখ্যাত সিনেমা ‘ফোর মান্থস, থ্রি উইকস অ্যান্ড টু ডেস’-এর জন্য পাম দ’অর জিতেছিলেন। অন্যদিকে অভিনেত্রী রেনাটে রেইনসভে ২০২১ সালে ‘দ্য ওরস্ট পারসন ইন দ্য ওয়ার্ল্ড’ সিনেমার জন্য কানের সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পান। এমনকি গত বছরও তার অভিনীত ‘সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু’ সিনেমাটি গ্র্যান্ড প্রিক্স জয়ের পর অস্কারের মঞ্চে সেরা আন্তর্জাতিক ফিচার ফিল্মের মনোনয়ন পেয়েছিল। 

    সূত্র: ভ্যারাইটি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘পিকচার আভি বাকি হ্যায়’—শাহরুখের সংলাপ দিয়ে ট্রাম্পকে ইরানি দূতের জবাব

    আন্তর্জাতিক রাজনীতির ময়দানে এবার জায়গা করে নিল বলিউডের রূপালি পর্দার সংলাপ। সিনেমা হলের গণ্ডি পেরিয়ে ভারত ও ইরানের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কের রসায়নে যোগ হলো মেগাস্টার শাহরুখ খানের সেই বিখ্যাত সংলাপ— ‘পিকচার আভি বাকি হ্যায়’ (সিনেমা এখনো শেষ হয়নি)। 

    সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে এই নাটকীয় পন্থা অবলম্বন করেছে মুম্বাইয়ে অবস্থিত ইরানের কনস্যুলেট। 

    কিছুদিন আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ ইরান সম্পর্কে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, ইরানের নৌ-শক্তি আগের তুলনায় অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে। ট্রাম্পের এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই ইরানের কনস্যুলেট পাল্টা প্রচারণা শুরু করে। 

    সম্প্রতি ইরানি কনস্যুলেট তাদের অফিশিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও শেয়ার করেছে। ভিডিওতে দেখা যায়, পারস্য উপসাগরে ইরানের নৌবাহিনীর উচ্চগতির বোটের মহড়া ও নিখুঁত লক্ষ্যে মিসাইল উৎক্ষেপণের দৃশ্য। 

    সেই সঙ্গে ভিডিওতে ইরানের নৌ-প্রস্তুতির একটি শক্তিশালী মহড়াও দেখানো হয়। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ভিডিওর ক্যাপশনে তারা সরাসরি ট্রাম্পের নাম উল্লেখ না করলেও তার দাবির তীব্র সমালোচনা করে। কনস্যুলেটের পক্ষ থেকে বলা হয়, আধুনিক সমরাস্ত্র ও কৌশলী বাহিনী কীভাবে দ্রুত এবং কার্যকরভাবে চাপ সৃষ্টি করতে পারে, তা সাম্প্রতিক ঘটনাবলিই প্রমাণ করে। 

    তবে সবচেয়ে চমকপ্রদ অংশ ছিল শাহরুখ খানের ২০০৭ সালের ব্লকবাস্টার ছবি ‘ওম শান্তি ওম’-এর সংলাপের ব্যবহার। 

    ভিডিওর সঙ্গে জুড়ে দেওয়া বার্তায় বলা হয়- ‘পিকচার আভি বাকি হ্যায়’। এর মাধ্যমে ইরান বোঝাতে চেয়েছে যে, ট্রাম্প ইরানকে যতটা দুর্বল ভাবছেন পরিস্থিতি আসলে তেমন নয়; বরং আসল লড়াই বা ‘ক্লাইম্যাক্স’ এখনো সামনে রয়ে গেছে। 

    আন্তর্জাতিক রাজনীতির মতো গম্ভীর বিষয়ে বলিউডের এমন পপ-কালচারাল রেফারেন্সের ব্যবহার দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। নেটিজেনরা একে ‘কূটনীতির নতুন ধরণ’ হিসেবে দেখছেন। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, ভারতীয় সংস্কৃতিকে ব্যবহার করে ইরানের নিজেদের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার এই কৌশলটি বেশ বুদ্ধিদীপ্ত। 

    সূত্র: সামা টিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ট্রাম্প প্রশাসনের কটাক্ষের মুখে ক্লুনির কড়া জবাব

    দুইবারের অস্কার জয়ী তারকা জর্জ ক্লুনি এবং হোয়াইট হাউসের মধ্যে কথার লড়াই এখন তুঙ্গে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ তোলার পর হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে আসা বিদ্রূপাত্মক মন্তব্যের দাঁতভাঙা জবাব দিয়েছেন এই অভিনেতা-পরিচালক।

    সম্প্রতি ইরানের বিরুদ্ধে হুমকি দিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছিলেন, ‘আজ রাতে একটি আস্ত সভ্যতা বিলুপ্ত হয়ে যাবে।’

    ট্রাম্পের এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে ইতালির এক হাইস্কুলের শিক্ষার্থীদের সামনে দেওয়া বক্তৃতায় ক্লুনি অভিযোগ করেন, ট্রাম্প যুদ্ধাপরাধের হুমকি দিচ্ছেন। অভিনেতার ভাষায়, ‘অনেকে বলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প ঠিক আছেন। কিন্তু যদি কেউ একটি আস্ত সভ্যতা ধ্বংস করার কথা বলেন, তবে সেটি একটি যুদ্ধাপরাধ।’

    ক্লুনির এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় হোয়াইট হাউসের যোগাযোগ পরিচালক স্টিভেন চেউং একটি বিবৃতিতে জানান, ‘একমাত্র জর্জ ক্লুনিই যুদ্ধাপরাধ করছেন তার জঘন্য সিনেমা এবং ভয়াবহ অভিনয় দক্ষতার মাধ্যমে।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    হোয়াইট হাউসের এমন আক্রমণাত্মক মন্তব্যের পর ‘ডেডলাইন’-কে দেওয়া বিবৃতিতে ক্লুনি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তার অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘পরিবারগুলো তাদের প্রিয়জনদের হারাচ্ছে, শিশুরা দগ্ধ হচ্ছে এবং বিশ্ব অর্থনীতি এক চরম অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এটি সর্বোচ্চ পর্যায়ে জোরালো বিতর্কের সময়, শিশুদের মতো নাম ধরে ডাকার সময় নয়।’

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘জেনোসাইড কনভেনশন এবং রোম স্ট্যাটিউট অনুযায়ী, যখন কোনো জাতিকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্য থাকে, তখন তাকে যুদ্ধাপরাধ বলা হয়। এর বিপরীতে প্রশাসনের আত্মপক্ষ সমর্থন কী? আমাকে একজন ব্যর্থ অভিনেতা বলা? আমি আনন্দের সঙ্গে স্বীকার করছি, আমি ব্যাটম্যান অ্যান্ড রবিন-এর মতো সিনেমায় অভিনয় করেছি, কিন্তু মূল প্রসঙ্গের উত্তর কোথায়?’

    উল্লেখ্য, দীর্ঘ ক্যারিয়ারে আটবার অস্কার মনোনয়ন পাওয়া জর্জ ক্লুনি ২০০৬ সালে ‘সিরিয়ানা’ ছবির জন্য সেরা পার্শ্ব অভিনেতা এবং ২০১৬ সালে ‘আর্গো’ ছবির প্রযোজক হিসেবে সেরা চলচ্চিত্রের অস্কার জয় করেন।

    সূত্র: ডেডলাইন অবলম্বনে

    বিনোদন ডেস্ক

  • ট্রাম্পকে নিয়ে জনি ডেপের পুরোনো মন্তব্যে বিতর্কের ঝড়

    ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার আবহে হলিউডের তারকা অভিনেতা জনি ডেপের একটি পুরনো মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ২০১৬ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে করা অভিনেতার সেই মন্তব্যটি বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে, যা ভক্ত ও নেটিজেনদের মধ্যে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

    ২০১৬ সালে ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার আগে এক সাক্ষাৎকারে জনি ডেপ বলেছিলেন, ‘যদি ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন, তবে ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি বেশ উত্তেজনাকর হবে। কারণ সম্ভবত আমরা যুক্তরাষ্ট্রের ‘শেষ প্রেসিডেন্ট’কে দেখতে যাচ্ছি। এরপর আর রাষ্ট্রব্যবস্থা এভাবে কাজ করবে না।’

    বর্তমানে বৈশ্বিক এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে জনি ডেপের অনেক সমর্থক অভিনেতার এই মন্তব্যকে ‘ভবিষ্যদ্বাণী’ হিসেবে অভিহিত করে প্রশংসা করছেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তবে ট্রাম্প সমর্থকরা জনি ডেপের এমন কথায় মোটেই খুশি নন। তারা হলিউড তারকার এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন এবং কেউ কেউ অভিনেতাকে নিয়ে বিদ্রূপও করছেন।

    এই বিতর্কের মাঝেই সমালোচকরা জনি ডেপের সঙ্গে তার প্রাক্তন স্ত্রী অ্যাম্বার হার্ডের অতীত আইনি লড়াইয়ের বিষয়টি টেনে আনছেন।

    ২০১৭ সালে সাবেক এই জুটির ১৮ মাসের দাম্পত্য জীবনের অবসান ঘটে। সেই সময় জনি ডেপের বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতার অভিযোগ এবং আদালতের নিষেধাজ্ঞার মতো বিষয়গুলো বিশ্বজুড়ে আলোচিত হয়েছিল। বিচ্ছেদের সমঝোতা হিসেবে ‘অ্যাকুয়াম্যান’খ্যাত অভিনেত্রী অ্যাম্বার হার্ড ৭ মিলিয়ন ডলার পেয়েছিলেন। 

    সূত্র: সামা টিভি

    বিনোদন ডেস্ক

  • ট্রাম্পকে ‘নিজের চরকায় তেল দেওয়ার’ পরামর্শ কমল হাসানের

    সম্প্রতি ইরান ও ইসরাইল যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় সাময়িকভাবে রাশিয়া থেকে তেল আমদানিতে ভারতকে ‘ছাড়’ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।  তার এ মন্তব্য ঘিরেই এবার কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দক্ষিণী সিনেমার সুপারস্টার কমল হাসান।

    ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের সমালোচনা করে অভিনেতার স্পষ্ট বার্তা, ভারত একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং তারা কোনো দেশের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয় না।

    শনিবার (৭ মার্চ) মার্কিন প্রেসিডেন্ট মন্তব্য করেন, বিশ্বব্যাপী জ্বালানি বাজারে চাপ কমানোর জন্যই ভারতকে সাময়িকভাবে রাশিয়া থেকে তেল কেনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ বক্তব্যকেই কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন কমল।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ট্রাম্পের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে রোববার (৮ মার্চ) সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে কমল হাসান মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ‘নিজের চরকায় তেল দেওয়ার’ পরামর্শ দেন।

    ওই পোস্টে কমল হাসান লেখেন, ‘মাননীয় প্রেসিডেন্ট, আমরা ভারতবাসী। একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের নাগরিক হিসেবে আমরা আর বিদেশিদের হুকুম শুনি না। তাই আপনার সর্বশক্তি দিয়ে নিজের চরকায় তেল দিন।’

    চলমান ইরান–ইসরাইল উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের অবস্থানের কড়া সমালোচনা করে এ অভিনেতা বলেন, ‘সার্বভৌম দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্মান বজায় থাকলেই দীর্ঘমেয়াদি বিশ্বশান্তি সম্ভব। আপনার দেশ ও সেখানকার নাগরিকদের শান্তি কামনা করি।’

    সম্প্রতি ইরান ও ইসরাইল যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় সাময়িকভাবে রাশিয়া থেকে তেল আমদানিতে ভারতকে ‘ছাড়’ দেওয়ার কথা জানান ট্রাম্প। ট্রাম্প বলেছিলেন- বিশ্ববাজারে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতেই ভারতকে এ অনুমতি দেওয়া হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন ‘অভিভাবকসুলভ’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়েই তার প্রতি এভাবে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ করেন কমল হাসান।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সমালোচনা ছাপিয়ে বক্স অফিসে সফল মেলানিয়া ট্রাম্পের তথ্যচিত্র

    সমালোচকদের নেতিবাচক মূল্যায়ন ও ব্যর্থতার শঙ্কাকে উপেক্ষা করে মার্কিন বক্স অফিসে উল্লেখযোগ্য সাড়া ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্পকে ঘিরে নির্মিত তথ্যচিত্র ‘মেলানিয়া’। উত্তর আমেরিকায় মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই ছবিটি ৮ মিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করতে পারে—এমনটাই জানাচ্ছে প্রাথমিক পূর্বাভাস।

    মুক্তির আগে তথ্যচিত্রটি নিয়ে বিদ্রুপ ও ফ্লপের আশঙ্কা থাকলেও বাস্তবে প্রেক্ষাগৃহে তার বিপরীত চিত্র দেখা যাচ্ছে। অনেকেই ধারণা করেছিলেন, দর্শক সংকটে পড়বে ছবিটি; কিন্তু সব অনুমান ভুল প্রমাণ করে টিকিট বিক্রিতে উল্টো গতি তৈরি হয়েছে।

    ৩০ জানুয়ারি ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত হয় ‘মেলানিয়া’র প্রিমিয়ার। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেও। প্রদর্শকদের মতে, প্রিমিয়ারের পর থেকেই টিকিট বিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে থাকে। বর্তমান প্রবণতা বজায় থাকলে সপ্তাহান্তে বক্স অফিস তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে থাকতে পারে ছবিটি, ফলে পেছনে পড়ে যেতে পারে জেসন স্ট্যাথামের নতুন অ্যাকশন ছবি ‘শেল্টার’।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তথ্যচিত্রটির পরিচালক বিতর্কিত নির্মাতা ব্রেট র‌্যাটনার। ছবিটির বৈশ্বিক স্বত্ব কিনতে অ্যামাজন এমজিএম স্টুডিওস ব্যয় করেছে প্রায় ৪০ মিলিয়ন ডলার, যা এটিকে ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল তথ্যচিত্রে পরিণত করেছে। এ ছাড়া বিপণন ও প্রচারণায় খরচ হয়েছে আরও আনুমানিক ৩৫ মিলিয়ন ডলার, যার বড় অংশ ব্যয় করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে।

    বিশ্লেষকদের ধারণা, ছবিটির বাণিজ্যিক সাফল্যের পেছনে রাজনৈতিক সমর্থনও ভূমিকা রাখছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজে সমর্থকদের সিনেমাটি দেখার আহ্বান জানিয়েছেন। বিশেষ করে রক্ষণশীল দর্শকদের মধ্যে তথ্যচিত্রটি আলাদা আগ্রহ তৈরি করেছে। যদিও সমালোচকদের কাছ থেকে তীব্র নেতিবাচক রিভিউ মিলছে, তবে আপাতত দর্শক উপস্থিতিতে তার প্রভাব খুব একটা দেখা যাচ্ছে না।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হলিউড ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশাল বিনিয়োগ

    এবার হলিউড ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মে নিজের প্রভাব বিস্তার করতে চাইছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমন প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে বিনোদন জগতে। সম্প্রতি নেটফ্লিক্স এবং ওয়ার্নার ব্রাদার্স ডিসকভারির মধ্যে একটি বিশাল চুক্তি হয় সম্পন্ন হয়। সেখানেই এবার নজর পড়ল ট্রাম্পের! প্রতিষ্ঠান দুটির বিপুল পরিমাণ বন্ড বা ঋণপত্র কিনেছেন এ মার্কিন প্রেসিডেন্ট। 

    গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে একটি আর্থিক বিবরণী প্রকাশ করা হয়েছে। তা থেকে জানা যায়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ওই কোম্পানি দুটির প্রত্যেকটি থেকে অন্তত ৫ লাখ ডলার মূল্যের মোট ১০ লাখ ডলারের ঋণপত্র (বন্ড) কিনেছেন। ওয়ার্নার ব্রাদার্সকে অধিগ্রহণে নেটফ্লিক্সের ৮ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের সেই ঐতিহাসিক চুক্তির ঘোষণার মাত্র কয়েক দিনের মাথাতেই এ বিনিয়োগ সেরে নিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

    এ মার্কিন প্রেসিডেন্ট দুই দফায় নেটফ্লিক্সের বন্ডগুলো কিনেছেন। এর মধ্যে গত ১২ ডিসেম্বর প্রথম দফায় দুই লাখ ৫০ হাজার থেকে পাঁচ লাখ ডলার সমমূল্যের এবং ১৬ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় সমপরিমাণ মূল্যের বন্ড কেনা হয়েছে। নেটফ্লিক্সের এই বন্ডগুলোর মেয়াদ ২০২৯ সালের নভেম্বরে শেষ হবে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এক বিবরণীতে জানা যায়, ট্রাম্প ওয়ার্নার ব্রাদার্স ডিসকভারির সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘ডিসকভারি কমিউনিকেশনস এলএলসি’র ইস্যু করা বন্ডও কিনেছেন। নেটফ্লিক্সের মতোই গত ১২ ডিসেম্বর প্রথম দফায় দুই লাখ ৫০ হাজার থেকে পাঁচ লাখ ডলার এবং ১৬ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় একই পরিমাণ মূল্যের বন্ড কেনেন তিনি। ওয়ার্নার ব্রাদার্সের এ বন্ডগুলোর মেয়াদ ২০৩০ সালে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। 

    নথিতে আরও দেখা গেছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প শুধু নেটফ্লিক্স বা ওয়ার্নার ব্রাদার্সেই বিনিয়োগ করেননি। ডিসেম্বরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য ও শহরের প্রচুর মিউনিসিপ্যাল বন্ড (সরকারি বন্ড) কিনেছেন। এর পাশাপাশি জেনারেল মোটরস, বোয়িং, মেসিস ও ভিক্টোরিয়াস সিক্রেটের মতো বড় বড় আমেরিকান কোম্পানির বন্ডও তার তালিকায় রয়েছে। 

    হোয়াইট হাউসের দাবি, এ বিনিয়োগ ট্রাম্পের ব্যক্তিগত কোনো সিদ্ধান্ত নয়। এটি মূলত একটি ‘স্বয়ংক্রিয় বিনিয়োগ পদ্ধতি’, যেখানে কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে না বেছে বরং বাজারের শীর্ষ কোম্পানিগুলোর একটি সাধারণ তালিকা (সূচক) অনুসরণ করে বিনিয়োগ করা হয়। 

    যেহেতু নেটফ্লিক্স বা ওয়ার্নার ব্রাদার্স বাজারের বড় কোম্পানি, তাই ওই তালিকার অংশ হিসেবেই অর্থ বিনিয়োগ হয়েছে। এই পুরো প্রক্রিয়াটি পেশাদার ব্যবস্থাপকরা পরিচালনা করলেও ট্রাম্পের সরাসরি কোনো হস্তক্ষেপ নেই। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ট্রাম্পের হবু পুত্রবধূর সঙ্গে রণবীরের নাচের ভিডিও ভাইরাল

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বড় ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের বাগদত্তা বেটিনা আন্ডারসনের নাচের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে, ভারতের রাজস্থানের উদয়পুরে একটি জমকালো বিয়ের অনুষ্ঠানে বলিউড অভিনেতা রণবীর সিং ও ট্রাম্প জুনিয়রের বাগদত্তা বেটিনা আন্ডারসনের সঙ্গে নাচ পরিবেশন করছেন। 

    উদয়পুরের এই মেগাবাজেট বিয়ের অনুষ্ঠানটি ছিল আমেরিকা প্রবাসী ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যবসায়ী রামা রাজু মন্তেনার মেয়ে নেত্রা মন্তানার। সেখানেই আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বেটিনা আন্ডারসনকে নিয়ে ভারত সফরে আসেন ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র। দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্কে রয়েছেন ট্রাম্প জুনিয়র ও বেটিনা আন্ডারসন এবং তাদের খুব শিগগির বিয়ে হওয়ার কথা রয়েছে।

    রণবীরের সঙ্গে বেটিনার এ পরিবেশনা দেখে ট্রাম্প জুনিয়র মুগ্ধ হয়েছেন এবং হাততালি দিয়ে তাদের আনন্দ দেন। এই নাচের দৃশ্যটি ক্যামেরাবন্দি হওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়ে এবং নেটিজেনদের মাঝে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অনুষ্ঠানের মঞ্চে উঠে রণবীর সিং প্রথমে ট্রাম্প জুনিয়র ও বেটিনার সঙ্গে কুশলবিনিময় করেন। এরপর তিনি বেটিনা আন্ডারসনের হাত ধরে তার অভিনীত সিনেমা ‘রকি অর রানি কি প্রেম কাহানি’ সিনেমার জনপ্রিয় গান ‘হোয়াট ঝুমকা’-তে নাচ শুরু করেন। রণবীরের প্রাণবন্ত নাচের স্টেপ দেখে বেটিনা আন্ডারসনও দ্রুত নাচে অংশ নেন এবং মঞ্চ মাতান।

    এদিকে রণবীর সিং তার সিনেমা-পর্দার বাইরেও যে কোনো অনুষ্ঠানে তার উচ্চ উদ্দীপনা ও আকর্ষণীয় নাচের জন্য পরিচিত মুখ। অভিনেতা অক্ষয় কুমারের মতো বলিউড অভিনেতারাও রসিকতা করে তার এই বিশেষ গুণের প্রশংসা করেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক