শিখরের প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন শ্রীদেবীকন্যা?

Written by

in

বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর প্রেমিক শিখর পাহাড়িয়াকে নিয়ে কথা বলার সময়ে কোনো রাখঢাক করেন না। তাকে নিয়ে নিজের প্রেমের কথা উজাড় করে দেন অভিনেত্রী। বেশ কয়েক বছর হয়ে গেল, তারা একে অপরকে সম্পর্কে জড়িয়ে আছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে খোলামেলা কথা বলেছেন জাহ্নবী কাপুর? প্রেমকে যেভাবে দেখেন অভিনেত্রী জানালেন সে কথা। যে কোনো সমস্যা ও দুশ্চিন্তায় প্রেমিকের কাছে অনায়াসেই স্বাচ্ছন্দ্য খুঁজে পান বলে জানান জাহ্নবী কাপুর। 

অভিনেত্রী বলেন, ভালোবাসা আসলে নিরাপত্তার মতো, যেখানে সবচেয়ে স্বচ্ছন্দ ও নিরাপদে থাকা যায়। যখন খুব অসহায় লাগে, তখন ভালোবাসাই সাহায্য করে। এর চেয়ে বড় কিছু হয় না। তিনি বলেন, ও (শিখর) রয়েছে বলেই আমার আর আগের মতো অসহায় লাগে না। ওর উপস্থিতি সব সময়ে আমাকে সাহায্য করেছে।

তিনি বলেন, শুধুই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ নয়; শিখর সঙ্গে থাকলে তার মনে কোনো নিরাপত্তাহীনতা থাকে না। শুধুই শান্তি নয়; ও আমার নিরাপদ স্থলও। ওর সামনে আমি একটা বাচ্চার মতোও থাকতে পারি। আমি আর কারও সঙ্গে এত আনন্দ পাই না। ভালোবাসা খুঁজে পেলে এমনই লাগে। আমার মনে হয়, ভালোবাসা পেলে একেবারে নিজের মতো করে বাঁচা যায় বলেও জানান জাহ্নবী কাপুর।

আরও পড়ুন
আরও পড়ুন

অভিনেত্রী বলেন, শিখর তার সব কথা মন দিয়ে শোনেন। তাকে সব সময়ে গুরুত্ব দেন। কোনো বিষয় নিয়েই শিখর তাকে কখনো বাঁকা চোখে দেখেন না কিংবা তির্যক মন্তব্যও করেন না। প্রতিটি কাজে উৎসাহ পান তিনি। তাদের বিয়ে নিয়ে জল্পনাও বারবার উঠে এসেছে বলে জানিয়েছেন জাহ্নবী কাপুর। অভিনেত্রী বলেন, তবে তারা কবে বিয়ে করবেন, এখনো সে বিষয়টি স্পষ্ট নয়।

উল্লেখ্য, অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর আলো ঝলমলে বেড়ে ওঠা জীবনে কঠিন বাস্তবতার কথা তুলে ধরেছেন। সেই ছোটবেলা থেকেই মায়ের ওপরই শ্রীদেবীকন্যার সম্পূর্ণ নির্ভরতা ছিল। কিন্তু ২০১৮ সালে তার প্রথম সিনেমা ‘ধড়ক’ মুক্তির আগেই মায়ের মৃত্যু তাকে হঠাৎ করেই পরিণত করে তোলে। জীবনের সেই সময়টি ছিল তার জন্য অত্যন্ত কঠিন— একদিকে শোক, অন্যদিকে নিজের জীবন সামলানোর দায়িত্ব। মায়ের মৃত্যুর পর জীবনের কিছু ক্ষেত্রে তিনি ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবং কিছু মানুষকে বিশ্বাস করেছিলেন, যা পরে তার মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি নিজেকে সামলে নিতেও সক্ষম হন।

বিনোদন ডেস্ক

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *