Home / Entertainment / ফরিদা পারভীনের মৃত্যুর গুজব, যা বললেন স্বামী

ফরিদা পারভীনের মৃত্যুর গুজব, যা বললেন স্বামী

দেশবরেণ্য লালন সংগীতশিল্পী
ফরিদা পারভীন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে কয়েক দিন আগে তাকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে
ভর্তি করা হয়। এখন তার অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানান সংগীতশিল্পী ও গীতিকার একেএম মোস্তাফিজুর
রহমান।

একুশে পদকপ্রাপ্ত
সংগীতশিল্পী দীর্ঘদিন ধরে কিডনির রোগ, শ্বাসকষ্টজনিত রোগসহ বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন।
সম্প্রতি সামাজিকমাধ্যমে তার মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়লে এতে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন তার ভক্ত
ও পরিবারের সদস্যরা।

এ বিষয়ে একটি গণমাধ্যম
ফরিদা পারভীনের সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা জানতে চাইলে সংগীতশিল্পীর স্বামী গাজী আব্দুল
হাকিম বলেন, তার  শারীরিক অবস্থা ভালো নেই,
এটি সত্য। কিন্তু তিনি এখনো বেঁচে আছেন। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।

সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে
তার মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়েছে, যা পরিবারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে বলেও জানান আব্দুল
হাকিম। তিনি বলেন, ‘সামাজিকমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে। এটি যেন না
করা হয়।

এর আগে গত মঙ্গলবার
(৮ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সংগীতশিল্পী ও গীতিকার একেএম মোস্তাফিজুর গণমাধ্যমকে
বলেছিলেন, সকালে গাজী ভাইয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন ফরিদা আপার অবস্থা বেশ
সংকটাপন্ন। তার শারীরিক অবস্থা ভীষণ খারাপ। তিনি ফরিদা আপার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়াও
চেয়েছে।

তিনি বলেন, গাজী
ভাই আরও বলেছেন— ফেসবুকে ফরিদা পারভীনের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ায় তার পরিবারের সবার
খারাপ লাগছে। এমন কাজ থেকে সবাইকে বিরত থাকারও অনুরোধ জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, সংগীতশিল্পী
ফরিদা পারভীন গত কয়েক বছর ধরে কিডনির রোগ, শ্বাসকষ্টজনিত রোগসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন।
সম্প্রতি ডায়ালাইসিস করতে গিয়ে শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হলে গত ৫ জুলাই তাকে হাসপাতালে
ভর্তি করা হয়। বর্তমানে কেবিনে চিকিৎসাধীন আছেন একুশে পদকপ্রাপ্ত এ সংগীতশিল্পী।

ফরিদা পারভীন ১৯৬৮
সালে রাজশাহী বেতারের তালিকাভুক্ত শিল্পী হিসেবে নজরুলসংগীত পরিবেশন শুরু করেন। ১৯৭৩
সালের দিকে দেশের গান গেয়ে জনপ্রিয়তা লাভ করেন। ১৯৮৭ সালে সংগীতে বিশেষ অবদানের জন্য
একুশে পদক পান। ২০০৮ সালে তিনি জাপান সরকারের পক্ষ থেকে ‘ফুকুওয়াকা এশিয়ান কালচার’
পুরস্কারও পেয়েছেন। ১৯৯৩ সালে সিনেমার গানের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন
এই শিল্পী।

বিনোদন ডেস্ক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *