৫০ বছরেও কেন বিয়ে করেননি সাইফের বোন, জানালেন নিজেই

Written by

in

মা শর্মিলা ঠাকুর ভারতীয় চলচ্চিত্রের প্রখ্যাত অভিনেত্রী, আর ভাই সাইফ আলি খান ও বোন সোহা আলি খান রূপালী পর্দার জনপ্রিয় মুখ। তবে এই তারকা পরিবারের সন্তান হয়েও স্পটলাইট এবং বিনোদন জগৎ থেকে নিজেকে অনেকটাই দূরে রেখেছেন সাবা পাতৌদি। 

পতৌদি পরিবারের বড় কন্যা হওয়া সত্ত্বেও অভিনয়ের পথে না হেঁটে তিনি বেছে নিয়েছেন সম্পূর্ণ ভিন্ন জীবনধারা।

১৯৭৬ সালের ১ মে জন্মগ্রহণ করা ৫০ বছর বয়সি সাবা পাতৌদি পেশায় একজন জুয়েলারি বা গহনা ডিজাইনার। এ ছাড়াও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামের বায়ো অনুযায়ী, তিনি একজন ট্যারোট কার্ড রিডার ও আধ্যাত্মিক হিলার। পাশাপাশি ভোপালের ‘রয়েল অ্যান্ডোমেন্ট ট্রাস্ট’-এর প্রধান তত্ত্বাবধায়কের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলাচ্ছেন তিনি। ইনস্টাগ্রামে ২ লাখ ৫৯ হাজার অনুসারী নিয়ে পরিবারের নানা মুহূর্তের গল্প ও ছবি শেয়ার করার জন্য সাবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ জনপ্রিয়।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা বিনোদনের চাকচিক্য জগতে থাকলেও সাবা কখনো বিয়ের পিঁড়িতে বসেননি। সম্প্রতি নেহা ধুপিয়া ও অঙ্গদ বেদীর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে নিজের বিয়ে না করা এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি। 

সাবা জানান, জীবনে তার কোনো প্রথম প্রেমিক ছিল না। ১৮ বা ১৯ বছর বয়স থেকেই বিয়ের জন্য তার কাছে বিভিন্ন পাত্রের প্রস্তাব আসতে থাকে। 

আরও পড়ুন
আরও পড়ুন

তিনি বলেন, ‘১৯ বছর বয়সে কলকাতার এক পাত্রের সঙ্গে আমার বিয়ের আলোচনা প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা আর হয়ে ওঠেনি, কারণ তখন আমি বিয়ের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলাম না।’ 

পরবর্তী সময়ে বিয়ের বিষয়ে ইতিবাচক থাকলেও মনের মতো সঙ্গী পাননি বলে জানান সাবা। এর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি তার প্রয়াত বাবা এবং ভারতের সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক মনসুর আলি খান পতৌদির ব্যক্তিত্বের কথা তুলে ধরেন।

সাবা বলেন, ‘আমার বাবা অত্যন্ত আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী, নম্র এবং দায়িত্বশীল একজন মানুষ ছিলেন। তিনি আমাকে আত্মনির্ভরশীল হতে শিখিয়েছেন। আমি বাবার মতো অবিকল কাউকে খুঁজছিলাম না, কিন্তু বাবা তো বাবাই হন। কিছুদিন আগে অভিনেত্রী তাপসী পান্নুর একটি কথা আমার মন ছুঁয়ে গিয়েছিল—‘আমার কোনো ছেলের প্রয়োজন নেই, আমার প্রয়োজন একজন পুরুষের’। আমি এই কথাটির সঙ্গে নিজেকে মেলাতে পারি। আমি আসলে সেই মাপের বা মনের মতো কোনো সঙ্গী খুঁজে পাইনি।’ 

সব মিলিয়ে পরিবারের বর্ণিল তারকা জগতের মাঝেও নিজস্ব স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করে এবং নিজের স্বাধীন মানসিকতাকে প্রাধান্য দিয়েই জীবনযাপন করছেন পাতৌদি পরিবারের এই জ্যেষ্ঠ কন্যা। 

বিনোদন ডেস্ক

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *