কেটি পেরির বিরুদ্ধে অসদাচরণের নতুন অভিযোগ

Written by

in

বিশ্বখ্যাত মার্কিন পপ তারকা কেটি পেরি আবারও গুরুতর বিতর্কের মুখে পড়েছেন। তার বিখ্যাত মিউজিক ভিডিও ‘টিনএজ ড্রিম’-এর সহ-অভিনেতা জোশ ক্লোস পেরির বিরুদ্ধে যৌন অসদাচরণের অভিযোগ এনেছেন।ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়ে একে একটি ‘নীরব ট্রমা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন জোশ ক্লোস। 

অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ায় অভিনেত্রী রুবি রোজের করা অন্য একটি অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশি তদন্ত এখনো অব্যাহত রয়েছে।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ‘পেজ সিক্স’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ৪৫ বছর বয়সি জোশ ক্লোস অভিযোগ করেন, ২০১২ সালে একটি পার্টিতে কেটি পেরি সবার সামনে তার প্যান্ট ও অন্তর্বাস টেনে নামিয়ে দিয়েছিলেন। 

ক্লোস জানান, ২০১০ সালে ‘টিনএজ ড্রিম’ ভিডিওতে তারা একসঙ্গে কাজ করার দুই বছর পর পেরির এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর জন্মদিনের পার্টিতে এই ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন
আরও পড়ুন

ক্লোস বলেন, ‘আমি যখন এক বন্ধুর সঙ্গে তাকে অভিবাদন জানাতে গেলাম, তিনি কোনো সতর্কতা ছাড়াই হঠাৎ আমার প্যান্ট টেনে নামিয়ে দিলেন। আমি হতভম্ব হয়ে চিৎকার করে উঠি, কিন্তু তিনি শুধু হাসছিলেন।’

২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো ইনস্টাগ্রামে এই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন ক্লোস। তবে তখন তাকে উপহাস ও অবজ্ঞার শিকার হতে হয়েছিল। অনেকে তাকে বলেছিলেন যে, পেরির মতো তারকার কাছে এমন আচরণ পাওয়া তার জন্য ‘ভাগ্যের ব্যাপার’।

এই বিষয়ে ক্লোস বলেন, ‘যাকে আমার কৃতজ্ঞতা জানানো উচিত ছিল, তিনি তার ঘনিষ্ঠদের সামনে আমাকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে অপমানিত ও লাঞ্ছিত করেছেন। আমি কেন এর জন্য কৃতজ্ঞ থাকব? জনসমক্ষে সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো মানুষ যখন আপনাকে বিশ্বাস করতে চায় না।’

কেটি পেরির প্রতিক্রিয়া 

২০২০ সালে ‘দ্য গার্ডিয়ান’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পেরি সরাসরি ক্লোসের অভিযোগের জবাব দেননি। তবে তিনি বলেছিলেন, ‘আমরা এমন এক পৃথিবীতে বাস করি যেখানে যে কেউ যা খুশি বলতে পারে। আমি আমার সম্পর্কে বলা সব কথার প্রতিক্রিয়া দেখাই না, কারণ সত্য-মিথ্যা প্রমাণ করতে গেলে আমার পুরো জীবন সেসবের পেছনেই ব্যয় করতে হবে।’

এদিকে ক্লোসের এই অভিযোগ এমন এক সময়ে এল যখন অস্ট্রেলীয় অভিনেত্রী রুবি রোজের করা যৌন হেনস্থার অভিযোগে কেটি পেরি ইতোমধ্যেই চাপের মুখে আছেন। 

চলতি মাসের ১১ এপ্রিল রুবি রোজ অভিযোগ করেন, ২০১০ সালে মেলবোর্নের একটি নাইটক্লাবে পেরি তাকে যৌন হেনস্থা করেছিলেন। 

ভিক্টোরিয়া পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে, মেলবোর্নের ‘সেক্সুয়াল অফেন্সেস অ্যান্ড চাইল্ড অ্যাবিউজ ইনভেস্টিগেশন টিম’ ২০১০ সালের সেই পুরনো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। যদিও পেরির মুখপাত্র এই অভিযোগকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ এবং ‘বিপজ্জনক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন মিথ্যাচার’ বলে অভিহিত করেছেন। 

সূত্র: জিও নিউজ 

বিনোদন ডেস্ক

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *