Tag: সঙ্গীতশিল্পী

  • এক রাতে ৩ অ্যালবাম! ড্রেকের নজিরবিহীন ঘোষণা

    এক রাতে একটি বা দুটি নয়, একেবারে তিনটি নতুন অ্যালবাম মুক্তির এক নজিরবিহীন ঘোষণা দিয়ে পুরো সংগীতবিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন কানাডিয়ান র্যাপ তারকা ড্রেক। 

    শুক্রবার (১৫ মে) রাতেই একসঙ্গে মুক্তি পেতে যাচ্ছে এই তিনটি প্রজেক্ট। এই আকস্মিক ঘোষণায় বিশ্বজুড়ে তার ভক্তদের মাঝে তুমুল উত্তেজনা ও উন্মাদনা তৈরি হয়েছে, যার জোয়ার আছড়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে। 

    দীর্ঘদিন ধরেই ভক্তরা ড্রেকের বহুল প্রতীক্ষিত অ্যালবাম ‘আইসম্যান’-এর জন্য অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু সবাইকে চমকে দিয়ে এই র্যাপার জানান, ‘আইসম্যান’-এর পাশাপাশি আরও দুটি সম্পূর্ণ নতুন প্রজেক্ট—‘হাবিবতি’ এবং ‘মেইড অব অনার’ একই সঙ্গে মুক্তি পাচ্ছে। 

    ড্রেকের একসঙ্গে তিনটি ফুল-লেন্থ অ্যালবাম প্রকাশের এই অভাবনীয় সিদ্ধান্ত ভক্তদের যেমন আনন্দিত করেছে, তেমনি চমকে দিয়েছে পুরো মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিকে। 

    তবে এই খুশির খবরের মাঝেও ড্রেকের জন্য রয়েছে বিষাদের অনুভূতি। হৃদয়স্পর্শী এক পারিবারিক খবরের কারণে এই বিশাল হাইপ ও প্রচারণার আড়ালে যোগ হয়েছে এক আবেগঘন অধ্যায়। ‘আইসম্যান’ অ্যালবামের প্রমোশনাল রোলআউটের একটি প্রিভিউতে ড্রেক তার বাবা ডেনিস গ্রাহামের এক কঠিন লড়াইয়ের কথা সামনে এনেছেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে ড্রেক প্রকাশ করেন, তার বাবা বর্তমানে মরণব্যাধি ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছেন। ড্রেক বলেন, ‘আমার বাবা এখন ক্যানসারে আক্রান্ত; আমরা একদম শেষ ধাপগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করছি।’ এর মাধ্যমে এই প্রথম ড্রেক তার বাবার কঠিন অসুস্থতার কথা প্রকাশ্যে আনলেন, যা ভক্তদের হৃদয়ে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। 

    উল্লেখ্য, বিগত বছরগুলোতে ড্রেক এবং তার বাবা ডেনিস গ্রাহামের সম্পর্ক বেশ ওঠানামার মধ্য দিয়ে গেছে। বিভিন্ন সময়ে তাদের পারিবারিক দূরত্ব ও ভুল বোঝাবুঝি নিয়ে গুঞ্জন থাকলেও, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাদের মধ্যকার মেলবন্ধন ও পারস্পরিক সমর্থন বেশ জোরালো হয়েছে।

    ডেনিস গ্রাহাম সবসময়ই ছেলের এই বিশ্বজোড়া সাফল্যে গর্ব করে এসেছেন। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তিনি ড্রেককে ছোটবেলা থেকেই এক উজ্জ্বল ‘তারকা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং ছেলের মেধার প্রতি নিজের মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন। 

    বাবার এই কঠিন সময়ে ড্রেকের পাশে থাকা এবং একই সঙ্গে সংগীত ক্যারিয়ারের এত বড় মাইলফলক স্পর্শ করা—সব মিলিয়ে আজ রাতটি ড্রেক ভক্তদের জন্য এক মিশ্র আবেগ ও চরম উত্তেজনার রাত হতে যাচ্ছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • হাসিনা সরকারের ক্ষমা প্রার্থনা

    বাউল শিল্পীদের নিয়ে করা বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য এবার সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে এক ভিডিও বার্তায় প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন বাউল শিল্পী হাসিনা সরকার। 

    এর আগে নারী বাউল শিল্পীরা কুপ্রস্তাব পান এবং ‘বেডে’ না গেলে অনেক সময় অনুষ্ঠান পাওয়া যায় না বলে মন্তব্য করে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছিলেন তিনি। তার সেই বিতর্কিত মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই এবার নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন এই বাউল শিল্পী। 

    হাসিনা সরকার সব বাউল শিল্পীর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। জানান, আগের মতো সবাই যেন আগলে রাখেন তাকে। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, আমার বক্তব্যে কেউ কষ্ট পেলে আন্তরিকভাবে দুঃখিত। 

    ভিডিও বার্তায় হাসিনা সরকার বলেন, তার বক্তব্যে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে তিনি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। 

    তিনি অভিযোগ করে জানান, মিরপুরে কিছু লোক এসে তার একটি অফিস বন্ধ করে দেয়। এমনকি ‘হাসিনা সরকার’ নাম হওয়ায় বিভিন্ন মঞ্চ থেকে তাকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

    এই বাউল শিল্পীর ভাষ্য, ‘অনেক জায়গায় বলা হয়েছে, হাসিনা সরকার নামে কোনো শিল্পী গান গাইতে পারবে না। শিল্পীদের ক্লাব থেকে আমাকে গানের অফার দেওয়া হলেও পরে সেই সুযোগ অন্য শিল্পীদের দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এসব কারণে আমি কষ্ট পেয়েছিলাম।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এসব কারণে ক্ষোভ ও হতাশা থেকে আগের ওই মন্তব্য করেছিলেন বলেও জানান তিনি। 

    তার ভাষ্যমতে―কথাটি রাগের মাথায় বলেছিলাম, যার সঙ্গে যার লিংক থাকে, তাদের অনুষ্ঠানে ডাকা হয়। আমার সঙ্গে কারো সেভাবে সম্পর্ক না থাকায় আমাকে ডাকা হয় না। কথাটি বলা ভুল হয়েছে আমার।

    ভিডিও বার্তায় তিনি আরও বলেন, কিছু অদক্ষ শিল্পী অনুষ্ঠান পেলেও প্রকৃত বাউল শিল্পীরা অনেক সময় অবহেলিত হন। তবে তার বক্তব্যে বাউল অঙ্গনের কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে সবার কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চান তিনি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • পল্টি নিলেন কবীর সুমন

    ‘আমি তো তৃণমূলের সদস্য নই, আমি তৃণমূলপন্থীও নই। আগে আমি কোনো পার্টির সদস্যও ছিলাম না। মমতা আমার প্রায় হাতে–পায়ে ধরে দাঁড় করিয়েছিলেন। পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ামাত্রই আমি পদত্যাগ করি।’ 

    সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) কাছে তৃণমূল কংগ্রেসের হারের পর এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই দাবি করেছেন দীর্ঘদিন তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ওপার বাংলার সংগীতশিল্পী কবীর সুমন। 

    কলকাতার সংবাদমাধ্যম আজতক বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। 

    যদিও ২০০৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের জাদবপুর থেকে তৃণমুলের মনোনয়নে লোকসভা নির্বাচন করে তিনি সংসদ সদস্য হন। কিন্তু সাম্প্রতিক নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর কবীর সুমনের এ মন্তব্য তুমুল আলোচনার জন্ম দিয়েছে। 

    সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমায় মমতা প্রায় হাতেপায়ে ধরে দাঁড় করিয়েছিলেন। তার আগে আমি কোনো পার্টির সদস্যও ছিলাম না।’ 

    ভোটের ফল নিয়ে কবীর সুমনের ভাষ্য, ‘যেভাবে ভোটটা হলো, হঠাৎ সামরিক বাহিনী ঢুকল। ভাবতে পারিনি যে ট্যাংক ঢুকবে। তবে জনাদেশ কেন মমতার বিপক্ষে গেল, সেটা বলতে পারব না।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মমতার শাসনের সমালোচনা করে এই গায়ক বলেন, ‘আমি মনে করি, একাধিক ভুল হয়েছে। মানুষ সেটা ভালো চোখে নেয়নি। যেমন চাকরি। চাকরির ক্ষেত্রটা ভয়ংকরভাবে মার খেয়েছে। মানুষ সেটা ভালো চোখে নেননি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সব কাজ ঠিক করেছেন? উত্তর, না। তিনি পারেননি।’

    তবে নির্বাচনে নিজের ভোট তিনি তৃণমূলেই দিয়েছেন জানিয়ে বলেন, ‘আমি এবারও তৃণমূলকে ভোট দিয়েছি ঠিকই, কিন্তু আমি তৃণমূলের কাজে খুশি হতে পারিনি। দলের বহু কথা ও আচরণে মানুষ ধাক্কা খেয়েছে। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক ভালো কাজও করেছেন। যেমন ‘সবুজ সাথী’। বাচ্চারা সাইকেল পেয়েছে। এটা কত বড় কাজ। এসব কাজের পর হয়তো একদিন মমতার একটা মন্দির হবে।’ 

    পশ্চিমবঙ্গে মুসলিমদের প্রতি সাম্প্রদায়িক মনোভাব প্রসঙ্গেও মুখ খোলেন সুমন। তার মতে, ‘আমাদের সমাজে হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ আছেন… কিন্তু এখনো অনেকেই মুসলমানদের আলাদা করে দেখেন।’ 

    সাক্ষাৎকারে নিজের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও ইঙ্গিত দেন সুমন। তিনি জানান, এখন ভোট হলে তিনি আবার তৃণমূলকেই ভোট দেবেন। তবে ভবিষ্যতে শক্তিশালী কোনো কমিউনিস্ট দল সামনে এলে তাদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার ইচ্ছা রয়েছে। এমনকি তাদের জন্য গান বাঁধার কথাও বলেন কবীর সুমন। 

    এদিকে সুমনের এই অবস্থান বদল নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। গত ১৫ বছর ধরে তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত এই শিল্পীর এমন বক্তব্যে অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • নিজের মৃত্যুর গুজব নিয়ে মুখ খুললেন রুনা লায়লা

    বাংলাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা। বর্তমানে ভারতের দিল্লিতে ‘মিনার–ই–দিল্লি’ পুরস্কার গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে সেখানে অবস্থান করছেন তিনি। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পর সোমবার (৪ মে) সন্ধ্যায় হঠাৎ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই কণ্ঠশিল্পীর মৃত্যুর ভুয়া খবর ছড়িয়ে পড়ে। 

    এবার বিষয়টি যে পুরোপুরি গুজব সেটা রুনা লায়লা নিজেই নিশ্চিত করেছেন। গুজব ছড়িয়ে পড়লে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে সত্যতা নিশ্চিত করেন তিনি। 

    নিজের সুস্থতার খবর জানিয়ে মঙ্গলবার (৫ মে) ফেসবুকে রুনা লায়লা লেখেন, ‘আমার প্রিয় ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশে আমার মৃত্যু নিয়ে কিছু অদ্ভুত গুজব ছড়িয়েছে। আমি পরিষ্কারভাবে জানাতে চাই যে, আমি বহাল তবিয়তে বেঁচে আছি! 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আমি সবাইকে অনুরোধ করছি এ ধরনের কোনো পোস্ট শেয়ার করার আগে তথ্য যাচাই করে নিন, কারণ এটি আমার এবং আমার পরিবারের জন্য অত্যন্ত কষ্টদায়ক। সবার জন্য অনেক ভালোবাসা রইল।’

    গণমাধ্যমকে এই কণ্ঠশিল্পী আরও বলেন, ‘হঠাৎ করে বিভিন্ন দেশ থেকে পরিচিত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের একের পর এক ফোন আসছে। সবাই জানতে চাইছেন, আমি ঠিক আছি কিনা। বাংলাদেশ, আমেরিকা, ইংল্যান্ড, ভারত, পাকিস্তান—সব জায়গা থেকেই মানুষ চিন্তিত হয়ে যোগাযোগ করছেন। এটা সত্যিই অবাক করার মতো বিষয়।’

    রুনা লায়লা আরও বলেন, ভুয়া তথ্য ছড়ানো অনাকাঙ্ক্ষিত ও দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ। তাই সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে ভক্ত-অনুরাগীদের প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন উপমহাদেশের খ্যাতনামা এই সংগীতশিল্পী। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ২০ লাখ ভক্তের উপস্থিতিতে শাকিরার ক্যারিয়ারের সেরা কনসার্ট

    ব্রাজিলে রিও ডি জেনিরোর ঐতিহাসিক কোপাকাবানা সৈকতে শনিবার (২ মে) কলম্বিয়ান পপ তারকা শাকিরা এক বিশাল উন্মুক্ত কনসার্টে পারফর্ম করেছেন। রিও সিটি কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, প্রায় ২০ লাখ মানুষ এই শো উপভোগ করতে জড়ো হয়েছিলেন, যা এই তারকার ক্যারিয়ারের বৃহত্তম কনসার্ট হিসেবে রেকর্ড গড়েছে।

    রিও-র এই বিখ্যাত সমুদ্রতীরে আয়োজিত ‘মেগা শো’ বর্তমানে পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। এর আগে ম্যাডোনা এবং লেডি গাগার মতো বিশ্বখ্যাত তারকারাও আইকনিক ‘কোপাকাবানা প্যালেস’ হোটেলের সামনে একই ধরনের বিশাল পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছেন।

    শহর কর্তৃপক্ষ গত কয়েক বছর ধরে আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করতে এবং পর্যটন বাড়াতে ‘তদো মুন্দো নো রিও’ উৎসবের অংশ হিসেবে এই বড় কনসার্টগুলো আয়োজন করছে। 

    মূলত মে মাসের পর্যটন ব্যবসা চাঙ্গা করতেই এই উদ্যোগ। সিটি কর্মকর্তাদের অনুমান অনুযায়ী, শাকিরার এই একটি কনসার্ট থেকেই রিও ডি জেনিরোর অর্থনীতিতে প্রায় ১৬ কোটি ১৪ লাখ ডলার যোগ হয়েছে, যার সুফল পেয়েছে স্থানীয় হোটেল, রেস্তোরাঁ, পরিবহন এবং খুচরা বিক্রেতারা।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অনুষ্ঠানের শুরুতে একটি ড্রোন প্রদর্শনীর মাধ্যমে আকাশে শাকিরার বিখ্যাত ডাকনাম ‘শি উলফ’ (স্ত্রী নেকড়ে)-এর প্রতিচ্ছবি তৈরি করা হয়।

    এরপরই মঞ্চে এসে পর্তুগিজ ভাষায় ভক্তদের উদ্দেশে শাকিরা বলেন, ‘ব্রাজিল, আমি তোমাদের ভালোবাসি। গান গাইতে, নাচতে এবং বিশ্বকে যা সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ তা মনে করিয়ে দিতে লাখ লাখ প্রাণ একসঙ্গে হতে দেখা সত্যিই জাদুকরী।’

    ৪৯ বছর বয়সী এই গায়িকা তার জনপ্রিয় গান ‘হিপস ডোন্ট লাই’, ‘অ্যান্টোলজিয়া’ এবং ২০১০ বিশ্বকাপের থিম সং ‘ওয়াকা ওয়াকা’ দিয়ে দর্শকদের মাতিয়ে রাখেন। মঞ্চে তার সঙ্গে ডুয়েট গাইতে যোগ দিয়েছিলেন ব্রাজিলের জনপ্রিয় তারকা আনিত্তা, ক্যাটানো ভেলোসো, মারিয়া বেথানিয়া এবং ইভেতে সাঙ্গালো।

    রিও ডি জেনিরো প্রশাসন জানিয়েছে, ‘তদো মুন্দো নো রিও’ উৎসবের সাফল্য বিবেচনা করে এটি অন্তত ২০২৮ সাল পর্যন্ত শহরের অফিসিয়াল ইভেন্ট ক্যালেন্ডারে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    সূত্র: রয়টার্স 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সুস্থ জীবনে ফিরতে মরিয়া ব্রিটনি

    দীর্ঘ তিন সপ্তাহের চিকিৎসা শেষে বুধবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার একটি পুনর্বাসন কেন্দ্র (রিহ্যাব) থেকে ছাড়া পেয়েছেন পপ কুইন ব্রিটনি স্পিয়ার্স। সম্প্রতি মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অভিযোগ এবং নানা ব্যক্তিগত টানাপোড়েনের পর ৪৪ বছর বয়সী এই তারকা এখন সুস্থ জীবনে ফিরতে মরিয়া বলে জানা গেছে।

    সূত্রমতে, ৪৪ বছর বয়সী এই গায়িকা বর্তমানে বেশ ‘ইতিবাচক মানসিকতায়’ রয়েছেন। রিহ্যাব থেকে ফেরার পর তিনি নিজের জীবনকে নতুন করে গুছিয়ে নেওয়ার দিকে মনোনিবেশ করেছেন। 

    গায়িকার ঘনিষ্ঠ এক সূত্র জানিয়েছে, ব্রিটনি এখন আগের চেয়ে অনেক ভালো বোধ করছেন এবং ভবিষ্যতের ব্যাপারে তিনি বেশ আশাবাদী। নিয়মিত কাউন্সিলিং সেশনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত উন্নতির জন্য তিনি বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছেন।

    এ মুহূর্তে ব্রিটনির কাছে সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার হলো তার দুই সন্তান— শন প্রেস্টন এবং জাইডেন জেমস। 

    সাবেক স্বামী কেভিন ফেডারলাইনের সঙ্গে থাকা সন্তানদের সঙ্গে পুনরায় যোগাযোগ স্থাপন করা তার মানসিক সুস্থতার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সন্তানদের কথা চিন্তা করেই তিনি নিজের জীবনযাত্রায় আমূল পরিবর্তন আনছেন বলে জানা যায়। 

    আইনি জটিলতা ও ডিইউআই মামলা 

    চলতি বছরের শুরুর দিকে ক্যালিফোর্নিয়ার ভেনচুরা কাউন্টিতে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর সন্দেহে গ্রেফতার হয়েছিলেন ব্রিটনি। সেই ঘটনার প্রায় পাঁচ সপ্তাহ পর এপ্রিলের শুরুতে তিনি রিহ্যাবে ভর্তি হন। 

    আগামী সোমবার (৪ মে) ভেনচুরা কাউন্টি সুপিরিয়র কোর্টে এ মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠ করা হবে এবং তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    জীবনযাত্রায় পরিবর্তন 

    রিহ্যাবে থাকাকালীন ব্রিটনি নিয়মিত ‘অ্যালকোহলিকস অ্যানোনিমাস’ মিটিংয়ে অংশ নিয়েছেন। সেখানে উপস্থিত থাকা ব্যক্তিদের মতে, ব্রিটনি তার জীবনের কঠিন অভিজ্ঞতাগুলো নিয়ে সেখানে খোলামেলা আলোচনা করেছেন, যা তাকে মানসিকভাবে হালকা হতে সাহায্য করেছে। 

    বর্তমানে তিনি অ্যালকোহল থেকে পুরোপুরি দূরে থাকছেন বলেও জানা গেছে। 

    ঘনিষ্ঠরা মজার ছলে আরও জানিয়েছেন, এখন তার একমাত্র বিলাসিতা হলো ‘ফ্যান্সি কফি’। সন্তানদের পাশে থাকার তীব্র ইচ্ছাই তাকে এ কঠোর শৃঙ্খলা মেনে চলতে সাহায্য করছে।

    আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ 

    আইনি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, তারকা হিসেবে জনসাধারণের বাড়তি নজর থাকলেও ব্রিটনি যদি আদালতের সঙ্গে সহযোগিতা করেন এবং সুস্থতার এ ধারা বজায় রাখেন, তবে আইনি জটিলতা কাটিয়ে ওঠা তার জন্য সহজ হবে। 

    বর্তমানে তার প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, ব্রিটনি পুরোপুরি আইনি বাধ্যবাধকতা মেনে চলবেন এবং নিজেকে এগিয়ে নিতে সব ধরনের সহায়তা গ্রহণ করবেন।

    সূত্র: মার্কা 

    বিনোদন ডেস্ক

  • গাজী মাজহারুল আনোয়ারের শেষ গানে মেয়ে দিঠি

    উপমহাদেশের প্রখ্যাত গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার। ২০২২ সালে তিনি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান। মৃত্যুর দুই দিন আগে জীবনের শেষ গান লিখেছিলেন এই কিংবদন্তি। এবার সেই গানটিই প্রকাশ পেতে যাচ্ছে। 

    ‘মেঘলা আকাশ’ শিরোনামের সেই গানটি গেয়েছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ারের মেয়ে কণ্ঠশিল্পী দিঠি আনোয়ার ও অপু আমান। গানটির সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন অপু আমান নিজেই।

    দিঠি জানান, ইতোমধ্যে গানটির মিউজিক ভিডিও নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। গানটির সঙ্গে তার ব্যক্তিগত আবেগ গভীরভাবে জড়িত বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    গানটি প্রসঙ্গে এই সংগীতশিল্পী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মারা যাওয়ার দুই দিন আগেই গানটি লিখেছিলেন বাবা, সেদিনই অপুকে বাসায় ডেকে এর সুর করিয়েছিলেন। কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশটা তিনি দেখে যেতে পারলেন না।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    দিঠি আরও বলেন, অপুর সুর গানটিকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে এবং গানটি শ্রোতাদের মনে ভালো লাগা জাগাবে বলেই আমার বিশ্বাস।

    অপু আমান বলেন, গাজী মাজহারুল আনোয়ারের মতো কিংবদন্তির লেখা গানে সুর করার সুযোগ পাওয়া আমার সংগীতজীবনের অন্যতম বড় প্রাপ্তি। 

    আগামী ঈদের আগেই দিঠির নতুন ইউটিউব চ্যানেলে গানটি প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে নিজের ইউটিউব চ্যানেলের যাত্রাও শুরু করবেন তিনি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৫০ লাখ রুপি জরিমানার রায়ের বিরুদ্ধে মিশা শাফির আপিল

    পাকিস্তানি গায়ক আলী জাফরের দায়ের করা মানহানি মামলায় নিম্ন আদালতের দেওয়া সাজার বিরুদ্ধে লাহোর হাইকোর্টে আপিল করেছেন গায়িকা মিশা শাফি। যৌন হয়রানির অভিযোগে করা এই মামলায় কিছুদিন আগে সেশন কোর্ট মিশা শাফিকে ৫০ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল।

    মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) মিশা শাফির পক্ষে অ্যাডভোকেট সাকিব জিলানি লাহোর হাইকোর্টে এই আপিল আবেদনটি দায়ের করেন।

    আবেদনে বলা হয়েছে, সেশন কোর্ট মামলার তথ্য-প্রমাণ সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছে। 

    নিম্ন আদালত তার রায়ে উল্লেখ করেছিল যে, মিশা শাফি আলী জাফরের বিরুদ্ধে আনা যৌন হয়রানির অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেননি। এর বিপরীতে আপিল আবেদনে যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে—যদি অভিযোগ প্রমাণের দায়ভার মিশা শাফির ওপর বর্তায়, তবে আলী জাফরেরও এটি প্রমাণ করা উচিত ছিল যে তিনি কোনো হয়রানি করেননি।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আবেদনে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। মিশা শাফি এর আগে প্রাদেশিক ওম্বুডসম্যানের কাছে যৌন হয়রানির অভিযোগ নিয়ে গিয়েছিলেন। সেই বিষয়টি বর্তমানে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন রয়েছে।

    আপিলকারীর দাবি অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টে মূল অভিযোগের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মানহানি মামলার রায় ঘোষণা করা আইনত যুক্তিযুক্ত নয়। 

    মিশা শাফি লাহোর হাইকোর্টের কাছে সেশন কোর্টের দেওয়া ৫০ লাখ রুপির জরিমানার আদেশটি বাতিল করার এবং এটিকে ‘অবৈধ’ ঘোষণার অনুরোধ জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে নিম্ন আদালতের রায়টি পুরোপুরি খারিজ করার আবেদন করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে মিশা শাফি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলী জাফরের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ আনলে এই দীর্ঘস্থায়ী আইনি লড়াই শুরু হয়। এর প্রেক্ষিতে আলী জাফর তার সম্মানহানি হয়েছে দাবি করে ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করেছিলেন। 

    দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সেশন কোর্ট সম্প্রতি আলী জাফরের পক্ষে রায় দিয়েছিল, যার বিরুদ্ধেই এখন উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হলেন মিশা। 

    সূত্র: সামা টিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • কেটি পেরির বিরুদ্ধে অসদাচরণের নতুন অভিযোগ

    বিশ্বখ্যাত মার্কিন পপ তারকা কেটি পেরি আবারও গুরুতর বিতর্কের মুখে পড়েছেন। তার বিখ্যাত মিউজিক ভিডিও ‘টিনএজ ড্রিম’-এর সহ-অভিনেতা জোশ ক্লোস পেরির বিরুদ্ধে যৌন অসদাচরণের অভিযোগ এনেছেন।ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়ে একে একটি ‘নীরব ট্রমা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন জোশ ক্লোস। 

    অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ায় অভিনেত্রী রুবি রোজের করা অন্য একটি অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশি তদন্ত এখনো অব্যাহত রয়েছে।

    শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ‘পেজ সিক্স’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ৪৫ বছর বয়সি জোশ ক্লোস অভিযোগ করেন, ২০১২ সালে একটি পার্টিতে কেটি পেরি সবার সামনে তার প্যান্ট ও অন্তর্বাস টেনে নামিয়ে দিয়েছিলেন। 

    ক্লোস জানান, ২০১০ সালে ‘টিনএজ ড্রিম’ ভিডিওতে তারা একসঙ্গে কাজ করার দুই বছর পর পেরির এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর জন্মদিনের পার্টিতে এই ঘটনা ঘটে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ক্লোস বলেন, ‘আমি যখন এক বন্ধুর সঙ্গে তাকে অভিবাদন জানাতে গেলাম, তিনি কোনো সতর্কতা ছাড়াই হঠাৎ আমার প্যান্ট টেনে নামিয়ে দিলেন। আমি হতভম্ব হয়ে চিৎকার করে উঠি, কিন্তু তিনি শুধু হাসছিলেন।’

    ২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো ইনস্টাগ্রামে এই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন ক্লোস। তবে তখন তাকে উপহাস ও অবজ্ঞার শিকার হতে হয়েছিল। অনেকে তাকে বলেছিলেন যে, পেরির মতো তারকার কাছে এমন আচরণ পাওয়া তার জন্য ‘ভাগ্যের ব্যাপার’।

    এই বিষয়ে ক্লোস বলেন, ‘যাকে আমার কৃতজ্ঞতা জানানো উচিত ছিল, তিনি তার ঘনিষ্ঠদের সামনে আমাকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে অপমানিত ও লাঞ্ছিত করেছেন। আমি কেন এর জন্য কৃতজ্ঞ থাকব? জনসমক্ষে সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো মানুষ যখন আপনাকে বিশ্বাস করতে চায় না।’

    কেটি পেরির প্রতিক্রিয়া 

    ২০২০ সালে ‘দ্য গার্ডিয়ান’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পেরি সরাসরি ক্লোসের অভিযোগের জবাব দেননি। তবে তিনি বলেছিলেন, ‘আমরা এমন এক পৃথিবীতে বাস করি যেখানে যে কেউ যা খুশি বলতে পারে। আমি আমার সম্পর্কে বলা সব কথার প্রতিক্রিয়া দেখাই না, কারণ সত্য-মিথ্যা প্রমাণ করতে গেলে আমার পুরো জীবন সেসবের পেছনেই ব্যয় করতে হবে।’

    এদিকে ক্লোসের এই অভিযোগ এমন এক সময়ে এল যখন অস্ট্রেলীয় অভিনেত্রী রুবি রোজের করা যৌন হেনস্থার অভিযোগে কেটি পেরি ইতোমধ্যেই চাপের মুখে আছেন। 

    চলতি মাসের ১১ এপ্রিল রুবি রোজ অভিযোগ করেন, ২০১০ সালে মেলবোর্নের একটি নাইটক্লাবে পেরি তাকে যৌন হেনস্থা করেছিলেন। 

    ভিক্টোরিয়া পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে, মেলবোর্নের ‘সেক্সুয়াল অফেন্সেস অ্যান্ড চাইল্ড অ্যাবিউজ ইনভেস্টিগেশন টিম’ ২০১০ সালের সেই পুরনো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। যদিও পেরির মুখপাত্র এই অভিযোগকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ এবং ‘বিপজ্জনক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন মিথ্যাচার’ বলে অভিহিত করেছেন। 

    সূত্র: জিও নিউজ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • কলম্বিয়ার ‘টেলর সুইফট’ কে এই ক্যারোল জি?

    কলম্বিয়ার সঙ্গীতশিল্পী ক্যারোল জি-এর নাম শুনেছেন? টেলর সুইফট যেমন গত কয়েক বছরে শিরোনাম এবং কনসার্ট টিকিট বিক্রিতে আধিপত্য বিস্তার করেছেন, ক্যারোল জিও তেমনি লাতিন আমেরিকান একজন পপ তারকা, যার ভিডিও গত কয়েক বছর ধরে অনলাইনে সবচেয়ে বেশি দেখা হয়েছে।

    ভিডিও সরবরাহকারী ভেভোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২১, ২০২২ এবং ২০২৩ সালে ক্যারোল জি-এর গানের ভিডিওগুলো বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বেশি দেখা হয়েছে। ২০২৩ সালে তার গানের ভিডিও ভেভোতে ৪.৭ বিলিয়ন বার দেখা হয়েছিল।

    কে এই ক্যারোল জি?

    ১৯৯১ সালে কলম্বিয়ার মেডেলিন শহরে জন্মগ্রহণ করা ক্যারোল জি’র পুরো নাম কারোলিনা গিরালদো নাভারো। ছোটবেলা থেকেই তিনি গায়িকা হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। ২০০৫ সালে মাত্র ১৪ বছর বয়সে তিনি কলম্বিয়ান এক্স ফ্যাক্টর-এ অংশ নেন। তবে শুরুতে তার সাফল্য আসেনি।

    ২০১৪ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান ইংরেজি শেখার জন্য এবং বিভিন্ন ধরনের ছোট ছোট কাজের জন্য। এক পর্যায়ে তিনি তার সঙ্গীতের স্বপ্ন ত্যাগ করার কথা ভাবলেও, তার বাবা তাকে সাহস যোগান।

    যুক্তরাষ্ট্রে থাকাকালীন তিনি বোস্টনে একটি সঙ্গীত ব্যবসা সম্মেলনে যোগ দেন, যা তাকে সঙ্গীত জগতের কার্যক্রম বুঝতে সাহায্য করেছিল।

    সঙ্গীতে বড় ব্রেকথ্রু

    ২০১৭ সালে তার প্রথম বড় ব্রেকথ্রু আসে ‘আহোরা মে ল্লামা’ গান দিয়ে। যা পুয়ের্তো রিকোর শিল্পী ব্যাড বানির সঙ্গে করা একটি যৌথ প্রচেষ্টা। এরপর ২০২৩ সালে তার অ্যালবাম মাঞানা সেরা বোনিতো ইতিহাস সৃষ্টি করে। এটিই প্রথম পুরোপুরি স্প্যানিশ ভাষার অ্যালবাম, যা মার্কিন অ্যালবাম চার্টে শীর্ষে ওঠে।

    লাতিন সঙ্গীতের উত্থান

    কারোল জি’র সাফল্য কেবল তার কঠোর পরিশ্রমের জন্য নয়; এটি লাতিন সঙ্গীতের উত্থান এবং স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের জনপ্রিয়তায় সাহায্য পেয়েছে। 

    আমাজন মিউজিকের লাতিন সংগীত প্রধান রোকিও গেরেরো বলেন, স্ট্রিমিং সঙ্গীত জগতকে গণতান্ত্রিক করেছে। এটি এমন শিল্পীদের জন্য বিশ্বব্যাপী দর্শকদের সামনে আসার সুযোগ তৈরি করেছে, যাদের গান মূলধারার রেডিও স্টেশনে প্রচার হতো না।

    যুক্তরাষ্ট্রে এখন লাতিন সঙ্গীত দ্রুত বর্ধনশীল, যা ২০২৩ সালে ১.৪ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে। যার ৯৮ শতাংশই স্ট্রিমিং থেকে এসেছে।

    সমালোচনা ও বিতর্ক

    ক্যারোল জি বিভিন্ন পুরস্কার ও প্রশংসা কুড়ালেও, তিনি সমালোচনারও শিকার হয়েছেন। তার কিছু গানের ভাষা এবং ‘বিচোটা’ শব্দের ব্যবহার বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। তবে ক্যারোল জি বলেছেন, তিনি শব্দটিকে ক্ষমতায়নের অর্থে পুনঃব্যাখ্যা করেছেন।

    ব্যবসা ও দাতব্য কাজ

    ক্যারোল জি’র নাম এখন শুধু সঙ্গীতেই সীমাবদ্ধ নয়। তিনি ক্রোকস, কাপ্পা, স্মিরনফ এবং লোয়েভের মতো ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করেছেন। তার কোম্পানি গার্ল পাওয়ার ইনক এবং দাতব্য প্রতিষ্ঠান কন কোরা ফাউন্ডেশন নারী ও শিশুদের সাহায্য করার জন্য কাজ করে।

    ২০২৩ সালে তিনি তার নিজস্ব রেকর্ড লেবেল বিচোটা চালু করেন।

    ব্রিটিশ বাজারের সম্ভাবনা

    ক্যারোল জি যদিও যুক্তরাজ্যে এখনো তেমন জনপ্রিয় নন। তবে বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন যে, তিনি খুব শীঘ্রই সেখানে সাফল্য পাবেন। এ বিষয়ে আমাজনের রোকিও গেরেরো বলেন, ‘এটা সময়ের ব্যাপার মাত্র’।

    ক্যারোল জি বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সফল এবং প্রভাবশালী লাতিন সঙ্গীতশিল্পী। যার জীবনসংগ্রাম থেকে সাফল্যের গল্প অনুপ্রেরণাদায়ক। সূত্র: বিসিবি

    বিনোদন ডেস্ক