Blog

  • রাজের রহস্যঘেরা স্ট্যাটাস, সুখবর দিলেন পরীমনি

    ঢাকাই সিনেমার তারকা দম্পতি পরীমনি-শরিফুল রাজ এখন দুটি পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে প্রেম, বিয়ে, সন্তান এবং বিচ্ছেদও দেখে ফেলেছেন তারা। বাকি আছে শুধু বিচ্ছেদের আনুষ্ঠানিকতা।

    rnrn

    এতদিন নিজেদের মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কথা বলেছেন পরীমনি। তবে নীরব ভূমিকায় ছিলেন রাজ। সবশেষ পরীমনির অভিযোগ ও ঘর ছেড়ে যাওয়ার ঘোষণার পর আর সহ্য করতে পারলেন না রাজ। ভাঙলেন নীরবতা। তার সেসব কথায় আছে ক্ষোভ ও আছে হতাশাও।

    rnrn

    মঙ্গলবার ভোর ৪টা ৪৮ মিনিটে রাজ তার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে লিখেছেন— ‘হ্যালো গডফাদারস অ্যান্ড গং। আই ওয়ান্ট টু নো ইউ গাইজ। আই লাইভ ইন ঢাকা, আই উড লাভ টু চিয়ার্স।’

    rnrn

    রাজের এই স্ট্যাটাস পড়ে কেউ পরিষ্কার কিছু বুঝতে পারছেন না। স্ট্যাটাসে রাজের উল্লেখিত ‘হ্যালো গডফাদারস অ্যান্ড গং’ কেন লিখেছেন তা কেউ বুঝে উঠতে পারছেন না। 

    rnrn

    কারো মতে- রাজের পোস্ট দেখে মনে হচ্ছে, তিনি হয়তো হুমকি পেয়েছেন বা পাচ্ছেন। তার জবাবেই এসব কথা লিখেছেন। এবং সেই উড়ো হুমকিদাতাদের সরাসরি দেখেও নিতে চান রাজ।

    rnrn

    অন্যদিকে কেউ কেউ বলছেন, রাজ হয়তো আলোচনায় থাকার জন্যই এমনটা লিখেছেন।

    rnrn

    এদিকে নায়িকা পরীমনি সংসার ভাঙার জোরালো ইঙ্গিতের মধ্যেই এবার শুভাকাঙ্ক্ষীদের দিলেন সুখবর। ‘সারেং ছাড়া জাহাজ চলে’ গানটি মুক্তি পাওয়ার কথা জানালেন তিনি। সোমবার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে গানটির একটি পোস্টার শেয়ার করেন পরী। সেখানে ক্যাপশনে লেখেন— ‘আসছে।’

    rnrn

    মঙ্গলবার সিয়াম-পরী অভিনীত ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ সিনেমার ‘সারেং ছাড়া জাহাজ চলে’ গানটি বঙ্গবিডির ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করা হবে।

    rnrn

    গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন বাউল শফি মণ্ডল। কথা লিখেছেন— গত বছর প্রয়াত পুলিশ সুপার ও গীতিকার দেওয়ান লালন আহমেদ এবং সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন ইমন চৌধুরী।

    rnrn

    নেটিজেনদের কেউ বলছে, পরীর সংসারে সমস্যা থাকলেও কাজের বেলায় এর কোনো প্রভাব পড়ছে না। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে কারণে ভাঙল রাজ-পরীর সংসার

    ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমনি ২০২২ সালের শেষ দিনে এসে সংসার ভাঙনের ইঙ্গিত দেন। তার সংসারজীবনে কোলজুড়ে আসে পুত্রসন্তান শাহীম মুহাম্মদ রাজ্য।

    rnrn

    ৩১ ডিসেম্বর ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে এক স্ট্যাটাসে পরীমনি বলেন, ‘হ্যাপি থার্টিফার্স্ট এভরিওয়ান। আমি আজ রাজকে আমার জীবন থেকে ছুটি দিয়ে দিলাম এবং নিজেকেও মুক্ত করলাম একটা অসুস্থ সম্পর্ক থেকে। জীবনে সুস্থ হয়ে বেঁচে থাকার থেকে জরুরি আর কিছুই নেই।’

    rnrn

    এর পর ১ জানুয়ারি বছরের প্রথম দিনই ফেসবুকে রক্তাক্ত দাগের বিছানার ছবি পোস্ট করেন, যা নিয়ে হইচই পড়ে যায় দেশের বিনোদন ইন্ডাস্ট্রিতে। সংসার ভাঙার গুঞ্জন আরও জোরালো হয়। একই দিন অন্য স্ট্যাটাসে পরী তার ওপর গায়ে হাত তোলার মতো অভিযোগও করেন স্বামী রাজের বিরুদ্ধে।

    rnrn

    এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়ায় গণমাধ্যমকে রাজ বলেন, ‘আমি এখন চুপচাপ আছি। কিছু বলতে চাইছি না। এই পরিস্থিতিতে আমার এখন একা থাকা দরকার। পরে এসব ব্যাপারে কথা বলব।’

    rnrn

    আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে ভুল-বোঝাবুঝির সুযোগ থেকে যায় কিনা, তা জানতে চাইলে রাজ বলেন, ‘ভুল বুঝলে বুঝুক। তবে আমি স্পষ্ট বলি- আমি কোনো ভুল করিনি।’

    rnrn

    তাদের সম্পর্ক যে আর টিকছে না, সেটিও স্পষ্ট করেন রাজ- ‘না, আর হবে না (জোড়া লাগবে না)।’

    rnrn

    ফেসবুকে পরীমনির পোস্ট করা ছবি ও স্ট্যাটাসকে ইঙ্গিত করে রাজ বলেন, ‘মাই বেডরুম ইজ প্রাইভেট, ভেরি প্রাইভেট। নট ফর পাবলিক। বাট আমার বেডরুম নিয়ে সবাই মজা নেয়, নিচ্ছে।’

    rnrn

    এর পর মঙ্গলবার ভোর ৪টা ৪৮ মিনিটে রাজ তার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে লিখেছেন— ‘হ্যালো গডফাদারস অ্যান্ড গং। আই ওয়ান্ট টু নো ইউ গাইজ। আই লাইভ ইন ঢাকা, আই উড লাভ টু চিয়ার্স।’

    rnrn

    রাজের পোস্ট দেখে মনে হচ্ছে, তিনি হয়তো হুমকি পেয়েছেন বা পাচ্ছেন। তার জবাবেই এসব কথা লিখেছেন। এবং সেই উড়ো হুমকিদাতাদের সরাসরি দেখেও নিতে চান রাজ।

    rnrn

    পরীমনি ও শরীফুল রাজ দুজনের ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাদের সম্পর্কে চিড় ধরেছে কয়েক মাস আগে। সন্তান পৃথিবীতে আসার পরও কয়েক মাস ভালো ছিলেন। এরপর টুকটাক কথা-কাটাকাটি হতো। তারপর সম্পর্কের অবনতি ঘটতে থাকে। 

    rnrn

    পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ কমে যাওয়ার কারণে দুজনের মধ্যে দূরত্ব বাড়তে থাকে। দুজনের প্রতি অবিশ্বাসও তৈরি হয়। সন্দেহ করা শুরু করেন একে অপরকে। তারপরও বারবার চেষ্টা চলে সম্পর্ক চালিয়ে নেওয়ার। কিন্তু একেবারেই যখন সম্ভব হচ্ছিল না, তারা সিদ্ধান্ত নেন, এই ধরনের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার চেয়ে আলাদা থাকা ভালো।

    rnrn

    রাজের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে পরীমনি লিখেছেন— ‘একটা সম্পর্কে পুরোপুরি সিরিয়াস বা খুব করে না চাইলে একটা মেয়ে, বাচ্চা নেওয়ার মতো এত বড় সিদ্ধান্ত নিতে পারে না কখনই। আমার জীবনের সবটুকু চেষ্টা যখন এই সম্পর্কটাকে ঠিকঠাক টিকিয়ে রাখা, তখনই আমাকে পেয়ে বসা হলো। যেন, শতকোটি বার যা ইচ্ছে তাই করলেও সব শেষে ওই যে আমি মানিয়ে নেই, এটা রীতিমতো দারুণ এক সাংসারিক সূত্র হয়ে দাঁড়াল। আমি জোর দিয়ে বলতে পারি আমাদের এই সম্পর্ক এতদিন আমার এফোর্টে টিকে ছিল শুধু।'

    rnrn

    তবে এখন সহ্যের সীমা ছাড়িয়েছে দাবি করে পরীমনি লিখেছেন— ‘কিন্তু বারবার গায়ে হাত তোলা পর্যায়ে পৌঁছালে কোনো সম্পর্কই আর সম্পর্ক থাকে না। স্রেফ বিষ্ঠা হয়ে যায়।’

    rnrn

    সন্তানের দিকে তাকিয়ে সব ভুলে থাকার চেষ্টা করেছিলেন দাবি করে এ নায়িকা লেখেন, ‘রাজ্যের দিকে তাকিয়ে বারবার সব ভুলে যাই। সব ঠিক করার জন্য পড়ে থাকি। কিন্তু তাতে কি আসলেই আমার বাচ্চা ভালো থাকবে! না । একটা অসুস্থ সম্পর্ক এত কাছে থেকে দেখে দেখে ও বড় হতে পারে না। তাই আমি, রাজ্য এবং রাজের মঙ্গল এর জন্যেই আলাদা হয়ে গেলাম।’

    rnrn

    উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর গোপনে বিয়ে করেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমনি ও অভিনেতা শরিফুল রাজ। মাত্র সাতদিনের পরিচয়ে তারা বিয়ে করেছিলেন।  গত বছরের ১০ জানুয়ারি সেই খবর প্রকাশ্যে আনেন তারা। একই দিন সন্তানধারণের বার্তাটিও দেন এ দম্পতি। এরপর ২২ জানুয়ারি পারিবারিক আয়োজনে বিয়ে সারেন। গত ১০ আগস্ট তাদের ঘর আলো করে এসেছে পুত্রসন্তান-শাহীম মুহাম্মদ রাজ্য।

    যুগান্তর ডেস্ক

  • পরীমনির বিষয়ে যাদের ওপর খেপেছেন রাজ

    ঢাকাই সিনেমার তারকা দম্পতি পরীমনি-শরিফুল রাজ এখন দুটি পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে প্রেম, বিয়ে, সন্তান এবং বিচ্ছেদও দেখে ফেলেছেন তারা। বাকি আছে শুধু বিচ্ছেদের আনুষ্ঠানিকতা।

    এতদিন নিজেদের মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কথা বলেছেন পরীমনি। তবে নীরব ভূমিকায় ছিলেন রাজ। সবশেষ পরীমনির অভিযোগ ও ঘর ছেড়ে যাওয়ার ঘোষণার পর আর সহ্য করতে পারলেন না রাজ। ভাঙলেন নীরবতা। তার সেসব কথায় আছে ক্ষোভ ও আছে হতাশাও।

    সোমবার গণমাধ্যমে রাজ বলেছেন, ‘মাই বেডরুম ইজ প্রাইভেট, ভেরি প্রাইভেট। নট ফর পাবলিক। বাট আমার বেডরুম নিয়ে সবাই মজা নিচ্ছে এখন। পরী এখন যা করছে বা তার যা মন চায় করুক। তবে এটুকু স্পষ্ট করি— আমি কোনো ভুল করিনি। আমাদের আর এক হওয়া হবে না।’

    এর পর মঙ্গলবার ভোর ৪টা ৪৮ মিনিটে রাজ তার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে লিখেছেন— ‘হ্যালো গডফাদারস অ্যান্ড গং। আই ওয়ান্ট টু নো ইউ গাইজ। আই লাইভ ইন ঢাকা, আই উড লাভ টু চিয়ার্স।’

    রাজের পোস্ট দেখে মনে হচ্ছে, তিনি হয়তো হুমকি পেয়েছেন বা পাচ্ছেন। তার জবাবেই এসব কথা লিখেছেন। এবং সেই উড়ো হুমকিদাতাদের সরাসরি দেখেও নিতে চান রাজ।

    উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর গোপনে বিয়ে করেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমনি ও অভিনেতা শরিফুল রাজ। মাত্র সাত দিনের পরিচয়ে তারা বিয়ে করেছিলেন। ২০২২ সালের ১০ জানুয়ারি সেই খবর প্রকাশ্যে আনেন তারা। একই দিন সন্তান ধারণের বার্তাটিও দেন এ দম্পতি। এর পর ২২ জানুয়ারি পারিবারিক আয়োজনে বিয়ে সারেন। একই বছরের ১০ আগস্ট তাদের ঘর আলো করে এসেছে পুত্রসন্তান-শাহীম মুহাম্মদ রাজ্য।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সংসার ভাঙনের মধ্যেই সুখবর দিলেন পরীমনি

    ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমনি ২০২২ সালের শেষ দিনে এসে সংসার ভাঙনের ইঙ্গিত দেন। তার সংসারজীবনে কোলজুড়ে আসে পুত্রসন্তান শাহীম মুহাম্মদ রাজ্য।

    ৩১ ডিসেম্বর ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে এক স্ট্যাটাসে পরীমনি বলেন, ‘হ্যাপি থার্টিফার্স্ট এভরিওয়ান। আমি আজ রাজকে আমার জীবন থেকে ছুটি দিয়ে দিলাম এবং নিজেকেও মুক্ত করলাম একটা অসুস্থ সম্পর্ক থেকে। জীবনে সুস্থ হয়ে বেঁচে থাকার থেকে জরুরি আর কিছুই নেই।’

    এর পর ১ জানুয়ারি বছরের প্রথম দিনই ফেসবুকে রক্তাক্ত দাগের বিছানার ছবি পোস্ট করেন, যা নিয়ে হইচই পড়ে যায় দেশের বিনোদন ইন্ডাস্ট্রিতে। সংসার ভাঙার গুঞ্জন আরও জোরালো হয়। একই দিন অন্য স্ট্যাটাসে পরী তার ওপর গায়ে হাত তোলার মতো অভিযোগও করেন স্বামী রাজের বিরুদ্ধে।

    এদিকে নায়িকা পরীমনি সংসার ভাঙার জোরালো ইঙ্গিতের মধ্যেই এবার শুভাকাঙ্ক্ষীদের দিলেন সুখবর। ‘সারেং ছাড়া জাহাজ চলে’ গানটি মুক্তি পাওয়ার কথা জানালেন তিনি। সোমবার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে গানটির একটি পোস্টার শেয়ার করেন পরী। সেখানে ক্যাপশনে লেখেন— ‘আসছে।’

    মঙ্গলবার সিয়াম-পরী অভিনীত ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ সিনেমার ‘সারেং ছাড়া জাহাজ চলে’ গানটি বঙ্গবিডির ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করা হবে।

    গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন বাউল শফি মণ্ডল। কথা লিখেছেন— গত বছর প্রয়াত পুলিশ সুপার ও গীতিকার দেওয়ান লালন আহমেদ এবং সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন ইমন চৌধুরী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সংগীতশিল্পী সুমিত্রা সেন আর নেই

    চলে গেলেন বিশিষ্ট রবীন্দ্র সঙ্গীতশিল্পী সুমিত্রা সেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। অনেক দিন ধরেই বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন গায়িকা। 

    মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। খবর হিন্দুস্তান টাইমনের।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিসেম্বরে ভীষণ ঠান্ডা লাগিয়ে ফেলেন সুমিত্রা সেন। এর ফলে জ্বরের সঙ্গে বুকে সর্দি বসে অবস্থার অবনতি হয়। এর পর তাকে ২১ ডিসেম্বরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ব্রঙ্কো-নিউমোনিয়া ধরা পড়ে। সোমবার তাকে ছুটি করিয়ে বাড়ি আনা হয়।

    মঙ্গলবার সকালে গায়িকা শ্রাবণী সেন তার মায়ের প্রয়াণের খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় জানান। তিনি লেখেন- আজ মা ভোরে চলে গেল।

    আগামী মার্চ মাসেই তিনি ৯০ বছর পূর্ণ করতেন। তার আগেই চলে গেলেন গায়িকা। সোমবার শ্রাবণী সেন সংবাদমাধ্যমকে তার মায়ের স্বাস্থ্যের বিষয়ে বলেন, ‘বয়সটা তো একটা কারণ। ভালো নেই মা। মোটামুটি আছেন। চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেই তাকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে।’ 
    সুমিত্রা কন্য়া ইন্দ্রাণীও একই কথা জানিয়ে ছিলেন সংবাদমাধ্যমকে। পরিবারের সঙ্গে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে তাকে বাড়ি আনা হয় সোমবার। এদিকে রাত কাটতে না কাটতেই চলে গেলেন গায়িকা।

    রবীন্দ্র সঙ্গীতের দুনিয়ার অতি পরিচিত নাম সুমিত্রা সেন। তার দুই মেয়ে- ইন্দ্রাণী সেন ও শ্রাবণী সেনও বাংলার সঙ্গীত জগতে ছাপ ফেলেছেন। মায়ের পথে হেঁটে রবীন্দ্র সঙ্গীত চর্চাই করে গিয়েছেন ছোট মেয়ে শ্রাবণী সেন, ইন্দ্রাণী সেন অবশ্য সব ধরনের গানেই নিয়েই ছাপ রেখেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • তুনিশার মৃত্যু রহস্যে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য! 

    অভিনেত্রী তুনিশা শর্মার আত্মহত্যার তদন্তে নতুন তথ্য সামনে এসেছে। তুনিশার মৃত্যুর ঘটনায় তার সাবেক প্রেমিক সেজান খান এখন রয়েছেন জেলে। 

    সেজানের আইনজীবীর দাবি— তুনিশার সঙ্গে তার পরিবারের সম্পর্ক মোটেই ভালো ছিল না। এতদিন যে ব্যক্তি নিজেকে তুনিশার মামা বলে পরিচয় দিয়ে এসেছেন, তিনি তার আসল মামা নন। 

    সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে ওই আইনজীবী বলেন, সঞ্জীব কৌশল নামে যে ব্যক্তি নিজেকে তুনিশার মামা বলে পরিচয় দিয়ে এসেছেন, তিনি অভিনেত্রীর আত্মীয় নন।  

    এই সঞ্জীব কৌশলের সঙ্গে তুনিশার মা বনিতা মিশ্রের ‘সম্পর্ক’ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন আইনজীবী। সেজানের আইনজীবীর প্রশ্ন— সঞ্জীব কৌশল তুনিশার আত্মীয় নন। তা হলে তিনি কেন নিজেকে তার মামা বলে দাবি করে আসছেন? বনিতা ও কৌশলের মধ্যে সম্পর্ক ঠিক কী?

    তিনি আরও বলেন, বনিতা একবার মেয়েকে চড় মেরেছিলেন। মেয়েকে শ্বাসরোধ করারও চেষ্টা করেছিলেন। 

    শৈলেন্দ্র বনিতা শর্মার করা ‘লাভ জিহাদের’ অভিযোগও উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, তদন্তকারী দল সেজান ও তুনিশার মধ্যে হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথন পরীক্ষা করেছে। তাতে তারা সন্দেহজনক কিছু পাননি। সেজানের বোন তথা অভিনেতা ফলক নাজও তুনিশার মায়ের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন তার ভাই বা তার পরিবারের কেউ তুনিশাকে ধর্ম পরিবর্তন করতে জোর করেননি। এমনকি বোরকা পরতেও বাধ্য করেননি। তার দাবি, তুনিশা একটি শুটিংয়ে বোরকা পরেছিলেন। সেটি দিয়েই কেউ কেউ এমন ভুয়া দাবি করেছেন। এখন কে এই সঞ্জীব কৌশল, তার সঙ্গে মৃত অভিনেত্রীর মায়ের সম্পর্ক ঠিক কী, এ নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে। 

    প্রেমিকের সঙ্গে বিচ্ছেদের ১৫ দিন পর, গত ২৪ ডিসেম্বর সিরিয়ালের সেটে আত্মহত্যা করেন তুনিশা। যদিও একে ‘আত্মহত্যা’ বলে মানতে নারাজ তুনিশার মা। তার দাবি, প্রেমিক তথা সহঅভিনেতা সেজানই তুনিশার মৃত্যুর জন্য দায়ী। 

    তার দাবি, মাদক সেবন করতেন অভিনেতা। একাধিক নারীর সঙ্গে সম্পর্কে থেকে তুনিশাকে ঠকিয়েছেন তিনি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিনোদন অঙ্গনে ছয় দিনেই ৩ বিচ্ছেদ!

    বিনোদন অঙ্গন গত বছর নানা কারণে আলোচনায় ছিল। তার মধ্যে অন্যতম বিয়ে ও বিচ্ছেদ। তবে বছরের শেষ ছয় দিন ছিল আরও বেশি উত্তপ্ত। কারণ এ সময়ে বড় ও ছোট পর্দা মিলিয়ে তিনটি বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটেছে। 

    rnrn

    হঠাৎ করে ২৬ ডিসেম্বর বিচ্ছেদের খবর আসে অভিনেত্রী জিনাত সানু স্বাগতার। চিত্রগ্রাহক রাশেদ জামানের সঙ্গে সাত বছর প্রেম, ছয় বছর সংসারের সমাপ্তি ঘটে দুই বছর আগে। প্রকাশ্যে আসে ছয় দিন আগে।

    rnrn

    স্বাগতার বিচ্ছেদের খবরের রেশ যেতে না যেতেই দুই দিন পরে ২৮ ডিসেম্বর শোনা যায়, বিচ্ছেদ হয়েছে পরিচালক শিহাব শাহীন ও অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মমর।

    rnrn

    পরিচালক শিহাব শাহীন ও অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মমর বিচ্ছেদের খবর প্রকাশ্যে আসার দুই দিন পরই শুক্রবার রাতে পরীমনি ফেসবুকে জানান, চিত্রনায়ক রাজের সঙ্গে তিনি আর থাকছেন না। তবে তাদের এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদ হয়নি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় বমি করে ক্লান্তিতে ভুগেছি কাউকে বলিনি’

    ক্যারিয়ারের শীর্ষে থাকাকালীনই মা হওয়ার সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আলিয়া ভাট। এজন্য বিন্দুমাত্র অনুশোচনা নেই রণবীরের স্ত্রীর। 

    rnrn

    তিনি জানিয়েছেন, সন্তান জন্মের জন্য যদি কাজ কমে আসে তাহলে কিচ্ছু যায় আসে না। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমনটি বলেন তিনি। 

    rnrn

    গত বছরের এপ্রিলে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন রণবীর-আলিয়া। জুন মাসের শেষে নিজের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার কথা প্রকাশ্যে আনেন এই অভিনেত্রী। 

    rnrn

    রাহাকে গর্ভে নিয়েই দিনরাত শুটিং করেছেন আলিয়া। সেই স্মৃতিচারণ করে বম্বে টাইমসকে আলিয়া বলেন, আমি নিজেকে কখনো আটকে রাখি না, যদি না আমার পক্ষে শারীরিকভাবে সেটা অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। আমি অন্তঃসত্ত্বা ছিলাম, তাই নিঃসন্দেহে কিছু সীমাবদ্ধতা তো ছিলই। 

    rnrn

    তিনি আরও বলেন, অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় প্রতিটা দিন আমার কাছে নতুন চ্যালেঞ্জ ছিল, নিজের শরীরের কথা আমি শুনতাম খুব ভালোভাবে। কাজটা আমার কাছে খুব জারুরি, কিন্তু সেই সময় নিজের শরীর এবং আমার হবু সন্তানই আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাটা আমার কাছে কোনো বাধা ছিল না, কিন্তু শুরুর কয়েকটা সপ্তাহ খুব সমস্যায় পড়েছিলাম।

    rnrn

    গত নভেম্বরে কন্যাসন্তান রাহার জন্ম দেওয়া আলিয়া আরও বলেন, তখন ঘনঘন বমি বমি ভাব আর মারাত্মক ক্লান্তি ঘিরে ধরেছিল; কিন্তু শুরুর ১২ সপ্তাহ অন্তঃসত্ত্বা নিয়ে কাউকে কিছু বলতে নেই, তাই তো? সেজন্যই এই সুখবরটা আমাকে নিজের মধ্যেই চেপে রাখতে হয়েছিল, আর আমি নিজের শরীরের কথা শুনছিলাম। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলা কি বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন?

    দীর্ঘদিন ধরে প্রেম করছেন টালিউড অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরা ও অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা সেন। 

    rnrn

    নতুন বছরের শুভেচ্ছাবার্তায় দুষ্টুমির ভঙ্গিতে অঙ্কুশের উদযাপন সবার নজর কাড়ে। বিশেষ করে ঐন্দ্রিলার সিঁথিতে সিঁদুর চোখ এড়ায়নি কারো। 

    rnrn

    যদিও এ বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি; তবে বিতর্কটা উস্কে দিলেন ঐন্দ্রিলা নিজেই। ২০২৩ সাল সূচনার শুভেচ্ছাবার্তা দিতে এসেই মহাবিপদে পড়লেন তিনি। নায়ক-নায়িকার শুভেচ্ছাবার্তায় ভর্তি ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম। 

    rnrn

    অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলাও তাদের দর্শকদের একটু অন্যভাবে বছর শুরুর শুভেচ্ছা জানাতে চেয়েছিলেন। সঙ্গে ছিলেন ঐন্দ্রিলার বোন ও এক বন্ধু। 

    rnrn

    অঙ্কুশের তৈরি ওই ভিডিওতে ঐন্দ্রিলাকে দেখা গিয়েছে কালো পোশাকে। ঐন্দ্রিলার কপালে লাল সিঁদুর ছিল। এই সিঁদুর দেখেই বিতর্ক শুরু।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দর্শক আগ্রহের শীর্ষে বছর শেষে প্রচারিত ইত্যাদির ফেনী পর্ব

    গত ৩০ ডিসেম্বর প্রচার হলো দর্শকপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’। এ পর্বটি ধারণ করা হয়েছিল ফেনীর ঐতিহ্যবাহী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে। 

    rnrn

    বরেণ্য নির্মাতা হানিফ সংকেত অনুষ্ঠানের শুরুতে জানালেন, ইত্যাদি এ বছর ৩৫-এ পা দিয়েছে। এই সাড়ে তিন দশকের দীর্ঘ পথচলায় একটি অনুষ্ঠান এখনো দর্শকদের কাছে সমান প্রিয়। প্রতিটি ইত্যাদির ইউটিউব ট্রেন্ডিং সেটাই প্রমাণ করে। 

    rnrn

    দেশীয় সংস্কৃতি লালনের জন্য, যাবতীয় অসঙ্গতির বিরুদ্ধে আপসহীন ভূমিকার জন্য, মানুষকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করার জন্য, যা কিছু ভালো তার পক্ষে অবস্থান নেওয়ার জন্য, আর যা কিছু খারাপ তা বর্জনের জন্য এবং ইত্যাদির দায়বোধের জন্য এ অনুষ্ঠানটি আজো সব শ্রেণিপেশার মানুষের কাছে জনপ্রিয়। কোনটা ঠিক, কোনটা ঠিক নয়, কোনটা উচিত, কোনটা উচিত নয়-এসব সম্পর্কে ইত্যাদি দর্শকদের সচেতন করে। তারই প্রমাণ পাওয়া গেল এ পর্বে প্রচারিত মায়ের হাতে তৈরি শীতের পিঠা ও যান্ত্রিক পিঠার নাটিকাটিতে।

    rnrn

    rnঅজ্ঞান পার্টির হাত থেকে বাঁচতে হলে কী করতে হবে, আজকাল নেতা এবং চামচাদের তোষামোদপ্রিয়তা ও এর খারাপ দিক, বিভিন্ন স্থানে দালালদের কর্মতৎপরতা ও তাদের হাত থেকে বাঁচার উপায়, মোবাইল ফোনের ভয়াবহ সংক্রমণ ও আমাদের করণীয়, ইউটিউব কন্টেন্টের ক্ষতিকর দিক, ইউটিউবে ব্যবসা বনাম কর্তব্য, অসহনশীল মানুষ ও তার পরিনাম ইত্যাদি বিষয়ে নির্মিত নাটিকাগুলো ছিল যেমন উপভোগ্য তেমনি বক্তব্যধর্মী। ভালো লেগেছে ফেনীর নৃত্য শিল্পীদের অংশগ্রহণে ফেনীকে নিয়ে করা বর্ণাঢ্য সংগীত। চমৎকার কথা ও সুরে অসাধারণ গেয়েছেন ইত্যাদিখ্যাত শিল্পী পান্থ কানাই ও ডলি সায়ন্তনী।

    rnrn

    ইত্যাদির নিয়মিত আয়োজন দর্শক পর্বে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে দর্শক নির্বাচন ছিল শিক্ষণীয়। আর দ্বিতীয় পর্বে নব্বই দশকের জনপ্রিয় শিল্পী ও ফেনীর কন্যা শমী কায়সারের সঙ্গে হানিফ সংকেতের সমকালীন টিভি নায়িকা ও টিভি নাটক নিয়ে কথোপকথন ছিল এ সময়ের শিল্পী, গল্পকারদের জন্য শিক্ষণীয়। গনির বাজারের অখ্যাত, দরিদ্র গনি মিয়াকে তার নামে করা বাজারে দোকান করার ব্যবস্থা করে দিল ইত্যাদি। এ জন্য হানিফ সংকেত ও কেয়া কসমেটিকস ধন্যবাদ পেতেই পারেন।

    rnrn

    সাইকেলে চড়ে মানুষকে পরিবেশ রক্ষায় উদ্বুদ্ধ করা রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রভাষক রফিকুল হাসানকে নিয়ে করা প্রতিবেদনটি পরিবেশ রক্ষায় মানুষকে সচেতন করবে। ভালো লেগেছে সীমান্ত পিলারের এ পাশ ওপাশে বসবাসকারী দুই দেশের নাগরিকদের আত্মীয়তার সুদৃঢ় বন্ধন। প্রতিবেদনটি বেশ উপভোগ্য ছিল। বিশ্বসেরা ক্লিনিক মেয়ো ক্লিনিকের প্রতিবেদনটিও ছিল বেশ শিক্ষণীয়। নানি-নাতি পর্বে নাতি যথার্থই বলেছে, নানা রূপের, নানা আচরণের মানুষ রয়েছে, যাদের অনেকেই অমানুষ। সেখান থেকে সত্যিকারের মানুষ খুঁজে বের করা বেশ কঠিনই।

    rnrn

    সবশেষে মঞ্জিলা আক্তার মিমির ওপর করা প্রতিবেদনটি ছিল বেশ হৃদয়ছোঁয়া ও অনুপ্রেরণামূলক। প্রচারবিমুখ মঞ্জিলা আক্তারের কর্মকাণ্ড আমাদের অনেকেরই চোখ খুলে দেবে। আর এখানেই ইত্যাদির সার্থকতা।
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক