Tag: হিরো আলম

  • আমিও সবার পাশে সবাইকে নিয়ে দাঁড়াতে চাই: হিরো আলম

    গত কয়েক দিন আগে উপনির্বাচনে অংশ নেন আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলম। এর পরই মানবতার সেবায় নিজ নামে ফাউন্ডেশন করবেন বলে জানান।

    হিরো আলম ফাউন্ডেশন করার ঘোষণা দেওয়ার পরই কাজ শুরু করেন সেটির। মানবতার সেবায় সেই ফাউন্ডেশনে এবার এক লাখ টাকা সহযোগিতা করলেন খানডটকম ওভারসিজ লিমিটেডের এমডি কাশেম খান।

    মঙ্গলবার বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন হিরো আলম। তিনি বলেন, আমার ফাউন্ডেশনে প্রথমবারের মতো এক লাখ টাকা অনুদান পেয়েছি। কাশেম খান অনুদান দিয়েছেন। আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞ। যারা আমার পাশে দাঁড়াচ্ছেন তাদের অনেক অনেক ধন্যবাদ। আমিও সবার পাশে সবাইকে নিয়ে দাঁড়াতে চাই।

    তিনি আরও বলেন, আমি দেশ ও দেশের বাইরের সবাইকে নিয়ে আমার ফাউন্ডেশনে একটি কমিটি করব। সেই কমিটি সারা দেশের ৬৪ জেলায় কমিটি করবে। সেখানে স্বচ্ছ জবাবদিহিতা থাকবে। যাতে কেউ বলতে না পারে যে, গরিব-অসহায়ের টাকা মেরে খাওয়া হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নিজ নামের ফাউন্ডেশনে লাখ টাকা অনুদান পেলেন হিরো আলম

    বগুড়া-৪ ও বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর একটি গাড়ি উপহার পেলে সেটি অ্যাম্বুলেন্স করার ঘোষণা দেন আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। এর পরই মানবতার সেবায় নিজ নামে ফাউন্ডেশন করবেন বলে জানান।

    হিরো আলম ফাউন্ডেশন করার ঘোষণা দেওয়ার পরই কাজ শুরু করেন সেটির। মানবতার সেবায় সেই ফাউন্ডেশনে এবার এক লাখ টাকা সহযোগিতা করল খানডটকম ওভারসিজ লিমিটেডের এমডি কাশেম খান।

    মঙ্গলবার বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন হিরো আলম। তিনি বলেন, আমার ফাউন্ডেশনে প্রথমবারের মতো এক লাখ টাকা অনুদান পেয়েছি। কাশেম খান অনুদান দিয়েছেন। তার প্রতি কৃতজ্ঞ আমি। যারা আমার পাশে দাঁড়াচ্ছেন তাদের অনেক অনেক ধন্যবাদ। আমিও সবার পাশে সবাইকে নিয়ে দাঁড়াতে চাই।

    তিনি আরও বলেন, আমি দেশ ও দেশের বাইরের সবাইকে নিয়ে আমার ফাউন্ডেশনে একটি কমিটি করব। সেই কমিটি সারা দেশের ৬৪ জেলায় কমিটি করবে। সেখানে স্বচ্ছ জবাবদিহিতা থাকবে। যাতে কেউ বলতে না পারে যে, গরিব-অসহায়ের টাকা মেরে খাওয়া হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করতে চান হিরো আলম!

    উপনির্বাচনে অংশ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনার উত্তাপ ছড়িয়েছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচিত মুখ আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলম। ইতোমধ্যেই জানিয়েছেন, আগামীতেও সংসদ নির্বাচন করতে চান তিনি।

    উপনির্বাচনে হিরো আলমের অংশ নেওয়া নিয়ে বাক্য বিনিমিয় চলেছে দেশের বড় দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের মধ্যেও। এতে যোগ দিয়েছেন হিরো আলম নিজেও।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হিরো আলমের অনুসারীদের অনেকের মধ্যেই আবার প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, আগামীতে তিনি কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দেবেন কি-না।

    জবাবে হিরো আলম জানান, কোনো রাজনৈতিক দলে যোগদান নয়, ভবিষ্যতে নিজেই নতুন দল গঠনের ইচ্ছা রয়েছে তার। 

    এখন যেসব রাজনৈতিক দল আছে, সব একই রকমভাবে চলছে উল্লেখ করে তিনি বলছেন, নতুন দল করলে সেখানে পরিবর্তন আনতে চান তিনি। দিতে চান নতুন কিছু।

    জার্মানিভিত্তিক গণমাধ্যম ডয়চে ভেলের বাংলা বিভাগের ইউটিউব চ্যানেলে প্রচারিত এক টকশোতে অংশ নিয়ে শুক্রবার রাতে তিনি এসব কথা বলেন।

    রাজনীতির সংস্কৃতি ও হিরো আলম শিরোনামের টকশোতে উপস্থাপক ডয়েচে ভেলে বাংলা বিভাগের প্রধান খালেদ মুহিউদ্দীন হিরো আলমের কাছে জানতে চান, হিরো আলমের রাজনৈতিক লক্ষ্য কী? কোনো জোটে বা রাজনৈতিক দলে যোগ দেবেন কি-না? সরকার বা বিরোধী দলে যোগ দেওয়ার জন্য তার সঙ্গে কেউ কোনো যোগাযোগ করেছেন কিনা?

    জবাবে হিরো আলম বলেন, আমি সব সময় জনসেবা করা পছন্দ করি। সেই উদ্দেশ্য থেকেই রাজনীতি করা। ভোটের আগে বা পরে বড় কোনো রাজনৈতিক দল এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের যোগাযোগ করেনি। কোনো দলে যোগ দিব কি-না, এখন পর্যন্ত ঠিক করিনি।

    নিজের কোনো নতুন রাজনৈতিক দল করবেন কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে হিরো আলম বলেন, সবারই স্বপ্ন থাকে দল করার। আমারও নতুন দল করার ইচ্ছা আছে। আমি দল করলে নতুন কিছু নিয়ে আসব। কোনো হিংসা থাকবে না, বিবাদ থাকবে না, সুষ্ঠুমতো ভোট হবে। যার যাকে ভালো লাগবে, তাঁকে ভোট দিবেন। সমাজের জন্য কাজ করবেন।

    তিনি বলেন, নতুন দল করলে পরিবর্তন কিছু নিয়ে আসব। রাজনৈতিক দলগুলোর দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাতে হবে। সমাজ পাল্টাতে হবে। দলের কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। এখন যেসব রাজনৈতিক দল আছে, সব একই রকমভাবে চলছে। যারা চালাচ্ছেন, একই রকমভাবে চালাচ্ছেন। যিনি ক্ষমতায় আছেন, তার বাবাও আছে, বাবা গেলে ছেলে আছে। তারা কিন্তু দলে আসন ছাড়ছেন না। এতে দলে এবং দেশে কোনো পরিবর্তন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। দেশের পরিবর্তন করতে গেলে নতুনদের পদ ছেড়ে দিতে হবে। পরিবর্তন আনার জন্য নতুনদের সুযোগ দিতে হবে।

    আপনার মধ্যে কী এমন গুণ আছে যে মানুষ অন্যদের বাদ দিয়ে আপনাকে বেছে নেবেন, এমন প্রশ্নের উত্তরে হিরো আলম বলেন, আমি সৎ পথে চলি, মানুষের পাশে দাঁড়াই, সহযোগিতা করি। মানুষ এখন ক্যাডার চায় না, সুখে–দুঃখে মানুষের পাশে থাকবেন, এমন মানুষ চায়।

    অনুষ্ঠানের অপর আলোচক ছিলেন ব্যারিস্টার নিঝুম মজুমদার। তিনি অভিযোগ করেন, বগুড়া-৪ উপ-নির্বাচনে  বিএনপি কূটচালে হিরো আলমকে ভোট দিয়ে জেতানোর চেষ্টা করেছে। বিএনপির নির্দেশে নেতা-কর্মীরা হিরো আলমের পক্ষে কাজ করেছেন  বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

    এ প্রসঙ্গে হিরো আলম বলেন, “বিএনপির একজন নেতা-কর্মী তাকে সহযোগিতা করেছেন, এমন প্রমাণ কেউ দিতে পারলে আর কোনো দিন ভোট করব না। আওয়ামী লীগ-বিএনপি সব দলের লোকজনই আমাকে ভোট দিয়েছে।”

    প্রসঙ্গত, ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত বগুড়া-৪ ও বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী (একতারা প্রতীক) হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন হিরো আলম। এর মধ্যে বগুড়া-৪ আসনে ১৪ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জাসদের এ কে এম রেজাউল করিমের কাছে ৮৩৪ ভোটে হেরে যান তিনি। এরপর হিরো আলম অভিযোগ করেন, ভোটের ফলাফলে কারচুপি করে তাকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। বগুড়া-৬ আসনে জামানত হারান তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সেই গাড়ি অ্যাম্বুলেন্স বানিয়ে যেখানে রাখতে চান হিরো আলম

    হবিগঞ্জ থেকে উপহার পাওয়া গাড়ি অ্যাম্বুলেন্স বানিয়ে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রাখতে চান আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলম। 

    আগামীকাল শনিবার ঢাকা থেকে উপহারের গাড়িটি বগুড়ার ওয়ার্কশপে এনে অ্যাম্বুলেন্স বানানোর কাজ শুরু হবে।

    শুক্রবার হিরো আলম বলেন, উপহারের গাড়ির ফিটনেস নেই। করও বকেয়া। কাগজপত্র ঠিকঠাক করতে হবে। শনিবার গাড়িটি সরাসরি বগুড়ায় ওয়ার্কশপে নেবেন। এর পর বিআরটিএর সঙ্গে যোগাযোগ করে গাড়ির কাগজপত্র ঠিকঠাক করবেন। দ্রুত গাড়িটি অ্যাম্বুলেন্স বানানোর কাজ শুরু হবে। এরপর গাড়িটি বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে রাখা হবে।

    হিরো আলম বলেন, অনেক মুমূর্ষু রোগী টাকার অভাবে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া বহন করতে পারেন না। অসুস্থ হলে জরুরি হাসপাতালে নিতেও সমস্যা হয়। প্রসব বেদনা উঠলে অনেক গর্ভবতী নারীকে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয় না। অর্থের অভাবে অনেক সময় হাসপাতালের বারান্দায়, মর্গে লাশ পড়ে থাকে। সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের লাশ পাঠাতেও সমস্যায় পড়তে হয়। বিশেষ করে গ্রামের হতদরিদ্র মানুষ অর্থাভাবে অ্যাম্বুলেন্স সেবা থেকে বঞ্চিত হন। উপহারের গাড়িটি অ্যাম্বুলেন্স বানানোর পর গরিব রোগীদের সেবায় নিয়োজিত থাকবে।

    তিনি বলেন, অ্যাম্বুলেন্স সেবার ক্ষেত্রে বগুড়া সদর এবং কাহালু-নন্দীগ্রাম উপজেলার মানুষ অগ্রাধিকার পাবেন। তবে অন্য এলাকার দরিদ্র রোগীদেরও বিনামূল্যে অ্যাম্বুলেন্স সুবিধা দেওয়া হবে। হিরো আলম ফাউন্ডেশন থেকে অ্যাম্বুলেন্সের চালক ও তার সহকারীর বেতন-ভাতা এবং জ্বালানি সরবরাহ করা হবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সেই গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ছবি পোস্ট করে যা বললেন হিরো আলম

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলম। প্রায় সময়ই আলোচনায় থাকতে পছন্দ করেন তিনি। কিছু দিন আগেই বগুড়া-৪ ও বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচনে অংশ নিয়ে আবারও আলোচনায় আসেন তিনি।

    হিরো আলম বর্তমানে আলোচনায় রয়েছেন উপহার হিসেবে পাওয়া গাড়ি নিয়ে। গত ৭ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে গাড়িটি তুলে দেন শিক্ষক মুখলেছুর রহমান। এর পরই জানা যায়, গাড়ির মেয়াদ ১০ বছর আগে উত্তীর্ণ হয়েছে। এ জন্য বকেয়া রয়েছে চার লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৩ টাকা।

    তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় হওয়ায় সেখানে প্রায়ই নিজের সম্পর্কিত বিষয়গুলো তুলে ধরেন। শুক্রবার জুমার নামাজের পর উপহার পাওয়া গাড়ির সামনে থেকে তোলা একটি ছবি পোস্ট করেন হিরো আলম।

    তিনি ছবিটি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখেন— ‘জুমা মোবারক। হে আল্লাহ, তুমি আমাকে সাহস আর শক্তি দাও। আমি যেন সবসময় জনগণের কাজ করে যেতে পারি এবং সাহায্য করতে পারি। দোয়া ও ভালোবাসা চাই।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • সেই শিক্ষকের উপহারের গাড়ি নিয়ে বিপাকে হিরো আলম

    শিক্ষক মুখলেছুর রহমানের দেওয়া উপহারের গাড়িটি মঙ্গলবার হাতে পেয়েছেন হিরো আলম। গাড়িটি উপহার পেয়েই গরিব মানুষের জন্য অ্যাম্বুলেন্স বানানোর ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

    বেশ আয়োজন করেই গাড়ির চাবি ও কাগজপত্র তার কাছে হস্তান্তর করেন ওই শিক্ষক। কিন্তু উপহারের সেই গাড়ি নিয়ে বিপাকে পড়েছেন হিরো আলম। এমনকি গাড়ি আনতে গিয়ে পথেই মামলা খেয়ে আড়াই হাজার টাকা জরিমানা গুনতে হয়েছে তাকে।

    শিক্ষক মুখলেছুর রহমান যে গাড়িটি হিরো আলমকে উপহার দিয়েছেন, সেটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর ঢাকা মেট্রো-চ ৫১-৪১০১ ও সিসি ১৮০০।

    জানা গেছে, ২০১৩ সালের ১৮ মার্চ সর্বশেষ গাড়িটির ট্যাক্স প্রদান করা হয়। একই বছরের ১৫ জুলাই গাড়ির ফিটনেসের মেয়াদোত্তীর্ণ হয়। তাই বর্তমানে গাড়িটির ১০ বছরের বকেয়া হিসাবে সরকারি ফি দিতে হবে চার লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৩ টাকা। বিগত ১০ বছর ওই শিক্ষক গাড়িটি অবৈধভাবে ব্যবহার করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

    মুখলেছুর বলেন, বিগত পাঁচ বছর ধরে বৈধ কাগজ ছাড়াই গাড়িটি চালিয়েছি আমি। হিরো আলমও কাগজপত্র দেখে এবং সব কিছু জেনেই সেটি গ্রহণ করেছে। আর অ্যাম্বুলেন্স হিসেবে ব্যবহার করলে তো ওই গাড়ির কোনো কাগজের প্রয়োজন নেই। কারণ দেশে এভাবে হাজার হাজার গাড়ি চলছে।

    বিআরটিএ হবিগঞ্জের সহকারী পরিচালক হাবিবুর রহমান জানান, গাড়ির লাইসেন্স যদি কেউ নিয়মিত নবায়ন না করেন, তা হলে কত টাকা দিয়ে নবায়ন করতে হবে সেটির ব্যাংক হিসাব দিতে হবে। ২০১৩ সালের পর যদি গাড়িটির মেয়াদোত্তীর্ণ হয় তা হলে বিপুল পরিমাণ টাকা বকেয়া দিতে হবে তাকে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হিরো আলমকে গাড়ি উপহার দেওয়ার পর দুঃখ প্রকাশ করলেন সেই শিক্ষক

    অবশেষে সেই গাড়ি উপহার পেলেন হিরো আলম। নানা আলোচনা-সমালোচনার মাঝেই মঙ্গলবার হিরো আলমকে গাড়ি উপহার দিয়েছেন হবিগঞ্জের সেই শিক্ষক।

    ওই শিক্ষকের নাম এম মুখলিছুর রহমান। হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার নরপতি গ্রামের হাজি আবদুল জব্বার জিএল একাডেমি অ্যান্ড হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক তিনি।

    মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে হিরো আলমকে উপহার হিসেবে গাড়ি তুলে দেন শিক্ষক এম মুখলিছুর রহমান। এর পর এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, আমি প্রতিজ্ঞা করেছিলাম— নির্বাচনে হিরো আলম জয়ী হন বা না হন পর দিন তাকে আমার গাড়ি উপহার হিসেবে দিয়ে দেব। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল সমালোচনা করেছেন আমার। এতে কিছুটা কষ্ট পেয়েছি আমি।

    ওই শিক্ষক আরও বলেন, সিলেটবাসীর সম্মান ক্ষুণ্ন করতে চাইনি আমি। এ কারণে প্রতিজ্ঞা অনুযায়ী সম্মানের সঙ্গে হিরো আলমকে গাড়িটি তুলে দিতে পেরে খুশি আমি।

    এর আগে এদিন দুপুর ২টার দিকে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার নরপতি গ্রামে শিক্ষক মুখলিছুর রহমানের বাড়ি পৌঁছান হিরো আলম। সেখানে খাওয়া-দাওয়া ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাকে নিজের ব্যবহৃত ৬ লাখ টাকা মূল্যের নোহা মাইক্রোবাস গাড়ির চাবি বুঝিয়ে দেন শিক্ষক।

    প্রসঙ্গত, গত ৩১ জানুয়ারি ফেসবুক লাইভে হিরো আলমকে নিজের ব্যবহৃত নোহা মাইক্রোবাসটি উপহার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন শিক্ষক মুখলিছুর রহমান।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সেই শিক্ষকের কাছ থেকে উপহারের গাড়ি নিতে হবিগঞ্জ যাচ্ছেন হিরো আলম

    আলোচিত ইউটিউবার আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলমকে গাড়ি উপহারের ঘোষণা দিয়েছিলেন হবিগঞ্জের এক শিক্ষক। সেই গাড়ি নিতে মঙ্গলবার হবিগঞ্জ যাচ্ছেন হিরো। 

    rnrn

    জানা গেছে, উপহার হিসেবে ৬ লাখ টাকার গাড়ি পাচ্ছেন হিরো আলম। হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার নরপতি গ্রামের হাজী আবদুল জব্বার জি এল একাডেমি অ্যান্ড হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক এম মুখলিছুর রহমান তাকে গাড়ি উপহার দিচ্ছেন ।

    rnrn

    বগুড়া ৬ ও ৪ আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে একতারা প্রতীকে প্রার্থী হন হিরো আলম। নির্বাচনের আগে গত ৩১ জানুয়ারি মুখলিছুর রহমান তার ফেসবুক লাইভে এসে  হিরো আলমকে গাড়ি উপহার দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। 

    rnrn

    তিনি লাইভে বলেন, ‘হিরো আলম এক সময় জিরো ছিলেন। জিরো থেকে তিনি হিরো হয়েছেন। হিরো আলম এখন সোনার টুকরা। দুই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। বগুড়ার মানুষ জানের চাইতে তাকে বেশি ভালোবাসেন। তিনি বগুড়ার মানুষের মন জয় করে নিয়েছেন।’

    rnrn

    হিরো আলমের নির্বাচনে ফল যেটাই আসুক না কেন নিজের ব্যবহৃত নোহা মাইক্রোবাসটি উপহার দেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি। পরে আরেকটি ভিডিওতে মুখলিছুর তার বাড়িতে গিয়ে উপহারটি নেওয়ার জন্য হিরো আলমকে অনুরোধ জানান। 

    rnrn

    ভিডিওগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে । 

    rnrn

    প্রথমে হিরো আলম ওই শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। কয়েকদিন পর আবার আক্ষেপ প্রকাশ করে ফের লাইভ করেন মুখলিছুর। এরপর যোগাযোগ করেন হিরো আলম। অবশেষে সেই গাড়ি নিতে হবিগঞ্জ যাচ্ছেন তিনি।  

    rnrn

    হিরো আলমের ব্যক্তিগত সহকারী শুভ আহমেদ জানান, বেলা ১১টায় শায়েস্তাগঞ্জ নতুন ব্রিজ এলাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে হিরো আলমের। এরপর তিনি চুনারুঘাটের নরপতি গ্রামে মুখলিছুরের বাড়িতে যাবেন।  

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • মন্ত্রী হতে চান হিরো আলম

    বগুড়া-৪ ও বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনের প্রার্থী হয়েছেন আলোচিত অভিনেতা আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলম। নির্বাচনের জয়ী হয়ে এমপি এবং পরে সুযোগ পেলে মন্ত্রী হওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন তিনি। 

    rnrn

    আগামী ১ ফেব্রুয়ারি বগুড়া-৪ ও বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে জেতার স্বপ্ন দেখছেন হিরো আলম। 

    rnrn

    তিনি জানান, মানুষের ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষার তো শেষ নেই। আগে এমপি হওয়ার ইচ্ছা, পরে সুযোগ পেলে মন্ত্রী হব। এমপি হলে চলচ্চিত্র জগতেও নেতৃত্ব দিতে পারব।

    rnrn

    হিরো আলম জানান, এমপি হলে বগুড়ায় টিভি সেন্টার বানাব। বগুড়ার কাহালুর বেতার কেন্দ্রটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করব। দরিদ্র শিল্পীদের সহায়তা দেব। বগুড়ার প্রতিভাবান শিল্পীদের নানা ক্ষেত্রে সুযোগ তৈরি করে দেব। 

    rnrn

    ভোটে নেমে জনগণের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন বলে জানান হিরো আলম। ভোটাররা তাকে বিমুখ করবেন না বলেও বিশ্বাস আলোচিত এ অভিনেতার।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কেউ হামলা করলে পাল্টা জবাব দেব: হিরো আলম

    হাইকোর্টের রায়ে প্রার্থিতা ফিরে পেয়ে আলোচিত আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম এবার বগুড়া-৪ ও বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে লড়ছেন। ইদোমধ্যে তাকে নির্বাচনের জন্য প্রতীকও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ দুই আসনের উপনির্বাচনের জন্য তিনি ‘একতারা’ প্রতীক পেয়েছেন।

    rnrn

    বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম তার হাতে প্রতীক তুলে দেন। অপরদিকে রিটার্নিং কর্মকর্তা এ দুই আসনের উপনির্বাচনে ১৬ প্রার্থীর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছেন।

    rnrn

    তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় হিরো আলম বলেন, আমি সিংহ প্রতীক চেয়েছিলাম। প্রতীকটি অন্য দলের নিবন্ধিত। আমি অভিনয় জগতের মানুষ; অভিনয় ও গান নিয়ে কাজ করি। তাই একতারা প্রতীক বেছে নিয়েছি। এ প্রতীকে আমি সন্তুষ্ট।

    rnrn

    তিনি বলেন, গত নির্বাচনে বগুড়া-৪ আসনের একটি কেন্দ্রে আমার ওপর হামলা চালানো হয়েছিল। পরে ভোট বর্জন করেছিলাম। এবার এমন ঘটনা যাতে না ঘটে, সেটি নির্বাচন কমিশনকে বলব।

    rnrn

    তিনি বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনে আমার লোকজন কম ছিল। এবার আমার জনপ্রিয়তা ও কর্মী-সমর্থক বেশি। তাই কেউ হামলার চেষ্টা করলে পাল্টা হামলা করা হবে।

    rnrn

    উল্লেখ্য, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি পাঁচ আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আসনগুলো হচ্ছে— ঠাকুরগাঁও-৩, বগুড়া-৪, বগুড়া-৬, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২।

    বিনোদন ডেস্ক