Tag: সালমান

  • সালমান-ঐশ্বরিয়ার ভেঙে যাওয়া সেই প্রেমের গোপন গল্প ফাঁস

    বলিউডে অভিনয়ের সুবাদে একের পর এক অভিনেত্রীর সঙ্গে নাম জড়ায় বলিউড ভাইজান সালমান খানের। এই তালিকায় রয়েছেন সংগীতা বিজলানি, শাহিন জাফরি, ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন, সোমি আলী, ক্যাটরিনা কাইফ, ইউলিয়া ভান্তুরসহ আরও অনেকেই। তবে ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে সালমান খানের প্রেমের অধ্যায় সর্বাধিক আলোচিত। 

    বিয়ে করার পরিকল্পনাও করেছিলেন তারা। কিন্তু ভাগ্যে ছিল অন্য কিছু। ঐশ্বরিয়া সাত পাকে বাঁধা পড়েন অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে। 

    সালমান-ঐশ্বরিয়ার প্রেমের শুরুটা ঠিক কেমন ছিল? কীভাবে বিশ্বসুন্দরী সালমানের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন সোমি আলি।

    এই অভিনেত্রী বলেন, ‘হাম দিল দে চুকে সানামের শুটিং চলছিল। ঠিক সেই সময় আমি সালমানকে একাধিকবার ফোন করি। কিন্তু সালমান একবারও আমার ফোন ধরেনি।’

    কিছুটা মন খারাপের সুরেই সোমি বলেন, ‘অনেকক্ষণ চেষ্টা করার পরে আমি সঞ্জয় লীলা বানসালিকে ফোন করি। তিনি তখন আমায় বলেন এই মুহূর্তে সালমান ব্যস্ত আছে। কথা বলতে পারবে না। শুটিং চলছে। আমি তখনই পরিচালককে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যদি সালমান শুটিংয়েই থাকে, তাহলে আপনি কীভাবে আমার ফোনটা ধরতে পারলেন? তারপরে আমার কাছে সেই প্রশ্নের আর কোনো উত্তরই আসেনি।’

    ঐশ্বরিয়া প্রসঙ্গে আসতেই তিনি বলেন, তারপরে আমি বহুবার খবর পেয়েছি ঐশ্বরিয়া-সালমান একে অপরের সঙ্গে রয়েছে। এমনকী সালমানের জিমেও আসত ঐশ্বরিয়া। সেখানে বহুক্ষণ থাকতোও। একসঙ্গেই ব্যায়াম করত তারা। এভাবেই হয়তো তাদের মধ্যে প্রেম শুরু হয়েছিল।

    ২০০২ সালে বিচ্ছেদ হয় সালমান এবং ঐশ্বরিয়ার। তারপর আর কখনো একসঙ্গে কাজ করেননি তারা। এমনকি আজও বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও তাদেরকে একে অপরের সঙ্গে দেখা যায় না। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমান-আমির ও শাহরুখের মধ্যে কে সেরা, জানালেন জাভেদ

    চার বছর পর পর্দায় ফিরলেও যার ছবি তছনছ করে দিতে পারে ভারতীয় বক্স অফিসের বহু রেকর্ড। তিনি হলেন বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান। অভিনয় এবং ব্যক্তিত্ব তো বটেই, শাহরুখের স্বতন্ত্র স্টাইলেও মুগ্ধ তার লাখো ভক্ত-অনুরাগীর দল। 

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে শাহরুখ প্রসঙ্গে অভিনেতা জাভেদ জাফরি জানিয়েছেন, তার প্রজন্মের তারকাদের মধ্যে শুধু শাহরুখই সেই একমাত্র মানুষ যার স্বতন্ত্র স্টাইল রয়েছে। যা ভারতবাসীর কাছে অতিপরিচিত।   

    গত তিন দশক ধরে বলিউডের অতি পরিচিত নাম অভিনেতা, কমেডিয়ান জাভেদ জাফরি। 

    অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি একজন দুরন্ত নৃত্যশিল্পীও বটে। যত বয়স বেড়েছে জাভেদের অভিনয়ে মুগ্ধ অনুরাগীদের সংখ্যা বেড়েছে। 

    বহু ছবিতে নিজের ক্যামিও রোল দিয়ে আলাদা নজর কেড়েছেন। শাহরুখের সঙ্গে ‘ওহ ডার্লিং ইয়ে হ্যায় ইন্ডিয়া’ সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ পান জাভেদ। সেই কাজের অভিজ্ঞতাই এক সাক্ষাৎকারে তুলে ধরেন এই অভিনেতা। 

    জাভেদ জানান, প্রথমবারই শাহরুখকে দেখে ‘অত্যন্ত বুদ্ধিমান ও বিচক্ষণ’ লেগেছিল তার কাছে। 

    অভিনেতা আরও জানান, তারকা হয়ে ওঠার আগেই শাহরুখের কাছে লক্ষ্যটা পরিষ্কার ছিল, সে বলিউডে কী করতে চায়। 

    সেই ছবির শুটিং থেকেই যে বাদশাহর সঙ্গে তার বন্ধুত্ব শুরু, সে কথাও জানাতে ভোলেননি জাভেদ। 

    তিনি জানান, অভিনেতা থেকে তারকা হয়ে ওঠার জন্য কী দরকার সেই হদিস শাহরুখই তাকে দিয়েছিলেন। শাহরুখ ঠিক কী বলেছিলেন? শিল্পীর জবাব, শাহরুখ বলেছিলেন, ‘তারকা হয়ে ওঠার জন্য স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্ব ও স্টাইল থাকা ভীষণ জরুরি’।  

    জাভেদ বলেন, সত্যি কথা বলতে কী, আমাদের প্রজন্মে শাহরুখই একমাত্র তারকা যার স্বতন্ত্র স্টাইল রয়েছে। হয়তো কেউ কেউ তা নিয়ে হাসিঠাট্টা করেন, তবে তাতে কিছু যায় আসে না…। শাহরুখ নিজস্ব স্টাইলেই চলেন। 

    জাভেদের যুক্তি, ‘ধর্মেন্দ্র হোক কিংবা অমিতাভ, দিলীপ কুমার হোক অথবা দেব আনন্দ- এদের কেউ নকল করে কথা বললে অথবা হাঁটাচলা করলেই সবাই নিমেষে ধরে ফেলবেন। তাদের পরে শাহরুখই একমাত্র তারকা যার কোনো অভিব্যক্তি নকল করলে মুহূর্তেই সবাই ধরে ফেলবেন! সালমান-আমিরও বড় তারকা, কিন্তু ওই যে স্বতন্ত্র স্টাইলের অধিকারী একমাত্র শাহরুখ খান। এজন্য তিনি সবার চেয়ে আলাদা।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • লোকসানে ডুবতে বসেছিলেন সালমান, কে বাঁচালেন

    বলিউড অভিনেতা সালমান খানের একসময় একের পর এক ছবি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ছিল। সেই সময় ভাইজানখ্যাত এ অভিনেতা কোটি কোটি টাকার লোকসানে ডুবতে বসেছিলেন। কীভাবে এ ভরাডুবি থেকে উদ্ধার পেয়েছিলেন তা নিয়ে এখনো বলি ইন্ডাস্ট্রিতে আলোচনা-সমালোচনা হয় বিস্তর।

    আজ তিনি বলিউডের ভাইজান। তার ছবি দীপাবলি বা ঈদে মুক্তি পেলে ভক্তরা কাঁসর-ঘণ্টা বাজিয়ে প্রেক্ষাগৃহ ভর্তি করেন। সারা বছর ধরে বড়পর্দায় তাকে দেখার জন্য অপেক্ষা করে থাকেন ভক্তরা। কিন্তু একটা সময় ডুবতে বসেছিল সালমান খানের ক্যারিয়ার। একের পর এক ছবি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ছিল। 

    ২০০৪ থেকে ২০০৬ সালের  ঘটনা। সেই সময় একের পর এক ছবি মুক্তি পেয়েছিল— ‘গর্ব: প্রাইড অ্যান্ড অনার’, ‘মুঝসে শাদি করোগি’, ‘ফির মিলেঙ্গে’, ‘দিল নে জিসে অপনা কঁহা’, ‘লাকি: টাইম ফর লাভ’। এ অভিনেতার ছবিগুলো বক্স অফিসে মোটেই সাড়া ফেলতে পারেনি। অভিনেত্রী কারিনা কাপুরের সঙ্গে ‘কিঁউ কি’, প্রিয়ংকা চোপড়ার সঙ্গে ‘সালামে ইশক্’ ছবি দুটিও সফলতা আনতে ব্যর্থ হয়। 

    সালমানের ক্যারিয়ারে এটাই সবচেয়ে কঠিন সময় ছিল বলে মনে করা হয়। কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছিল। ভেঙে পড়েছিলেন ভাইজান। এর পরেই তার হাতে এমন একটি ছবি আসে, যা ফের তার জীবন বদলে দেয়।

    ২০০৭ সালে ‘পার্টনার’ ছবিতে অভিনয় করেছিলেন সালমান খান। এ ছবিতে ছিলেন গোবিন্দ, লারা দত্ত ও ক্যাটরিনা কাইফও। এ ছবিতে তাকে প্রেমের পরামর্শদাতার চরিত্রে দেখা গিয়েছিল। ছবিটি বক্স অফিসে সাড়া ফেলে। এমনকি সেই সময় সমালোচক মহলেও প্রশংসিত হয়েছিল। 

    ২৮ কোটি টাকা দিয়ে তৈরি হয়েছিল ‘পার্টনার’। কিন্তু বক্স অফিসে সেই সময় এ ছবি ১০০.৯১ কোটি টাকার ব্যবসা করেছিল। বলা হয়, সালমানের কর্মজীবনে সঞ্জীবনীর মতো কাজ করেছিল এ ছবিটি। শুধু ছবিই নয়; ছবির গানও সাড়া ফেলেছিল।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঐশ্বরিয়া-ক্যাটরিনা নয়, পর্দায় যাকে চুমু খেয়েছেন সালমান

    ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’ ছবিতে খোদ ক্যাটরিনা কাইফকে পর্দায় চুমু খেতে রাজি হননি বলিউড অভিনেতা সালমান খান। বহু চেষ্টা করেছিলেন পরিচালক আলি আব্বাস জাফর, কিন্তু কোনোভাবেই সফল হতে পারেননি তিনি। সেই সময় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সবাই ভেবেছিলেন— হয়তো ক্যাটরিনার জন্য সালমান খান ‘নো কিসিং পলিসি’ ভেঙে দেবেন। এমনটি ভেবেছিলেন খোদ পরিচালক আলি আব্বাস জাফরও। কিন্তু নিজের সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন ভাইজান। শেষ পর্যন্ত ছবি থেকে দৃশ্যটাই বাদ দিয়ে দেন পরিচালক।

    অথচ সালমান খানের অনস্ক্রিন ‘নো কিসিং পলিসি’ কারও অজানা নয়। পর্দার বাইরে একাধিক নায়িকার সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। বলিউড ভাইজানখ্যাত সালমান খানের প্রেমকাহিনি সবসময়ে সংবাদের শিরোনাম হয়ে এসেছে। যার তালিকার ভাণ্ডার অনেক বড়— ক্যাটরিনা কাইফ, ঐশ্বরিয়া রাই, জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ, সংগীতা বিজলানি, সোমি আলিসহ আরও অনেকেই। 

    কিন্তু ভাইজান এক বিষয়ে ভীষণ ত্যাড়া। তিনি পর্দায় কোনো অভিনেত্রীকে চুমু দেননি এবং দিতেও নারাজ। তবে একজনকে সালমান চুমু দিয়েছিলেন। কে সেই নায়িকা, যার ক্ষেত্রে নিজের নিয়ম ভেঙেছিলেন এ অভিনেতা?

    এমন একজন নায়িকা আছেন, যাকে চুমু খেয়েছিলেন সালমান খান, তাও আবার পর্দায়। বলিউড ভাইজান পর্দায় একমাত্র চুমু খেয়েছেন কারিশমা কাপুরকে। ১৯৯৬ সালের ছবি ‘জিৎ’-এ কারিশমাকে চুমু খান তিনি। শুধু এই অভিনেত্রীকে চুমু খেয়েছিলেন ভাইজান? যদিও নেটিজেনদের একটি অংশের বক্তব্য— সালমান আদতে কারিশমার ঠোঁটে চুমু খাননি। তিনি অভিনেত্রীর গালের পাশে চুমু দিয়েছিলেন। পর্দায় কোনো নায়িকার ঠোঁট স্পর্শ করেননি ভাইজান।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমানের সঙ্গে মধুচন্দ্রিমার গুঞ্জন, যা বলেছিলেন ঐশ্বরিয়া

    গোপনে বলিউড অভিনেতা সালমান খানের সঙ্গে বিয়ে সেরেছিলেন সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বর্যা রাই বচ্চন। একসময়ে এ দুই তারকার সম্পর্ক ছিল বলিউডে আলোচনার কেন্দ্রে। ১৯৯৯ সালে ‘হম দিল দে চুকে সনম’ ছবির শুটিং থেকে প্রেম শুরু হয়েছিল তাদের। এর পরেই খবর রটে যায়— তারকা যুগল নাকি গোপনে বিয়ে করেছেন। এমনকি ঐশ্বরিয়ার ধর্মান্তরের কথাও রটে যায় বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে। 

    সেই সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রে ছিল সালমান খানের সঙ্গে ঐশ্বরিয়ার বিয়ে। গুঞ্জন ছড়ায়— লোনাভালার একটি বিলাসবহুল বাংলোয় বসে সালমান ও ঐশ্বরিয়ার বিয়ের আসর। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধব। তবে এ সম্পর্কে মোটেই সম্মতি ছিল না সাবেক বিশ্বসুন্দরীর বাবা-মায়ের। তাই নাকি তারা এ বিয়েতে অনুপস্থিত ছিলেন।

    এ বিয়েতেই শেষ নয়; সালমান ও ঐশ্বরিয়া নিউইয়র্কে মধুচন্দ্রিমা করতে গিয়েছিলেন বলেও খবর রটেছিল। তবে এ ঘটনাগুলোর সত্যতা কখনই প্রকাশ্যে আসেনি। গুঞ্জন হিসেবেই থেকে গেছে তাদের বিয়ের খবর।

    এর আগে এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে ঐশ্বরিয়াকে প্রশ্ন করা হলে, তিনি সবটাই মিথ্যে বলে দাবি করেছিলেন। ঐশ্বরিয়া বলেছিলেন— তিনি বিয়ে করলে গোটা ইন্ডাস্ট্রি জানতে পারবে। বিয়েটা হলে গোটা ইন্ডাস্ট্রির কাছে কি খবর থাকত না? খুব ছোট আমাদের এই ইন্ডাস্ট্রি। আমি এমন মানুষই নই যে বিয়ের মতো বড় ব্যাপারকে অস্বীকার করব। তিনি বলেন, বিয়ে হলে গোটা দুনিয়াকে গর্বের সঙ্গে আমার বরের সঙ্গে পরিচয় করাতাম। তা ছাড়া বিয়ে করার সময় কোথায়? এ গুজবগুলো সত্যিই হাস্যকর।

    উল্লেখ্য, ২০০২ সালে সম্পর্কে ইতি টেনেছিলেন ঐশ্বরিয়া ও সালমান। তবে সেই বিচ্ছেদ নিয়েও চর্চা হয়েছিল বিস্তর। বিচ্ছেদের পর দুজনের মধ্যে প্রায় মুখ দেখাদেখি বন্ধ হয়। এর পরে আর কখনো একসঙ্গে কাজ করেননি ঐশ্বরিয়া ও সালমান।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমানের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙার নেপথ্যে ঐশ্বরিয়া, বললেন সোমি

    বলিউডে এখনও চর্চা রয়েছে ইন্ডাস্ট্রির দুই তারকা সালমান খান ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের অপূর্ণ প্রেম। ‘হাম দিল দে চুকে সানাম’ ছবি থেকে নাকি মনের অনুভূতি আদান-প্রদান হয় তাদের। কিন্তু সে সময় আবার সোমি আলিয়ার সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন সালমান।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মুখ খুলেছেন সালমানের প্রাক্তন প্রেমিকা সোমি আলিয়া। সালমানের বাড়ি অর্থাৎ, গ্যালাক্সি-র শরীরচর্চা কেন্দ্রে (জিম) নাকি প্রবেশ করতেন ঐশ্বরিয়া; আর তা দেখেছিলেনও সোমি। সে সময় সোমি ধরে নিয়েছিলেন, সালমানের সঙ্গে তার নিজের চলমান সম্পর্ক শেষ হতে চলেছে।

    ‘হাম দিল দে চুকে সানাম’ ছবির শ্যুটিংয়ের সময় থেকেই সোমির সঙ্গে সালমানের দূরত্ব তৈরি হতে থাকে। সোমি বলেন, শ্যুটিংয়ের সময় আমি সালমানকে একবার ফোন করেছিলাম। কিন্তু ও ফোন ধরেনি। তারপরেই আমি ছবির পরিচালক সঞ্জয়লীলা ভানসালিকে ফোন করি। তিনি ফোন ধরে বলেন, সালমান শ্যুটিংয়ের মধ্যে আছে। আমি ভাবলাম, সালমান শ্যুটিং করছেন, তো ভানসালী কিভাবে ফোন ধরছেন? তারও তো পরিচালনার কাজে ব্যস্ত থাকার কথা।

    গ্যালাক্সি-র একতলায় সালমান ও সোমি সেই সময়ে একসঙ্গে থাকতেন। সেখানেই ছিল তাদের জিম। 

    সোমি বলেন, ঐশ্বরিয়া সালমানের শরীরচর্চা কেন্দ্রে আসতে শুরু করে। সালমান আর আমি ওই একই জায়গায় থাকতাম।

    তা হলে কি সেই জিম থেকেই প্রেমে পড়েছিলেন ভাইজান ও ঐশ্বরিয়া? উত্তরে সোমি বলেন, ‘সালমান ও ঐশ্বরিয়া ‘সাম দিল দে চুকে সানাম’ ছবির সময়েই প্রেমে পড়েছিলেন। আমি বাড়ির পরিচারকদের থেকে এই সম্পর্কের খবর পেতাম। আমি জানতাম, ওদের এই সম্পর্ক অনেক দূর আগাবে। বুঝতে পেরেছিলাম, সম্পর্কটা থেকে আমার সরে যাওয়ার সময় এসেছে।’

    এর পরে সালমান ও ঐশ্বরিয়ার সম্পর্ক প্রায়ই আলোচনায় উঠে আসত। কিন্তু সেই সম্পর্কও ভেঙে যায় ২০০২ সালে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাহরুখ-সালমানকে ছাড়িয়ে রেকর্ড পারিশ্রমিক বিজয়ের

    গত এক দশকে ভারতের দক্ষিণাঞ্চলের সিনেমাগুলো বেশ পোক্ত অবস্থান করে নিয়েছে। তামিল, তেলেগু ও মালায়লাম ভাষার সেসব সিনেমার গল্প আর নির্মাণশৈলি বাজিমাত করছে একের পর এক। এমন নয় যে, অতীতে এসব ইন্ডাস্ট্রি সফল ছিল না। তবে আগে এখানকার সিনেমার জনপ্রিয়তা ও বাজার ছিল দক্ষিণ ভারতেই। এখন সেটা পুরো ভারত, দক্ষিণ এশিয়া এমনকি অন্যান্য দেশেও উল্লেখযোগ্য পরিচিতি লাভ করেছে।

    সাউথ ইন্ডিয়ান সিনেমার এই উত্থান যাদের হাত ধরে হয়েছে, যেসব তারকা নিজেদের ছড়িয়ে দিয়েছেন আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে, তাদের মধ্যে একজন বিজয়। সিনে দুনিয়ায় তাকে বলা হয় থালাপতি বিজয়। ‘থালাপতি’ অর্থ নেতা। অর্থাৎ বিজয়কে এ প্রজন্মের পথপ্রদর্শক বললেও ভুল হবে না। তিনি তামিল সিনেমার সর্বোচ্চ সম্মানী পাওয়া অভিনেতা হিসেবেও পরিচিত।

    বিজয়ের আসল নাম জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর। ১৯৭৪ সালের ২২ জুন তিনি তামিলনাডুর মাদরাসে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা এস. এ. চন্দ্রশেখর তামিল সিনেমার একজন সফল নির্মাতা ও প্রযোজক। বিজয়ের মা শোবা একজন কণ্ঠশিল্পী।

    ভারতীয় সিনেমার ব্র্যান্ডখ্যাত শাহরুখ সালমানকেও পারিশ্রমিকের দিক থেকে ছাড়িয়ে গেলেন বিজয়।

    ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, বিজয়ের আগামী ও ক্যারিয়ারের শেষ চলচ্চিত্র ‘থালাপতি ৬৯’-এর জন্য ২৭৫ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নিয়েছেন তিনি! যা রীতিমতো নজির গড়েছে ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে।

    দক্ষিণী তারকাদের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে রাজত্ব করছেন থালাপতি বিজয়। ভারতজুড়েও তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা।

    বিশেষ করে এই অভিনেতার সবশেষ সিনেমাগুলো চোখের পলকেই ১০০ কোটির বক্স অফিস কালেকশন পার করেছে। ‘মার্শাল’, ‘থুপাক্কি’, ‘মাস্টার’ এবং ‘লিও’র মতো সুপারহিট সিনেমাতে বিজয়কে দেখেছেন দর্শক। ৪৯ বছরের এই অভিনেতার নাচেও মাতোয়ারা অনুরাগীরা।

    এদিকে, সিনেমা থেকে দীর্ঘ বিরতি দিয়ে রাজনীতিতে প্রবেশ করতে চলেছেন বিজয়।

    চলতি বছর লোকসভা নির্বাচনের শুরুর দিকে বিজয় ঘোষণা দিয়েছেন তার রাজনৈতিক দলের নাম। অভিনেতা দলের নাম রেখেছেন ‘তামিলাগা ভেটরি কাজাগম’। অভিনেতার লক্ষ্য ২০২৬-এর তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচন। থালাপতির ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, আগামী দিনে অনুরাগীদের কথা মাথায় রেখে তামিলনাড়ুর বাইরে কেরালা ও কর্নাটকেও সংগঠন গড়তে সক্রিয় বিজয়। ফলে রাজনীতিতে ব্যস্ততা বাড়বে তার।

    আর রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ায় সিনেমা থেকে নিজেকে সরিয়ে নেবেন। সে কারণেই তার শেষ সিনেমা নিয়ে ভক্তদের উত্তেজনার পারদও তুঙ্গে। সবকিছু বিবেচনায় ক্যারিয়ারের শেষ সিনেমায় বিশাল অঙ্কের পারিশ্রমিক নিয়েছেন এই তারকা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমান অক্ষয় রণবীরের অফার যে কারণে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন কঙ্গনা

    বজরঙ্গি ভাইজান, সিং ইজ ব্লিং, সুলতান, সঞ্জুর মতো সুপার হিট সিনেমায় কাজ করার প্রস্তাব পেয়েছিলেন কঙ্গনা রানাউত, যা বিভিন্ন সময় এসেছে গণমাধ্যমগুলোতে। তবে কোনোটিতেই কাজ করতে রাজি হননি কঙ্গনা। 

    rnrn

    সালমান খান, অক্ষয় কুমার ও রণবীব কাপুরের বিপরীতে অভিনয় করতে হবে বলেই রাজি হননি কঙ্গনা— এমন কথাও প্রচলিত আছে গণমাধ্যমে। তবে বিষয়টি যে সত্যি নয়, এই নায়কদের সঙ্গে তার যে কোনো বিরোধ নেই; তা সম্প্রতি ইউটিউব চ্যানেলে সিদ্ধার্থ কান্নানকে এক সাক্ষাৎকারে পরিষ্কার করে জানিয়েছেন কঙ্গনা।

    rnrn

    এ প্রসঙ্গে কঙ্গনা বলেন, ‘মানুষ আমার প্রতি খুব সদয়। কারণ আমি মনে করি তারা আমাকে চিনতে পেরেছে যে, কঙ্গনা তার সামান্য লাভের জন্য কথা বলছে না। উদাহরণস্বরূপ বলতে পারি, যখন সালমান আমাকে বজরঙ্গি ভাইজানে কাজ করতে বলেছিলেন। আমি ওকে বলি— আপনি আমাকে কী ধরনের চরিত্রের জন্য অফার করছেন? তারপর তিনি আমাকে ‘সুলতান’-এর জন্যও ডেকেছিলেন, তখন বলেছিলেন— ‘আর কী ভালো রোল চান।’ এমনকি রণবীর নিজে আমার বাড়ি এসে আমাকে বলেন, ‘সঞ্জু’তে একটা রোল কর। কিন্তু আমি করিনি…'

    rnrn

    অক্ষয়ের সঙ্গে কাজ প্রসঙ্গে কঙ্গনা বলেন, ‘অক্ষয় কুমার, যখন সিং ইজ ব্লিং করেছিলেন, তখন তিনি আমাকে ডেকেছিলেন। বলেছিলেন, তুমি শুধু আমার সঙ্গে কাজ করতে চাও না। আমার সঙ্গে কাজ করার কোনো সমস্যা রয়েছে? তখন আমি ওকে বলি— স্যার, সত্যি আমার কোনো সমস্যা নেই আপনার সঙ্গে কাজ করতে। তখন তিনি জানতে চান, আমার সঙ্গে এতগুলো ছবির অফার তবে কেন তুমি প্রত্যাখ্যান করলে? আমি বলি— স্যার, সত্যি বলতে কোনো সমস্যা নেই। এখনো যখন আমার সঙ্গে ওর দেখা হয়, তিনি আমার সঙ্গে কথা বলেন। এর থেকেই বোঝা যায় তার মনে আমার জন্য কোনো ক্ষোভ নেই। দেখা হলেই তিনি আমার সঙ্গে প্রচুর কথা বলতে থাকেন।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমানকে নিয়ে নিজের কোন কীর্তি ফাঁস করলেন জারিন খান

    কলেজজীবনে বেশ কয়েকবার বলিউড অভিনেতা সালমান খানের পিছু নিয়েছিলেন অভিনেত্রী জারিন খান। ভাইজানখ্যাত সালমান যখন মোটরবাইকে চেপে বের হতেন, সেই সময় তাকে নাকি ধাওয়াও করতেন বলে জানান জারিন খান। অবশ্য তাতে কোনো লাভ হয়নি। তবে শেষ পর্যন্ত সেই তারকার বিপরীতেই মেলে সিনেমা করার সুযোগ। 

    সম্প্রতি আনন্দবাজারের এক সাক্ষাৎকারে এমন কথাই জানান জারিন খান। কিন্তু যখন ‘হেট স্টোরি ৩’-এ অভিনয়ের প্রস্তাব এসেছিল, তখন ভয় পেয়েছিলেন বলেও জানান তিনি। ছবিটা যে তিনি করছেন, সে কথা সালমানকে বলতেও ভয় পান এ বলিউড অভিনেত্রী। 

    ‘হেট স্টোরি ৩’ ছবিতে একাধিক সাহসী দৃশ্যে দেখা যায় জারিন খানকে। এমনকি অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় করার কথা সালমানের থেকে অনেক দিন লুকিয়ে রেখেছিলেন তিনি। 

    জারিন খান বলেন, অনেক দিন ধরে সালমান জানতেনই না যে, আমি ‘হেট স্টোরি ৩’ করছি। আমি খুব ভয়ে ছিলাম। ওর সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করার সাহস ছিল না। কারণ ওর ভাবনাচিন্তা জানি। তিনি বলেন, জানতাম, এ কথা ওকে বলা ঠিক হবে না। সালমানকে খুব ভয় পাই। সালমান যখন আমার সামনে থাকে, আমি পুরো অন্য মানুষ হয়ে যাই। কথা হারিয়ে ফেলি।

    উল্লেখ্য, ২০১০ সালে ‘বীর’ ছবিতে সালমানের হাত ধরে বলিউডে পা রেখেছিলেন জারিন খান। ২০১১ সালে ‘রেডি’ ছবিতে একটি গানে দেখা যায় তাকে। সালমানের ছবিতে যেসব নায়িকার অভিনয়ে প্রথম হাতেখড়ি হয়, তারা সাহসী দৃশ্যে অভিনয় করতে খুব একটা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। কিন্তু এই প্রথ ভেঙে দিয়েছেন খোদ জারিন খান। ‘হেট স্টোরি ৩’ ছবিতে জারিনের সাহসিকতার পরিচয় পাওয়া গেছে। তবে সালমানকে বড্ড ভয় পান বলেও জানান তিনি। 

    সূত্র: আনন্দবাজার

    বিনোদন ডেস্ক

  • জবানবন্দিতে যেসব তথ্য দিয়েছেন সালমান খান

    সালমানের বাড়ির বাইরে গুলি চালানোর ঘটনায় মাসখানেক আগে কেঁপে উঠেছিল মুম্বাই শহর। গত ১৪ এপ্রিল ভোরে সালমান খানের বান্দ্রার গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। মুম্বাই পুলিশ ইতোমধ্যে এ ঘটনার চার্জশিট পেশ করেছে। ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে। এর মধ্যে পুলিশ হেফাজতে আত্মহত্যা করেন অনুজকুমার। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সালমান খান পুলিশকে জবানবন্দি দিয়েছেন।

    মুম্বাই পুলিশের পেশ করা চার্জশিটে সালমান খান যে জবানবন্দি দিয়েছেন, সেখানে তিনি বলেন, ১৪ এপ্রিল ভোরে গুলির শব্দেই ঘুম ভাঙে তার। চমকে উঠেছিলেন তিনি। পরিবারের সদস্যদের জীবন বিপন্ন এ ভাবনায় হতচকিত হন।

    সালমান বলেন, ভোর ৪টা ৫৫ মিনিট নাগাদ আমার দেহরক্ষী তাকে জানান— একটি মোটরবাইকে করে আসা দুজন ব্যক্তি দোতলার ব্যালকনিতে গুলি চালিয়েছে। 

    অভিনেতা আরও বলেন, এর আগেও তার ও পরিবারের ক্ষতি করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তার দেহরক্ষী বান্দ্রা থানায় গুলি চালানোর বিষয়ে অভিযোগ করেন। পরে তিনি জানতে পারেন— গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই ও তার ভাই আনমোল বিষ্ণোই ফেসবুক পোস্টে হামলার দায় স্বীকার করেন।

    এর আগেও সালমানকে হত্যার হুমকি দিয়েছিল বিষ্ণোই গ্যাং। এ অভিনেতা তার জবানবন্দিতে বলেন— আমি বিশ্বাস করি যে লরেন্স বিষ্ণোই তার দলের সদস্যদের সহায়তায় গুলি চালিয়েছিল, যখন আমার পরিবারের সদস্যরা সবাই ঘুমিয়েছিল। তারা আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের হত্যার পরিকল্পনা করছিল। 

    তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আরও বেশ কয়েকটি হুমকি পেয়েছেন তিনি।

    এ মাসের শুরুতে পুলিশ মহারাষ্ট্র কন্ট্রোল অফ অর্গানাইজড ক্রাইম অ্যাক্ট মামলার বিশেষ আদালতে গুলি চালানোর মামলায় ১৭৩৫ পৃষ্ঠার চার্জশিট দাখিল করেছিল। আদালত সম্প্রতি চার্জশিট গ্রহণ করে বলেছেন— গ্রেফতার হওয়া ছয় আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার মতো যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে।

    আটক আসামিরা হলেন— ভিকিকুমার গুপ্তা, সাগরকুমার পাল, সনুকুমার বিষ্ণোই, অনুজকুমার থাপন (বর্তমানে প্রয়াত), মোহাম্মদ রফিক চৌধুরী ও হরপাল সিং। গ্রেফতারের পর পুলিশ হেফাজতে আত্মহত্যা করেন অনুজকুমার। বাকি পাঁচজন বর্তমানে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন।

    এর আগে ২০২২ সালে সালমানের বিল্ডিংয়ের উল্টোদিকের একটি বেঞ্চে একটি হুমকি চিঠি পাওয়া যায়। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের কাছ থেকে একটি হুমকি ইমেল পেয়েছিলেন সালমান খান। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে দুই অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে পানভেলের কাছে তার ফার্ম হাউসে প্রবেশের চেষ্টা করেছিল। 

    সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

    বিনোদন ডেস্ক