Tag: শিল্পী

  • আব্বাসীকে নিয়ে শেষ স্মৃতি সামনে আনলেন ফেরদৌসী রহমান

    বরেণ্য সংগীতজ্ঞ, শিল্পী, সুরকার, সংগ্রাহক, গবেষক ও লেখক মুস্তাফা জামান আব্বাসী বেশ কিছু দিন কথাবার্তা বলতে পারতেন না। বাসায় কেউ গেলে তাকিয়ে থাকতেন। গত বৃহস্পতিবার তাকে তার গুলশানের বাসায় দেখতে গিয়েছিলেন ছোট বোন জীবন্ত কিংবদন্তি বরেণ্য সংগীতশিল্পী ফেরদৌসী রহমান। এদিন তিনি ভাইয়ের পাশে অনেকক্ষণ বসেছিলেন। মাথায় হাত বুলিয়েছেন। হাত ধরেছেন। কিন্তু তাদের দুজনের মধ্যে কোনো ধরনের কথাবার্তা হয়নি। বৃহস্পতিবারের দেখাটাই দুই ভাইবোনের জীবিত অবস্থায় শেষ দেখা হয়ে রইল।

    পল্লিগীতির সম্রাট অগ্রপথিক আব্বাসউদ্দীন আহমদ ও লুৎফুন্নেসা আব্বাসের তিন সন্তান। দুই ছেলে ও এক মেয়ে। বড় ছেলে সাবেক প্রধান বিচারপতি মোস্তফা কামাল ১০ বছর আগে মারা গেছেন। গতকাল শনিবার (১০ মে) চলে গেলেন আরেক ভাই দেশবরেণ্য সংগীতশিল্পী মুস্তাফা জামান আব্বাসী। বেঁচে রইলেন একমাত্র ছোট বোন ফেরদৌসী রহমান। 

    বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী মুস্তাফা জামান আব্বাসী উপমহাদেশের খ্যাতনামা সংগীত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তার বাবা আব্বাসউদ্দীন ছিলেন পল্লিগীতির অগ্রপথিক। এ দেশের পল্লিগীতিকে তিনিই প্রথম বিশ্বের সব দেশে জনপ্রিয় করে তুলেছেন। চাচা আবদুল করিম ছিলেন পল্লিগীতি ও ভাওয়াইয়া-ভাটিয়ালির জনপ্রিয় শিল্পী। বড় ভাই মোস্তফা কামাল ছিলেন দেশের প্রধান বিচারপতি। বোন ফেরদৌসী রহমান ও ভাতিজি নাশিদ কামালও সংগীতাঙ্গনে সুপ্রতিষ্ঠিত। তার স্ত্রী আসমা আব্বাসী একজন প্রথিতযশা শিক্ষক ও লেখিকা ছিলেন। তিনি গত বছর মারা গেছেন।

    এদিকে কয়েক বছর ধরে দুই ভাইবোন নানা ধরনের শারীরিক জটিলতায় দিন পার করছিলেন। এর মধ্যে গতকাল ভোরে মারা যান মুস্তাফা জামান আব্বাসী। বড় ভাইয়ের মৃত্যুর খবর শুনে শোকাহত ফেরদৌসী রহমান। একটি গণমাধ্যমে সেদিনের স্মৃতি তুলে ধরে ফেরদৌসী রহমান বলেন, সেদিন ভাইয়ের পাশে অনেকক্ষণ বসেছিলাম। মনটা খুব খারাপ করে বসেছিলাম। কোনো কথা বলছিল না। তারপর আমি বললাম, বউ (আব্বাসীর স্ত্রী) চলে গেল। রেজাও (স্বামী রেজাউর রহমান) চলে গেল আমাকে না বলে। তোর কী ইচ্ছা, আমাকে বল?

    ফেরদৌসী রহমান বলেন, চল আমরা একটা কাজ করতে পারি—তুই আর আমি হাত ধরাধরি করে বলরামপুর, কোচবিহার চলে যাই, টুক করে। দার্জিলিংয়ে চলে যাই। আমরা কাউকে কিছু বলব না। আমাদের কেউ খুঁজেও পাবে না। এ কথা শোনার পর নড়লচড়ল। মনে হচ্ছিল, কথাটা ওকে স্পর্শ করেছে। এরপর হাত দুটি ওপরের দিকে তুলল। আমার দিকে তাকিয়ে রইল। আমার মুখটা ধরার চেষ্টা করল। পরে আমি ওর একটা হাত ধরলাম। এটাই ছিল ওর সঙ্গে শেষ কথা। বৃহস্পতিবার জীবিত ভাইয়ের সঙ্গে শেষ দেখা বলেই কাঁদতে লাগলেন ফেরদৌসী রহমান।

    এর আগে ভাইয়ের মৃত্যুসংবাদে শোকাহত সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টে ফেরদৌসী রহমান লিখেছেন—খুবই দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আমার ভাই মুস্তাফা জামান আব্বাসী, যাকে আপনারা একজন মহান শিল্পী, গায়ক এবং লেখক হিসেবে জানেন, তিনি আজ সকালে আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। তিনি তাঁর দুই কন্যা সামিরা ও শারমিনী এবং আত্মীয়স্বজন ও ভক্তদের একটি বড় দল রেখে গেছেন, যারা তার মৃত্যুতে শোকাহত। অনুগ্রহ করে তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করবেন।

    ঢাকার আজিমপুরে মা–বাবার কবরে দাফন করা হয়েছে দেশের বরেণ্য সংগীতশিল্পী মুস্তাফা জামান আব্বাসীকে। বাবা আব্বাসউদ্দীন আহমদ ও মা লুৎফুন্নেসা আব্বাসের কবরেই চিরনিদ্রায় শায়িত। এর আগে বাদ জোহর গুলশান আজাদ মসজিদে মুস্তাফা জামান আব্বাসীর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা উপস্থিত ছিলেন। 

    উল্লেখ্য, বনানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মারা যান মুস্তাফা জামান আব্বাসী। তার ছোট মেয়ে শারমিনী আব্বাসী জানান, তার বাবার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। তিনি দুই মেয়ে এবং বহু ভক্ত–অনুরাগী রেখে গেছেন। মেয়ে শারমিনী আব্বাসী জানান, বেশ কিছু দিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন মুস্তাফা জামান আব্বাসী। সর্বশেষ গত শুক্রবার শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। গতকাল শনিবার (১০ মে) ভোর ৫টা ৫০ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শিল্পীদের নির্লজ্জভাবে কোনো পক্ষাবলম্বন উচিত নয়: ওমর সানী

    একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা ওমর সানী বিনোদন জগতের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি থেকে এখন অনেকটাই দূরে সরে গেছেন। তিনি এখন পুরোদস্তুর হোটেল ব্যবসায়ী। ভোজনরসিক হিসাবে নিজেকে পরিচিত করে তুলেছেন। তবে সামাজিক মাধ্যমে বরাবরই তার সরব উপস্থিতি, ভক্ত-অনুরাগীদের নানা তথ্য জানান দেন অভিনেতা। 

    এবার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানালেন ওমর সানী। সম্প্রতি এক গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে চলচ্চিত্রাঙ্গনে শিল্পীদের রাজনীতিতে পদার্পণ এবং বর্তমান তরুণ প্রজন্মের আচরণ নিয়ে নিজের খোলামেলা মতামত ব্যক্ত করেন অভিনেতা। ওমর সানী বলেন, শিল্পীদের রাজনীতিতে আসাটা স্বাভাবিক হলেও এ ক্ষেত্রে সংযম ও বিচক্ষণতার পরিচয় দেওয়া অপরিহার্য। 

    পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মকে গুরুজন ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তরুণদের উদ্দেশে ওমর সানী বলেন, তরুণ প্রজন্ম তো যেটা এখন এ মুহূর্তে আছে, তারাও আমাদের জায়গায় আসবে। আমার মনে হয় যে, বড়দের প্রতি, আইনের নিজের প্রতি সম্মানবোধ থাকা উচিত। তাদেরও বোঝা উচিত যে— একদিন আমাকেও তরুণ প্রজন্ম বলবে না। একদিন আমার সন্তানও তরুণ প্রজন্ম হবে। সো এটাই ভাবা উচিত।

    অভিনেতা বলেন, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া উচিত। আর শিল্পীরা রাজনীতি করবে। দেখুন আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশে তো সব শিল্পীই রাজনীতি করে। তাদের তো কোনো অসুবিধা হয় না। যে শিল্পী বেশি বাড়াবাড়ি করেছে, এই বাড়াবাড়িটা কোনো জায়গায় করা উচিত না। 

    তিনি আরও বলেন, যারা বেশি বাড়াবাড়ি করেছে, তারা শিক্ষা তো পাচ্ছে। কিন্তু কোনো কিছুতেই বাড়াবাড়ি করাটা উচিত না। আমার মনে হয় আমি যে রকম এখনো বলি যে, আমি মুক্ত আকাশে কথা বলতে পারছি। যেটা আগে ১৬ বছরে ছিল না।

    ওমর সানী বলেন, শিল্পীদের নির্লজ্জভাবে কোনো পক্ষাবলম্বন না করে নিজের শিল্পীসত্তাকে গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া উচিত। তিনি বলেন, আমাদের শিল্পীদের মধ্যে এতটা নির্লজ্জ হওয়া উচিত না। আমাদের ওই নির্লজ্জের জায়গা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আমরা যে শিল্পী, সেটিই ভাবা উচিত বলে আমি মনে করি। 

    এ অভিনেতা বলেন, আমার মনে হয় যে, দেখেশুনে ও বুঝে তারপর কথা বলা উচিত। খুবই ব্যালেন্স ওয়েতে যদি আমরা শিল্পীরা থাকি। কারণ শিল্পীরা যে অভিনয় করে, তাদের ভালোবাসার মানুষ হিসেবে গ্রহণ করার জন্য আওয়ামী লীগ থেকে আছে, বিএনপির থেকে, জামায়াত, জাতীয় পার্টির থেকে আছে— সব জায়গা থেকেই তো শিল্পীদের ভালোবাসে। তার জন্য শিল্পীদের নির্লজ্জ হওয়া উচিত না।

    ওমর সানী কিছুটা আক্ষেপ প্রকাশ করলেও তা নিজের মধ্যেই রাখতে চান। তিনি বলেন, কিছু জিনিস যদি সবটাই বিলিয়ে দিই, তাহলে তো হবে না। আক্ষেপটা আমার ভেতরেই থাক। হাসিটা এবং ভালো কথাগুলো তোমাদের মাঝে বিলিয়ে দিই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বাড়াতে যা করেন ববি

    ঢাকাই চিত্রনায়িকা ইয়ামিন হক ববি একযুগেরও বেশি সময় ধরে সিনেমায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। বিভিন্ন ধরনের অ্যাকশন ছবি থেকে শুরু করে রোম্যান্টিক ছবিতেও কাজ করেছেন তিনি।

    দর্শকদের কাছে ববির পরিচয় কখনো লেডি অ্যাকশন স্টার, আবার কখনো বিজলি। কিন্তু ববির ক্যারিয়ারে এমন অবস্থানে আসার পেছনের গল্প খুব একটা সুখকর ছিল না। যেমন, ইন্ডাস্ট্রিতে ছিল নানান প্রতিকূলতা, আবার ছিল না কোনো পারিবারিক সহায়তাও। সব মিলিয়ে নিজের চেষ্টায়, নিজের মাটি শক্ত করেছেন এই নায়িকা।

    সম্প্রতি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারিয়ার নিয়ে কথা বলেছেন ববি।

    ‘খোঁজ দ্য সার্চ’ সিনেমার নায়িকা ববি বলেন, ‘একজন শিল্পী সবসময়ই শিল্পী। তবে এই শিল্পীসত্তার বাইরে তাকে বহু মাধ্যমে কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। একটা মানুষের অনেকগুলো কোয়ালিটি থাকতে পারে। যদি কেউ ব্যবসা করে কিংবা অন্য কোনো পেশার সঙ্গে জড়িত হয় তাতে সমস্যার কিছু নেই। এতে একজন শিল্পীর অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বাড়ে। তবে ফোকাসটা অভিনয়ের ওপরই হওয়া উচিত। আমি নিজেও ব্যবসা করি। কিন্তু আমার মূল ফোকস অভিনয়। ফলে অভিনয়ে কাজ না থাকলেও সমস্যা হওয়ার কথা না।’

    গেল বছর ‘ময়ূরাক্ষী’ সিনেমা মুক্তির পর নির্মাতার সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে যান ববি। বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা কম হয়নি। এমন ঘটনা যে শুধু তার ক্ষেত্রেই ঘটেছে বা ঘটছে তা নয়। পারিশ্রমিকসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নির্মাতা-শিল্পীর মধ্যে বিবাদ হর-হামেশাই চোখে পড়ে।

    ববি হক বলেন, ‘খারাপ অভিজ্ঞতা আমি বেশি মনে রাখি না। ভালো অভিজ্ঞতাগুলো সবার সঙ্গে শেয়ার করি। আমাদের মধ্যে ঝামেলা নিয়ে কিছু বলার নেই। কারণ, নিজের পরিবারেও এমন ঘটনা অহরহ ঘটে। তবে একটা কথা বলতে চাই, আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে প্রফেশনালিজমের বড়ই অভাব। কাজের ক্ষেত্রে প্রফেশনাল হলে আমাদের মধ্যে এসব ভুল বোঝাবোঝি আর হবে না।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • চিত্রনায়িকা শিল্পীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ

    চিত্রনায়িকা আঞ্জুমান আরা শিল্পীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। একইসঙ্গে তার স্বামী প্রিমিয়ার ব্যাংকের চেয়ারম্যান সাবেক এমপি ডা. এইচবিএম ইকবালসহ তার তিন সন্তানের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে। তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্টের তথ্য চাওয়া হয়েছে। সম্প্রতি সব ব্যাংকে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়েছে বিএফআইইউ।

    চিঠিতে বলা হয়েছে, হেফজুল বারি মোহাম্মদ ইকবাল ওরফে এইচবিএম ইকবাল, তার স্ত্রী আঞ্জুমান আরা শিল্পী, ডা. ইকবালের প্রথম স্ত্রী প্রয়াত মমতাজ বেগম পক্ষের সন্তান মঈন উদ্দিন ইকবাল, ইকরাম ইকবাল এবং নওরীন ইকবালের অ্যাকাউন্ট স্থগিত করার নির্দেশ দেয়া হলো। আগামী ৩০ দিনের জন্য এসব ব্যক্তি ও একক মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের হিসাবের লেনদেন স্থগিত থাকবে।

    চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ২৩(১)(গ) ধারা অনুযায়ী এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এসব ব্যক্তি ও তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে পরিচালিত সব হিসাবের তথ্য আগামী ৪ দিনের মধ্যে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। এসব ব্যক্তির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়িক হিসাবে লেনদেন যেন শুধু সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা সংশ্লিষ্ট বিষয়েই হয়, তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

    জানা গেছে, ব্যাংকের মালিকানার পাশাপাশি এইচ বি এম ইকবাল নানা ধরনের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। তিনি প্রিমিয়ার গ্রুপের চেয়ারম্যান। গ্রুপটির অধীনে পাঁচ তারকা হোটেলের পাশাপাশি রেস্টুরেন্ট, সিমেন্ট উৎপাদন, মেডিকেল সেন্টারসহ নানা ধরনের ব্যবসা রয়েছে। দেশে একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও গড়ে তুলেছেন তিনি।

    ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ২০১১ সাল থেকে প্রিমিয়ার ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে থাকার পাশাপাশি এইচ বি এম ইকবালের বিরুদ্ধে গুলশানে হোটেল রেনেসাঁ, গুলশান-২–এ হিলটন হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট ও রয়েল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা নির্মাণের অভিযোগ রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

    বিনোদন ডেস্ক

  • গজল আঙ্গিকে বাংলা গান নিয়ে আসছেন বাপ্পা মজুমদার

    গজল আঙ্গিকে বাংলা গান নিয়ে আসছেন বাপ্পা মজুমদার। প্রজেক্টটির নাম ‘অনুভব’। বাপ্পা জানান, এতে যেমন এ প্রজন্মের মেধাবী শিল্পী টিনা রাসেল গাইবেন তেমনি কিংবদন্তি রুনা লায়লাও গাইবার সম্মতি দিয়েছেন। মাঝে থাকবেন বিভিন্ন প্রজন্মের শিল্পীরা। সঙ্গে বাপ্পা নিজেও থাকছেন। যার মাধ্যমে তুলে ধরবেন গজল ঘরানার একঝাঁক মৌলিক বাংলা গান।

    এসব তথ্য জানাতে এবং এই প্রজেক্টের প্রথম দুটি গান শোনাতে ৩ নভেম্বর রাতে বাপ্পা মজুমদার ডেকে নেন রাজধানীর এক রেস্তোরাঁয়। সেখানে ডেকে পরিচয় করিয়ে দেন এই প্রজেক্টে তার অন্যতম সহযোদ্ধা গালিব হাসানকে। যিনি এই ‘অনুভব’ প্রজেক্টের সবগুলো গান লিখবেন। যার সবগুলোর সুর-সংগীতায়োজন ও গ্লোবাল পরিবেশনায় থাকবেন বাপ্পা মজুমদার।

    ওই অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শিল্পী তানভীর আলম সজীব, টিনা রাসেল, ইউসুফ ও সোমনূর মনির কোনাল। 

    অতিথি হিসেবে ছিলেন নির্মাতা ও সংগীতশিল্পী মাসুদ হাসান উজ্জ্বল, সাংবাদিক ও গীতিকবি জুলফিকার রাসেল, নির্মাতা সৈকত রেজা, গীতিকবি শাহান কবন্ধ, লেখক ও সাংবাদিক হক ফারুক আহমেদ, কণ্ঠশিল্পী এলিটা করিমসহ অনেকেই।

    এই প্রজেক্ট প্রসঙ্গে বাপ্পা মজুমদার তার সহযোদ্ধা গালিব হাসানকে পাশে রেখে বলেন, গজল ধারার গান করার ইচ্ছা বা চেষ্টা বরাবরই আমার ভেতর ছিল। এ পর্যন্ত প্রায় সব ধরনের গানই তো করেছি। এবার গালিব ভাইর সাহস নিয়ে পুরো একটা গজল প্রজেক্ট সাজাতে চাই। আমি চাই দেশের সব অসাধারণ শিল্পীরা এই প্রজেক্টে থাকুন। খুশির খবর হলো, এরমধ্যে শ্রদ্ধেয় রুনা লায়লার সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি সম্মতি দিয়েছেন। এটা আমাদের জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি। আশা করছি সামনে আরও অনেকেই যুক্ত হবেন, যারা বাংলা সংগীতের জন্য অমিত সম্ভাবনার অথবা গুরুত্বপূর্ণ মানুষ।

    এরপর ‘অনুভব’ প্রজেক্টের দুটি গানের ভিডিও প্রদর্শিত হলো প্রজেক্টরে। দুটোই গেয়েছেন বাপ্পা মজুমদার। যে গান দুটির মাধ্যমে উপস্থিত শ্রোতামনে মিষ্টি একটা আবহ যেন ছড়িয়ে দিলেন বাপ্পা। এখানেই শেষ নয়, ভিডিওগানের পালা শেষে বাপ্পার নেতৃত্বে পরিবেশিত হলো সরাসরি গানও। গাইলেন বাপ্পা ছাড়াও তানভীর আলম সজীব, কোনাল ও টিনা রাসেল। তবে সবাই গাইলেন যার যার পছন্দের পুরনো গান।

    অনুভব’ আনুষ্ঠানিকতা ছিল এটুকুই, সাদামাটা সুরেলা সুন্দর। 

    ‘অনুভব’ প্রজেক্টের প্রকাশিত গান দুটির ভিডিও নির্মাণ করেছেন সৈকত রেজা। গানগুলো ফেসবুক, ইউটিউব, স্পটিফাইসহ দেশি বিদেশি প্রায় সব ভিডিও ও অডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ হয়েছে ৩ নভেম্বর রাতেই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শিল্পী সংঘের অন্তর্বর্তী সংস্কার কমিটির প্রধান তারিক আনাম

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তোপের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এর পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন হয়। সেই থেকে সব জায়গায় চলছে সংস্কার। পুরোনো সব পরিবর্তন করে জায়গাগুলোর নতুন রূপ চাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। বিনোদন জগতেও এর ব্যতিক্রম নয়। সেই ধারা টেলিভিশন নাটকের অভিনয়শিল্পীদের সংগঠন ‘অভিনয়শিল্পী সংঘ’-তেও পরিবর্তনের হাওয়া বইছে।

    এ সংগঠনটির বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ তুলে সংস্কারের দাবি জানান শিল্পীরা। সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মহাখালীর একটি কনভেনশন হলে জরুরি সভা ডাকে শিল্পী সংঘ। সেখানে বর্তমান কমিটিকে যে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে বিরত রেখে ‘অন্তর্বর্তীকালীন সংস্কার কমিটি’ গঠন করা হয়।

    চার মাস মেয়াদি নতুন এ কমিটির প্রধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নাট্যজন ও গুণী অভিনেতা তারিক আনাম খানকে। সম্প্রতি দেশের একটি গণমাধ্যমে খবরটি নিশ্চিত করেছেন অভিনয়শিল্পী সংঘের সভাপতি আহসান হাবিব নাসিম।

    সভাপতি নাসিম বলেন, সবার সব কথা শুনে তারিক আনাম খানকে প্রধান করে ‘অন্তর্বর্তীকালীন সংস্কার কমিটি’ নামে একটা নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। শিল্পীদের নিয়ে তিনি আগামী চার মাস কমিটিতে থাকবেন এবং সংস্কারের জন্য কাজ করবেন। এরপর একটা নির্দিষ্ট সময় দেখে নির্বাচনের ঘোষণা করবেন।

    তবে সংস্কারকামী শিল্পীরা সংঘের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ যারা বিগত সরকারের দলীয়ভুক্ত ছিলেন, তাদের পদত্যাগের দাবি তোলা হলেও কেউ-ই পদত্যাগ করেননি বলে জানা গেছে।

    এ প্রসঙ্গে নাসিম বলেন, আমাদের ২১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির কেউ-ই পদত্যাগ না করলেও এই চার মাস তারা তাদের দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। কিন্তু তারা কোনো মেজর সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না। সেটি শুধু কমিটির প্রধানই পারবেন।

    নাট্যজন ও গুণী অভিনেতা তারিক আনাম খান আজ (১৯ সেপ্টেম্বর) থেকেই ‘অন্তর্বর্তীকালীন সংস্কার কমিটি’র দায়িত্ব পালন করবেন। তবে তার সঙ্গে কমিটিতে আরও চারজন থাকবেন বলে জানা গেছে। তবে কারা থাকছেন, সেটি এখনো জানানো হয়নি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শিল্পকলা থেকে বিতাড়িত হয়ে ভেঙে পড়েছেন ‘আলো আসবেই’ গ্রুপের জ্যোতি

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিরুদ্ধে ‘আলো আসবেই’ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খুলে আন্দোলনের বিরোধিতা করেছিলেন আওয়ামীপন্থি শিল্পীরা। তারা শুরু থেকেই আন্দোলনের বিরুদ্ধে সরব ছিলেন। এসব শিল্পীর মধ্যে অন্যতম ছিলেন অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতি। 

    ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে হাসিনা সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর গোপন এই গ্রুপের বিষয়টি প্রকাশ হওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় উঠে। এরপর ‘আলো আসবেই’ গ্রুপ নিয়ে নতুন করে ব্যাখ্যা দাঁড় করানোর চেষ্টা করেন অনেক শিল্পী। তবে সবাই তোপের মুখে পড়েন। গ্রুপে থাকার কথা স্বীকার করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন জ্যোতিও। 

    সেই সমালোচনার রেশ না কাটতেই মঙ্গলবার শিল্পকলা একাডেমিতে গিয়ে ফের তোপের মুখে পড়েন আওয়ামীপন্থি শিল্পী জ্যোতি। শেখ হাসিনা সরকারের আমলে শিল্পকলা একাডেমির পরিচালক হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া এই অভিনেত্রী দুপুর ১২টার দিকে অফিসে প্রবেশ করেন। সেখানে নতুন মহাপরিচালক সৈয়দ জামিল আহমেদের সঙ্গে দেখা করতে যান তিনি। এরপর রুম থেকে বের হতেই সহকর্মীদের তোপের মুখে পড়েন জ্যোতি। একপর্যায়ে শিল্পকলা একাডেমি ত্যাগ করতে বাধ্য হন তিনি। 

    ঘটনার পর ফেসবুক লাইভে আসেন জ্যোতি। শিল্পকলা একাডেমিতে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘দুই বছরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মাধ্যমে শিল্পকলা একাডেমিতে পরিচালক হিসেবে কাজ করছিলাম। এখনো আমার মেয়াদ শেষ হয়নি এবং নিয়োগ বাতিলেরও কোনো প্রক্রিয়া এখনো হয়নি। সুতরাং আমার চাকরিটা আছে। গত দুই মাস ধরে দেশে যা চলছে, তারপর থেকে শিল্পকলা একাডেমির অফিসের কাজ মোটামুটি বন্ধই বলা যায়। সপ্তাহখানেক হয়েছে নতুন ডিজি এসেছেন, তাই আমার মনে হয়েছে আমার অফিসে যাওয়া উচিত। যদিও সচিব স্যারের, পরামর্শ ছিল- আমি যাতে এখন শিল্পকলায় না যাই। কিন্তু আমার চাকরি এখনো আছে। আমারও ভালো লাগছিল না, তাই গিয়েছিলাম।’

    তিনি বলেন, ‘শিল্পকলায় যাওয়ার আধা ঘণ্টার মধ্যে অনেক সাংবাদিক ফোন করে জানতে চাচ্ছিলেন, আমার অবস্থা সম্পর্কে। কারণ তারা জানতে পেরেছেন, আমাকে নাকি অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। কিন্তু আমি তখনো বিষয়টি জানি না। আমার আরেক সহকর্মী ছিলেন। তিনি আমাকে বললেন, চলো বেরিয়ে যাই। আমি তাকে বলি, আমার চাকরি তো শেষ হয় নাই, তাহলে আমি কেন যাব? প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নিয়োগ বাতিল হলে অবশ্যই আমি আর আসব না।’

    শিল্পকলা একাডেমির ডিজির সঙ্গে সাক্ষাতের কথা জানিয়ে জ্যোতি বলেন, ‘আমি যখন শিল্পকলায় যাই তখন ডিজি স্যার একটা মিটিংয়ে ছিলেন। এরপর উনি যখন বের হন, তখন আমি ওনার সঙ্গে দেখা করার জন্য বের হই। বেরিয়ে দেখি শিল্পকলায় অনেক লোকজন। অনেকে চেচামেচি করছে। আমি ডিজি স্যারের সঙ্গে দেখা করলাম। স্যার বললেন, দেখেন এই অবস্থা। এর মধ্যে অফিসে কেন এসেছেন? আপনারা বরং চলে যান, পরিস্থিতি সামলাতে দেন। পরে এ বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত হয় সে মোতাবেক কাজ করবেন।’

    ‘ডিজি স্যারের সঙ্গে কথা বলে লবিতে ফিরে উপস্থিত অন্যদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলাম। কিন্তু উনারা কোনো কথা বলবেন না। শুনতে পেলাম, আরও লোকজন খবর দেওয়া হয়েছে। আমাদের আটকে রাখবে বা কিছু করবে। আমার খুব অবিশ্বাস্য লাগছিল, সবার মুখ অপরিচিত লাগছিল। কারণ এরাই আমার সহকর্মী ছিলেন!’

    অফিসে জ্যোতিকা জ্যোতির ব্যক্তিগত জিনিসপত্র ছিল। চলে আসার সময়ে সেসব জিনিস নিয়ে আসেন। কিন্তু উপস্থিত সহকর্মীদের সেসব জিনিসপত্র দেখিয়ে তারপর শিল্পকলা একাডেমি থেকে বের হন জ্যোতি।

    লাইভের একপর্যায়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন এই অভিনেত্রী। প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘এতবছর ধরে আমি অভিনয় করছি। কখনো দেশ ছেড়ে বাইরে চলে যাওয়ার কথাও চিন্তা করিনি। তবুও এই অপমান কি আমার প্রাপ্য ছিল? কোনো দলের সমর্থক ছিলাম বলে কি দেশটা আমার নয়? আমি তাহলে কোথায় যাব? এই প্রশ্ন আপনাদের কাছে রেখে গেলাম।

    জ্যোতি আরও বলেন ‘আমাকে নিয়ে অনেকে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন, আমি ঠিক আছি কিনা, তা জানতে চাইছেন। তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, আমি ঠিক আছি। তবে মানসিকভাবে কবে ঠিক হবো জানি না। আমার সঙ্গে যা হয়েছে এই চাপ আমি কীভাবে সামলাব জানি না। আমার এই চাকরিটা থাকছে না। তাহলে আমি কোথায় যাব?’

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • ‘আলো আসবেই’ গ্রুপের শিল্পীরা এ যুগের রাজাকার: ফারুকী

    ‘আলো আসবেই’ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ কাণ্ডের বিষয়ে প্রথমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খ্যাতিমান নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী স্ক্রিনশট শেয়ার করেছিলেন। 

    rnrn

    যে গ্রুপে সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাত এবং সংসদ সদস্য ফেরদৌসের নেতৃত্বে সবাইকে গ্রুপে অ্যাড করা হয় যারা মূলত আওয়ামী লীগ সমর্থক হিসেবে হয়েছে। 

    rnrn

    যেখানে অভিনয়শিল্পীদের একটি দল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে দমানোর জন্য নিজেদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে আলাপ-আলোচনা করতেন। 

    rnrn

    এবার এ বিষয়ে আরেক পোস্ট দিয়ে ফারুকী এসব অভিনয়শিল্পীদের বলেন, একাত্তরে জন্ম নিলে এরা রাজাকারের দায়িত্ব পালন করত।

    rnrn

    এরা শুধু শিল্পী হিসাবে না মানুষ হিসাবেও নীচু প্রকৃতির উল্লেখ করে খ্যাতিমান নির্মাতা লিখেছেন, ‘এটা নিশ্চয়ই বেদনার যে আমাদের দেশে শিল্পীর সাইন বোর্ড নিয়ে এমন লোকজন ঘুরে বেড়াতো যারা গণহত্যায় প্রত্যক্ষ উসকানিদাতা অথবা কেউ কেউ নীরব সমর্থক ছিল। এরা শুধু শিল্পী হিসাবে না, মানুষ হিসাবেও নীচু প্রকৃতির। একাত্তরে জন্ম নিলে এরা রাজাকারের দায়িত্ব পালন করত। ফলে এদের এযুগের রাজাকার বলতে পারেন। নিশ্চয়ই এদের বিচার হবে গণহত্যায় সমর্থন এবং উসকানি দেওয়ার অপরাধে।’ 

    rnrn

    শেষাংশে ফারুকীর ভাষ্য, ‘কিন্তু আশার দিকটা আপনাদের বলি। দেখবেন এই গ্রুপের বেশিরভাগই আসলে কোনো শিল্পচর্চার সঙ্গে সেই অর্থে জড়িত না। আমাদের মেইনস্ট্রিম (মানে টেলিভিশন, ওটিটি, এবং ফিল্মে যারা প্রধান শিল্পী; তথাকথিত এফডিসি বোঝানো হয়নি মেইনস্ট্রিম শব্দটা দিয়ে) অভিনয় শিল্পী বা ফিল্মমেকারদের কেউই এদের সঙ্গে নাই। এরাই আমাদের প্রেজেন্ট অ্যান্ড ফিউচার।’

    rnrn

    খ্যাতিমান নির্মাতা আরও বলেন, ‘সহকর্মী এবং শিল্পীদের ফাঁস হওয়া স্ক্রিনশটগুলো উল্লেখ করে যারা অত্যাচারীর সঙ্গে সহযোগী হিসেবে কাজ করেছিল এবং আমাকে নিয়ে বাজে কথা বলেছিল। অত্যাচারী যদি বেঁচে যেত তাহলে আমার এবং তিশার কোনো না কোনোভাবে ক্ষতি করত। সরকারের উচিত হবে ভাইরাল হওয়া স্ক্রিনশটগুলো খতিয়ে দেখা, ১৪৬টি স্ক্রিনশট পাওয়া যায়। এই আন্দোলনের সময় যারা মানবতাবিরোধী অপরাধে উসকানি দিয়েছে তাদের প্রত্যেকেরই তদন্ত করে বিচার করা উচিত।’

    rnrn

    উল্লেখ্য, গ্রুপে সদস্যদের তালিকায় আরও যারা ছিলেন- সোহানা সাবা, জ্যোতিকা জ্যোতি, অরুণা বিশ্বাস, ফেরদৌস ছাড়াও ছিলেন রিয়াজ আহমেদ, সুবর্ণা মুস্তাফা, আজিজুল হাকিম, স্বাগতা, বদরুল আনাম সৌদ, শমী কায়সার, তানভীন সুইটি, শামীমা তুষ্টি, জামশেদ শামীম, ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর, সাজু খাদেম, হৃদি হক, দীপান্বিতা মার্টিন, সাইমন সাদিক, জায়েদ খান, লিয়াকত আলী লাকী, নূনা আফরোজ, রোকেয়া প্রাচী, রওনক হাসান, আহসানুল হক মিনু, গুলজার, এস এ হক অলীক প্রমুখ। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আন্দোলন বিরোধী শিল্পীদের ক্ষমা চাইতে বললেন জয়

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যখন প্রতিদিনই বাড়ছে লাশের মিছিল। তখন শিল্পীদের একটা অংশ ছাত্রদের আন্দোলনে সমর্থন জানালেও আরেকটা অংশ সমর্থন দিয়েছেন সরকারকে। কেউ বা ছিলেন চুপ। অবস্থা বুঝে যারা এখন ছাত্রদের পক্ষে কথা বলছেন। যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভক্তদের রোষানলেও পড়তে হচ্ছে তাদের। এবার শিল্পীদের উদ্দেশে কথা বলেছেন আলোচিত অভিনেতা ও সঞ্চালক শাহরিয়ার নাজিম জয়।

    rnrn

    সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় ছাত্র আন্দোলনে নিশ্চুপ থাকায়, জাতির কাছে নিঃশর্তে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে তিনি এটাও মনে করেন, আন্দোলনে সমর্থন না দেওয়া বাকি শিল্পীদেরও তার মতো ক্ষমা চাওয়া ছাড়া কোনো পথ খোলা নেই।

    rnrn

    ভিডিও বার্তায় জয় বলেন, ‘এক সমন্বয়কে নিজেদের (শিল্পীদের) সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়, তিনি খুব সুস্পষ্টভাবে বলেছেন, আপনাদের মাঝে অনেক শিল্পী রয়েছেন যারা অন্যায় করেছেন। আপনারা আন্দোলনের সময় ছাত্রদের এ আন্দোলনকে সরকারের হয়ে (আওয়ামী লীগ সরকার) অন্যভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছেন। অনেক রকম পোস্ট করেছেন এ আন্দোলনকে, থামানোর, দমানোর । চেষ্টা করেছেন সরকারকে সহযোগিতা করার, সুবিধাভোগী হওয়ার। আপনারা বাংলাদেশ টেলিভিশনে যেয়ে কেঁদেছেন অনেকেই অথচ শত শত, হাজার হাজার স্টুডেন্ট রাস্তায় গুলি খেয়ে মারা গেছেন, কত মায়ের কোল খালি হয়েছে। অনেকেই তা বোঝেনি সরকারের চামচামি করেছে। সবসময় আপনারা মানুষের তোপের মুখে থাকবেন, ঘৃণার মুখে থাকবে ন।’

    rnrn

    জয় আরও বলেন, ‘আপনারা শিল্পী, যাদেরকে মানুষ ভালোবাসে। আপনারা আপনাদের সংগঠন হোক, শিল্পী সমাজ হোক, সকলে একত্রিত হয়ে আপনারা জাতির কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন, ক্ষমা চান। ক্ষমা চাওয়া ছাড়া আপনাদের আসলে আর কোনো পথ নেই।’

    rnrn

    এরপর ওই ভিডিওতে বেগম খালেদা জিয়ার হত্যাচেষ্টার মামলার অভিযোগ নিয়েও কথা বলেন জয়। ভিডিওবার্তায় জয় বলেন, ‘আমার নামে মামলা হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়ার হত্যাচেষ্টার মামলা। যেখানে আমাকে আসামি করা হয়েছে। আমি মামলার এজাহার পড়েছি, যেখানে লেখা আছে- ২০১৫ সালের ২০ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টায় অনেকের সঙ্গে আমিও ছিলাম। বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িতে হামলা করেছি, তাকে হত্যার চেষ্টা করেছি।’

    rnrn

    এরপর জয় যোগ করেন, ‘খুব দুঃখ পেয়েছি। জীবনে কখনো কাউকে গায়ে হাত দেওয়ার সাহস পাইনি। কারো সঙ্গে ঝগড়া বিবাদেও যাইনি। সেখানে এমন একটি ঘটনায় আমি মর্মাহত। খুবই কষ্ট পেয়েছি। আমার পরিবারের মানুষ চিন্তিত হয়ে পড়েছে।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • আন্দোলন ইস্যুতে শিল্পীদের সংগঠন থেকে অব্যাহতি নিলেন মম

    বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে শোবিজ অঙ্গনের তারকারা বিভিন্নভাবে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরছেন। কেউ শিক্ষার্থীদের দাবির পক্ষে আওয়াজ তুলছেন, কেউ আবার চলমান আন্দোলনের পেছনে অসৎ কোনো উদ্দেশ্য খুঁজে পাচ্ছেন। 

    rnrn

    এমন অবস্থায় শুরু থেকেই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের পক্ষে সরব ছিলেন দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মম। কিন্তু ‘Actors Equity Bangladesh’ নামের শিল্পীদের একটি সংগঠনের নীরব ভূমিকার কারণে কষ্ট পেয়েছেন তিনি। যে কারণে সেই সংগঠন থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নিয়েছেন অভিনেত্রী। 

    rnrn

    জাকিয়া বারী মম বর্তমান এই সংগঠনের কার্যনির্বাহী সদস্য। রোববার রাতে ফেসবুকে এক বিবৃতিতে কমিটি থেকে অব্যাহতি নেওয়ার বিষয়টি জানান।

    rnrn

    বিবৃতিতে মম লেখেন, ইক্যুইটি মানে ন্যায়, ন্যায়বিচার। ন্যায়ের কথা বলে চলমান পরিস্থিতিতে ন্যায়ের সঙ্গে প্রকাশ্যে আপোষ মেনে নেওয়া ব্যক্তিগতভাবে আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। কারণ শিল্পী হিসেবে আমি আমার দায়বদ্ধতার জায়গায় দায়বদ্ধ। সেই দায়বদ্ধতা থেকে আমি ‘Actors Equity Bangladesh’ থেকে অব্যাহতি গ্রহণ করলাম।

    rnrn

    অভিনেত্রী আরও লিখেন, অভিনেতা-অভিনেত্রীদের প্রাণের এই সংগঠন দেশ তথা জাতীয় বিষয়ে লোক দেখানো অভিনয় না করে বিবেক এবং চেতনা বোধ জাগ্রত করে মাথা সমুন্নত রেখে এগিয়ে যাক সেই আশাবাদ ব্যক্ত করছি। 

    অনলাইন ডেস্ক