Tag: রাশমিকা মান্দানা

  • বিয়ের পরেই বড় চমক দিলেন বিজয়-রাশমিকা

    ধুমধাম করে বিয়ে সারার পর সোমবার (২ মার্চ) তেলেঙ্গানার খাম্মানপেটের পৈতৃক ভিটায় আসেন দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। গ্রামের বাড়িতে একসঙ্গে সত্যনারায়ণ পূজায় অংশগ্রহণ করেন এ তারকা দম্পতি। তবে এখানেই শেষ নয়, গ্রামে দাঁড়িয়েই এমন কিছু ঘোষণা করলেন, যা শুনে জয়জয়কার পড়ে যায় নবদম্পতির।

    রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দীর্ঘদিন ধরেই ডেটিং করেছেন বলে গুঞ্জন ছিল, কিন্তু ফেব্রুয়ারিতে তাদের বিয়ের ঘোষণা না করা পর্যন্ত কেউ-ই তাদের সম্পর্কের কথা নিশ্চিত করেননি। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি উদয়পুরে ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধব এবং পরিবারের উপস্থিতিতে দক্ষিণ ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী বিবাহ অনুষ্ঠানে এই দম্পতি গাঁটছড়া বাঁধেন।

    বুধবার (৪ মার্চ) হায়দরাবাদে রিসেপশনের আয়োজন করেছেন এ তারকা দম্পতি। এ অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রিত দেশের একাধিক নামিদামি ব্যক্তিত্ব। খুব স্বাভাবিকভাবেই নিরাপত্তার বলয়ে ঢেকে ফেলা হবে অনুষ্ঠান স্থানকে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পেশাদারত্বের দিক থেকে রাশমিকা ও বিজয়কে আবারও বড়পর্দায় একসঙ্গে দেখা যাবে আসন্ন সিনেমা ‘রানাবালি’-তে। বিয়ের পর এটি তাদের প্রথম ছবি, যেখানে একসঙ্গে অভিনয় করবেন তারা। রাহুল সাংকৃত্যন পরিচালিত এ সিনেমাটি আগামী ১১ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া গীতা গোবিন্দম (২০১৮) এবং ‘ডিয়ার কমরেড’ (২০১৯) সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেছেন তারা।

    রাশমিকা মান্দান্নার সঙ্গে বিয়ের পর বিজয় তার দাতব্য ট্রাস্টের মাধ্যমে তেলেঙ্গানার আচাম্পেট বিভাগের ৪৪টি সরকারি স্কুলের নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি প্রকল্প ঘোষণা করেন। এ উদ্যোগের লক্ষ্য হলো— শিক্ষার্থীদের শিক্ষাকে সমর্থন করা এবং আর্থিক বোঝা ছাড়াই একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে সহায়তা করা।

    বিজয় ঘোষণা করার পরপরই রাশমিকা এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন। বিজয়ের এ ঘোষণায় গর্বিত হন অভিনেতার মা। এ ঘোষণার পরেই হাততালিতে ফেটে পরে চারদিক। শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, বিজয় তার গ্রামের মানুষকে প্রতিশ্রুতি দেন যে তিনি এখন থেকে নিয়মিত তার গ্রামে যাবেন।

    বিজয়ের এই আর্থিক সহায়তার ঘোষণার ভিডিও অনলাইনে প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভক্তরা অভিনেতার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে ওঠেন। এক ভক্ত লিখেছেন— আগামী ৩০ বছরের মধ্যে ভিডি যদি মুখ্যমন্ত্রী হন, তবে আমি অবাক হব না। আরেকজন বলেন, সত্যিকার অর্থে নায়ক। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • মাতৃত্বের স্বপ্নে বিভোর রাশমিকা, প্রয়োজনে ছাড়বেন অভিনয়

    ভারতের উদয়পুরে রাজকীয় আয়োজনে অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডাকে বিয়ে করার পর সংসার আর সন্তানের স্বপ্নে বিভোর অভিনেত্রী রাশমিকা মন্দানা। জীবনে সন্তানই তার কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন এ নায়িকা। সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় এমন আভাস দেন রাশমিকা। জানান, এক নয় একাধিক সন্তানের মা হতে চান তিনি।

    মাতৃত্ব প্রসঙ্গে রাশমিকা বলেন, স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের বাঁধনকে আরও জোরালো করে সন্তান। তাই মা হওয়ার স্বপ্ন দেখছি। মা হওয়ার পর সন্তানের নিরাপত্তা আমার কাছে প্রথম এবং প্রধান গুরুত্ব পাবে।

    তবে কি ক্যারিয়ারে নিজেকে গুটিয়ে নেবেন নায়িকা? এমন প্রশ্নের উত্তরও একাধিক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন রাশমিকা। অভিনেত্রী মনে করেন, সবার আগে সন্তান। অনাগত সন্তানের জন্য সব করতে প্রস্তুত তিনি। প্রয়োজনে ছাড়তে পারেন চলচ্চিত্র জগতও।     

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

     গত ২৬ ফেব্রুয়ারি দুই রীতিতে বিজয়-রাশমিকার বিয়ে সম্পন্ন হয়। প্রথমে সকাল ১০টায় তেলুগু রীতিতে শুরু হয় মূল বিবাহ অনুষ্ঠান। পুরোহিতের মন্ত্রোচ্চারণ ও আগুনকে সাক্ষী রেখে সাত পাকে বাঁধা পড়েন এই তারকা যুগল।

    এরপর একই দিন বিকাল ৪টায় অনুষ্ঠিত হয় কোডাভা রীতিতে বিয়ের পর্ব। কর্ণাটকের কুর্গ অঞ্চলের ঐতিহ্য মেনে বিশেষ পোশাক, অলংকার ও স্বতন্ত্র আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সম্পন্ন হয় এ অংশ। বিয়েতে তারকার দুই পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা উপস্থিত ছিলেন।

    প্রসঙ্গত, উদয়পুরে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষের পর শোবিজের বন্ধুদের জন্য হায়দরাবাদে আগামী ৪ মার্চ বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন করছেন বিজয়-রাশমিকা। এ অনুষ্ঠানে বিশেষ আমন্ত্রিত অতিথি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ের পরেই যে ইচ্ছার কথা প্রকাশ করলেন রাশমিকা

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা ও অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডার দীর্ঘদিনের প্রেমের পর বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। বর্তমানে এ তারকা দম্পতির ব্যক্তিজীবন ও ক্যারিয়ারের ভারসাম্য নিয়ে ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই আলোচনায় এসেছে তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা।

    সম্প্রতি রাজস্থানের উদয়পুরে জমকালো আয়োজনে সাতপাকে বাঁধা পড়ার পর মা হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। তিনি জানিয়েছেন, সংসার ও সন্তান নিয়ে তিনি এখন থেকেই স্বপ্ন দেখছেন এবং মাতৃত্বকে জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ মনে করেন। সম্প্রতি বিয়ের পর গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে রাশমিকা মান্দানা তার এ অনুভূতির কথা খোলাসা করেন। 

    অভিনেত্রী বলেন, শুধু একটি নয়, একাধিক সন্তানের মা হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার। সন্তান স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যকার সম্পর্কের বন্ধনকে আরও দৃঢ় ও শক্তিশালী করে তোলে। মা হওয়ার পর সন্তানের নিরাপত্তাই হবে তার কাছে সব থেকে বড় অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন রাশমিকা মান্দানা।

    বিনোদন জগতে কাজের কোনো ধরাবাধা সময় না থাকলেও তিনি সাফ জানিয়েছেন, মা হওয়ার পর তার কাছে সন্তানই হবে সবার আগে। সন্তানের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য যেকোনো ত্যাগ স্বীকার করতে তিনি প্রস্তুত। এমনকি প্রয়োজনে পেশাগত জীবনে ছাড় দিতেও পিছপা হবেন না বলে জানিয়েছেন রাশমিকা মান্দানা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিরুষ্কার বিয়েতে খরচ ১০০ কোটি, বিজয়-রাশমিকার কত?

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সাতপাকে বাঁধা পড়লেন। বহুদিন ধরে তাদের বিয়ে নিয়ে জল্পনা চলছিল। অবশেষে উদয়পুরে চারহাত এক করলেন এ তারকা জুটি। দুটি ভিন্ন মতে বিয়ে করেছেন তারা। এলাহি আয়োজনও ছিল বিয়েতে। কত খরচ হলো বিয়েতে?

    জানা গেছে, বিরাট কোহলি ও আনুশকা শর্মার বিয়ের খরচের কাছাকাছি নাকি বিজয় ও রাশমিকার বিয়েতে খরচ হয়েছে। রাজস্থানের উদয়পুরের একটি বিলাসবহুল রিসোর্টে বিয়ে করেছেন তারা। সেই রিসোর্ট থেকে দেখা যায় সুপ্রাচীন অরাবলি পর্বত। রিসোর্টের প্রতিটি কোণে রয়েছে শৌখিনতার ছোঁয়া। এ রিসোর্টে রয়েছে ১১৭টি বিলাসবহুল ঘর। তার মধ্যে রয়েছে কিছু সুইট ও ভিলাও। এই ঘরে এক রাতে থাকার খরচ ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা।

    এর মধ্যে কয়েকটি বিশেষ ভিলা রয়েছে, যার খরচ প্রায় ৭০ হাজার টাকা। তাই বিয়ের স্থানের জন্য বিজয়-রাশমিকা যে মোটা অঙ্ক খরচ করেছে, তা অনুমান করাই যায়। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত সব মিলিয়ে বিয়ের জন্য ২.৫ কোটি টাকার আশপাশে খরচ করেছেন বিজয় ও রাশমিকা।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এর আগে বিরাট কোহলি ও আনুশকা শর্মা ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে ইতালিতে বিয়ে করে চমকে দিয়েছিলেন । বলা ভালো— সেখান থেকেই যেন ‘ডেস্টিনেশন’ বিয়ের চল শুরু। সেই বিয়ের সাজেও ছিল চমক। বিয়ে, প্রীতিভোজ, প্রাক-বিবাহ আয়োজন সব মিলিয়ে ১০০ কোটি টাকা খরচ করেছিলেন বিরাট ও আনুশকা শর্মা। ৮০০ বছরের পুরোনো এক গ্রামে বসেছিল তাদের বিয়ের আসর। অনুরাগীদের অনুমান— প্রীতিভোজের আসর ও বিয়ের আগে ও পরে বিভিন্ন অনুষ্ঠান— সব মিলিয়ে বিজয়-রাশমিকার বিয়েতেও প্রায় ৫০ কোটি ছুঁয়ে ফেলবে।

    অন্যদিকে দেশগার্লখ্যাত অভিনেত্রী প্রিয়াংকা চোপড়া ও নিক জোনাসের বিয়েতে নাকি ৭৫.৫ কোটি টাকার আশপাশে খরচ হয়েছিল। সেই ক্ষেত্রে রাশমিকা মান্দানা ও বিজয়ের এখনো বাকি প্রীতিভোজের আসর। তাই মোট কত খরচ করেন, তা দেখার অপেক্ষায় ভক্ত-অনুরাগীরা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এসো, একসঙ্গে আমরা একটা আশীর্বাদপুষ্ট জীবন কাটাই: রাশমিকা

    দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হলেন দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সাতপাকে বাঁধা পড়লেন এ তারকা জুটি। রাজস্থানের ঐতিহাসিক শহর উদয়পুরে পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠ আয়োজনে বিলাসবহুল রিসোর্টে তাদের  বিয়ের সম্পন্ন হয়। রাজকীয় আবহ, কড়া গোপনীয়তা, ঐতিহ্যবাহী আচার আর তারুণ্যের উচ্ছ্বাস—সব মিলিয়ে আয়োজনটি ছিল এককথায় রূপকথার মতো।

    অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডার প্রেমের গুঞ্জন শুরু হয় ‘গীত গোবিন্দম’ সিনেমার সেট থেকে। পরবর্তী সময়ে ‘ডিয়ার কমরেড’-এ তাদের রসায়ন সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের মুগ্ধ করে। যদিও প্রকাশ্যে কখনো সম্পর্কের কথা স্বীকার করেননি এ তারকা জুটি। একসঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থিতি ও ভ্রমণই ইঙ্গিত দিয়েছিল ঘনিষ্ঠতার।

    শেষ মুহূর্তে বিয়ের গোপনীয়তা খোলাসা করেন তারা। বিয়ের কয়েক দিন আগে সামাজিক মাধ্যমে ‘দ্য ওয়েডিং অব বিরোশ’ নাম দিয়ে ঘোষণা দেন এ তারকা জুটি। এরপর থেকেই বিনোদন জগতের সবখানেই শুরু হয় তুমুল আলোচনা।

    বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ভোরের শান্ত আবহে শুরু হয় বিয়ের মূল আনুষ্ঠানিকতা। তেলেগু রীতি অনুযায়ী প্রথমে গণেশপূজা ও পূর্বপুরুষদের স্মরণ করে মঙ্গলাচরণ করা হয়। এরপর অগ্নি সাক্ষী রেখে সম্পন্ন হয় ‘সপ্তপদী’—সাতটি প্রতীকী পদক্ষেপ, যা দাম্পত্য জীবনের সাতটি অঙ্গীকারের প্রতীক। পুরোহিতের মন্ত্র উচ্চারণের মধ্য দিয়ে কনে-বর অগ্নি প্রদক্ষিণ করেন। এরপর মালাবদল, কন্যাদান ও আশীর্বাদের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয় বিয়ে। বিয়ের রীতি অনুযায়ী পরিবার-পরিজনের প্রবীণ সদস্যরা নবদম্পতির কপালে কুমকুম ও হলুদ ছুঁইয়ে আশীর্বাদ জানান। এভাবে শেষ হয় সকালের পর্ব।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এরপর বিকালে শুরু হয় কোডাভা রীতি অনুযায়ী দ্বিতীয় পর্ব। কর্নাটকের কোডাগু অঞ্চলের এই ঐতিহ্যে পোশাক, সংগীত ও আচার-অনুষ্ঠানে থাকে আলাদা বৈশিষ্ট্য। কনের পারিবারিক শিকড়কে সম্মান জানিয়ে এ পর্ব রাখা হয়। দুই ভিন্ন সাংস্কৃতিক ধারার এই বৈবাহিক বন্ধন এনে দেয় অনন্য মাত্রা। একদিকে তেলেগু আচার, অন্যদিকে কোডাভা ঐতিহ্য—দুটোর সমন্বয়েই যেন তৈরি হয় পূর্ণতা। রাজকীয় স্থাপত্য, লেকঘেরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর সুসজ্জিত মণ্ডপ—সব মিলিয়ে ছিল নান্দনিক পরিবেশ।

    অতিথিদের তালিকা রাখা হয় সীমিত; শুধু দুই পরিবারের সদস্য, ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও ইন্ডাস্ট্রির অল্প কয়েকজন আমন্ত্রিত। এর মধ্যে ব্যক্তিগত মুহূর্তের গোপনীয়তা বজায় রাখতে মুঠোফোন ব্যবহার ও ছবি তোলায় ছিল কঠোর বিধিনিষেধ। আমন্ত্রণপত্রেও সে কথা উল্লেখ ছিল— অনুষ্ঠানটি যেন সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত থাকে।

    বিয়ের আসরে কনে রাশমিকা মান্দানার পরনে ছিল মরচে-কমলারঙা সোনালি পাড়ের শাড়ি, যার সঙ্গে ভারি সোনালি কাজের ব্লাউজ। ঐতিহ্যবাহী সোনার গহনায় সজ্জিত ছিলেন তিনি—বহুস্তর হার, বাহুবন্ধ, মাঙ্গটিকা, কড়া ও বড় ঝুমকা। খোলা ঢেউখেলানো চুলে জুঁই ফুলের মালা তার সাজে এনে দেয় দক্ষিণী ঐতিহ্যের কোমল সৌন্দর্য।  বিয়ের এই বিশেষ পোশাকটি ডিজাইন করেছেন খ্যাতনামা ডিজাইনার অনামিকা খান্না। স্টাইলিংয়ে ছিল সাবেকি ঘরানার ছোঁয়া, যা কনের আভিজাত্যকে আরও উজ্জ্বল করেছে।

    অন্যদিকে বর বিজয় দেবেরাকোন্ডা পরেছিলেন আইভরি রঙের ধুতি–শৈলীর পোশাক, সঙ্গে গাঢ় সিঁদুররঙা অঙ্গবস্ত্র। অঙ্গবস্ত্রে সূক্ষ্ম সূচিকর্মে ফুটে উঠেছিল অরণ্য ও মন্দিরের নকশা—শক্তি ও পবিত্রতার প্রতীক। কানে দুল, সোনার কোমরবন্ধ ও হার তার সাজকে সম্পূর্ণ করে।

    বরমালার সময় আবেগে ভেঙে পড়েন দুজনই। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, একে অপরকে মালা পরানোর সঙ্গে সঙ্গেই চোখে পানি চলে আসে তাদের। বিয়ের আড়ালে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে পারিবারিক রীতি ও দক্ষিণী সংস্কৃতির ঐতিহ্য। অতিথিদের আপ্যায়নে ছিল সম্পূর্ণ দক্ষিণ ভারতীয় ধাঁচ—কলাপাতায় পরিবেশন করা হয় নানা পদ।

    বিয়ের আয়োজনের বেশি গুরুত্ব পেয়েছে পারিবারিক রীতি ও দক্ষিণী সংস্কৃতির ঐতিহ্য। অতিথিদের আপ্যায়নে ছিল সম্পূর্ণ দক্ষিণী ভারতীয় ধাঁচ—কলাপাতায় পরিবেশন করা হয় নানা পদ। ভাত, সাম্বর, রসম, বিভিন্ন সবজিভাজা ও কারি, পায়েস ও ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্ন—সবই সাজানো হয় পরম যত্নে। পরিবেশনের ধরনেও ছিল নিয়ম মেনে বিন্যাস; কলাপাতার নির্দিষ্ট অংশে নির্দিষ্ট পদ রাখা হয়, যা দক্ষিণী সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

    আর সেই সঙ্গে বিয়েতে পানীয় হিসেবে পরিবেশন করা হয় ডাবের পানি, যা সতেজতার পাশাপাশি শুভতার প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত। দক্ষিণী রীতিনীতি অনুযায়ী কনের পরিবার থেকে বরের পরিবারকে উপহার দেওয়া হয় নারিকেল, পানপাতা, ফল, মিষ্টি, হলুদ ও কুমকুম। এসব উপকরণ সমৃদ্ধি, শুভলক্ষণ ও নতুন জীবনের আশীর্বাদের প্রতীক। নারিকেল ধরা হয় পবিত্রতার চিহ্ন, আর হলুদ ও কুমকুম দাম্পত্য জীবনের মঙ্গল কামনার প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে বরের পরিবারের পক্ষ থেকেও ছিল আবেগঘন এক মুহূর্ত।

    বিজয়ের মা পারিবারিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে নববধূ রাশমিকা মান্দানার হাতে বংশপরম্পরায় পাওয়া সোনার চুড়ি পরিয়ে দেন। এ আচার শুধু অলংকার প্রদান নয়; এটি নববধূকে দেবেরাকোন্ডা পরিবারের সদস্য হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার প্রতীক। আশীর্বাদের হাত রেখে তাকে স্বাগত জানান শ্বশুরবাড়ির মুরব্বিরা। সে মুহূর্তে উপস্থিত স্বজনদের চোখেমুখে ছিল আনন্দ আর আবেগের মিশেল—একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনায় দুই পরিবারের বন্ধন আরও দৃঢ় হয়ে ওঠে।

    বিয়ের মূল আনুষ্ঠানিকতার আগে একাধিক প্রাক্-বিবাহ আয়োজনে যেন তারুণ্যের উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে উদয়পুরের ভেন্যু। গায়েহলুদের আসরে প্রাধান্য পেয়েছিল হলুদ ও কমলা রঙের ফুল। গাঁদা, রজনীগন্ধা ও ঐতিহ্যবাহী দক্ষিণী ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছিল মণ্ডপ। কনে-বরের পরিবারের সদস্যরা হাসিঠাট্টা আর আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে হলুদ পরিয়ে দেন নবদম্পতিকে। পরিবেশ ছিল ঘরোয়া, কিন্তু রঙিন ও প্রাণবন্ত।

    আর এ আয়োজনে বিশেষ চমক হিসেবে রাশমিকা পরিবেশন করেন ‘অঙ্গারোঁ’ গানের নাচ। এটি ছিল বিজয়ের জন্য তার পরিকল্পিত সারপ্রাইজ। পরে নবদম্পতিও একসঙ্গে নাচে যোগ দেন, যা উপস্থিত অতিথিদের জন্য ছিল স্মরণীয় মুহূর্ত।

    বিজয়ের মা পারিবারিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে নববধূ রাশমিকার হাতে বংশপরম্পরায় পাওয়া সোনার চুড়ি পরিয়ে দেন। এ আচার শুধু অলংকার প্রদান নয়; এটি নববধূকে দেবরাকোন্ডা পরিবারের সদস্য হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার প্রতীক।

    বিয়ের পর সামাজিক মাধ্যমে শুভেচ্ছাবার্তায় ভরে যায় বিজয়–রাশমিকার টাইমলাইন। ভক্তদের দেওয়া নাম ‘বিরোশ’ এখন আনুষ্ঠানিক দম্পতির পরিচয়। রাজকীয় আয়োজনের আড়ালে ছিল দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, আস্থা ও ভালোবাসার গল্প। উদয়পুরের আকাশের নিচে, পরিবার-পরিজনের আশীর্বাদে শুরু হলো রাশমিকা ও বিজয়ের নতুন জীবন।

    বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার মাঝেই অভিনেত্রী সামাজিক মাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট করেছেন। বিজয়কে উদ্দেশ্য করে রাশমিকা মান্দানা লিখেছেন— ‘আমি তোমার স্ত্রী হতে পেরে উচ্ছ্বসিত। এসো, একসঙ্গে আমরা একটা আশীর্বাদপুষ্ট জীবন কাটাই।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ের পর বিজয়-রাশমিকা দম্পতি কত টাকার মালিক, জানেন কি?

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা ও অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডা দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হলেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজস্থানের ঐতিহাসিক শহর উদয়পুরে পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠ আয়োজনে বিলাসবহুল রিসোর্টে তাদের বিয়ের সম্পন্ন হয়। রাজকীয় আবহ, কড়া গোপনীয়তা, ঐতিহ্যবাহী আচার আর তারুণ্যের উচ্ছ্বাস—সব মিলিয়ে আয়োজনটি ছিল এককথায় রূপকথার মতো।

    বিয়ের কয়েক দিন আগে সামাজিক মাধ্যমে ‘দ্য ওয়েডিং অব বিরোশ’ নাম দিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন এ তারকা জুটি। অবশেষে সাতপাকে বাঁধা পড়লেন তারা। ভক্তদের দেওয়া নাম নিয়ে তারা নিজেদের বিয়ের নামও দিয়েছেন ‘বিরোশ ওয়েডিং’। চলতি বছরের অন্যতম বহুল আলোচিত তারকা জুটির বিয়ে এটি। রুপালি পর্দার প্রেম বাস্তবে গড়িয়েছে দাম্পত্যে।

    এ তারকা জুটির প্রেমের শুরুটা ছিল ‘গীত গোবিন্দম’ সিনেমার সেট থেকে। পরবর্তী সময়ে ‘ডিয়ার কমরেড’-এ তাদের রসায়ন সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের মুগ্ধ করে। যদিও প্রকাশ্যে কখনো সম্পর্কের কথা স্বীকার করেননি তারা। একসঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থিতি ও ভ্রমণই ইঙ্গিত দিয়েছিল তাদের ঘনিষ্ঠতার। তবে এ সম্পর্ক শুধু আবেগের ছিল না, এটি দুই সফল ক্যারিয়ারেরও মিলন। যৌথ সম্পদের হিসাব বলছে—১৩০ কোটির বেশি মূল্যের এক পাওয়ার কাপল তৈরি হতে যাচ্ছে দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে।

    ‘পুষ্পা: দ্য রাইজ’, ‘পুষ্পা: দ্য রুল’, ‘অ্যানিমেল’, ‘সাবা’সহ একাধিক ব্যবসাসফল সিনেমায় অভিনয় তার বাজারমূল্য বাড়িয়েছে। দক্ষিণের পাশাপাশি হিন্দি সিনেমাতেও অবস্থান শক্ত করেছেন রাশমিকা মান্দানা। ৪৮ মিলিয়নের বেশি অনুসারী নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বিপুল প্রভাবশালী রাশমিকা মান্দানা। দক্ষিণ ভারতে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক প্রাপ্ত অভিনেত্রীদের অন্যতম এ অভিনেত্রী।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বিভিন্ন প্রতিবেদন সূত্রে তার মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৬৬ কোটি রুপি। প্রতিটি সিনেমায় তিনি পারিশ্রমিক নেন প্রায় চার কোটি রুপি। চলচ্চিত্রের বাইরে তার আয় আসে পণ্যের শুভেচ্ছাদূত, বাণিজ্যিক প্রচার ও নিজস্ব সুগন্ধি ব্র্যান্ড থেকে। অভিনেত্রীর নামে ভারতের বিভিন্ন শহরে একাধিক সম্পত্তি রয়েছে। বেঙ্গালুরুতে প্রায় আট কোটি রুপির বাড়ি। হায়দরাবাদ, মুম্বাই ও গোয়ায় সম্পত্তি রয়েছে। এ ছাড়া কর্নাটকে নিজ শহর কুর্গে (কোডাগু) প্রায় আট কোটি রুপির ভিলা রয়েছে। কুর্গের বিরাজপেট এলাকায় সবুজে ঘেরা আধুনিক নকশার একতলা বাড়িটি তার বিশেষ পছন্দের। প্রকৃতির কাছে থাকার জন্যই তিনি জায়গাটি বেছে নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

    গাড়ির সংগ্রহেও রয়েছে বিলাসের ছাপ—রেঞ্জ রোভার স্পোর্ট, অডি কিউ৩, মার্সিডিজ–বেঞ্জ সি-ক্লাস, টয়োটা ইনোভা ও হুন্দাই ক্রেটা। ২০২৪ সালে রাশমিকা ফোর্বস ইন্ডিয়ার ‘৩০ আন্ডার ৩০’ তালিকায় স্থান পান, যা তরুণ প্রভাবশালী তারকা হিসেবে তার অবস্থান আরও সুদৃঢ় করে।

    অন্যদিকে বিজয় দেবেরাকোন্ডার সম্পদের পরিমাণ ৬৬ থেকে ৭০ কোটি রুপির মধ্যে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে সূত্রে জানা গেছে। প্রতিটি সিনেমায় তিনি পারিশ্রমিক নেন ১২ থেকে ১৫ কোটি রুপি। ব্র্যান্ড এনডোর্সমেন্ট থেকেও বড় অঙ্কের আয় হয় তার। সামাজিক মাধ্যমে স্পনসর পোস্টের জন্যই নেন প্রায় ৪০ লাখ রুপি। এ ছাড়া নিজস্ব স্ট্রিটওয়্যার ব্র্যান্ড রয়েছে বিজয়ের। হায়দরাবাদ ব্ল্যাকহকস ভলিবল দলের সহমালিকানাও রয়েছে। অভিনয়ের পাশাপাশি ফ্যাশন, ক্রীড়া ও রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগ করে আয়ের উৎস বহুমুখী করে ধরে রেখেছেন তিনি।

    হায়দরাবাদের জুবিলি হিলসে প্রায় ১৫ কোটি রুপির বিলাসবহুল বাংলো রয়েছে বিজয়ের। গাড়ির তালিকায় আছে—বিএমডব্লিউ ৫ সিরিজ, ফোর্ড মাস্ট্যাং, ভলভো এক্সসি৯০ ও রেঞ্জ রোভার। প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ৩০ কোটি রুপির একটি প্রাইভেট জেটও রয়েছে তার, যা তার বিলাসী সম্পদের তালিকায় বিশেষ সংযোজন।

    এ মুহূর্তে দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে ১৩০ কোটির পাওয়ার কাপল বিজয় ও রাশমিকা। দুজনের সম্পদ মিলিয়ে মোট মূল্য ১৩০ কোটিরও বেশি। দক্ষিণী সিনেমায় তরুণ প্রজন্মের সবচেয়ে প্রভাবশালী তারকা জুটি হয়ে উঠছেন বিজয়-রাশমিকা। আজ সকালে শুভ মুহূর্তে তেলেগু রীতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়। সন্ধ্যায় কনে অর্থাৎ রাশমিকার পরিবার কোডাভা প্রথা অনুযায়ী বাকি রীতি পালন করে। পরে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাতটার দিকে বিয়ের ছবি প্রকাশ করেন রাশমিকা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বিজয়-রাশমিকা

    দীর্ঘ আট বছর প্রেমের পর চার হাত এক করলেন ভারতীয় সিনেমার আলোচিত দুই তারকা বিজয় দেবরকোণ্ডা ও রাশমিকা মান্দানা। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ভারতের রাজস্থানের উদয়পুরের একটি বিলাসবহুল হোটেলে রাজকীয় আয়োজনে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তারা।

    জানা যায়, এদিন সকাল ও দুপুরে পৃথক দুই রীতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন এই তারকা যুগল।

    ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, উদয়পুর শহর থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত আইটিসি মাম্য-সুভেনিয়ার হোটেলে অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে তাদের এই বিয়ের আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

    নবদম্পতির পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ১০ মিনিটে প্রথমে বিজয়ের পরিবারের প্রথা অনুযায়ী তেলেগু রীতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। এরপর বিকেল ৪টায় রাশমিকার জন্মস্থান কর্ণাটকের কুর্গ বা কোডাভা রীতিতে দ্বিতীয়বারের মতো সাতপাকে বাধা পড়েন দুজন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বিয়ের আগেও ভেন্যুতে একাধিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সংগীতের আসরে এই জুটি অভিনীত জনপ্রিয় সিনেমা ‘গীতা গোবিন্দম’ ও ‘ডিয়ার কমরেড’-এর গানে নাচতে দেখা যায় বিজয়-রাশমিকাকে। এছাড়া ‘পুষ্পা’ সিনেমার ভাইরাল গান ‘পিলিংস’-এর তালে অতিথিরাও নাচে অংশ নেন। এদিন পুরো ভেন্যু সাজানো হয় গোলাপি গোলাপের পাপড়ি ও গাঁদা ফুলের নান্দনিক কারুকার্যে।

    ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিয়ের ভোজেও ছিল আদ্যোপান্ত দক্ষিণী সংস্কৃতির ছোঁয়া। অতিথিদের কলাপাতায় ঐতিহ্যবাহী খাবার পরিবেশন করা হয়।

    খাবারের তালিকায় ছিল হায়দ্রাবাদি দম বিরিয়ানি, অন্ধ্রপ্রদেশের বিশেষ মুরগির পদ ‘নাটু কোডি পুলুস’, মেডু বড়া এবং কর্ণাটকের বিখ্যাত ‘পান্ডি কারি’। মিষ্টি হিসেবে ছিল মহীশূর পাক। ডাবের পানি দিয়ে অতিথিদের ভেন্যুতে স্বাগত জানানো হয়।

    বিয়ের অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের সদস্য সহ শোবিজ থেকে নির্মাতা সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গা, রাহুল রবীন্দ্রন, অভিনেত্রী কল্যাণী প্রিয়দর্শন এবং এশা রেব্বার মতো তারকারা উপস্থিত ছিলেন। তবে বিজয়-রাশমিকার কেউই এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের কোনো ছবি প্রকাশ করেননি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিজয়-রাশমিকাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠি মোদির, কী লেখা আছে এতে?

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম জনপ্রিয় জুটি বিজয় দেবরকোন্ডা ও রাশমিকা মন্দানা আজ (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজস্থানের উদয়পুরে রাজকীয় অনুষ্ঠানমণ্ডপে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন। দীর্ঘদিনের জল্পনার অবসান ঘটিয়ে তারা নতুন জীবনের শুরু করতে যাচ্ছেন। এ বিশেষ মুহূর্তকে আরও স্মরণীয় করে তুলেছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এর একটি শুভেচ্ছাবার্তা।

    চিঠিতে মোদি বিজয়–রাশমিকার উভয় পরিবারকে বিয়ের শুভক্ষণে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, বিজয় ও রাশমিকার বিয়ের আমন্ত্রণ পেয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও সম্মানিত। দেবরকোন্ডা এবং মন্দানা পরিবারকে এ আনন্দময় অনুষ্ঠান উপলক্ষে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা।

    তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, এটি বিজয় ও রাশমিকার জীবনের নতুন ও সুন্দর অধ্যায়ের সূচনা। সাত ধাপ একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার পর তারা জীবনের সঙ্গী ও বন্ধু হিসেবে একে অপরের পাশে থাকবে। বিজয় বা রাশমিকা চলচ্চিত্র জগতে নতুন নন, কিন্তু তাদের বাস্তব জীবনের এ নতুন অধ্যায় প্রেম, স্নেহ এবং বন্ধুত্বে ভরা, যা রূপালী পর্দার জাদুকে ছাপিয়ে যাবে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    চিঠির শেষাংশে মোদি লিখেছেন, আগামী দিন, মাস ও বছরগুলো তাদের ভাগাভাগি করা স্বপ্ন এবং পরিপূর্ণতায় ভরে উঠুক। তারা একে অপরের শক্তি থেকে শিখবে, অপূর্ণতাকে আলিঙ্গন করবে এবং সত্যিকারের জীবনসঙ্গী হিসেবে দায়িত্ব ভাগাভাগি করে চলবে।

    সম্প্রতি এই জুটি সামাজিক মাধ্যমে আবেগঘন পোস্টের মাধ্যমে বিয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন। ভক্তদের প্রিয় নাম বিরোশকে সম্মান জানিয়ে তারা লিখেছেন, কোনো পরিকল্পনার আগে ভক্তদের ভালোবাসাতেই তারা এক হয়ে গেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আজ বিয়ের পিঁড়িতে বিজয়-রাশমিকা, থাকছে অতিথিদের খাবার পরিবেশনে ভিন্নতা

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা ও অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডার বিয়ে নিয়ে লুকোচুরি খেলা শেষ। আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সাতপাকে বাঁধা পড়ছেন এ তারকা জুটি। বিলাসবহুল রিসোর্টে বিয়ের আয়োজন করা হয়েছে। সব প্রস্তুতি শেষ, থাকছে বিয়েতে অতিথিদের খাবার পরিবেশনে ভিন্নতা।

    বহুদিনের জল্পনা-গুঞ্জন আর অগণিত ভক্ত-অনুরাগীদের কৌতূহলের অবসান ঘটিয়ে আজই মালাবদল দুই জনপ্রিয় মুখ বিজয় ও রাশমিকার।

    এর আগে সামাজিক মাধ্যমে ‘দ্য ওয়েডিং অব বিরোশ’ নাম দিয়ে ঘোষণা দিয়েছেন এ তারকা জুটি। এরপর থেকেই বলিউড থেকে টালিউড— সবখানেই শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা।

    ‘বিরোশ’ এই নামটি নতুন নয়; বহু বছর ধরেই ভক্তরা এই যুগলকে ভালোবেসে এ নামেই ডাকেন। ২২ ফেব্রুয়ারি সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে দেওয়া পোস্টে বিজয় ও রাশমিকা জানান, তাদের সম্পর্কের যাত্রাপথে ভক্তদের দেওয়া এই নাম বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। তাই বিয়ের নামও রাখা হয়েছে ‘দ্য ওয়েডিং অব বিরোশ’। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এদিকে ‘বিরোশ’-এর বিয়ের আয়োজন নিয়েও মিলেছে নতুন তথ্য। জমকালো তারকাখচিত অনুষ্ঠানের মধ্যেও দক্ষিণ ভারতের ঐতিহ্যকে প্রাধান্য দিচ্ছেন এ তারকা জুটি। অতিথিদের জন্য রাখা হবে কলাপাতায় পরিবেশিত ভোজ। দক্ষিণ ভারতীয় সংস্কৃতিতে কলাপাতায় খাবার পরিবেশন সমৃদ্ধি ও শুভসূচনার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। এর পাশাপাশি আপ্যায়নে বিশেষভাবে থাকবে ডাবের পানি, যা পবিত্রতা ও আন্তরিক আতিথেয়তার চিহ্ন।

    আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজস্থানের ঐতিহাসিক শহর উদয়পুরে  ঘনিষ্ঠ পরিসরে অনুষ্ঠিত হবে মূল বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। উপস্থিত থাকবেন দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা। ঐতিহ্য আর তারকাখ্যাতির মেলবন্ধনে ‘দ্য ওয়েডিং অব বিরোশ’ এখন বিনোদন অঙ্গনের সবচেয়ে আলোচিত আয়োজন। এখন ভক্ত-অনুরাগীদের অপেক্ষা রাজকীয় সেই বিয়ের মুহূর্তগুলোর জন্য।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিলাসবহুল রিসোর্টে বিয়ে করছেন বিজয়-রাশমিকা, যা জানা গেল

    দীর্ঘদিনের জল্পনা ও গুঞ্জনের অবসান করে অবশেষে চার হাত এক করছেন ভারতীয় সিনেমার জনপ্রিয় দুই তারকা বিজয় দেবরকোণ্ডা ও রাশমিকা মান্দানা। সব ঠিক থাকলে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজস্থানের হ্রদ–নগরী উদয়পুরে বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন তারা। সেখানকার বিলাসবহুল রিসোর্ট আইটিসি মেমেন্টোস-এ দুজনের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা হবে।

    ভেন্যুটি উদয়পুর শহর থেকে ২৫-৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

    জানা যায়, অনুষ্ঠানে দুই তারকার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও পরিবারের সদস্যসহ প্রায় ১০০ জন অতিথির উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।  আরাবল্লী পর্বতমালার কোলে অবস্থিত এই রিসোর্টটি রাজকীয় স্থাপত্য, প্রশস্ত সবুজ প্রাঙ্গণ ও শান্ত পরিবেশের জন্য পরিচিত।

    জানা যায়, রিসোর্টটিতে রাশমিকা ও বিজয়ের জন্য দুটি বিশেষ স্যুট বুক করা হয়েছে—আরাবল্লী স্যুট; প্রায় ৮৫ বর্গমিটার আয়তনের এই স্যুট থেকে দেখা যায় আরাবল্লী পর্বতমালার মনোরম দৃশ্য। এতে আরও রয়েছে ব্যক্তিগত সুইমিংপুল ও আলাদা সিট-আউট স্পেস। প্রতি রাতের ভাড়া আনুমানিক ৮৬ হাজার রুপি।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মেমেন্টোস স্যুট—এটি আরও প্রশস্ত, প্রায় ১২৭ বর্গমিটার আয়তনের এই স্যুটের প্রতি রাতের ভাড়া প্রায় ১ লাখ ৭৯ হাজার রুপি।

    এদিকে আলোচিত এই যুগলের বিয়ের খবর ছড়িয়ে পড়তেই উদয়পুরের বেশ কয়েকটি বিলাসবহুল রিসোর্ট ও বুটিক হোটেলের কক্ষভাড়াও বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

    এদিকে বিয়ে ঘিরে ইতোমধ্যেই ভেন্যুতে নানা আয়োজন শুরু হয়েছে।  এরই মাঝে জমকালো পুল পার্টি ও মেহেদি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) গায়ে হলুদ ও সংগীত অনুষ্ঠানের পর ২৬ ফেব্রুয়ারি বিয়ের মূল আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে।

    উল্লেখ্য, ‘লেক সিটি’ নামে পরিচিত উদয়পুর একসময় মেওয়ার রাজ্যের রাজধানী ছিল। প্রাসাদ, হ্রদ আর পাহাড় মিলিয়ে শহরটির আবহ নিজেই যেন এক রূপকথা—সেই পটভূমিতেই সাজছে এই তারকাদের বিয়ের মঞ্চ।

    সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে 

    বিনোদন ডেস্ক