Tag: রাশমিকা মান্দানা

  • রাশমিকাকে নিয়ে যা বললেন কৃতি শ্যানন

    ২০১২ সালে মুক্তি পেয়েছিল ‘ককটেল’ সিনেমা। হোমি পরিচালিত সেই সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন, ডায়না পেন্টি, সাইফ আলি খান প্রমুখ। সিনেমায় ভেরোনিকা চরিত্রে অভিনয় মুগ্ধ করেছিলেন দীপিকা। 

    এবার ‘ককটেল ২’ সিনেমায় অভিনয় করছেন দুই নায়িকা— রাশমিকা মান্দানা ও কৃতি শ্যানন। গত কয়েক বছরে রাশমিকা মান্দানা অভিনীত প্রায় সবকটি সিনেমাই বক্স অফিসে সফল হয়েছে। যদিও সেগুলো অধিকাংশই নায়ককেন্দ্রিক সিনেমা। অন্যদিকে কৃতির সিনেমা বক্স অফিসে ভালো ব্যবসা না করলেও তার অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে।

    রাশমিকা মান্দানাকে নিয়ে কি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন কৃতি শ্যানন? রাশমিকা মান্দানার সৌন্দর্যেরও অনুরাগী অনেক। পাল্লা দেন কৃতি শ্যাননও। কিন্তু একই সিনেমায় অভিনয় করতে গিয়ে কি রাশমিকা মান্দানাকে নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন কৃতি? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে‘মিমি’খ্যাত অভিনেত্রী বললেন, নিরাপত্তাহীনতার কোনো প্রশ্নই নেই। বরং তিনি রাশমিকা মান্দানার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। 

    কৃতি শ্যানন বলেন, রাশমিকা মান্দানাকে নিয়ে তার মনে কোনো ধরনের নিরাপত্তাহীনতা নেই। বরং তিনি তাকে খুব ভালো মনের মানুষ বলেই মনে করেন। শুটিংয়ের সময়ে তাদের মধ্যে দারুণ বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছে বলেও জানিয়েছেন কৃতি। 

    একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে তারা নানা বিষয় নিয়ে মজা করেছেন। কৃতি বলেন, রাশমিকা মান্দানার মধ্যে কোনো নেতিবাচকতা নেই। শুধু ভালোবাসা আর ইতিবাচক মানসিকতা রয়েছে। ও খুবই আন্তরিক ও ভালো মানুষ। ওকে আমি খুব ভালোবাসি।

    এর আগেও রাশমিকা মান্দানার একটি সিনেমার মুক্তির সময়ে কৃতি সামাজিক মাধ্যমে তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন। সেই পোস্ট ঘিরে অনুরাগীদের মধ্যেও দুজনের বন্ধুত্ব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ‘ককটেল ২’ সিনেমায় কৃতি শ্যানন ও রাশমিকা মান্দানা ছাড়াও আরও দেখা যাবে শাহিদ কাপুরকে। সিনেমাটি পরিচালনা করছেন হোমি আদাজানিয়া। ইতিমধ্যে সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। এ সিনেমার গানের একটি দৃশ্য সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করা হয়েছে।  এতে নেটিজেনসহ ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে বেশ সাড়া ফেলেছে। তবে নেটিজেনদের একাংশের মতে, এ সিনেমা কোনোভাবেই প্রথম ‘ককটেল’-কে ছাপিয়ে যেতে পারবে না।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কেন রাশমিকার বিয়ের সাজে মাত্র ৪০ মিনিট পেয়েছিলেন, জানালেন রূপটান শিল্পী

    গত ২৬ ফেব্রুয়ারি উদয়পুরের বিলাসবহুল প্যালেসে বসেছিল দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা ও অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডার বিয়ের আসর। ঘনিষ্ঠ বৃত্তে বিয়ে সারেন তারা। বিয়ের কয়েক ঘণ্টা পর সেই ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে নেন ‘বীরোশ’। ‘পুষ্পা’র বিয়ের ছবি সবার মন ভেঙেছিল ঠিকই; তবে তাদের বিয়ের ছবি ও সাজগোজ নিয়ে আজও চর্চার যেন শেষ নেই।

    বিয়ে থেকে শুরু করে রিসিপশন– প্রতি ক্ষেত্রেই সাজসজ্জায় সেলিব্রেটি দম্পতিদের নিজেদের সংস্কৃতির ছাপ খুঁজে পাওয়া যায়। আর সে কারণেই তাদের সাজসজ্জা যেন অন্য মাত্রা রূপ পায়। শরীরভর্তি গহনা। খোলা চুল। সিঁদুরে লাল রঙের শাড়ি। চওড়া পাড়। ভারি কাজের ব্লাউজ। বিয়েতে যেন স্বর্গের দেবীর মতো সেজেছিলেন অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। অভিনেত্রীর বিয়ের সাজ দেখে মুগ্ধ হননি—এমন মানুষের সংখ্যা নেই বললেই চলে। বেশ কয়েক দিন ধরেই তার সাজ নিয়ে আলোচনাও হয়েছে যথেষ্ট। অন্যদিকে সেই ব্যতিক্রমী বিয়ের সাজে চমক দিয়েছিলেন অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডাও। 

    আর এ সাজগোজে মূল ভূমিকা ছিল তনভি চেমবুরকারের। তিনিই হলেন রূপটান শিল্পী। সম্প্রতি একটি পডকাস্টের এক সাক্ষাৎকার দিতে দেখা গেছে তাকে। রাশমিকা মান্দানাকে বিয়ের সাজ সাজানোর অভিজ্ঞতা সবার সঙ্গে শেয়ার করে নেন তনভি। মাত্র ৪০ মিনিটে নাকি একেবারে নববধূ হয়ে উঠেছিলেন অভিনেত্রী।

    তনভি বলেন, রাশমিকা আনন্দে যেন ঝলমল করছিল। বিয়ের আগের সন্ধ্যায় একটি অনুষ্ঠান ছিল ওর। সুতরাং সেভাবে ঘুমাতে পারেনি। আমাদের বলেছিলেন— সাজানোর জন্য মাত্র ৪০ মিনিট সময় পাবেন। তবে আমরা ঘণ্টাখানেক সময় নিয়েছিলাম।

    এ রূপটান শিল্পী বলেন, একেবারে মাথা থেকে পা পর্যন্ত তৈরি হতে রাশমিকা সব মিলিয়ে দেড় ঘণ্টা সময় নিয়েছিলেন। কিন্তু রাশমিকা খুবই খুশি হয়েছিলেন। এমনকি যখন বিয়ের পর হেঁটে আসছিল, ওর চোখেমুখে যেন আনন্দের ঝিলিক দেখা গিয়েছিল। আর সে কারণে এত সুন্দর লাগছিল অভিনেত্রীকে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    যতই তাড়াহুড়ো থাক না কেন। সাজগোজের ক্ষেত্রে বিয়ের নিয়মরীতি মানতে ভোলেননি সেলিব্রিটি যুগল বলে জানিয়েছেন তনভি। তাদের মেকআপ খুঁটিয়ে দেখলে চোখে পড়ে—বর-বউ দুজনের গালেই একরত্তি কালো টিকা। প্রথম দর্শনে যা তিল ভেবে ভুল হয়ে যায়! ভারতের বেশ কিছু রাজ্যে কিন্তু গালে এমন কালো টিকা এঁকে দেওয়া অত্যন্ত সাধারণ ব্যাপার। বিশেষত বিয়ের সাজের এ এক অবিচ্ছিন্ন অঙ্গই বলা চলে।

    রাশমিকা মান্দানার বিয়ের সাজ এত ভাইরাল তা কখনো আশাই করেননি বলে জানিয়েছেন তনভি চেমবুরকার। অভিনেত্রী নাকি তনভিকে বারবার বলেছেন— মেকআপ যেন কোনোভাবেই উগ্র না হয়ে যায়। অর্থাৎ তিনি যেমন, তেমনই যেন দেখতে লাগে বিয়ের সাজে। সেই মতো কাজ শুরু করেন তনভি। বেস মেকআপের পরই চোখসজ্জার কাজ শুরু করেন তিনি। রাশমিকার চোখ এতই সুন্দর যে আর বিশেষ সাজানোর প্রয়োজন পড়েনি বলেই জানান এ রূপটান শিল্পী।

    তিনি বলেন, শুধু বিয়েই নয়; যে কোনো ইভেন্টে যাওয়ার আগেও রাশমিকার সাজগোজের দায়িত্ব নেন তিনি। রাশমিকার সঙ্গে কাজ করে খুবই খুশি তিনি। রাশমিকার উচ্ছলতাই তাকে আরও বেশি মোহময়ী করে তোলে বলেই জানান তনভি।

    বিয়েতে গোপনীয়তা বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নেন বিজয়-রাশমিকা। ‘বীরোশ’ ছাড়া অন্য কেউ যাতে ছবি ভাইরাল করতে না পারেন, সেদিকে সবার নজর ছিল। সে কারণে অভিনেত্রীকে সাজানোর সময় ‘নো ফোন পলিসি’ মেনে চলেন রূপটান শিল্পী তনভিও। সাজগোজ করানোর পর দুজনের বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি। বহুদিন পর কারও বিয়ের অনুষ্ঠানে এতটা মজা করেন বলেই জানান এ রূপটান শিল্পী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘রাকা’ সিনেমায় দীপিকার সাতগুণ পারিশ্রমিক আল্লুর, রাশমিকা পাচ্ছেন কত?

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেতা আল্লু অর্জুনের নতুন সিনেমা ‘রাকা’ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে শুরু হয়েছে ব্যাপক উন্মাদনা। বিশেষ করে সেখানে দেখা যাচ্ছে, অভিনেতার ৪৪তম জন্মদিনে সিনেমাটির প্রথম ঝলক প্রকাশের পর সেই কৌতূহল আরও বেড়েছে। এবার জানা গেল এই বিশাল বাজেটের সিনেমায় অভিনয়শিল্পীদের পারিশ্রমিকের অঙ্ক। 

    সম্প্রতি গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ‘রাকা’ সিনেমাটিতে অভিনয়ের জন্য অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোনের তুলনায় সাতগুণ বেশি পারিশ্রমিক নিয়েছেন সুপারস্টার আল্লু অর্জুন। ৭০০ কোটি রুপি বাজেটের এ সিনেমায় অভিনেতাকে দেখা যাবে ভিন্ন তিনটি চরিত্রে । এর মধ্যে একটি হচ্ছে—পুলিশের চরিত্র। অন্যটি সেই পুলিশ কর্মকর্তার ভাই—যিনি অর্ধেক মানুষ অর্ধেক দৈত্য। আর তৃতীয়টি হচ্ছে— এই দুই ভাইয়ের বাবার চরিত্র। একই সিনেমায় তিনটি বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয়ের জন্য এ তারকা প্রায় ১৭৫ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিচ্ছেন।

    এরই মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে সিনেমাটির প্রথম ঝলকে আল্লু অর্জুনের রহস্যময় লুক নেটিজেনদের মাঝে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। চোখে গাঢ় কাজল ও হাতে পশুর মতো বড় নখসংবলিত তার এই নতুন রূপ ভক্তদের বেশ চমকে দিয়েছে।  ইতোমধ্যে পরিচালক অ্যাটলি নির্মাণ শুরু করেছেন ‘রাকা’ সিনেমা। এর শুটিং বর্তমানে মুম্বাইয়ে চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি বছরের শেষের দিকে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে পারে ‘রাকা’।

    এদিকে ‘রাকা’ সিনেমায় আল্লু অর্জুন ছাড়াও অভিনয় করছেন অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন ও দক্ষিণী অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানাও। সিনেমাটির জন্য দীপিকা পারিশ্রমিক নিচ্ছেন ২৫ কোটি রুপি। অন্যদিকে  রাশমিকা নিচ্ছেন ৫ কোটি রুপি পারিশ্রমিক। অর্থাৎ দীপিকার প্রাপ্ত পারিশ্রমিকের সাতগুণ বেশি অর্থ নিচ্ছেন আল্লু অর্জুন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাশমিকা আসছেন বিধ্বংসী রূপে

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানার জন্মদিন ছিল রোববার (৫ এপ্রিল)। অভিনেত্রীর বিশেষ এই দিনে তার নতুন সিনেমা ‘মাইসা’র একটি পোস্টার প্রকাশ করে চমক দিলেন নির্মাতারা। সেই পোস্টারে অভিনেত্রীকে এক বিধ্বংসী লুকে দেখা গেছে।

    সাদাকালো পোস্টারটিতে তাকে দেখা গেছে ভিন্ন এক অবতারে। ফুটে উঠেছে রাশমিকা মান্দানার মুখে আঘাতের চিহ্ন এবং চোখেমুখে প্রতিশোধের আভা, যা দেখে স্পষ্ট বোঝা গেছে— এ সিনেমায় তাকে বেশ চ্যালেঞ্জিং ও মারকুটে একটি চরিত্রে দেখা যাবে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পোস্টারটি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে নির্মাতা রবীন্দ্র পুল্লে লিখেছেন— ‘তিনি মায়া দিয়ে শাসন করেছেন, লাবণ্য দিয়ে জয় করেছেন; এবার আসছেন রণচণ্ডী মূর্তিতে। রাশমিকার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বিধ্বংসী পারফরম্যান্স দেখার জন্য তৈরি হোন।’ আনফর্মুলা ফিল্মসের প্রযোজনায় ও রবীন্দ্র পুল্লের পরিচালনায় উপজাতীয় পটভূমিতে নির্মিত অ্যাকশন ঘরানার গল্প নিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে ‘মাইসা’ সিনেমাটি। এ সিনেমাটি চলতি বছরেই মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

    উল্লেখ্য, রাশমিকা মান্দানা ব্যক্তিগত জীবনে বড় পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছেন। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজস্থানের উদয়পুরে দীর্ঘদিনের প্রেমিক অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। এরপর ৪ মার্চ হায়দরাবাদে চলচ্চিত্রাঙ্গনের কাছের বন্ধুদের নিয়ে একটি বর্ণাঢ্য বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। নিজেদের বিয়ের আনন্দ সাধারণ মানুষের সঙ্গে শেয়ার করে নিতে ভারতজুড়ে মিষ্টি বিতরণ ও বিভিন্ন মন্দিরে অন্নদানের আয়োজনও করেছিলেন এ তারকা দম্পতি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিজয়-রাশমিকার যে পোস্ট নিয়ে নেটিজেনদের মাঝে তোলপাড়

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা ও অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডাকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা-কল্পনা। বিয়ের দেড় মাস না পেরোতেই এক পোস্টে যেন ঝড় তুলেছেন। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও শেয়ার করে নিয়েছেন এ তারকা দম্পতি। সেই পোস্টের ক্যাপশনে লিখেছেন— ‘আমরা এখন তিনজন।’ আর তাতেই সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকেই প্রশংসা করেছেন। আবার অনেকের কটাক্ষে ভরে উঠেছে মন্তব্যের ঘর। ফলে শুভেচ্ছাবার্তায় ভরে উঠেছে মন্তব্যের ঘর। 

    ভক্ত-অনুরাগীদের অনেকেই ধরে নিয়েছেন— খুব শিগগির বাবা-মা হতে চলেছেন বিজয়-রাশমিকা। এত কিছুর পরও এ তারকা জুটি বিষয়টি নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কিছু জানাননি। ফলে এই ‘তিনজন হওয়ার’ বার্তা ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।

    নেটিজেনদের মাঝে এই জল্পনা-কল্পনার মধ্যেই নতুন করে কৌতূহল তৈরি হয়েছে আরেকটি বিষয় নিয়ে। অভিনেত্রী তার পোস্টে ‘টেরিবলি টাইনি’ নামে একটি অ্যাকাউন্ট ট্যাগ করেছেন। এতে অনেকের ধারণা— এটি হয়তো কোনো নতুন কাজ বা প্রজেক্টের ইঙ্গিতও হতে পারে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন
     

    তাই সত্যিই কি নতুন অতিথি আসছে? নাকি এটি শুধুই প্রচারের অংশ, তা নিয়ে নিশ্চিত কিছু বলা যাচ্ছে না।

    অন্যদিকে সামাজিক মাধ্যমের একাংশ এই পোস্ট ঘিরে প্রশ্নও তুলেছেন। এক নেটিজেন জানতে চেয়েছেন, বিয়ের আগেই কি অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন রাশমিকা মান্দানা? আবার অনেকে অভিনেত্রী আলিয়া ভাটের সঙ্গেও তুলনা করেছেন। 

    উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজস্থানের উদয়পুরে রাজকীয় আয়োজনে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন বিজয় দেবেরাকোন্ডা  ও রাশমিকা মান্দানা। বিয়ের পর থেকেই এ জুটিকে ঘিরে ভক্তদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে। তাদের বিয়েতে অন্ধ্রপ্রদেশ ও কোদাবা উভয় ঐতিহ্যের মিশ্রণ ছিল। ৪ মার্চ তারা হায়দ্রাবাদে বিনোদন জগতের বন্ধুদের জন্য একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। এমনকি বিবাহের এক মাস পূর্তি উপলক্ষ্যে অন্ধ্রপ্রদেশের অনন্তপুরের একটি মন্দিরে পূজা দিতে যাওয়ার ছবিও সামাজিক মাধ্যমে বেশ আলোচনায় আসে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ের পর হানিমুনের বদলে ‘বাডিমুন’ ট্রেন্ডে বিজয়-রাশমিকা, কী এটি?

    সাধারণত তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন সবসময়ই ভক্ত-অনুরাগীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে। বিশেষ করে বিয়ে ও মধুচন্দ্রিমা নিয়ে কৌতূহল থাকে তুঙ্গে। সাধারণত জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের পর নবদম্পতিরা নির্জনে সময় কাটাতে বিদেশের বিলাসবহুল হোটেল-সাগরপাড়সহ নানা গন্তব্যে পাড়ি জমান। তবে সেই প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় দুই তারকা বিজয় ও রাশমিকা।

    এরপর এ তারকা জুটি মধুচন্দ্রিমা উদযাপনে প্রথাগত ধারা ভেঙে ‘বাডিমুন’ (Buddymoon) ট্রেন্ড বেছে নিয়েছেন। বর্তমানে থাইল্যান্ডের মনোরম দ্বীপ কোহ সামুইতে সময় কাটাচ্ছেন তারা।

    সাধারণত হানিমুন মানেই নবদম্পতির একান্ত সময় কাটানো। কিন্তু বিজয় ও রাশমিকা তাদের সেই বিশেষ ভ্রমণে ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সঙ্গে নিয়েছেন। একেই বলা হচ্ছে— ‘বাডিমুন’, যেখানে দম্পতিরা তাদের বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে আনন্দ ভাগ করে নেন।

    বন্ধুদের সঙ্গে থাকলেও তারা কোহ সামুইয়ের একটি প্রাইভেট ভিলা ও রিসোর্টে নিজেদের মতো করে আনন্দঘ সময় কাটাচ্ছেন। সামাজিক মাধ্যমে তাদের শেয়ার করা জলকেলি ও খুনসুঁটির ভিডিও ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়েছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এ প্রসঙ্গে রাশমিকা মান্দানা বলেছেন, ভ্রমণ তার কাছে মানে— পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে স্মৃতি তৈরি করা। একসঙ্গে সময় কাটানো, খেলাধুলা, সুইমিংপুলে আড্ডা, সূর্যাস্ত উপভোগ করা কিংবা নতুন খাবারের স্বাদ নেওয়া— এসবই তাদের আনন্দের অংশ।

    অন্যদিকে বিজয় দেবেরাকোন্ডা বলেছেন, তিনি একা থাকতে পছন্দ করেন না। বরং প্রিয়জনদের সঙ্গেই সময় কাটাতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় সুপারস্টার বিজয় দেবেরকোন্ডা ও অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা সাতপাকে বাঁধা পড়েছেন গত ২৬ ফেব্রুয়ারি। উদয়পুরে জাঁকজমকপূর্ণভাবে বিয়ে হয় এ তারকা জুটির।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হানিমুনের মধ্যেই রাশমিকার আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি

    সম্প্রতি অভিনেতা বিজয় দেবরকোণ্ডার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন ‘অ্যানিমেল’খ্যাত অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। বিয়ের পর বর্তমানে এই জুটি হানিমুনে রয়েছেন।

    তবে তাদের জমকালো বিয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই এক পুরোনো বিতর্ক নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। রাশমিকার মা সুমনের আট বছর আগের একটি অডিও ক্লিপ সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।  এ নিয়েই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

    রাশমিকা তার ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

    বিবৃতিতে রাশমিকা জানান, গত আট বছর ধরে তাকে নিয়ে নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচার চালানো হলেও তিনি ধৈর্য ধরে নীরব ছিলেন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের সীমা অতিক্রম করা হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    রাশমিকা অভিযোগ করেন, তার কথাকে প্রায়ই প্রসঙ্গের বাইরে নিয়ে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয় এবং স্রেফ ভিউ বা এনগেজমেন্ট বাড়ানোর জন্য ঘৃণা ছড়ানো হয়। আট বছর আগে তার মায়ের একটি ব্যক্তিগত কথোপকথন অনুমতি ছাড়া রেকর্ড এবং প্রচার করাকে তিনি ‘সিরিয়াস ইনভেসন অব প্রাইভেসি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। পাশাপাশি এ বিতর্কে তার পরিবার এবং তার সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকা ব্যক্তিদের টেনে আনায় তিনি গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

    এছাড়া অভিনেত্রী ওই ক্লিপটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে সরিয়ে ফেলার জন্য ২৪ ঘণ্টার সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আগামীকাল থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, ইনফ্লুয়েন্সার বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠানোসহ যথাযথ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’

    প্রসঙ্গত, ভাইরাল হওয়া ওই অডিও ক্লিপটিতে রাশমিকার মা সুমনকে তার মেয়ের প্রাক্তন বাগদত্তা রক্ষিত শেঠির সঙ্গে বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে কথা বলতে শোনা যায়।

    সেখানে দাবি করা হয়, বিয়ের পর অভিনয় চালিয়ে যাওয়া নিয়ে দ্বিমত এবং বিজয় দেবরকোণ্ডার সঙ্গে ‘গীতা গোবিন্দম’ সিনেমায় রাশমিকার একটি রোমান্টিক দৃশ্য নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতাই ছিল সেই বিচ্ছেদের কারণ।

    উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে ‘কিরিক পার্টি’ সিনেমার সেটে অভিনেতা ও পরিচালক রক্ষিত শেঠির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান রাশমিকা। ২০১৭ সালে তাদের বাগদান সম্পন্ন হলেও এক বছরের মাথায় সেই সম্পর্ক ভেঙে যায়। পরবর্তী সময়ে বিজয় দেবরকোণ্ডার সঙ্গে বন্ধুত্ব ও প্রেমের পর সম্প্রতি বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিজয়-রাশমিকার রিসেপশনে খালি পায়ে হাজির রামচরণ, জানা গেল রহস্য

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় সুপারস্টার বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানার বিয়ের রিসেপশনে হায়দরাবাদে বসেছিল চাঁদের হাট। কিন্তু সব লাইমলাইট কেড়ে নিলেন আরেক দক্ষিণী সুপারস্টার রামচরণ। কারণ এই জমকালো পার্টিতে তিনি যখন প্রবেশ করলেন, তখন তার পায়ে ছিল না কোনো জুতা, যা উপস্থিত সবাইকে হতবাক করেছে।

    গ্ল্যামার আর আভিজাত্যে মোড়া রাশমিকা-বিজয়ের রিসেপশনের রাত। চারদিকে ঝলমলে আলো আর দামি সব জুতা ও পোশাকের বাহার। তার মাঝেই সম্পূর্ণ খালি পায়ে হেঁটে এলেন রামচরণ! এ দক্ষিণী সুপারস্টার হঠাৎ কেন খালি পায়ে হাজির বিয়ে বাড়িতে? কোনো ফ্যাশন স্টেটমেন্ট নয়, বরং এক কঠোর আধ্যাত্মিক ব্রত পালনের জন্যই এ সিদ্ধান্ত ‘আরআরআর’খ্যাত এ অভিনেতার।

    প্রতি বছরই অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে ‘আয়াপ্পা দীক্ষা’ পালন করেন রামচরণ। এটি কেরালার সবরিমালা মন্দিরে যাওয়ার আগে পালন করা একটি ৪১ দিনের কঠিন ব্রত। এ নিয়ম অনুযায়ী, ভক্তদের কালো পোশাক পরতে হয় এবং খালি পায়ে থাকতে হয়। এ ছাড়া আমিষ খাবার ত্যাগ করা এবং মেঝেতে ঘুমানোর মতো আরও অনেক নিয়ম কঠোরভাবে মানতে হয়।

    বিজয় ও রাশমিকা তার খুব কাছের বন্ধু। তাই ব্রত চলাকালীন নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে আসলেও নিজের আধ্যাত্মিক নিয়ম ভাঙতে চাননি রামচরণ। ফরমাল স্যুট পরলেও পায়ের জুতা বর্জন করে তিনি বুঝিয়ে দিলেন, সাফল্যের শিখরে থাকলেও শিকড় ও সংস্কৃতির প্রতি তার শ্রদ্ধা অটুট।

    রামচরণের এই সরলতা দেখে মুগ্ধ সামাজিক মাধ্যম নেটিজেনরা। এক নেটিজেন লিখেছেন— নিজের সংস্কৃতি আর ধর্মকে এভাবে সবার সামনে তুলে ধরার সাহস কেবল রামচরণের মতোই মানুষের থাকে। 

    রিসেপশনের ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বিজয় ও রাশমিকাও অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে রামচরণকে অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন। তারকার সঙ্গে পৌঁছেছিলেন তার স্ত্রী উপাসনাও। দক্ষিণী ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সব থেকে প্রভাবশালী দম্পতিদের মধ্যে অন্যতম রামচরণ ও উপাসনা। বিজয়-রাশমিকার রিসেপশনে উপাসনা বেছে নিয়েছিলেন এমন এক লুক, যা ঐতিহ্যে ভরপুর। পেশায় সফল উদ্যোক্তা উপাসনা এদিন নিজের ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মানানসই অত্যন্ত মার্জিত পোশাকে ধরা দেন। লাল সালোয়ার স্যুটে মোহময়ী নতুন মা।

    রামচরণকে খালি পায়ে দেখা গেছে এই প্রথম নয়। বিগত বছরগুলোতে, রামচরণকে অনেক বড় অনুষ্ঠানে খালি পায়ে দেখা গেছে। এমনকি রামচরণও অস্কার ২০২৩-এ অংশ নিতে একইভাবে খালি পায়ে পৌঁছেছিলেন। স্বামী রামচরণ যখন খালি পায়ে আধ্যাত্মিক ব্রত পালন করছিলেন, ঠিক তখনই উপাসনা তার যোগ্য জীবনসঙ্গিনী হিসেবে তার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। এ দম্পতির মধ্যে যে সাধারণ জীবনযাপন এবং সংস্কৃতির প্রতি টান রয়েছে, তা তাদের সাজগোজের মাধ্যমেই ফুটে ওঠে। উপাসনা কেবল একজন তারকার স্ত্রী নন, বরং অ্যাপোলো হাসপাতালের অন্যতম ডিরেক্টর হিসেবে তার নিজের একটি শক্তিশালী পরিচয় রয়েছে, যা তার আত্মবিশ্বাসী সাজে স্পষ্ট ধরা পড়ে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ১০ মাস ধরে তৈরি হয় বিজয় ও রাশমিকার বিয়ের অলঙ্কার

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানার বিয়ের গহনা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে আলোচনার ঝড় উঠেছে। বর-কনেকে ছাপিয়ে আলোচনার শীর্ষে এখন বিয়ের গহনা তৈরি নিয়ে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় উদয়পুরের রিসোর্ট থেকে বিজয় দেবরকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানার বিয়ের ছবি ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক মাধ্যমে। এ তারকা জুটির প্রেমের সাক্ষী হয়ে থাকল তাদের সাজ ও গহনা। 

    বর যেন সার্বভৌম সম্রাট, কনে যেন জাগ্রত দেবীমূর্তি। অন্তত এমন ভাবনা থেকেই যুগলকে সাজানো হয়েছিল। রাশমিকা-বিজয়ের বিয়ের জন্য যারা গহনা বানিয়েছেন, সেই গহনা সংস্থার প্রতিনিধিরাই সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সে কথা জানিয়েছেন।

    আজকের দিনে যখন বিয়ের সাজ অনেক সময়ে চলতি হাওয়ার পন্থি হয়ে পড়ে, সেখানে রাশমিকা-বিজয়ের আয়োজন মনে করিয়ে দেয়, ফ্যাশনও হতে পারে ঐতিহ্যের ভাষা। দুজনের গহনার পালিশেও অনন্যতা ছিল। ঝলমলে, চকচকে সোনার গহনা পরতে চাননি তারা। পরেছেন ‘অ্যান্টিক’ পালিশের গহনা, অর্থাৎ হালকা কালচে ভাব রাখা হয়েছে পালিশ করার সময়ে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম পরে আসা গহনা, সাজের ঐতিহ্যকে তুলে ধরাই ছিল উদ্দেশ্য।

    এদিকে বিজয়ের গহনা তৈরি হয়েছে এক রাজসিক ভাবনা থেকে। যেন এক সার্বভৌম রাজার প্রতিচ্ছবি। বিয়ের সাজ, বিয়ের অলঙ্কার মানেই আজকাল কেবল কনের সাজের কথা বলা হয়, কনের অলঙ্কারকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু সেখানেই আলাদা হলেন বিজয় দেবেরাকোন্ডা। রাজকীয় গহনায় সেজে উঠে কনের লাইমলাইট কেড়ে নিলেন তিনি। বিজয়ের ব্যক্তিত্বের দৃঢ়তা প্রকাশ পেয়েছে তার বিয়ের সাজে। সাদা ধুতির সঙ্গে একটি মাত্র লাল উত্তরীয় ছিল তার পরনে। আর সব নজর কেড়েছে বাজুবন্ধ, কোমরবন্ধ, কানপাশা, খাড়ু ও মোটা হার। বিজয়ের হাতের গহনায় ছিল হাতি আর ফুলের মোটিফের নকশা। তার কোমরবন্ধে স্পষ্ট ছিল বাঘের নকশা। একই সঙ্গে জ্ঞান, সুন্দর ও সাহসের প্রতীক হয়ে রয়ে গেছে তার সব অলঙ্কার। জালির সূক্ষ্ম নকশা ছিল বিজয়ের গহনাগুলোতে। রাশমিকার মতো তার কপালেও বাঁধা রয়েছে বাসিকম। তারও কানে সোনার দুল। তারও আঙুলে আংটি। হাতে ও পায়ে আলতার মৃদু আভা ও দৃঢ় অলঙ্কারের যুগলবন্দিই বিজয়ের সাজের মুখ্যচরিত্রে রয়েছে। এখানেই বিজয়ের সাজ অনন্য।

    তেলেগু ও কোডাভা রীতি মেনে দুবার বিয়ে হয়েছে রাশমিকা মান্দানা ও বিজয়ের। তেলেগুমতে, বিয়ের ছবিগুলোই এখন সাড়া ফেলেছে চারদিকে। আধুনিক সাজসজ্জার পরিবর্তে কয়েক দশক আগের ‘প্রাইমাল’ রীতি মেনে আসর সাজানো হয়েছিল। একই ভাবে বর-কনেও তাদের সাজে পরম্পরাকেই অগ্রাধিকার দিয়েছেন।

    নির্দিষ্ট ওই গহনা সংস্থা প্রায় ১০ মাস ধরে রাশমিকা-বিজয়ের বিয়ের গহনা নিয়ে কাজ করেছে। পরিকল্পনা, নকশা ও কারিগরি— যুগলের নিজস্ব পছন্দকে গুরুত্ব দিয়ে গহনা বানাতে প্রায় এক বছরের কাছাকাছি সময় লেগেছে। একেবারে কাস্টমাইজড সংগ্রহ। আর তাই তাদের গহনায় বাজারচলতি চাকচিক্য নয়, বরং দক্ষিণ ভারতের মন্দির স্থাপত্য, প্রাচীন ভাস্কর্য আর ঐতিহ্যের গভীর ছাপ স্পষ্ট হয়েছে। 

    সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর বলেছেন, ‘শিল্পী হিসেবে বিজয়-রাশমিকার গুণমুগ্ধ আমরা। কিন্তু বিয়ের গহনা বানানোর জন্য ঘনিষ্ঠভাবে জানতে হতো তাদের। আর সেই অভিজ্ঞতাটা ছিল অপূর্ব।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বিয়েতে রাশমিকা মান্দানা পরেছিলেন ১১ আইটেম রাজকীয় গহনা। তাকে জীবন্ত দেবীরূপে কল্পনা করেই এ গহনাগুলো বানানো হয়েছে। চোকার ও ভারি স্বর্ণহার (যাকে বলে ‘হারম’) পরানো হয়েছিল তার গলায়, সূক্ষ্ম নকশার কানের দুল, দুল থেকে চুল পর্যন্ত কানটানা (‘চম্পাসরালু’), মাথার চুলের অলঙ্কার (‘জাডা বিল্লা’), হাতফুল, কপালে বাঁধা বাসিকম, মাথাপট্টি, নাকের দুল, হাতভরা বালা, বাজুবন্ধ, কোমরবন্ধ, ঘুঙুর— প্রতিটি আভরণে ছিল রাভা কাজের সূক্ষ্মতা ও পুরনো দিনের গাম্ভীর্য। ঝলমলে হীরার বদলে এখানে প্রাধান্য পেয়েছে মাটির গন্ধমাখা সোনার উজ্জ্বলতা। তার সাজে তাই ছিল ঐশ্বর্য, কিন্তু সঙ্গে এক ধরনের গম্ভীর মর্যাদা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমরা সারা রাত নাচ-গান করেছি: রাশমিকা

    দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানার সিনেমার মতোই বিয়ের প্রতিটি মুহূর্ত। বিয়ের আগে প্রাক-বিবাহ অনুষ্ঠানের মধ্যে সংগীত ও মেহেন্দির রাতও ছিল একেবারেই রোমাঞ্চে ভরপুর। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে নিজেদের সামাজিক মাধ্যম হ্যান্ডেলে সেই বিশেষ মুহূর্তের একগুচ্ছ ছবি শেয়ার করে নেন এ তারকা নবদম্পতি।

    সামাজিক মাধ্যমে সেই রাতের বিশেষ মুহূর্তের অভিজ্ঞতা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রাশমিকা মান্দানা লিখেছেন—এটি এমন একটি দিন ছিল, যেদিন আমি আর বিজয় আলাদা ছিলাম না। আমরা এক হয়ে গিয়েছিলাম। আমাদের পরিবারের সবাইকে খুশি করতে চেয়েছিলাম। তিনি বলেন, আমার জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় রাতের মধ্যে এটি একটি। আমরা সারা রাত নাচ-গান করেছি। সেই রাতের জাদু আমি কখনো ভুলব না।

    সংগীত ও মেহেন্দির অনুষ্ঠানে তারা দুজনে রাজকীয় লুকে ধরা দেন। বিজয় নেভি ব্লু ও অ্যাকোয়া ব্লু রঙের পোশাকে সেজেছিলেন। গলায় ছিল পান্না সবুজ লকেট। অন্যদিকে রাশমিকা পরেছিলেন প্যাস্টেল শেডের লেহেঙ্গা। নাচে-গানে উপস্থিত অতিথিরা মুগ্ধ হন। দুই তারকা যুগল একসঙ্গে পারফরমও করেন। এমনকি ভিন্টেজ গাড়িতে চড়ে ভেন্যুতে গ্র্যান্ড এন্ট্রিও করেন তারা।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার পর বর্তমানে বিবাহোত্তর নিয়ম পালন ও পারিবারিক কাজকর্মে ব্যস্ত এ জুটি। তেলেঙ্গানার গ্রামের খাম্মানপেটের পৈতৃক ভিটায় যান তারা। বাড়িতে গিয়ে সত্যনারায়ণ পূজা প্রদান করেন এ তারকা দম্পতি। তবে এখানেই শেষ নয়, গ্রামে দাঁড়িয়েই এমন কিছু ঘোষণা করলেন, যা শুনে জয়জয়কার পড়ে যায় নবদম্পতির। সেই সঙ্গে গ্রামের পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার জন্য বৃত্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন।

    বুধবার (৪ মার্চ) হায়দরাবাদে বসছে তাদের গ্র্যান্ড রিসেপশন। তারকাখচিত সেই অনুষ্ঠানের ঝলক দেখার জন্য অপেক্ষায় এখন ভক্ত-অনুরাগীরা। এই রাতের আবেগমাখা মুহূর্তগুলো শেয়ার করে নিয়ে রাশমিকা ও বিজয় যেন ভক্তদেরও সেই বিশেষ আনন্দ অনুভব করাতে চেয়েছেন।

    উল্লেখ্য, রাশমিকা মান্দানার সঙ্গে বিয়ের পর বিজয় তার দাতব্য ট্রাস্টের মাধ্যমে তেলেঙ্গানার আচাম্পেট বিভাগের ৪৪ সরকারি স্কুলের নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি প্রকল্প ঘোষণা করেন। এ উদ্যোগের লক্ষ্য হলো— শিক্ষার্থীদের শিক্ষাকে সমর্থন করা এবং আর্থিক বোঝা ছাড়াই একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে সহায়তা করা।

    বিজয় ঘোষণা করার পরপরই রাশমিকা এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন। বিজয়ের এ ঘোষণায় গর্বিত হন অভিনেতার মা। এ ঘোষণার পরেই হাততালিতে ফেটে পড়ে চারদিক। শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, বিজয় তার গ্রামের মানুষকে প্রতিশ্রুতি দেন যে তিনি এখন থেকে নিয়মিত তার গ্রামে যাবেন।

    বিনোদন ডেস্ক