Tag: মৃত্যু

  • রাহুলের মৃত্যুর তদন্তভার পেল সিআইডি

    টালিউডের প্রয়াত জনপ্রিয় অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দোপাধ্যায়। শুটিং করতে গিয়ে এই অভিনেতার অস্বাভাবিক মৃত্যুর প্রায় আড়াই মাস পর এবার তদন্তে এলো নতুন মোড়। জানা গেছে, এবার এই মামলার তদন্তভার নিতে যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। 

    এর আগে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আশ্বাস দিয়েছিলেন। ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, রোববার (১৪ জুন) রাতে এক প্রশাসনিক বৈঠকের পরেই মুখ্যমন্ত্রী এই তদন্তভার সিআইডিকে দেন। 

    অভিনেতার মৃত্যুর ঘটনায় ওডিশা সরকার ইতোমধ্যেই বিশেষ তদন্তকারী দল (এসআইটি) গঠন করেছে। সেই তদন্তের সঙ্গে সমন্বয় রেখে পশ্চিমবঙ্গের পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারকে দ্রুত রাজ্যের ডিজিপির মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করার নির্দেশ দিয়েছেন। যাতে সব আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মামলার তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব হয়। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিনেতার মৃত্যুর নেপথ্যের কারণ বের করতে ওডিশা সরকারকে কড়া নির্দেশ দিয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর। রাহুলের মৃত্যুর পরে শুটিংয়ে তারকাদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ নিয়ে উঠেছিল প্রশ্ন। অল ইন্ডিয়ান সিনে ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন প্রশ্নও তুলেছিল বেশ কিছু বিষয় নিয়ে। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায় ওই সংগঠন। শুধু তাই নয়, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি সুরেশ শ্যামলাল গুপ্ত সরাসরি এ বিষয়ে অভিযোগপত্র জমা দেন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে। 

    সিনে সংগঠনের অভিযোগ, শুটিং চলাকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গাফিলতি ও নিয়ম লঙ্ঘনের জন্যই প্রাণ হারান রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে শুটিং সেটে কোনোরকম গাফিলতি হয়েছে কিনা, সেই তদন্তভার তুলে দেওয়া হয়েছে বিশেষ তদন্তকারী দল এসআইটি-এর হাতে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৯১ বছরে চলে গেলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বিখ্যাত জ্যাজ সংগীতশিল্পী আবদুল্লাহ ইব্রাহিম

    দক্ষিণ আফ্রিকার খ্যাতনামা জ্যাজ সুরকার ও পিয়ানোবাদক আবদুল্লাহ ইব্রাহিম আর নেই। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ৭০টিরও বেশি অ্যালবাম রেকর্ড করা এই গুণী সংগীতশিল্পী মাঝে কিছু দিন অসুস্থ থাকার পর জার্মানিতে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯১ বছর।

    সোমবার (১৫ জুন) তার পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করা হয়। 

    আবদুল্লাহ ইব্রাহিমের সঙ্গী ড. মেরিনা উমারি লিখেছেন, ‘দক্ষিণ আফ্রিকা এবং এর মানুষকে হৃদয়ে ধারণ করে আবদুল্লাহ অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে বিদায় নিয়েছেন। তিনি পৃথিবীর যেখানেই থাকুন না কেন, দেশের প্রতি তার ভালোবাসা কখনো ম্লান হয়নি।’ 

    কেপটাউনে ‘অ্যাডলফ জোহানেস ব্র্যান্ড’ নামে জন্ম নেওয়া এই সংগীতশিল্পী এর আগে জানিয়েছিলেন, মাত্র সাত বছর বয়স থেকেই তিনি সুর করা শুরু করেন। তবে পেশাদার সংগীতশিল্পী হিসেবে তার অভিষেক ঘটে ১৫ বছর বয়সে। 

    ১৯৫০-এর দশকে স্থানীয় জ্যাজ অঙ্গনে ‘ডলার ব্র্যান্ড’ নামে তিনি বেশ পরিচিত ও সমাদৃত হয়ে ওঠেন। পরবর্তীতে ১৯৬০ সালে ‘দ্য জ্যাজ এপিসেলস’ ব্যান্ডের সঙ্গে তিনি একটি অ্যালবাম রেকর্ড করেন। তাদের ‘জ্যাজ এপিসেল ভার্স ওয়ান’ অ্যালবামটি ছিল কৃষ্ণাঙ্গ দক্ষিণ আফ্রিকান সংগীতশিল্পীদের দ্বারা রেকর্ডকৃত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য জ্যাজ এলপি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তাদের সংগীত সরাসরি রাজনৈতিক না হলেও, তৎকালীন বর্ণবাদী সরকারের রোষানল থেকেও তারা রেহাই পাননি। 

    ১৯৬০-এর দশকে ইব্রাহিম ইউরোপে পাড়ি জমান। সেখানে তিনি আমেরিকান জ্যাজ কিংবদন্তি ডিউক এলিংটনের নজরে পড়েন তিনি। এলিংটন তাকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যান। পরবর্তীতে জ্যাজ ছন্দের সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকার ঐতিহ্যবাহী সুরের মিশ্রণ ঘটিয়ে ইব্রাহিম এক অনন্য নিজস্ব ধারা তৈরি করেন। 

    ১৯৭৪ সালে মুক্তি পাওয়া তার বিখ্যাত ট্র্যাক ‘ম্যানেনবার্গ’ দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্বেতাঙ্গ শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামের প্রতীক হয়ে ওঠে। 

    দক্ষিণ আফ্রিকার বাইরে বসবাস করলেও আবদুল্লাহ ইব্রাহিম কখনোই তার শিকড় ভোলেননি। সুযোগ পেলেই তিনি দেশে ফিরে গান গাইতেন। মাত্র তিন মাস আগেও তিনি কেপটাউন আন্তর্জাতিক জ্যাজ উৎসবে তার জীবনের শেষ লাইভ পারফরম্যান্স করেন। 

    সংগীতের পাশাপাশি ইব্রাহিম বেশ কিছু সিনেমার ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোরের কাজও করেছেন। এর মধ্যে ফরাসি নির্মাতা ক্লেয়ার ডেনিসের ‘নো ফিয়ার, নো ডাই’ এবং ‘চকোলেট’-এর মতো ড্রামা ফিল্ম উল্লেখযোগ্য। 

    সফল ক্যারিয়ারে তিনি অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে ‘জার্মান জাজ ট্রফি’ এবং দক্ষিণ আফ্রিকান মিউজিক লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড। 

    সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান ও বিবিসি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিনেত্রীর ঝিলিকের মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য

    ছোট ও বড়পর্দার একসময়ের নিয়মিত মুখ অভিনেত্রী আসমা ঝিলিক শুক্রবার (১২ জুন) রাজধানীর ধানমণ্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালের অষ্টম তলা থেকে পড়ে মৃত্যুবরণ করেন। তার এমন মৃত্যু ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে চাঞ্চল্য। 

    আসমার স্বামীর বিরুদ্ধে তার পরিবার অভিযোগ তুলেছে, পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পর ইতোমধ্যে অভিনেত্রীর স্বামী সাইফুল্লাহকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আসমা ঝিলিক  শাকিব খান অভিনীত ‘রংবাজ’ চলচ্চিত্রে কাজ করে বেশ পরিচিতি পান। 

    ঝিলিকের পরিবারের দাবি, শুক্রবার ঝিলিক ও তার স্বামী সাইফুল্লাহ বাংলাদেশ মেডিকেলে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন। সেখানে রাগারাগির একপর্যায়ে ৮ তলা থেকে ঝিলিককে ফেলে দেন তার স্বামী সাইফুল্লাহ। 

    নিহতের ভাই মোজাম্মেল হক অভিযোগ করে গণমাধ্যমে বলেন, ‘আমার বোনকে ওর স্বামী মেরে ফেলেছে। আমরা ধানমণ্ডি থানায় বোন হত্যার বিচার চেয়ে মামলা করেছি।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এ ঘটনায় ধানমণ্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা প্রাথমিকভাবে হত্যার কোনো প্রমাণ পাইনি। ময়নাতদন্ত হয়েছে। মামলা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’ 

    পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনসহ তদন্তের অন্যান্য তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা হবে। 

    জানা গেছে, আসমা ঝিলিক অভিনয় জগতে কাজ করার সময় প্রযোজক সাইফুল্লাহকে ভালোবেসে বিয়ে করেন। বিয়ের পর সংসারে মন দেয়া ও স্বামীর অনাগ্রহে অভিনয় থেকে দূরে সরে যান তিনি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • মৃত্যুর আগে সালমান শাহর সঙ্গে যে চার ব্যক্তি দেখা করতে গিয়েছিলেন

    ঢালিউডের নব্বই দশকের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ (চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন)। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর নিজ বাড়িতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তবে এই অভিনেতার মৃত্যুর ৩০ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো তার সঠিক কারণ কি ছিল তা নিয়ে জল্পনা থামছেই না। 

    সম্প্রতি সালমান শাহর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে প্রখ্যাত এই চিত্রনায়কের লাশ কবর থেকে উত্তোলনের অনুমতি দিয়েছেন আদালত। লাশ উত্তোলনপূর্বক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। 

    মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা গত ২৪ মে এই আদেশ দেন। 

    এর আগে গত ২০ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক জিয়াউল মোর্শেদ এ আবেদন করেন।

    বুধবার (১০ জুন) তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক জিয়াউল মোর্শেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে প্রখ্যাত চিত্রনায়ক সালমান শাহর লাশ কবর থেকে উত্তোলনপূর্বক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার অনুমতির আবেদন করি। আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন। কিছু কার্যক্রম আছে, তা শেষ করে আমরা লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করব। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    জানা গেছে, সালমান শাহর মৃত্যুর দিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাদীর বোন নিলুফা জামান চৌধুরী নীলা চৌধুরী, বাদীর বোন জামাতা মৃত কমর উদ্দিন আহমদ চৌধুরী এবং তার ছোট ছেলে শাহরান শাহ্ সহ নিউ ইস্কাটন রোডস্থ ইস্কাটন প্লাজা ১১/বি ঠিকানার বাসায় তার ভাগিনা চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন সালমান শাহর সঙ্গে দেখা করতে যান। 

    তখন স্ত্রী সামীরা হক এবং কর্মচারী আবুল তাদেরকে জানান যে, সালমান শাহ ঘুমিয়ে আছেন। তখন তারা তাদের গ্রিন রোডের বাসায় চলে যাওয়ার পর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সালমান শাহর বাসা থেকে টেলিফোন করে জানানো হয়, সালমান শাহর যেন কী হয়েছে, তাড়াতাড়ি আসেন। তখন তারা দ্রুত নিউ ইস্কাটন রোডস্থ ইস্কাটন প্লাজা ১১/বি ঠিকানার বাসায় এসে দেখেন যে, সালমান শাহ তার শয়নকক্ষে খাটের উপরে মরার মতো পড়ে আছেন। 

    তাৎক্ষণিকভাবে তারা সালমান শাহকে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার ভিকটিমকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার ভিকটিম সালমান শাহকে মৃত ঘোষণা করেন। 

    অতঃপর মৃতদেহের ময়নাতদন্ত শেষে সিলেটে হযরত শাহজালাল (র.) এর মাজার প্রাঙ্গণ কবরস্থানে দাফন করা হয়। এ সংক্রান্তে ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রমনা থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৩৩ বছর বয়সে না ফেরার দেশে জনপ্রিয় অভিনেতা

    রোমান্টিক ড্রামা ও স্বল্পদৈর্ঘ্য সিরিজের মাধ্যমে বিপুল দর্শকপ্রিয়তা পাওয়া চীনা অভিনেতা জিন জে মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৩৩ বছর। অভিনেতার এজেন্সি একটি অফিশিয়াল বিবৃতির মাধ্যমে খবরটি নিশ্চিত করেছে, তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো প্রকাশ করা হয়নি। 

    অভিনেতা জিন জে-এর এজেন্সি ‘শেংশি গুয়াংনিয়ান কালচার কোং লিমিটেড’ শনিবার (৬ জুন) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই তথ্য জানায়। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বলা হয়, জিয়াংজি প্রদেশের হাংঝোতে অবস্থিত নিজ বাসভবনে গত ৪ জুন শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন জিন জে, যার প্রকৃত নাম ছিল ঝাং জিয়াউই। 

    সংস্থাটির পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা অত্যন্ত গভীর শোকের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আমাদের চুক্তিবদ্ধ অভিনেতা জিন জে (ঝাং জিয়াউই) ২০২৬ সালের ৪ জুন হাংঝোতে তার নিজ বাসভবনে মারা গেছেন।’ 

    বিবৃতিতে এজেন্সি তাকে একজন অত্যন্ত প্রতিভাবান তরুণ অভিনেতা ও মডেল হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘জিন জে, যিনি পূর্বে ঝাং জিয়াউই নামে পরিচিত ছিলেন, ১৯৯৩ সালের ৩০ জানুয়ারি শানডং প্রদেশের ওয়েইহাইতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একজন অসাধারণ তরুণ অভিনেতা ও মডেল ছিলেন… আমরা তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছি এবং তার পরিবারের প্রতি আমাদের আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।’ 

    এজেন্সি একই সঙ্গে এই কঠিন সময়ে অভিনেতার পরিবারের গোপনীয়তাকে সম্মান জানানোর জন্য জনসাধারণের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ করেছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এদিকে এজেন্সির আনুষ্ঠানিক বিবৃতি আসার আগেই চীনা সোশ্যাল মিডিয়ায় এই অভিনেতার প্রয়াণের খবর ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তার মৃত্যুর খবরটি অনলাইন দুনিয়ায় অন্যতম শীর্ষ আলোচিত বিষয়ে পরিণত হয়, যা ভক্ত এবং বিনোদন জগতের সংশ্লিষ্টদের মাঝে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। 

    সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে তার ভক্ত ও সহকর্মীরা একের পর এক শোকবার্তা শেয়ার করতে থাকেন। সবাই তাকে একজন নিবেদিতপ্রাণ অভিনয়শিল্পী এবং অত্যন্ত নম্র ও বিনয়ী মানুষ হিসেবে স্মরণ করছেন। 

    জিন জে এমন একটি সময়ে চলে গেলেন যখন তার বেশ কয়েকটি নতুন প্রজেক্ট মুক্তির অপেক্ষায় ছিল। এর মধ্যে অন্যতম ছিল ‘ওয়েটিং ফর দ্য ফ্লাওয়ার্স টু ব্লুম, ওয়েটিং ফর ইয়োর রিটার্ন’ নামক একটি ড্রামা, যা নিয়ে দর্শকদের মাঝে আগে থেকেই ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছিল। ইন্ড্রাস্ট্রির ডেটা অনুযায়ী, ‘হংগুও শর্ট ড্রামা’ প্ল্যাটফর্মে মুক্তির আগেই এই সিরিজটির জন্য ১.৪৮ মিলিয়নেরও (১৪.৮ লাখ) বেশি প্রি-রিলিজ রিজার্ভেশন বা অগ্রিম বুকিং সম্পন্ন হয়েছিল। 

    ১৯৯৩ সালের ৩০ জানুয়ারি শানডং প্রদেশের ওয়েইহাইতে জন্মগ্রহণ করা জিন জে অভিনয়জগতে আসার আগে বেইজিং ইনস্টিটিউট অব ফ্যাশন টেকনোলজি থেকে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। 

    শুরুতে তিনি ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে মডেল হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার গড়েন এবং ব্যাপক পরিচিতি পান। পরবর্তীতে অভিনয়ে পদার্পণ করেন এবং টেলিভিশন ড্রামা ও রোমান্টিক সিরিজে দুর্দান্ত অভিনয়ের মাধ্যমে ধীরে ধীরে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন। 

    দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি বেশ কিছু জনপ্রিয় প্রজেক্টে অভিনয় করেছেন, যার মধ্যে হ্যালো জোয়ান, ফরগেট ইউ রিমেম্বার লাভ, বিগিন এগেইন, লিগ্যালি রোমান্স, বিউটি রিবর্ন, ডোন্ট নেগোশিয়েট উইথ ইয়োর বস উল্লেখ্যযোগ্য। 

    সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস 

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রেমিকার ছেলের ছুরিকাঘাতে ‘টপ গান’ অভিনেতার মৃত্যু

    ‘জুমানজি’ এবং ‘টপ গান: ম্যাভেরিক’-এ অভিনয়ের জন্য পরিচিত মার্কিন অভিনেতা জেমস হান্ডি হত্যার শিকার হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, লস অ্যাঞ্জেলেসে নিজ বাড়িতে ছুরিকাঘাতে এই অভিনেতাকে হত্যা করা হয়েছে। 

    ৮১ বছর বয়সি হান্ডিকে বুধবার (৩ জুন) ক্যালিফোর্নিয়ার টারজানায় তার বাড়ির সামনের বাগানে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। সে সময় তার বুকে বেশ কয়েকটি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। 

    লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশ বিভাগ (এলএপিডি) জানিয়েছে, হান্ডির প্রেমিকার ছেলে, ৪৪ বছর বয়সি মাইকেল গ্লেডহিলকে এই হত্যাকাণ্ডের সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    ৯১১ নম্বরে এক ব্যক্তি কল করে পুলিশকে বলেন, ‘আমি একজন মানুষের ছেলে, আমি এইমাত্র একজন পাপী মানুষকে হত্যা করেছি।’ এই ফোনের পরই পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে ছুটে যান।

    নিউইয়র্কে জন্মগ্রহণকারী জেমস হান্ডি দীর্ঘ ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে বহু চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন শোতে অভিনয় করেছেন। অধিকাংশ সময়ই তাকে পার্শ্বচরিত্রে অথবা অল্প কিছু পর্বের অতিথি চরিত্রে দেখা গেছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ কম পেলেও ক্যারিয়ারে দীর্ঘ সময় অভিনয়ে দেখা গেছে তাকে। তার উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর মধ্যে ‘এনওয়াইপিডি ব্লু’, ‘কে-৯’, ‘ল অ্যান্ড অর্ডার’, ‘লোগান’, ‘ক্যাসেল, ‘দ্য ওয়েস্ট উইং’, ‘দ্য এক্স ফাইলস অ্যান্ড মার্ডার’ ও ‘শি রোট’ অন্যতম। 

    জেমস হান্ডি অভিনীত শেষ চলচ্চিত্র ছিল ২০২২ সালের ‘টপ গান: ম্যাভেরিক’। এই ছবিতে তিনি ‘জিমি’ নামের একজন বারটেন্ডারের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন, যিনি টম ক্রুজের প্রেমিকার চরিত্রে অভিনয় করা জেনিফার কনেলির সঙ্গে কাজ করেন। 

    গুণি এই অভিনেতার প্রয়াণে শোক প্রকাশ করে বিনোদন বিষয়ক লেখক জে ববিন বলেন, ‘এই চমৎকার চরিত্রাভিনেতার চলে যাওয়ার খবরটি শুনে আমি গভীরভাবে মর্মাহত।’ 

    ২০০১ সালের ক্রাইম ড্রামা সিরিজ ‘ইউসি: আন্ডারকভার’-এর লেখক ও প্রযোজক ডন উইনস্লো, যেটিতে হান্ডিও অভিনয় করেছিলেন। হান্ডিকে তিনি একজন ‘অসাধারণ অভিনেতা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। 

    হান্ডির মৃত্যুর পর পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর সন্দেহভাজন গ্লেডহিল নিজেই কাছাকাছি থাকা দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং জানান যে পুলিশ যাকে খুঁজছে, তিনিই সেই ব্যক্তি। 

    পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘সন্দেহভাজন ব্যক্তি ওই বাড়িতেই তার মায়ের সঙ্গে থাকতেন, যিনি নিহত অভিনেতার প্রেমিকা ছিলেন। গোয়েন্দারা মনে করছেন এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা এবং এর ফলে সাধারণ জনগণের জন্য কোনো ভয়ের কারণ নেই।’ 

    গ্রেফতারের পর গ্লেডহিলকে ভ্যান নাইস জেলে স্থানান্তরিত করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। বর্তমানে তার জামিনের জন্য ২০ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ১৫ লাখ পাউন্ড) নির্ধারণ করা হয়েছে। 

    সূত্র: বিবিসি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভারতের কিংবদন্তি গায়িকা সুমন কল্যাণপুর মারা গেছেন

    ভারতীয় সংগীত জগতের এক দেদীপ্যমান নক্ষত্রের পতন হলো। 

    রোববার (৩১ মে) সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ের লোখান্ডওয়ালার নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন প্রখ্যাত প্লেব্যাক গায়িকা সুমন কল্যাণপুর। তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। এই গায়িকা তৎকালীন অবিভক্ত ভারতের ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। 

    তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী তথা বিখ্যাত মারাঠি জীবনীগ্রন্থ ‘সুমন সুগন্ধ’-এর লেখিকা মঙ্গলা খাড়িলকর সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে জানান, রোববার রাত ৮টা নাগাদ অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ও নীরবে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই সুরসম্রাজ্ঞী। জীবনের শেষ দিনগুলোতেও তিনি নিজের গাওয়া গান শুনেই সময় কাটাতে ভালোবাসতেন। তার প্রয়াণে ভারতীয় সংগীতের এক গৌরবময় অধ্যায়ের অবসান ঘটল। 

    দীর্ঘ ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে ভারতীয় সংগীত জগতকে সমৃদ্ধ করেছেন পদ্মভূষণজয়ী এই শিল্পী। ঢাকায় জন্ম হলেও সুমন কল্যাণপুর পরবর্তীতে মুম্বাইয়ে স্থায়ী হন এবং নিজের অসামান্য কণ্ঠের জাদুতে প্লেব্যাক সিঙ্গার হিসেবে এক অনন্য স্থান তৈরি করেন। রাগপ্রধান ধ্রুপদী গান থেকে শুরু করে রোমান্টিক ডুয়েট বা ভক্তিগীতি—সবখানেই ছিল তার অবাধ যাতায়াত। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    হিন্দি চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তার গাওয়া ‘আজকাল তেরে মেরে পেয়ার কে চৰ্চে’, ‘না না করতে পেয়ার তুমহি সে’ কিংবা ‘তুমনে পুকারা অউর হম চলে আয়ে’-র মতো কালজয়ী গান আজও শ্রোতাদের হৃদয়ে অমলিন। শুধু হিন্দিই নয়, মারাঠি, বাংলা ও ওড়িয়া সহ একাধিক আঞ্চলিক ভাষাতেও তিনি অজস্র জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন। 

    তার গাওয়া মারাঠি গান ‘কেতকিচ্যা বনী তিথে’, ‘সাং কধী কল্নার তুলা’ কিংবা কালজয়ী ঘুমপাড়ানি গান ‘নিম্বোণিয়াচ্যা ঝাড়ামাঘে’ প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে সংগীতপ্রেমীদের মনে আবেগের জায়গা জুড়ে রয়েছে। 

    সুমন কল্যাণপুরের প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও গুণীজনেরা। 

    মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, ‘এটি এক ঐশ্বরিক কণ্ঠের মহাপ্রস্থান, যা ভারতের সুরের ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছিল। মারাঠি, হিন্দি, বাংলা ও ওড়িয়া সংগীতে তার অবদান অতুলনীয়। তার শারীরিক উপস্থিতি আমরা মিস করব, কিন্তু তার অমর সুর চিরকাল শ্রোতাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে।’ 

    এছাড়া এনসিপি (এসপি) প্রধান শরদ পওয়ার এক শোকবার্তায় জানান, ‘সুমনজির প্রয়াণে ভারতীয় শাস্ত্রীয় ও লঘু সংগীতের একটি স্বর্ণযুগের অবসান হলো। তার আবেগঘন ও সুমধুর কণ্ঠ যুগের পর যুগ ধরে মানুষকে মুগ্ধ করেছে।’ 

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়কড়ী গভীর দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ‘সুমনজির অবদান আগামী প্রজন্মের সংগীতশিল্পীদের চিরকাল অনুপ্রাণিত করবে।’ 

    এক শান্ত, স্নিগ্ধ ও বিনয়ী ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন সুমন কল্যাণপুর। পার্থিব জগৎ থেকে তার বিদায় ঘটলেও, তার রেখে যাওয়া অমূল্য সুরের উত্তরাধিকার কোটি কোটি শ্রোতার হৃদয়ে চিরকাল অনুরণিত হতে থাকবে।  

    বিনোদন ডেস্ক

  • মারা গেছেন গণসংগীতশিল্পী কামরুদ্দীন আবসার

    না ফেরার দেশে চলে গেছেন প্রখ্যাত গণসংগীতশিল্পী, গীতিকার ও সংগীত শিক্ষক কামরুদ্দীন আবসার (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

    শনিবার (৩০ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার বিআইএসএইচ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কামরুদ্দীন আবসার শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

    শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য সোমবার (১ জুন) সকালে কামরুদ্দীন আবসারের মরদেহ রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হবে। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত শ্রদ্ধা নিবেদন পর্ব চলবে।

    কামরুদ্দীন আবসারের জানাজা হবে রোববার বাদ জোহর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কামরুদ্দীন আবসার দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। তিনি ২০১১ সালে স্ট্রোক করেন। এরপর তিনি বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। সম্প্রতি তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। নিউমোনিয়া ও ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত হলে ১৪ মে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন।

    কামরুদ্দীন আবসারের মৃত্যুতে দেশের সাংস্কৃতিক–রাজনৈতিক অঙ্গনের মানুষ শোক প্রকাশ করেছেন। বিভিন্ন প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করা হয়েছে।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • নিখোঁজ অভিনেতা স্টুয়ার্ট ম্যাকলিনের লাশ উদ্ধার

    নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় রোমান্টিক ড্রামা সিরিজ ‘ভার্জিন রিভার’র অভিনেতা স্টুয়ার্ট ম্যাকলিনের (৪৫) নিখোঁজ হওয়ার কয়েক দিন পর কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়া প্রদেশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ এই ঘটনাটিকে একটি হত্যাকাণ্ড হিসেবে বিবেচনা করে তদন্ত শুরু করেছে। 

    শুক্রবার (২২ মে) ইন্টিগ্রেটেড হোমিসাইড ইনভেস্টিগেশন টিম (আইএইচআইটি) জানায়, ভ্যাঙ্কুভার থেকে প্রায় ৩০ মাইল উত্তরে অবস্থিত লায়নস বে নামক এলাকা থেকে অভিনেতার লাশ উদ্ধার করা হয়। তবে ঠিক কবে লাশটি খুঁজে পাওয়া গেছে, তা স্পষ্ট করে জানানো হয়নি।

    তদন্তকারী কর্মকর্তাদের মতে, এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং এতে সাধারণ জনগণের জন্য কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। বর্তমানে বিসি করোনার্স সার্ভিস মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণের জন্য কাজ করছে। 

    পুলিশ জানায়, গত ১৫ মে লায়নস বে-তে অবস্থিত নিজ বাসভবনে স্টুয়ার্ট ম্যাকলিনকে শেষবারের মতো দেখা গিয়েছিল। এরপর গত সোমবার স্কোয়ামিশ রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ (আরসিএমপি) তার নিখোঁজ হওয়ার একটি অফিশিয়াল ডায়েরি গ্রহণ করে। 

    মঙ্গলবার (১৯ মে) এক বিবৃতিতে পুলিশ ম্যাকলিনের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং তার খোঁজে জনসাধারণের সহযোগিতা কামনা করে। পরবর্তীতে তদন্তের এক পর্যায়ে স্কোয়ামিশ আরসিএমপি এমন কিছু প্রমাণ পায়, যা থেকে ধারণা করা হয় যে ম্যাকলিন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এর পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (২১ মে) মামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিশেষ তদন্তকারী দল আইএইচআইটি-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়। 

    এ প্রসঙ্গে আইএইচআইটি-এর কর্পোরাল এস্থার টুপার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমরা অভিনেতার পরিবার, বন্ধু এবং প্রিয়জনদের প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্য সব ধরনের সূত্র ধরে এগোচ্ছি। গত ১৫ মে-এর আগে ম্যাকলিনের কার্যক্রম কেমন ছিল, তার একটি সুনির্দিষ্ট টাইমলাইন তৈরি করতে সিসিটিভি ফুটেজ, শারীরিক তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ এবং পরিচিতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’ 

    স্টুয়ার্ট ম্যাকলিন তার ক্যারিয়ারে ৩০টিরও বেশি চলচ্চিত্রে ও নাটকে অভিনয় করেছেন। ‘ভার্জিন রিভার’ ছাড়াও তিনি ‘বিয়ন্ড’ এবং ‘ট্রেভেলার’ সিরিজের ভূমিকার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন। 

    তার আকস্মিক মৃত্যুতে বিনোদন জগতে গভীর শোক নেমে এসেছে। ম্যাকলিনের প্রতিনিধিত্বকারী এজেন্সি ‘লুকাস ট্যালেন্ট ইনকর্পোরেটেড’ এক ফেসবুক পোস্টে তাকে ‘উৎসর্গীকৃত, পেশাদার, কর্মচঞ্চল এবং অত্যন্ত রসিক’ মানুষ হিসেবে স্মরণ করেছে।

    সূত্র: এনবিসি নিউজ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • কারিনাকে নিয়ে হৃদয়স্পর্শী পোস্ট কায়সার হামিদের

    গত ১১ মে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতের চেন্নাইয়ে নিয়ে যাওয়া হয় কিংবদন্তি সাবেক ফুটবলার কায়সার হামিদের মেয়ে কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সারকে। ভেলোরের খ্রিস্টান মেডিকেল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় গত শুক্রবার গভীর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কারিনা।

    সম্প্রতি চিকিৎসাধীন মারা যাওয়া মেয়ের মৃত্যুর পর শৈশবের ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে একটি আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় কায়সার হামিদ। মেয়ে কারিনাকে স্মরণ করে তিনি লিখেছেন— কারিনা দিন যাবে বছর যাবে, একসময় সবাই তোমাকে ভুলে যেতে পারে, কিন্তু তোমার বাবার বুকে তুমি চিরদিন থাকবে।

    ১৯৯৪ সালে তার মা লোপা ছবিটি তুলে দিয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, আল্লাহ তোমাকে বেহেশত নসিব করুক, আমিন। ১৯৯৪ সালে তার মা লোপা ছবিটি তুলে দিয়েছিল।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    কারিনা কায়সার লিভারজনিত গুরুতর জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে লড়াই করেছিলেন। সম্প্রতি তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাজধানীর একটি হাসপাতালে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। পরে অবস্থা গুরুতর হলে ভারতের ভেলোরে নেওয়া হয়। সেখানেই কারিনা কায়সার  মারা যান।

    উল্লেখ্য, ‘এ’ লেভেল শেষ করে অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনা করেন কারিনা কায়সার। দেশে ফিরে কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে পরিচিতি পান। তিনি শুধু একজন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরই ছিলেন না; বরং একাধারে দক্ষ চিত্রনাট্যকার ও অভিনেত্রী হিসেবেও নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছিলেন।

    সাম্প্রতিক সময়ে অভিনয়ে নিয়মিত হচ্ছিলেন তিনি। হাসিখুশি ও প্রাণবন্ত এ তরুণী অভিনয় এবং চিত্রনাট্য লেখার কাজ নিয়েও ব্যস্ত ছিলেন। ওটিটি প্ল্যাটফর্মের জনপ্রিয় সিরিজ ‘ইন্টার্নশিপ’ এবং ‘৩৬-২৪-৩৬’-এ তার কাজ বেশ প্রশংসিত হয়েছিল। 

    বিনোদন ডেস্ক