Tag: মাহি

  • আর এমপি হওয়া হলো না মাহির!

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদে আর সংসদ সদস্য হওয়া হলো না ঢাকাই ছবির নায়িকা মাহিয়া মাহির। এবার মাহিসহ শোবিজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করা অন্তত ২৭ নারী সংরক্ষিত আসনে প্রার্থী হওয়ার জন্য মনোনয়ন ফরম কিনেছিলেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ বুধবার যে মনোনয়ন তালিকা চূড়ান্ত করেছে, যাদের মনোনীত করেছে; সেই তালিকায় শোবিজের কোনো তারকা নেই। 

    rnrn

    ৫০ আসনের মধ্যে ৪৮ নারী সংরক্ষিত আসনে প্রার্থী মনোনীত করেছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। আর এ কারণে সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য ১৫৪৯টি মনোনয়নপত্র বিক্রি করেছিল দলটি। 

    rnrn

    সেই সংরক্ষিত নারী আসন থেকে এমপি হওয়ার জন্য তারকাদের মনোনয়ন কেনার হিড়িক পড়ে যায়। বাদ যাননি মাহিয়া মাহিও। এমপি হওয়ার জন্য তিনি কোনো চেষ্টাই বাদ রাখেননি। তিনি রাজশাহীর পক্ষ থেকে মনোনয়ন নিয়েছিলেন।

    rnrn

    মাহি এর আগে একাদশ জাতীয় সংসদের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন কিনেছিলেন। কিন্তু দলীয় প্রতীক না পাওয়ায় নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। পরে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ আসন থেকে আবারও আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম কিনেন মাহিয়া মাহি। তবে প্রতীক না পাওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে দাঁড়ান তিনি। কিন্তু আলোর দেখা মেলেনি এ নায়িকার। 

    rnrn

    বুধবার বিকালে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সংরক্ষিত আসনে চূড়ান্ত হওয়া ৪৮ নারীর নাম ঘোষণা করেন। তবে মনোনীত তালিকায় অভিনেত্রীদের কারও নাম নেই। একজনও সংরক্ষিত আসনে দলীয় মনোনয়ন পাননি। 

    rnrn

    এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী ও দলের সভাপতি শেখ হাসিনা মনোনয়নপ্রত্যাশী ১ হাজার ৫৪৯ জনের সঙ্গে বৈঠক করেন।

    rnrn

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র কেনা তারকাদের মধ্যে ছিলেন লাকী ইনাম, সুজাতা বেগম, সুবর্ণা মুস্তাফা, শমী কায়সার, রোকেয়া প্রাচী, তারিন জাহান, শিমলা, অপু বিশ্বাস, নিপুণ আক্তার, মেহের আফরোজ শাওন, সোহানা সাবা, ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর ও নুসরাত ফারিয়ার মতো শোবিজ তারকারা।

    বিনোদন প্রতিবেদন

  • ভেবেছিলেন নেত্রী হবেন, এখন কোন পথে হাঁটছেন মাহি?

    ঢাকাই চলচ্চিত্রের নায়িকা মাহিয়া মাহি। এবার দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে রাজশাহী-১ আসন থেকে ট্রাক প্রতীকে নির্বাচন করেছিলেন তিনি। নির্বাচনি প্রচারণায় নেমে ভোটারদের কাছে ভোট চাইতে গিয়ে একের পর এক অঙ্গীকার করেছিলেন অগ্নিকন্যা। বিজয়ী হলে আর অভিনয় করবেন না বলেও জানিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত ভোটে জিততে পারেননি মাহি।

    rnrn

    তবে নির্বাচনে পর সম্প্রতি মাহি বলেন, ‘আমি নির্বাচিত হলে এলাকার মানুষের পাশে থাকা, রাজনৈতিক কর্মসূচি— নানা বিষয়ে ব্যস্ত থাকতে হতো। তাই নির্বাচনি প্রচারের সময় বলেছিলাম, নির্বাচনের পর অভিনয় ছেড়ে দেব। আসলে অভিনয় করার সময়ই তো পেতাম না নির্বাচিত হলে। এখন এলাকার মানুষের খোঁজখবর নেওয়া ছাড়া তেমন কাজ নেই। আমি আগের মতো সুখে-দুঃখে তাদের পাশে থাকতে চাই। তার জন্য সপ্তাহে এক-দুদিনই যথেষ্ট। বাকি দিন আর কী করব? ঠিক করেছি, বাকি দিনগুলোতে শুটিং-ডাবিং-অভিনয় নিয়েই ব্যস্ত থাকব।’

    rnrn

    অভিনয়ে ফিরতে চান মাহি খবর ছড়িয়ে পড়তেই নাকি চারটি ছবির প্রস্তাবও পেয়ে গেছেন তিনি। তবে এখনো কোনো চিত্রনাট্যই চূড়ান্ত করতে পারেননি নায়িকা। 

    rnrn

    মাহি বলেন, ‘আমি ছবিটিতে অভিনয় করব এটা নিশ্চিত। তবে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পরই সব কিছু জানাতে চাই।’ 

    rnrn

    প্রসঙ্গত, মাহি অভিনীত ‘আনন্দ অশ্রু’ ছবিটি এখন মুক্তির প্রতীক্ষায় রয়েছে। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ও ছবির পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান মানিকও প্রচারণা শুরু করেছেন।

    বিনোদন প্রতিবেদন

  • ফেসবুক লাইভে এসে বিজয়ীদের উদ্দেশে যা বললেন মাহি

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ট্রাক প্রতীকে অংশ নিয়েছিলেন ঢালিউড নায়িকা মাহিয়া মাহি। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর কাছে পরাজিত হয়েছেন তিনি। 

    সোমবার রাত ১০টা ৩৭ মিনিটে ফেসবুক থেকে লাইভে বিস্তরভাবে কথা বললেন মাহি।

    তিনি বলেন, সবাই নিশ্চয় ভাবছেন আমার প্রচণ্ড মন খারাপ। কিছুটা তো মন খারাপ হবেই। কারণ আমি হেরে গেছি গেমে; নির্বাচন একটা গেম। মন খারাপ কিছুটা, কিন্তু সেরকম কিছু না।

    এ নায়িকা জানান, প্রতিটি সিচ্যুয়েশনেই আগে নেগেটিভ বিষয়টি মাথায় রাখেন যে, নেগেটিভ হতে পারে। প্রতিটি সিচুয়েশনের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলেন তিনি। তার ইসতেহারে বলা কথা যেমন নারীদের ঘর হবে একেকটা কর্মসংস্থান ও তরুণরা হবেন উদ্যোক্তা। এসব ঠিক কতটা বড় পরিসরে তিনি করতে পারবেন, সেটা সরকারিভাবে যতটা সম্ভব তা ব্যক্তিগতভাবে একটু চ্যালেঞ্জিং। এর পরও ব্যক্তিগত উদ্যোগে যথেষ্ট চেষ্টা করবেন তিনি।

    মাহি বলেন, এই তানোর-গোদাগাড়ীর রাস্তা-ঘাটের যে বেহাল অবস্থা, সারাদেশের রাস্তা যে উন্নত সেখানে আমার তানোর-গোদাগাড়ীতে এখনো গরুর গাড়ি চলার মতো অবস্থা। বৃষ্টি ও বর্ষার সময় হাঁটু কাঁদা হয়ে যায়। সেই রাস্তাঘাট এবং বরেন্দ্রভূমির যে পানির সমস্যা, এই দুটো বিষয়ে দৃষ্টি দেবেন। যিনি নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্য হয়েছেন, গত ১৫ বছরে যেসব উন্নয়নমূলক কাজ হয়নি, সেসব এই পাঁচ বছরে যেন তিনি করেন।

    এ সময় আসনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বী এবং নির্বাচিত প্রার্থীর সমালোচনা করেন অভিনেত্রী। বলেন, গত ১৫ বছরে তার যে জনপ্রিয়তা কমে এসেছিল, তা যেন এই পাঁচ বছরে কাটিয়ে উঠেন তিনি। আমি কিন্তু মাঠে আছি। তা না হলে আগামী পাঁচ বছর পর ফের নির্বাচনি মাঠে দেখা হবে। তার তো জনপ্রিয়তা শূন্য। যতটা ভোট পেয়েছেন সেটা নৌকার জন্য। তো আপনাদের এত খুশি হওয়ার কোনো কারণ নেই।

    এছাড়া সমর্থকদের ব্যাপারে ‘অগ্নি’ খ্যাত নায়িকা বলেন, আমার জন্য মাঠে যারা কাজ করেছে, আগামী পাঁচ বছরে আমার জন্য যারা কাজ করবে সেসব কর্মী-সমর্থকদের আপনারা (ক্ষমতাবান) যদি কোনোরকম ডিস্টার্ব করেন, তাহলে মনে রাখবেন, আমি কিন্তু দুর্বল না। আমি মানসিকভাবে যতটা শক্তিশালী, কর্মীদের ন্যূনতম অপমানেও আমি সর্বোচ্চ লড়াই করব। যে কর্মীরা আমার জন্য কাজ করেছে, তাদের জন্য দরকার হলে আমি জানও দিতে পারি।

    মাহি আরও বলেন, পাঁচ বছরে আপনারা (নির্বাচিত প্রার্থী) এমন এমন কাজ করবেন, যাতে মানুষের হৃদয়ে আপনাদের জায়গা হয়। যিনি নতুন সংসদ সদস্য হয়েছেন, তার প্রতি আমার পরামর্শ। আপনারা মানুষের উপকারের জন্য যে সুপ্রিম পাওয়ার পেয়েছেন পাঁচ বছরের জন্য, সেটা কাজে লাগাবেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হারলেও যা করবেন, জানালেন মাহিয়া মাহি

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রোববার রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসন থেকে ট্রাক প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে অংশ নিয়েছেন চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি।

    সকালে ভোটকেন্দ্রে যান এই নায়িকা। ভোটের যাবতীয় কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে ভোটগ্রহণ নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন মাহি।

    অভিনেত্রী বলেন, ভোটারদের সবার সঙ্গে আমি কথা বলেছি। তারা সবাই উৎসবমুখর পরিবেশে আছেন। এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ ভালো দেখেছি। ভোটাররা বাইরে অপেক্ষা করছেন। নারী ভোটারদের উপস্থিতি বেশি। 

    জয়ের ব্যাপারে তিনি বলেন, নির্বাচনের ফলাফল যেটাই হোক না কেন, আমি তা মেনে নেব। আল্লাহ না করুক, আমি যদি ফেলও করি তাহলেও আগামীকাল এসে এলাকাজুড়ে শোডাউন করব। 

    কারণ আমি আমার এলাকার মানুষকে জানান দিতে চাই যে নির্বাচনে পাশ করলেও আপনাদের সঙ্গে থাকতাম আমি। আর হেরে গেলেও আপনাদের পাশেই আছি।

    মাহি বলেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে অভিযোগ তো আসছেই। বাইরে স্লোগান দিয়ে ভোট চাওয়া হচ্ছে। কেন্দ্রের ভেতরেও ভোট চেয়েছে- এমন অভিযোগ রয়েছে। সেসব জায়গায় অফিসারদের সঙ্গে কথা বলেছি আমি। পাশাপাশি এলাকায় ভয়ভীতি দেখানোর বিষয় তো রয়েছেই। তবে আমি আমার জায়গা থেকে যতটা সম্ভব ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করছি।

    মাহি বলেন, কয়েকটি জায়গায় বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। কোনো এজেন্টের আসতে পাঁচ মিনিট দেরি হওয়ায় তাকে কেন্দ্রের ভেতর প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। আবার শুনলাম কোথাও একবার বের হলে তাকে আর ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। বাকিটা বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা বুঝতে পারব।
     

    বিনোদন ডেস্ক

  • যা আছে মাহির নির্বাচনি ইশতেহারে

    নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছেন রাজশাহী-১ আসন (গোদাগাড়ী-তানোর) থেকে ট্রাক প্রতীকে নির্বাচন করা চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। ১৭ দফা উন্নয়নের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন এই অভিনেত্রী।

    বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় তানোর উপজেলার মুন্ডুমালা বাজারে তিনি ইশতেহার ঘোষণা করেন।

    মাহির ১৭ দফা ইশতেহারে যা যা রয়েছে-

    ১. সকল শ্রেণি-পেশা, ধর্ম, বর্ণ ও জাতি নির্বিশেষে সকলের বৈষম্য দূরীকরণ ও সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করা।

    ২. গোদাগাড়ী-তানোরে রাজশাহী অঞ্চলের মধ্যে প্রথম বৃহৎ আকারে গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমে ঘরে ঘরে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।

    ৩. গোদাগাড়ী-তানোর কৃষিপ্রধান একটি অঞ্চল। এই অঞ্চলের মানুষ প্রচুর কৃষিপণ্য উৎপাদন করলেও সঠিক সংরক্ষণের অভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়। এই অঞ্চলে কৃষিভিত্তিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, সবজি ও ফল সংরক্ষণে হিমাগার প্রতিষ্ঠা করা এবং কৃষিপণ্য রপ্তানিমুখী করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    ৪. কৃষকদের ন্যায্যমূল্যে সার, বীজসহ কৃষি উপকরণ সরবরাহের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কৃষি যান্ত্রিকীকরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং এর সুবিধা প্রত্যেক কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হবে।

    ৫. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সর্বাত্মক ভূমিকা পালন করা হবে।

    ৬. ঘরে ঘরে বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা।

    ৭. গোদাগাড়ী-তানোরে শতভাগ খাবার পানি সরবরাহের ব্যবস্থা।

    ৮. নারীর ক্ষমতায়নে সর্বোচ্চ পদক্ষেপ গ্রহণ।

    ৯. স্কুল-কলেজ-মাদরাসার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গঠনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ। গোদাগাড়ী-তানোরে দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ। শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসাহ সৃষ্টির লক্ষ্যে পাবলিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা ও বৃহৎ আকারে কারিগরি শিক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ।

    ১০. তরুণ ও নারীদের দক্ষতা উন্নয়নে ও প্রশিক্ষণ প্রদানপূর্বক আউটসোর্সিং, আত্মকর্মসংস্থান, ব্যবসার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিপূর্বক বিভিন্ন পন্থায় কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে সরকারি/বেসরকারি উদ্যোগে আইসিটি বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান।

    ১১. অগ্রাধিকার তালিকা প্রণয়নপূর্বক প্রয়োজনীয় রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্টসহ সকল যোগাযোগ অবকাঠামো সংস্কার, মেরামত ও নির্মাণের কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ব্যবস্থা করা।

    ১২. কার্যকর নদী ব্যবস্থাপনা ও খননের মাধ্যমে নৌ-রুট চালু করা।

    ১৩. গোদাগাড়ী-তানোরের বিভিন্ন স্থানে পর্যটন কেন্দ্র নির্মাণ করা ও শিশুদের জন্য বিনোদন কেন্দ্র গড়ে তোলা।

    ১৪. মসজিদ, মন্দির, গির্জাসহ সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিতকরণ।

    ১৫. গোদাগাড়ী-তানোরের অন্তর্গত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কমিউনিটি হেলথ ক্লিনিকের স্বাস্থ্যসেবার মান বৃদ্ধিসহ সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। প্রয়োজন অনুযায়ী অবকাঠামোগত উন্নয়ন, চিকিৎসক নিয়োগ, যন্ত্রপাতি সংগ্রহ, টেকনোলজিস্ট নিয়োগের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার গুণগত পরিবর্তন।

    ১৬. কৃষি সেচের সহজলভ্য করণের লক্ষ্যে গভীর নলকূপ স্থাপনসহ সেচ সমস্যা সমাধানে সেচ ব্যবস্থায় ১০০ শতাংশ বিদ্যুতায়ন।

    ১৭. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ-বাণিজ্য বন্ধ করা হবে।

    দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মাহি। এই আসনে আওয়ামী লীগের বর্তমান সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরী আবারও দলের মনোনয়ন পেয়েছেন। ওমর ফারুক চৌধুরী ও মাহিয়া মাহি ছাড়াও তার আসনে আরও ৯ জন প্রার্থী রয়েছেন।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • এমপি হতে পারলে ভাতা কী করবেন, জানালেন মাহি

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের নায়িকা শারমিন আক্তার নিপা মাহিয়া (মাহিয়া মাহি)। নির্বাচনে প্রতীক হিসেবে বরাদ্দ পেয়েছেন ট্রাক। এই প্রতীকে ইতোমধ্যে নির্বাচনি প্রচার শুরু করেছেন এ নায়িকা।

    rnrn

    তবে অভিনয় না রাজনীতি— নির্বাচিত হলে কোনটা থাকবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে মাহি বলেন, অভিনয়টা আমার গ্রোথ। এ অভিনয়ের কারণে আপনারা আমার ইন্টারভিউ নিচ্ছেন। এখানে কিন্তু অনেক প্রার্থী ছিলেন, আপনারা সবার ইন্টারভিউ তেমনভাবে নেননি, আমার সঙ্গে কথা বলছেন। সেই পরিচিতির জায়গাটা আমাকে যে ইন্ডাস্ট্রি দিয়েছে, তারা ছাড়া আমার কোনো অস্তিত্ব নেই। তাদের বাদ দিয়ে অন্যকিছু আমার দ্বারা সম্ভব নয়; কিন্তু অভিনয়টা অভিনয়ের জায়গায় থাকবে, আমি মানুষের সেবা করব। 

    rnrn

    তিনি বলেন, রাজনীতির মূলনীতি মানুষের সেবা করা। মানুষের সেবাটা করব, আর অভিনয়টা চালিয়ে যাব। আমি তো ইনকাম করব আমার অভিনয় থেকে। রাজনীতি থেকে যে ইনকাম হবে, সেগুলো জনগণের মাঝে বিলিয়ে দেব।

    rnrn

    বুধবার (রাজশাহী সার্কিট হাউসে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় অংশ নেন মাহি। সভাশেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। 

    rnrn

    ট্রাকের প্রচার প্রসঙ্গে মাহি বলেন, আমার এখন প্রত্যেকটা ঘরে ঘরে যাওয়া দরকার। তাদের বলা উচিত, আপনারা নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে আসুন। নারীদের বলছি আপনারা প্লিজ শাড়ি-টাড়ি পরে সেজেগুজে চলে আসবেন। ওই দিন একটা উৎসবের দিন। ভোট তো একটা অধিকার, সেটা কিন্তু আনন্দেরও দিন। আপনারা ওই উৎসবে অংশগ্রহণ করবেন। আমি ছোট একটা ট্রাক নিয়ে ঘুরছি। অতো সুন্দর ট্রাক পাইনি। এখানে যেটা পেয়েছি, সেটা নিয়ে সবার কাছে যাচ্ছি। অনেক পিচ্চি আবার বলছে, এই ট্রাকটা আমাদের দিয়ে যান। সেটা আবার দিয়ে আসতে হচ্ছে। আমার প্রতিপক্ষ যারা আছে, ফেসবুকে দেখি- তারা ট্রাক নিয়ে আমাকে অনেক পচাচ্ছে যে, ট্রাকের চাকা পাঙচার হয়ে যাবে তখন বুঝবে। তো এইরকম করে আসলে ভালোই লাগছে। ট্রাকটা যে আমার প্রতীক, তারাই মানুষকে আরও পৌঁছে দিচ্ছে।

    rnrn

    নির্বাচিত হলে সব শ্রেণির মানুষকে সম্মান দিতে চান মাহি। সে কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আমার এলাকার ভোটাররা খুবই সাধারণ। তারা আসলে চায়, গায়ে হাত দিয়ে কেউ কথা বলুক। সেটুকুর জন্য আসলে তারা পরিবর্তন চায়। এই ভালোবাসাটুকু তারা চায়। তারা বিগত দিনে এই ভালোবাসাটুকু পায়নি। শিক্ষকরা আছেন, এই শিক্ষকগোষ্ঠী আসলে চায় পরিবর্তন। তারা সম্মান চান। শিক্ষকদের আমরা ‘স্যার’ বলে ডাকব। আমরা যদি তাদের তুই-তুকারি করি, তাদের কান ধরে ওঠবস করাই তা হলে তো সমস্যা। আরেকটা হচ্ছে, নারীরা সম্মান চান। আসলে তানোর গোদাগাড়ীবাসী সম্মানের সঙ্গে থাকতে চান। তারা নিজের খাবে, নিজের পরবে, আত্মসম্মান নিয়ে বাঁচবে। কাউকে ভয় পাবে না তারা এবং তারা চায়, মাসে একবার হলেও তাদের জনপ্রতিনিধি তাদের কাছে আসুক। সমস্যাগুলো শুনুক।

    rnrn

    উল্লেখ্য, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন মাহিয়া মাহি। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন তিনি। দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় রাজশাহী-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে লড়বেন এ অভিনেত্রী।

    বিনোদন প্রতিবেদন

  • নির্বাচনি ‘আচরণবিধি লঙ্ঘন’ অভিযোগ, যা বললেন মাহি

    আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী অভিনেত্রী মাহিয়া মাহি।  

    বৃহস্পতিবার মাহি তার আসনের গোদাগাড়ী উপজেলায় গিয়েছিলেন। তার নামে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে। বেশ কিছু গণমাধ্যমে শিরোনাম হয়— ‘আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ভোট চাইলেন মাহি’। কিন্তু অভিনেত্রী তা মানতে নারাজ। বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে দাবি করে বৃহস্পতিবার রাতে ফেসবুকে একটি ভিডিওবার্তা দেন মাহিয়া মাহি।

    ক্যাপশনে তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে লেখেন— ‘কিছু কিছু নিউজ পোর্টাল খবর প্রকাশ করেছে যে, আমি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে মাঠে প্রচারণা শুরু করে দিয়েছি। তবে বিষয়টি এমন নয়।’ 

    ভিডিওবার্তায় মাহি বলেন, ‘আমি সবার উদ্দেশে বলতে চাই— ফেসবুকে আমি একটি পোস্ট করেছি। যেখানে ক্যাপশনে লেখা— গোদাগাড়ী উপজেলা, চরআষাঢ়দহ ইউনিয়ন, রাজশাহী ও শেষে ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৩। মূলত গোদাগাড়ী উপজেলার চরআষাঢ়দহ ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম আমি। এটি বিচ্ছিন্ন একটি গ্রাম। সেখানের কেউ আমাকে চেনে না। আমি তাদের সঙ্গে পরিচিত হতেই সেখানে গিয়েছিলাম। তবে সেখানে গিয়ে আমি কোনো ভোট চাইনি।’

    যোগ করে আরও বলেন, ‘আমি যে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ভোট চাইব, আমার তো কোনো প্রতীকই নেই। আমি কীভাবে ভোট চাইব?’

    বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) মাহি তার ফেসবুকে বেশ কিছু ছবি পোস্ট করেন। আর এই পোস্ট নিয়েই বিতর্কের মুখে পড়েন এই নায়িকা। 

    প্রসঙ্গত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার পর থেকেই আলোচনায় রয়েছেন ‘অগ্নি’খ্যাত নায়িকা মাহিয়া মাহি। প্রথমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন চান এই অভিনেত্রী। তবে দলের চূড়ান্ত তালিকায় জায়গা হয়নি তার। পরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়াইয়ের ঘোষণা দেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মাহির বার্ষিক আয় ৮ লাখ, চড়েন ৫৬ লাখ টাকার গাড়িতে!

    চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির বার্ষিক আয় ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা। নগদ ও ব্যাংক মিলিয়ে নিজের নামে টাকা রয়েছে প্রায় আড়াই লাখ। ব্যবহার করেন ৫৬ লাখ টাকার জিপ! রয়েছে ৩০ তোলা স্বর্ণ, যার দাম ১৫ লাখ টাকা। তবে তার কোনো স্থাবর সম্পদ নেই। ব্যাংকঋণ রয়েছে ১৮ লাখ ২০ হাজার ৫২০ টাকা।

    rnrn

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনে দাখিলকৃত তার হলফনামা থেকে জানা গেছে এসব তথ্য। হলফনামায় ব্যবহার করা হয়েছে তার পুরো নাম— শারমিন আকতার নিপা মাহিয়া।

    rnrn

    হলফনামায় তিনি নিজের পেশা লিখেছেন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও ব্যবসায়ী। সে অনুযায়ী, ব্যবসা থেকে তিনি বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ৩ লাখ টাকা। পেশা থেকে দেখিয়েছেন ৪ লাখ টাকা। অন্যান্য খাত থেকে আয় দেখিয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা। যদিও সেখানে খাত সুনির্দিষ্ট করা হয়নি।

    rnrn

    মাহির হলফনামা বলছে, তার নগদ রয়েছে দেড় লাখ টাকা আর ব্যাংকে জমা ১ লাখ ১৪ হাজার ৫৫৮ টাকা। তার স্বামী রকিব সরকারের হাতে নগদ রয়েছে ৩ লাখ টাকা আর তার নামে ব্যাংকে জমা ২৫ কোটি ৮১ লাখ ৫৫০ টাকা।

    rnrn

    ৫৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা দামের জিপ ব্যবহার করেন মাহিয়া মাহি আর স্বামী চড়েন ৮৩ লাখ টাকা দামের টয়োটা হ্যারিয়ার গাড়িতে। নিজের নামে রয়েছে ৩০ তোলা স্বর্ণ, যার মূল্য দেখিয়েছেন ১৫ লাখ টাকা। স্বামীর রয়েছে ৫০ তোলা স্বর্ণ, যার দাম দেখানো হয়েছে ২৫ লাখ টাকা। নিজের নামে কিছু না থাকলেও তার স্বামীর নামে রয়েছে ৮০ হাজার টাকার আসবাব ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কে আপন কে পর চেনার উত্তম সময় এখন: মাহি

    আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার পর থেকে বেশ আলোচনায় আছেন অভিনেত্রী মাহিয়া মাহি। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন চান তিনি। যদিও দলের চূড়ান্ত তালিকায় জায়গা হয়নি তার। পরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়ছেন এ নায়িকা।

    তিনি তার নানাবাড়ির আসনে (রাজশাহী-১) স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে লড়ছেন। প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়নপত্র বাতিল হলেও আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পান আলোচিত এ নায়িকা।

    প্রার্থিতা ফিরে পেয়ে মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে নির্বাচনি কার্যক্রম শুরু করেন মাহি। এদিন দুপুরে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের তেজগাঁও কার্যালয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে দেখাও করেন মাহি।

    এদিকে বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) রাত ১২টা ৫০ মিনিটে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি রহস্যময় স্ট্যাটাস দিয়েছেন এ অভিনেত্রী। পোস্টে তিনি লেখেন— ‘কে আপন কে পর চেনার উত্তম সময় এখন। আলহামদুলিল্লাহ।’

    ‘ভালোবাসার রং’ সিনেমা দিয়ে ঢালিউড পেয়েছিল চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহিকে। ১১ বছরে চলচ্চিত্রের নানা অলিগলি পেরিয়ে মাহিকে দেখা গেছে রাজনীতির মাঠেও। বেশ কয়েক মাস ধরে রাজনীতিতে সক্রিয়। অংশ নেন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সভা-সমাবেশেও। আভাস পাওয়া যাচ্ছিল, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের হয়ে নির্বাচন করবেন। শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে তা জমাও দেন। কিন্তু দল তাকে মনোনয়ন দেয়নি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যেখানে সুখ, সেখানেই উষ্ঠা খাই: মাহি

    দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়নপত্র কিনে আলোচনায় আসেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। পরে তিনি দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। 

    রোববার (৩ ডিসেম্বর) সেটিও বাতিল করেন জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ। এর পর তিনি সামাজিকমাধ্যমে দিয়েছেন রহস্যময় পোস্ট।

    নিজের আইডিতে দেওয়া সেই পোস্টে মাহি লিখেছেন, ‘যেখানে সুখ সেখানেই উষ্ঠা খাই আমি, দুঃখ কী আমি বুঝি না’। হঠাৎ করে কী কারণে এমন স্ট্যাটাস তিনি দিয়েছেন তা জানা যায়নি। 

    ধারণা করা হচ্ছে, সাম্প্রতিক বিষয়াদির প্রেক্ষাপটেই এমন স্ট্যাটাস দিয়ে থাকতে পারেন মাহি।

    ‘ভালোবাসার রং’ সিনেমার মধ্য দিয়ে ঢালিউডে অভিষেক ঘটে চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির। ১১ বছরে চলচ্চিত্রের নানা অলিগলি পেরিয়ে মাহিকে দেখা গেছে রাজনীতির মাঠেও। বেশ কয়েক মাস ধরে রাজনীতিতে সক্রিয় হন তিনি। অংশ নেন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সভা-সমাবেশে। আভাস পাওয়া যাচ্ছিল, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের হয়ে নির্বাচন করবেন। শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে তা জমাও দেন। কিন্তু দল তাকে মনোনয়ন দেয়নি।

    বিনোদন ডেস্ক