Tag: ভোট

  • যে তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে এবারো ভোট দেবেন না সাজ্জাদ

    রাত পোহালেই অনুষ্ঠিত হবে বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচন ঘিরেই দেশজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। ভবিষ্যত সরকার ও ভোটের দিনের আলোচনাই এখন সবার মুখে মুখে। 

    পিছিয়ে নেই শোবিজ তারকারাও। অভিনয় জগতের অনেক পরিচিত মুখই ভবিষ্যত সরকারের প্রতি নিজেদের প্রত্যাশার কথা জানিয়ে রাখছেন। এরই মাঝে নিজের সঙ্গে ঘটে যাওয়া তিক্ত এক অভিজ্ঞতার কথা সামনে আনলেন ছোট পর্দার অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ, যে কারণে এবারো তিনি ভোটকেন্দ্রে যাচ্ছেন না। 

    জানা যায়, চট্টগ্রাম-১০ আসনের ভোটার হলেও এখন পর্যন্ত কোনো জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেননি তিনি। কারণ হিসেবে দর্শকপ্রিয় এ অভিনেতা বলেন, ‘ভোটার হওয়ার পর প্রথমবার খুব উৎসাহ নিয়ে ভোট দিতে গিয়েছিলাম। কিন্তু কেন্দ্রে গিয়ে দেখি, আমার ভোট আগেই অন্য কেউ দিয়ে দিয়েছে। ঘটনাটা আমাকে ভীষণভাবে হতাশ করেছিল। এর পর থেকে আর কখনো ভোট দিতে ইচ্ছে হয়নি।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বরাবরের মতো এবারো ভোট দেবেন না বলে জানান তিনি। ভোট না দিলেও ভবিষ্যত সরকারের কাছে তার কী প্রত্যাশা তা ব্যক্ত করেন সাজ্জাদ।  এ প্রসঙ্গে অভিনেতা বলেন, ‘আমাদের খুব বেশি চাওয়া নেই। চাই নতুন সরকার জনগণের সরকার হোক, আপামর জনসাধারণের হোক। 

    জনগণের কাছাকাছি থাকুক, তাদের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করুক। ব্যস, এতটুকুই। অবশ্যই অনুরোধ করতে চাই, সবচেয়ে বেশি যেটা জরুরি— প্রথমে জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক। চুরি, ছিনতাই, রাহাজানি, ধর্ষণের মতো ঘটনাগুলোর কারণে রাস্তাঘাটে বের হতে ভয় পায় মানুষ। এক দিনেই হয়তো আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর অনেক বেশি উন্নতি হয়ে যাবে না, কিন্তু এটলিস্ট বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিক।’ 

    সাম্প্রতিক সাজ্জাদ অভিনীত ধারাবাহিক নাটক ‘এটা আমাদেরই গল্প’ ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে। সঙ্গে আসন্ন ঈদ উপলক্ষে নাটকের শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি।  

    বিনোদন ডেস্ক

  • ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা, হিরো আলম কি ভোট দিতে যাবেন?

    আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলমের বিরুদ্ধে সম্প্রতি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এ পরোয়ানা জারি করা হয়। 

    মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক আনোয়ারুল হক এ আদেশ দেন। এমতাবস্থায় গ্রেফতারি পরোয়ানা মাথায় নিয়েই নিজ এলাকায় ভোট দিতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। 

    নাগরিক হিসেবে ভোট দেওয়া তার সাংবিধানিক অধিকার উল্লেখ করে গণমাধ্যমকে এই আলোচিত-সমালোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর জানান, কোনো পরিস্থিতিতেই তিনি ভোটাধিকার প্রয়োগ থেকে বিরত থাকবেন না।  হিরো আলম বলেন, ‘আমি এলাকার দিকে রওনা হয়েছি। রাতের মধ্যে এলাকায় চলে যাব। মামলা তো ভুয়া। নির্বাচনের পর আমি আদালত যাব।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ‘নায়িকা বানানোর প্রলোভন দেখিয়ে’ সাদিয়া রহমান মিথিলাকে একাধিকবার ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতন করেন হিরো আলম। পাশাপাশি তাকে জোরপূর্বক গর্ভপাতেও বাধ্য করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। 

    হিরো আলম ঘটনাটি অস্বীকার করলে সাদিয়া রহমান মিথিলা ২০২৫ সালের ২১ এপ্রিল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে হিরো আলমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে পিবিআই প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পায়। পরবর্তীতে আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভোট ঘিরে শবনম ফারিয়ার ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল

    দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি)। নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে যেমন উত্তাপ ছড়িয়েছে, তেমনি সাধারণ মানুষের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে ব্যাপক আগ্রহ ও আলোচনা। এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়ে আলোচনায় এসেছেন জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া।

    মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি স্ট্যাটাস দেন তিনি। সেখানে তিনি লিখেন—

    ‘কাকে ভোট দিবেন আপনারা একটু তাড়াতাড়ি জানায়েন! তাইলে ডিসাইড করতে সুবিধা হবে যে পহেলা ফাল্গুনে শাড়ি পরব নাকি আবায়া!’

    ফারিয়ার এমন পোস্ট মুহূর্তেই নেটিজেনদের নজর কাড়ে। অনেকে এটি নিছক হাস্যরস হিসেবে দেখলেও, কেউ কেউ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে মিলিয়ে বিভিন্ন ব্যাখ্যাও দিচ্ছেন। পোস্টটি প্রকাশের পর থেকেই তাতে লাইক, মন্তব্য ও শেয়ার বাড়তে থাকে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এদিকে ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়েছে। সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। রাজধানী ঢাকা, বন্দরনগরী চট্টগ্রাম ও কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থান থেকে ভোটাররা নিজ নিজ এলাকায় যাওয়ার জন্য রওনা হয়েছেন।

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এখন ভোটারদের অংশগ্রহণই হবে এ ঐতিহাসিক আয়োজনের মূল আকর্ষণ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ধর্মের রাজনীতি করে ভোটে জেতা যায় না: কাঞ্চন মল্লিক

    ভারতের লোকসভা নির্বাচনে সব শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী ৩০টি আসনে এগিয়ে থেকে একাই দাপট দেখাচ্ছে শাসকদল তৃণমূল। মঙ্গলবার সকাল থেকেই টান টান উত্তেজনা। এবার এ নিয়ে মুখ খুললেন উত্তরপাড়ার বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিক। তিনি জানান, ধর্মের রাজনীতি করে ভোটে জেতা যায় না।

    rnrn

    ভারতের একটি গণমাধ্যম যোগাযোগ করতেই খুশির আমেজ ধরা পড়ল বিধায়ক-অভিনেতার গলায়। এই দিন কি কাঞ্চন মল্লিকের ? এমন প্রশ্ন শুনেই ফোনের ও পার থেকে তিনি জানান, ‘আমার দিন নয়। বলুন আমাদের দিন। তৃণমূল কংগ্রেসের দিন।  চারদিকে উৎসবের মেজাজ। আরও কয়েকটি ফলপ্রকাশ বাকি। তার পর সবাই উদযাপনে শামিল হবেন।’

    rnrn

    এর আগে ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি পেয়েছিল ১৮টি আসন। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী ২০২৪-এ  ১১টি আসনে এগিয়ে রয়েছে তারা। একে একে জয়ী হচ্ছেন তৃণমূলের প্রার্থীরা। বাংলায় শাসকদলের সাফল্য আর বিজেপির ব্যর্থতার তুল্যমূল্য আলোচনা করতে বললে কী বলবেন কাঞ্চন?

    rnrn

    এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেখুন, সাম্প্রদায়িক রাজনীতিতে ভোট জেতা যায় না। হুমকি, ধমকি দিয়েও কিছু হয় না। সাধারণের মানুষের কাছে আসতে হয়। তাদের অনুভূতি বুঝতে হয়। তবে এই ফলাফল সম্ভব।

    rnrn

    উদাহরণ হিসেবে তিনি জানান, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, স্বাস্থ্য সাথী, সবুজ সাথী, কন্যাশ্রী প্রকল্পের মতো একাধিক প্রকল্প কেবল রাজ্যবাসীর মুখ চেয়ে মুখ্যমন্ত্রী চালু করেছেন। সুফল ভোগ করছেন অর্থনৈতিক দিক থেকে তুলনায় দুর্বল যারা। এ ভাবেই তৃণমূল কংগ্রেস মা-মাটি-মানুষের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। যার ছাপ পড়েছে ইভিএম যন্ত্রে।

    rnrn

    বিরোধীরা যে একে ভিক্ষান্ন বলছে! দাবি, চাকরি কেড়ে হাজার টাকা ভিক্ষা দিয়ে রাজ্যের ভোটারদের কিনেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়!

    rnrn

    এমন প্রশ্ন শুনেই উত্তেজিত কাঞ্চন। তার দাবি, “কিছু মানুষের স্বভাব চাল থেকে অকারণ কাঁকর বেছে বার করা। যা পাচ্ছেন, তাতে খুশি হতে পারেন না। উল্টো ভুল কথা বলেন।” 

    rnrn

    তিনি পাল্টা প্রশ্নে বলেন, ৩৪ বছরেও বামেরা সাধারণ মানুষের জন্য কোনো প্রকল্প চালু করেনি। কেউ কানাকড়ি পাননি। রাজ্যবাসীর কথা ভেবেই মুখ্যমন্ত্রী বাংলায় এক মুঠো প্রকল্প চালু করেছেন। এখন তা নিয়ে অযথা সমালোচনা হচ্ছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যেভাবে স্বস্তিকার ভোট দিতে না পারার দুঃখ ভোলালেন চঞ্চল চৌধুরী 

    দুই বাংলায় সমান জনপ্রিয় হওয়ায় চঞ্চল চৌধুরীর কাজ এখন দুই দেশের দর্শকরাই দেখে থাকেন। সেখানে স্বস্তিকা তাদের থেকে আলাদা হয় কি করে। তাই জানালেন স্বস্তিকা— শুভ জন্মদিন চঞ্চল। আমাদের বন্ধুত্ব চায়ের পেয়ালা থেকে কবরের মাটি পর্যন্ত লম্বা হয়ে গেছে। আলাদা করার কিছু নেই।

    স্বস্তিকা লেখেন— ‘ফার্স্ট ডে ফার্স্ট শো দেখার মধ্যে যে উত্তেজনা সেটা কি আর ছাড়া যায়? চঞ্চলের ক্ষেত্রে অনায়াস গতিবিধি আরও সহজ হয়েছে দুই দেশের প্রযোজকদের কারণে— এমনটিই দাবি স্বস্তিকার। এর জন্য তিনি তাদের ধন্যবাদ জানান। সঙ্গে একরাশ শুভেচ্ছা তার প্রিয় অভিনেতাকে। চঞ্চলের প্রত্যেকটা দিন শুভ হোক, সাফল্যের ছটায় উজ্জ্বল হয়ে উঠুক, প্রার্থনা তার। অভিনেতা প্রত্যেক চরিত্রে নিখুঁতভাবে জীবন্ত হয়ে ওঠেন। দর্শকদের মতো অভিনেতাকে ঘিরে মুগ্ধতা তাই অভিনেত্রীর মধ্যেও প্রবল। আর এই জায়গা থেকেই তার দাবি— ‘আমার প্রিয় শিল্পী, যেন আমি তোমার সবচেয়ে বড় অনুরাগী।’

    আনন্দবাজার সূত্র জানায়, এর আগে নির্বাচনে নিজের ভোট দিতে পারেননি স্বস্তিকা। তাই অভিনেত্রীর মনখারাপ হয়। সকালে উৎসাহী হয়ে পোস্ট দিয়ে সবাইকে সকাল সকাল ভোট দিতে যাওয়ার অনুরোধ জানান তিনি। দুপুরে বোন অজপা মুখোপাধ্যায়কে নিয়ে ভোট দিতে যান স্বস্তিকা। তার এবং তার বোনের নাম ভোটার তালিকাতেই নেই! বুথ থেকে ফেরত চলে আসতে হয় তাদের। ভীষণ মন খারাপ হয় তার। তা নেটিজেনদের মাঝে ভাইরাল হয়। 

    আক্কেলগুড়ুম স্বস্তিকার বিকালেই অন্যরকম মেজাজ। আবারও একটি পোস্টে জানান, তার মন ভালো হয়ে গেছে। কারণ ১ জুন তার প্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরীর জন্মদিন। সমাজমাধ্যমে তিনি নিজেকে চঞ্চলের ‘সবচেয়ে বড় অনুরাগী’ বলেও দাবি করেন। 

    স্বস্তিকা এদিন বাংলাদেশের ওয়েব প্ল্যাটফর্মের নতুন সিরিজ ‘কালপুরুষ’-এর একটি ছবি ভাগ করে নেন। এই সিরিজে চঞ্চল চৌধুরী মুখ্য ভূমিকায়। বিবরণীতে লেখেন— এই দিন তার কাছে বিশেষ দিন। না কলকাতায় যে সপ্তম দফার ভোট তার জন্য নয় বা তার নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে তাও নয়। 

    স্বস্তিকার লেখেন— ‘আমরা আজকাল বলি কনটেন্ট ইজ় কিং। ঠিক কিন্তু সেই রাজার ওপর তো মহারাজ আছেন, রাজাধিরাজ আছেন, সেই মহারাজের আজ জন্মদিন।’ অর্থাৎ দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা নিজের প্রতিভায় স্বস্তিকার হৃদয়ে সবার ওপরে। সে কারণেই নিজের কাজ নিয়ে যতই ব্যস্ত থাকুন, কখনো চঞ্চলের একটি কাজও মিস করেন না।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার উপ নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন হিরো আলম

    আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলম এবার উপ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তিনি ঝিনাইদহ-১ আসনে ভোট করবেন। আজ সকালে তিনি এ কথা জানান।

    rnrn

    হিরো আলম বলেন, ‘আমি সৎ এবং সাহসী মানুষ। সবাই চায় আমি যেন সংসদ সদস্য হয়ে সবার কথা বলি। সবার পাশে থাকি। তাই ঝিনাইদহ-১ আসনের উপ-নির্বাচনে অংশ নেব। সেইভাবে প্রস্তুতি চলছে আমার।’

    rnrn

    ঝিনাইদহবাসী তাকে স্বাগত জানিয়েছেন জানিয়ে হিরো আলম আরও বলেন, ‘আমার এক বন্ধু কুমিল্লার একটি উপজেলা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। আমি সেখানে প্রচার চালাতে যাচ্ছি। আমি ঝিনাইদহ-১ আসনের লোকজনের সঙ্গে বলেছি, তখন তারা আমাকে বলেছে তারা সবাই আমাকে চেনেন। আমি তাদের কাছে প্রিয় এবং পরিচিত মুখ। তারাও চায় আমি এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করি। সেখানকার জনসাধারণ আরও বলেছেন- নির্বাচনে তারা সাহায্য সহযোগিতা করবে। আমি আমার প্রতি তাদের ভালোবাসা দেখে সেখানে উপ-নির্বাচনে অংশ নিতে রাজি হয়েছি। আমিও তাদের আশ্বাস দিয়েছি, তাদের পাশে সব সময় থাকব।’

    rnrn

    আগামী ৫ জুন অনুষ্ঠিত হবে ঝিনাইদহ-১ আসনের উপ-নির্বাচন। ঝিনাইদহ-১ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হাইয়ের মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হয়। 

    rnrn

    এর আগে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) ও বগুড়া-৬ (সদর) আসনের সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে আলোচনায় আসেন হিরো আলম। তারপর চিত্রনায়ক আকবর হোসেন পাঠান (ফারুক) মারা যাওয়ার পর ঢাকা-১৭ আসনের উপ-নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন। এই আসনটি রাজধানীর গুলশান, বনানী, ভাষানটেক থানা ও সেনানিবাস এলাকা নিয়ে গঠিত।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • ‘আমাকে একটা ভোট কে দিল তাকেই খুঁজছি’

    চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন অভিনয়শিল্পী শ্রাবণ শাহ। এই নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি পেয়েছেন মাত্র ১ ভোট। এর পর থেকে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। 

    rnrn

    এ নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলেছেন শ্রাবণ শাহ। 

    rnrn

    তিনি জানিয়েছেন, আমি আমার নিজের ভোটটাও নিজেকে দিইনি। কারণ ভোট দিয়ে তো নষ্ট করা যাবে না। তাই আমার ভোটটা ডিপজল ভাইকে দিয়েছি। আর আমার সব পরিচিতদের বলে দিয়েছিলাম যে আমাকে যেন ভোট না দেয়। কারণ ভোট নষ্ট করে তো লাভ নেই। তার পরও কে যেন আমাকে একটা ভোট দিয়েছে, আমি সেই মানুষটাকেই খুঁজছি।

    rnrn

    এর আগে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার কারণে শিল্পী সমিতির ভোটাধিকার হারিয়েছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে অবশ্য ফিরে পান শিল্পী সমিতির সদস্যপদ। ভোটাধিকার ফিরে পেয়ে ঘোষণা দেন শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হবেন। দুই হেভিওয়েট প্রার্থী মনোয়ার হোসেন ডিপজল ও নিপুণ আক্তারের সঙ্গে সেক্রেটারি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

    rnrn

    নির্বাচিত প্যানেল চলচ্চিত্রের উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন শ্রাবণ। এর কারণ মনোয়ার হোসেন ডিপজল নিজেই একটি ইন্ডাস্ট্রি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এখন চলচ্চিত্রের উন্নয়ন ঘটবে বলে মনে করেন তিনি। 

    rnrn

    শ্রাবণ বলেন, ডিপজল ভাইকে আরও আগেই আমাদের আনা উচিত ছিল। কারণ তিনি নিজেই একটা ইন্ডাস্ট্রি। তার পরও নির্বাচনে নিপুণ আপু তাকে যেভাবে গ্রহণ করে নিলেন তাতে করে আমাদের চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে যে মেরুকরণ ছিল তা থাকছে না বলে আমি মনে করছি।

    rnrn

    নির্বাচনের কিছু দিন আগে শ্রাবণ অভিযোগ করেছিলেন নিপুণ তার সদস্যপদ বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ জন্য ভোটার তালিকায় নাম রাখেননি। সদস্যপদ ফিরে পেয়ে অনেকটা জেদ করেই নির্বাচনে সেক্রেটারি পদে অংশ নিয়েছিলেন শ্রাবণ। তার এই সিদ্ধান্ত যে শিল্পীরা ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেননি তার প্রমাণ মিলল ভোটের বাক্সে। 

    rnrn

    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • শিল্পী সমিতির নির্বাচন: কে কত ভোট পেলেন

    বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৪-২৬ মেয়াদি নির্বাচনে সভাপতি পদে মিশা সওদাগর এবং সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী হয়েছেন মনোয়ার হোসেন ডিপজল। শনিবার সকালে শিল্পী সমিতির নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার খোরশেদ আলম খসরু।

    rnrn

    নির্বাচনে নির্বাচিত সভাপতি মিশা সওদাগর মোট ভোট পেয়েছেন ২৬৫টি। অন্যদিকে মাহমুদ কলি ১৭০ ভোট পেয়ে পরাজিত হন। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত ডিপজল পেয়েছেন ২২৫ ভোট। ১৭ ভোট কম পেয়ে পরাজিত হয়েছেন নিপুণ আক্তার ২০৯। 

    rnrn

    সহসভাপতি পদে ২৩১ ও ২৩৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন মাসুম পারভেজ রুবেল ও ডিএ তায়েব। এ ছাড়া সহসাধারণ সম্পাদক আরমান ২৩৭, সাংগঠনিক সম্পাদক জয় চৌধুরী ২৫৫, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক আলেকজান্ডার বো ২৯৬, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক জ্যাকি আলমগীর ২৪৫, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক মামনুন হাসান ইমন ২৩৫ এবং কোষাধ্যক্ষ পদপ্রার্থী কমল ২৩১ ভোট পেয়েছেন।

    rnrn

    কার্যনির্বাহী সদস্য পদে মিশা-ডিপজল পরিষদ থেকে নির্বাচিত হয়েছেন ৯ জন। তারা হলেন সুচরিতা (২২৮), রোজিনা (২৪৩), আলীরাজ (২৩৯), সুব্রত, দিলারা ইয়াসমিন (২১৮), শাহনূর (২৪৫), নানা শাহ (২১০), রত্না কবির (২৬৩) ও চুন্নু (২৪৮)। কলি-নিপুণ পরিষদ থেকে রিয়ানা পারভিন পলি (২২০) ও সনি রহমান (২৩০) নির্বাচিত।

    rnrn

    গতকাল শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে শুরু হয় ভোটগ্রহণ, চলে বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত। উৎসবমুখর পরিবেশে ৪৭৫ জন শিল্পী ভোট দেন। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৫৭০ জন। ২১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠনের এই নির্বাচনে ছয়জন স্বতন্ত্রসহ দুটি প্যানেল থেকে ৪৮ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

    বিনোদন প্রতিবেদন

  • ভোট দিতে এসে যা বললেন অপু বিশ্বাস

    বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন চলছে। আজ সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়েছে ভোট গ্রহণ। স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিচ্ছেন শিল্পীরা। এ তালিকায় আছেন অপু বিশ্বাস। লাল রঙয়ের গাড়িতে চেপে এফডিসিতে এসেছিলেন ভোট দিতে।

    এ সময় অপু বলেন, এফডিসিতে আসলে সবসময় ভালো লাগে। এখন তো উৎসব মুখর পরিবেশ। নির্বাচনে জয়-পরাজয় থাকেই। সবার জন্যই শুভকামনা।

    তবে দ্বি-বার্ষিক এ নির্বাচনে কোনো পক্ষকে সমর্থন করছেন তা প্রকাশ করেননি।

    সকাল সাড়ে ৯টায় অভিনেতা ডা. এজাজের (অভিনেতা ও চিকিৎসক এজাজুল ইসলাম) ভোট প্রদানের মাধ্যমে শিল্পী সমিতির কার্যালয়ে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। ভোট দিতে এসেছিলেন নন্দিত অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূরও।

    এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, নির্বাচনে ভোট দেওয়া আমার কর্তব্য, ভোট দিতে এসেছি, আমার পছন্দ অনুযায়ী শক্তিশালী প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করব। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে, প্রচার হবে, আমরা সেই অনুযায়ী যোগ্য প্রার্থী নির্বাচিত করব। নির্বাচনের পরে আমাদের প্রত্যাশা থাকবে আমরা সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করব। নির্বাচন শুধু মাত্র একটা নিয়ম, এটা একটা উৎসব।

    এবারের নির্বাচনে ২১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি এই নির্বাচনে ৬ জন স্বতন্ত্রসহ দুটি প্যানেল থেকে ৪৮ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্যানেল দুটি হলো মিশা-ডিপজল ও মাহমুদ কলি-নিপুণ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভোটে প্রার্থী নেহা! কোন দলের হয়ে লড়ছেন?

    অভিনেত্রী নেহা শর্মা প্রায় দেড় যুগ ধরে অভিনয় করছেন। বলিউডে নিজের একটা পরিচিতিও তৈরি করেছেন। যদিও জনপ্রিয়তা কিংবা তারকাখ্যাতি সেভাবে পাননি এখনো। 
    rnতবু নিয়মিতই কাজ করে যাচ্ছেন; কিন্তু এর মধ্যেই কিনা নাম লেখাচ্ছেন রাজনীতিতে। আবার অংশ নিচ্ছেন ভারতের লোকসভা নির্বাচনে!

    rnrn

    দেশটির আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বিহার রাজ্যের ভাগলপুর থেকে কংগ্রেসের প্রার্থী হতে পারেন নেহা। আর এই গুঞ্জনের সূত্রপাত হয়েছে তারই বাবা অজয় শর্মার মন্তব্য থেকে।

    rnrn

    অজয় শর্মা দীর্ঘ দিন ধরে কংগ্রেসের রাজনীতি করছেন। ভাগলপুরের বিধায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। 

    rnrn

    সম্প্রতি নির্বাচন উপলক্ষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, যেহেতু আসন সমঝোতা নিয়ে কথাবার্তা চলছে, ভাগলপুরকে একটি শক্ত ঘাঁটি হিসেবে কংগ্রেসের বিবেচনা করা উচিত। 

    rnrn

    যদি আমরা এই আসন পাই, তাহলে দলই ঠিক করবে কাকে প্রার্থী করা হবে। তবে আমাকে যদি জিজ্ঞেস করা হয়, তাহলে বলব, হয় আমি লড়ব না হয় আমার মেয়ে নেহা শর্মা প্রার্থী হতে পারে। দেখা যাক কী হয়।

    rnrn

    তবে এখন পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে নেহা শর্মার পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া আসেনি। গুঞ্জনকে সত্যি করে তিনি কি রাজনীতির মাঠে নামবেন, নাকি এটা গুঞ্জনই থেকে যাবে, তা এখনই পরিষ্কার নয়।

    rnrn

    উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে তেলুগু সিনেমা ‘চিরুথা’ দিয়ে অভিনয়ে অভিষেক হয় নেহা শর্মার। এরপর আরও দুবছর তিনি সেই ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে ‘ক্রুক’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে আসেন তিনি। 
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক