Tag: ভোট

  • ভোট করার গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন শ্রীলেখা

    ভারতের কেন্দ্রীয় ও রাজ্য রাজনীতিতে অভিনেতা ও খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ নতুন নয়। ইদানীং আরও বেড়েছে। লোকসভা নির্বাচনে তারকা অভিনেতা ও অন্যান্য সেক্টরের তারকাদের অংশগ্রহণ বেশ বেড়েছে। 

    rnrn

    রোববার ব্রিগেড থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী ঘোষণা করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ তালিকায় চমক হিসেবে উঠে এসেছে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। হুগলি কেন্দ্র থেকেই এবারের লোকসভায় রচনার বিপরীতে বিজেপির লকেট চট্টোপাধ্যায়। 

    rnrn

    এসবের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় গুঞ্জন উঠেছে, সিপিআইএমের প্রার্থী তালিকায় নাকি থাকছেন টালিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। এমনকি রটে যায় হুগলি কেন্দ্রেই নাকি রচনা, লকেটের সঙ্গে লড়বেন তিনি।

    rnrn

    তবে এই গুঞ্জনকে সরাসরি না বলে দিয়ে শ্রীলেখা বলেন, ‘আমি বরাবরই প্রকাশ্যে রাজনীতি নিয়ে কথা বলি। তাই অনেকে মনে করেন, হয়তো আমার কোনো অভিসন্ধি রয়েছে। তাই হয়তো এ রকম রটেছে’।

    rnrn

    শ্রীলেখার সাফ মন্তব্য— আমার কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ই নেই। আর সিপিআইএম তো এ রকম একটা দল নয় যে, শুধু ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে জড়িত হওয়ার জন্য টিকিট দেবে। এসব গুজবে একেবারে কান দেবেন না।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভোটের সময় দুপক্ষ থেকেই টাকা নেন তারা: ইলিয়াস কাঞ্চন

    দুই বছর আগে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে কাজ করার চেষ্টা করেছেন এই অভিনেতা। তবে অনেক সদস্যের জন্য নিজের মতো করে কাজ করতে পারেননি তিনি। 

    কারণ হিসেবে ইলিয়াস কাঞ্চন জানিয়েছেন, কাজ না থাকলেও এ সমিতিতে অনেকে সদস্য হয়ে আছেন যাদের ভোটের সময় শুধু দেখা মেলে।  

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘শিল্পী সমিতিতে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি ভোটার আছেন, যাদের আমিও চিনি না, অন্য অনেকেও চেনেন না।

    আরও পড়ুন: 

    অথচ তারা শিল্পী সমিতির পূর্ণ সদস্য। ভোট প্রদান করেন, নির্বাচনও করেন। আর এ কারণে সিনিয়র শিল্পী ও প্রকৃত শিল্পীরাও সমিতিতে আসতে চান না। আসলে একবার যদি পূর্ণ সদস্য দিয়ে দেওয়া হয়, তখন বাদ দেওয়াটা মুশকিল।

    তিনি বলেন, আমার কথা হচ্ছে, তারা থাকুন। সহযোগী হয়েই হোক। ভোটাধিকার না থাকুক। শুধু ভোটাধিকার থাকার কারণে নির্বাচনের সময়ে এরা বিশাল গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেন। ভোটের সময় তাদের সবাইকে টাকা দেওয়া হয়। সব পক্ষের কাছ থেকে তারা টাকা নেন।

    আমি আসলে সংখ্যাটা উল্লেখ করতে পারব না। আমি দূরে থাকতে চাই। আমি যখন এসব নিয়ে কথা বলা শুরু করলাম, তখন এসব থেকে আমাকে অন্যরা দূরে রাখা শুরু করেন। আমিও এসব নিয়ে তাই আর মাথা ঘামাতে চাই না।

    ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, যাদের কাজ নেই এবং যারা এই সমিতির সদস্য হওয়ার যোগ্যতাই রাখেন না, তাদেরই সমিতি নিয়ে আগ্রহ বেশি। সেই সঙ্গে তাদেরই বেশি দাপট। এই সংগঠন তাদের প্রধান পরিচয়। প্রকৃত শিল্পীদের আগ্রহ সহযোগীদের চেয়ে অনেক কম।

    প্রকৃত শিল্পীদের তো সমিতির পরিচয় লাগে না। তাদের এমনিতেই সবাই চেনেন, এক নামেই জানেন। সমিতি বরং প্রকৃত শিল্পীদের কারণে আলোকিত-আলোচিত হয়।

    যুগান্তর ডেস্ক