Tag: প্রতারণা

  • প্রতারণার অভিযোগে সেলেনা গোমেজের বিরুদ্ধে মামলা

    নিজেরই মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা ও প্রচারের প্রতিশ্রুতি পূরণ না করে চুক্তি লঙ্ঘনের মাধ্যমে প্রতারণা করার অভিযোগে মার্কিন গায়িকা ও অভিনেত্রী সেলেনা গোমেজের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন একদল বিনিয়োগকারী। 

    ডেলওয়্যার ফেডারেল আদালতে দায়ের করা এই মামলায় বিনিয়োগকারীরা অভিযোগ করেছেন, সেলেনা গোমেজ এবং তার প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নেতৃত্ব তাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। 

    মামলার নথি অনুসারে, মানসিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে ২০২১ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘ওয়ান্ডারমাইন্ড গ্লোবাল’ নামক স্টার্টআপটিতে তারা প্রায় ১২ লাখ মার্কিন ডলার (১.২ মিলিয়ন ডলার) বিনিয়োগ করেছিলেন।

    বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ৫০ কোটিও বেশি (৫০০ মিলিয়ন) অনুসারী থাকা সত্ত্বেও, মার্কেটিং প্রধান হিসেবে প্রতিষ্ঠানটিকে এগিয়ে নেওয়ার যে প্রতিশ্রুতি সেলেনা দিয়েছিলেন, তা তিনি পালন করেননি। এমনকি চুক্তিতে সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি থাকা সত্ত্বেও সেলেনা ও তার দল একটি মোবাইল অ্যাপ পর্যন্ত তৈরি করতে ব্যর্থ হন। 

    মামলায় বলা হয়েছে, ‘সেলেনা গোমেজ কাজ করার অঙ্গীকার করে চুক্তিতে স্বাক্ষর করার ভান করেছিলেন এবং পরবর্তীতে তা সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেছিলেন।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বিনিয়োগকারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এখানে লাভজনক তো দূরের কথা, কোনো বাস্তবমুখী বা নীতিগত উদ্যোগই ছিল না।’ এমনকি কোম্পানিটি তার কর্মচারীদের বেতন এবং বিক্রেতাদের পাওনা সময়মতো পরিশোধের মতো প্রাথমিক বাধ্যবাধকতাগুলোও পূরণ করতে পারেনি। 

    বিনিয়োগকারীরা আরও জানান, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে একটি অনলাইন সংবাদে অভ্যন্তরীণ এসব বিশৃঙ্খলার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত তারা এই স্টার্টআপের নাজুক পরিস্থিতি সম্পর্কে কিছু জানতেনও না। 

    ক্ষতিগ্রস্ত এই বিনিয়োগকারীরা আদালতের কাছে এখন তাদের আসল বিনিয়োগের অর্থ এবং আইনি খরচের সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন। তবে এ বিষয়ে সেলেনা গোমেজের কোনো প্রতিনিধির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • নারীদের সঙ্গে প্রতারণা, সতর্ক করলেন ‘কেডি পাঠক’

    বলিউড ও হিন্দি টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেতা রনিত রায় সাইবার জালিয়াতির শিকার হয়েছেন। জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘আদালত’-এর ‘কেডি পাঠক’ চরিত্রটির জন্য তিনি ব্যাপক পরিচিত। 

    এই অভিনেতার নাম ও ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে এক প্রতারক ভক্তদের কাছ থেকে, বিশেষ করে নারীদের লক্ষ্য করে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। 

    বৃহস্পতিবার (২২ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে নিজের ভক্ত ও অনুসারীদের এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন অভিনেতা। 

    নিজের অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট শেয়ার করে রনিত রায় এই জালিয়াতির বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন। তিনি লেখেন, ‘আমার নজরে এসেছে যে, কেউ একজন আমার নাম ব্যবহার করে মানুষের সঙ্গে বিশেষ করে মেয়েদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে এবং টাকা চাচ্ছে। এই ব্যক্তিটি আমার নামে বুকিং নেওয়ারও চেষ্টা করছে। এর সঙ্গে জড়িত নম্বরটি একটি ‘জাঙ্গি’ নম্বর: ৩৩১৮০৮৫৬৮৫ এবং ব্যবহৃত ইমেইল আইডিটি হলো: ronitroybookings@hotmail.com। সবাই সতর্ক থাকুন।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    প্রতারককে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, ‘পুলিশ খুব শিগগিরই তোমার খোঁজে আসছে।’ ভক্তদের বিষয়টি বোঝানোর জন্য রনিত সেই প্রতারকের চ্যাটের কিছু স্ক্রিনশটও শেয়ার করেন, যেখানে তাকে রনিত সেজে টাকা দাবি করতে দেখা গেছে। 

    অভিনেতা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, তিনি বা তার কোনো প্রতিনিধি কখনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করে কারো কাছে টাকা বা কোনো ধরনের সুযোগ-সুবিধা চাইবেন না। রনিত লেখেন, ‘দয়া করে নোট করে রাখুন, আমি কখনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বা অন্য কোনোভাবে নারীদের সঙ্গে এভাবে যোগাযোগ করব না। আর টাকা চাওয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না।’ 

    সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে এই অভিনেতা আরও বলেন, ‘তারকাদের পরিচয় ব্যবহার করে মানুষকে বোকা বানানো এবং তাদের কাছ থেকে সুবিধা নেওয়ার বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক থাকুন। যদি আপনাদের সামনে এমন কোনো ঘটনা আসে, তবে তা অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট তারকার নজরে আনুন।’ 

    কাজের দিক থেকে রনিত রায়কে সম্প্রতি ২০২৫ সালের পৌরাণিক ভৌতিক সিনেমা ‘মা’-তে জয়দেব চরিত্রে দেখা গেছে। এছাড়া ২০২৫ সালের ছোট পর্দার ধারাবাহিক ‘চক্রবর্তী সম্রাট পৃথ্বীরাজ চৌহান’-এ তিনি রাজা সোমেশ্বরের চরিত্রে অভিনয় করেছেন।

    তার আগামী প্রজেক্টের মধ্যে রয়েছে ‘রায় কাপুর ফিল্মস’ এবং প্রযোজক সিদ্ধার্থ রায় কাপুরের ব্যানারে নির্মিতব্য সিরিজ ‘তিন কৌয়া’। প্রাইম ভিডিওর এই সিরিজটি তৈরি করেছেন আব্বাস টায়রেওয়ালা এবং সহ-প্রযোজনা ও পরিচালনায় রয়েছেন প্রিয়াঙ্কা ঘোষ। 

    সূত্র: মিডডে 

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রেম থেকে প্রতারণার শিকার, যা জানালেন মিনার

    তরুণ সংগীতশিল্পী মিনার রহমান। গেল কিছুদিন ধরেই তার একটি চ্যাটের স্ক্রিনশট নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বেশ কানাঘুষা চলছিল। সেখানে দেখা যায়, এই সংগীতশিল্পী একজন নারীকে একের পর এক খুদে বার্তা পাঠাচ্ছেন, কিন্তু তার থেকে কোনো উত্তর আসছে না।

    এরই মাঝে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে জীবনের প্রথম প্রেমের গল্প ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে শেয়ার করলেন মিনার রহমান। যদিও সেই প্রেমের শেষটা সুখকর ছিল না। তবে সেই প্রেমের গল্পই এখন তার জীবনে প্রতারণার স্মৃতি হয়ে আছে।

    মিনার লিখেছেন, জীবনের এই ছোট কিন্তু সত্য গল্পটি কখনো প্রকাশ করবেন—এমনটা তিনি ভাবেননি। কিন্তু বহু বছর পর পবিত্র রমজান মাসের এক নির্জন মধ্যরাতে হঠাৎ মনে হল, গল্পটি সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া উচিত।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    স্কুলজীবন থেকেই মিনারের সংগীতজীবন শুরু হয়। এসএসসি পরীক্ষার পর প্রকাশ পায় তার প্রথম অ্যালবাম ‘ডানপিটে’ (২০০৮)।  অ্যালবামের ‘সাদা’ গানটি সেসময়ে তুমুল জনপ্রিয় হয় এবং অল্প সময়েই মিনার পরিচিতি পান শ্রোতাদের মধ্যে। এর কিছুদিন পর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন তিনি। নতুন বন্ধু, নতুন পরিবেশ—সব মিলিয়ে জীবনে রঙিন এক অধ্যায়ের সূচনা হয় তার।

    এ সময় প্রথমবার প্রেমে পড়েন মিনার।  তখন তার বয়স ২০ বছর। এই সংগীতশিল্পী জানান, শুরুতে সম্পর্কটি খুবই সুন্দর ছিল। তবে ধীরে ধীরে রহস্যময় ‘বড় মামা’ নামে একটি কলের কারণে তার সন্দেহ জাগে।

    যতবার তারা শহরের বিভিন্ন জায়গায় দেখা করতেন, মেয়েটির ফোনে প্রায়ই সেই কল আসত। প্রথমে মিনার বিষয়টিকে হালকাভাবে নিয়েছিলেন, কিন্তু পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, নম্বরটি ছিল প্রেমিকার সাবেক প্রেমিকের।  এরপর তার প্রথম প্রেমের সমাপ্তি ঘটে।

    মিনার লিখেছেন, ওই ঘটনার পর থেকে ‘বিশ্বাস’ শব্দটি তার কাছে অনেকটা মিথের মতো হয়ে গিয়েছিল। জীবনে তখন নতুন একটি শব্দের সঙ্গে পরিচয় হয়—‘চিট’ বা প্রতারণা। তবে তিনি জানিয়েছেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই মানুষটিকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। যদিও ঘটনাটি ভুলে যাননি তিনি। মিনার বলেন, ‘সে যেখানে থাকুক, ভালো থাকুক—এই কামনাই করি।’

    পাশাপাশি যেন অন্য কেউ জীবনে এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি না হয়- সেই প্রত্যাশার কথাও ব্যক্ত করেন এই সংগীতশিল্পী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • স্বামীসহ নায়িকা নিঝুমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

    প্রতারণা করে অর্থ আত্মসাতের এক মামলায় ঢাকাই সিনেমার নায়িকা রুবিনা আক্তার নিঝুম, তার স্বামী মামূনুর রশীদ রাহূল, দেবর নান্নু মিঞা ও ননদ মহিমা বিবির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

    বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিলরুবা আফরোজ তিথি এ আদেশ দেন।

    বাদীপক্ষের আইনজীবী কায়েশ আহমেদ অর্ণব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    এর আগে মোছাম্মৎ সুরভী বেগম নামের এক নারী গত ২৯ জানুয়ারি এই মামলা দায়ের করেন। আদালত সেদিন আসামিদের ১৯ ফেব্রুয়ারি হাজির হতে সমন জারি করেন।

    এ বিষয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী বলেন, ‘আজ তারা আদালতে হাজির হননি। সে কারণে আমরা গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করি। আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মামলায় অভিযোগ করা হয়, সুরভী বেগম ও রুবিনা নিঝুম পূর্ব পরিচিত। রুবিনা ও রাহূল সুরভীর আস্থাভাজন ও বিশ্বস্ত ছিলেন। রুবিনা ও রাহূল বিভিন্ন সময় সুরভীর কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে যথাসময়ে ফেরত দিয়ে আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করেন। সেই সুবাদে ২০২০ সালের ১ অক্টোবর রুবিনা ও রাহূল সুরভীর কাছ থেকে সাড়ে ১২ লাখ টাকা ধার চান।

    ১১ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দফায় তাদের সাড়ে ১২ লাখ টাকা দেন সুরভী। দুই মাসের মধ্যে টাকা ফেরত দেবেন বলে তাদের মধ্যে চুক্তিনামাও সম্পাদিত হয়। রাহূল টাকা ফেরত না দিলে বা মারা গেলে তার ভাই নান্নু টাকা ফেরত দেবেন বলে উল্লেখ করা হয়।

    পরে সুরভী বেগম গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে আর্থিক অস্বচ্ছলতা দেখা দেয়। জরুরি ভিত্তিতে টাকার প্রয়োজনে গত বছরের ১ মে টাকা ফেরত চান। তবে রুবিনা ও রাহূল টাকা ফেরত দেবেন না বলে জানিয়ে দেন। ২২ সেপ্টেম্বর রুবিনা ও রাহূলের রামপুরার বনশ্রী বাসায় গিয়ে টাকা ফেরত চান সুরভী।

    কিন্তু টাকা ফেরত দেওয়ার কথা অস্বীকার করে সুরভীকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হয়। এ বিষয়ে সুরভী রামপুরা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রতারণা মামলায় জ্যাকুলিনকে ফের তলব 

    আবারো বিপাকে পড়েছেন বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। ২০০ কোটি রুপির আর্থিক প্রতারণা মামলায় মূল অভিযুক্ত সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে জ্যাকুলিনকে ফের তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট  (ইডি)। 

    rnrn

    ইডির অভিযোগ, সুকেশ চন্দ্রশেখর তার অপরাধমূলক কাজ থেকে আয় করা অবৈধ অর্থ জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের জন্য উপহার কিনতে ব্যবহার করেছেন।

    rnrn

    তদন্তকারীদের দাবি, জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ সুকেশ চন্দ্রশেখরের ফৌজদারি মামলায় জড়িত থাকার কথা জানতেন। সুকেশ যে বিবাহিত ছিলেন, জ্যাকুলিন সে কথাও জানতেন।

    rnrn

    তবুও জ্যাকুলিন সুকেশের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন করেছিলেন। ইডির দাবি, অভিনেত্রী অভিযুক্ত সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে জেনেশুনে প্রতারণায় শামিল হয়েছেন। আর তাই এই আর্থিক তছরুপের মামলায় আবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জ্যাকুলিনকে ডেকে পাঠিয়েছে ইডি।  বুধবার এ মামলায় জ্যাকুলিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে ইডি।
    rnপ্রসঙ্গত, এর আগে ইডি আদালতকে জানিয়েছিল জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ কখনোই সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে হওয়া আর্থিক লেনদেনের সত্যতা প্রকাশ করেননি, বরাবরই তথ্য গোপন করে গেছেন। জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ সুকেশ চন্দ্রশেখরকে গ্রেফতার করার পর নিজের মোবাইল ফোন থেকে সম্পূর্ণ ডেটা মুছে ফেলেছেন। যার অর্থ প্রমাণ নষ্ট করা। তিনি তার সহকর্মীদেরও নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রমাণ নষ্ট করার।

    rnrn

    এর আগে ইডি আরও জানিয়েছিল জ্যাকুলিন সুকেশের কাছ থেকে শুধু ৫ কোটি ৭১ লাখ ১১ হাজার ৯৪২ রুপির উপহারই নেননি, সঙ্গে দুটি বিদেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, যা তার ভাই ও বোনের, সেখানেও ডলার স্থানান্তর করার জন্য অনুরোধ করেছিলেন।

    rnrn

    হলফনামায় বলা হয়, অভিনেত্রী ইচ্ছাকৃতভাবে নিজের বক্তব্য রেকর্ড করার সময় নিজে থেকে ভুল তথ্য পেশ করে আসছিলেন। যাতে তদন্তকে বিভ্রান্ত করা যায়। তিনি যে প্রাথমিকভাবে অভিযুক্ত সুকেশ চন্দ্রশেখরের আসল নাম জানেন, সে কথা অস্বীকার করেছিলেন। যা পরবর্তী সময়ে প্রমাণ হয় যে তিনি মিথ্যা বলছেন।

    rnrn

    সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রতারণার ফাঁদে নায়িকা ববি

    রেস্টুরেন্টের ব্যবসায় গিয়ে ভয়ঙ্কর প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন টালিউড অভিনেত্রী ইয়ামিন হক ববি। এ ঘটনায় শাহিনা ইয়াসমিন, তার ছেলে জাওয়ান আল মামুনসহ ৭ জন ও অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জনের নামে মামলা করেছেন তিনি।

    সোমবার রাজধানীর গুলশানে রাজধানীর রেডঅর্কিড রেস্টুরেন্টে এক সংবাদ সম্মেলনে নিজের প্রতারিত হওয়ার ঘটনা নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। 

    নায়িকা ববি বলেন, সৎভাবে জীবনযাবন অব্যাহত রেখে আর্থিক সচ্ছলতার আশায় আমি গুলশান-২ এর ১১৩ নম্বর রোডের ওয়াই এন সেন্টারের একটি রেস্টুরেন্ট ক্রয় করি। রেস্টুরেন্টে অপারেশন পার্টনার হিসেবে রয়েছেন আমার পূর্বপরিচিত মির্জা বাশার। আগের রেস্টুরেন্টের মালিক আমানের সঙ্গে তার রেস্টুরেন্টের সমুদয় আসবাবপত্র (ইন্টেরিয়র ও অন্যান্য) ৫৫ লাখ টাকা মূল্য ধরে একটি চুক্তি হয়। একই সময়ে রেস্টুরেন্ট ভবনের (বিল্ডিং) মালিকের স্ত্রী শাহিনা ইয়াসমিন ও ছেলে জাওয়াদ আল মামুনের সঙ্গে ভবন রেস্টুরেন্ট মালিকসহ আলোচনা করি। তখন শাহিনা ইয়াসমিন ও জাওয়াদ রেস্টুরেন্টটি আমাকে ভাড়া নিতে উৎসাহিত করেন এবং চলমান রেস্টুরেন্ট হস্তান্তর করলে তারা পরবর্তী সময়ে আমাদের নামে নতুন চুক্তিপত্র করে দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। তাদের প্রতিশ্রুতির পর আমরা আমানকে ১৫ লাখ টাকা দেই এবং টাকা পাওয়ার পর দিন আমানের সঙ্গে আমাদের চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী তাকে দুটি চেকও দেওয়া হয়।

    তিনি বলেন, গত এপ্রিল মাসে আমান আমাদের কাছে রেস্টুরেন্ট হস্তান্তর করেন। আমরা এপ্রিল থেকে রেস্টুরেন্টের ভাড়া প্রতি মাসে আড়াই লাখ ও বিদ্যুৎ বিলসহ অন্যান্য খরচ পরিশোধ করছি। ভবনের মালিক আমাদের নামে ভাড়া জমা নিয়ে রসিদও দেন। রেস্টুরেন্টে ওঠার পর আমরা ডেকোরেশন পরিবর্তনের কাজ শুরু করি। যাতে প্রায় ১ মাস সময় লাগে। ডেকোরেশনে প্রায় ৫০ লাখ টাকা খরচ হয়। এ পর্যায়ে আমরা রেস্টুরেন্ট পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করি এবং ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য আমরা ভবনের শাহিনা ইয়াসমিন ও জাওয়াদ আল মামুনকে চুক্তিপত্র, ফায়ার সেফটি ও বাণিজ্যিক অনুমতির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেওয়ার অনুরোধ করি।

    তিনি অভিযোগ করেন, আমরা যখন ট্রেড লাইসেন্স করতে এসব কাগজপত্র চেয়েছি তখন থেকে হঠাৎ করেই পূর্বের রেস্টুরেন্ট মালিক আমান, মালিক শাহিনা ইয়াসমিন, জাওয়াদ, ভবনের দায়িত্বে থাকা জয়, সাকিবসহ অন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা আমাদের হয়রানি শুরু করেন। প্রথমে আমান তাকে পরিশোধ করা ১৫ লাখ টাকার বিষয়ে অস্বীকার করেন। অন্যদিকে শাহিনা ও জাওয়াদের নির্দেশে ভবনের দায়িত্বে থাকা কর্মচারী জয়, সাকিব, হারুন ও তাদের সহযোগীরা বারবার আমার রেস্টুরেন্টের বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ করে দিয়ে আমাকে হয়রানি শুরু করেন। এর মধ্যে গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ওয়ান গ্রুপ থেকে বারবার সন্ত্রাসী ও লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে রেস্টুরেন্টে এসে ভয়ভীতি দেখাতে থাকে। গুলশানের মতো জায়গায় এমন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করছে দেখে আমি ভীত হয়ে যাই এবং এরা আসলে কাদের লোক তা জানার চেষ্টা করি। তখনই আমরা প্রথম জানতে পারি, শাহিনা ইয়াসমিন বিএনপি নেতা গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের স্ত্রী এবং এই ভবনের মালিক গিয়াস উদ্দিন আল মামুন নিজেই।

    ববি বলেন, এমন পরিস্থিতিতে বিপদের আশঙ্কা দেখে ট্রেড লাইসেন্সের বিষয়ে করণীয় কী সে পরামর্শ করতে আমরা সিটি করপোরেশনে যাই এবং জানতে পারি, ওই বিল্ডিংয়ের কোনোরকম বাণিজ্যিক কার্যক্রমের অনুমতি নেই। এ জন্য গত ফেব্রুয়ারি মাসে বেইলি রোডে রেস্টুরেন্টে আগুন লাগার পর এই বিল্ডিংটি সিলগালা করে দেয়া হয়। পরে শাহিনা ইয়াসমিন তিন মাসের মধ্যে বাণিজ্যিক কার্যক্রম সরিয়ে ফেলার লিখিত প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিল্ডিং খোলেন।

    তিনি আরও বলেন, এই ঘটনার পর আমরা বুঝতে পারি, আমান, শাহিনা ও জাওয়াদ মিলে আমাদের সঙ্গে এক ভয়াবহ প্রতারণা করেছেন। তারা অবৈধ রেস্টুরেন্ট বাঁচাতে না পারার ভয়ে বিক্রি করে টাকা তুলে নেওয়ার ফাঁদ পাতেন। সেই ফাঁদে আমাদের ফেলা হয়েছে। বাণিজ্যিক কোনো অনুমতি না থাকার পরও মাত্র তিন মাসের লিখিত প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসে আমাদের প্রায় ৮০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করিয়েছেন এবং তারা আমাদের থেকে ভাড়াও নিচ্ছেন। তারা ধারণা করেছিল, আমরা বৈধ কোনো কাগজপত্র চাইব না। সিলগালা হওয়া ভবনটিতে এখনো আগের মতোই সব বাণিজ্যিক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

    ভবনের বৈধ কাগজপত্র দাবি করায় তাদের উচ্ছেদের চেষ্টা হচ্ছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে তারা আমাদের হুমকি দিতে থাকে। সর্বশেষ গত ২২ জুন রাত ১১টায় আমরা রেস্টুরেন্ট বন্ধ করে বেরিয়ে যাই। পরদিন ২৩ তারিখ সকালে রেস্টুরেন্টের কর্মচারীরা গেলে নিরাপত্তাকর্মীসহ অন্যরা তাদের ঢুকতে বাধা দেয়। খবর পেয়ে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মির্জা বাশার সেখানে গেলে হঠাৎ করেই ১৫-২০ জনের সন্ত্রাসী দল তার ওপর আক্রমণ শুরু করে। সেখানে বাশারকে একা পেয়ে বেদম মারধর ও হত্যাচেষ্টা করা হয়। যার সিসিটিভি ভিডিও রয়েছে। আমি বিষয়টি জানতে পেরে তৎক্ষণাৎ থানায় অব্যহিত করি এবং সেখানে পুলিশ ও আমি একই সঙ্গে পৌঁছাই। পুলিশের উপস্থিতিতে আমরা রেস্টুরেন্টে ঢুকতে গেলে দেখতে পাই সেখানে নতুন তালা লাগানো হয়েছে।

    মারধর করে উল্টো তাদের নামেই মামলা দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে ববি বলেন, আমরা গুলশান থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে থানা থেকে মির্জা বাশারকে আগে চিকিৎসা করিয়ে এসে পরে মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়। পরে আমরা মামলা করতে গিয়ে জানতে পারি তারা আগেই মামলার অভিযোগ জমা দিয়েছে। যেখানে আমাকে আসামি করা হয়েছে। কিন্তু ঘটনাস্থলে আমি পুলিশের সঙ্গে যাই এবং পুলিশের সঙ্গে বের হয়ে প্রথমে থানায় যাই। মামলায় তদন্ত হচ্ছে, আশা করি তদন্তে সত্যতা উঠে আসবে।

    অনলাইন ডেস্ক

  • শিল্পা শেঠি ও রাজের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ

    আবারও বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেন শিল্পা শেঠি ও তার স্বামী রাজ কুন্দ্রা। তারকা দম্পতির বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ আনলেন বুলিয়ন (সোনা, রূপার ব্যবসার জন্য বিশেষ প্ল্যাটফর্ম) ব্যবসায়ী পৃথ্বীরাজ কোঠারি। তার দাবি, প্রায় নব্বই লাখ টাকার প্রতারণা করা হয়েছে। তাই শিল্পা ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দিলেন মুম্বাই দায়রা আদালত।

    ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ‘সত্যযুগ গোল্ড প্রাইভেট লিমিটেড’ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা শিল্পা ও রাজ। ২০১৪ সালে এ সংস্থার অধীনে একটি যোজনা চালু হয়। সোনায় লগ্নি করলে বিনিয়োগকারীদের বড় অঙ্কের লাভের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। মেয়াদ শেষে সোনার বাজারমূল্য যাই থাকুক, সেই হারেই সোনা ফেরত দেওয়া হবে। সেই যোজনায় বিনিয়োগ করেছিলেন পৃথ্বীরাজ কোঠারি।

    তার দাবি, তিনি সরাসরি তারকা দম্পতির সঙ্গে দেখা করে এ বিষয়ে আলোচনা করেছিলেন। তাই বিনিয়োগ করেছিলেন কিন্তু মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে বেঁকে বসে রাজ-শিল্পার সংস্থা।

    পাঁচ বছরের মেয়াদ অনুযায়ী পাঁচ হাজার গ্রামের ২৪ ক্যারেট সোনা তার প্রাপ্য। ২০১৯ সালের ২ এপ্রিল মেয়াদ সম্পূর্ণ হলেও প্রাপ্য সোনা মেলেনি।

    বিচারক এনপি মেহতা বান্দ্রা কুরলা কমপ্লেক্সকে অভিযোগ খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে শিল্পা-রাজের বিরুদ্ধে এফআইআরের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। ঘটনা নিয়ে কোনো বিবৃতি মেলেনি শিল্পা-রাজের তরফ থেকে।
     

    বিনোদন ডেস্ক

  • অক্ষয়ের নাম ভাঙিয়ে ৬ কোটি টাকা প্রতারণা, অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে মামলা

    বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমার ও তার প্রযোজনা সংস্থার নাম ভাঙিয়ে ছয় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে অভিনেত্রী দিগঙ্গনা সূর্যবংশীর বিরুদ্ধে। জানা যাচ্ছে, এ অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪২০ ও ৪০৬ ধারায় প্রতারণা ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করা হয়েছে।

    rnrn

    অভিযুক্ত অভিনেত্রী দিগঙ্গনা সূর্যবংশী ওয়েব সিরিজ 'শো স্টপার'-এ কাজ করছিলেন। নিউজ১৮-এর প্রতিবেদন অনুসারে, 'শো স্টপার' পরিচালক মনীশ হরিশঙ্কর ও প্রোডাকশন হাউজ এমএইচ ফিল্মসের অভিনেতা রাকেশ বেদী এবং সূর্যবংশীর ফ্যাশন ডিজাইনার কৃষাণ পারমারের বিরুদ্ধে প্রকল্পটির সুনাম ক্ষুণ্ন করা ও বিভ্রান্ত করে মিথ্যা বিবৃতি দেওয়ার জন্য একটা মানহানির নোটিশ জারি করেন।

    rnrn

    অভিনেতা রাকেশ বেদী সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন— তিনি এই প্রকল্পে কাজের জন্য কোনো টাকা পাননি এবং প্রকল্পটি বাতিল করা হয়েছে। বেদী আরও বলেন, ‘দেড় বা দুই বছর হয়ে গেছে। আমি এখনো আমার পারিশ্রমিক পাইনি। আমি মনে করি, সমস্যা হলো ওদের, আরও অনেক কাজ শেষ করতে হবে এবং অন্যদের সব বকেয়া পরিশোধ করতে হবে। তবেই তারা সিরিজটি রিলিজ করতে পারবেন। এমনকি এই সিরিজে কাজ করছেন আমার আরও কয়েকজন বন্ধু, তারাও পারিশ্রমিক পাননি।’

    rnrn

    এদিকে 'শো স্টপার' পরিচালক মনীশ হরিশঙ্কর জানান, অভিনেতাদের সব অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, দিগঙ্গনা বলেছিলেন— অক্ষয়, শাহরুখ খান এবং সালমান খানের মতো সুপারস্টাররা এই ওয়েব সিরিজের উপস্থাপক হিসাবে কাজ করবেন। যে কথা ছিল সম্পূর্ণ মিথ্যা।

    rnrn

    দিগঙ্গনা আরও বলেছিলেন— তিনি অক্ষয়ের সঙ্গে দেখা করার জন্য নিজেদের খরচে একজন কর্মীকে নিয়ে গিয়েছিলেন। অভিযোগ রয়েছে— অভিনেত্রী ওই সদস্যকে (যিনি কিনা প্রজেক্টের সম্পাদক ছিলেন) এই ১৬ পর্বের ওয়েব সিরিজসংবলিত আইপ্যাডটি তার হাতে তুলে দেওয়ার জন্য জোর করেছিলেন। আর এসবই ঘটেছিল সেই হোটেলের ঘরের বাইরে, যেখানে তিনি অক্ষয়ের সঙ্গে দেখা করার অপেক্ষায় ছিলেন। এদিকে সম্পাদক দাবি করেন— অভিনেত্রী এখন পর্যন্ত সেই আইপ্যাড তাকে ফেরত দেননি।

    rnrn

    এদিকে প্রযোজনা সংস্থা এমএইচ ফিল্মসের একজন আইনি প্রতিনিধি বলেন, দিগঙ্গনা হুমকি দিতে থাকেন, তার দাবি পূরণ না হলে গুরুতর পরিণতির হুমকি দিয়েছেন। ইতোমধ্যে সে বিষয়ে অভিযোগ করা হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অক্ষয়ের নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা করায় যুবক গ্রেফতার 

    ভারতীয় বংশোদ্ভূত কানাডীয় অভিনেতা অক্ষয় কুমারের প্রযোজনা সংস্থার নাম ভাঙিয়ে ব্যবসা করছিল একটি প্রতারণা চক্র।

    rnrn

    সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার পূজা আনন্দনীকে অক্ষয় প্রযোজিত ছবিতে কাজ পাইয়ে দেওয়ার ভুয়া প্রতিশ্রুতি দেওয়ার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে মুম্বাইয়ের জুহু থানার পুলিশ।

    rnrn

    গ্রেফতার হওয়ায় প্রিন্স কুমার সিনহা (২৯) পূজাকে কাজের ভুয়া প্রস্তাব দিয়েছিল বলে অভিযোগ। এক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত প্রথমে পূজার সঙ্গে যোগাযোগ করে, নিজেকে রোহন মেহরা বলে পরিচয় দেয়। সে জানায় অক্ষয় কুমারের প্রযোজনা সংস্থা কেপ অফ গুড ফিল্মসের কর্মী।

    rnrn

    তাদের প্রথম আলাপ হয়েছিল স্থানীয় একটি কফি শপে। যেখানে তিনি পূজাকে অমিতাভ বচ্চনের ঘনিষ্ঠ বলে দাবি করা এক ফটোগ্রাফারের মডেল হিসাবে পোজ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলেন বলে অভিযোগ। 

    rnrn

    এরপরে, তারা জুহুর জে ডাব্লু ম্যারিয়ট হোটেলে আবার দেখা করার কথা বলেন। তবে প্রিন্স যে ভুয়ো এবং জালিয়াতি করছেন তা বুঝতে পারেন পূজা। তিনি বিষয়টি পুলিশকে জানান। পুলিশ প্রিন্সকে গ্রেফতার করে।

    rnrn

    পুলিশের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে, গত ৩ এপ্রিল অভিযুক্ত তার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে রোহান মেহরা ছদ্মনামে পূজার সাথে যোগাযোগ করে। তদন্তে জানা যায়, প্রযোজনা সংস্থায় এমন কোনও ব্যক্তি কাজ করতেন না।

    rnrn

    পূজা প্রতারণার বিষয়টি জানতে পেরে পুরো বিষয়টি অক্ষয়ের প্রযোজনা সংস্থাকেও জানায়। এরপর পূজা নিকটবর্তী জুহু থানায় অভিযোগ দায়ের করে। 
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা, সতর্ক করলেন সালমান খান

    ভক্ত-অনুরাগীদের সতর্ক করলেন বলিউড ভাইজান সালমান খান। অভিনেতার প্রযোজনা সংস্থার পক্ষ থেকে একটি সতর্কবার্তা পোস্ট করা হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। 

    এতে বলা হয়েছে, সালমান খানের নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা করছে একটি চক্র। তাই এই সতর্কবার্তা।

    সম্প্রতি সালমান খানের প্রযোজনা সংস্থা ‘সালমান খান ফিল্মস’-এর নাম করে কিছু অসাধু ব্যক্তি সাধারণ মানুষকে ঠকাচ্ছে। তাই সালমান খানের এই প্রযোজনা সংস্থার পক্ষ থেকে তাদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) একটি পোস্টের মাধ্যমে সবাইকে এই প্রতারণার বিষয়ে সচেতন করা হয়।

    প্রযোজনা সংস্থাটি তাদের এক্স (টুইটার) অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট করে জানিয়ে দেন যে, বর্তমানে তারা কোনো সিনেমার জন্য কলাকুশলী নিচ্ছেন না।

     অফিশিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে লেখা হয়, এই পোস্টের মাধ্যমে জানানো হচ্ছে যে, সালমান খান বা সালমান খান ফিল্মসের পক্ষ থেকে বর্তমানে কোনো সিনেমার কাস্টিং করা হচ্ছে না। আমরা কোনো কাস্টিং এজেন্টকে দায়িত্ব দিইনি আমাদের কোনো আগামী চলচ্চিত্রের জন্য। এমন কিছুর জন্য আপনাদের কাছে মেইল বা মেসেজ গিয়ে থাকলে দয়া করে সেটাকে ইগনোর করুন। যারা সালমান খান বা সালমান খান ফিল্মসের নাম করে এসব করছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনিব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    তবে এটাই প্রথমবার নয় যে সালমান খানের পক্ষ থেকে ভক্তদের সতর্ক করা হলো। এর আগে ২০২৩ সালের জুলাই মাসেও এমন একটি পোস্ট করা হয়েছিল। সেখানেও সালমান খানের ভক্তদের সচেতন করা হয় এই ভুয়া ফোনকলের বিষয়ে।

    বিনোদন ডেস্ক