Tag: প্রতারণা

  • অনন্ত জলিলের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা

    ঢালিউড সিনেমার প্রযোজক ও চিত্রনায়ক অনন্ত জলিলের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনে আদালতে মামলা করেছেন শাফিল নাওয়াজ চৌধুরী নামে এক ব্যবসায়ী। অনন্ত জলিল ছাড়াও আরও পাঁচজনকে আসামি করে মামলাটি করেন তিনি। 

    মামলায় অনন্ত জলিল ছাড়াও তার মালিকানাধীন পলো কম্পোজিট নিট ইন্ডাস্ট্রি, তার স্ত্রী জাহানারা বেগম (কোম্পানির নিবন্ধিত তথ্য অনুযায়ী), কোম্পানিতে বিভিন্ন পদে কর্মরত মো. শরীফ হোসাইন, সাকিবুল ইসলাম, মিলন ও শহিদুল ইসলামকে আসামি করা হয়েছে।

    বাদীর আইনজীবী মো. রাফিনূর রহমান সাংবাদিকদের জানান, বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে ঢাকা মহানগর হাকিম সাইফুল ইসলাম অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে।

    মামলায় অভিযোগে বলা হয়, ২০২২ সালের ১৭ অক্টোবর আসামিরা পলো কম্পোজিট কোম্পানির নামে বাদীর কাছে গার্মেন্টস সম্পর্কিত কিছু কাজের জন্য অর্ডার দেন। এর পর বাদী কাজ শুরু করে কাজের বিপরীতে টাকা চাইলে আসামিরা কাজ চালিয়ে যেতে বলেন এবং এলসির মাধ্যমে টাকা দেবেন বলে জানায়।

    পরে তারা আরও বেশ কিছু কাজের অর্ডার দেন। একই বছরের মার্চ পর্যন্ত বাদী সব কাজ আসামিদের বুঝিয়ে দেন। এর পর গত ১৫ মার্চ টাকা পরিশোধের জন্য মার্কেন্টাইল ব্যাংকে আসামিরা বাদীর জন্য একটি এলসি করেন। পরে বাদী টাকার জন্য ব্যাংকে যোগাযোগ করলে এলসির কাগজপত্রে ত্রুটি থাকায় তা ওঠাতে ব্যর্থ হন।

    মামলায় আরও বলা হয়, বাদী চুক্তি অনুযায়ী প্রায় ২৯ হাজার ২০০ ডলারের কাজ সম্পন্ন করলেও অনন্ত জলিলের মালিকানাধীন কোম্পানিটি এখন পর্যন্ত এক টাকাও পরিশোধ করেনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রতারণার মামলা বাতিলের আবেদন নিয়ে হাইকোর্টে জ্যাকুলিন

    ২০০ কোটি রুপি আর্থিক প্রতারণার মামলা বাতিলের জন্য দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন করেছেন বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ।

    সম্প্রতি এই ফৌজদারি মামলা বাতিল করার আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। 

    গত বছরের আগস্ট মাসে চন্দ্রশেখরের বিরুদ্ধে দিল্লি পুলিশের অর্থনৈতিক অপরাধ শাখার তরফে দায়ের হয়েছিল এফআইআর। এর পর কেসের দায়িত্ব ইডির কাছে এলে নাম জড়ায় জ্যাকুলিনেরও। গত এক বছরে অনেকবার আদালতে যেতে হয়েছে অভিনেত্রীকে। তবে এবার তিনি দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থে এই ফৌজদারি মামলা বাতিল করার আবেদন জানিয়েছেন। 

    সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে এ মামলায় জড়িত থাকার কারণ এরই মধ্যে ইডির পক্ষ থেকে ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে। 

    ইডির ২০০ কোটির আর্থিক প্রতারণার মামলায় সহ-অভিযুক্ত হিসেবে নাম রয়েছে জ্যাকুলিনের। এদিকে দিল্লি পুলিশের তরফে করা একটি চাঁদাবাজির মামলায় প্রধান সাক্ষী তিনি। 

    গত বছরের আগস্ট মাসে চন্দ্রশেখরের বিরুদ্ধে দিল্লি পুলিশের অর্থনৈতিক অপরাধ শাখার তরফে দায়ের হয়েছিল এফআইআর। রেলিগার এন্টারপ্রাইজের সাবেক প্রোমোটারের স্ত্রী অদিতি সিংয়ের কাছ থেকে প্রতারণার অভিযোগ আসতেই নড়েচড়ে বসেছিলেন আধিকারিকরা। 

    অভিযোগ বাতিল করার আবেদন করে জ্যাকুলিন দাবি করেন, ইডি যেসব নথি দাখিল করেছে, তা প্রমাণ করে যে তিনি চন্দ্রশেখরের একজন চক্রান্তের শিকার। 

    যদিও ইডির তরফে বারবার দাবি করা হয়েছে, সুকেশের বেআইনি ব্যবসার ব্যাপারে আঁচ ছিল জ্যাকুলিনের। এমনকি অভিনেত্রীর ঘনিষ্ঠরা অনেকেই তাকে সতর্ক করেছিল, কিন্তু তিনি সেভাবে কান দেননি। ব্র্যান্ডেড ব্যাগ, দামি পোশাক, গাড়ি, গহনা থেকে শুরু করে আর্থিক সুবিধে নিয়েছিলেন তিনি সুকেশের থেকে। এমনকি সুকেশের পাঠানো প্রাইভেট জেটে চড়ে দেখাও করতে যেতেন। এমনকি তাদের একাধিক ঘনিষ্ঠ ছবিও একাধিক সময়ে সামনে এসেছে, যা বড় প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছে জ্যাকুলিনের ক্যারিয়ারকে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রতারণার মামলায় নোবেলের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ৩০ জানুয়ারি

    কনসার্ট না করে এক লাখ ৭৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে গায়ক মাইনুল আহসান নোবেলের বিরুদ্ধে করা মামলায় প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৩০ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

    মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করেননি। এজন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী প্রতিবেদন দাখিলের নতুন দিন ধার্য করেন।

    এর আগে গত ২২ মে বাদীকে কনসার্টের এক লাখ ৭৫ হাজার টাকা দেওয়ার শর্তে জামিন পান নোবেল। এরপর নিজের ভুলের জন্য সবার কাছে ক্ষমা চান দুই বাংলার জনপ্রিয় গায়ক নোবেল।

    জানা যায়, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান গাইতে না গিয়ে এক লাখ ৭২ হাজার টাকা প্রতারণার অভিযোগে গত ১৬ মে রাজধানীর মতিঝিল থানায় শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ হেডকোয়ার্টার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ব্যাচ ২০১৬ এর প্রতিনিধি মো. সাফায়েত ইসলাম বাদী হয়ে মামলা করেন।

    মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ২৮ এপ্রিল শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ হেডকোয়ার্টার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ব্যাচ ২০১৬ এর প্রথম পুনর্মিলনীর আয়োজন করা হয়। এ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান গাওয়ার জন্য গত ২৫ মার্চ আসামি নোবেলের সঙ্গে মোট এক লাখ ৭৫ হাজার টাকা ঠিক করেন বাদী। তখন নোবেলকে নগদ ১৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়। এসময় নোবেল অনুষ্ঠানের পূর্বেই অবশিষ্ট টাকা পরিশোধ করতে হবে বলে জানান এবং তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট দেন।

    মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, পরে এসএসসি ব্যাচের সদস্যদের থেকে টাকা সংগ্রহ করে গত ৩০ মার্চ সিটি ব্যাংক এটিএম বুথ শরীয়তপুর ব্রাঞ্চ থেকে ৪৭ হাজার টাকা পাঠানো হয়। এরপর গত ১৪ এপ্রিল একই ব্রাঞ্চ থেকে এক লাখ ১০ হাজার টাকা নোবেলের অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়। অনুষ্ঠান উপলক্ষে তাকে সর্বমোট এক লাখ ৭২ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। তবে নোবেল অনুষ্ঠানে না গিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফ্ল্যাট প্রতারণায় ইডির তলব: কে এই রূপলেখা মিত্র?

    ফ্ল্যাট বিক্রির নামে প্রতারণা মামলায় ইডি তলব করেছে অভিনেত্রী-সংসদ সদস্য নুসরাত জাহানকে। আগামী সপ্তাহে হাজিরা দিতে হবে নুসরাতকে। ইডি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। 

    এই মামলাতেই তদন্তকারী সংস্থা ডেকে পাঠাল আরও এক অভিনেত্রীকে। তার নাম রূপলেখা মিত্র। 

    নুসরাতের মতো প্রথমসারির নায়িকা না হলেও টালিউডের পরিচিত মুখ রূপলেখা। রাকেশ সিং যে কোম্পানির মাথা ছিলেন- সেই ‘সেভেন সেন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রাইভেট লিমিটেডের’ তিনজন ডিরেক্টর ছিলেন- রাকেশ সিং, নুসরাত জাহান এবং রূপলেখা মিত্র। 

    প্রথম দুজনের পর এবার তৃতীয় ডিরেক্টরকেও তলব করল ইডি। তদন্ত সূত্রে উঠে আসছে রাজারহাটে ফ্ল্যাট বিক্রির নামে ২০ কোটি টাকা নয়ছয় করা হয়েছে রাকেশ সিংয়ের কোম্পানি থেকে। 

    শিবপ্রসাদ-নন্দিতা জুটির সিনেমা ‘ইচ্ছে’-তে অভিনয় করেছেন রূপলেখা। রাকেশ সিংয়ের প্রযোজনাতেই তৈরি সিনেমা ‘কলি’তে নায়িকার চরিত্রে কাজ করেছিলেন রূপলেখা। ২০১৫ সালে মুক্তি পেয়েছিল এই সিনেমা। যেখানে বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ও অভিনয় করেছিলেন। ছিলেন তুলিকা বসু, রাজেশ শর্মা, খরাজ মুখোপাধ্যায়ের মতো টালিউডের নামি অভিনেতারা। ওড়িয়া সিনেমায়ও কাজ করেছেন রূপলেখা। 

    ‘সেভেন সেন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রাইভেট লিমিটেডের’ বোর্ড অব ডিরেক্টরসদের যে বৈঠক হয়েছিল সেখানে উপস্থিত ছিলেন রূপলেখা মিত্র। নথিতে সই রয়েছে তার। বাজার থেকে যে ২০ কোটি টাকা তোলা হয়েছিল, তা কোথায় গেল? জানতে চায় ইডি। এই টাকা থেকে কারা লাভবান হয়েছেন? সংস্থার সঙ্গে নুসরাত জাহানেরই বা কী লেনদেন হয়েছে- এসব প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হবে রূপলেখাকে। 

    সোমবার ইডি অফিসে হাজির হয়ে নুসরাত তথা ওই সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান একাধিক অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংককর্মী। সঙ্গে ছিলেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পাণ্ডা। 

    অভিযোগকারীদের দাবি, সমবায়ের মাধ্যমে ফ্ল্যাট পাওয়ার জন্য টাকা জমা দিলেও আজ পর্যন্ত ফ্ল্যাট পাননি তারা। এ ঘটনায় অভিযোগ করা হয়েছে গড়িয়াহাট থানা এবং সল্টলেক সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে। এর তদন্ত করছেন কলকাতা পুলিশ ও ইডির গোয়েন্দারা। 

    নুসরাতকে ইডি সমন পাঠিয়েছে এ খবর জানাজানি হওয়ার পর থেকেই আবার বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে বসিরহাটের সংসদ সদস্য। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের তিনি জানান, এরকম যদি কোনো বিষয় থাকে আমি নিশ্চিতভাবে সহযোগিতা করব। যদি এমন কিছু সত্যিই ঘটে থাকে তাহলে আমি নিশ্চয়ই আমার সাধ্যমতো তদন্তে সহযোগিতা করব।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রতারণার অভিযোগে ইডির তলব, যা বললেন নুসরাত

    ফ্ল্যাট বিক্রির নামে প্রতারণার অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গের বসিরহাটের সাংসদ ও টালিউড অভিনেত্রী নুসরাত জাহানকে তলব করেছে অর্থনৈতিক গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। 

    মঙ্গলবার বেলা ১১টার মধ্যে তাকে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দপ্তরে ডেকে পাঠানো হয়ে। খবর আনন্দবাজারের।

    যদিও এ রকম কোনো নোটিশ এসেছে কিনা, তিনি জানেন না বলেই দাবি করেছেন নুসরাত। বসিরহাটের হিঙ্গলগঞ্জ মহাবিদ্যালয় একটি বৈঠকে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে ইডির নোটিশ নিয়ে প্রশ্ন করতেই সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া জানান তিনি।

    আরও পড়ুন:

    এ নিয়ে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি সকাল থেকে প্রচুর কাজে ব্যস্ত। নোটিশ এসেছে কিনা অবশ্যই দেখব। ইডি ডাকলে অবশ্যই যাব। তদন্তে সহযোগিতা করা আমার কর্তব্যের মধ্যে পড়ে।’

    নুসরাত একটি কোম্পানিতে থাকাকালীন একাধিক প্রবীণ ব্যক্তির সঙ্গে ফ্ল্যাট বিক্রির নামে আর্থিক প্রতারণা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে এ নিয়ে বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা বেশ কয়েকজন অভিযোগকারীকে নিয়ে গড়িয়াহাট থানা এবং ইডির দপ্তরে গিয়ে অভিযোগ করেন।

    ওই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেন কলকাতা পুলিশ এবং ইডির গোয়েন্দারা। বস্তুত এর আগেও তৃণমূল সাংসদ তথা অভিনেত্রীকে ডেকে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তবে ওই ঘটনার পর পরই কলকাতা প্রেসক্লাবে একটি সাংবাদিক বৈঠক ডেকে নুসরাত জানান, অভিযোগ যখন করা হয়েছে, তার অনেক আগেই তিনি সংশ্লিষ্ট কোম্পানি বা সংস্থা ছেড়ে দিয়েছিলেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার ম্যানেজারের প্রতারণার শিকার হলেন সামান্থা!

    ব্যক্তিগত জীবনে একের পর এক ঝড় সামলাতে হচ্ছে দক্ষিণী অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভুকে। গত বছর থেকে মায়োসাইটিসে ভুগছেন সামান্থা। রোগের চিকিৎসা করানোর জন্য সুদূর আমেরিকায়ও পাড়ি দিয়েছেন তিনি। 

    rnrn

    বিরল এই রোগের চিকিৎসা যে খরচসাপেক্ষ, তা কারও অজানা নয়। এর মধ্যেই ফের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়লেন সামান্থা। জানা গেছে, সামান্থার সঙ্গে প্রায় এক কোটি টাকার প্রতারণা করেছেন তার ম্যানেজার।

    rnrn

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত এক দশক ধরে ওই ম্যানেজারের সঙ্গে কাজ করছেন সামান্থা। এই ম্যানেজারের সঙ্গে জুটি বেঁধেই তামিল, তেলেগু থেকে শুরু করে বলিউডেও নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছেন সামান্থা। আর এ কারণে ম্যানেজারের ওপর অগাধ বিশ্বাস ছিল সামান্থার। সম্প্রতি নিজের পরবর্তী ছবি ‘খুশি’-র প্রচারমূলক অনুষ্ঠানের জন্য হায়দরাবাদে ফিরেছিলেন সামান্থা। তখনই নাকি তাকে সাবধান করেন অনেকে। 

    rnrn

    তবে গত ১০ বছরের সম্পর্ক ভাঙতে চাননি অভিনেত্রী। তার মাসুল এখন গুনতে হচ্ছে অভিনেত্রীকে। এমনিতেই মায়োসাইটিসের চিকিৎসার জন্য প্রায় এক বছরের বিরতি নিয়েছেন সামান্থা। উপরন্তু চিকিৎসায় বিপুল অঙ্কের টাকাও খরচ হচ্ছে অভিনেত্রীর। তার মধ্যে এক কোটি টাকা ক্ষতির ফলে সেই ম্যানেজারকে বহিষ্কার করে নতুন ম্যানেজারের খোঁজ করছেন সামান্থা।

    rnrn

    উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগে একই রকম ঘটনা ঘটেছিল অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানার সঙ্গেও। প্রায় ৮০ লাখ টাকা প্রতারণার কবলে পড়েছিলেন রাশমিকা। তার পরেই ম্যানেজার বদল করেন তিনি। যদিও এই খবর স্বীকার করেননি অভিনেত্রী নিজে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফাঁদে ফেলে ৫০ পুরুষের সঙ্গে প্রতারণা, মডেল নেহা গ্রেফতার

    একে একে ৫০ জন পুরুষকে ফাঁদে ফেলেছেন। তাদের সঙ্গে প্রতারণা করে লুটে নিয়েছেন ৩৫ লাখ টাকা। পুরুষদের ফাঁদে ফেলে এভাবে প্রতারণার অভিযোগে মুম্বাইয়ের মডেল নেহা ওরফে মেহরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার এসব প্রতারণার অভিযোগ এখন পুলিশকে ভাবাচ্ছে।

    কীভাবে ফাঁদ পাততেন মডেল নেহা? এ ঘটনায় পুলিশ জানিয়েছে, পুরুষদের নানা প্রলোভন দেখিয়ে বাড়িতে ডাকতেন নেহা। তার পর তার ও দুই পুরুষদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও গোপনে ক্যামেরায় ধারণ করে রাখতেন। কখনো নগ্ন করে মারধরও করা হতো সেসব পুরুষদের। সেসবও ভিডিও করে রাখা হত। আর এই ভিডিওগুলোই ছিল তার প্রধান হাতিয়ার।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দ বাজাররে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টার্গেট করা ব্যক্তিদের ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপে গোপনে ধারণ করা ভিডিওগুলো পাঠিয়ে ব্ল্যাকমেল করতেন নেহা। আর ভুক্তভোগী পুরুষরা সম্মানের ভয়ে অর্থ দিয়ে দিতেন তাকে।

    আরও পড়ুন:

    পুলিশ জানিয়েছে, মডেল নেহা একাই এই চক্রের সঙ্গে জড়িত নয়। তার সঙ্গে আরও অনেকে ছিলেন। কর্নাটকের পুলিশ সম্প্রতি এ চক্রের পর্দা উন্মোচন করেছে। জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ৫০ জনেরও বেশি পুরুষ তাদের এই প্রতারণার শিকার হয়েছেন। ভুক্তভোগীদের মধ্যে একজন পুলিশে অভিযোগ করার পরই প্রকাশ্যে আসে বিষয়টি।

    ভুক্তভোগী এক যুবক পুলিশকে জানিয়েছে, নেহা প্রথমে টেলিগ্রামের মাধ্যমে যোগাযোগ করে। তার পর ফোন নম্বর নেওয়ার পর হোয়াটসঅ্যাপে কথা চলে তাদের। মডেল ওই যুবককে জানান, তার স্বামী দুবাইয়ে কাজ করেন। তার পর নানাভাবে তাকে যৌন সম্পর্কে জড়ানোর ইঙ্গিত দেন। হোয়াটসঅ্যাপে নিজের কিছু ছবি ও ঠিকানাও পাঠিয়েছিলেন নেহা।

    অভিযোগকারীর দাবি, গত ৩ মার্চ বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে নেহার বাড়িতে যান তিনি। বাড়িতে যাওয়ার পর কিছুক্ষণের মধ্যে সেখানে তিন যুবক যান। তারা ওই যুবককে মারধর করেন। তাকে নগ্ন করে রাস্তায় ঘোরানোর হুমকিও দেয়। পরে তাকে তিন লাখ টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেয়।

    ভুক্তভোগী অভিযোগে আরও জানায়, প্রথমে একটি ফোন নম্বরে সাড়ে ২১ হাজার টাকা পাঠান তিনি। তবুও ছাড়া হয় না তাকে। রাত ৮টা পর্যন্ত বন্দি করে রাখা হয়। পরে ক্রেডিট কার্ডের জন্য বাড়ি যাওয়ার কথা বলে তাদের থেকে বের হয়ে রক্ষা পান।

    তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তে জানা যায়, ওই যুবকের মতো আরও অনেককে প্রতারণার ফাঁদে ফেলেছেন মডেল নেহা। প্রতারণার মাধ্যমে ৩৫ লাখ টাকা লুট করেছেন। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নেহাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। আর চক্রের সঙ্গে জড়িত বাকিদের গ্রেফতারের জন্য খোঁজ চালানো হচ্ছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নুসরাতের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ, যা বললেন যশ দাশগুপ্ত

    টালিউডের অভিনেত্রী ও সংসদ সদস্য নুসরাত জাহানের বিরুদ্ধে ফ্ল্যাট প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। অবশেষে এ বিষয়ে মুখ খুললেন তারই জীবনসঙ্গী অভিনেতা যশ দাশগুপ্ত। 

    যশ জানান, নুসরাতের বিরুদ্ধে ফ্ল্যাট দেওয়ার নামে যে কোটি কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে, তা ভিত্তিহীন। 

    ইনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) ডাকতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ইডি ডাকবে না।

    আরও পড়ুন:

    ফ্ল্যাট তৈরির নামে সেভেন সেন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রাইভেট লিমিটেডের মাধ্যমে যে ২৪ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। ওই সংস্থায় একসময় ডিরেক্টর পদে ছিলেন নুসরাত। অভিযোগ, প্রতারণার টাকায় নুসরাত নিজে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট কিনেছেন। যদিও সম্প্রতি সংবাদ সম্মেলনে তার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করে নুসরাত জানান, তিনি ওই সংস্থার থেকে ঋণ নিয়েছিলেন, যা তিনি পরে পরিশোধও করে দেন। এদিকে আবার নুসরাতের এই দাবি অস্বীকার করেছেন সেভেন সেন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রাইভেট লিমিটেডের ডিরেক্টর রাকেশ সিংয়ের। তিনি সাফ জানিয়েছেন, সংস্থার তরফে নুসরাতকে কোনো ঋণ দেওয়া হয়নি। 

    প্রসঙ্গত, নুসরাতের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ এনে ইডির দ্বারস্থ হন বিজেপির শঙ্কুদেব পণ্ডা। মেসার্স সেভেন সেন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রাইভেট লিমিটেড নামে একটি সংস্থা ফ্ল্যাট তৈরির নামে প্রবীণ অবসরপ্রাপ্তদের কাছ থেকে টাকা তুলেছে। মাথা পিছু চার লাখ টাকা করে ৪২৯ জনের কাছে তোলা হয় বলে অভিযোগ। যদিও বেশ কয়েক বছর কেটে গেলেও ফ্ল্যাট মেলেনি। বিচার চেয়ে দরজায় দরজায় ঘুরছেন প্রতারিতরা। উলটো সেই টাকায় বিশাল বিলাসবহুল ফ্ল্যাট কেনেন নুসরাত নিজে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রতারণার অভিযোগে নুসরাতের বিরুদ্ধে মামলা

    টালিউড অভিনেত্রী ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সংসদ সদস্য নুসরাত জাহানের বিরুদ্ধে ২৪ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগ করা হয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) কাছে।

    সোমবার সন্ধ্যার দিকে প্রতারণার অভিযোগ নিয়ে বেশ কয়েকজন ইডির দপ্তরে হাজির হয়েছিলেন। সেখানেই নুসরাত জাহানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগকারীদের সঙ্গে ইডির দপ্তরে দেখা গিয়েছিল বিজেপি নেতা শঙ্কু দেব পাণ্ডাকেও।

    তৃণমূল সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০১৪ সালে তার প্রতিষ্ঠান ৪২৯ জনের কাছ থেকে পাঁচ লাখ ৫৫ হাজার টাকা করে নিয়েছিল ৩ বিএইচকে ফ্ল্যাট দেওয়ার নামে। কিন্তু প্রায় ৯ বছর কেটে যাওয়ার পরও ফ্ল্যাট পাওয়া যায়নি। সেই সময় নাকি নুসরাতের প্রতিষ্ঠান দাবি করেছিল, রাজারহাট হিডকোর কাছে ফ্ল্যাট দেওয়া হবে এই ৪২৯ জনকে। তিন বছরের মধ্যে ফ্ল্যাটগুলো হস্তান্তরের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল।

    অভিযোগ, গড়িয়াহাট রোডে মেসার্স ৭সেন্স ইনফাস্ট্রাকচার প্রাইভেট লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে পাঁচ লাখ ৫৫ হাজার টাকা করে দিয়েছিলেন এই ৪২৯ জন ফ্ল্যাট প্রত্যাশী। সেই বাবদ মোট ২৪ কোটি টাকা তোলা হয়েছিল সংস্থার পক্ষ থেকে। অভিযোগ, সংস্থাটি নুসরাতের। পাশাপাশি রাকেশ সিং নামে আরও একজন ডিরেক্টর আছেন এই প্রতিষ্ঠানের। এই প্রতিষ্ঠান নাকি ৪২৯ জনকে বলেছিল, ৫০০ কাঠা জমি কিনে সেখানে নির্মাণ করা হবে ফ্ল্যাট।

    যদিও সময় মতো ফ্ল্যাট না পেয়ে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছিলেন গড়িয়াহাট থানায়। আলিপুর কোর্টেও এ নিয়ে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তবে তারা এখনো ফ্ল্যাট কিংবা টাকা কোনোটিই পাননি। শেষ পর্যন্ত তাই ইডির কাছে নালিশ করেছেন তারা। দাবি করা হয়েছে, এ মামলায় আলিপুর আদালতের পক্ষ থেকে একাধিকবার তলব করা হয় নুসরাতকে।

    সংবাদ মাধ্যমের কাছে তিনি জানান, নুসরাত আদালতের সমন পেয়েও হাজিরা দেননি। আলিপুর কোর্টে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে।

    এদিকে অভিযোগ, নুসরাতের বিরুদ্ধে এ মামলা তুলে নেওয়ার জন্য অভিযোগকারীদের ওপর প্রশাসনিক স্তর থেকে চাপ দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ উঠছে, অভিযোগকারীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তা দিয়ে অ্যাভিনিউতে ফ্ল্যাট কিনেছেন নুসরাত নিজে। তাই বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য ইডির কাছে আবেদন জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মায়ের বিরুদ্ধে মামলা করলেন প্রতারণার শিকার বলিউড অভিনেতা

    বলিউড অভিনেতা বিবেক ওবেরয় ও তার স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা ওবেরয় জালিয়াতির শিকার হয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন। ১ কোটি ৫৫ লাখ রুপি (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ২ কোটি) প্রতারণার শিকার হয়েছেন তিনি। এর জন্য ব্যবসার অংশীদার সঞ্জয় সাহা, তার মা নন্দিতা সাহা এবং রাধিকা নন্দার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন বিবেক। খবর বলিউড হাঙ্গামা।

    rnrn

    পুলিশের ভাষ্য, বিবেক ওবেরয় অভিযোগ করেন যে, ২০২০ সালের জুলাই মাসে তিনি রাধিকা নন্দার প্ররোচনায় ১ কোটি ৫৫ লাখ রুপি প্রযোজনা সংস্থা ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের ব্যবসায় বিনিয়োগ করেন। 

    rnrn

    কিন্তু দুই বছর পর ২০২২ সালের এপ্রিলে এক কর্মকর্তার কাছে তিনি জানতে পারেন যে, তিনি প্রতারিত হয়েছেন। ব্যবসার জন্য তার দেওয়া অর্থ সঞ্জয় সাহা, তার মা নন্দিতা সাহার জীবন বিমাসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত খাতে খরচ করেছেন। এ ছাড়া রাধিকা নন্দা তাদের কোম্পানি থেকে টাকা তুলে নিয়েছেন। এর ডকুমেন্টসহ অভিযোগ করেছেন তিনি। 

    rnrn

    অভিযুক্ত ব্যক্তিরা কোম্পানি থেকে একটি ভ্যারিফায়েড ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রায় ৫৮ লাখ রুপি সরিয়েছেন।

    rnrn

    ২০১৭ সালে সঞ্জয় সাহা ও নন্দিতা সাহার অংশীদারত্বে ব্যবসা শুরু করেছিলেন বিবেক। এই ব্যবসায় মুনাফাও হচ্ছিল। পরবর্তীকালে সঞ্জয় সাহার সঙ্গে কাজ করা রাধিকা নন্দা নতুন ব্যবসার আইডিয়া দিলে আগের ব্যবসা বন্ধ করে নতুন ব্যবসায় নিজের শেয়ার বিনিয়োগ করেন বিবেক। 

    rnrn

    অভিযুক্ত ব্যক্তিদের নামে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪০৯ ও ৪২০ ধারায় অভিযোগ করেছেন বিবেক ওবেরয়। 

    rnrn

    এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক