Tag: নারী

  • কলকাতার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নারীর প্রতিকূলতা তুলে ধরলেন পাওলি

    কলকাতার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একজন নারীর প্রতিকূলতা জয়ের আখ্যান তুলে ধরা হয়েছে ‘জুলি’ ওয়েব সিরিজে। এর নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন টালিউড অভিনেত্রী পাওলি দাম। অরিত্র সেন পরিচালিত এ সিরিজে রয়েছেন টালিউডের একাধিক পরিচিত মুখ। আছেন রাজনীতিবিদের চরিত্রে কৌশিক সেন। অন্যদিকে সিবিআই আধিকারিকের চরিত্রে রয়েছেন গৌরব চট্টোপাধ্যায়। এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন সুজয় প্রসাদ চট্টোপাধ্যায় ও শ্রুতি দাস।

    এর আগেই আনন্দবাজার অনলাইন সূত্রে জানা গিয়েছিল, ওয়েব সিরিজে এক রাজনীতিবিদের চরিত্রে অভিনয় করবেন অভিনেত্রী পাওলি দাম। ‘জুলি’ নামের এই সিরিজের শুটিং ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এবার প্রকাশ্যে এলো ফার্স্ট লুক।

    অভিনেত্রীর দুটি লুক প্রকাশ্যে এসেছে। সমাজের প্রান্তিক শ্রেণি থেকে চরিত্রটি একসময়ে ক্ষমতার শীর্ষে পৌঁছে যায়। কিন্তু উচ্চাকাঙ্ক্ষার পথে হাঁটতে গিয়ে জুলিকে কি স্বার্থত্যাগ করতে হবে, না কি সময়ের সঙ্গে ক্ষমতার বৃত্তে ষড়যন্ত্রকে ফাঁস করতে সফল হবে জুলি। এ রকমই কিছু প্রশ্ন সামনে রেখে সিরিজের গল্প এগোবে।

    এর আগে এ পরিচালকের ‘কালী’ ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছিলেন পাওলি দাম। এবার জুলি সিরিজে রাজনৈতিক নেত্রী হিসেবে অভিনয় করলেন তিনি। এ সিরিজ প্রসঙ্গে পরিচালক অরিত্র সেন বলেন, চরিত্রটি ভাবার পর প্রথমেই আমার পাওলির কথা মনে পড়ে। চরিত্রটার একটা অতীত রয়েছে। রাজনীতির ময়দানে পা রাখার পর যা তার জীবনে আরও প্রতিবন্ধকতা নিয়ে আসে।

    এ মুহূর্তে সিরিজটির পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ চলছে। আগামী মাসে সিরিজটি আড্ডা টাইমসে মুক্তি পাবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অবশেষে সত্য হলো নারী সুরক্ষা কমিটিকে নিয়ে করা শ্রীলেখার মন্তব্য

    টালিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র চার বছর আগে সাহস করে নারী নিগ্রহের বিষয়ে মুখ খুলেছিলেন। সেই সময় তিনি জানিয়েছিলেন— বাংলা বিনোদন জগতেও ‘কম্প্রোমাইজ়’ চলে। একই সঙ্গে টালিউডের প্রথম সারির খ্যাতনামাদের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছিলেন। 

    মঙ্গলবার টেলি অ্যাকাডেমি, ইমপা, আর্টিস্ট ফোরাম, ফেডারেশনের সভাপতির উদ্দেশে বিনোদন জগতের সবস্তরের নারী খ্যাতনামাদের স্বাক্ষরসংবলিত চিঠিতে ‘নারী সুরক্ষা কমিটি’র কথা উঠতেই ফের সরব শ্রীলেখা।

    আনন্দবাজার অনলাইনের এক সাক্ষাৎকারে টালিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র চার বছর আগে সাহস করে নারী নিগ্রহের বিষয়ে মুখ খুলেছিলেন। সেই সময় তিনি জানিয়েছিলেন— বাংলা বিনোদন জগতেও ‘কম্প্রোমাইজ়’ চলে। তখন কেউ সে কথা কর্ণপাত করেননি; বরং তাকে মিথ্যাবাদী বলে অবহিত করা হয়।

    শ্রীলেখা বলেন. যা বলতে চেয়েছি, সেটাই সামাজিকমাধ্যমে শেয়ার করে নিয়েছি। আপাতত বিষয়টি নিয়ে আলাদা কিছু বলার নেই। 

    তিনি বলেন, তার কথাই সত্যি হলো। অথচ এ আগে যখন বলেছিলাম, তখন আমি মিথ্যাবাদী, সেই সময় কেউ তাকে বিশ্বাস করেননি। উল্টো ‘মিথ্যাবাদী’ তকমা দেওয়া হয়েছিল তাকে।

    গত ৯ আগস্ট থেকে আরজি করকাণ্ডে উত্তাল গোটা দেশ। তরুণী চিকিৎসকের নির্যাতন-মৃত্যু নারী সুরক্ষা নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে সবাইকে। মালায়ালাম ছবির দুনিয়া থেকে বলিউড হয়ে টালিউড। বিনোদন জগতের আলাদা হলেও সমস্যা এক। অভিনেত্রী থেকে টেকনিশিয়ান— কোনো না কোনোভাবে কেউ না কেউ হেনস্তার শিকার। যার জেরে দক্ষিণী বিনোদন জগতে হেমা কমিটি তৈরি হয়েছে। যাকে অনুসরণ করে বলিউডের জন্য এমনই এক কমিটি বানাতে চলেছে মহারাষ্ট্র সরকার। গত আট দিন ধরে একই ভাবনা বাংলা বিনোদন জগতেও।

    সে কথা প্রকাশ্যে আসতেই শ্রীলেখার ব্যঙ্গ করে বলেন— হাসব না কাঁদব, জানি না। অবশেষে এখানেও ‘উইমেন্স ফোরাম’ তৈরি হচ্ছে! অথচ এসবের বিরুদ্ধে সবার প্রথমে যে মুখ খুলেছিল, তার নাম নেই। অভিনেত্রীদের স্বাক্ষর-তালিকায় তাকে যে রাখা হয়নি, সে কথাই জানিয়েছেন তিনি। 

    বিস্ফোরক শ্রীলেখা মিত্র অতীত মনে করিয়ে দিয়ে লিখেছেন, সবাই বলেছিলেন— আমি নাকি ‘ভিকটিম কার্ড’ খেলছি! আমার যোগ্যতা নেই। আমার খামতির জন্যই কাজে নেওয়া হয় না। যারা এসব কথা বলেছিলেন, আজ তারাই একজোট। এবার শ্রীলেখা পাল্টা এই প্রচেষ্টাকে ‘নাটক’ আখ্যা দিয়েছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নারীর প্রতি সহিংসতায় জবান বন্ধ থাকলে আপনি মুনাফিক: পরীমনি

    সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের একদফা দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে উত্তাল সারা দেশ। মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ছাত্রলীগ-যুবলীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে কোটাবিরোধী আন্দোলকারী শিক্ষার্থীদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। 

    চট্টগ্রামে ছাত্রলীগ-যুবলীগের হামলায় চট্টগ্রাম কলেজের দুই ছাত্রসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। রংপুরে পুলিশের গুলিতে আবু সাইদ নামে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়ক নিহত হয়েছেন। এছাড়া ঢাকায় অজ্ঞাত পরিচয় একজন নিহত হয়েছেন। 

    গতকাল সোমবারও ছাত্রলীগের দফায় দফায় হামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী আহত হয়েছেন।

    শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে এতদিন নীরব থাকলেও সরব হয়েছেন দেশের বিনোদন জগতের অনেক তারকা। শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে কোটা সংস্কারের পক্ষে নিজেদের অবস্থান জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন একাধিক তারকা।

    সোমবার চিত্রনায়িকা পরীমনি আহত এক শিক্ষার্থীর ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘নারীর প্রতি সহিংসতায় আপনার জবান বন্ধ থাকলে আপনি মুনাফিক।’

    কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের পক্ষে দেওয়া পরীমনির ওই স্ট্যাটাসটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এমন স্ট্যাটাসের জন্য অনেকেই নায়িকার প্রশংসা করেছেন। 

    একজন লিখেছেন, ‘যদি পোস্টটা মন থেকে দিয়ে থাকেন, এই ভালো কাজটার জন্য আপনার জন্যও অনেকের ভালো লাগা কাজ করবে’।  

    শেখ জাহিদুল নামে একজন লিখেছেন, ‘আমি মৃত্যু পর্যন্ত যেই সংগঠনকে ঘৃণা করব, তার নাম ছাত্রলীগ’। 

    আরেকজন লিখেছেন, ‘সত্যিকারের মানুষরাই নারীকে সম্মান করতে জানে’।

     

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • কীভাবে নারীর মন জয় করতে হয়, মন্ত্র দিলেন শাহরুখ খান

    বলিউড বাদশা শাহরুখ খান নায়িকাদের সঙ্গে অনায়াসে পর্দায় রোম্যান্স করেন। পর্দায় তার উপস্থিতিতে তিনি যখন দুই হাত ছড়িয়ে দেন, ভক্তরা অপলকদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকেন সেদিকে। তার ছবি মানেই হলে হুমড়ি খেয়ে পড়া— প্রচুর ভিড়। তার ভক্তের সংখ্যা গুনে শেষ করা যাবে না। তার অধিকাংশ ভক্তই হচ্ছেন নারী। বিশেষ করে আট থেকে আশি— শাহরুখের নারী ভক্ত রয়েছেন সারাবিশ্বে। 

    এবার নারীর মন জয় করার কথা জানালেন তিনি। যদিও এর আগে এক সাক্ষাৎকারে শাহরুখ জানিয়েছিলেন নারীরা ঠিক কেন তাকে পছন্দ করেন। কিন্তু কেন, কীভাবে শাহরুখে মুগ্ধ হন নারীরা, সে কথাই জানালেন বলিউড বাদশা।

    শাহরুখ খান বলেন, রোম্যান্স কীভাবে করা যায় আমি জেনে গেছি। নারীরা আমায় কেন পছন্দ করে, সেটিও আমি বুঝে গেছি। ৬, ৬০ কিংবা ৯০ যে কোনো বয়সের নারীর সঙ্গেই আমার দেখা হোক না কেন, আমি তাদের এত সম্মান দিই যে, সবাই আমায় ভালোবেসে ফেলেন।

    শাহরুখ খান সিনেমার শুটিংয়ে সহ-অভিনেত্রী কিংবা ছবির প্রচারেও দেখা গেছে তিনি নারীদের সম্মান করেন। নারী ভক্তদের সঙ্গেও তার ব্যবহার চোখে পড়ার মতো। 

    এ অভিনেতা বলেন, আমি অনেক গান গেয়েছি, কবিতা বলেছি, নেচেছি, মজা করেছি এবং অদ্ভুত অদ্ভুত কথা বলেছি। সে জন্য নয়, আমার চেহারার জন্য তো নয়ই; বরং নারীদের সম্মান দিই, এই একটি কারণে যে, তারা আমায় পছন্দ করেন। নারীরা শুধু সম্মানই পেতে চান বলে জানান বলিউড বাদশা। 

    তিনি বলেন, হতেই পারে তাদের শারীরিক চাহিদা কিংবা অন্য কোনো চাহিদাও রয়েছে। কিন্তু নারীরা পুরুষের কাছ থেকে সম্মানটাই সবচেয়ে বেশি প্রত্যাশা করেন— আমি সেটাই দেওয়ার চেষ্টা করি।

    উল্লেখ্য, শাহরুখ খান এ মুহূর্তে তার আসন্ন ছবি ‘কিং’-এর কাজ নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। এ ছাড়া তার হাতে রয়েছে ‘টাইগার ভার্সাস পাঠান’ নামে আরও একটি ছবি। এর আগে এ অভিনেতার ২০২৩ সালে পরপর তিনটি সিনেমা সুপার-ডুপার হয়েছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • কেমন আছেন কঙ্গনাকে চড় মারা সেই নারী?

    বলিউড অভিনেত্রী ও ভারতের সংসদ সদস্য কঙ্গনা রণৌতকে চড় মেরে আলোচনায় এসেছিলেন সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্সের নারী নিরাপত্তারক্ষী কুলবিন্দর কৌর। এজন্য বড় শাস্তি পেতে হয়েছে তাকে। চাকরি থেকে সাসপেন্ড করা হয় কুলবিন্দরকে। বর্তমানে কেমন আছেন কুলবিন্দর? তার সাজা কি মওকুফ হয়েছে? 

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখনো তিনি সাসপেনশনেই রয়েছেন। তাকে বেঙ্গালুরুতে সিআইএসএফ-এর একটি রিজার্ভ ব্যাটেলিয়নে বদলি করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তও চলছে বলে জানা যায়। যে কারণে পুরোদমে কাজে ফেরা এখনই তার পক্ষে সম্ভব নয়।

    সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর কঙ্গনা চণ্ডীগড় বিমানবন্দরে গিয়েছিলেন। দিল্লি যাওয়ার জন্য বিমানবন্দরে হাজির হয়েছিলেন অভিনেত্রী। সেসময়ে এক নারী সিআইএসএফের জওয়ান তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন এবং তাকে চড় মারেন। এরপর কঙ্গনার সঙ্গে থাকা একজন পাল্টা চড় মারেন ওই জওয়ানকে।

    সেসময় জানা যায়, ভারতের কৃষক আন্দোলন নিয়ে উল্টাপাল্টা মন্তব্য করেছিলেন কঙ্গনা। আক্রমণাত্মক টুইট করেছিলেন। তখন থেকেই অভিনেত্রীর ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন ওই জওয়ান। এবার বিমানবন্দরে দেখা পেতেই মেটালেন মনের ঝাল।

    এদিকে চড় খেয়ে কঙ্গনাও মুখ খুলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘আজ চণ্ডীগড় বিমানবন্দরে যে ঘটনাটি ঘটেছে, সেটি সিকিওরিটি চেকের সময়ে ঘটেছে। চেক করে যেই বেরিয়েছি, তখন অন্য কেবিনে যে নারী ছিলেন, যিনি ওই কেবিনের নিরাপত্তাকর্মী হিসাবে কাজ করছিলেন, সেই সিআইএসএফের জওয়ান নারী, উনি পাশ থেকে এসে আমার মুখে মারেন। গালি দিতে শুরু করেন।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • কঙ্গনাকে চড় মেরে তোলপাড় সৃষ্টি করা কে এই নারী কনস্টেবল?

    বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত সব সময়ই আলোচনায় থাকেন। ঠোঁটকাটা স্বভাবের এই অভিনেত্রীর কাছ থেকে ৫০০ হাত দূরে থাকেন অনেকেই। সেই কঙ্গনাকেই চড় মেরে তুলকালাম কাণ্ড ঘটিয়ে দিয়েছেন কুলবিন্দর কৌর নামের এক নারী। চণ্ডিগড় বিমানবন্দরের এই ঘটনায় সর্বত্র আলোচনা বইছে। 

    rnrn

    লোকসভা নির্বাচনে সদ্য বিজয়ী বিজেপির এই সংসদ সদস্যকে চড় মারার সাহস দেখানো কে এই কুলবিন্দর কৌর? 

    rnrn

    ঘটনার পরেই একটি ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে কঙ্গনার প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করতেও দেখা গেছে তাকে। কী কারণে কঙ্গনাকে চড় মারলেন তিনি, কেনই বা এত ক্ষোভ? 

    rnrn

    ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ২০২০ সালের কৃষক আন্দোলন নিয়ে কঙ্গনার করা মন্তব্যের বিষয়ে বেশ ক্ষুব্ধ ছিলেন কুলবিন্দর। সে কারণে বৃহস্পতিবার চণ্ডিগড় বিমানবন্দরে কঙ্গনাকে হাতের নাগালে পেয়েই এতদিনের পুষে রাখা ক্ষোভ ঝাড়েন তিনি।

    rnrn

    এদিকে, চড়কাণ্ডের একটি ভিডিও ভাইরাল। যেখানে কুলবিন্দরকে চিৎকার করে বলতে শোনা যায়, ‘আমার মা ছিলেন ওখানে’।

    rnrn

    জানা গেছে, দিল্লিজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি করা কৃষক আন্দোলনে ১০০ টাকার বিনিময়ে অংশ নিয়েছিলেন নারীরা, সে সময় এমনই বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন কঙ্গনা। সেই বক্তব্যের জবাব দিয়ে কুলবিন্দর জানান যে, তার মাও ছিলেন সেই আন্দোলনে। 

    rnrn

    তাকে বলতে শোনা যায়, ‘কঙ্গনা বলেন নারীরা ১০০-১০০ টাকায় বসেছিলেন কৃষক আন্দোলনে, উনি গিয়ে বসবেন ওখানে? আমার মা বসেছিলেন ওখানে, তখন উনি ওই মন্তব্য করছিলেন।’ 

    rnrn

    কুলবিন্দর এটিও স্পষ্ট করে দেন যে, কঙ্গনাকে ‘কৃষকদের অসম্মান’ করার জবাব দিয়েছেন তিনি।

    rnrn

    চড়কাণ্ডের পরও দুই দলে বিভক্ত নেটিজেনরা। একাংশের মতে, আদর্শের পার্থক্য থাকলেও কারও গায়ে হাত তোলা ঠিক নয়। অন্যদিকে, আরেকদল বলছে, ‘ওই নারী কনস্টেবল ঠিক কাজই করেছেন।’

    rnrn

    জানা গেছে, কুলবিন্দর সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্সের (সিআইএসএফ) একজন নারী কনস্টেবল। এই ঘটনার পর তাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। 

    rnrn

    এছাড়া, এই ঘটনার তদন্তের জন্য বিমানবন্দরে নিরাপত্তা প্রদানের দায়িত্বপ্রাপ্তদের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

    rnrn

    ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, সিআইএসএফ কনস্টেবল কুলবিন্দর কৃষক পরিবারের সন্তান। ২০০৯ সালে তিনি সিআইএসএফে যোগ দেন। ২০২১ সাল থেকে চণ্ডিগড় বিমানবন্দরে অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটি গ্রুপ ফোর্সে রয়েছেন। এখন পর্যন্ত বাহিনীতে তার বিরুদ্ধে কোনও সতর্কতামূলক তদন্ত বা শাস্তি হয়নি। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তার স্বামীও একই বিমানবন্দরে কর্মরত।

    rnrn

    এদিকে, নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে কঙ্গনা জানিয়েছেন, বর্তমানে তিনি সুরক্ষিত রয়েছেন।

    rnrn

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে ভারতজুড়ে একজোট হয়ে আন্দোলন গড়ে তোলেন কৃষকরা। এতে উত্তাল হয় দিল্লির পরিস্থিতি। সেই সময় ওই আন্দোলনে বসে থাকা এক বৃদ্ধার ছবি পোস্ট করে কঙ্গনা লেখেন, ‘১০০ টাকাতেই লভ্য’। বিপুল জনরোষের মুখে সেই পোস্ট মুছতে বাধ্য হন অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমানকে বিয়ে করতে চাওয়া সেই নারী পুলিশ হেফাজতে 

    বিয়ে করবেন সালমানকে। বিয়ে না করে তার পানাভেল খামারবাড়ি ছেড়ে যাবেন না এক নারী। অবশেষে সেই অচেনা সুন্দরীকে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন। 

    rnrn

    ‘ভাইজান’খ্যাত সালমানকে হত্যার জন্য পাকিস্তান থেকে শক্তিশালী আগ্নেয়াস্ত্র এনেছিল লরেন্স বিষ্ণোইয়ের দল। সেই পরিকল্পনা সদ্য ফাঁস করেছে মুম্বাই পুলিশ। তার ২৪ ঘণ্টা পেরোতে না পেরোতেই আবারও নতুন খবর। নায়ককে বিয়ে করতে এক অচেনা নারী তার পানাভেল খামারবাড়িতে হাজির! স্থানীয়রা জানান, ওই নারী নাছোড়বান্দা! সালমানকে বিয়ে না করে তিনি কিছুতেই পানাভেল ছেড়ে যাবেন না!

    rnrn

    আনন্দবাজার প্রতিবেদন সূত্র জানায়, রোববার ছুটির ছিল। খোশমেজাজে মুম্বাইও। কাজ কম থাকায় এদিন তারকারাও খোশমেজাজেই থাকেন। আচমকাই এক খবরে নতুন করে নড়েচড়ে বসেন সবাই। অচেনা এক সুন্দরীর আগমন সালমানের খাবারবাড়িতে। কাকতালীয়ভাবে এদিন তার খামারবাড়িতে ছিলেন না সালমান। ফলে ঘটনা বড় আকার ধারণ করার আগেই স্থানীয়রা তাতে হস্তক্ষেপ করেন। 

    rnrn

    ওই নারীর দাবি— তিনি সালমানের ‘বিয়িং সালমান’ গ্রুপের সমর্থক। সালমান খানের অন্ধভক্ত। তার অনেক দিনের স্বপ্ন— তিনি নায়ককে বিয়ে করবেন। স্বপ্নপূরণ করতেই তার পানাভেলে আসা। তিনি নিজের স্বপ্নপূরণ না করে যাবেন না। সালমানের খামারবাড়িতে ঢুকতে না পেরে তিনি নাকি গেটের সামনেই বসে পড়েন। হট্টগোল শুরু করে দেন। স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ আসে। তাকে আটক করে নিয়ে যায় পানাভেল তালুকা থানায়। সেখান থেকে ওই নারীকে স্থানীয় এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

    rnrn

    পানাভেল খামারবাড়িতেই তাকে হত্যার নতুন ছক কষেছিলেন অন্ধকার দুনিয়ার বাদশা জানিয়েছে মুম্বাই পুলিশ। কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার ঘটনায় বিষ্ণোইয়ের নিশানায় নতুন ছক। একের পর এক খুনের চেষ্টা ব্যর্থ বিষ্ণোইয়ের। পাঞ্জাবি গায়ক সিধু মুসে ওয়ালাকে যে আগ্নেয়াস্ত্রে খুন করা হয়েছিল, সেই আগ্নেয়াস্ত্র ‘ভাইজান’-এর জন্যও নাকি আনানো হয়েছিল। এবার যাতে পরিকল্পনা ব্যর্থ না হয়, তার জন্য লরেন্স বিষ্ণোইয়ের দলের কয়েকজন সালমানের পানভেলের বাড়িতে গিয়ে রেকি পর্যন্ত করে এসেছিলেন বলে জানায় পুলিশ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নারী পুরুষ সমান নয়, কেন বললেন প্রীতি জিনতা?

    ‘লাহোর ১৯৪৭’ সিনেমা দিয়ে ৬ বছর পর অভিনয় জগতে ফিরলেন বলিউড অভিনেত্রী প্রীতি জিনতা। কিন্তু কেন ৬ বছর কোনও ছবিতে তাকে দেখা যায়নি, এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী গনমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, সন্তানদের সময় দেওয়ার জন্যই তিনি কিছুদিন অভিনয় জগৎ থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখেছিলেন। প্রায় ১৭ বছর পর চিত্রগ্রাহক সন্তোষ শিবনের হাতে পিয়েরে অ্যাঞ্জেনিউজ পুরস্কার তুলে দিতেই প্রীতি জিনতা উপস্থিত হয়েছেন কান চলচ্চিত্র উৎসবে। 

    rnrn

    ‘ভাইয়াজি সুপারহিট’ সিনেমায় কাজ করার পর প্রায় ছয় বছর অভিনয় থেকে বিরতি নিয়েছিলেন প্রীতি। কিন্তু বর্তমানে তিনি ‘লাহোর ১৯৪৭’-দিয়ে অভিনয়ে ফিরেছেন। কেন এত দিন অভিনয় জগৎ থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখেছিলেন প্রীতি? সেই প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এ অভিনেত্রীর অকপট স্বীকারোক্তি, আমি আর সিনেমা করতে চাইনি। ব্যবসা ও ব্যক্তিগত জীবনের দিকেই মন দিতে চেয়েছিলাম। নারীরা অভিনয় করলেও, নৈপুণ্যর সঙ্গে সব কাজ গুরুত্ব দিয়ে করলেও ‘বায়োলজিক্যাল ক্লক’ থেমে থাকে না, এটা সকলেই ভুলে যান। আমি ইন্ডাস্ট্রিতে কাউকে ডেট করিনি। আমি কোনও অভিনেতাকেও ডেট করিনি। সব সময় আমার পরিবারকে সময় দেওয়ার চেষ্টা করে এসেছি। শুধু কাজ, অন্যের জীবন নিয়ে মাতামাতি , ডেট করে অনেকেই নিজের জীবনটাই বাঁচাতে ভুলে যান। কিন্তু আমি সন্তান চেয়েছিলাম। পাশাপাশি ব্যবসাও আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। সবটা মিলিয়ে আমি আমার ব্যক্তিগত জীবনে বেশি ফোকাস করতে চেয়েছিলাম। কেবল একজন ভালো অভিনেত্রী হয়ে পুরো জীবনটা একাকিত্বে কাটাতে চাইনি আমি। 

    rnrn

    অভিনেত্রী আরও বলেন, যে সব নারীরা কাজ করেন তাদের সবাইকে বলতে শুনেছি আমি সমতা চাই, আমি একজন পুরুষের মতো কঠোর পরিশ্রম করতে চাই। প্রকৃতি আমাদের সেই সমতার পথে বড় অন্তরায়। কারণ মেয়েদের একটা ‘বায়োলজিক্যাল ক্লক’ রয়েছে। তাই প্রকৃতির কাছে হার মানতেই হবে, যে কাজ করছেন সেখানে কিছুটা সময় বিরতি দিয়ে ব্যক্তিগত জীবনে গুরুত্ব দিতে হবে। এখন আমার বাচ্চারা আড়াই বছরের হয়েছে, তাই আমি আবার কাজে ফিরেছি। আমি কাজ ভালোবাসি, কিন্তু বাচ্চাদের ছেড়ে কাজ করতে গেলে এতো অপরাধবোধে ভুগতাম, বারবার মনে হতো যে সময়টা হারিয়ে ফেলছি তা আর ফিরে পাব না। আমার মেয়ে গিয়া এবং আমার ছেলে জয় আমার দিকে তাকিয়ে বলত, ‘মা, প্লিজ আমাদের সঙ্গে থাকো,’ এবং আমিও ওদের কথা শুনে কেঁদে ফেলতাম।

    rnrn

    প্রীতি বলেছিলেন যে তিনি গত ছয় বছরে ধরে একগুচ্ছ স্ক্রিপ্ট পড়েছন, কিন্তু ‘লাহোর ১৯৪৭’- এর মতো এত আকর্ষণীয় চিত্রনাট্য তিনি পাননি। এই পিরিয়ড ড্রামাটি পরিচালনা করেছেন রাজকুমার সন্তেষী। নায়িকার বিপরীতে অভিনয় করতে দেখা যাবে সানি দেওলকে। এটি প্রযোজনা করেছেন আমির খান। প্রীতি বর্তমানে কান চলচ্চিত্র উৎসবে রয়েছেন। বুধবার ফ্রেঞ্চ রিভেরার উদ্দেশ্যে পাড়ি দিয়েছিলেন অভিনেত্রী। তারপর, শুক্রবার সেখান থেকে সামাজিক মাধ্যমে তিনি শেয়ার করে নেন তার ‘কান’-এর প্রথম লুক

    অনলাইন ডেস্ক

  • সব নারী সাধু না, নারীবাদী সাজার ভান করে: রিচা চাড্ডা

    সাহসী ও স্পষ্টভাষী হিসেবে বলিউডে বেশি পরিচিতি অভিনেত্রী রিচা চাড্ডার। একাধিকবার নারীবাদী মন্তব্য করে আলোচনায় এসেছেন এই অভিনেত্রী। 

    সম্প্রতি আরও একবার নারীদের নিয়ে মন্তব্য করতে দেখা গেল তাকে। গেল সপ্তাহে দিয়া মির্জার বাড়িতে এক আড্ডায় হাজির হয়েছিলেন রিচা। যেখানে আরও ছিলেন শাবানা আজমি, ঊর্মিলা মাতণ্ডকর, কঙ্কনা সেন শর্মা, দিব্যা দত্তর মতো অভিনেত্রীরা। সেই আড্ডায় রিচার দিকে ইশারা করে সবাই একটি ছবি তুলেছেন। ওই ছবি সামাজিকমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে দিয়া মির্জা লিখেছিলেন, ‘আমি তোমার বিজয় দেখতে চাই’।

    সেই কথার সূত্র ধরেই রিচার কাছে নারীদের অগ্রগতি প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হয়। জবাবে নিউজ১৮-কে তিনি বলেন, ‘যদি কোনো নারী ক্ষতিকর হয়, মনোযোগ পাওয়ার জন্য সবাইকে অহেতুক অপদস্থ করে, তা হলে তার বিজয় মোটেও আমার বিজয় না। সবার অগ্রগতিকে সাধুবাদ জানানো উচিত। কিন্তু সেটি কি সবসময় ঘটে? না।’

    ক্ষোভ প্রকাশ করে রিচা বলেন, ‘সব নারী সাধু, এটা আমি মনে করি না। আমি এমন কিছু নারী প্রযোজক পেয়েছি, যারা আমাকে চেকের মাধ্যমে পারিশ্রমিক দিয়েছেন, কিন্তু সেই চেক বাউন্স হয়ে গেছে! অথচ তারা সামাজিকমাধ্যমে নারীবাদী সাজার ভান করে!’

    শুধু তাই নয়, নারী হয়ে নারীর ক্ষতি চাওয়া সহশিল্পীও দেখেছেন রিচা। তার ভাষ্য— ‘আমি কিছু টক্সিক সহশিল্পী পেয়েছি, যারা শুটিংয়ে আমার সঙ্গে নানাভাবে বৈষম্য করেছে। সিস্টারহুড অবশ্যই আছে। যখন এটা আপনি নিজে গড়ে তোলেন, সাজিয়ে নেন এবং এর যত্ন নেন, তখন এটা সত্য। কিন্তু এটা তো একা একা গড়ে তোলা সম্ভব না।’

    রিচা চাড্ডা বর্তমানে আলোচনায় রয়েছেন ওয়েব সিরিজ ‘হীরামান্ডি: দ্য ডায়মন্ড বাজার’র সুবাদে। যেখানে বেশ সাহসী চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। এই সিরিজের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন সোনাক্ষী সিনহা, মনীষা কৈরালা, অদিতি রাও হায়দারি, শারমীন সেগাল, সানজিদা শেখ, রিচা চাড্ডা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নারীবাদ সমাজকে ধ্বংস করছে: নোরা ফাতেহি 

    মেধা থাকা সত্ত্বেও অনেকে অবহেলিত থাকেন, ভালো কাজ করেও কেউ কেউ থেকে যান আড়ালে। এসব দেখে মনে হয় ভাগ্যদেবতার আশীর্বাদ না থাকলে ভালো কাজের কদর পাওয়া যায় না। সে ভাগ্য নোরা ফাতেহির আছে। কেননা আইটেম গানে তিনি কোমর দুলালেই সিনেমা হিট হয়ে যায়।

    এদিকে প্রতিষ্ঠিত নারীদের অনেকেই নারীবাদের আদর্শে বিশ্বাসী। সবসময় ভাবেন পুরুষরা নারীদের পদে পদে প্রতিবন্ধকতকা তৈরি করে। তবে সাবলম্বী নারী হয়েও এই ধারণা পোষণ করেন না নোরা। তিনি মনে করেন নারীবাদ সমাজকে ধ্বংস করে। 

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, এই ধারণায় আমার দরকার নেই। নারীবাদ শব্দটা আসলে একটা সি…। এটা একটা ঢেউয়ের মতো প্রবাহিত হচ্ছে। এতে আমি বিশ্বাস করি না। আসলে আমি মনে করি, নারীবাদ আসলে আমাদের সমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। 

    তিনি বলেন, পাশ্চাত্য-প্রাচ্যের সামাজিক ধ্যান-ধারণার মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। এখানে নারীবাদের নামে বলা হচ্ছে, পুরুষরা আসলে মেয়েদের স্বাধীনতায় বাধা, পুরুষরা খারাপ, বিয়ে কোরো না, সন্তানের জন্ম দিও না, এগুলো সব পুরনো ধ্যান-ধারণা, এইসব…। এগুলো আখেরে সমাজের ক্ষতিই করছে, পারিবারিক বন্ধন নষ্ট করছে। 

    নোরা আরও বলেন, পুরুষরা খাবার সরবরাহকারী, উপার্জনকারী এবং মহিলা লালনপালনকারী, এতে খারাপ কী আছে! আমার তো খারাপ মনে হয় না! নারীবাদকে যেভাবে তুলে ধরা হচ্ছে, সেটা ঠিক নয়। আমি মনে করি, নারীরা লালন-পালনকারী, হ্যাঁ তবে তাদরও কাজ করা উচিত এবং তাদেরও নিজস্ব জীবন থাকা উচিত এবং স্বাধীন হওয়া উচিত। তবে সেটাকে নারীবাদের নামে যেভাবে তুলে ধরা হচ্ছে, সেটা ঠিক নয়।

    সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে নোরা অভিনীত ‘মাদগাঁও এক্সপ্রেস’। এটি পরিচালনা করেছেন কুণাল খেমু।   ছবিটিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন দিব্যেন্দু, প্রতীক গান্ধী এবং অবিনাশ তিওয়ারি।

    অনলাইন ডেস্ক