Tag: ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন

  • আমার পছন্দের প্রার্থী সব সময়ই বিজয়ী হয়: মিষ্টি জান্নাত

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাধারণ ভোটারদের পাশাপাশি শোবিজ তারকারাও ভোটের উৎসবে শামিল হন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনের দিন ছোট ও বড় পর্দার অনেক তারকাকেই ভোট প্রদান শেষে নিজেদের ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করতে দেখা গেছে। এদিন চিত্রনায়িকা মিষ্টি জান্নাত ঢাকা-১৭ আসনের নিজ ভোটকেন্দ্রে ভোট প্রদান করেন। 

    বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গুলশান মডেল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন এ অভিনেত্রী।  তিনি জানান, দুই বছর আগে প্রথম ভোট দিয়েছিলেন। এটি তার দ্বিতীয়বার ভোট প্রদান। 

    ভোটের পরিবেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ভোট দেওয়ার পরিবেশ ভালো। আগেরবারও ভালো পরিবেশ পেয়েছিলাম।’ কথা বলার এক পর্যায়ে অভিনেত্রী আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে বলেন, ‘আমার পছন্দের প্রার্থী সব সময়ই বিজয়ী হয়। গতবারও জিতেছিল। এবারও জিতবে বলে আশা করছি।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নতুন সরকারের কাছে তার প্রত্যাশা কী সে প্রসঙ্গে এ নায়িকা বলেন, ‘দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়ন প্রয়োজন। প্রতি সরকারই আশ্বাস দেয় উন্নয়ন হবে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা আর বাস্তবায়ন হয় না। কোনো সরকার স্পষ্ট করে বলেনি যে চলচ্চিত্রের উন্নয়ন করবে। এবার যেন সেটা না হয়। আমি চাই নতুন সরকার চলচ্চিত্রের উন্নয়নে কাজ করুক।’ 

    উল্লেখ্য, সামনে এই অভিনেত্রীর ঢালিউডে চারটি সিনেমায় অভিনয়ের কথা রয়েছে। এছাড়া বলিউডের একটি সিনেমায়ও তাকে দেখা যেতে পারে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আঙুলে ভোটের ছাপ, নির্বাচনের ছবির ট্রেন্ডে তারকারা

    উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ভোটের মাঠে দেখা গেছে শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় তারকাদেরও। ভোট দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি শেয়ার করে ভাগ করে নিয়েছেন নাগরিক দায়িত্ব পালনের মুহূর্ত।

    আঙুলে অমোচনীয় কালি দেখিয়ে ছবি পোস্ট করেছেন অনেকেই। চিত্রনায়িকা বর্ষা রাজধানীর মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল কেন্দ্রে ভোট দেন স্বামী অনন্ত জলিলকে নিয়ে। ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। আমি ভোট দিয়েছি। আপনিও ভোট দিন আপনার পছন্দের মানুষকে।’

    সংগীতশিল্পী ও অভিনেত্রী জেফার রহমান প্রথমবারের মতো ভোট দিয়ে লিখেছেন, ‘ফার্স্ট টাইম ভোটিং’।

    অন্যদিকে অভিনেত্রী আনিকা কবির শখ জানান, একজন বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। মিষ্টি জান্নাত ভোট দিয়ে মজার ছলে জানতে চেয়েছেন—লুকটা কেমন হলো!

    তমা মির্জা নাগরিকদের ভোটদানে উৎসাহ জানিয়ে লিখেছেন, ‘ভোট প্রদান আপনার আমার নাগরিক অধিকার।’

    রাজধানীর গুলশানে ভোট দিয়ে অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা লিখেছেন, ‘ভবিষ্যতের পথ।’

    সাফা কবির, মাসুমা রহমান নাবিলা ও আয়শা সালমা মুক্তিসহ অনেকেই ভোট দিয়ে ভালো বাংলাদেশের প্রত্যাশা জানিয়েছেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এদিকে একসঙ্গে ভোট দিয়েছেন ঢালিউডের তিন কন্যা—সুচন্দা, ববিতা ও চম্পা। হাসিমুখে ছবি তুলেছেন, জানিয়েছেন দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদের কথা। এর আগে ববিতা বলেছিলেন, দেশ এগিয়ে যাক, মানুষ থাকুক শান্তিতে।

    ঢাকা-৮ আসনের একটি কেন্দ্রে ভোট দেন প্রবীণ অভিনেতা আবুল হায়াত। এবারসহ দশটি জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অভিজ্ঞতা তার। এবারের পরিবেশকে সুন্দর বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    আইশা খান, মনোজ প্রামাণিক, শিহাব শাহীন ও রুকাইয়া জাহান চমকও ভোট দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ছবি শেয়ার করেছেন। কেউ বলেছেন দায়িত্ব সম্পন্নের কথা, কেউ জানিয়েছেন পরিবার নিয়ে ভোট দিতে আসার আনন্দের কথা।

    সব মিলিয়ে, তারকারাও ব্যালটে অংশ নিয়ে দেখালেন—ভোট শুধু রাজনৈতিক প্রক্রিয়া নয়, এটি নাগরিক দায়িত্বেরও উৎসব।

    বিনোদন ডেস্ক

  • তিথির রহস্যময় প্রশ্ন ‘ভোট দিলাম কিসে?’

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়ও।  সেই আলোচনার ঢেউয়ে শামিল হয়েছেন অভিনেত্রী ইফফাত আরা তিথি।  ভোটাধিকার প্রয়োগের পর আঙুলে কালির দাগসহ একটি ছবি শেয়ার করেছেন তিনি। তবে ছবির চেয়ে বেশি দৃষ্টি কাড়ছে তার দেওয়া ক্যাপশনটি।   

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    হাসিমুখে তোলা ছবিতে ভোটের কালিমাখা আঙুল দেখিয়ে ভক্তদের উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন রেখেছেন, ভোট দিলাম কিসে? সংক্ষিপ্ত এই ক্যাপশন ঘিরেই নেটিজেনদের মধ্যে তৈরি হয়েছে কৌতূহল ও মজার আলোচনা।

    কমেন্ট বক্সে ভক্তরা নানান উত্তর দিয়ে জমিয়ে তুলেছেন ভোটের আমেজ।  লাল পোশাকে তিথিকে বেশ প্রফুল্ল মেজাজেই দেখা গেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘যোগ্য নেত্রী হারালে, কাঁদতে হবে আড়ালে’, অভিনেত্রী হিমির পোস্টে হাসির বন্যা

    নির্বাচনের আগের রাতেই সামাজিক মাধ্যমে চমক দেখালেন অভিনেত্রী জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে দেওয়া এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি নেটিজেনদের মাঝে হাসির ঝড় তোলেন। নেত্রীর সাজে হাজির হয়ে এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘যোগ্য নেত্রী হারালে, কাঁদতে হবে আড়ালে!’  

    স্ট্যাটাসের সঙ্গে যুক্ত ছবিতে শাড়ি পরা অবস্থায় হাত উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় হিমিকে। দেখলে মনে হয় যেন নির্বাচনি মঞ্চে দাঁড়িয়ে ভাষণ দিচ্ছেন কোনো নেত্রী।    

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পোস্টটি প্রকাশের পরপরই তা নেটদুনিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। স্বল্পসময়েই এতে প্রায় ২৩ হাজার রি-অ্যাক্ট পড়ে এবং ২ হাজারের বেশি নেটিজেন মন্তব্য করেন। অনেকেই মজা করে বিভিন্ন প্রতীকের পক্ষে প্রচার চালান। কেউ ধানের শীষ, কেউ দাঁড়িপাল্লা ইমোজি ব্যবহার করে নিজেদের মতপ্রকাশ করেছেন।

    তবে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে ভক্তদের উচ্ছ্বাস। একজন মন্তব্যে লেখেন, ‘আপনার মতো নেত্রী হলে শুধু একটা নয়, ১০০ ভোট দিতেও রাজি আছি।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • তারেক রহমানকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চাই: ওমর সানি

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঢাকা-১৭ আসনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন চিত্রনায়ক ওমর সানি। 

    বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় গুলশানের মানারাত ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভোটকেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন তিনি।

    ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমার জন্মের পর থেকেই নেতা হিসেবে আমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সাহেবকে দেখেছি। এরপর সবার নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আসলেন। তার নেতৃত্ব দেখলাম। এখন উনাদের পুত্র তারেক রহমান সাহেব আসছেন। তিনি আমাদের সমসাময়িক নেতা। বয়সে কিছুটা সিনিয়র আমাদের। কিন্তু তিনি আমাদের সোনালী প্রজন্মের মানুষ। আমি উনাকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ওমর সানি আরও বলেন, ‘তিনি আগে কি বলেছেন, করেছেন জানিনা। কিন্তু এবার যখন এলেন আমি অনেক চেষ্টা করছিলাম উনার ভুল ধরতে। পারিনি। তিনি সামান্য একটা বিড়াল থেকে শুরু করে মানুষ ও দেশ নিয়ে যে জ্ঞান প্রকাশ করেছেন আমি মুগ্ধ। আর উনার মেয়ে জাইমাকে তো মনে হয় আমারই মেয়ে।’

    এসময় তিনি শান্তি, সমৃদ্ধির একটি বাংলাদেশ প্রত্যাশা করেন।

    এর আগে ধানের শীষের জন্য বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রচারণায় সরব ছিলেন ওমর সানি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বর্ষাকে নিয়ে ভোট দিতে গিয়ে যা বললেন অনন্ত জলিল

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন চিত্রনায়ক অনন্ত জলিল। তিনি রাজধানীর মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল এন্ড কলেজ ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোট দিয়েছেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী অভিনেত্রী বর্ষাও।

    ভোট দেওয়ার পর অনন্ত জলিল সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি চাই দেশের সব মানুষের জন্য এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে উঠুক। প্রতিটি নাগরিক যেন স্বচ্ছভাবে ভোট দিতে পারে এবং দেশের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে।’    

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অনন্ত জলিল ও বর্ষার এই অংশগ্রহণ অনেক ভোটারকে উৎসাহিত করেছে। মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল এন্ড কলেজ ভোটকেন্দ্রে মোট ভোটার ২৫,৮৪ জন। ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নির্বাচনের আনন্দ ও উত্তেজনায় সারা রাত ঘুমাতে পারেননি প্রভা

    সারা দেশে ভোটগ্রহণ চলছে। আগামী প্রতিনিধিকে নির্বাচিত করতে ভোট দিয়েছেন অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা। নিজ জেলা শরীয়তপুরে গ্রামের বাড়িতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন তিনি।

    ভোট দেওয়ার পর গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন প্রভা। তিনি জানান, ভোটের আনন্দ ও উত্তেজনায় আগের রাতে ঘুমই হয়নি তার। 

    তিনি বলেন, ‌‘পরিবেশটা একেবারে উৎসবের মতো। ঈদের সময় বাড়িতে এলে যেমন অনুভূতি হয়, ঠিক তেমন লাগছে। আমি খুবই এক্সাইটেড ছিলাম। সত্যি বলতে উত্তেজনায় কাল রাতে ঘুমাতে পারিনি।’

    ব্যস্ত পেশাজীবন সত্ত্বেও ভোট দিতে গ্রামে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে প্রভা বলেন, একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেই তিনি ছুটে গেছেন নিজের শিকড়ে। ‘অনেকে বলেছে, ছুটির দিন তাই বাসায় বিশ্রাম নিতে পারতাম। কিন্তু আমি মনে করি, দেশের জন্য আমার একটি ভোটও গুরুত্বপূর্ণ। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই শরীয়তপুরে এসেছি’ – যোগ করেন তিনি।

    শৈশবের স্মৃতিচারণ করে অভিনেত্রী বলেন, ধর্ম ও সংস্কৃতির সমন্বয়ে তিনি বড় হয়েছেন। সকালে কুরআন শিক্ষা, স্কুলে পড়াশোনা, বিকালে গান কিংবা ছবি আঁকা; সব মিলিয়ে এক সমন্বিত পরিবেশে বেড়ে ওঠার কথা তুলে ধরেন তিনি। হামদ-নাত ও দেশাত্মবোধক গানে পুরস্কার পাওয়ার কথাও স্মরণ করেন প্রভা।

    তার প্রত্যাশা প্রসঙ্গে প্রভা বলেন, ‘আমি যে বাংলাদেশ দেখে বড় হয়েছি, সেই বাংলাদেশই চাই। ৭১-এর চেতনা, ২১-এর আত্মিক সম্পর্ক, বইমেলা, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২৬শে মার্চ, পহেলা ফাল্গুন, পহেলা বৈশাখ- সবই চাই। পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মের মানুষও যেন শান্তিপূর্ণভাবে তাদের উৎসব পালন করতে পারেন, সেটাও চাই। একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ চাই।’

    ভোটের দিনটিকে নিজের জীবনের বিশেষ মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করে প্রভা বলেন, শৈশবের মতোই একটি সম্প্রীতিময় বাংলাদেশ দেখার প্রত্যাশা তার।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শোবিজ তারকারা কে কোথায় ভোট দেবেন

    অন্তর্বর্তী সরকারের পর এবার নির্বাচিত সরকারের অপেক্ষায় গোটা দেশ।  রাত পেরোলেই বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।  এই নির্বাচনকে ঘিরেই দেশজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।  

    ভোট গ্রহণ নিয়ে দেশের সর্বস্তরে যেমন আলোচনা চলছে, তেমনি কৌতূহল রয়েছে শোবিজ তারকারা কে কোথায় ভোট দেবেন তা নিয়েও।  নির্বাচনে ঢাকাই শোবিজের কে কোন আসনের ভোটার? 

    জানা যায়, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ববিতা দীর্ঘদিন ধরে গুলশানে বাস করছেন এবং তিনি সেখানকারই ভোটার।  নিজ বাসা থেকে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেবেন তিনি।  এ প্রসঙ্গে ববিতা গণমাধ্যমকে বলেন, আশা করছি সুন্দরভাবে ভোট দিতে পারব  আমি, চম্পা ও সুচন্দা আপা একসঙ্গে কেন্দ্রে যাব, তারপর ভোট দেব। 

    আরেক গুণী অভিনেতা তারিক আনাম খান আগে মগবাজারে থাকতেন।  বেশ কয়েকটি নির্বাচনে সেখানেই ভোট দিয়েছেন।  বর্তমানে তিনি বনানীর বাসিন্দা।  এ অভিনেতা বলেন, এবার বনানীর কেন্দ্রেই ভোট দেব আমি। 

    চিত্রনায়ক উজ্জ্বলও বনানীর ভোটার।  ভোটাধিকার প্রয়োগকে নাগরিক দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনেকদিন আমরা ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাইনি।  এবার সেই সুযোগ এসেছে।  শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারব বলে আশা করছি। ভোটের মাধ্যমে দেশে ভালো কিছু হবে এটাই কামনা। 

    চলচ্চিত্র জগতে এক সময়ের সাড়া জাগানো নায়িকা রোজিনা, ঢাকার উত্তরার বাসিন্দা।  তিনি বলেন, ভোট দেওয়া নৈতিক দায়িত্ব  এটি আমার মতামত প্রকাশের সুযোগ।  সকালে বাসার কাছের কেন্দ্রেই ভোট দিতে যাব। 

    রেকর্ডসংখ্যক সিনেমায় খলনায়ক চরিত্রে অভিনয় করা মিশা সওদাগর ঢাকার দিলু রোড এলাকার ভোটার।  জানান, সেখানেই ভোট দেওয়ার ইচ্ছা তার। 

    নব্বই দশকের জনপ্রিয় অভিনেতা আজিজুল হাকিম ঢাকার মোহাম্মদপুরের ভোটার।  তিনিও নিজ এলাকায় ভোট দেওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন মিরপুরের বাসিন্দা।  সম্প্রতি রটারডাম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব থেকে দেশে ফিরেছেন।  ভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনেক দিন পর একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হবে বলে আশা করছি।  সুষ্ঠু ভোট হলে জবাবদিহিতামূলক সরকার ও ভালো বিরোধী দল পাব আমরা। 

    চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস ভাটারা এলাকার বাসিন্দা, যা ঢাকা-১১ আসনের অন্তর্ভুক্ত।  অন্যদিকে চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ এলাকায় বসবাস করায় তিনি ঢাকা-১৮ আসনে ভোট দেওয়ার কথা রয়েছে। 

    এদিকে, অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ঢাকা-১১ আসন এবং শবনম ফারিয়া ঢাকা-৮ আসনের ভোটার।  

    ঢাকা-১৭ আসনের ভোটার চিত্রনায়ক শাকিব খান।  রাজধানীর গুলশান এলাকার বাসিন্দা তিনি।  কিন্তু বর্তমানে ‘প্রিন্স’ সিনেমার শুটিংয়ের কারণে ভারতে অবস্থান করায় ভোট দিতে পারছেন না এই সুপারস্টার। 

    দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসানও এই মুহূর্তে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন।  তিনি ভোটে অংশ নিতে পারবেন কিনা তা নিয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।  তিনিও বারিধারা এলাকার বাসিন্দা এবং ঢাকা-১৭ আসনের ভোটার। 

    ভোট না দিতে পারার তালিকায় আরেক চিত্রনায়ক আরেফিন শুভও আছেন।  ঢাকা-১১ আসনের ভোটার হলেও নির্বাচনের সময় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করার কারণে তারও ভোট দেওয়া হচ্ছে না। 

    এদিকে চিত্রনায়ক সিয়াম আহমেদ রাজধানীর রাজারবাগ এলাকায় বসবাস করেন এবং তিনি ঢাকা-১৯ আসনের ভোটার। 

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক

  • যে তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে এবারো ভোট দেবেন না সাজ্জাদ

    রাত পোহালেই অনুষ্ঠিত হবে বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচন ঘিরেই দেশজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। ভবিষ্যত সরকার ও ভোটের দিনের আলোচনাই এখন সবার মুখে মুখে। 

    পিছিয়ে নেই শোবিজ তারকারাও। অভিনয় জগতের অনেক পরিচিত মুখই ভবিষ্যত সরকারের প্রতি নিজেদের প্রত্যাশার কথা জানিয়ে রাখছেন। এরই মাঝে নিজের সঙ্গে ঘটে যাওয়া তিক্ত এক অভিজ্ঞতার কথা সামনে আনলেন ছোট পর্দার অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ, যে কারণে এবারো তিনি ভোটকেন্দ্রে যাচ্ছেন না। 

    জানা যায়, চট্টগ্রাম-১০ আসনের ভোটার হলেও এখন পর্যন্ত কোনো জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেননি তিনি। কারণ হিসেবে দর্শকপ্রিয় এ অভিনেতা বলেন, ‘ভোটার হওয়ার পর প্রথমবার খুব উৎসাহ নিয়ে ভোট দিতে গিয়েছিলাম। কিন্তু কেন্দ্রে গিয়ে দেখি, আমার ভোট আগেই অন্য কেউ দিয়ে দিয়েছে। ঘটনাটা আমাকে ভীষণভাবে হতাশ করেছিল। এর পর থেকে আর কখনো ভোট দিতে ইচ্ছে হয়নি।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বরাবরের মতো এবারো ভোট দেবেন না বলে জানান তিনি। ভোট না দিলেও ভবিষ্যত সরকারের কাছে তার কী প্রত্যাশা তা ব্যক্ত করেন সাজ্জাদ।  এ প্রসঙ্গে অভিনেতা বলেন, ‘আমাদের খুব বেশি চাওয়া নেই। চাই নতুন সরকার জনগণের সরকার হোক, আপামর জনসাধারণের হোক। 

    জনগণের কাছাকাছি থাকুক, তাদের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করুক। ব্যস, এতটুকুই। অবশ্যই অনুরোধ করতে চাই, সবচেয়ে বেশি যেটা জরুরি— প্রথমে জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক। চুরি, ছিনতাই, রাহাজানি, ধর্ষণের মতো ঘটনাগুলোর কারণে রাস্তাঘাটে বের হতে ভয় পায় মানুষ। এক দিনেই হয়তো আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর অনেক বেশি উন্নতি হয়ে যাবে না, কিন্তু এটলিস্ট বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিক।’ 

    সাম্প্রতিক সাজ্জাদ অভিনীত ধারাবাহিক নাটক ‘এটা আমাদেরই গল্প’ ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে। সঙ্গে আসন্ন ঈদ উপলক্ষে নাটকের শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি।  

    বিনোদন ডেস্ক

  • নতুন সরকারের কাছে কী চাইলেন চিত্রনায়িকা বুবলী

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি)। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের মানুষের মধ্যে যেমন উৎসব বিরাজ করছে, একইভাবে প্রত্যাশাও দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষদের মধ্যে। আর তা থেকে ব্যতিক্রম নয় শোবিজ অঙ্গনের তারকারা। এরইমধ্যে অনেকে নির্বাচনের ফলাফল ও ভবিষ্যৎ সরকার নিয়ে নিজেদের মতামত জানিয়েছেন।

    এবার নিজের মতামত জানালেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শবনম ইয়াসমিন বুবলী। নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা জানি না কারা সরকারে আসছে। তবে একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমার চাওয়া থাকবে, আমরা যেন নিরাপদ থাকতে পারি। নারী-পুরুষের মধ্যে যেন কোনো বৈষম্য না থাকে। সব মিলিয়ে শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি চাই।

    এ অভিনেত্রী আরও বলেন, আমরা চাই প্রত্যেকের সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত হোক। সেই প্রত্যাশা থেকেই একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের আশা করছি।

    বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন বুবলী। বছরের শুরুতে নারীকেন্দ্রিক গল্পের ‘প্রেশার কুকার’ নামের একটি সিনেমার কাজের কথা জানিয়েছেন। এছাড়া ‘ঢাকাইয়া দেবদাস’ নামের একটি সিনেমায়ও যুক্ত হয়েছেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক