Tag: ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন

  • গানকে হারাম বলা দলটাও গানে গানে ভোট খুঁজছে: কুদ্দুস বয়াতি

    ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে সরগরম এখন দেশের প্রতিটি অঙ্গন। শিশু থেকে বৃদ্ধ, কৃষক থেকে কবি- সবার মুখে মুখে এখন চলছে ভোটের আলোচনা। এদিকে বাংলাদেশের লোকসংগীত, গ্রামীণ ও বাউল গানের অন্যতম জনপ্রিয় শিল্পী আবদুল কুদ্দুস বয়াতিও সরব হয়েছেন নির্বাচনে। এবার ভোট নিয়ে মন্তব্য করেছেন লোকসংগীতের মহাতারকা খ্যাত এ শিল্পী।

    সোমবার (৯ জানুয়ারি) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তিনি ভোটবিষয়ক একটি পোস্ট করেন।

    পোস্টে তিনি লিখেছেন, গানকে হারাম বলা দলটাও গানে গানে ভোট খুঁজছে। তবে তিনি কোনো নির্দিষ্ট দলের নাম উল্লেখ করেননি।

    আর তার এ মন্তব্যের পর কমেন্ট সেকশনে তার সমর্থনে আসছে নানা মন্তব্য। প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন অনেকেই।

    এ ছাড়া বিভিন্ন সময়ে দেশের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বেশ সরব থাকেন কুদ্দুস বয়াতি।

    আবদুল কুদ্দুস বয়াতি ১৯৯২ সালে প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ কর্তৃক নির্মিত বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার প্রচারণার অংশ হিসেবে গাওয়া ‘এই দিন, দিন না আরও দিন আছে’ শিরোনামে একটি গানের মাধ্যমে পরিচিতি লাভ করেন। এছাড়া কোভিড-১৯ রোগের প্রাদুর্ভাবকালীন ব্র্যাকের পক্ষ থেকে তিনি জাইনা চলেন, মাইনা চলেন গানে অংশ নেন। এখন পর্যন্ত কদ্দুস বয়াতির দুটি একক অ্যালবাম প্রকাশ হয়েছে। এছাড়া তিনি অসংখ্য জনপ্রিয় বিজ্ঞাপণচিত্র, নাটক ও প্রামাণ্যচিত্রে গান গেয়েছেন।

    তার বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার অন্তর্গত রাজীবপুর গ্রামে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভোট ঘিরে শবনম ফারিয়ার ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল

    দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি)। নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে যেমন উত্তাপ ছড়িয়েছে, তেমনি সাধারণ মানুষের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে ব্যাপক আগ্রহ ও আলোচনা। এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়ে আলোচনায় এসেছেন জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া।

    মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি স্ট্যাটাস দেন তিনি। সেখানে তিনি লিখেন—

    ‘কাকে ভোট দিবেন আপনারা একটু তাড়াতাড়ি জানায়েন! তাইলে ডিসাইড করতে সুবিধা হবে যে পহেলা ফাল্গুনে শাড়ি পরব নাকি আবায়া!’

    ফারিয়ার এমন পোস্ট মুহূর্তেই নেটিজেনদের নজর কাড়ে। অনেকে এটি নিছক হাস্যরস হিসেবে দেখলেও, কেউ কেউ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে মিলিয়ে বিভিন্ন ব্যাখ্যাও দিচ্ছেন। পোস্টটি প্রকাশের পর থেকেই তাতে লাইক, মন্তব্য ও শেয়ার বাড়তে থাকে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এদিকে ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়েছে। সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। রাজধানী ঢাকা, বন্দরনগরী চট্টগ্রাম ও কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থান থেকে ভোটাররা নিজ নিজ এলাকায় যাওয়ার জন্য রওনা হয়েছেন।

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এখন ভোটারদের অংশগ্রহণই হবে এ ঐতিহাসিক আয়োজনের মূল আকর্ষণ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভোট দিতে পারবেন না শাকিব-জয়া-শুভ!

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জমে উঠেছে মাঠের প্রচারণা। ভোটের বাকিও নেই বেশি দিন। আগামী বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে নির্বাচনি প্রচারণায় রাজনীতির নানা মহলের মানুষদের পাশাপাশি অনেক শোবিজ তারকাও মাঠে নেমেছেন। 

    যে যার পছন্দের দল ও প্রার্থীদের পক্ষে শেষ সময়ের প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। 

    এ নির্বাচনে ঢাকাই শোবিজের কে কোন আসনের ভোটার? কারাই বা ভোট দিতে পারছেন না এবার? জানা যায়, ঢাকা-১৭ আসনের ভোটার চিত্রনায়ক শাকিব খান। রাজধানীর গুলশান এলাকার বাসিন্দা তিনি। কিন্তু বর্তমানে ‘প্রিন্স’ সিনেমার শুটিংয়ের কারণে ভারতে অবস্থান করায় ভোট দিতে পারছেন না এই সুপারস্টার। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসানও এই মুহূর্তে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। তিনি ভোটে অংশ নিতে পারবেন কিনা তা নিয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তিনিও বারিধারা এলাকার বাসিন্দা এবং ঢাকা-১৭ আসনের ভোটার। 

    ভোট না দিতে পারার তালিকায় আরেক চিত্রনায়ক আরেফিন শুভও আছেন। ঢাকা-১১ আসনের ভোটার হলেও নির্বাচনের সময় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করার কারণে তারও ভোট দেওয়া হচ্ছে না। 

    এদিকে, চিত্রনায়িকা পূর্ণিমার বসবাস খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ এলাকায়। ঢাকা-১৮ আসনে তার ভোট দেওয়ার কথা রয়েছে। আর অপু বিশ্বাস ঢাকা-১১ আসনের অন্তর্ভুক্ত বাড্ডায় থাকেন। 

    চিত্রনায়ক সিয়াম আহমেদ ঢাকা-১৯ আসনের ভোটার, যিনি রাজধানীর রাজারবাগ এলাকায় বসবাস করেন। অভিনেতা মিশা সওদাগরের আসন ঢাকা-১৮। অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী ঢাকা-৮ আসনের ভোটার। চিত্রনায়ক বাপ্পী চৌধুরী নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এবং জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ঢাকা-১১ আসনের ভোটার। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • পুরোনো স্টাইলেই নির্বাচনি রাজনীতি চলছে: আসিফ আকবর

    বরাবরের মতোই গানের পাশাপাশি দেশের চলমান নানা ইস্যুতে সরব কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর। এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা, সংসদ নির্বাচনে জোটগত রাজনীতির প্রভাব এবং যোগ্য প্রার্থীদের নিয়ে তার প্রত্যাশার কথা ব্যক্ত করলেন তিনি। 

    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক ফেসবুক পোস্টে এসব কথা উল্লেখ করেন গায়ক ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) দায়িত্বরত পরিচালক আসিফ আকবর। 

    নির্বাচনি রাজনীতি এখনো সেই পুরোনো ধাঁচেই চলছে উল্লেখ করে এই কণ্ঠশিল্পী লেখেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটগত রাজনীতির প্রভাবে মনোনয়ন বঞ্চিত হয়েছেন পরীক্ষিত এবং যোগ্য প্রার্থী। গুণগত রাজনৈতিক পরিবর্তনের কোনো লক্ষণই দৃশ্যমান নয়। জুলাই বিপ্লবোত্তর তারুণ্যের রাজনীতিতেও ক্যারিশমা দেখা যায়নি। নির্বাচনি রাজনীতি চলছে সেই পুরোনো স্টাইলেই।’ 

    তবে ঢাকা-৯ আসনে প্রার্থীদের রাজনৈতিক মূল্যবোধের সংস্কৃতি দেখে নিজের মুগ্ধতার কথাও প্রকাশ করেন আসিফ, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফসল ডাক্তার তাসনিম জারা ( ফুটবল) দলছুট হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে লড়ছেন ঢাকা-৯ আসনে। জারার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সাবেক জনপ্রিয় সংগ্রামী ছাত্রনেতা হাবিবুর রশীদ হাবিব (ধানের শীষ)। এই দুজন নির্বাচনি কাজ পরিচালনা করতে গিয়ে কোনো কাঁদা ছোড়াছুড়ি না করে রাজনৈতিক মূল্যবোধের সর্বোচ্চ সংস্কৃতি প্রদর্শন করছেন। তাদের রাজনীতি ভবিষ্যতের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এরপরও বেশ কজন যোগ্য প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অনেক মেধাবী এবং যোগ্য প্রার্থীকে নমিনেশন দেয়নি দলগুলো। একটা টেস্ট কেস হিসেবে ঝালকাঠি- ১ আসনের প্রার্থী ব্যারিস্টার মইন ফিরোজী (হাঁস) আলোচনায় আসতে পারেন। তিনি একজন প্রথিতযশা আইনজীবী, নির্বাচন কমিশন সংস্কার কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন। ব্যারিস্টার মইন একটি বড় দলের নমিনেশন চেয়ে পাননি, কারণ তিনি টিপিক্যাল রাজনীতিক নন। অথচ পার্লামেন্টে এ ধরনের আইন প্রণয়নকারী প্রয়োজন। তবুও তিনি দমে যাননি, যোগ্যদের অধিকার আদায়ের দৃষ্টান্ত হয়ে থাকতে চান।’ 

    সবশেষে যোগ্য প্রার্থীরা নিশ্চয়ই একদিন সফল হিসেবে উদাহরণ তৈরি করবেন এমন প্রত্যাশার কথা জানান আসিফ। নতুন দিনের আশায় গায়কের ভাষ্য, ‘বহুদিন পর একটা ফ্রি ফেয়ার ইলেকশনের অপেক্ষায় জাতি। রাতারাতি কোনো কিছুর পরিবর্তন হবে না সেটা জানি, তবে নিশ্চয়ই একদিন ব্যারিস্টার মইন, ডাক্তার জারা, রাজনীতিক হাবিবুর রশীদরা উদাহরণ হিসেবে সফল হবেন।’ 

    এছাড়াও পোস্টের শেষে দেশপ্রেমের শপথ, রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছা এবং দীর্ঘদিনের জং ধরা অচলায়তন ভেঙে দেশ নতুন দিনের অপেক্ষায় বলে তিনি মন্তব্য করেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঢাকা-৮ আসনের ভোটার হওয়ায় আক্ষেপ ফারিয়ার

    জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া বর্তমানে অভিনয়ে আগের তুলনায় কম সক্রিয় হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সরব। নানা সামাজিক ও সমসাময়িক ইস্যুতে নিজের মতামত প্রকাশ করে থাকেন তিনি। এবার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিজের ভোটের এলাকা নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন এই অভিনেত্রী।

    ২০১৮ সালে ‘দেবী’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে শবনম ফারিয়ার। এরপর কাজ করলেও বর্তমানে তিনি অভিনয়ে অনিয়মিত। তবে সামাজিক মাধ্যমে তার উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো।

    মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) নিজের ফেসবুক পোস্টে ঢাকা-৮ আসন ও শান্তিনগর এলাকার ভোটার হওয়া নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেন ফারিয়া। 

    পোস্টে তিনি লেখেন, ‘শান্তিনগরে ২৪/৭ জ্যাম—এটা নিয়ে আমার কোনো দুঃখ নাই, কিংবা আমার এলাকার কোনো এক মেয়ে জায়েদ খানের ছবি এমবুশ করা বালিশে ঘুমায়, এটা নিয়েও আমার কোনো কষ্ট নাই। আমার কষ্ট একটাই, শান্তিনগর ঢাকা-৮ আসনে পড়ে আর আমি সেই আসনের ভোটার।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিনেত্রীর এই পোস্টে সহমত জানিয়ে মন্তব্য করেছেন অনেক নেটিজেন। মন্তব্যের ঘরে একজন লেখেন, ‘আপনি ভাগ্যবতী, ফ্রিতে নিজের এলাকার মারামারি দেখতে পারবেন। নির্বাচনের আগে কিছু ভুট্টা কিনে ঘরে রেখে দিতে পারেন। যেদিন মারামারি লাগবে সেদিন পপকর্ন বানিয়ে খাবেন আর উপভোগ করবেন।’

    প্রসঙ্গত, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী নাসিরউদ্দিন পাটওয়ারী এবং আলোচিত মডেল মেঘনা আলম। মতিঝিল, শাহবাগ, রমনা, পল্টন ও শাহজাহানপুর থানা নিয়ে গঠিত এই সংসদীয় আসনটি ঘিরে ইতোমধ্যে রাজনৈতিক আলোচনা তুঙ্গে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মির্জা আব্বাসকে বিশ্রাম, পাটওয়ারীকে শিখতে বললেন মেঘনা

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে লড়বেন আলোচিত মডেল এবং সাবেক মিস আর্থ বাংলাদেশ মেঘনা আলম। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব এই মডেল। 

    তিনি বলেছেন, মির্জা আব্বাসের বিশ্রাম নেওয়া এবং নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারীর আরও শেখা উচিত।

    বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে মেঘনা আলম লিখেছেন, মির্জা আব্বাস আমার সিনিয়র, সম্মান জানিয়ে বলবো নতুনদের জায়গা ছেড়ে দেন, বিশ্রাম নেন। নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারী আমার জুনিয়র, আদরের সঙ্গে বলবো, আরও শেখো!

    স্ট্যাটাস শেষে তিনি উল্লেখ করেন, ‘ঢাকা ৮-এ সময় এখন মেঘনা আলমের।’

    গত ২৮ ডিসেম্বর গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে দলের প্রাথমিক সদস্য ফরম পূরণ করে ঢাকা-৮ আসনের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হাইকোর্টের রায়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ পেলেন হিরো আলম

    দেশের আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসন থেকে আগেই নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। 

    এবার উচ্চ আদালত থেকে আপিলে রায় পেলেন তিনি। এর মাধ্যমে তার মনোনয়নপত্র জমা নেয়ার ক্ষেত্রে যে বাধা ছিল, সেটা কাটিয়ে ওঠার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সোমবার (১২ জানুয়ারি) হাইকোর্টের রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে হিরো আলম লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ হাইকোর্ট থেকে আপিলে রায় পেয়েছি মনোনয়নপত্র জমা নেয়ার।’ 

    সঙ্গে নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে গণমাধ্যমকে হিরো আলম বলেন, ‘হঠাৎ নির্বাচনের পরিবেশ কেন যেন ঠান্ডা হয়ে গেছে। কয়েকদিন আগেও গরম ছিল। আশা রাখছি নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। যারা নতুন ভোটার হয়েছে তারা অনেক বছর ভোট দিতে পারে না। এবার যেন যাকে খুশি তাকে ভোট দেয়ার সুযোগ তৈরি হয় সেই প্রত্যাশাই রাখছি।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • কোন দল থেকে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন মেঘনা আলম

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন সাবেক মিস আর্থ বাংলাদেশ ও বহু আলোচিত মেঘনা আলম। তিনি ঢাকা-৮ আসন থেকে গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন।

    বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) নিজেই মেঘনা আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    এই আসনে সম্ভাব্য আরেক প্রার্থী ছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ ওসমান হাদি। ১২ ডিসেম্বর পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তিনি ঢাকা মেডিকেল ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে তার মৃত্যু ঘটে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ফেসবুকে মেঘনা আলম জানান, তিনি ঢাকা-৮ আসনকে নারীদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ এলাকা হিসেবে গড়ে তুলবেন। তিনি আরও বলেন, নারীদের সুরক্ষার জন্য আধুনিক ও কার্যকর সিসিটিভি ব্যবস্থা স্থাপন করা হবে, যাতে রাস্তায় চলাফেরার সময় কোনো নারী হ্যারাসমেন্ট বা অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শের শিকার না হন।

    মেঘনা এও উল্লেখ করেছেন, এই এলাকায় বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে, যাতে মানুষ নিরাপদে হেঁটে চলতে এবং সাইকেল ব্যবহার করতে পারে। এছাড়া ঢাকা-৮ এলাকার মানুষের পুষ্টি, পরিচ্ছন্ন জীবনযাপন, সামাজিক ও আইনগত জ্ঞানের উন্নয়নকে তার অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মনোনয়ন না পেয়ে যা বললেন কনকচাঁপা

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। মোট ২৩৭টি আসনে একক প্রার্থীর নাম প্রকাশ করেছে দলটি। তবে এই তালিকায় স্থান পাননি দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও বিএনপির সক্রিয় নেতা রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা।

    সিরাজগঞ্জ-১ (কাজিপুর ও সদর) আসন থেকে মনোনয়নের আশায় ছিলেন কনকচাঁপা। কিন্তু সোমবার ঘোষিত তালিকায় তার নাম আসেনি। জানা গেছে, ওই আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা আপাতত স্থগিত রেখেছে দল।

    মনোনয়ন না পাওয়া নিয়ে কনকচাঁপা কোনো তীব্র প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে শান্ত ও আস্থাভরা মনোভাব প্রকাশ করেন। সোমবার রাতে নিজের ফেসবুকে তিনি লেখেন, ‘এই পৃথিবীর কোনো ফায়সালাতেই আমি কিছু ভাবি না। আল্লাহ ভালো বুঝবেন আমার জন্য কী ভালো হবে। তার চেয়ে ভালো বোঝে এমন কে আছেন এই জগতে! অতএব, আলহামদুলিল্লাহ।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তার এই পোস্টে অনেকে প্রশংসা করে মন্তব্য করছেন। কেউ কেউ দাবি করছেন, রাজনীতিতে এমন পরিমিত ও সংযত বক্তব্য খুব কমই শোনা যায়।

    উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই আসনে বিএনপির প্রার্থী হয়েছিলেন কনকচাঁপা। ওই সময় আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন প্রয়াত মোহাম্মদ নাসিম। নির্বাচনি প্রচারে বাধার অভিযোগ এনে তিনি বগুড়ায় সংবাদ সম্মেলনও করেছিলেন।

    গানের পাশাপাশি রাজনীতিতেও সক্রিয় কনকচাঁপা বর্তমানে সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য এবং বিএনপির অঙ্গসংগঠন জাসাসের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    বিনোদন ডেস্ক