Tag: তারকা

  • ভারতে স্থায়ী হতে চান বাংলাদেশের এই তারকারা!

    সত্তর, আশি কিংবা নব্বই দশকে কলকাতার শিল্পীরা ঢাকায় এসে কাজ খুঁজতেন। কারণ সেখানকার ইন্ডাস্ট্রির অবস্থা তখন ছিল খুবই করুন। এছাড়া ওই সময় বাংলাদেশী সিনেমার বাজারও ছিল বেশ রমরমা। তাই বাধ্য হয়ে ক্যারিয়ার বাঁচাতে ঢাকামূখী হতেন তারা। 

    একবিংশ দশকের দিকে পরিস্থিতি ঘুরে যেতে থাকে। ঢাকাই সিনেমা বাজার হারাতে শুরু করে, অন্যদিকে কলকাতা জমজমাট হয়ে উঠে। সময়ের পরিক্রমায় ঢাকা ও কলকাতা- দুই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অবস্থাই এখন খুব একটা সুবিধার নয়। তবু গত দুই বছর ধরে ঢাকাই ইন্ডাস্ট্রি ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। আর এই চেষ্টায় ‘মধু’ খেতে হাজির হচ্ছেন কলকাতার শিল্পীরা। 

    কলকাতায় যাদের কাজ নেই, তারাই এখন ঢাকায় এসে নিজেদের আসন গড়ার চেষ্টা করছেন। উদাহরণস্বরুপ, সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকাই সিনেমায় কাজ করেছেন কলকাতার ইধিকা পাল, মিমি চক্রবর্তী, নুসরাত জাহান, কৌশানী মুখার্জী, সায়ন্তিকা, দর্শনা বণিকসহ অনেকে। এদের অনেকেরই এখন কলকাতা ইন্ডাস্ট্রিতে তেমন ব্যস্ততা নেই। বলা যায়, বাংলাদেশী সিনেমা দিয়েই নিজেদের ক্যারিয়ারে ‘ইউটার্ণ’ ঘটাতে চাচ্ছেন। অবশ্য, এরমধ্যে কয়েকজন সফলও হয়েছেন। 

    একইভাবে কলকাতার সিনেমায় কাজ করে সেদেশের দর্শক মাতিয়েছেন বাংলাদেশের জয়া আহসান, রাফিয়াত রশীদ মিথিলা, মোশাররফ করিম, চঞ্চল চৌধুরী, অপূর্ব, তাসনিয়া ফারিণ, অপু বিশ্বাসসহ আরও অনেক দেশি তারকা। প্রায় সময় ওপারের বিভিন্ন আয়োজনে এসব শিল্পীদের কাজের স্বীকৃতিস্বরুপ দেয়া হয় সম্মাননা। দেশের শিল্পীরা বাইরে গিয়ে কাজ করছেন সেটা ইন্ডাস্ট্রির জন্য গর্বের। দেশের বাইরে শিল্পীদের কাজের বিষয়টি অনেকেই ইতিবাচকভাবেই দেখছেন। 

    আরও পড়ুন: 

    তবে সাম্প্রতিক সময়ে কলকাতার কাজ করা প্রসঙ্গে দেশের কয়েকজন শিল্পীকে নিয়ে নতুন করে শুরু হয়েছে সমালোচনা। এর কারণ, কলকাতায় তারা আগে কাজ করলেও, বর্তমানে সেখানেই স্থায়ী আবাস গড়ার চিন্তা-ভাবনা করছেন। আর তাতেই এক হাত নিতে শুরু করলেন নেটিজেনরা। তবে এর পেছনেও রয়েছে যথাযথ কারণ। গত বছরের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর থেকে এসব শিল্পী সমালোচনার মুখে পড়েছেন। আওয়ামী ঘনিষ্ঠ শিল্পী হওয়ায় ইন্ডাস্ট্রিতেও কাজের ব্যস্ততা নেই তাদের। বলা যায়, নিজেদের কর্মফল তাদের কোণঠাসা করে দিয়েছে। 

    জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময় থেকেই তাদের অনেকেই আড়ালে রয়েছেন। সুযোগ সন্ধানী এসব শিল্পী পেটের তাগিদে কাজের জন্য কলকাতাকেই এখন নিরাপদ ভাবছেন। তাই কাজের সুযোগের পাশাপাশি সেখানে স্থায়ী আবাস গড়ার চিন্তাও করছেন তারা। তাদের মধ্যে রয়েছেন চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ, চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া, অভিনেত্রী ও মডেল সোহানা সাবা।   

    গত বছর রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর থেকে আড়ালে চলে যান আরিফিন শুভ। ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ সিনেমায় শেখ মুজিবুর রহমানের চরিত্রে এক টাকা পারিশ্রমিকে অভিনয় করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছিলেন তিনি। অবশ্য সেজন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুশী হয়ে পুরষ্কার হিসাবে পূর্বাচলে প্লটও উপহার দিয়েছিলেন। আওয়ামী সুবিধাভোগী এ নায়ক তাই ছাত্র আন্দোলনেও ছিলেন নীরব ভূমিকায়। বরং ছাত্র আন্দোলনকে ভিন্ন পথে পরিচালিত করতে সেসময় প্রকাশ্যে এনেছিলেন নিজের বিবাহ বিচ্ছেদের খবর। ৫ আগস্টের পর থেকে কোনো কাজ তো দুরের কথা, কখনো মিডিয়ার সামনেও আসেননি এ অভিনেতা। 

    তবে আন্দোলন পরবর্তী গোপনে ভারত গিয়ে একটি ওয়েব সিরিজের শুটিং করেন তিনি। কলকাতায় সৌমিক সেনের পরিচালনায় ‘জ্যাজ সিটি’ নামের সিরিজটির শুটিং করতে গিয়েই সেখানে স্থায়ী হবার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। বর্তমানে এ অভিনেতা কলকাতায় রয়েছেন। সেখানের একটি সংবাদ মাধ্যমে তিনি নিজেই স্থায়ী হবার বিষয়টি স্বীকার করেন। 

    এসময়  নিজেকে একজন অরাজনৈতিক মানুষ হিসাবে দাবি করে শুভ বলেন, ‘সচেতনভাবেই আমি একজন অরাজনৈতিক মানুষ। অভিনয় ছাড়া কিছু করি না। কোনো ব্যবসা নেই, ব্যাকআপ নেই। যদি সত্যি সত্যি সমস্যায় পড়তাম, তাহলে কলকাতার বসে সাক্ষাৎকার দিতে পারতাম না।’ এদিকে দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে এ অভিনেতার  ‘নীলচক্র’, ‘নূর’, ‘ঠিকানা বাংলাদেশ’, ‘লহু’ নামের সিনেমাগুলো। 

    আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই দলটির সমর্থক শিল্পীরা চাপের মধ্যে রয়েছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম আরও এক অভিনেত্রী সোহানা সাবা। তিনি আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী। দলের হয়ে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন চেয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, বহুল সমাালোচিত ‘আলো আসবেই’ নামের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সদস্য ছিলেন তিনি। ছাত্র আন্দোলন দমাতে আওয়ামী সুবিধাভোগি শিল্পীদের নিয়েই ভার্চুয়াল এ গ্রুপটি খোলা হয়েছিল। যেখানে ছাত্রদের গায়ে গরম পানি ঢেলে দেয়ার মত ভয়াবহ পরিকল্পনাও করা হয়। পট পরিবর্তনের পর এ অভিনেত্রীও রয়েছেন বিপাকে। এরইমধ্যে তার নামে হয়েছে হত্যা চেষ্টার মামলা। 

    তবে এখনোও আড়ালো থাকা এ শিল্পী সামাজিক মাধ্যমে সরব। তিনিও সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছেন দেশ ছাড়ার। স্থায়ী হতে চাচ্ছেন কলকাতায়। সেখানেই কাজের সুযোগও খুঁজছেন তিনি। কলকাতার নির্মাতাদের দৃষ্টি কাড়তে তাদের প্রশংসা করে কিছুদিন আগেই গণমাধ্যমে সাবা জানান, তিনি কলকাতার সিনেমার অন্ধ ভক্ত। সেখানে কাজের সুযোগ চান। কাজ পেলে সেখানেই স্থায়ী হবেন। 

    অন্যদিকে ঢাকার চেয়ে কলকাতা ইন্ডাস্ট্রিতেই বেশি ব্যস্ত নুসরাত ফারিয়া। এ অভিনেত্রীও ছাত্রআন্দোলন পরবর্তী সময় থেকে বেশ চাপে রয়েছেন। সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে ‘মুজিব’ সিনেমার শেখ হাসিনার চরিত্রে রূপদানকারী এ অভিনেত্রীকে। ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন তিনি দেশ ত্যাগ করেন। আন্দোলনকে ভিন্ন পথে পরিচালিত করতে বিদেশে বসে সামাজিক মাধ্যমে উত্তাপ ছড়িয়েছিলেন তার স্বল্পবসনা ছবি দিয়ে। দলের সুবিধা ভোগ করা এ শিল্পীও গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে গোপনে দেশে ফেরেন। এরপর প্রায় কয়েকমাস ছিলেন ঘরবন্দী ও মিডিয়ার আড়ালে। তবে গত ঈদুল ফিতরে তার অভিনীত একটি সিনেমা দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেলেও, সমালোচিত এ নায়িকার কারণে সে সিনেমার কপালেও জোটে ফ্লপ তকমা। 

    এদিকে আর কোনো কাজেও তিনি যুক্ত হতে পারছেন না। স্বাভাবিকভাবেই তার নজরও এখন কলকাতার দিকেই। কাজের ব্যস্ততা বাড়লে সেখানেই হতে পারেন স্থায়ী। এক সাক্ষাৎকারে দেশীয় নির্মাতার দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তুলে জানান, দেশের নির্মাতারা তাকে সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে পারেননি। সে তুলনায় কলকাতার নির্মাতাদের এগিয়ে রেখেছেন এ অভিনেত্রী।

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • বলিউডের ভিত্তি গড়ে তোলা এসব তারকার জন্মও পাকিস্তানে

    ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের ইতিহাস জুড়ে রয়েছে সংঘাত, রাজনীতি আর বয়ে চলা উত্তেজনার স্রোত। সম্প্রতি কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতে আবারও নিষিদ্ধ হয়েছেন পাকিস্তানের শিল্পীরা। শুধু এবারই নয়, প্রতিবার রাজনৈতিক-সামরিক উত্তেজনায় প্রথম বলির শিকার হয় বিনোদন জগতই। 

    তবে ইতিহাসের পরিহাস—যে দেশকে আজ শত্রু  হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই দেশের মাটিতেই একসময় জন্মেছিলেন এমন কিছু কিংবদন্তি তারকা, যারা ভারতীয় চলচ্চিত্রে যুগান্তকারী অবদান রেখে গেছেন। তৎকালীন অবিভক্ত ভারত থেকে উঠে আসা এই শিল্পীরা দেশভাগের পর মুম্বাইয়ে পাড়ি দিয়ে গড়েছিলেন নিজেদের ক্যারিয়ার।  বলিউডে তাদের অবদান আজও স্মরণীয়। নিচে এমনই পাঁচজন তারকার কথা তুলে ধরা হলো- যারা জন্ম নিয়েছিলেন পাকিস্তানে, কিন্তু হয়ে উঠেছিলেন ভারতীয় চলচ্চিত্রের অমূল্য রত্ন।

    দীলিপ কুমার

    ভারতীয় সিনেমার ‘ট্র্যাজেডি কিং’ নামে খ্যাত দীলিপ কুমার (আসল নাম মোহাম্মদ ইউসুফ খান) জন্মেছিলেন ১৯২২ সালে, বর্তমান পাকিস্তানের পেশোয়ারে। তিনি ছিলেন প্রথম সুপারস্টারদের একজন, যার অভিনয়ে বাস্তবতা আর আবেগের মিল ছিল অসাধারণ।

    ‘মুঘল-এ-আজম’, ‘গঙ্গা যমুনা’, ‘দেবদাস’—এইসব চলচ্চিত্রে তার অনবদ্য অভিনয় তাকে কিংবদন্তিতে পরিণত করেছে। দেশভাগের পর ভারতেই থেকে যান তিনি এবং হয়ে ওঠেন ভারতীয় চলচ্চিত্রের চিরন্তন মুখ।

    রাজ কাপুর

    বর্তমান পাকিস্তানের পেশোয়ারের কিসসা খোয়ানি বাজার এলাকায় ১৯২৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন রাজ কাপুর। কাপুর পরিবার তখন থেকেই থিয়েটার ও সিনেমার সঙ্গে জড়িত ছিল। রাজ কাপুর শুধু একজন অভিনেতা বা পরিচালকই ছিলেন না, তিনি ছিলেন ভারতীয় সিনেমার এক ‘শো-ম্যান’।

    ‘আওয়ারা’, ‘শ্রী ৪২০’, ‘মেরা নাম জোকার’—এসব চলচ্চিত্রে তিনি শুধু বিনোদন দেননি, সামাজিক বার্তা দিয়েছেন। তার সিনেমা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভারতের ভাবমূর্তি গড়ে তুলেছে।

    গুলজার

    সম্পুরন সিং কালরা, যাকে আমরা গুলজার নামেই চিনি। জন্মেছিলেন ১৯৩৪ সালে বর্তমান পাকিস্তানের পাঞ্জাবের ডিনা গ্রামে। দেশভাগের সময় পরিবার নিয়ে ভারতে চলে আসেন তিনি। পরবর্তীতে কলকাতায় দীর্ঘ সময় কাটিয়েছেন। তার গানে, কবিতায়, চিত্রনাট্যে এবং পরিচালনায় ছড়িয়ে আছে এক গভীর দর্শন ও আবেগ।

    ‘চুপকে চুপকে’, ‘আন্ধি’, ‘মাচিস’, ‘মৌসম’–এমন অসংখ্য সিনেমায় তিনি নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। তার লেখা ‘জয় হো’ গানটি অস্কার জিতে আন্তর্জাতিক খ্যাতিও অর্জন করে।

    দেব আনন্দ

    এই স্টাইলিশ অভিনেতার জন্ম ১৯২৩ সালে বর্তমান পাকিস্তানের গুরদাসপুর জেলায়। দেব আনন্দ ছিলেন একাধারে অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক। তার হাসি, চলাফেরা, সংলাপ বলার ধরন—সবই ছিল অনন্য।

    ‘গাইড’, ‘হরে রাম হরে কৃষ্ণ’, ‘জুয়েল থিফ’, ‘কালা পানি’—তার ক্যারিয়ারের সেরা কাজগুলোর মধ্যে পড়ে। দেব আনন্দ ভারতীয় নারীদের কাছে রীতিমতো এক স্বপ্নপুরুষ ছিলেন। তার অভিনয় ক্যারিয়ার ছড়িয়ে ছিল ছয় দশকেরও বেশি সময় জুড়ে।

    সুনীল দত্ত

    ১৯২৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন সুনীল দত্ত, বর্তমান পাকিস্তানের ঝেলাম জেলায়। তিনি আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেছিলেন, কিন্তু সিনেমার টানে বলিউডে পা রাখেন। তার সাদামাটা অথচ দৃঢ় ব্যক্তিত্ব দর্শকদের হৃদয়ে দাগ কাটে।

    ‘মাদার ইন্ডিয়া’, ‘সাধনা’, ‘মেরে মেহবুব’, ‘ওয়াক্ত’–এর মতো ছবিতে তিনি সফল অভিনয় করেন। ব্যক্তিগত জীবনেও তিনি ছিলেন দায়িত্ববান, স্ত্রী নার্গিসের অসুস্থতার সময় থেকে ছেলে সঞ্জয় দত্তের কঠিন সময় পর্যন্ত পাশে ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রীও ছিলেন।

    খালিদ হাসান

  • সেলিব্রিটি ক্রিকেট লিগ শুরু, মাঠ কাঁপাচ্ছেন টিভি তারকারা

    দেশের জনপ্রিয় টেলিভিশন তারকাদের নিয়ে শুরু হলো সেলিব্রিটি ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ২০২৫। সোমবার বিকেল ৪টায় জমকালো আয়োজনে উদ্বোধন হয় পাঁচ দিনব্যাপী এই টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের।

    চারটি দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিতব্য এ প্রতিযোগিতায় খেলছে—টাইটানস, নাইট রাইডার্স, জেভিকো কিংস এবং স্বপ্নধরা স্পারটানস। প্রতিটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে বিকেল ৪টায়। দর্শকরা ম্যাচ শুরুর দুই ঘণ্টা আগে থেকে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে পারবেন।

    টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে ৬, ৮ ও ১০ মে। ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ১৩ মে। মোট ৭টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে এবং সবগুলো ম্যাচই টি-স্পোর্টস চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অংশগ্রহণকারী দলের মেন্টর ও খ্যাতিমান পরিচালকরা—মোস্তফা কামাল রাজ, গিয়াস উদ্দিন সেলিম, তানিম রহমান অংশু এবং প্রবীর রায় চৌধুরী। তারা নিজ নিজ দলের খেলোয়াড়দের পরিচয় করিয়ে দেন।

    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দেশের বিনোদন অঙ্গনের পরিচিত মুখ—দীপা খন্দকার, সালহা খানম নাদিয়া, কেয়া পায়েল, তৌসিফ মাহবুব, কর্নিয়া, আরেফিন রুমি, ইরফান সাজ্জাদ, রাফসান সাবাব, সাঞ্জু জন, সাজ্জাদ খান সান, তানহা তাসনিয়া, আরিয়ানা জামান, তাসনুভা তিশা, সায়রা জাহান আক্তার, গোলাম কিবরিয়া তানভীর, সিনথিয়া ও আলিশা। এছাড়াও টুর্নামেন্ট আয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

    এটি শুধু একটি খেলাধুলার আয়োজন নয়, বরং বিনোদন জগতের তারকাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক ও বন্ধন শক্তিশালী করতেও বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন আয়োজকরা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কাশ্মীরে হামলা: ব্যথিত পাকিস্তানের শোবিজ তারকারা

    কাশ্মীরের পেগেলগামের হামলায় ২৬ জনের হতাহতের ঘটনায় স্তম্ভিত বলিউড।  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক বলিউড তারকা হামলার নিন্দা ও নিহতদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। এ ন্যাক্কারজনক ঘটনা স্পর্শ করেছে পাকিস্তানি তারকাদের মনও। 

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফাওয়াদ খান, হানিয়া আমির, মাওরা হোসেন, উজমা খান, ফারহান সাইদসহ অনেক তারকা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। পাশাপাশি নিহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন।  

    আগামী ৯ মে ফাওয়াদ খান-বাণী কাপুর অভিনীত সিনেমা ‘আবির গুলাল’ ভারতে মুক্তির কথা ছিল। তবে পাকিস্তানি অভিনেতা হওয়ায় তার এই সিনেমাটি মুক্তি নিয়ে ভারতের সিনেমা জগতে তীব্র বিতর্ক চলছে। 

    যদিও ফওয়াদ খান হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, ‘পেহেলগামে ঘটে যাওয়া ঘৃণ্য ঘটনার খবর পেয়ে আমি ভারাক্রান্ত। প্রার্থনা করছি নিহতদের পরিবারের জন্যে। আমরা নিহতদের পরিবারের পাশে আছি। তারা যেন এই কঠিন পরিস্থিতিতে শক্তি খুঁজে পান।’

    পাকিস্তানি জনপ্রিয় অভিনেত্রী হানিয়া আমির বলেছেন, ‘যে কোনও স্থানের দুর্ঘটনাই আমাদের কাছে সমানভাবেই দুঃখজনক। এ] ঘটনায় যে নিরীহ মানুষেরা প্রাণ হারালেন তাদের জন্য আমি ভারাক্রান্ত।’

    ভারতীয়দের মতোই তিনিও এই ঘটনায় ব্যথিত বলে জানান হানিয়া। তিনি বলেন, ‘যন্ত্রণা, শোক ও আশা এই তিন মিলিয়ে আমরা সবাই এখন একসঙ্গে। নিরীহ প্রাণের এমন পরিণতি হলে, সেই যন্ত্রণা শুধু তাদের একার থাকে না। সেই যন্ত্রণা আমাদের সবার হয়ে যায়। আমরা যে এলাকারই মানুষ হই, শোকের একটাই ভাষা হয়। আমরা যেন সবার আগে মানবতাকেই বেছে নিতে পারি।’

    বলিউডের জনপ্রিয় ছবি ‘সানম তেরি কসম’ ছবিতে অভিনয় করেছিলেন মাওরা হোসেন।  নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘নিহতদের পরিবারের প্রতি আমি সমব্যথী। কোনো একজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদ মানে আমাদের সকলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদ। এই বিশ্বে এ কী হচ্ছে?’

    বিনোদন ডেস্ক

  • গাজার শোকে তারাও কাতর!

    বিশ্ব মানবতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় বর্বর হামলা চালাচ্ছে ইহুদিবাদী রাষ্ট্র ইসরাইল। নেতানিয়াহু বাহিনীর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে আজ ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত রয়েছে। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ব্যাপকভাবে এ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

    এদিকে, গাজায় চলমান গণহত্যার বিরুদ্ধে দেশের বিনোদন অঙ্গনের তারকারাও সরব হয়েছেন। গতকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁরা নিজেদের ক্ষোভ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করছেন। মানবতাবিরোধী এই ভয়াবহ হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

    গাজায় ইসরায়েলের নির্মম হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদ জানিয়ে চিত্রনায়ক শাকিব খান ফেসবুকে লিখেছেন, ‘গাজা শুধু একটি ভৌগোলিক নাম নয়, এটি যেন আজ নির্যাতিত মানুষের প্রতীক! দুঃখজনক হলেও বাস্তবতা হচ্ছে, সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করা ছাড়া আর কিছু করতে না পারা! তাদের পাশে আছি—ভালোবাসা, সংহতি, আর শান্তির প্রত্যাশায়।’

    আসিফ আকবর তার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘বিদায় রাফা-গাজার জান্নাতি শহীদেরা। শ্রেষ্ঠ ধর্মের অনুসারী আর তাদের নিকৃষ্ট শাসকরা আনন্দে থাকুক জ্বলন্ত জমিনের দোজখে।

    জয়া আহসান লিখেছেন, ‘দক্ষিণ গাজায় ইসরায়েলি সেনারা ১৫ জন জরুরি চিকিৎসাকর্মীকে হত্যা করেছে। গাজায় যে নিষ্ঠুর আর হৃদয়হীন গণহত্যা ইসরায়েল চালিয়ে আসছে, এটা তারই অংশ। পৃথিবীকে তারা ফিলিস্তিনিশূন্য করার নিয়ত নিয়ে নেমেছে।’

    আক্ষেপ ও অসহায়ত্বের কথা উল্লেখ করে আরিফিন শুভ লিখেছেন, ‘গাজার আকাশে যে ধোঁয়া আর অশ্রুর বৃষ্টি, সেই নিষ্ঠুরতার বিরুদ্ধে আমরা শুধু প্রার্থনা করতে পারি, কাঁদতে পারি আর চিৎকার করতে পারি। এই মানুষগুলোর অপরাধ কি শুধু এই যে তারা নিজেদের মাটিতে বাঁচতে চায়?’

    সিয়াম আহমেদ তার ফ্রি প্যালেস্টাইন স্যুটের একটি ছবি প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘আমি যখন এই পোস্ট লিখছি, ততক্ষণে গাজার অস্তিত্ব কী মুছে গেছে? আমরা কি পারলাম না এই শহরটা, এই দেশটাকে বাঁচাতে? ফিলিস্তিনের এই ধ্বংসাবশেষের দায় কি আমরা কেউ এড়াতে পারব? ফিলিস্তিনের জন্য আমার মনের কান্না কখনো থামাতে পারিনি। যখন “জংলি”র গল্প লেখা হচ্ছিল তখনো পাখির জায়গায় আমি বারবার ফিলিস্তিনি শিশুদেরই কল্পনা করতাম। আমরা কি শিশুদের জন্য একটা সুন্দর পৃথিবী উপহার দিয়ে যেতে পারব না? যখন যুদ্ধবিরতি চলছিল তখনো আমি শান্তি পাচ্ছিলাম না। শুধু মনে হতো, এই বিরতি কতক্ষণের? কতক্ষণ এই মানুষগুলো বাঁচবে আসলে?’

    তমা মির্জা তার ফেসবুকে গাজায় ইসরায়েলি হামলার একটি ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘এটা গোটা মুসলিম দেশের মুসলমানদের শাহাদতের চিত্র!’ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার মালাইকার বাড়িতে ঢুকে পড়ল অজ্ঞাতনামা

    কিছু দিন আগেই বলিউড তারকা সাইফ আলি খানের ওপর হামলার খবরে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল মুম্বাই শহর। প্রায় একই রকমের অভিজ্ঞতা হয়েছিল মালাইকা অরোরারও। মুম্বাইতে অভিনেত্রী-মডেলের বাড়িতেও ঢুকে পড়েছিলেন এক অজ্ঞাতপরিচয়। ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন মালাইকা। সেই ঘটনা সম্প্রতি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

    সংখ্যা ব্যতীত বয়স কিছুই নয়, বার বার প্রমাণ করেছেন মালাইকা। ৫১ বছর বয়সেও তার চেহারায় মুগ্ধ অনুরাগীরা। এখনও মার্জার সরণিতে তার আত্মবিশ্বাস নজর কাড়ে। রাস্তায় এক ঝলক তাকে দেখা গেলেই নিমেষে ছেঁকে ধরেন ছবিশিকারিরা। তবে খ্যাতির সঙ্গে বিড়ম্বনাও থাকে। এক অনুরাগীর জন্যই বিপদে পড়েছিলেন মালাইকা। সেই অনুরাগীই নাকি গোপনে ঢুকে পড়েছিলেন তার বাড়িতে।

    মালাইকা সেই দিন নিজের ঘরে তৈরি হচ্ছিলেন। ঘর থেকে বেরিয়ে বসার ঘরে এসে দেখেন এক অজ্ঞাতপরিচয় নারী সেখানে বসে রয়েছেন। মালাইকা বলেছেন, ‘আমি বুঝতেই পারছিলাম না কিছু। আমাকে দেখেই কিছু একটা বলতে যান ওই নারী। সত্যি কথা বলতে, আমি খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম।’

    অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘একজন অচেনা নারী এসেছিলেন। তার সঙ্গে আর এক উন্মাদ ভক্ত এসেছিলেন। তারা সোফায় বসেছিলেন। তবে ওই নারীর কাছে কাঁচি জাতীয় কিছু একটা ছিল। ওটা দেখে ভয় হচ্ছিল। বুঝতে পারছিলাম, কিছু সমস্যা তো রয়েছে। আমি শান্ত থাকার চেষ্টা করি। তার পরে তাদের সঙ্গে কথা বলি। অনুরাগীদের সঙ্গে যে এই ভাবেও কথা হতে পারে, সেই প্রথম অভিজ্ঞতা হয়।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ক্যাটরিনা-ভিকির সাজে মুগ্ধ ভক্তরা

    বলিউড তারকা ক্যাটরিনা কাইফ এবং ভিকি কৌশলকে শনিবার রাতে মুম্বাইয়ের একটি পার্টি থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা গিয়েছিল। আসলে ক্যাটরিনার প্রিয় বন্ধু কারিশমা কোহলির বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন তারা। সেখান থেকেই দম্পতিকে বাড়ি ফিরতে দেখা যায়। অনুষ্ঠানে তাদের লুক ও রসায়ন ফের নতুন করে মুগ্ধ করেছে ভক্তদের।

    পাপারাজ্জিরা ক্যামেরবন্দি করেন ক্যাটরিনা এবং ভিকির পার্টি থেকে ফেরার সেই দৃশ্য। ভিডিওটিতে দেখা গিয়েছে, তারা একসঙ্গে পার্টি থেকে বেরিয়ে আসছেন। ক্যাটরিনার বোন ইসাবেল ভিকি ও ক্যাটরিনাকে ভ্যেনুর গেট পর্যন্ত ছেড়ে দিয়ে যান। তারপর ভিকি ও ক্যাটরিনা হাত ধরাধরি করে তাদের গাড়ির দিকে এগিয়ে যান।

    ক্যাটরিনা এদিনের পার্টিতে মিষ্টি লুকে সবার মন জয় করে নিয়েছিলেন। অভিনেত্রীর পরনে ছিল একটি ফ্লেয়ার্ড, অফ-শোল্ডার গোলাপি গাউন, তার একপাশে একটা বড় ফুলও ছিল। খোলা চুল ও হালকা মেকআপে বেশ মিষ্টি দেখাচ্ছিল নায়িকাকে। অন্যদিকে, ভিকিকে কালো ফর্মাল থ্রি-পিস স্যুটে অসাধারণ লাগছিল। একেবারে যেন বার্বি ও কেন।

    ভক্তরা তাদের লুক এবং রসায়ন দেখে উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েন। একজনের মন্তব্য করছেন, ‘ভিকি যে ভাবে ক্যাটরিনার হাত ধরে তাকে নিয়ে যাচ্ছেন।’ আর একজন ভক্ত মন্তব্য করেছিলেন, ‘দেখুন ভিকি ক্যাটের প্রতি এতটাই মুগ্ধ এখনও যে ওর হাত ছাড়তে চাইছেন না।’ তাদের লুকের প্রশংসা করে এক ভক্ত লিখেছেন, ‘ক্যাটরিনাকে বার্বির মতো দেখাচ্ছে এবং ভিকি কৌশলকে রাজপুত্রের মতো।’ আরও একজন লিখেছেন, ‘ক্যাটরিনা তাঁর বার্বির অবতারে ফিরে এসেছেন।’ তাঁদের রসায়নের প্রশংসা করে এক ভক্ত লেখেন, ‘একে অপরের জন্য তৈরি।’ অন্য একজন মন্তব্য করেন, ‘এটা স্বপ্নময়।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • নারীর প্রতি সহিংসতা ও ধর্ষণের প্রতিবাদে সরব তারকারা

    গত কয়েকদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে নারীর প্রতি সংহিসতা ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। তবে মাগুরার ৮ বছরের শিশু ধর্ষণের ঘটনায় দেশের মানুষ হতবাক। সব শ্রেণি-পেশার মানুষ ন্যাক্কারজনক এ ঘটনার প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমেছে। নিরব নেই শোবিজ অঙ্গনও। ধর্ষকের বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ জানিয়েছেন শোবিজের তারকারা। 

    দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান অভিনয়ের পাশাপাশি নারীদের নিয়ে ব্যক্তি ও  অর্গানাইজেশনের উদ্যোগে বিভিন্ন ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়ে থাকেন। নারীর প্রতি সহিংসতা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে প্রায়ই কথা বলেন এ অভিনেত্রী। 

    তারই অংশ হিসাবে ‘নো মোর’ নামে একটি ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়ে জয়া বলেছেন, ‘নির্যাতন নয়, নারীর জন্য প্রয়োজন ভালোবাসা ও সম্মান। হতে পারে এই অত্যাচার যৌন নিপীড়ন। হতেই পারে মারধর, গৃহ নির্যাতন। অনন্তকাল ধরে এসব নীরবে সহ্য করে আসছেন নানা বয়সের মেয়েরা। এবার বলার সময় এসেছে, ‘আর না’।’

    সংগীতের যুবরাজখ্যাত শিল্পী আসিফ আকবর। যেকোনো অন্যায়-অবিচারে তিনি সামাজিক মাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড় তুলেন। মাগুরার শিশু ধর্ষনের ঘটনায়ও চুপ থাকেননি এ শিল্পী। সামাজিক মাধ্যমে আওয়াজ তুলেছেন। 

    শিশুটিকে নিজের মেয়ের সঙ্গে তুলনা করে আসিফ বলেন, ‘সেই ছোট আছিয়া আমার মেয়ের (আইদাহ্) মতো। আমি এমন ঘটনায় বাকরুদ্ধ। কিছু বলার মতো নেই। লিখতেও পারছি না কিছু। চেষ্টা করছিলাম বিষয়টি নিয়ে কিছু লিখব, কিন্তু অসাড় আমি।’

    ঢাকাই সিনেমার নায়ক শাকিব খানকেও নারীর প্রতি সহিংসতা ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে দেখা গেছে। ৮ বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষিত হওয়ার খবরে শুরুতে চুপ থাকলেও শেষে ফেসবুকে স্টেটাস দিয়ে আওয়াজ তুলেছেন এ নায়ক। তিনি ধর্ষকের বিচার দাবি করেছেন। দেরীতে হলেও নিরবতা ভেঙে শাকিবের এ প্রতিবাদে অনুরাগীরা বেশ খুশি হয়েছেন।

    ঢাকাই সিনেমার ব্যস্ততম নায়িকা শবনম ইয়াসমিন বুবলী। তিনিও বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন। নারীদের প্রতি সম্মান জানানোর আহ্বান জানিয়ে বুবলী বলেন, ‘একজন নারী আপনার মা, মেয়ে, স্ত্রী বা বোন। নারীদের অসম্মান করার আগে একবার ভাবুন। ধর্ষনের মতো ঘৃণিত একটি কাজ করার আগে নিজের ঘরের দিকেও একবার তাকান। আমি বিশ্বাস করি আপনার মনে বাস করা পশুটি শান্ত হবে। এরকম ঘটনার খবর আমরা আর শুনতে চাই না।’ 

    এ ঘটনায় মর্মাহত চিত্রনায়ক রুবেল। তিনি মনে করছেন ধর্ষণ থেকে রক্ষা পেতে নারীর কারাতে শিক্ষা জরুরী। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি নারীদের জন্য মার্শাল আর্ট অপরিহার্য। এমনকি প্রতিটি স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় তরুণীদের শেখা উচিত। আমরা যদি নারীদের কারাতের শিক্ষাটা দিতে পারি তাহলে ধর্ষণ থেকে ৭০ ভাগ পরিত্রাণ পাব।’ 

    নাটক ও সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা আব্দুন নূর সজল কাজের ব্যস্ততার মাঝেও এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা নিয়ে কথা বলতে একটুও কার্পণ্য করেননি।  ধর্ষনের মতো অপরাধে একটি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দরকার বলে মনে করছেন তিনি। সজল বলেন, ‘আমার মতে ধর্ষণের ঘটনায় এমন আইন বা শাস্তি হওয়া উচিত যা আমাদের সমাজে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এবং খুব দ্রুত সেটা করা উচিত।’  

    ধর্ষকের মৃত্যু চেয়েছেন মডেল ও অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলা। 

    তিনি বলেন, ‘ধর্ষণের শিকার ৮ বছর বয়সী কন্যা শিশু! কিন্তু এটি নতুন কোন ঘটনা নয়। এই অভাগা দেশে প্রতি বছর গড়ে ছ’শো থেকে হাজার খানেক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়। শিশু ও নারীর প্রতি সহিংসতা মানে না বয়স, পোশাক, সামাজিক অবস্থান, ধর্ম, বর্ণ, জাত, পরিচয়। কখনো মানেনি, মানবেও না। তাই আমি ধর্ষকের মৃত্যু চাই! ধর্ষণের বিচার চাই।’

    অভিনেত্রী ও মডেল রুনা খান নারীদের সঙ্গে এমন ঘটনায় বেশ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। 

    তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে নারীদের প্রতি সহিংস আচরণ করা হয়। সেটা পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয়ভাবেই। নারীদের প্রতি এই আচরণ খুব ভয়াবহ ব্যাপার। অন্য নারীরা নিরাপদ বোধ করেন কি না জানি না, অন্তত আমি আমি নিজে নিরাপদ বোধ করি না।’

    নাটক সিনেমার জনপ্রিয় একজন অভিনেত্রী মনিরা আক্তার মিঠু। তিনি বলেন, ‘নারীরা আগেও যেমন নিরাপত্তা শঙ্কায় ভুগেছেন এখনো ভুগছে। এখন যা হচ্ছে, অতীতেও এ রকম আমরা অনেক দেখেছি। এর জন্য আমি বাংলাদেশের আইন ব্যবস্থাকে দায়ী করব। কারণ আমাদের দেশের আইন-শৃঙ্খলার অবস্থা একেবারেই খারাপ।’

    নাটকের অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া সামাজিক মাধ্যমে ধর্ষকের ৪০ দিনের মধ্যে ফাঁসির দাবি জানিয়ে বলেন, ‘ধর্ষকের সর্বোচ্চ সাজা হওয়া উচিত মৃত্যুদন্ড। দুদিন পর ধর্ষক জামিন পেয়ে সমাজে ঘুরে বেড়াবে সেই সুযোগ যেন না দেওয়া হয়।’  

    অভিনেত্রী কাজী নওশাবা এমন ঘটনায় ব্যথিত এবং শঙ্কিত হয়ে বলেন, ‘মাগুরায় যে ঘটনা (শিশু ধর্ষণ) ঘটল এবং অন্যান্য জায়গায়ও যেসব ঘটনা ঘটছে, এসব শুনে বা দেখে ভালো থাকার কোনো কারণ খুঁজে পাচ্ছি না। দ্রুত এর  সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’ 

    এছাড়াও শোবিজের অনেক তারকা বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে আওয়াজ তুলেছেন। ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছেন ও ধর্ষণের মতো জগণ্যতম কাজ যেন পুনরায় আর না ঘটে, এ বিষয়ে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক একটি ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন অনেকে।

    রিয়েল তন্ময়

  • দুই সাবেককে নিয়ে যা বললেন আমির

    বলিউড তারকা আমির খান প্রায়ই তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথা বলেন এবং বিচ্ছেদ সত্ত্বেও তিনি দুই সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেছেন। প্রথম স্ত্রী রিনা দত্তের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে তিনি একসময় জানিয়েছিলেন, রিনার কাছে নিজের প্রেম প্রমাণ করার জন্য রক্ত দিয়ে চিঠি পর্যন্ত লিখেছিলেন। তবে, দীর্ঘ ১৬ বছর পর ২০০২ সালে তাদের দাম্পত্য জীবনে শেষ হয়ে যায়। তিন বছর পর, ২০০৫ সালে তিনি কিরণ রাওকে বিয়ে করেন। কিন্তু এই সম্পর্কও ২০২১ সালে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। যদিও এসব বিচ্ছেদের পর, আমির খান তার দুই সাবেক স্ত্রীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং সম্মান প্রকাশ করেন।

    এক সাক্ষাৎকারে আমির বলেছেন, ‘আমি আর রিনা একসঙ্গে ১৬ বছর ছিলাম। আমরা কিন্তু পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছিলাম। আমার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এই মানুষগুলোর সঙ্গেই। রিনা ও কিরণের কথা বলছি— ওরা অসাধারণ। ওদের সঙ্গেই আমি জীবনটা কাটিয়েছি। ওরা আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে।’

    বিচ্ছেদের পরে প্রত্যেকেই যে যার মতো করে জীবনে এগিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা রয়ে গিয়েছে। আমিরের কথায়, ‘আমাদের ডিভোর্স হয়ে গিয়েছে ঠিকই। কিন্তু তার মানে এই নয়, আমরা পরস্পরকে ভালোবাস না বা শ্রদ্ধা করব না। আমরা নিজেদের মতো করে এগিয়ে গেলেও, কিরণ ও রিনা দুজনকেই আমি খুব শ্রদ্ধা করি।’ রিনা ও কিরণের পরিবারকেও তিনি শ্রদ্ধা করেন বলে জানান। রিনার বাবা-মায়ের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন আমির।

    বর্তমানে ‘সিতারে জমিন পর’ ছবি নিয়ে ব্যস্ত আমির। তাকে শেষ দেখা গিয়েছিল ২০২২-এর ছবি ‘লাল সিংহ চড্ডা’-তে। ছবিতে তার বিপরীতে ছিলেন কারিনা কাপুর খান।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঈদের নাটক নিয়ে ব্যস্ত তারকাশিল্পীরা

    বছরের পুরোটা সময়ই নতুন নাটক এবং চরিত্র নিয়ে তারকারা কাজ করলেও বিশেষ দিবসে নির্মাতাদের পাশাপাশি শোবিজ তারকাদেরও নতুন প্রস্তুতি ও চরিত্র নিয়ে কাজ করার ধুম পড়ে। সে ধারাবাহিকতায় নাটকপাড়ায় চলছে ঈদের প্রস্তুতি। বছর ঘুরে আবার আসছে ঈদুল ফিতর। 

    বৃহত্তম এ উৎসবে বিনোদনপিয়াসী দর্শকের চাহিদা পূরণের জন্য বিনোদনের পসরা নিয়ে টেলিভিশনের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠিত ইউটিউব চ্যানেলগুলোর সঙ্গে আসে কিছু অ্যাপসভিত্তিক ওটিটি প্ল্যাটফর্ম। অন্যান্য বছরের মতো এবারের ঈদ নিয়েও চলছে তাদের প্রস্তুতি। বছরের প্রথম মাস থেকেই ঈদের নাটক নির্মাণের তোড়জোড় লক্ষ্য করা গেছে। গত মাস থেকেই নির্মাণের হার বেড়েছে। নাটকের তারকা অভিনয়শিল্পীর প্রায় সবাই ঈদের নাটকের কাজ নিয়ে ব্যস্ত হয়েছেন।

    গত মাস থেকেই ঈদের কাজ শুরু করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিম। সর্বশেষ গত বছরের কুরবানি ঈদেও তার সর্বোচ্চসংখ্যক নাটক প্রচার হয়েছিল। 

    অভিনেতা সেসময় বলেছেন, ‘এবারই হয়তো আমার অভিনীত সর্বাধিক নাটক প্রচারে এসেছে। যেগুলোর মধ্যে নতুন নাটকের পাশাপাশি অনেক আগে অভিনয় করে রেখেছিলাম এমন নাটকও রয়েছে।’ 

    এবারও একাধিক নাটক আসতে পারে জানিয়ে মোশাররফ করিম বলেন, ‘কাজ তো শুরু করেছি। নিশ্চিত করে বলাটা কঠিন। অনেকগুলো নাটক আসবে এতটুকু বলতে পারি। দেখা গেল শেষ সময়ে এসে নানা কারণে অনেক ঈদের নাটকই মুক্তি পায় না। তাই এটা সংখ্যায় কতটা হবে নিশ্চিত বলা যায় না। তবে ঈদের কাজের ক্ষেত্রে আমি কখনোই সংখ্যাকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করি না। চেষ্টা থাকে দর্শকদের ভালো গল্পের কাজের মাধ্যমে বিনোদিত করা। দর্শকের কথা মাথায় রেখেই কর্মপরিকল্পনা সাজিয়েছি।’ 

    নাটকের জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। নাটক নিয়ে সারাবছরই তার ব্যস্ততা। তবে কোনো দিবস ও উৎসবে তিনি বিশেষ কিছু কাজ নিয়ে হাজির হন। টিভি নাটকের পাশাপাশি ওটিটি কনটেন্টেও তার উপস্থিতি দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। গত ভালোবাসা দিবসে ‘মন দুয়ারি’ নাটক দিয়েও বেশ সাড়া ফেলেছেন। এবার ঈদেও আসতে যাচ্ছে তার একাধিক কাজ। তবে দর্শক আগ্রহ বাড়িয়েছে অপূর্ব অভিনীত ‘হাউ সুইট’ ওয়েবফিল্ম। এটি ঈদে মুক্তি পাবে। 

    অপূর্ব বলেন, ‘হাউ সুইট একটি প্রেম-ভালোবাসার মিষ্টি গল্প। এটি ভালোবাসা দিবসের জন্য নির্মাণ হলেও কোনো কারণে তা মুক্তি পায়নি। এবার ঈদে মুক্তি পাচ্ছে। এছাড়াও ঈদের নাটকের কাজ শুরু করেছি। আশা করি, আরও নাটক মুক্তি পাবে। তবে বিস্তারিত এখন বলা যাচ্ছে না, কারণ এগুলোর কাজ চলমান।’ 

    নাটকের জনপ্রিয় অভিনেতা আব্দুন নূর সজল এখন সিনেমা নিয়েই বেশি ব্যস্ত। তবে ছোটপর্দার কাজও করছেন। সম্প্রতি তিনি শুটিং শেষ করলেন ‘তুমি আমি ও সে’ নামের একটি টেলিছবির। এবারের ঈদে তার অভিনীত ‘জ্বীন-৩’ নামে একটি সিনেমাও মুক্তি পাবে। এটিরও শুটিং শেষ করেছেন এই অভিনেতা।  

    টিভি নাটক, ওটিটি, সিনেমা নিয়েই ব্যস্ত আছেন এফএস নাঈম। সিনেমার ব্যস্ততায় এবার এখনও ঈদের নাটকের কাজ শুরু করতে পারেননি। তবে শেষদিকে এসে তিনিও নাটকের কাজে ব্যস্ত হবেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। ঈদে তার একাধিক নাটক আসবে জানিয়ে নাঈম বলেন, ‘আমার একটি সিনেমার ডাবিং চলছে। এছাড়া ফেব্রুয়ারিতে নতুন একটি সিনেমা মুক্তিও পেয়েছে। সেগুলো নিয়েই ব্যস্ততা যাচ্ছে। তবে এখনও সময় আছে, হয়তো শেষদিকে এসে ঈদের কিছু নাটকের কাজ হতে পারে। তবে আগেই অভিনয় করা কয়েকটি নাটক ঈদে আসতে পারে।’  

    নাটকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাবিলা নূর। টিভি নাটকের পাশাপাশি ওটিটি কনটেন্টে কাজ করেন এ অভিনেত্রী। বর্তমানে অভিনয় থেকে খানিকটা বিরতি নিয়েছেন। জানিয়েছেন নিজেকে সময় দিতেই এ বিরতি। তাই গত ভালোবাসা দিবসে তার উপস্থিতি ছিল না টিভি পর্দায়। তবে ঈদে দর্শকের আনন্দের মাত্রা বাড়াতে নাটক নিয়ে হাজির হচ্ছেন তিনি। 

    সাবিলা বলেন, ‘গত কয়েকমাস অভিনয় থেকে দূরে আছি। সেটা একান্তই নিজের জন্য। তবে ঈদের জন্য তিনটি নাটকের কাজ শেষ করেছি। এছাড়াও অন্যান্য কাজ নিয়েও কথা হচ্ছে। ঈদের প্রায় এক মাস বাকি। হয়তো আরও দু’একটি কাজ হতেও পারে।’ 

    অভিনেত্রী কেয়া পায়েলও ব্যস্ত আছেন ঈদের নাটকের কাজ নিয়ে। এরইমধ্যে তিনি একাধিক নাটকের কাজ শেষ করেছেন। এই মুহূর্তে শুটিং নিয়েই ব্যস্ত আছেন। 

    পায়েল বলেন, ‘বর্তমানে তৌসিফ মাহবুবের সঙ্গে একটি নাটকের কাজ করছি। এটি ঈদের জন্য। পরিচালনা করছেন মিফতাহ আনান। এছাড়াও একাধিক নির্মাতার সঙ্গে কথা হয়েছে। পরিকল্পনা মতো সেগুলোর কাজ করব। ঈদের আগে সে কাজগুলো নিয়েই ব্যস্ততা থাকবে।’ 

    নাটকের জনপ্রিয় ও সবচেয়ে ব্যস্ত জুটি নিলয় আলমগীর ও জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি। প্রতি ঈদেই তারা প্রায় ডজনখানেক নাটক নিয়ে হাজির হন। এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন এই দুই অভিনয়শিল্পী। অন্যদিকে নাদিয়া আহমেদ, তানজিন তিশা, সাফা কবির, ইরফান সাজ্জাদ, সালহা খানম নাদিয়া, মৌসুমী হামিদ, নিলাঞ্জনা নীলা, তৌসিফ মাহবুব, জোভানসহ বেশ কয়েকজন তারকাশিল্পীও ঈদের নাটক নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন বলে জানা গেছে।

    রিয়েল তন্ময়