Tag: টালিউড

  • নচিকেতা ও রচনা পেলেন ‘মহানায়ক সম্মান’

    মহানায়ক উত্তম কুমারের প্রয়াণ দিবসে ‘মহানায়ক সম্মান’ পেয়েছেন সংগীতশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী ও অভিনেত্রী রচনা ব্যানার্জি। আজ উত্তম কুমারের ৪৪তম প্রয়াণ দিবসে আয়োজিত স্মরণসভায় তাকে গভীরভাবে স্মরণ করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর।

    এই স্মরণসভায় চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ‘মহানায়ক সম্মান’ পেয়েছেন নচিকেতা ও রচনা। তাদের পাশাপাশি অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কেও বিশেষ সম্মান দেওয়া হয়।

    এছাড়া অভিনেতা অম্বরীশ ভট্টাচার্য, শুভাশিষ মুখোপাধ্যায় ও রুক্মিণী মৈত্র পেয়েছেন বিশেষ চলচ্চিত্র সম্মান। তাদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    অনুষ্ঠানে মমতা বলেন, ‘আমরা এই রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর ২০১১ সালে চালু হয় এই সম্মান প্রদান অনুষ্ঠান। আমি যত দিন থাকব, তত দিন চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদান রাখার জন্য এ সম্মান প্রদান অনুষ্ঠান চলবে।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়ে যা বললেন শ্রীলেখা

    পশ্চিমবঙ্গে সিনেমা জগতের এক পরিচিত মুখ শ্রীলেখা মিত্র। বরাবরই ভীষণ স্পষ্টবক্তা বলা যায় তাকে। নিজের ভাবনা চিন্তা নিয়ে কখন লুকোচুরি করতে পছন্দ করেন না এই অভিনেত্রী। 

    সম্প্রতি দ্বিতীয় বিয়ের প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হয় শ্রীলেকাকে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, তিনি আর বিয়ে করতে চান না। 

    অভিনেত্রীর কথায়, ‘না, আমি দ্বিতীয় বিয়ে করার কথা ভাবছি না। এখনো দূর পর্যন্ত এমন কাউকে দেখতে পাইনি যাকে দেখে মনে হতে পারে হ্যাঁ, এই তো সে যার জন্য অপেক্ষা করছি। নিজে নিজে বস হয়ে যাওয়ার পর আর এসব ভালো লাগে না।’

    অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘টিভি রিমোট নিয়ে কাড়াকাড়ি,পাশে শুয়ে কেউ নাক ডাকছে এটা এখন আর সহ্য করতে পারব না। আমি কুকুরদের নিয়ে ভালো আছি। ওদের সঙ্গে শুয়ে থাকি রাজার মতো। পাশে আরেকজনকে নিয়ে শুতে পারব না।’

    শ্রীলেখা জানালেন প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হলেও এখনো সাবেক শ্বশুরবাড়িতে যাতায়াত আছে তার। তাদের সঙ্গে এখনো সুসম্পর্ক বজায় রেখেছেন। 

    তার কথায়, ‘আমরা অনেকটা এগিয়ে গিয়েছি। গত ১০ বছর আমরা আমাদের মতো করে নিজেদের আবিষ্কার করেছি। হয়তো ওটুকুই ছিল আমাদের জন্য বরাদ্দ। একে অন্যকে সম্মান দিয়ে ভালোভাবে সিভিল জীবনযাপন করছি, মেয়ে বড় হচ্ছে এটাই তো যথেষ্ট।’

    তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার

    বিনোদন ডেস্ক

  • শ্রীলেখার তোপের মুখে ঋতুপর্ণা

    টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। টালিকুইন খ্যাত এই নায়িকার বর্তমান সময় খুব ভালো যাচ্ছে না। সম্প্রতি রেশন দুর্নীতির মামলায় জড়িয়েছে তার নাম। এই মামলায় ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) জেরার মুখে পড়েছেন ঋতুপর্ণা। গত জুন মাসে সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দপ্তরে যান তিনি। পাঁচ ঘণ্টা ধরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। 

    তবে এ ঘটনায় নিজের জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করলেও ৭০ লাখ রুপি ফেরত দিতে চেয়েছেন অভিনেত্রী। ইডির বরাত দিয়ে এ খবর প্রকাশ করেছে ভারতীয় একাধিক গণমাধ্যম।

    বিষয়টি নিয়ে যখন আলোচনা তুঙ্গে তখন ঋতুপর্ণাকে নিয়ে ক্ষোভ ঝাড়লেন শ্রীলেখা। ঋতুপর্ণার একটি ভিডিও নিজের ফেসবুকে পোস্ট করে অভিনেত্রী লিখেছেন, চুরি না করলে টাকা ফেরত দিতে চাচ্ছেন কেন? ৭০ লাখ টাকা তো মুখের কথা না। সাধারণ মানুষের থেকে চুরি করা টাকা। কেউ নিজের আয় করা টাকা এমনি এমনি দেবে না।

    এ ভিডিওতে হাত নেড়ে কথা বলতে দেখা যায় ঋতুপর্ণাকে। বিষয়টি উল্লেখ করে শ্রীলেখা মিত্র লেখেন, ক্যামেরার সামনে হাত নেড়ে কি প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন? আপনি অস্কার পাচ্ছেন না, আপনাকে চোর বলা হচ্ছে। লজ্জা করে না?   

    ঋতুপর্ণার বিষয়টি নিয়ে টলিউড ইন্ডাস্ট্রি নীরব থাকবে। এ তথ্য উল্লেখ করে শ্রীলেখা লেখেন, তারপরেও মিডিয়া এনাদের নাম্বার ওয়ান শিরোপা দিবে? আমার ইউটিউব ভিডিও নিয়ে মিডিয়ার এক অংশ এবং ইন্ডাস্ট্রি এনাদের হয়ে কথা বলবেন। এখন দুর্নীতির কোনো সীমা নেই। ছি! ধিক্কার জানাই। খেয়াল করে দেখবেন, আমার এই পোস্ট নিয়ে ইন্ডাস্ট্রির লোকজন নির্বাক থাকবে।’

    জেরার পর ঋতুপর্ণা জানান, রেশন দুর্নীতির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। তবে তার কাছে যে-সব নথি চাওয়া হয়েছিল, সেগুলো তদন্তকারীদের হাতে তুলে দিয়েছেন তিনি। এরপরই নাকি ৭০ লাখ রুপি ফেরত দিতে চেয়ে ইডি বরাবর আবেদন করেছেন ঋতুপর্ণা। তবে এ বিষয়ে গণমাধ্যমে সরাসরি কিছু বলেননি ঋতুপর্ণা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হানিমুনে কোথায় গেলেন কাঞ্চন-শ্রীময়ী

    বিয়ের পাঁচ মাসের মাথায় হানিমুনে গেলেন অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক ও অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ।বিয়ের পর থেকেই লোকসভা নির্বাচন নিয়ে কাঞ্চন ব্যস্ত থাকায় হানিমুনে যাওয়া হয়নি এ দম্পতির। এ নিয়ে বিস্তর অভিযোগ ছিল অভিনেত্রী স্ত্রী শ্রীময়ীর। শেষঅবধি সোমবার সকালেই শ্রীময়ী সামাজিকমাধ্যমে পোস্ট করে জানিয়েছিলেন— বহুল প্রতীক্ষিত হানিমুনে যাচ্ছেন তারা। বিমানবন্দর থেকে ছবি শেয়ার করেন এ তারকা দম্পতি। হানিমুনে কোথায় যাচ্ছেন, তা নিয়ে আলোচনা ছিল শুরু থেকেই। সে কথাও জানালেন শ্রীময়ী। 

    আনন্দবাজার অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিয়ের পাঁচ মাসের মাথায় হানিমুনে গেলেন অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক ও অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ। বিয়ের পর থেকেই লোকসভা নির্বাচন নিয়ে কাঞ্চন ব্যস্ত থাকায় হানিমুনে যাওয়া হয়নি। এর আগে তিনি জানিয়েছিলেন হানিমুনে যাচ্ছেন না। এ নিয়ে বিস্তর অভিযোগ ছিল অভিনেত্রী শ্রীময়ীর। শেষঅবধি সোমবার সকালেই শ্রীময়ী সামাজিকমাধ্যমে পোস্ট করে জানালেন— বহুল প্রতীক্ষিত হানিমুনে যাচ্ছেন তারা। বিমানবন্দর থেকে ছবি শেয়ার করেন এ তারকা দম্পতি। 

    মালদ্বীপে হানিমুনে গিয়ে জলকেলিতে মগ্ন কাঞ্চন-শ্রীময়ী দম্পতি। কালো বিকিনিতে নীল জলে উষ্ণতা ছড়াচ্ছেন শ্রীময়ী। মালদ্বীপে গিয়ে কীভাবে একান্তে সময় কাটাচ্ছেন তারা, সেটাই ভিডিও দিয়ে জানালেন সামাজিকমাধ্যমে।

    মলদ্বীপে পা রেখেই সামাজিকমাধ্যমে ভিডিও ছেড়েছিলেন শ্রীময়ী চট্টরাজ। তার ভিডিওতে দেখা যায়, গোলাপের পাপড়ি বিছানো থেকে নীল জলরাশির ঝলক। সেই ঝলকের ভিডিও কাঞ্চন মল্লিক ও তার অভিনেত্রী স্ত্রীর হানিমুন নিয়ে আগ্রহ বাড়িয়ে দিয়েছে নেটিজেনদের। 

    সরাসরি জলের মধ্যে ভালোবাসার গতি প্রকাশ্যে আনলেন এ দম্পতি। দেখা গেল ঊর্ধাঙ্গ অনাবৃত দৃশ্য অভিনেতা কাঞ্চন স্ত্রীকে নিয়ে জলকেলিতে মগ্ন। কালো বিকিনিতে সমান উত্তাপ ছড়িয়েছেন শ্রীময়ীও।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জয়ার জন্মদিনে যা বললেন টালিউড পরিচালক অরিন্দম শীল

    আজ জয়া আহসানের জন্মদিন। ওপার বাংলার টালিউড পরিচালক অরিন্দম শীল জয়ার জন্মদিন উপলক্ষ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখলেন অনেক অজানা কথাই। জানালেন টালিউডে প্রথম সুযোগ থেকে অভিনেত্রী হিসাবে নতুন উচ্চতা স্পর্শ  আর বন্ধুত্বের সমীকরণে ফিরে দেখলেন পরিচালক।

    জয়া অভিনেত্রী হিসাবে অনেকটা পথ পেরিয়ে এলো। ভেবেই আমার বেশ ভালো লাগছে। অনেকেই জানেন— টালিউডে জয়ার প্রথম ছবি ‘আবর্ত’ আমার পরিচালনায়। তাই আজ ওর জন্মদিন উপলক্ষ্যে লিখতে বসে অনেক পুরনো কথা মনে পড়ছে। পশ্চিমবঙ্গে অভিনেত্রী জয়া এখন দর্শকদের কাছে পরিচিত মুখ। কিন্তু আজকের এই লেখায় আমি ওকে কীভাবে খুঁজে পাই, সেটাই ভাবছি, তাই অজানা গল্প দিয়ে শুরু করা যাক।
    অরিন্দম শীল বলেন, আমি শুরু থেকেই তারকা না।

    চরিত্র বুঝে অভিনেতা-অভিনেত্রী নির্বাচন করার চেষ্টা করি। সেভাবেই ‘আবর্ত’ ছবিতে জয়াকে নির্বাচন করা হয়। আমি টালিউডে ‘চারু’ চরিত্রের জন্য অভিনেত্রীর খোঁজ করছি। অথচ চরিত্রটির জন্য একাকিত্ব, নিষ্পাপ ও শান্ত একটা মুখ কোথাও খুঁজে পাচ্ছি না। তখন বাংলাদেশের আমার কয়েকজন বন্ধু আমাকে জয়ার কথা বলেন। 

    সেটি ২০১০ সালের কথা। সেদিনের কথা খুব মনে পড়ে। আমার বাড়ির বারান্দায় দাঁড়িয়ে জয়াকে ফোন করি। তখন মোবাইলে আইএসডি খুব খরচসাপেক্ষ ছিল। জয়া আমাকে বলল— ‘দাদা আমি ঢাকা থেকে অনেক দূরে শুটিং করছি। আপনাকে আমার কাজের কিছু নমুনা পাঠাচ্ছি। আপনি দেখে নিন। তার পর আমরা কথা বলব।’

    এর পর বেশ কিছু দিন কেটে গেল। ততদিনে আমি বাংলাদেশে ওর অভিনীত কিছু নাটক দেখে ফেলি। ছবিতে ওকে নেওয়ার জন্য আমার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করি। সব হয়ে যাওয়ার পর ঢাকায় ওর সঙ্গে আমার প্রথম দেখা ও আলাপ। ঢাকারই এক প্রযোজক ও পরিচালকের অফিসে বসে জয়াকে ছবির গোটা চিত্রনাট্যটি পড়ে শুনিয়েছিলাম।

    সেই সময় জয়াকে ‘কাস্ট’ করার জন্য আমাকে অনেক সমালোচনা সহ্য করতে হয়েছিল। তখন ওটিটি ছিল না। কথায় কথায় দুই বাংলার শিল্পীরা একসঙ্গে কাজ করতেন না। সেখানে জয়া নতুন মুখ, কিন্তু আমি আমার ‘ইনস্টিংক্ট’ থেকে কিছু বিষয় বুঝে এগিয়েছিলাম। পরে ছবি মুক্তির পর আমার সিদ্ধান্ত যে সঠিক ছিল, তা প্রমাণিত হয়েছিল।

    আরও একটি ঘটনার কথা বলি— ‘ঈগলের চোখ’ ছবিতে অনির্বাণের সঙ্গে চুম্বনদৃশ্য। সেটি নিয়েও সোশ্যাল মিডিয়ায় কম সমালোচিত হয়। এ নিয়েও তর্ক-বিতর্ক হয়। আমি দেখতাম, জয়া সেসব পাত্তা দিত না।

    ‘আবর্ত’ ছবির শেষ দিনের শুটিং চলছে। লোকেশনের ফ্ল্যাটটি আমার বন্ধু হর্ষ নেওটিয়ার। লাঞ্চ ব্রেকের পর কাজ শুরু হবে। এমন সময় হঠাৎ আমার একজন সহকারী এসে বললেন, ‘দাদা, জলদি আসুন। জয়াদি খুব কান্নাকাটি করছেন!’ আমি ছুটে গিয়ে দেখলাম, জয়ার দু’চোখ বেয়ে জল পড়ছে। করুণ মুখে বলল— ‘দাদা, বাবা আর নেই।’

    আমি সঙ্গে সঙ্গে ওকে ঢাকা ফিরে যেতে বললাম, কিন্তু জয়া আমাকে যা বলেছিল, আজও আমার স্পষ্ট মনে আছে। ও বলেছিল— ‘দাদা, আজকে শুটিং শেষ করতে না পারলে তো অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে। আমি সিনটা করি।‘

    আমি ওর কথা শুনে অবাক! কী বলব— বুঝতে পারছিলাম না। কিছুক্ষণ চুপ থেকে আমি আবার ওকে ঢাকা ফিরে যেতে বলি এবং কাজ করতে নিষেধ করি। তৎক্ষণাৎ ওর ঢাকা ফেরার ব্যবস্থা করি। এই হচ্ছে জয়া আহসান।

    সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন
     

    বিনোদন ডেস্ক

  • টালিউড সিনেমায় তারিন

    টালিউডে পরিচালক হিসেবে প্রথম আত্মপ্রকাশ করেন ‘এটা আমাদের গল্প’ দিয়ে। অভিনেত্রী থেকে মানসি সিনহা হয়ে ওঠেন পরিচালক। মানসীর প্রথম সিনেমা দিয়েই টালিউডে পা রাখেন অভিনেত্রী তারিন জাহান। 

    rnrn

    শোবিজে প্রায় চার দশক ধরে বিচরণ অভিনেত্রী তারিন জাহানের। ছোট পর্দায় দাপটের সঙ্গে অভিনয় করলেও বড় পর্দা থেকে অনেকটা দূরেই ছিলেন তিনি। তবে সম্প্রতি সেই দূরত্ব ঘুচিয়ে সিনেমায় অভিনয় করছেন তারিন।

    rnrn

    তারিন জাহানের টালিউডে পরিচালক হিসেবে অভিষেক হয়েছে বহু আগেই। এবার কি তাহলে নায়িকা চরিত্রে? 

    rnrn

    ‘এটা আমাদের গল্প’ দিয়ে অভিনেত্রী থেকে মানসি সিনহা হয়ে ওঠেন পরিচালক তারিন। শোনা যাচ্ছে, মানসি সিনহার পরের ছবিতেও অভিনয় করতে চলেছেন তারিন। তবে চরিত্র নিয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি।

    rnrn

    গত বছর হৃদি হকের ‘১৯৭১: সেই সব দিন’ সিনেমায় দেখা গেছে তাকে। চলতি বছরের এপ্রিলে পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় তারিন অভিনীত প্রথম টালিউড সিনেমা ‘এটা আমাদের গল্প’।

    rnrn

    একই পরিচালকের ‘৫ নম্বর স্বপ্নময় লেন’ সিনেমায় অভিনয় করবেন তারিন। এতে আরও থাকবেন অপরাজিতা আঢ্য, খরাজ মুখোপাধ্যায়, অর্জুন চক্রবর্তী, অন্বেষা হাজরা প্রমুখ।

    rnrn

    এটা আমাদের গল্প সিনেমার ৫০ দিন পূর্তি উদ্যাপন করতে গতকাল কলকাতার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন তারিন। 

    rnrn

    যাওয়ার সময় তারিন বলেন, ইতিমধ্যে প্রেক্ষাগৃহে ৫০ দিন পূর্ণ করেছে এটা আমাদের গল্প। গল্পনির্ভর একটি সিনেমার এমন অর্জনে আমরা সবাই আনন্দিত। ভালো সিনেমা হলে দর্শক এখনো প্রেক্ষাগৃহে যায়, এটাই তার প্রমাণ। সে উপলক্ষেই কলকাতায় যাওয়া। 

    rnrn

    তারিন আরও জানালেন টালিউডের পাশাপাশি বাংলাদেশেও একাধিক সিনেমা নিয়ে কথাবার্তা হচ্ছে তার। তারিন বলেন, ‘বাংলাদেশের দুজন নির্মাতার সঙ্গে সিনেমা নিয়ে কথা চলছে। এখনো ফাইনাল কিছু হয়নি। চিত্রনাট্য পড়ছি। কলকাতা থেকে ফিরে এসে তাদের সঙ্গে আবার বসা হবে।’

    rnrn

    প্রথম সিনেমার মতো নিজের দ্বিতীয় সিনেমায়ও সম্পর্কের কথা বলবেন মানসী সিনহা। নির্মাতা জানান, এমন অনেক মানুষ আছে, পরিস্থিতির চাপে যারা একা থাকতে বাধ্য হন, তাদের নিয়েই এই সিনেমার গল্প। নামকরণ করা হয়েছে একটি বাড়ির ঠিকানা দিয়ে। সেই বাড়ির গল্প নিয়েই সিনেমা।

    rnrn

    এটা আমাদের গল্প সিনেমায় তারিন অভিনয় করেছেন বাঙালি এক হিন্দু পরিবারের মেয়ের চরিত্রে, যার বিয়ে হয় কলকাতার এক বনেদি পরিবারে। নতুন সিনেমায় তার চরিত্রটি কেমন জানতে চাইলে তারিন বলেন, ‘গল্পটি নিয়ে আলাপ হয়েছে। প্রথম সিনেমার মতো এবারও সম্পর্কের ভেতরের গল্পগুলো দেখা যাবে। তবে এখনো আমার চরিত্র নিয়ে বিস্তারিত আলাপ হয়নি। এ ছাড়া এখনো যেহেতু চুক্তিবদ্ধ হইনি, তাই ধারণা দিতে চাচ্ছি না। কলকাতায় গিয়ে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর জানাব।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাকিবের ফিটনেস নিয়ে যা বললেন কলকাতার নায়িকা 

    টালিউডে একের পর এক ছবিতে কাজ করছেন ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান। সম্প্রতি তার বিপরীতে ‘তুফান’ ছবিতে মিমি চক্রবর্তী কাজ করেছেন। বাংলাদেশের সিনেমা হলে এখন ঝড়ের গতিতে চলছে তুফান।  আবার ‘দরদ’ ছবিতে শাকিবের নায়িকা পায়েল সরকার। এ ছাড়া তারও আগে দুই বাংলা প্রযোজিত ‘প্রিয়তমা’ ছবিতে কিং খানের বিপরীতে নায়িকা ছিলেন ইধিকা পাল। সে ছবিতে কিং খান বাজিমাত করেন। 

    rnrn

    আনন্দবাজার সূত্রে জানা যায়, শাকিবের ফিটনেস নিয়ে উচ্ছ্বসিত কলকাতার নায়িকা পায়েল সরকার। তার মতে শাকিব আগের থেকে আরও রোগা হয়ে গেছেন, তাতে আরও ঝকঝকে দেখতে লাগছে তাকে।’ শাকিব কি আরও বেশি টালিউড নায়িকাদের সঙ্গে অভিনয় করছেন?এমন প্রশ্নে সঙ্গে সঙ্গে পায়েলের স্বতঃস্ফূর্ত জবাব— ‘শাকিবের মধ্যে নায়কোচিত সব গুণ আছে। দুই বাংলা মিলিয়ে এখন শাকিব প্রচুর কাজ করছে। সে ক্ষেত্রে শাকিব এপার বাংলায় বেশি কাজ করলে আখেরে লাভ টালিউডেরই।’

    rnrn

    পায়েল অবশ্য শাকিবের সঙ্গে এর আগেও কাজ করেছেন। ২০১৮ সালে তিনি, শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় আর শাকিব মিলে ‘ভাইজান এলো রে’ ছবিতে অভিনয় করেছিলেন। অনন্য মামুন পরিচালিত ‘দরদ’ ছবিটি পুরোপুরি বাণিজ্যিক ঘরানার হলেও ভিন্ন স্বাদের। পরিচালক এ ছবির প্রযোজকও। সহ-প্রযোজনায় টালিউডের এসকে মুভিজ়। সদ্য মুক্তি পেয়েছে ছবির ঝলক। দেখা যাচ্ছে নায়ক মানসিক বিকারগ্রস্ত খুনি। পায়েল উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক।

    rnrn

    এই প্রথম পুলিশের ভূমিকায় অভিনয় করলেন পায়েল সরকার? আনন্দবাজারের এক সাক্ষাৎকারে এমন প্রশ্নে পায়েল সরকার বলেন, ‘বরাবর এই পদটিকে শ্রদ্ধা করি। কতবার কত জায়গায় যেতে যেতে দেখেছি রোদ-ঝড়বৃষ্টি মাথায় করে প্রশাসনিক মহল আমাদের নিরাপত্তার খাতিরে পথে নামে। এবার আমি তাদেরই ভূমিকায় দরদে অবতীর্ণ হয়েছি। অনেক দিন ধরেই আমার ইচ্ছ ছিল মহিলা পুলিশের ভূমিকায় অভিনয় করার।’ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘আমার ভুল হয়েছে’

    ‘আমার ভুল হয়েছে’-রেস্তোরাঁ মালিককে মারধরের পর অকপটে ক্ষমা চাইলেন টালিউড অভিনেতা সোহম চক্রবর্তী। শুক্রবার রাতে কলকাতার নিউ টাউনের এক রেস্তোরাঁয় শুটিং করতে গিয়েছিলেন এই অভিনেতা। সেখানে রেস্তোরাঁ মালিকের সঙ্গে বচসার পর তার গায়ে হাত তোলেন সোহম।

    rnrn

    সে ঘটনার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন রেস্তোরাঁর মালিক। যাতে সোহমকে  মারমুখী আচরণ করতে দেখা যায়। তবে শনিবার দুপুরে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে আত্মপক্ষ সমর্থন করে সোহম বলেন, ‘আগে আমার ও আমার প্রযোজনা সংস্থার কর্মীদের ওপর আক্রমণ করা হয়েছিল। অকথ্য গালিগালাজ করা হয়, সেই সময়ে মাথা ঠিক রাখতে পারিনি।’

    rnrn

    ভিডিওতে শুধু তাকে মারমুখী হতে দেখা গেলেও সোহমে ঘটনার সূত্রপাত সেখানে নয়। এর প্রায় আধা ঘণ্টা থেকে ৪৫ মিনিট আগে রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বাদানুবাদ শুরু হয় তার এবং তার শুটিং দলের। সোহম জানান, অনুমতি নিয়েই শুটিং করতে গিয়েছিলেন তারা। এমনকি ১০ হাজার রুপিও দেওয়া হয়েছিল রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষকে।

    rnrn

    সোহমের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের অভিযোগ, রেস্তোরাঁর মালিক নাকি শুটিংয়ের কিছু মুহূর্ত কাউকে ভিডিও করে পাঠাচ্ছিলেন। এছাড়া সোহমের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের কর্মী এবং তার দেহরক্ষীর উপরও হামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের।

    rnrn

    জানা যায়, ওই রাতেই থানায় অভিযোগ করতে চেয়েছিলেন দায়ের করতে চেয়েছিলেন সোহম। কিন্তু পুলিশ ঘটনা খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়ায় আর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি।

    rnrn

    তবে চড় মারার বিষয়টি নিয়ে এখন অনুতপ্ত সোহম, ‘মানুষ হিসেবে আত্মসম্মানে আঘাত লেগেছিল। তাই ঘটনাটা ঘটে গিয়েছে। এখন অনুশোচনা হচ্ছে।’ সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঋতুপর্ণার বিরুদ্ধে কলকাতায় দুর্নীতির অভিযোগ!

    দুর্নীতির অভিযোগে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) নিজস্ব দপ্তরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজিরা দিতে বলা হয়েছে কলকাতার প্রখ্যাত অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে। তার বিরুদ্ধে রেশন দুর্নীতির অভিযোগ এনেছে ইডি। সেই মামলায় তাকে হাজিরা দিতে হবে। একই মামলায় ইডির হাতে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, বনগাঁ পুরসভার সাবেক চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্য, রেশন ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমানসহ মমতা ব্যানার্জির তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন নেতা ও তাদের ঘনিষ্ঠরা গ্রেপ্তার হয়েছেন।

    rnrn

    তবে এ রেশন দুর্নীতি মামলার সঙ্গে ঋতুপর্ণা কীভাবে যুক্ত, সেটা জানায়নি ভারতীয় গণমাধ্যম। বলা হয়েছে তাকে ৫ জুন হাজিরা দিতে হবে। নির্দিষ্ট তারিখে ইডি অফিসে এ অভিনেত্রী হাজিরা দেবেন কিনা, তাও স্পষ্ট নয়। কারণ এ মুহূর্তে তিনি ‘অযোগ্য’ সিনেমার মুক্তি নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। এদিকে এখনো অভিযোগ নিয়ে খোলেননি মুখ ঋতু।

    rnrn

    অবশ্য তার জন্য ইডি অফিসে হাজির দেওয়া এটাই প্রথম নয়। এর আগেও ২০১৯ সালে অর্থলগ্নি সংস্থা রোজভ্যালির আর্থিক অসংগতির মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইডিতে যেতে হয়েছিল তাকে। তিনি একাই নন, ওই সময় ডাক পড়েছিল প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়েরও। বর্তমানে এ দুই ভারতীয় অভিনয়শিল্পী জুটি বেঁধে ‘অযোগ্য’ সিনেমায় অভিনয় করছেন।

    আনন্দনগর ডেস্ক

  • আবারও টালিউডে বাঁধন

    সবকিছু পরিকল্পনামাফিক চললে আবারও টালিউডে কাজ করতে দেখা যাবে অভিনেত্রী আজমেরি হক বাঁধনকে। প্রসেনজিৎ বিশ্বাসের অ্যান্থোলজি ফিল্ম ‘ফেয়ার অ্যান্ড আগলি’র একটি গল্পে অভিনয়ের জন্য বাঁধনের কাছে প্রস্তাব এসেছে।

    rnrn

    এমনই খবর জানিয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিন।  

    rnrn

    সূত্রের বরাদে তারা জানায়, বাঁধন কাজটি করতে ইচ্ছুক। ইতোমধ্যে সেখানে যাওয়ার প্রস্তুতিও নিচ্ছেন তিনি। এই গল্পে বাঁধন ছাড়াও থাকছেন ‘ফারজি’, ‘ব্রহ্মাস্ত্র’খ্যাত শাকিব আইয়ুব ও দেবপ্রসাদ হালদার।

    rnrn

    মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে বাঁধনের শুটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। পরিচালক প্রসেনজিতের অ্যান্থোলজিতে মোট ৫টি গল্প। কয়েকটির শুটিং ইতোমধ্যে হয়ে গেছে। বিভিন্ন গল্পে পার্নো, সম্রাট, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, কৌশিক সেন, মুমতাজ, সায়ন মুন্সিরা শুটিং করেছেন।

    rnrn

    এর আগে ২০১৮ সালে সৃজিত মুখার্জি পরিচালিত ‘হইচই’র সিরিজ ‘রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনো খেতে আসেননি’তে অভিনয় করেছিলেন বাঁধন। এরপর ২০২৩ সালে বিশাল ভরদ্বাজের ‘খুফিয়া’তে প্রথমবার বলিউডে কাজ করেন এই অভিনেত্রী। যেখানে তার অভিনয় নজর কাড়ে সবার।  

    বিনোদন ডেস্ক