Tag: জয়া

  • পুত্রবধূ সম্পর্কে একি বললেন জয়া

    বলিউড অভিনেত্রী ও সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে কখনো নিজের মেয়ে হিসেবে মেনে নিতে পারেননি বলে জানিয়েছেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী জয়া বচ্চন। সংসারে বনিবনা না হওয়াতেই নাকি তাদের দূরত্ব। সম্প্রতি সামাজিকমাধ্যমে জয়া বচ্চনের একটি ভিডিও পোস্ট যেন সে কথাই বলে।

    বলিউড অভিনেতা অভিষেক বচ্চন ও অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন দম্পতির বিচ্ছেদের গুঞ্জন যেন ক্রমশ বাড়ছেই। বেশ কিছু দিন ধরেই চলছে তাদের দাম্পত্যে টানাপোড়েন। তৈরি হয়েছে দূরত্ব। যদিও এ বিষয়ে এখনো মুখ খোলেননি তারা কেউ-ই। 

    বলিউডের অন্যতম প্রিয় জুটি তারা। অথচ তাদের সম্পর্কের পরিণতি কী হতে চলেছে, তা নিয়ে জল্পনার অন্ত নেই। বলিপাড়ায় কান পাতলেই এখন বচ্চন সংসারের অশান্তি নিয়ে আলোচনা হয়। গত বছরের শেষ থেকেই বচ্চনদের অন্দরমহল নিয়ে মুখর ছিল সামাজিকমাধ্যম। নতুন বছরের শুরুতেই বিরাট চমক দিয়েছিলেন বচ্চন দম্পতি। সপরিবার দোল উদ্যাপন করেছিলেন তারা। এ ছাড়া মেয়ে আরাধ্যা বচ্চনের স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠানে স্বামী ও শ্বশুরের সঙ্গে দেখা গেছে সাবেক বিশ্বসুন্দরীকে। তার পর মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে দুবাই ভ্রমণে গিয়েছিলেন জুনিয়র বচ্চন। ফিরে এসেই বাবা-মায়ের বাড়ির কাছে একটি ফ্ল্যাট কেনেন অভিনেতা। 

    অথচ একে অন্যের থেকে এবার বিচ্ছেদই নাকি চাইছেন তারা। আর সেই খবরের জেরে তোলপাড় সিনেপাড়া। যদিও তারা এ প্রসঙ্গে কিছুই বলেননি। কখনই কাউকে জানতে দেননি ঠিক সমস্যা কোথায়। বা আদপে তারা এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন কিনা। 

    আম্বানিদের বিয়ের আসরে গোটা পরিবার নিয়ে প্রবেশ করতে দেখা গিয়েছিল অভিষেককে। কিন্তু সেখানে ছিলেন না সাবেক বিশ্বসুন্দরী ও তাদের মেয়ে আরাধ্যা। বেশ কিছুক্ষণ পর মেয়েকে নিয়ে আলাদাভাবে প্রবেশ করেন। সেখানেই ঘনীভূত হয় বিচ্ছেদের জল্পনা। এর মধ্যেই সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে জয়া বচ্চনের একটি ভিডিও। পুত্রবধূ ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে তার সম্পর্কের সমীকরণ কেমন, তা নিয়ে এই ভিডিওতে কথা বলেছিলেন তিনি।

    জয়া বচ্চনের সেই ভিডিও পোস্ট যেন সে কথাই প্রমাণ করে— অভিষেক-ঐশ্বরিয়ার সংসার ভাঙনের সুর বাজছে। পুরোনো ওই ভিডিওতে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী তথা রাজনীতিবিদ স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি ঐশ্বরিয়াকে নিজের মেয়ে হিসেবে দেখেন না। পুত্রবধূ হিসেবেই তাকে গ্রহণ করেছেন।

    এদিকে ফটোসাংবাদিকদের সঙ্গেও প্রায়ই কড়া আচরণ করতে দেখা যায় অভিনেত্রী জয়া বচ্চনকে। তারা ক্যামেরা তাক করলেই তিনি চটে যান। পরিবারের ছোটদের সঙ্গেও কি তিনি এমন কড়া আচরণ করে থাকেন? পুত্রবধূ ঐশ্বরিয়ার সঙ্গেও কি তিনি একই ব্যবহার করেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে এ রাজনীতিবিদ সাফ জবাব দেন— আমি ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে কেন কড়া আচরণ করব। ও তো আমার মেয়ে নয়, ও আমার পুত্রবধূ।

    জানা গেছে, নিজের ছেলেমেয়ে অর্থাৎ অভিষেক ও শ্বেতা বচ্চনকেও কড়া শাসনে বড় করেছেন জয়া। বড়দের সঙ্গে কীভাবে কথা বলা উচিত, তা নিয়ে নাকি বিশেষভাবে নিজের সন্তানদের শিক্ষা দিয়েছিলেন অমিতাভ-পত্নী। আর তাই জয়া সেই ভিডিওতে জানিয়েছিলেন, ঐশ্বরিয়াকে আলাদা করে কড়া শাসন করা তার কোনো প্রয়োজন নেই। সাবেক বিশ্বসুন্দরীকে তার বাবা-মা সব কিছু শিখিয়ে-পড়িয়েই মানুষ করেছেন বলে তার বিশ্বাস।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অমিতাভের সঙ্গে রেখাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন জয়া

    বলিউডের অন্দরমহলে অন্যতম চর্চিত জুটি রেখা ও অমিতাভ বচ্চন। তাদের এই জুটি পর্দায় একের পর এক হিট ছবি উপহার দিয়ে হিট জুটির তকমা ছিনিয়ে নিয়েছে। তবে এই জুটি কি বাস্তবেও প্রেম করছেন? সবকিছু ওপেন সিক্রেট থাকলেও অমিতাভ বচ্চন কোথাও এই বিষয় নিয়ে কখনও মুখ খোলেননি। যে কারণে দু’জনকে নিয়ে চর্চাও কম নেই।

    rnrn

    অমিতাভ বচ্চন ও রেখা একসঙ্গে বলা মানেই যেন উপচে পড়া প্রেম। তাদের সম্পর্কের কথা, প্রেমের কথা গোটা ভারত জানে। 

    rnrn

    অথচ, তারা কেউ কারও জীবনসঙ্গী নন। অমিতাভ রেখার প্রেম অমিতাভের স্ত্রী জয়া ভাদুড়িরও অজানা ছিল না। যদিও কখনই প্রকাশ্যে এ নিয়ে কথা বলেননি জয়া। তবে এই সম্পর্কে তার মনে আঘাত এনে দিত, তা বেশ স্পষ্ট ছিল। এমনকি রেখার সঙ্গে নাকি অমিতাভকে হাতেনাতেও ধরে ফেলেন তিনি। 

    rnrn

    শোনা যায়, সিনেমার শুটিং চলাকালীন একদিন জয়া আসেন অমিতাভের সঙ্গে দেখা করতে। তখনই অন্তরঙ্গ মুহূর্তে রেখার সঙ্গে স্বামীকে দেখে ফেলেন জয়া। তারপর নিজেকে আর সামলাতে পারেননি অমিতাভপত্নী। কষিয়ে এক থাপ্পড় মেরে দেন রেখাকে।

    rnrn

    অমিতাভের প্রতি তার ভালবাসার কথা কখনও লুকিয়ে রাখেননি রেখা। বরং বারবার বলেছেন, তিনি ভালবেসেছেন কোনও স্বার্থ ছাড়া, কোনও কিছু পাওয়ার আশা ছাড়াই।  বিয়ে বা কোনও কিছুর পাওয়ার আশায় এই সম্পর্কে জড়াননি।

    rnrn

    একাধিকবার সিঁথিতে সিঁদুর পরতে দেখা গেছে রেখাকে৷ স্বামী নেই, তবুও কেনও সিঁদুর পরেন? এই প্রশ্নও বহুবার উঠেছে৷ অভিনেত্রীও সাক্ষাৎকারে বলেছেন, কাউকে একবার ভালবাসলে, তা সহজে মিলিয়ে যায় না৷ এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে নারাজ তিনি৷

    rnrn

    তাদের প্রেমের গল্প দো আনজানে সিনেমার সেটে শুরু হয়েছিল, যখন অমিতাভ একজন বিবাহিত পুরুষ ছিলেন। তাদের গোপন সম্পর্কের প্রথম দিনগুলোতে, দুজন রেখার বন্ধুর একটি বাংলোতে দেখা করতেন।

    rnrn

    জয়া বচ্চন রেখাকে বাড়িতে ডিনারের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন এবং তাকে সরাসরি জানিয়ে দেন- যাই ঘটুক না কেন তিনি তার স্বামীকে কখনই ছেড়ে যাবেন না।একইভাবে জয়া তার প্রতিশ্রুতি রেখেছিলেন শেষ অবধি। রেখা অবশেষে বুঝতে পেরেছিলেন, তিনি হয় মিসেস বচ্চন হতে চান নয়তো অবিবাহিত থাকতে চান!

    rnrn

    অমিতাভ প্রাচীন পন্থী, এমনই জানান তার সহকর্মীরা। পরিবারের ঐতিহ্য এবং ভাবমূর্তি রক্ষার দায় ছিল। যে কারণে পরিবার, সন্তানদের রক্ষা করার জন্য কোনও দিন প্রকাশ্যে রেখার সঙ্গে সম্পর্কের কথা স্বীকার করেননি তিনি। বিয়ের কথাও ভাবেননি ।

    rnrn

    অন্যদিকে, রেখা সাহসের সঙ্গে তার প্রতি ভালোবাসার কথা স্বীকার করেছেন। সিলসিলা ছিল এই রহস্যময় জুটির একসঙ্গে শেষ ছবি। এরপর আর একত্রে দেখা যায়নি বলিউডের চর্চিত এই যুগলকে। 

    rnrn

    ১৯৮০ সালের দিকে রেখা-অমিতাভ জুটি মানেই একপ্রকার ছবি হিট। একটি ছবিতে অভিনয় করছিলেন ধর্মেন্দ্র, অমিতাভ বচ্চন, জিনাত আমান ও রেখা। ছবির নাম রাম বলরাম। এই ছবিতে অভিনয়ের জন্য বড় চাল চেলেছিলেন রেখা। তিনি তার চরিত্রের জন্য একটি টাকাও পারিশ্রমিক নেননি। যাতে তাকে কেউ তাকে সরিয়ে না দিতে পারে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘যখন রক্তের বন্যা বইছিল তখন আপনার মানবতা কোথায় ছিল’ জয়াকে ভক্তের প্রশ্ন

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে গণহত্যার সময় চুপ ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। সরকার পতনের ১৭ দিন পর দেশের চলমান বন্যা ইস্যুতে কথা বলেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বন্যার্তদের সাহায্যে পোস্ট দিতেই তোপের মুখে পড়েন এই অভিনেত্রী।

    rnrn

    জয়ার উদ্দেশে চৌধুরী ইয়াসিন আরাফাত নামে এক ভক্ত লেখেন, রক্তের বন্যা যখন বইছিল তখন আপনার মানবতা কোথায় ছিল?

    rnrn

    জাকারিয়া মাসুদ মুন্না নামে একজন লেখেন, ‘একজন ভারতীয় এজেন্ট যিনি সর্বদা বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের চেয়ে ভারতীয় রাস্তার কুকুর নিয়ে বেশি চিন্তিত। এখন বন্যা দুর্গতদের মানবতা দেখানোর চেষ্টা করছেন। এটা কতটা হাস্যকর’।

    rnrn

    হাবিব রহমান লিখেছেন, আপনি তো নিজেই ভারতীয় দালাল! তাই এসব নাটক বন্ধ করেন। 

    rnrn

    প্রিন্স তুহিন লিখেছেন, ‘আপা আপনি ভারতে গিয়ে আরও ছবি করেন, গান করেন, নাচ করেন। দেশ নিয়ে না ভাবলেও চলবে। আপনারা এ দেশে জন্ম নিয়ে সারাজীবন এ দেশের বিরুদ্ধে গেছেন, রাজনৈতিক এবং সামাজিকভাবে এ দেশের মানুষের বিরুদ্ধে গেছেন। তাই আপনাকে এ সময়ে প্রয়োজন নেই’।

    rnrn

    রাকিব হাসান লিখেছেন, ‘আপনি না বললেও এ দেশর মানুষ এ দেশের মানুষের পাশে দাঁড়াবে। আপনি গর্তে ছিলেন, গর্তেই থাকেন’।

    rnrn

    কেএইচ রাতুল লিখেছেন, ‘আপনার মতো নারী দেশকে নিয়ে চিন্তা না করলেও হবে, আমার সোনার বাংলা ঠিকই ঘুরে দাঁড়াবে। আপনারা যে ভারতের দালাল, এটা বাংলার মানুষ ভালো করে জানে। নাটক কম করো প্রিয়।’

    rnrn

    জাবিন তাসনিম খান লিখেছেন, এখন বিজ্ঞাপন দিতে আসছে, এখানেও টাকা কামানোর ধান্ধা।

    rnrn

    তারেক মাহমুদ লিখেছেন, ‘আপনার প্রিয় ভারতের কারণে এ বিপর্যয়। এটা বলার সাহস নেই অথচ দরদ কুড়ানো মার্কা পোস্ট দিচ্ছেন’।

    rnrn

    নজরুল ইসলাম বাবু লিখেছেন, ‘তারপরও তো ভারত গিয়েই নিজেকে বিলিয়ে দেন’।

    rnrn

    শাকিল আলম অরন্য বলেন, ‘তারপরও ভারতের দালালি করো তোমরা’।

    rnrn

    আকিব ইফরান বলেন, ‘বন্যাকে ঢাল বানিয়ে দীর্ঘদিন গর্তে থাকা অমানুষেরা বের হচ্ছে, কুমিরের কান্না শুরু’!

    rnrn

    ইথার নামে একজন লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ এবং ছাত্রদের কাছে আগে ক্ষমা চেয়ে নেন, পরে এগুলো করতে আইসেন প্লিজ। আপনার শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবেই পরামর্শটা দিলাম, ক্ষমা চান করজোড়ে।’

    rnrn

    হাসান মাহমুদ লিখেছেন, ‘কত টাকা খাইছেন এসব ফাউন্ডেশন বিজনেসকে প্রমোট করতে? আপনারা টাকা ছাড়া কিছু করেন এখন আর বিশ্বাস হয় না। আমার দুই চাচা এইখানকার দুই কোম্পানিতে আছে, খোঁজ নিতে বেশি টাইম লাগবে না’।

    rnrn

    প্রিয়া সেন বলেছেন, ‘এতদিন আইডি ডি-অ্যাক্টিভ রেখে সময় ও সুযোগ বুঝে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হয়ে গেছেন কতিপয় কোম্পানির! সুযোগের সদ্ব্যবহার! সেই তো আবার আমাদের কলকাতায় এসে পড়ে থাকবেন। দেখলেন হাসিনার দালালি করে লাভ হলো না। শেষ স্ট্যাটাস ডিলিট করলেন কেন? মানুষের গালি শুনে? এ আন্দোলনে আপনার ভূমিকা কী? কোনো স্ট্যাটাস প্রসব করেননি বা উপস্থিত হননি। এখন বন্যার্ত যারা আছেন তাদের আপনি না বললেও সবাই স্বতঃস্ফূর্ত সাহায্য করছেন। সুবিধাবাদী অভিনেত্রী কুমিরের ক্রন্দন করতে এসেছেন’।

    rnrn

    কাইফ হাসান লিখেছেন, ‘আপনার বিবেক জাগ্রত হয়েছে তাতেই আমরা খুশি। এতগুলো প্রাণ ঝরে গেল, তখন আপনাদের বিবেক মৃত ছিল সেটাই আমাদের দুঃখের জায়গা। আপনারা ছিলেন অবৈধ খুনি হাসিনার ভোট চুরির ব্র্যান্ড প্রমোটার। আপনাদের আমরা ভালোবেসে প্রতারিত হয়েছি। আপনাদের কাছে কুকুরের জীবনের মূল্য যতটা, মানুষের মূল্য ঠিক ততটাই নগন্য। আপনাদের এ দেশের মানুষ ভালোবাসে আর আপনারা একটা দলের হয়ে ব্র্যান্ড প্রমোটিং করেন। অথচ আপনাদের হওয়ার কথা ছিল প্রতিটা মানুষের ভালোবাসার পাত্রী। হয় তো জনগণ আপনাদের এই ধোঁকা ধরতে পেরেছে। তাই আপনাদের এত সহজে ক্ষমা করবে না। লিখেছেন সবকিছুই ঠিক আছে কিন্তু ভারত এ পানিটা দেশে ছেড়ে মানুষগুলোকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে সেই কথাটা বলেননি। আসলে আপনারা জন্মগতভাবেই বৈষম্য তৈরি করে রেখেছেন। সত্যিই আপনাকে ভালোবাসি কিন্তু আপনি জঘন্য কাজ জাতির সঙ্গে করেছেন এতে ভালোবাসাটা ক্ষীণ হয়ে আসছে। আশা করি, কমেন্ট এবার ডিলিট করবেন না। জাতির জানা উচিত আপনারা কতটা আওয়ামী লীগ ছিলেন।

    rnrn

    এসএ আখতার লিখেছেন, প্রথমত আপনি এবং চঞ্চল চৌধুরী ভারতীয় দালাল গোলাম, বাংলাদেশের শত্রু, আপনি শেখ হাসিনার দালাল।

    rnrn

    শায়ের রহমান লিখেছেন, রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, জয়া এবং চঞ্চলকে ভারতে পাঠিয়ে দেওয়া হোক।

    যুগান্তর ডেস্ক

  • সিনেমাটি অবশ্যই দেখবেন, না হলে মিস করবেন: জয়া

    আজ ভারতে মুক্তি পেয়েছে অভিনন্দন বন্দ্যোপাধ্যায় পরিচালিত সিনেমা ‘মানিকবাবুর মেঘ’। এটি পরিচালক হিসাবে তার প্রথম সিনেমা। ছবিটি প্রযোজনা করেছেন বৌদ্ধায়ন মুখার্জি ও মোনালিসা মুখার্জি। এতে সংগীত পরিচালনায় আছেন শুভজিৎ মুখার্জি। আর অভিনয় করেছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান।

    rnrn

    চলতি বছর ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সিনেমাটি মুক্তি পায়। সেখানেই প্রথম সিনেমা দেখেছেন এ অভিনেত্রী। এর আগে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে এশিয়ার সেরা ছবি হিসেবে নেটপ্যাক অ্যাওয়ার্ড পেয়েছিল মানিকবাবুর মেঘ। রাশিয়ার প্যাসিফিক মেরিডিয়ান চলচ্চিত্র উৎসবে শ্রেষ্ঠ পুরুষ অভিনেতার পুরস্কার পান ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্রে থাকা অভিনেতা চন্দন সেন। 

    rnrn

    এ সিনেমার গল্পটি ছিল ঠিক এমন—ব্যস্ত কলকাতা শহরে বাবাকে নিয়ে মানিকবাবুর বসবাস। তার কাছে একটি অ্যালার্ম ঘড়ি ছাড়া আর কিছুই নেই। একদিন মানিকের বাবা মারা যায়। মানিককে ভাড়া বাড়ি খালি করার জন্য এক মাসের নোটিশ দেন বাড়িওয়ালা। এতেই তিনি দিশাহারা হয়ে পড়েন, তার চারপাশের জগৎ ভেঙে পড়তে শুরু করে। এমন সময়  একজনের দেখা পান মানিকবাবু, যে তার জীবনকে বদলে দিতে চান। এমন জীবন কাহিনি আর প্রেম নিয়ে সিনেমা মানিকবাবুর মেঘ।

    rnrn

    দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান এ সিনেমার নায়িকা। তিনি ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ছবিটি দেখেছেন। ‘মানিকবাবুর মেঘ’ সিনেমাটি দেখার পর তিনি খুবই উচ্ছ্বসিত। সিনেমাটি তার খুব ভালো লেগেছে। সেই আত্মবিশ্বাসের কারণেই এ অভিনেত্রী তার শুভাকাঙ্ক্ষীদের দেখার অনুরোধ করেছেন। সামাজিকমাধ্যমে সিনেমাটি নিয়ে তিনি একটি ভিডিওবার্তা দিয়ে বলেছেন— যারা অসাধারণ একটি সিনেম্যাটিক মুহূর্ত উপভোগ করতে চান, তাদের আমি বলব— সিনেমাটি অবশ্যই দেখবেন, না হলে মিস করবেন।

    rnrn

    তিনি আরও বলেন, ‘আমি সিনেমাটি দেখেছি। সেই জায়গা থেকে এতটা কনফিডেন্টলি বলতে পারছি— অসাধারণ অভূতপূর্ব একটি অভিজ্ঞতা হয়েছে সিনেমাটি দেখে। আপনাদের এটি ভালো লাগবেই। যারা ভালো কনটেন্ট দেখতে চান, তারা অবশ্যই এই সিনেমা দেখুন। অনুরোধ রইল হলে গিয়ে সবান্ধব ছবিটি দেখার।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জামাইষষ্ঠীতে শহর ছেড়ে কোথায় গেলেন জয়া-চন্দন

    জামাইষষ্ঠীর দিনে জয়া আহসান আর চন্দন রায় সান্যাল এখন সমুদ্রসৈকতে? এমন দিনে হঠাৎ এ দুই অভিনেতা-অভিনেত্রী সমুদ্রবিলাসে হাবুডুবু খাচ্ছেন। এমন ভাবনা ভাবতে বাধ্য করেছেন পরিচালক অনিরুদ্ধ রায়চৌধুরী। শহরের শুটিং শেষ করে এবার তিন দিনের আউটডোরে চলে গেলেন পরিচালক। অনিরুদ্ধের ‘ডিয়ার মা’ ছবির শুটিং এবার সমুদ্রসৈকতে। 

    পরিচালক দায়িত্ব নিয়ে বিশেষ দিনে দুই তারকা অভিনেতার জীবনটাই বদলে দিলেন। অনিরুদ্ধ তাদের নিয়ে পৌঁছে গেছেন সমুদ্রসৈকতে, তাজপুরে। ‘ডিয়ার মা’য়ের শুটিং বুধবার থেকে শুরু হয়েছে। দিন কয়েক তিনি টালিগঞ্জের স্টুডিওর টানা শুটিং শেষ করেছেন। এবার আউটডোর শুটিং নিয়ে ব্যস্ত।

    আনন্দবাজার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিচালক অনিরুদ্ধ রায়চৌধুরীর ‘ডিয়ার মা’ ছবির শুটিং দিন কয়েক টালিগঞ্জের স্টুডিওতে হয়েছে। এবার সমুদ্রসৈকতে নিয়ে গেলেন ছবির অভিনেতা-অভিনেত্রী জয়া আহসান আর চন্দন রায় সান্যালকে? সেখানেই তাদের জামাইষষ্ঠীর দিন কাটছে।

    শহরের কলাহল আর পিচঢালা গরম, সমুদ্রের ধারেও কি এমনই পরিস্থিতি? আনন্দবাজার প্রতিবেদকের এমন প্রশ্নের উত্তরে পরিচালক বলেন, ‘এখানে আবহাওয়া অনেক আরামদায়ক। ততটাও গরম নেই। সন্ধ্যার পর সমুদ্র থেকে একটা ঠাণ্ডা বাতাস উঠে আসে। সেই হাওয়া গায়ে মেখে আমরা শুটিংয়ে ব্যস্ত।’ সেই দৃশ্যের জন্য তাজপুরে উপস্থিত জয়া ও চন্দন। এই ছবির মুখ্য দুই অভিনেতা-অভিনেত্রী। 

    তাদের সঙ্গী হিসেবে পর্দার মেয়ে আছে। অবশ্য শিশু অভিনেতার নাম পরিচালক বলতে রাজি হননি। পর্দার মেয়ের নাম যেমন বলেননি, ঠিক কী ধরনের দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করছেন তিনি, সেটিও বলেননি। মা-বাবা আর মেয়ের সঙ্গে সমান্তরালভাবে অন্য সম্পর্কও জায়গা করে নেবে এ ছবিতে। আউটডোরে তিন চরিত্রের সম্পর্ককে ক্যামেরায় বন্দি করা হবে। 

    পরিচালকের দাবি, খুবই গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যগ্রহণ চলছে। তাজপুর ছাড়াও শুটিং চলবে মন্দারমণিতে। 

    অনিরুদ্ধ বলেন, শুক্রবার পর্যন্ত শুটিং করবেন তিনি।

    সম্প্রতি এই ছবির শুটিং দেখতে মুম্বাই থেকে কলকাতায় উড়ে আসেন অভিনেত্রী অহনা কুমরা। তাকেও কি অতিথি চরিত্রে দেখা যাবে? এমন প্রশ্নে ছিল পরিচালকের কাছে। কিন্তু তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন। কিন্তু এর আগে এ বিষয়ে একই কথা গণমাধ্যমে জানিয়েছিলেন অহনাও। 

    অভিনেত্রীর বলেছিলেন— অনিরুদ্ধ ও চন্দন তার খুব ভালো বন্ধু। তাদের সঙ্গে দেখা করতেই কলকাতায় এসেছেন তিনি। 

    উল্লেখ্য, ছবিতে জয়া, চন্দন ছাড়াও অভিনয় করেছেন শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, দক্ষিণী অভিনেত্রী পদ্মাপ্রিয়া জানকীরমণ প্রমুখ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শ্যামাকাব্য’র প্রশংসায় পঞ্চমুখ জয়া

    ঢাকা ও কলকাতা-দুই ইন্ডাস্ট্রিতেই জনপ্রিয় জয়া আহসান। বেশির ভাগ সময় থাকেন কলকাতায়। বর্তমানে অবস্থান করছেন ঢাকায়। 

    rnrn

    সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি সিনেমা দেখাও এ অভিনেত্রীর একটা নেশা। সুযোগ পেলেই দেখতে চলে যান অন্য সহকর্মীদের অভিনীত সিনেমা। 

    rnrn

    এবার নিজের মাকে সিনেমা দেখার সঙ্গী করে নিলেন, দেখলেন বদরুল আনাম সৌদ পরিচালিত সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘শ্যামাকাব্য’। এটি দেখে খুব উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন জয়। 

    rnrn

    গণমাধ্যমে জানিয়েছেন নিজের ভালো লাগার কথা। এ অভিনেত্রী বলেন, ‘দুর্দান্ত। খুব ভালো লেগেছে। খুবই সিনেমাটিক একটা জার্নি, প্রেক্ষাগৃহে বসে সিনেমা দেখার যে আনন্দ তার পুরোটাই পেয়েছি। খুবই ভালো ডিরেকশন, ভালো গল্প, অভিনেতা-অভিনেত্রীরা খুব ভালো করেছে। খুবই আনপ্রেডিকটেবল, সিনেমার পরতে পরতে বিস্ময় ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত আমি প্রেডিকট করতে পারিনি যে কী হবে শেষে। খুবই ক্ল্যাসিক অ্যাপ্রোচের একটা সিনেমা।’ 

    rnrn

    তিনি আরও বলেন, ‘ইটস এ কমপ্লিট প্রোডাকশন। আমার কাছে মনে হয় এটা ক্ল্যাসিক অ্যাপ্রোচের একটা সিনেমা, যারা ভালো কন্টেন্ট দেখতে ভালোবাসেন, ভালো গল্প খোঁজেন সেই গল্পটি পুরোপুরি এখানে রয়েছে।’ 

    rnrn

    এদিকে সম্প্রতি ‘তাঁতী’ শিরোনামের একটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন জয়া আহসান। গানটিতে প্রাধান্য পেয়েছে তাঁতের শাড়ির বিজয়গাথা। অভিনয়ের পাশাপাশি জয়া ভালো গান করেন, এ গানের মাধ্যমে সেটাও জানান দিলেন অভিনেত্রী। 

    rnrn

    এ প্রসঙ্গে জয়া আহসান বলেন, ‘আমি নিজে শাড়ি খুব ভালোবাসি, বাংলাদেশের জামদানি, মসলিনসহ সব দেশীয় শাড়ি আমার ব্যক্তিত্বের অংশ হয়ে গেছে অচিরেই। আমি বিশ্ব আঙিনায় বহুবার বাংলাদেশের জামদানি শাড়িকে পরিবেশনা করেছি। শাড়ির প্রতি সেই ভালোবাসা এবং অর্ণবের আন্তরিক অনুরোধ থেকেই এ গানের সঙ্গে আমার যুক্ত হওয়া।’

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • জয়া বচ্চনের জন্মদিনে খোলা চিঠি অমিতাভের, নীরব ঐশ্বরিয়া

    সত্তরের দশকের মিষ্টি বাঙালি মেয়ে থেকে বলিউডের বচ্চন পরিবারের দাপুটে অভিনেত্রী হয়ে ওঠা জয়া ৭৬-এ পা দিলেন। ১৯৭৩ সালের জুন মাসে সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন জয়া এবং অমিতাভ বচ্চন। 

    rnrn

    ‘শোলে’, ‘অভিমান’, ‘মিলি’, ‘চুপকে চুপকে’, ‘সিলসিলা’র মতো ছবিতে একসঙ্গে অভিনয় করেছেন তারা। শ্বেতা এবং অভিষেকের জন্মের পর থেকে কাজের পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছিলেন জয়া। তবে পরবর্তী সময়ে ‘কাল হো না হো’, ‘কাভি খুশি কাভি গাম’, ‘লাগা চুনরি মে দাগ’, ‘রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি’-র মতো ছবিতে দেখা গিয়েছে তাকে। জন্মদিনের সকালে মায়ের সাদাকালো ছবি পোস্ট করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ছেলে অভিষেক বচ্চন। তবে স্ত্রীর জন্মদিনে খোলা চিঠিতে জয়ার উদ্দেশে কী লিখলেন ‘শাহেনশাহ’?

    rnrn

    অমিতাভ জয়াকে শুভেচ্ছা জানিয়ে লেখেন, ‘এমন একটা জন্মদিন, যার কোনও উল্লেখ প্রয়োজন নেই। এটা পারিবারিক উদযাপন। অর্ধাঙ্গিনীর জন্মদিন। পারিবারের ভালবাসায় পরিপূর্ণ বিশেষ এই দিনটা।’

    rnrn

    বচ্চন পরিবারের কর্ত্রীর জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পরিবারের অন্য সদস্যরাও। তবে এই দিনেও নিশ্চুপ বৌমা ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। শাশুড়ির জন্মদিনে কোনো শুভেচ্ছাবার্তাই আসেনি অভিনেত্রীর তরফে। 

    rnrn

    গত বছর থেকেই বচ্চনদের পরিবারের অন্দরের কলহ নিয়ে সরগরম মায়ানগরী। এই নিয়ে অবশ্য নানা মুনির নানা মতও রয়েছে। তবে এই প্রসঙ্গে কখনোই কোনো মন্তব্য করেননি বচ্চনরা। 

    rnrn

    তবে চলতি বছর দোলে অবশ্যে গোটা পরিবার একজোট হয়ে হোলিকাদহন করেছিলেন। তাই বচ্চনদের অন্দরের সমীকরণ ঠিক কার সঙ্গে কেমন, তা বোঝা দায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ওটিটিতে জয়া ও মিমের সিনেমা

    কিছুদিন আগেই মুক্তি পেয়েছে জয়া আহসান অভিনীত সিনেমা ‘পেয়ারার সুবাস’। সিনেমাটির প্রিমিয়ারে যাওয়ার পথে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন এর অন্যতম অভিনেতা আহমেদ রুবেল। মুক্তির পর অবশ্য প্রেক্ষাগৃহে সুবিধা করতে পারেনি নুরুল আলম আতিক পরিচালিত এ সিনেমাটি। এবার এটি প্রকাশ হয়েছে ওটিটি প্ল্যাটফরে। গতকাল থেকে চরকিতে সিনেমাটি দেখা যাচ্ছে। সিনেমাটি উৎসর্গও করা হয়েছে আহমেদ রুবেলকে। এদিকে গতকাল থেকে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম টফিতে দেখা যাচ্ছে রায়হান রাফির স্বাধীনযুদ্ধভিত্তিক সিনেমা ‘দামাল’।

    rnrn

    ২০২২ সালে প্রেক্ষাগৃহে এটি মুক্তি পায়। এবার প্রকাশ হলো ওটটিটিতে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন দেশের স্বাধীনতার পক্ষে জনমত তৈরি করতে ও মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য তহবিল সংগ্রহের জন্য গঠিত হয়েছিল স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধভিত্তিক এ সিনেমায় কিংবদন্তি স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঐতিহাসিক কিছু ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। এতে অভিনয় করেছেন শরিফুল রাজ, বিদ্যা সিনহা মিম, সিয়াম আহমেদ ও ইন্তেখাব দিনার প্রমুখ।

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • ১৩ বছর পর স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে যা বললেন জয়া

    দুই বাংলার অন্যতম আলোচিত নায়িকা তিনি। ঢালিউড, টালিউডের গণ্ডি পেরিয়ে এখন তিনি পা দিয়েছেন বলিউডেও। ‘কড়ক সিং’-এ জয়ার অভিনয় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থেকেছে। 

    rnrn

    অনেকেই অবশ্য বলেন, জয়া আহসানের বয়স বাড়ে না। ইন্ডাস্ট্রিতে তিনি কাটিয়ে ফেলেছেন ২৭ বছর! নায়িকার আসল বয়স নিয়ে বিতর্ক থাকলেও বিয়ে আর ডিভোর্স নিয়ে কোনো কনফিউশন নেই। 

    rnrn

    বর্তমানে সিঙ্গেল জয়া ১৯৯৮ সালে অভিনেতা ফয়সাল আহসানকে বিয়ে করেছিলেন। তখন তিনি ছিলেন জয়া মাসুদ। ভালোবেসে ফয়সালকে বিয়ের পর নিজের নামের পাশে জুড়েছিলেন স্বামীর পদবি। একসঙ্গে বেশ কিছু নাটকে অভিনয়ও করেছেন জয়া-ফয়সাল। ২০১১ সালে দীর্ঘ ১৩ বছরের দাম্পত্যে ইতি টানেন দুজনে। বিচ্ছেদের আগুনে পুড়লেও প্রকাশ্যে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তেমন কথা বলেন না জয়া আহসান। 

    rnrn

    কেন ভেঙেছিল জয়া-ফয়সালের বিয়ে? সে কথা স্পষ্ট করে জানাননি দুজনেই। তবে সাবেক স্বামীর প্রতি শ্রদ্ধা আজও অটুট জয়ার মনে। তাই হয়তো নিজের নামের পাশ থেকে সাবেক পদবি আজও মুছে ফেলেননি জয়া। কিন্তু কেন ডিভোর্সের পথে হেঁটেছিলেন? 

    rnrn

    ফয়সালের সঙ্গে ভাঙা দাম্পত্য নিয়ে ফিল্মফেয়ার ম্যাগাজিনকে অভিনেত্রী বলেন, ‘উত্থান-পতন প্রত্যেক মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটা যুদ্ধের মতো। সেই সময়ে আমার মানসিক ধারণাটাই পরিবর্তন হয়ে গেল। আমি পুরোপুরিভাবে কাজের দিকে দৃষ্টি ঘোরাই। সাধারণত সেই সময়ে মেয়েরা অনেক কিছু থেকেই বিচ্যুত হয়ে পড়ে। এমনকি ফোকাস থেকেও সরে যায়।’

    rnrn

    জয়া আরও বলেন, ‘কিন্তু আমার কাজ আমাকে সান্ত্বনা দিয়েছে। যে কারণে আমি কাজকেই ভালোবেসেছি। আমি কখনই কাজ থেকে দূরে সরে থাকিনি। আমি আমার এই যাত্রাকে ভালোবাসি। এর মধ্য দিয়েই মানুষ আমার প্রশংসা করেন। আমি কাজকেই সম্মান করি।’

    rnrn

    বিচ্ছেদের পর অভিনয়ই জয়ার ধ্যানজ্ঞান। এর পাশাপাশি চারপেয়ে সন্তানদের নিয়েই সময় কাটে তার। সাবেক স্বামীর প্রতি কোনো তিক্ততা নেই জয়ার। তার সাবেকও কোনো দিন প্রকাশ্যে জয়াকে নিয়ে কোনো বিরূপ মন্তব্য করেননি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কলকাতার ছবিতে প্রেম একটু কম: জয়া

    বছরের শুরু থেকেই অনেকটা ব্যস্ত সময় পার করছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। সম্প্রতি তেহরান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে দেখানো হয় তার ছবি ‘ফেরেশতে’। সেখানে গিয়েছিলেন তিনি। 

    এদিকে চলতি সপ্তাহে তার দুটি ছবি মুক্তি পেয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ‘ভূতপরী’ আর বাংলাদেশে ‘পেয়ারার সুবাস’। 

    সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দুই বাংলার সিনেমা নিয়ে জয়া বলেন, বাংলাদেশে অনেক বেশি ইন্টারেস্টিং চরিত্র পাই। সেখানে খারাপ ছবিও রয়েছে। কিন্তু আমার দেশের ছবিতে প্রেমটা প্রচণ্ড বেশি থাকে। টালিউডে সেটি একটু কম মনে হয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও অনেক ভালো কাজ এখানে হচ্ছে। টালিউডে নতুনদের সঙ্গেও কাজ করতে চাই। সিনিয়ররা যেন আরও ডায়নামিক চরিত্রে আমাকে ভাবেন, সেটিই চাই। আসলে ভালো চরিত্র নয়, আমি ভালো ছবির অংশ হতে চাই।

    আরও পড়ুন: 

    চিত্রনাট্য নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি কিন্তু দর্শকের কথা চিন্তা করে কোনো চরিত্রে রাজি হই না। প্রথমত শিল্পী হিসেবে আমার যে দায়বদ্ধতা, সেটি বিচার করে চিত্রনাট্যে রাজি হই। দ্বিতীয়ত শিল্পী হিসেবে সেই চরিত্রটা আমাকে কতটা নাড়া দিচ্ছে বা ভাবাচ্ছে, সেটিও আমি দেখে তার পর সম্মতি দিই।

    বিনোদন ডেস্ক