Tag: জয়া আহসান 

  • আমি কবিতার মেয়ে ববিতা, জয়ার স্মৃতিচারণা

    চলচ্চিত্র অঙ্গনে অবদানের স্বীকৃতিতে সম্প্রতি একুশে পদক অর্জন করেছেন ঢাকাই সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেত্রী ফরিদা আখতার ববিতা। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই সম্মাননা তুলে দেন।

    তার এই সম্মাননায় শোবিজ থেকে শুরু করে নানা মহলের মানুষ ববিতাকে ভালোবাসায় সিক্ত  করছেন। এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ববিতাকে অভিনন্দন জানালেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান।

    ছোটবেলার স্মৃতিচারণা করে জয়া জানান, ছোটবেলায় নাকি কেউ তার নাম জিজ্ঞেস করলে বলতেন—‘আমি কবিতার মেয়ে ববিতা!’ এমনকি সেসময়ে ঠিকভাবে ‘কবিতা’ শব্দটিও উচ্চারণ করতে পারতেন না বলে জানান তিনি।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) নিজের অফিশিয়াল ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে জয়া লেখেন, ‘ছোটবেলায় নাকি আমি চুল গুছিয়ে মায়ের ঢলঢলে হাইহিল পড়ে ঘুরে বেড়াতাম। কেউ নাম জিজ্ঞেস করলে জবাবে বলতাম আমি কবিতার মেয়ে ববিতা। কবিতাও ঠিক করে বলতে পারতাম না। ক -অ -বিতা!’

    ববিতার অভিনয় দক্ষতার প্রশংসা করে জয়া আরও লেখেন, ‘ববিতা আমাদের অভিনয়শিল্পের পাওয়ার হাউস। তার কাছ থেকে আমরা শিখেছি অভিনয় কীভাবে শিল্প হয়ে ওঠে, শিল্পীর ব্যক্তিত্ব ও সৌন্দর্য কীভাবে বহন করতে হয়। বহু দুর্বল সিনেমা স্মরণীয় হয়ে আছে শুধু তারই অভিনয়গুণে। ঢাকাই সিনেমার পরিচ্ছন্ন ধারাটি গড়ে উঠেছিল কেবলই তার অভিনয়ের শক্তিতে। সেই অবিকশিত সিনেমাজগতে থেকেও আশ্চর্য শক্তিতে তিনি নজর কেড়েছিলেন বিশ্বসিনেমার।’

    পোস্টের শেষাংশে জীবন্ত এই কিংবদন্তিকে অভিনন্দন জয়া আহসান লেখেন, ‘তার (ববিতা) একুশে পদক প্রাপ্তিতে আমরা সবাই গর্বিত। যদিও এই পদক তাকে আর নতুন কিছু দিতে পারেনি। দেশের সর্বোচ্চ পুরস্কার হিসেবে তিনি বরাবরই পেয়েছেন মানুষের প্রাণঢালা ভালোবাসা। তাকে অনিঃশেষ অভিনন্দন।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ইফতারে চানাচুর মিশিয়ে টকদই খান জয়া আহসান

    দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসানের এবারের রমজানে তার ইফতার টেবিলের এক ভিন্নধর্মী মেন্যু নজর কেড়েছে ভক্ত-অনুরাগীদের। সাধারণ ভাজাপোড়ার ভিড়ে জয়া বেছে নিয়েছেন এবার তার নিজের হাতে বানানো টকদই, যা তিনি খেয়েছেন চানাচুর মিশিয়ে।

    সম্প্রতি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার ইফতার করার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে ভাইরাল হয়ে পড়ে। সেই ভিডিওতে দেখা যায়, বোনের বাসায় ইফতারের আমেজে মেতেছেন জয়া আহসান। স্বাস্থ্যসচেতন বোনের হাতের ইফতার মেন্যুতে ছিল নানা পদের ফল, ফ্রুট সালাদ, বিটরুট ও গাজরের পুষ্টিকর শরবত এবং সুস্বাদু হালিম। তবে এতকিছুর পরও  আলাদা করে নজর কেড়েছে অভিনেত্রীর দই খাওয়ার বিশেষ ধরন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সামাজিক মাধ্যমে ভিডিওর পোস্টে ক্যাপশনে তার দই তৈরির মজার অভিজ্ঞতা শেয়ার করে জয়া আহসান লিখেছেন— ‘আগে দই বানালে মানুষ জিজ্ঞেস করত, এটি খাওয়ার নাকি দেয়ালে লাগানোর? এবার সত্যিকারের দই! চুন থেকে দই— এই হচ্ছে আমার গ্লো আপ স্টোরি।’

    বাড়িতে বানোনো এই টকদইয়ের সঙ্গেই চানাচুর মিশিয়ে খেতে পছন্দ করেছেন তিনি। ইফতারের এই আনন্দঘন মুহূর্ত শেয়ার করার পাশাপাশি ভক্তদের শুভকামনাও জানিয়েছেন জয়া আহসান। সেই সঙ্গে নিজের কথা, কাজ ও খাদ্যতালিকায় সংযম ধরে রাখার আহ্বান জানান তিনি। অভিনেত্রীর এমন ছিমছাম ইফতার আয়োজন নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে। বিশেষ করে চুন থেকে দই বানানোর ‘গ্লো আপ’ গল্পটি বেশ হাস্যরসের খোরাক জুগিয়েছে তার ভক্ত-অনুসারীদের মাঝে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কেন বয়স বাড়াকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন জয়া আহসান

    ৬ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গ-এ মুক্তি পেয়েছে জয়া আহসান অভিনীত এবং সৌকর্য ঘোষাল পরিচালিত সিনেমা ‘ওসিডি’। ছবিটির প্রচারণা উপলক্ষে ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য ওয়াল-কে দেওয়া এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে সিনেমা ও ব্যক্তিজীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী।

    দুই বাংলার চলচ্চিত্র নিয়ে আশাবাদী কি না—এমন প্রশ্নে জয়া বলেন, তিনি উভয় ইন্ডাস্ট্রি নিয়েই আশাবাদী। তার ভাষ্য, এখানে ‘ওসিডি’র মতো ছবি মুক্তি পাচ্ছে এবং দর্শক তা দেখছেন—এটাই ইতিবাচক ইঙ্গিত। এর আগে তিনি ‘ডিয়ার মা’ ও ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’র মতো ভিন্নমাত্রিক কাজ করেছেন। প্রতিটি ছবিই আলাদা ঘরানার—কখনো পারিবারিক, কখনো ক্ল্যাসিক ধারার, আবার কখনো শক্তিশালী সামাজিক বার্তাভিত্তিক। 

    একজন শিল্পী হিসেবে এমন বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পাওয়া তার জন্য সৌভাগ্যের বলে মন্তব্য করেন তিনি। ‘ওসিডি’ প্রসঙ্গে জয়া বলেন, ছবিটিতে অভিনয় দেখানোর যথেষ্ট সুযোগ ছিল, তবে নিজের কাজের মূল্যায়ন দর্শকের ওপরই ছেড়ে দিতে চান।

    গত বছরে মুক্তি পাওয়া তার অভিনীত বাংলাদেশি দুটি সিনেমা ‘উৎসব’ ও ‘তাণ্ডব’-এর সাফল্যের কথাও তুলে ধরেন জয়া। নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও ছবি দুটি ব্লকবাস্টার হয়েছে বলে জানান তিনি। সামনে আরও কয়েকটি নতুন কাজ আসছে উল্লেখ করে বলেন, ‘রইদ’ নামের একটি ছবির ট্রেলার ইতোমধ্যে দর্শক দেখেছেন, সেটিও ভালো সাড়া ফেলবে বলে তার বিশ্বাস।    

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    দুই বাংলার ছবির পারস্পরিক মুক্তি না পাওয়ার বিষয়েও আক্ষেপ প্রকাশ করেন জয়া। তার আশা, অদূর ভবিষ্যতে এই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে দুই অঞ্চলের দর্শক একে অপরের কাজ সহজে উপভোগ করতে পারবেন।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়া তার ব্যক্তিগত পরিসর নয়; বরং এটি জয়া আহসান নামের একটি ইমেজের আনুষ্ঠানিক উপস্থাপনা। তবে মাঝেমধ্যে ব্যক্তিগত কিছু মুহূর্তও শেয়ার করেন।

    সাক্ষাৎকারের শেষাংশে ‘র‍্যাপিড ফায়ার’ পর্বে ১০টি প্রশ্নের উত্তর দেন জয়া। বয়স বাড়ার সঙ্গে কোন বিষয়টি বেশি উপভোগ করছেন—এ প্রশ্নে হাসতে হাসতে বলেন, তিনি ধীরে ধীরে তার বাবার মতো দেখতে হয়ে যাচ্ছেন। পাশাপাশি জানান, বয়সের সঙ্গে সঙ্গে তিনি আরও বেশি সাহসী ও অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় হয়ে উঠছেন; এমন কোনো কাজ নেই, যেটি করতে নিজেকে সরাসরি ‘না’ বলেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ইচ্ছে হলেই দত্তক নিতে পারি, কিন্তু জগতের সবার মা হয়ে থাকতে চাই: জয়া আহসান

    দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান বর্তমার্নে কলকাতায় অবস্থান করছেন। সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে আগামী সিনেমা, আট ঘণ্টার কাজ নিয়ে তার বক্তব্য। সেই সঙ্গে বিশ্বজুড়ে শিশুদের ওপর নানা ধরনের নির্যাতনের প্রসঙ্গও। মাতৃত্ব নিয়ে তার একান্ত ভাবনা ঠিক কী, সে বিষয়েও খোলামেলা কথা বলেছেন অভিনেত্রী।

    অনেকটা লম্বা সময় কলকাতায় থাকা প্রসঙ্গে জয়া আহসান বলেন, হ্যাঁ, মাঝে একটু বেশি সময় ঢাকায় ছিলাম। এবার নিজের আসন্ন সিনেমা ‘ওসিডি’-র জন্য কলকাতায় এলাম। আমার অভিনীত এটি অন্যতম প্রিয় কাজ বলতে পারেন।

     ‘বাতিক’-এর জ্বালায় নাজেহাল অভিনেত্রী বলেন, এ সিনেমাটি করতে করতে আমি খুঁজতে শুরু করি— আমার মধ্যে কীসের বাতিক রয়েছে। সিনেমাটি করার সময় আমাদের পরিচালক সৌকর্যকে একাধিকবার জিজ্ঞেস করতাম— আমার কীসে ওসিডি আছে?

    সেটি কি আপনি খুঁজে পেলেন? তিনি বলেন, হ্যাঁ আমি বুঝতে পেরেছি। নিখুঁত অভিনয় নিয়ে আমার ‘ওসিডি’ রয়েছে। খালি মনে হয় সব অভিনয় যেন এক রকম হয়ে যাচ্ছে। তারপর নিজেকেই যেন চ্যালেঞ্জ দিয়ে ফেলি। আবার বিরক্ত হয়ে যাই নিজের ওপরেই। নিজেকে বলি— আরে বাবা, আমি তো মানুষ! কিন্তু মন বোঝে না। খালি মনে হয়, আমি কি ভালো করতে পারছি? এটা ভাবতে ভাবতে মানসিক অসুস্থতার জায়গায় চলে যাই। আরও নিখুঁত, আরও নিখুঁত হতে গিয়ে নিজের ওপর বাড়তি চাপ দিয়ে ফেলি।

    কোনো চরিত্র হয়ে ওঠার জন্য জয়া আহসান কীভাবে তৈরি করেন নিজেকে?—এমন প্রশ্নের উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, আমি যখন যে বিষয়ে কাজ করি, সেটা নিয়ে কিছুটা পড়াশোনা করি। ‘ওসিডি’ সিনেমাটা করার সময় ‘পিডোফিলিয়া’ নিয়ে রীতিমতো চর্চা করেছি। শিশুদের প্রতি যৌন আকর্ষণ কোন মানসিক অসুস্থতার লক্ষণ, কী থেকে হয়— এগুলো না জানলে এমন বিষয় নিয়ে কাজ করা ভীষণ মুশকিল। এ সিনেমা সমাজের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। তাই প্রস্তুতিটা জরুরি ছিল। আসলে যেখানে শিশুরা জড়িয়ে থাকে, দায়িত্বটা অনেক বেড়ে যায়, তাই না?

    এ মুহূর্তে সারা বিশ্বে ‘এপস্টিন ফাইল’ নিয়ে আলোচনা চলছে। বড় বড় রথী-মহারথীদের বিচরণ, তাদের নাম উঠে আসছে বিতর্কে। উত্তরে জয়া আহসান বলেন, আসলে এটা তো একটা মানসিক ব্যাধি। একটা বাচ্চা দেখলে সাধারণ মানুষের মনে মায়া জন্মায়, স্নেহ জন্মায়। কিন্তু কিছু মানুষ আছে, তাদের মনে শিশুদের দেখলে যৌন আকাঙ্ক্ষা জন্মায়। তারা ওই শরীরের ভেতরটা দেখতে চায়। আসলে এটা তো একটা অসুস্থতা। এই ‘পিডোফিলিয়া’ বিষয়টি নিয়ে কিন্তু বাংলা সিনেমায় এখন পর্যন্ত কোনো কাজ হয়নি। সেটিও খুব দুর্ভাগ্যজনক। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বাস্তবজীবনে জয়ার সঙ্গে এমন কোনো ঘটনা ঘটেছে কি?—এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমি আসলে শুনেছি। এ ধরনের যৌন শোষণের ঘটনা পরিবারের মধ্যেই বেশি হয়। তাই এ বিষয়টি সব সময়ে ঢাকাচাপা দিয়ে রাখতেই দেখেছি। আমি আমার অনেক ঘনিষ্ঠ মানুষের মধ্যে ‘ওসিডি’ও দেখেছি।

    শিশুদের প্রতি মায়া প্রসঙ্গে মনে হলো— জয়া আহসান কখনো মা হতে চাননি? অভিনেত্রী বলেন, আমি তো নিজেকে মা-ই মনে করি। হয়তো আমি কাউকে জন্ম দিইনি। কিন্তু আমার সঙ্গে আমার পোষ্যদের যে সম্পর্ক কিংবা আমার বাড়ির গাছেদের, তাতে আমি নিজেকে মা বলেই ভাবি। ওদের সঙ্গে আমি কথা বলি। আমার সঙ্গে সময় না কাটালে গাছেরা মরে যায়, পোষ্যেরা কষ্ট পায়। 

    তিনি বলেন, আমি ওদের কথা বুঝতে পারি। আমার কলকাতার বাড়িতে এলে গাছগুলোর নতুন পাতা গজাতে দেখেছি। ওরা আমাকে দেখলে খুশিতে ঝলমল করে। জন্ম দিতে পারলেই কি সন্তানরা মায়ের কাছে থাকে? আমি জগতের সবার মা হয়ে থাকতে চাই, তার মধ্যেই আনন্দ — সারদাদেবীর মতো।

    শিশুদের জন্য কতটা নিরাপদ এ প্রসঙ্গে জয়া আহসান বলেন, অসম্ভব অনিরাপদ। আমি চাইলে সন্তান দত্তক নিতে পারি। তার জন্য সন্তান জন্ম দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। কিন্তু বাধা একটাই— একটা শিশুকে পৃথিবীতে আনলে তার জন্য একটা নিরাপদ জায়গা করে দিতে হবে। কিন্তু মানুষ প্রতিনিয়ত ‘আমি আমি’ করে চলছে।

    অনেক ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেছেন, ৮ ঘণ্টার কাজের দাবির সঙ্গে আপনি একমত কিনা? অভিনেত্রী বলেন, দেখুন, অভিনয়টা শুধু শারীরিক নয়। এই পেশায় শরীর ও মনকে সঙ্গে নিয়ে একাগ্রচিত্তে কাজটা করতে হয়। আর এই কাজটা কিন্তু সহজ নয়। আমি মনে করি, কাজের একটা নির্ধারিত সময় থাকা দরকার। ব্যক্তিগত জীবনে ভারসাম্য থাকলে তবেই একজন অভিনেতার কর্মজীবন সফল হয়। আর এই আট ঘণ্টার মধ্যে ভালো কাজ করা সম্ভব। আট ঘণ্টা কাজ করা মানে কোনোভাবেই গুণগত মানের সঙ্গে আপস করা নয়।

    জয়া বলেন, আমার কাজের শিফট আট ঘণ্টার। আবার যখন প্রয়োজন হয়, তখন আট ঘণ্টার বেশিও কাজ করি। আমি কখনই প্রযোজক, পরিচালককে বিপদে ফেলি না। আমি কাজের ক্ষেত্রে জেদাজেদিতে বিশ্বাসী নই। বরং গুণগত মানের দিকটা বজায় থাকল কিনা, সেই বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত।

    সবার তো জয়া আহসানের বয়স নিয়ে কৌতূহলের অন্ত নেই, আপনি কী বলবেন? উত্তরে তিনি বলেন,  কেউ বলে আমার বয়স ৪০, কারও কাছে আমি ৫০, আবার কেউ পৌঁছে দিয়েছে ষাটের দরজায়। আসলে আমি ছোট বয়স থেকে কাজ করছি। মাত্র ১৭ বছর বয়সে মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছি, খুব ভারি ভারি চরিত্রে কাজ করেছি, আর অনেক বছর ধরে কাজ করছি। তাই যে যার মতো করে আমার বয়স ধরে নিয়েছে।

    সমাজে সফল নারীদের বিড়ম্বনা কি বেশি?—এমন প্রশ্নের উত্তরে জয়া বলেন, আসলে মানুষ আজকাল মন্তব্য করতে ভালোবাসে। আর সামাজিক মাধ্যম তো প্রতিদিন যেন হাস্যকর জায়গায় চলে গেছে। তবে ‘সফল’ শব্দটা বড্ড স্বার্থপর মনে হয়। আমি সার্থকতায় বিশ্বাসী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এপস্টেইন ফাইলস নিয়ে যা বললেন জয়া

    জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান এ মুহূর্তে অবস্থান করছেন কলকাতায়। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি তার ‘ওসিডি’ শিরোনামে একটি সিনেমা প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে। তার প্রচারেই ব্যস্ত সময় পার করছেন বাংলাদেশি এ তারকা। সম্প্রতি ছবি প্রসঙ্গে নানা বিষয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন জয়া। সেখানেই আলাপের এক পর্যায়ে বিশ্বজুড়ে আলোচিত এপস্টেইন ফাইলস প্রসঙ্গটি উঠে আসে। 

    ছবি সম্পর্কে অভিনেত্রী জানান, ছবিটির চরিত্র ও বিষয়বস্তুর গভীরতা বোঝার জন্য তিনি আগেভাগেই বিস্তর গবেষণা করেছেন। বিশেষ করে পেডোফিলিয়া বা শিশুদের প্রতি যৌন আকর্ষণ— এই মানসিক ব্যাধি সম্পর্কে জানতে ও বুঝতে সময় দিয়েছেন। 

    জয়া বলেন, ‘আমি যখন যে ধরনের চরিত্রে কাজ করি, তার মানসিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটটা বোঝার চেষ্টা করি। ‘ওসিডি’ সিনেমাটি সময় নিয়ে রীতিমতো চর্চা করেছি।  শিশুদের প্রতি যৌন আকর্ষণ কোন মানসিক অসুস্থতার লক্ষণ, কী থেকে হয়— এগুলো না জানলে এমন বিষয় নিয়ে কাজ করাটা মুশকিল। এই ছবি সমাজের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। তাই প্রস্তুতিটা জরুরি। আসলে যেখানে শিশুরা জড়িয়ে থাকে, দায়িত্বটা অনেক বেড়ে যায়। এটি আমার অভিনীত অন্যতম প্রিয় একটি কাজ।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সম্প্রতি কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের ৩০ লক্ষাধিক নথি প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ, যা এপস্টেইন ফাইলস নামে পরিচিতি পেয়েছে। এরপরই বৈশ্বিক রাজনীতি থেকে শুরু করে সব মহলে আলোচনার ঝড় বইছে। যেখানে মার্কিন বহু প্রভাবশালী ব্যক্তির নামও আছে।  বিষয়টি নিয়ে জয়া বলেন, ‘একটি শিশু দেখলে সাধারণ মানুষের মনে মায়া জন্মায়, স্নেহ জন্মায়। কিন্তু কিছু মানুষের শিশু দেখলে যৌন আকাঙ্ক্ষা জন্মায়। তারা ওই শরীরের ভেতরটা দেখতে চায়। আসলে এটা তো একটা অসুস্থতা।’ 

    বর্তমান পৃথিবী শিশুদের জন্য অনিরাপদ মন্তব্য করে অভিনেত্রী বলেন, ‘এই বিশ্ব শিশুদের জন্য অসম্ভব অনিরাপদ। আমি চাইলে কিন্তু সন্তান দত্তক নিতে পারি। তার জন্য সন্তান জন্ম দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। কিন্তু বাধা একটাই। একটা শিশুকে পৃথিবীতে আনলে তার জন্য একটা নিরাপদ জায়গা করে দিতে হবে। কিন্তু মানুষ প্রতিনিয়ত ‘আমি আমি’ করে চলছে।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • মোবাইল ফোন ব্যবহার নিয়ে যে পরামর্শ দিলেন জয়া

    অভিনেত্রী জয়া আহসানের জনপ্রিয়তা গত কয়েক বছর ধরেই সীমানা পেরিয়ে ওপার বাংলায় পৌঁছে গেছে।  দুই ইন্ডাস্ট্রির সিনেমাতেই সমানতালে কাজ করছেন তিনি। সম্প্রতি এই অভিনেত্রী মোবাইল ফোনের ব্যবহার সম্পর্কে নিজের মতামত তুলে ধরেছেন। 

    তিনি জানান, মানুষের প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মোবাইল ফোন। তাই সম্ভব হলে এবং প্রয়োজন না থাকলে ফোন হাতে না নেওয়ার অভ্যাস করা উচিত। এক পডকাস্টে অংশ নিয়ে জয়া এসব কথা জানান। 

    অভিনেত্রী বলেন, ‘শুটিং সেটে আমি পারতপক্ষে ফোন ব্যবহার করি না। আমরা যখন বাসা থেকে বের হই তখন ফোন দেখি। আশপাশের গাছ, মানুষ, ট্রাফিক, কে কিভাবে চলছে, রিকশাওয়ালা কিভাবে রিকশা চালাচ্ছেন, কী করে ঘাম মুছছেন এগুলো আমরা কিন্তু দেখি না। মানে আমাদের দেখতে দেয় না ফোনটা। এসব যদি আমি নাই দেখি, যদি প্রকৃতির সঙ্গে, সমাজের সঙ্গে কানেক্টেড না থাকি তাহলে আমি কী করে অভিনয় করব?’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তার মতে, প্রকৃতির সঙ্গে সংযোগ মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

    জয়া আরও বলেন, ‘শিল্পী যখন অন্য কাউকে স্পর্শ করে, সেই সংস্পর্শের মাধ্যমে অনুভূতি পৌঁছায়। চোখে জল আসে, হৃদয়ে অনুভূতি জাগে। ঘ্রাণ, শোনা, দেখা— সবই আমাদের আশপাশের পরিবেশ থেকে শেখা হয়। 

    সকালবেলায় পাখির কিচিরমিচির, ভোরের হাওয়া- সবই মানুষকে এক ধরনের থেরাপি দেয়। মোবাইল ফোন এই সংযোগে সবচেয়ে বড় বিঘ্ন সৃষ্টি করছে। তাই মাঝে মাঝে ফোন ব্যবহার না করা উচিত।’ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • নতুন রূপে তাক লাগালেন জয়া আহসান

    ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান অভিনয় দক্ষতা দিয়ে দর্শকহৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। এর পাশাপাশি তার রূপেও মুক্ত ভক্ত-অনুরাগীরা। নিজের ফ্যাশন স্টেটমেন্টকেও নিয়ে গেছেন অনন্য মাত্রায়। ট্র্যাডিশনাল কিংবা ওয়েস্টার্ন প্রতিটি লুকেই নিজের আভিজাত্য তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন অভিনেত্রী। সামাজিক মাধ্যমেও নেটিজেনদের মাঝে সরব উপস্থিতি তার।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে একগুচ্ছ ছবি প্রকাশ করেন জয়া আহসান। সেখানে দেখা যায়, অভিনেত্রী একটি হালকা সোনালি রঙের স্লিভলেস গাউন পরেছেন। মেকআপ রুমের আয়নার সামনেও পোজ দিয়েছেন তিনি। ফুটে ওঠে তার চোখের তীক্ষ্ণ চাহনি, যা আরও ভক্ত-অনুরাগীসহ নেটিজেনদের মনে নজর কেড়েছে।

    নেটিজেনদের অনেকেই তার বয়সের ছাপহীন সৌন্দর্যের প্রশংসা করেছেন। তাকে ‘টাইমলেস বিউটি’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। এক নেটিজেন লিখেছেন—‘জয়ার রূপ এখনো আগের মতোই’। 

    জয়া আহসান ছবিগুলো পোস্ট করার কিছুক্ষণের মধ্যেই হাজার হাজার ভক্ত-অনুরাগীর প্রশংসায় ভরে ওঠে তার মন্তব্যের ঘর। বিশেষ করে ছবিতে তার চিরযৌবনা রূপ দেখে নেটিজেনরা রীতিমতো বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।

    অভিনয় গুণে সবসময় ভিন্নধর্মী চরিত্রে নিজেকে প্রমাণ করেছেন অভিনেত্রী। ‘গেরিলা’, ‘বিসর্জন’ কিংবা ‘রবিবার’-এর মতো সিনেমায় তার শক্তিশালী উপস্থিতি দর্শকমনে মুগ্ধ করেছে। পর্দার তাকে দেখার অপেক্ষাও ফুরাচ্ছে ভক্তদের। 

    জয়া আহসান অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলার সিনেমা ‘ওসিডি’ মুক্তি পেতে যাচ্ছে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি। ওপার বাংলার নির্মাতা সৌকর্য ঘোষালের পরিচালনায় এ সিনেমায় অভিনেত্রীকে দেখা যাবে ‘শ্বেতা’ নামের একজন চিকিৎসকের ভূমিকায়। 

    ট্রমা আর সামাজিক সংগ্রামের এক জটিল ও মনস্তাত্ত্বিক গল্প নিয়ে নির্মিত ‘ওসিডি’ সিনেমাটি নিয়ে দুই বাংলার দর্শকদের মাঝেই এখন ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। নতুন এ সিনেমাটি তার ক্যারিয়ারে আরও একটি অনন্য পালক যোগ করবে বলে আশা সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আপেল হাতে আবেদনময়ী লুকে কী ইঙ্গিত দিলেন জয়া আহসান

    অভিনেত্রী জয়া আহসান শুধু ঢালিউড সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতেই নয়, টালিউডেও সমান তালে অভিনয় করে যাচ্ছেন। দুই বাংলায় অভিনয় করে দুদেশেই সমানসংখ্যক ভক্ত-অনুরাগী পেয়েছেন তিনি। বাংলাদেশে অসংখ্য সফল সিনেমায় কাজ করার পাশাপাশি টালিউডেও রয়েছে তার ব্যস্ততা। সিনেমা ‘ডিয়ার মা’ হোক কিংবা ‘পুতুল নাচের ইতিকথা’— একের পর এক সিনেমায় অভিনয় করে অসাধারণ প্রশংসা কুড়িয়েছেন কলকাতায়। এককথায় বলা যায়, টালিউডেই তিনি প্রধান নায়িকা হিসাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এমনকি বলিউডেও সিনেমা করেছেন এ নন্দিত অভিনেত্রী।

    অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমেও সরব আছেন জয়া আহসান। নতুন নতুন তথ্য আর ছবি পোস্ট করে জানান দেন তার ভক্ত-অনুরাগীদের। রূপ আর অভিনয় দক্ষতা দিয়ে যেমন দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন, ঠিক তেমনই সামাজিক মাধ্যমেও ভক্ত-অনুরাগীদের শেয়ার করে নেন তিনি। এবার নতুন রূপে ধরা দিলেন অভিনেত্রী, যা দেখে মুগ্ধ নেটিজেনরা। 

    সামাজিক মাধ্যমে একগুচ্ছ ছবি শেয়ার করে নিয়েছেন জয়া আহসান। সেখানে দেখা গেছে, সেসব ছবিতে রয়েছে তার ফ্যাশন স্টেটমেন্ট, যা একেবারেই ভিন্ন। পাথরের জমকালো কাজ করা লাল রঙের ব্লাউজ, আর পরনে ধূসর রঙের জিন্স। কপালে লাল টিপ, মাথার খোঁপায় লাল-সাদা গোলাপ এবং চোখে স্টাইলিশ রোদচশমা, আর পাথরের তৈরি চুড়ি ও বালার সঙ্গে হাতে একটি টুকটুকে লাল আপেল তাকে এনে দিয়েছে এক দারুণ আভিজাত্যপূর্ণ লুক। এই পুরো ঐতিহ্য আর আধুনিকতার ফিউশন লুকে অভিনেত্রী যেন নজর কেড়েছেন সবার। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    জয়া সেই আপেল নিয়ে নানা ভঙ্গিতে পোজ দিয়েছেন। কখনো আপেল হাতে ধরে, আবার কখনো মাথায় ব্যালেন্স করে। এমনকি কখনো ঠোঁটের কাছে ঠেকিয়ে ছবি তুলেছেন অভিনেত্রী। সেই ছবিগুলো পোস্ট করে জয়া ক্যাপশনে লিখেছেন— ‘আপেল হয়ো না।’

    এই ব্যতিক্রমী ছবিগুলো প্রকাশ্যে আসতেই ভক্ত-অনুরাগীরা ভালোবাসায় ভরিয়ে দেন তার মন্তব্য বাক্সে। এক নেটিজেন লিখেছেন—’খুব সুন্দর লাগছে।’ আবার কেউ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে লিখেছেন— ‘লাভ অফ মাই লাইফ।’ আরেক নেটিজেন লিখেছেন— ‘পুরো আগুন লাগছে। কে কোথায় আছিস জল নিয়ে আয়।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • নতুন রূপে ধরা দিলেন জয়া আহসান

    দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসানকে দেখে বোঝার উপায় নেই বয়স যে কখন থমকে দাঁড়িয়েছে। অভিনেত্রীর রূপলাবণ্যে দেখা যায়, দিন দিন যেন তার বয়স কমে যাচ্ছে। অভিনয় আর সৌন্দর্যের দারুণ মিশেলে খানিক ব্যতিক্রমই অভিনেত্রী। দুই দেশে পুরোদস্তুর অভিনয় করে চলেছেন তিনি। আর অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমেও তার সরব উপস্থিতি। প্রায়ই নিত্যনতুন রূপে ধরা দেন জয়া আহসান। তার ভালোলাগা-মন্দলাগা জানান দেন ভক্ত-অনুরাগীদের। 

    সাম্প্রতিক সময়ে যেমন অভিনয়ে প্রশংসিত, ঠিক তেমনই ব্র্যান্ড এনডোর্সমেন্টেও তার উপস্থিতি এখনো তুঙ্গে। কাজের প্রতি একাগ্রতা আর কমার্শিয়াল শুটে তার সক্রিয় অংশগ্রহণই প্রমাণ করে প্রিয় মুখ জয়া। আবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। অভিনেত্রী নিজেকে মেলে ধরেছেন অন্য এক রূপে। 

    তার প্রতিটি লুকেই নিজস্ব সৌন্দর্যের ছাপ স্পষ্ট ফুটে ওঠে। সম্প্রতি একের পর এক শাড়ির সাজে নজর কেড়েছেন জয়া আহসান। এবারও দেখা গেছে অন্য এক জয়াকে। সাদা রঙের শাড়ি আর ঐতিহ্যবাহী গহনায় তিনি হয়ে উঠেছেন অনন্য অভিনেত্রী।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে তার পোস্ট করা বেশ কিছু ছবি ভাইরাল হয়েছে। একই সঙ্গে ভক্তরাও যেন জয়াকে নতুন করেই দেখলেন। সাদা রঙের শাড়িতে গলায় গহনার সংমিশ্রণে লাবণ্যময় উপস্থিতি ফুটিয়ে তুলেছেন এক ক্ল্যাসিক বাঙালি রূপ। ছবির পটভূমিতেও আছে পুরোনো দিনের আসবাব ও সবুজ গাছপালার আবহ, যেন বাঙালি নারীর ঐতিহ্য ও আভিজাত্য ফুটে উঠেছে।

    অভিনেত্রীর শুধু স্টাইলই নয়, ছবির আড়ালে রয়েছে এক প্রোমোশনাল দিকও। জয়া আহসানের পোস্টের ক্যাপশনে লিখেছেন—পরনের এই গহনাগুলো একটি গহনা ব্র্যান্ডের প্রচারের অংশ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৪৫ বছর আগের শাড়ি পরে যে অনুভূতির কথা জানালেন জয়া আহসান

    দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। ঢাকার মেয়ে হয়েও টানা এক যুগেরও বেশি সময় ধরে কলকাতার সিনেমায় দাপটের সঙ্গে অভিনয় করছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ সরব থাকেন তিনি। তার সব কথা ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে শেয়ার করে থাকেন।

    বুধবার (২২ অক্টোবর) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মায়ের বিয়ের শাড়ি পরে ছবি পোস্ট করেন। এর সঙ্গে নিজের অনুভূতির ব্যক্ত করেছেন।

    পোস্টে জয়া আহসান লিখেছেন, এই ছবিগুলোতে যে দুটো শাড়ি দেখা যাচ্ছে, সেগুলোর বয়স ৪৫ বছর; আসলে এগুলো আমার মায়ের বিয়ের শাড়ি। একটা বিয়ের, একটা বৌভাতের। বাবা কিনে নিয়ে গেছিলেন কলকাতা থেকেই। সোনার সুতোয় কাজ করা এক চিরন্তন রূপকথা, এখনো ঠিক যেন নতুন নতুন বিবাহের গন্ধে ভরপুর। 

    তিনি লেখেন, এই দুটো শাড়ি নিয়ে সেই কিশোরি বেলা থেকে আমরা দুই বোন কি কাড়াকাড়ি টাই না করেছি! বিবাদ হোক বা খুনসুটি যাই বলি না কেন, সেটা হতো কে কোনটা নেবে তাই নিয়ে! আমি বলতাম নীল টা আমার, বোনের পছন্দ ছিল টুকটুকে লাল টা! কখনও কখনও কিশোরী খেয়ালে পছন্দ যে ওলোট পালট হতো না তা নয়, পরে বুঝেছি এই দুটো শাড়ি-ই আমাদের কাছে অমূল্য সম্পদের মতো, আর তাতেই এত টান। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি আরও লেখেন, মৌসুমী ভৌমিকের গানের সেই যে মরমী লাইন টা, কিছু ফেলতে পারি না আমার হয়েছে সেই অবস্থা। সব কিছুর ওপরেই স্নেহ, একটা অদ্ভুত মায়া। আমার মায়ের যত পুরাতন শাড়ি, মায়ের বিয়ের শাড়ি, আমার জন্মের আগে মায়ের স্বাদ ভক্ষণের শাড়ি সব রয়ে গেছে আমার কাছে। আলমারির যত্নে, ন্যাপথলিনের রূপকথায় আত্মকথার ইতিহাস। আর আমার মাতৃতান্ত্রিক শ্রদ্ধাজ্ঞাপন মাত্র। 

    সর্বশেষ এই নায়িকা লেখেন, এবার হঠাৎ করেই সুযোগ হলো এই দুটো শাড়ি পড়ার …সুন্দর করে স্টাইলিং করে ছবিগুলো তুললাম…আশা করি সকলের পছন্দ হবে এই ফটোশ্যুট।

    বিনোদন ডেস্ক