Tag: জয়া আহসান 

  • জয়া আহসানের ভারতের স্বাধীনতা উদযাপন নিয়ে কটাক্ষ শ্রীলেখার

    বিনোদন জগতের দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসানকে নিয়ে ভারতের স্বাধীনতা দিবস কেন্দ্র করে সমালোচনার গুঞ্জন উঠেছে। যদিও অভিনেত্রী ঢালিউডের পাশাপাশি টালিউডেও সমানতালে কাজ করে যাচ্ছেন। 

    ১৫ আগস্ট ভারতের স্বাধীনতা দিবস প্রাক্কালে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল ও একটি প্রথমসারির সংবাদমাধ্যমের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছিল মধ্যরাতের এক পদযাত্রা।

    কলকাতার রাজপথে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, চৈতি ঘোষাল, ইন্দ্রাণী হালদারদের সঙ্গে পা মেলান বাংলাদেশি অভিনেত্রী জয়া আহসানও। এ পদযাত্রায় হাঁটতে দেখে অনেকেই ভ্রু কুঁচকেছেন। অনেকেই বিদ্রুপ করছেন। সমালোচনায় বিদ্ধ বাংলার বাঘিনী জয়া। 

    বাংলার নন্দিত অভিনেত্রীকে দেখে টালিপাড়ার অন্যতম ঠোঁটকাটা অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র চুপ থাকলেন না। জয়া আহসানকে বিঁধে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন তিনি। সেই পোস্ট শেয়ার করে নিজের মতামত রাখলেন মোদির পোস্টার ইস্যুতে সদ্য বিতর্কের কেন্দ্রে থাকা শ্রীলেখা মিত্র।

    সেই পোস্টে প্রশ্ন তোলেন অভিনেত্রী, ‘জয়া আহসান কবে থেকে ভারতীয় হয়ে উঠল, প্লিজ জানাবেন। আজন্ম আমি জেনে এসেছি— ১৫ আগস্ট ভারতবর্ষ স্বাধীন হয়েছিল? আর কদিন আগে অবধি ‘দিপু দাস হত্যাকাণ্ড’ নিয়ে ভারতবর্ষ তোলপাড় হয়েছিল। রিসেন্টলি দিলীপ ঘোষ মহাশয় ভারতীয় মুসলমান গোষ্ঠীকে নামাজ পড়তে হলে পাকিস্তান চলে যাওয়ার সাজেশন অবধি দিয়েছেন।…জয়া আহসান হচ্ছেন সনাতনী, পিওর, আদি ও আসল ভারতীয়। নেতাজির পূর্বপুরুষ। আমার উত্তর চাই কেন? জয়া এহসান থেকে তাসলিমা নাসরিন, তা হলো— তাদের জন্মভূমির কাছে দেশদ্রোহী।

    এই পোস্ট শেয়ার করে শ্লেষাত্মক বার্তা শ্রীলেখার, ‘ধর্ম…ধান্দা…ও দেশপ্রেম… বাকিরা দেশদ্রোহী… হিংটিংছট’।

    যদিও মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের বিশেষ আমন্ত্রণেই এ ওয়াকাথনে যোগ দেন জয়া আহসান। ঢাকায় ফেরার টিকিট বাতিল করে ইমন-পৌষালীদের সঙ্গে গলা মেলান ‘কারার ঐ লৌহকপাট’ থেকে ‘অ্য়ায় মেরে ওয়াতনকে লোগো’তে। 

    তবে শুধু ভারতের স্বাধীনতার উদযাপন নয়, এই ওয়াকাথন ছিল নারীদের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা এবং সমমর্যাদার বার্তা দেওয়ার উদ্যোগ। সেই তাগিদ থেকেই রাজপথে হাঁটেন অভিনেত্রী।

    শ্রীলেখা মিত্রের সেই পোস্টের কমান্ডবক্সে জয়া আহসানকে বিদ্রুপ করে এক নেটিজেন লিখেছেন—ঋতুপর্ণার পাশে এটা সেই শুক্রবারি খালা’ না? এর উত্তরে শ্রীলেখা লিখেছেন—না, উনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নিজের তন্বী চেহারার রহস্য জানালেন জয়া আহসান

    দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান সম্প্রতি কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় পরিচালিত সিনেমা ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’তে অভিনয়ের পর ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন। তবে নিজের কর্মক্ষমতা ধরে রাখার জন্য প্রত্যেক শিল্পীকেই নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়। ব্যতিক্রম নন জয়া আহসানও। কিন্তু তার প্রতিদিনের জীবনযাপন খানিক অবাক করে দিতে পারে তার ভক্ত-অনুরাগীদের।

    ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’র চরিত্র পদ্মা তথা জয়া আহসানের জিমে বড় আলস্য। এ সিনেমার শুটিং শুরু হওয়ার মাসকয়েক আগে থেকে জিম করা শুরু করেন অভিনেত্রী। তখন পিলাটিজ করে ক্যালোরি ঝরান তিনি। অর্থাৎ চিরাচরিত ফিটনেস রুটিনের প্রতি ঝোঁক নেই তার। কিন্তু জনপ্রিয় শারীরচর্চা থেকে খানিক দূরে থাকলেও মাঠঘাট, চাষের ক্ষেত তাকে সুস্থ রাখে, আনন্দে রাখে। 

    জয়া বলেন, জিম করা যে দরকার, তা অস্বীকার করি না। কিন্তু নিয়মিত জিম করা হয় না আমার। আসলে যে যার মতো করে ফিট থাকার চেষ্টা করেন। আমি যেমন চাষ করি। সে সময়ে মাটি তৈরি করা থেকে শুরু করে, দরকারে কোদাল দিয়ে মাটি কোপানোর কাজও করি। 

    বাড়িতে হরেকরকম সবজির চাষ হয়। খাবারের থালাতেও সেই সবিজ রাঁধা পদই থাকে। বাড়িতে তৈরি সবজি দিয়ে রাঁধা খাবারই বেশি পছন্দ তার। ফলে রাসায়নিক সারের ভীতি থাকে না। নিজে চাষ করে খাওয়াদাওয়ারই পক্ষপাতি জয়া। তবে কালেভদ্রে যে বাইরের খাবার খান না, তা নয়। পিৎজা তার খুবই পছন্দের একটি খাবার। তা ছাড়া জাঙ্ক ফুডের প্রতি তত প্রীতি নেই তার। 

    জয়া বলেন, যদি জাঙ্ক ফুড খেয়েও ফেলি, তা নিয়ে অপরাধবোধে ভুগি না আমি। কারণ মাঝে মাঝে মন ও আত্মাকেও খাওয়ানো উচিত বলে মনে করি। আর খুব বেশি সতর্ক হয়ে গেলে খাবার খাওয়ার অভিজ্ঞতা উপভোগ করবেন কীভাবে বলে জানান এ অভিনেত্রী।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পুষ্টিবিদ অনন্যা ভৌমিক বলেন, চাষ করার চেয়ে ভালো শারীরচর্চা আর কী-ই বা হতে পারে! যারা নিয়মিত চাষবাস করেন, তাদের যে কেবল ক্যালোরি ঝরে, তা-ই নয়, পেশি মজবুত হয়, টোনিংয়ের কাজও হয়। তা ছাড়া সূর্যালোকের সংস্পর্শে শরীরে ভিটামিন ডির মাত্রা বেড়ে যায়। এই ভিটামিন শরীরের হাজারো কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

    অনন্যা ভৌমিক আরও বলেন, আদিম যুগে কি জিম ছিল? যন্ত্র বা ব্যায়ামের নতুন ধারাও তখন আবিষ্কার হয়নি। তখন তারা ক্ষেতের কাজ করতেন, মাছ ধরতে যেতেন, কেউ বা শিকারে যেতেন। আর এসব কাজই একটা মানুষকে সুস্থ রাখতে পারে। যত কায়িক শ্রম হবে, ততই শারীরবৃত্তীয় কাজ স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন হবে। এর পাশাপাশি নিজের হাতে তৈরি সবজি দিয়ে রান্না করা খাবার খাওয়ার মতো স্বাস্থ্যকর কী-ই বা হবে।

    বাগান হোক বা চাষের কাজ করা হোক, পুষ্টিবিদের মতে, এই সমস্ত কাজ মনকে আনন্দ দেয়। ফলে শরীরে ‘হ্যাপি হরমোন’-এর ক্ষরণ বাড়ে, আবার স্ট্রেস হরমোন অর্থাৎ কর্টিসলের মাত্রা কমে। সব মিলিয়ে হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্যও মাঠেঘাটে কাজ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

    পুষ্টিবিদের পরামর্শ, যারা চাষের ক্ষেতে কাজ করার সুযোগ পান না, তারা বড় করে বাগান করতে পারেন। অনেকটা জায়গাজুড়ে হাঁটাচলা করা, ঘোরাঘুরি করার মাধ্যমেও শরীর বেশ সক্রিয় থাকে। কিন্তু ছোটখাটো বাগানে এই উপকারিতাগুলো মিলবে না।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‌‘আমি চাই, আমার কোনো শত্রুও যেন এ রকম পরিস্থিতিতে না পড়ে’

    দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসানকে কেন্দ্র করেই বড়পর্দায় ফিরছে পরিচালক কৌশিক গাঙ্গুলীর আলোচিত সিনেমা ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’। এ সিনেমাটি আজ মুক্তি পাচ্ছে। ২০২৩ সালের সফল সিনেমা ‘অর্ধাঙ্গিনী’র দ্বিতীয় কিস্তি এটি। চেনা চরিত্রগুলো ফিরছে অচেনা মোড় নিয়ে। কিছু দিন ধরে প্রচারে তাই বৃষ্টি-ঘামে ভিজছেন নির্মাতা-শিল্পীরা।

    এর আগে বহুল প্রশংসিত ‘অর্ধাঙ্গিনী’ সিনেমার এটি দ্বিতীয় কিস্তি। এ সিনেমায়ও জয়ার চরিত্র ঘিরে নির্মিত হয়েছে। প্রথম পর্বে অভিনেত্রীর অভিনয় সিনেমাপ্রেমী দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছিল। নতুন কিস্তিতেও তার চরিত্রের আবেগ, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং জীবনের নানা দ্বন্দ্বই গল্পের মূল চালিকাশক্তি হবে। 

    এ ছাড়া প্রথম পর্বের সিনেমার সাফল্য এবং জয়া আহসানের জনপ্রিয়তার কারণে দ্বিতীয় পর্ব ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ নিয়ে এরই মধ্যে দর্শকদের ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। সম্পর্কের সূক্ষ্ম অনুভূতি ও মানুষের অন্তর্গত দ্বন্দ্ব কেন্দ্র করে নির্মিত এ সিনেমাটি আবারও দর্শকদের  মন ছুঁয়ে যাবে বলেই প্রত্যাশা নির্মাতার। 

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ সিনেমা প্রসঙ্গে পরিচালক কৌশিক গাঙ্গুলী বলেন, প্রথম সিনেমা নির্মাণের সময় থেকেই দ্বিতীয় পর্বের ভাবনা তার মাথায় ছিল। তবে দর্শকদের ভালোবাসা ও অভূতপূর্ব সাড়াই সেই পরিকল্পনাকে বাস্তবে রূপ দিতে অনুপ্রাণিত করেছে।

    এ নির্মাতা বলেন, ‘অর্ধাঙ্গিনী’ মুক্তির পর তিনি যেখানেই গেছেন, সেখানেই সিনেমাটি নিয়ে আলোচনা শুনেছেন। দর্শকদের এমন আগ্রহ তার প্রত্যাশারও বাইরে ছিল। একই সময়ে বড় বাজেটের একটি জনপ্রিয় সিনেমা মুক্তি পেলেও ‘অর্ধাঙ্গিনী’ দর্শকের ভালোবাসা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিল।

    তিনি বলেন, একটি সিনেমা অনেকটা গাছের মতো। নির্মাতা শুধু বীজ বপন করতে পারেন, কিন্তু সেটি বড় হয়ে ওঠে দর্শকের ভালোবাসা, গ্রহণযোগ্যতা ও সমর্থনে। সেই ভালোবাসার ফল হিসেবেই এবার আসছে ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’।

    কৌশিক গাঙ্গুলী বলেন, নতুন সিনেমাটির গল্প আবর্তিত হবে সম্পর্কের জটিলতা, অতীত ও বর্তমানের টানাপোড়েন এবং মানুষের না-বলা অনুভূতিকে ঘিরে। অতীত কখনো মুছে যায় না— এ উপলব্ধিই সিনেমাটির অন্যতম ভিত্তি।‘অর্ধাঙ্গিনী’র দুই পর্বেই জয়া আহসানের সঙ্গে জুটি হয়ে কাজ করেছেন চূর্ণী গাঙ্গুলি। তারা দুজনেই ভালো করেছে।

    নারীকেন্দ্রিক চরিত্র প্রসঙ্গে এ নির্মাতা বলেন, পর্দায় নারীর অনুভূতি, মনস্তত্ত্ব ও জীবনসংগ্রাম তুলে ধরতে তিনি সবসময় আগ্রহী। নারী চরিত্রের গভীরতা অন্বেষণ একজন নির্মাতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সৃজনশীল দায়িত্ব বলে মনে করেন তিনি।

    ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করা জয়া আহসান প্রচারে ব্যস্ত। কাকভেজা শহরে ছুটতে গিয়ে ঝক্কি পোহাতে হয়। ঠাণ্ডা লেগেছে অভিনেত্রীর। আপাতত তাই ওষুধকে সঙ্গী করে দায়িত্ব সামলে নেওয়ার চেষ্টা। অসুস্থতার সঙ্গে মন খারাপও আছে বৈকি! এদিক-ওদিক ছোটাছুটির ফাঁকে টের পাচ্ছেন দর্শকদের আগ্রহ? দর্শক ভীষণ আগ্রহী। অস্থির হয়ে আছে সিনেমাটি দেখার জন্য। আগেরটা সবাই পছন্দ করেছিল, আর এবার ট্রেলারটা দেখার পর মনে হচ্ছে সবার আগ্রহ আরও বেড়ে গেছে বলে জানান জয়া আহসান। তিনি বলেন, যেসব হলে চূড়ান্ত হয়েছে, সেগুলোতে অলরেডি সব শো হাউজফুল হয়ে গেছে। হলের পুরো তালিকা এলে তবেই তো দর্শক টিকিট সংগ্রহ করতে পারবে। 

    তিন বছর পর ‘অর্ধাঙ্গিনী’দের ফেরা। হাঁড়ির খবর তো আর জানতে চাওয়া চলে না। কিন্তু হাঁড়িতে নতুন রসদ কী, সেটুকু নিশ্চয়ই বলা যায়? রহস্য জিইয়ে কিংবা আরেকটু বাড়িয়েই উত্তরটা দিলেন ‘দেবী’খ্যাত অভিনেত্রী জয়া আহসান, ‘একটাই কথা বলতে পারি— এবার ডোজটা একটু কড়া।’

    বলতে দ্বিধা নেই, নির্মাতা কৌশিক গাঙ্গুলির ছবি দিয়েই ওপার বাংলায় অনন্য অবস্থান গড়ে নিয়েছেন জয়া আহসান। তার ‘বিসর্জন’, ‘বিজয়া’ কিংবা ‘অর্ধাঙ্গিনী’ ছবিগুলো জয়াকে নিয়ে গেছে মুগ্ধতার শিখরে। এ নির্মাতা প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, তিনি (কৌশিক গাঙ্গুলি) অত্যন্ত গুণী নির্মাতা ও অভিনেতা। এর পাশাপাশি চিত্রনাট্যকার হিসেবেও অনন্য। আমার মনে হয়, চিত্রনাট্য সম্পর্ক বিল্ডআপের ক্ষেত্রে পিএইচডির ওপরেও যদি কোনো ডিগ্রি থাকে, সেটার অধিকারী কৌশিক দা।

    তিনি বলেন, ‌আজও অর্ধাঙ্গিনী সিনেমায় এমন কিছু কৌতূহলের পারদ রয়েছে, যা এক লাফে আকাশ ছুঁতে পারে। এ সিনেমায় কিছু জটিল ও স্পর্শকাতর মোড় আছে; আমি চাই, আমার কোনো শত্রুও যেন এ রকম পরিস্থিতিতে না পড়ে।

    উল্লেখ্য, অভিনেত্রী জয়া আহসান ছাড়াও ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ সিনেমায় আরও অভিনয় করেছেন চূর্ণী ও কৌশিক সেন, অম্বরিশ ভট্টাচার্য, লিলি চক্রবর্তী, ইন্দ্রাশিস রায়, রায়া ভট্টাচার্য, ডিম্পল আচার্য প্রমুখ। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • কোন দল সমর্থন করেন জয়া আহসান, জানালেন অভিনেত্রী

    ঢালিউড অভিনেত্রী জয়া আহসান দীর্ঘদিন ধরেই কলকাতায় নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। ওপারে কাজের অভিজ্ঞতা এবং নিজের অবস্থান নিয়ে মাঝেমধ্যেই গণমাধ্যমে কথা বলতে শোনা যায় অভিনেত্রীকে। তার কাজেই যেন শেষ কথা। আমি বাংলা ছবির জন্য কাজ করি। 

    এটা ঠিক যে আমি আরেকটি দেশের পাসপোর্ট ক্যারি করি; কিন্তু এতদিন ধরে এখানে কাজ করছি যে, কোনোভাবে মনে হয় না আমি এ ইন্ডাস্ট্রির বাইরের কেউ। যদি এখানকার বাসিন্দা হতাম, তাহলেও হয়তো যে পরিমাণ কাজ করছি_ এটুকুই করতাম বলে জানিয়েছেন জয়া আহসান। সম্প্রতি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে এমন কথাই বললেন অভিনেত্রী।

    চলছে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডের লড়াই। গ্রুপ পর্বে শেষ করে চলছে নকআউট পর্বের খেলা। বিশ্বকাপের এ উন্মাদনায় সাধারণ দর্শক থেকে শুরু করে এ জনপ্রিয় তারকার মাঝেও ছড়িয়ে পড়েছে ফুটবল-জ্বর। 

    প্রিয় দলের জার্সি গায়ে জড়ানো, সামাজিক মাধ্যমে তর্কবিতর্ক আর পছন্দের খেলোয়াড়কে নিয়ে মেতে ওঠা এ অভিনেত্রী আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের চিরন্তন দ্বৈরথের উন্মাদনা মাঝেই জানালেন প্রিয় দলের কথা। তবে এই চেনা স্রোতের বিপরীতে গিয়ে নিজের ভিন্ন পছন্দের কথা জানালেন জয়া আহসান। 

    সম্প্রত্রি সাক্ষাৎকারে ফুটবলে নিজের আগ্রহের কথা জানিয়ে হাসতে হাসতে অভিনেত্রী বলেন, ফুটবলে আমার বেশ আগ্রহ আছে। শেষবার রাশিয়ায় গিয়ে গ্যালারিতে বসে বিশ্বকাপ দেখেছিলাম। তবে এবার আর যাওয়া হয়নি। পর্তুগালকে খুব ভালোবাসি। কিন্তু চারপাশে সারাক্ষণ আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল শুনতে হয়। রোনালদোকে খুব ভালো লাগে। কিন্তু মুশকিল হচ্ছে— মেসিকেও ভালো লাগে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ফুটবল উন্মাদনার বাইরে উঠে এসেছে জয়া আহসানের আসন্ন সিনেমা ও ব্যক্তিগত জীবনের গল্প। আগামীকাল (১ জুলাই) এ অভিনেত্রীর জন্মদিন। 

    জন্মদিন নিয়ে জয়া আহসান বলেন, জন্মদিন থাকলেও তিনি খুব একটা উদযাপন করার মানুষ নন। তবে বন্ধুবান্ধব, কাছের আত্মীয় আর অনুরাগীরা খুব ভালোবেসে মনে রাখায় দিনটিতে নিজেকে কিছুটা স্পেশাল মনে হয়। ছোটবেলায় প্রজাপতি ড্রেস পরে কাটানো জন্মদিনের স্মৃতি মনে পড়লেও সেই সময়ে এসে এসব উদযাপনে কিছুটা লজ্জা পাই বলে জানান অভিনেত্রী।

    উল্লেখ্য, বাণিজ্যিক সফল সিনেমা ‘অর্ধাঙ্গিনী’র মুক্তির তিন বছর পর এর সিক্যুয়েল নিয়ে আসছেন পরিচালক কৌশিক গাঙ্গুলী। আগামী জুলাই মাসেই মুক্তি পেতে যাচ্ছে জয়া আহসান অভিনীত নতুন সিনেমা ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’। 

    সফল সিনেমার দ্বিতীয় ভাগ পর্দায় আনার ক্ষেত্রে এক ধরনের মানসিক চাপ অনুভব করলেও জয়া আহসান আশাবাদী যে, সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের এ সিনেমাটি ভালো লাগবে। 

    তিনি বলেন, এবারের গল্পে নাটকীয় জায়গাগুলো আরও বেশি জোরালো হয়েছে এবং আগের চরিত্রগুলোর জীবনের দীর্ঘ জার্নির পাশাপাশি নতুন কিছু চরিত্রের সমাগম ঘটেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জয়া আহসানের সমালোচনায় ইলোরা গহর

    মডেলিং, টেলিভিশন নাটক ও চলচ্চিত্র মিলিয়ে তিন দশক ধরে বিনোদন অঙ্গনে কাজ করছেন জয়া আহসান। দেশের পাশাপাশি ভারতের কলকাতায়ও ধারাবাহিকভাবে কাজ করছেন।  গত এপ্রিল মাসে এক সাক্ষাৎকারে জয়া আহসান জানান, মাছ-মাংস খেতে তার ভালো লাগে না, এগুলো খেতে গেলে তার মনে হয় তিনি কোনো প্রাণীকে হত্যা করছেন। তার এ বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন অভিনেত্রী ইলোরা গহর। 

    এক সাক্ষাৎকারে ইলোরা গহর বলেন, জয়া আহসান দুই বাংলাতেই কাজ করছেন। দীর্ঘ দিন ধরে তিনি চলচ্চিত্রে পুরস্কার পাচ্ছেন।তার টার্গেট ছিল সংসার নয়, অ্যাওয়ার্ড আর নাম্বার ওয়ান টপ নায়িকা থাকবেন।  সে সাকক্সেফুল। 

    এই অভিনেত্রী বলেন, জয়া প্রাণী হত্যার বিরুদ্ধে কথা বলছেন। ‘মাছ-মাংস খেতে ভালো লাগছে না’, ‘জলটা একটু আমাকে দেবেন’- এ ধরনের কথা বলছেন তিনি। কিন্তু আমরা তো ভেজষ হয়ে যাইনি। আমাদের মাংস খেতে ভালো লাগে। আমার তো গরুর মাংস ভীষণ ভালো লাগে, পানি খেতেও ভালো লাগে। মাছ-মাংস খাওয়া জায়েজ। এতে প্রাণী হত্যা হয় না। এটা জয়াকে বুঝতে হবে। প্রাণী হত্যা মন্তব্য করার আগে উনি যদি বুঝতেন যে, আমরা বাংলাদেশে আছি, আমরা গরুর মাংস খাই। 

    ইলোরা গহর বলেন, ঢাকা শহরে বস্তিবাসীর ঘরের চাল জোরা লাগানো নাই। হু হু করে বাতাস ঢুকে। আমি সেখানে যাই। গেল শীতেও মায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে অসহায় বস্তিবাসীদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছি।  

    জয়া আহসানকে বস্তিবাসীর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে ব্যাচেলর সিনেমার এই অভিনেত্রী বলেন, পশু হত্যা টাইপের কথা না বলে জয়ার উচিৎ ঢাকার বস্তিতে যাওয়া, মানুষের জন্য কাজ করা। তাকে গ্রামে যেতে হবে না। শহরেই অনেক বৃদ্ধ মানুষ আছে। সে যদি পশুপ্রীতি থেকে যদি মানুষপ্রীতি করতেন তাহলে ভালো হতো। 

    ‘জয়া হয়তো মানুষকে অনেক কিছু দেয়, হয় তো আমরা জানি না। ‍কিন্তু সে সোশ্যাল মিডিয়ায় যা প্রকাশ করে-‘আমি পশু হত্যা মানি না, মাংস খেতে ভালো লাগে না, বাজে লাগে। এগুলো বলা ঠিক না। কারণ এগুলো তো আমরা খাচ্ছি। ওর খাওয়া নিয়ে তো আমরা কিছু বলছি না’। 

    জয়ার সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, সে একটু ভেজষ হয়েছে। সে বলতে পারে- ‘আমি স্বাস্থ্যগত কারণে মাংস খাই না’। কিন্তু পশু হত্যা করছি- এই কথাটা মানানসই না। আমাদের মানুষ ভেজষ নয়। আমাদের দেশের মানুষ খরগোশ খায় না, কিন্তু কবুতর খায়। গ্রামের মানুষ তো গরুর মাংস সেভাবে খেতে পারে না। কিন্তু তারা তো কখনো এটাকে হত্যা বলছে না। তাহলে জয়ার ভাষ্য অনুযায়ী কি আমাদের কুরবানিকেও পশু হত্যা বলা হবে? 

    নিজের পরিবারের কথা উল্লেখ করে ইলোরা বলেন, আমাদের বাসায় কুরবানি হতো না। আমার বাবা এটার বিরোধী ছিলেন। কিন্তু আমার মা লুকিয়ে ভাগে কুরবানি দিতেন। কাজেই এটাকে কখনো পশু হত্যা বলা যাবে না। 

    জয়ার উদ্দেশে তিনি বলেন, আমি তোমাকে ভীষণ ভালোবাসি। তুমি ভেজষ হয়ে গেছো ঠিক আছে, কোনো অসুবিধা নাই। কিন্তু তুমি ফুলপ্রীতি দেখাও, সবজি বাগান করছো- এগুলো খুব ভালো। কিন্তু পশুপ্রীতি দেখাতে গিয়ে এটাকে হত্যা বলা যাবে না।  

    যুগান্তর ডেস্ক

  • ঈদ উদযাপন নিয়ে জয়ার আক্ষেপ

    সময়ের সঙ্গে ঈদের আয়োজন আরও বড় হলেও ছোটবেলার ঈদের আনন্দের সঙ্গে আজকের ঈদের তুলনা চলে না বলে মনে করেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। অভিনেত্রীর  ভাষায়, সেই সময়ের ঈদ ছিল অনেক বেশি প্রাণবন্ত, আন্তরিক আর আবেগে ভরা।

    সম্প্রতি এক আলাপচারিতায় ঈদ নিয়ে শৈশবের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে জয়া বলেন, রোজার ঈদ শেষ হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়ে যেত কুরবানির ঈদের অপেক্ষা। ছোটবেলায় ঈদ যেন ছিল বছরের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত উৎসব। তিনি হাসতে হাসতে বলেন, ‘তখন মনে হতো, প্রতি মাসেই যদি ঈদ হতো!’

    জয়ার স্মৃতিতে এখনও স্পষ্ট কোরবানির ঈদের আগের দিনগুলোর চিত্র। পাড়া-প্রতিবেশী কিংবা আত্মীয়দের সঙ্গে দল বেঁধে বিভিন্ন বাড়িতে গরু দেখতে যাওয়ার অভ্যাস ছিল তাদের। কোথায় কেমন গরু এসেছে, কোনটার আকার বড়, কোনটার রং আলাদা-এসব নিয়েই চলত শিশুদের উৎসাহ আর উচ্ছ্বাস। ঈদ তখন শুধু নতুন পোশাক বা খাবারের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। বরং পুরো পরিবেশজুড়েই থাকত উৎসবের আমেজ।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিনেত্রীর মতে, সেই সময় মানুষের মধ্যে আন্তরিকতা ও পারিবারিক বন্ধনও ছিল অনেক বেশি। ঈদ মানেই ছিল আত্মীয়স্বজনের বাড়ি ঘোরা, একসঙ্গে খাওয়া, গল্প আর আনন্দ ভাগাভাগি করা। এখন প্রযুক্তি ও ব্যস্ত জীবনের কারণে মানুষ অনেকটাই নিজস্ব গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে।

    বর্তমান সময়ের ঈদ উদযাপন নিয়ে কিছুটা আক্ষেপও প্রকাশ করেন জয়া। তার মতে, এখনকার ঈদ অনেকটাই যান্ত্রিক হয়ে গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ব্যস্ততা আর নগরজীবনের চাপের কারণে আগের সেই আবেগ আর সরল আনন্দ যেন হারিয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে।

    তিনি বলেন, ‘ঈদের আসল আনন্দটা আসলে ছোটবেলাতেই ছিল।’ জয়ার এই কথায় যেন উঠে আসে অনেক মানুষেরই না বলা অনুভূতি-বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঈদের আনন্দের ধরন বদলে গেলেও শৈশবের ঈদের স্মৃতি চিরকালই থেকে যায় হৃদয়ের সবচেয়ে উজ্জ্বল জায়গায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ডিম-মাছ খেতে পারছি না, মনে হচ্ছে প্রাণী হত্যা করছি: জয়া আহসান

    কলকাতা ও ঢাকায় সমান জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। তিনি ফিটনেস ও রূপ ধরে রাখা নিয়ে বরাবরই আলোচনায় থাকেন। সবখানেই তার খাবারের বহর দেখে অবাক হন সহকর্মীরা। সবাই যখন ওজন কমাতে ডায়েট চার্ট নিয়ে ব্যস্ত, জয়া তখন থালা ভর্তি খাবার খাচ্ছেন।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জয়া আহসান তার খাদ্যাভ্যাস নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি নিজেকে একজন প্যাস্কিটেরিয়ান হিসেবে দাবি করার চেষ্টা করছেন গত তিন বছর ধরে।

    জয়া বলেন, ‘আমি খেতে ভালোবাসি এবং আমি খাই। আমার মনে হয় মাঝে মাঝে নিজের আত্মাকে তৃপ্ত করার জন্য খাওয়া প্রয়োজন। অনেকেই ডায়েট মেনে বিদেশি খাবার খায়, কিন্তু আমি তেমনটা করি না।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তবে এই খাদ্যাভ্যাসের পেছনে রয়েছে এক গভীর মানসিক পরিবর্তন। জয়া জানান, বর্তমানে তিনি মাছ বা ডিম খেতেও দ্বিধাবোধ করছেন। তার কথায়, ‘ইদানিং তো ডিমও খেতে পারছি না, মাছও খেতে পারছি না। আমার মনে হয় আমি প্রাণী হত্যা করছি। এটি আমার একটি মানসিক সমস্যা।’

    প্রাণীদের অধিকার নিয়ে কাজ করতে গিয়েই জয়ার মনে এই বোধ তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি যখন অ্যানিমেল রাইটস নিয়ে কাজ করা শুরু করলাম, তখন থেকে এই বোধটা প্রকট হয়েছে। এখন চিকেন খেলে আমার মনে হয় আমি রাস্তার চারপেয়ে বাচ্চাদের (কুকুর-বিড়াল) খাবার খেয়ে ফেলছি। তবে আমি মনে করি সবারই প্রোটিন গ্রহণ করা উচিত, বিশেষ করে মেয়েদের।’

    জয়া বলেন, ‘শুটিং সেটে শিঙাড়া, কাঁচা মরিচ আর পেঁয়াজ না দিলে আমার মাথা গরম হয়ে যায়। এটা আমাদের শুটিংয়ের জাতীয় খাবার।’ এছাড়া প্রতিদিন সকালে মায়ের হাতের এক কাপ দুধ চা না হলে তার চলেই না।

    সবজি ও কাঁচা খাবারের প্রতি জয়ার দুর্বলতা ছোটবেলা থেকেই। অনেকেই মজা করে বলেন তিনি সব কাঁচা খান। এ প্রসঙ্গে জয়ার ভাষ্য, ‘সবকিছু কাঁচা খাই না, তবে আমি অনেক কিছু কাঁচা খেতে পারি।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • এত এত রসগোল্লা খায়, তবু মোটা হয় না: জয়াকে নিয়ে প্রসেনজিৎ

    দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান অভিনয় ও গ্ল্যামারে সমার্থক। বড়পর্দায় তার মুগ্ধকর উপস্থিতির পাশাপাশি বাস্তবজীবনেও তিনি এক স্বতন্ত্র স্টাইল আইকন। অভিনয়ের মাধ্যমে যেমন দর্শকদের হৃদয় জয় করে নিয়েছেন, ঠিক তেমনি সামাজিক মাধ্যমেও নিয়মিত নিজের নজরকাড়া উপস্থিতি জানান দেন তিনি। 

    দুই বাংলার সিনেমায় অবাধে কাজ করে চলেছেন জয়া আহসান। গত ৬ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে জয় অভিনীত সিনেমা ‘ওসিডি’। গত বছর তার বেশ কয়েকটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। দেশে মুক্তি পায় ‘তাণ্ডব’, ‘উৎসব’,‘ফেরেশতে’এবং ‘জয়া আর শারমিন’। অন্যদিকে কলকাতার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় ‘ডিয়ার মা’ ও ‘পুতুল নাচের ইতিকথা’ সিনেমা।

    এবার শুটিং সেটে প্রস্তুত নিয়ে আসা এবং কাজকে গুরুত্ব দেওয়া অভিনেত্রী হিসেবেই জয়া আহসানকে দেখেছেন কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেতা বুম্বাদা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। 

    সম্প্রতি ‘সংগীত বাংলায়’ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জয়া আহসানের অভিনয় দক্ষতার পাশাপাশি তার খাবার নিয়েও মজার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন মুম্বাদা।

    এদিকে টালিউডের পাশাপাশি গত কয়েক বছর বলিউডেও নিয়মিত কাজ করছেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ। বাণিজ্যিক থেকে অন্যধারার সিনেমা—এমনকি হালের ওয়েব সিরিজেও তিনি দাপুটে অভিনেতা। সব যুগেই ‘সফল’ অভিনেতা হিসেবে তার পরিচয়। ‘জুবিলি’, ‘স্কুপ’, ‘খাকি: দ্য বেঙ্গল চ্যাপ্টার’ সিরিজগুলোতে তার অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে হিন্দি সিনেমা ‘মালিক’। 

    এর আগে ২০১৯ সালে অতনু ঘোষ পরিচালিত রোমান্টিক থ্রিলার সিনেমা ‘রবিবার’-এর মাধ্যমে প্রসেনজিৎ ও জয়া আহসান প্রথমবার একসঙ্গে জুটি বাঁধেন। এরপর পরিচালক সৃজিত মুখার্জির ‘দশম অবতার’ সিনেমাতেও দেখা গেছে তাদের একসঙ্গে।

    জয়া আহসান প্রসঙ্গে কথা উঠতেই বিস্ময় প্রকাশ করে প্রসেনজিৎ বলেন, ‘ শুটিং সেটে জয়া আহসান একদম তৈরি হয়ে আসে। শট দেওয়ার সময় তাকে দেখলে মনে হবে—পুরোটা তৈরি হয়ে আসা একজন অভিনেত্রী।’

    জয়া যে ‘খাদ্যরসিক’ সেটি কাছ থেকে দেখেছেন প্রসেনজিৎ। তিনি বলেন, জয়ার আরও একটা অদ্ভুত দিক আছে—ও কোনো দিনও মোটা হয় না। এত এত রসগোল্লা খায়। বুম্বাদা বলেন, আমি একদিন ওকে জিজ্ঞেস করেছিলাম—তুই এত রসগোল্লা খাস কীভাবে? ও যখনই সময় পায় খায়, আসনও করে না, কিন্তু ওর গায়ে ফ্যাট ধরে না।

    ‘বিশ্বাস করার মতো না, ও এত এত খেতে ভালোবাসে। ও বলে— বুম্বাদা আমি তো খাই। আমি বলি তুই তো আসনও করিস না, ব্যায়ামও করিস না। বলে—না, আমি খেতে ভালোবাসি, আমার কিছু হয় না। আমি বললাম—ভালো। সুন্দর!’

    বিনোদন ডেস্ক

  • গ্ল্যামারাস লুকে জয়ার ফটোশুট

    অভিনয় ও গ্ল্যামারের সমার্থক শব্দ যেন জয়া আহসানের নাম। বড় পর্দায় তার মুগ্ধকর উপস্থিতির পাশাপাশি বাস্তব জীবনেও তিনি এক স্বতন্ত্র স্টাইল আইকন। অভিনয়ের মাধ্যমে যেমন দর্শকদের হৃদয় জয় করেন, তেমনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও নিয়মিত নিজের নজরকাড়া উপস্থিতি জানান দেন।

    সম্প্রতি ফেসবুকে কিছু ছবি শেয়ার করে আবারও আলোচনায় এসেছেন তিনি। ছবিগুলোতে তাকে দেখা গেছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও গ্ল্যামারাস লুকে।

    তার পোশাকে ছিল আধুনিকতা ও আভিজাত্যের মেলবন্ধন। বিশেষ করে করসেট স্টাইলের উপরের অংশটি দৃষ্টিনন্দন কারুকাজে সমৃদ্ধ, যা তার লুকে এনেছে ফ্যাশনেবল এক নতুন মাত্রা।

    তবে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে তার গয়না। গলায় ও কানে তিনি পরেছিলেন সবুজ পাথরের (এমেরাল্ড) ভারী নেকলেস ও দুল, যা তার পুরো সাজে যোগ করেছে রাজকীয় আবহ। একই রঙের একটি বড় আংটিও ছিল তার হাতে।

    মেকআপেও ছিল পরিমিত ও নিখুঁত ছোঁয়া—হাইলাইট করা ত্বক ও পরিপাটি খোঁপা তার মুখের গঠনকে আরও উজ্জ্বল করে তুলেছে।

    তার এই নতুন রূপ দেখে ভক্তরাও মুগ্ধ। কেউ লিখেছেন, ‘সুন্দর মানুষ সবসময়ই সুন্দর লাগে,’ আবার কেউ মন্তব্য করেছেন, ‘তোমাকে দারুণ লাগছে।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিনেতা রাহুলের স্ত্রীর উদ্দেশ্যে যা বললেন জয়া

    ২০০৮ সালে কলকাতায় মুক্তি পায় টালিউড ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’। রাজ চক্রবর্তী পরিচালিত এই ছবিটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করে রাতারাতি তারকাখ্যাতি পেয়ে যান রাহুল অরুণোদয় বন্দোপাধ্যায় ও প্রিয়াঙ্কা সরকার। সেই ছবির শুটিং থেকেই প্রেম, পরবর্তীতে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন তারা।

    কিন্তু রোববার (২৯ মার্চ) আকস্মিকভাবে এক দুর্ঘটনায় মারা যান রাহুল। একটি ধারাবাহিকের শুটিং করতে গিয়ে পানিতে ডুবে মৃত্যু হয় তার। এই টালিউড অভিনেতার অকাল প্রয়াণে দুই বাংলার বিনোদন অঙ্গনে নেমে আসে শোকের ছায়া।

    এবার এই অভিনেতাকে স্মরণ করে ফেসবুকে আবেগঘন এক স্ট্যাটাস দিলেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। ‘ঝরা পালক’ সিনেমায় রাহুলের সঙ্গে তার প্রথম ও শেষ কাজের অভিজ্ঞতা হয়েছিল বলে জানান তিনি। এছাড়াও সেই পোস্টে  রাহুলকে ‘এক অপরিসীম মগ্ন মানুষ’ ও ‘অনন্য শিল্পী’ হিসেবে উল্লেখ করেন জয়া আহসান।

    অভিনেত্রী লেখেন, ‘রাহুল অরুণোদয় ব্যানার্জি এক অপরিসীম মগ্ন মানুষ, চির নিদ্রায় এক অনন্য শিল্পী। এ যেন ভাবতেই পারা যায় না…।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    একসঙ্গে সিনেমায় অভিনয় করা প্রসঙ্গে জয়া বলেন, ‘তার সঙ্গে আলাপ অনেক আগেই, ঝরা পালক-এর সময় প্রথম এবং শেষ কাজ করা একসঙ্গে। কবি জীবনানন্দ দাশের চরিত্রে অভিনয় করছিলেন অরুণোদয়। চেহারায় হয়তো মিল নেই, তবু যখন তার সঙ্গে অভিনয় করলাম, মনে হলো জীবনানন্দের কবিতার এক নির্বিঘ্ন স্রোত তার অন্তরে প্রবাহিত; সেই পরিচয় থেকেই শিল্পী হিসেবে তার গভীরতা আমায় মুগ্ধ করেছে।

    অভিনয়ে, কথায়, আদর্শে এবং লেখনীতে যে অরুণোদয় নির্মেদ, মায়াময়, স্পষ্ট এবং চিরন্তন; আজ সেই অরুণোদয়কে মনে করে যেতে চাই প্রতি মুহূর্ত।’

    কঠিন এই সময়ে রাহুলের স্ত্রী অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কাকে সাহস জোগানোর চেষ্টাও ছিল জয়ার কথায়।  অভিনেতার স্ত্রীর উদ্দেশ্যে বাংলাদেশি অভিনেত্রী বলেন, ‘প্রিয়াঙ্কা, তুমি লড়াই এর সমনাম। আজকের এই ঝড়ঝাপটার দিনে সামলে থেকো, আগলে রেখো সহজকে। অরুণোদয়, তোমায় মনে থাকবে আজীবন।’

    উল্লেখ্য, রাহুল-প্রিয়াঙ্কার সংসারে সাহস নামের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক