Tag: ছেলে

  • আমার একটা তুমি আছো: পরীমনি

    ঢাকাই সিনেমার আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি। ব্যক্তিজীবনের নানা ঘটনা প্রায়শই সংবাদের শিরোনাম করে তাকে। বিশেষ করে প্রেম, বিয়ে, বিচ্ছেদের কারণে একাধিকবার বিতর্কের মুখেও পড়েছেন এ অভিনেত্রী। 

    rnrn

    তবে সবকিছুকে পেছনে ফেলে বর্তমানে কাজ ও একমাত্র ছেলে রাজ্যকে নিয়েই পরীর জগত। অভিনয়ের বাইরে পুরো সময়টা ছেলেকেই দেন এই নায়িকা। বুঝতে দেন না বাবার অভাবও। 

    rnrn

    প্রায়সময়ই ছেলের সঙ্গে নানান খুনসুটিতে মেতে ওঠেন পরীমনি। সেগুলো ভক্তদেরও দেখার সুযোগ করে দেন তিনি। তারই ধারাবাহিকতায় শনিবার ফেসবুকে ছেলের সঙ্গে নতুন একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন নায়িকা। 

    rnrn

    ভিডিওর ক্যাপশনে লিখেছেন— ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি আমার ভ্যালেন্টাইন। আমার একটা তুমি আছো। আমার নাড়ি ছেড়া ধন।’

    rnrn

    বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে ছেলে পদ্মের সঙ্গে কেক কেটে ভালোবাসা দিবস উদযাপন করেন পরীমনি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শনিবার ভিডিওটি প্রকাশ করলেন এই চিত্রনায়িকা। 

    rnrn

    ভিডিওতে দেখা যায়, পরীর পরনে ছিল লাল শাড়ি। খোলা চুল আর হালকা মেকআপে বেশ লাস্যময়ী দেখাচ্ছিল তাকে। অন্যদিকে মায়ের সঙ্গে ম্যাচিং করে পদ্ম পরেছিল একটি লাল পাঞ্জাবি। ভিডিওতে হাস্যোজ্জ্বল মুখেই ক্যামেরায় ধরা দেন মা-ছেলে।

    rnrn

    উল্লেখ্য, অভিনেতা শরিফুল রাজের সঙ্গে ডিভোর্সের পর বর্তমানে ছেলেকে নিজের কাছেই রেখেছেন পরীমনি। ইতোমধ্যে ‘ডোডোর গল্প’ সিনেমার শুটিং শেষ করেছেন তিনি।  এরপর যুক্ত হয়েছেন ‘খেলা হবে’ নামের নতুন একটি সিনেমায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘সমাজে তিনটি লিঙ্গ মানুষ-ছেলে এবং মেয়ে’ 

    এ সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ বলেছেন, মেয়েদের ওপর সমাজের জাজমেন্ট সবচেয়ে বেশি। মেয়েদের মায়ের জাত ভাবা হয়, এমন হয়েছে যেন সে মানুষ না। 

    rnrn

    তিনি আরও বলেন, সমাজ ভাবে একটা মেয়ে মানেই বিরাট ব্যাপার। যেন তিনটে লিঙ্গ সমাজে, মানুষ-ছেলে এবং মেয়ে। তুমি মেয়ে বলে এটা ওটা করতে পারবে না, এটা তো আমরা দেখে এসেছি। মেয়েরা যদি মুখ ফুটে বাবা-মায়ের সঙ্গে সব কিছু শেয়ার করতে পারত তাহলে তাদের জীবনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি আসত না।

    rnrn

    ফারিণ বলেন, সুশীল সমাজের চোখে একটা ভালো মেয়ে মানে, একটা লেভেল পর্যন্ত পড়াশোনা করবে তারপর সংসার করবে। চাকরি করলেও সমাজ মেনে নেয় যদি সেই চাকরি হয় শিক্ষকতা। এর বাইরে হলে সে ভালো মেয়ে না। এভাবেই মেয়েদের বড় করা হয়। সে কারণে মেয়েদের ওপর একটা চাপ থাকে। 

    rnrn

    এক সাক্ষাৎকারে ফারিণ বলেন, আমি যেটা শিখলাম, তাহলো জীবনে হাল ছাড়া যাবে না। অবশ্যই পরিশ্রম করে যেতে হবে। আরেকটা কথা না বললেই নয়, জীবনে মা-বাবার চেয়ে বড় কেউ নেই। তাদের কথা অমান্য করলে বিপদ হবেই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ছেলে ফারিশকে নিয়ে আবেগঘন স্ট্যাটাস মাহিয়া মাহির

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ আসন থেকে ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি প্রথমবারের মতো অংশ নিয়েছিলেন। ভোটযুদ্ধে নেমে রীতিমতো হইচই ফেলেও জয়ের দেখা পাননি তিনি। 

    ফের নিজের ভুবনে ফিরেছেন মাহি। বর্তমানে পরিবার ও কাজ নিজেই ব্যস্ত সময় পার করছেন নায়িকা। এ ছাড়া বরাবরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সরব অভিনেত্রী।

    বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) মাহি সামাজিকমাধ্যমে নিজের ছেলে মো. মোসাইব আরোশ শামসুদ্দিন ফারিশ সরকারকে নিয়ে আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: 

    পোস্টে ছেলের অ্যাভোকাডো খাওয়ার একটি ভিডিও শেয়ার করেন অভিনেত্রী। ক্যাপশনে আদুরে বার্তা দেন ছেলের জন্য। লেখেন— ‘বাবাজান, আজ তুমি প্রথম নিজ হাতে খাচ্ছ, চিপস খেলে এখন আবার অ্যাভোকাডো খাচ্ছ। কি যে শান্তি লাগছে এসব দেখতে, তোমাকে ঠিক বোঝাতে পারব না।’

    মাহি লেখেন, ‘এর পর তুমি প্রথম দাঁড়াবে, মায়ের আঙুল ধরে ওই ছোট ছোট পা দুইটা দিয়ে হাঁটবে, আমি ভাবতেই পারছি না কি যে আনন্দ হবে আমার। বাবাজান জানো, আমি ওই উপরওয়ালার কাছে এই জীবনে আর কিছুই চাই না শুধু তোমাকে বড় হতে দেখতে চাই। তোমার কাছে থাকতে চাই, তোমাকে বুকে জড়িয়ে ধরে প্রতিদিন ঘুমাতে চাই, শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত ভালোবাসতে চাই। আল্লাহ তোমাকে আমার মাথার চুল পরিমাণ নেক হায়াত দিক।’

    আরও পড়ুন: 

    কিছু দিন পর পর মাহি ছেলেকে নিয়ে কাটানো বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি কিংবা ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে শেয়ার করেন। গেল মাসে ছেলে ফারিশের জন্য এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে ভক্তদের কাছে দোয়া চেয়েছেন এ অভিনেত্রী।
     
    প্রসঙ্গত, মাহি ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে গাজীপুরের ব্যবসায়ী রাকিব সরকারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। এই দম্পতি ২০২৩ সালের ২৮ মার্চ একটি পুত্রসন্তান জন্ম দেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাকিব খানের বড় ছেলের জন্মদিনে ছোট ছেলের শুভেচ্ছা

    চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসের সঙ্গে বুবলীর সম্পর্ক বৈরী হলেও তাদের সন্তানদের মধ্যে যে তার প্রভাব নেই, সেটি এবার প্রকাশ্যে এলো।

    rnrn

    ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের সন্তান আব্রাম খান জয়ের জন্মদিন বুধবার। দিনটিতে আব্রামকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শাকিব। সেইসঙ্গে শাকিব-বুবলীর সন্তান শেহজাদ খান বীরও তার বড় ভাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে।

    rnrn

    আব্রামকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে শেহজাদ খান বীর নামের একটি ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে একটি রিল প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বীরকে বলতে শোনা যায়, ‘হ্যাপি বার্থডে টু ইউ’।

    rnrn

    ভিডিওর ক্যাপশনে ইংরেজি হরফে লেখা, ‘হ্যাপি বার্থ ডে জয় ভাইয়া’। চিত্রনায়িকা বুবলীও তার ফেইসবুকে সন্তান বীরের এই রিল ভিডিওটি শেয়ার করেছেন। 

    rnrn

    একই দিনে ছেলে আব্রামের একটি ভিডিও ফেইসবুকে শেয়ার করেছেন শাকিব। সেখানে দেখা যায়, আব্রাম খান জয় হাতে তালি দিয়ে দুলে দুলে তার বাবা শাকিব খানকে নিয়ে একটি গান করছে। 

    rnrn

    গানের কথাগুলো এমন- “আই লাভ ইউ মাই ডিয়ার সুইট পাপা, ইউ মেক মি হ্যাপি হোয়েন আই অ্যাম স্যাড। আই ওয়ান্ট টু টেল ইউ হাউ মাচ আই লাভ ইউ। হোয়েন আই অ্যাম উইথ ইউ, আই অ্যাম সো গ্ল্যাড।”

    rnrn

    ভিডিওটি নিজের ফ্যান পেইজে পোস্ট করে শাকিব খান লিখেছেন, আব্রাম তোমাকেও ভালোবাসি। এই দিনটি বার বার ফিরে আসুক। আল্লাহ তোমার মঙ্গল করুন।

    rnrn

    ‘সাবেক’ দুই স্ত্রীর সঙ্গে শাকিবের সম্পর্ক ভালো না থাকলেও সন্তানদের সঙ্গে ঠিকই সম্পর্ক রেখে চলেছেন শাকিব। দুই সন্তানকে একই স্কুলেও ভর্তি করেছেন তিনি।

    অনলাইন ডেস্ক

  • তারিক জামিলের কোলে ছেলে, যে আবেগঘন বার্তা দিলেন সানা খান

    ইসলামি জীবন পরিপালনের জন্য শোবিজ অঙ্গন ত্যাগ করা সাবেক বলিউড অভিনেত্রী সানা খানের ছেলেকে কোলে তুলে নিলেন পাকিস্তানের বরেণ্য আলেম ও বিখ্যাত ইসলাম প্রচারক মাওলানা তারিক জামিল। 

    সম্প্রতি মাওলানা তারিক জামিলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সানা খান ও তার স্বামী মুফতি আনাস। এ সময়ই এ দম্পতি তাদের একমাত্র সন্তানকে তাদের প্রিয় ব্যক্তির কোলে তুলে দেন।

    বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সাবেক অভিনেত্রী এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফটো ও ভিডিও শেয়ারিং প্লাটফরম ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন। সেখানেই সুন্দর এ দৃশ্যটি দেখা যায়। এ সময় সানা খান ও মুফতি আনাসও বেশ হাস্যোজ্জ্বল ছিলেন।

    সানা খান ওই ভিডিওর ক্যাপশনে লেখেন— ‘জুনিয়র তারিক জামিল হজরত মাওলানা তারিক জামিল সাহেবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছে। বাস্তবেই মাওলানাকে দেখলে আল্লাহকে স্মরণ হয়। কারণ তিনি অনেক উত্তম মানুষ।’

    সাবেক অভিনেত্রী আবেগঘন হৃদয়ে মাওলানা তারিক জামিলের প্রশংসা করে লেখেন, তিনি আমার ও এ রকম অনেক মানুষের হেদায়েতের কারণ হয়েছেন। আল্লাহ সর্বদা তাকে যেন নিরাপদে রাখেন এবং সুস্থতা দান করেন। মাওলানা আমাকে ‘মেয়ে’ বলে সম্মোধন করেন এবং সবসময় আমাকে হিকমতপূর্ণ শব্দমালা দ্বারা সবর করার প্রতি উৎসাহ দেন।’

    ওই পোস্টের সবশেষে সানা খান লেখেন, ‘মানুষ আপনাকে ভাঙার ও আপনার থেকে শুধুই উপকার হাসিলের চেষ্টা করে। তবে আমাদের আরও শক্তিশালী হওয়া উচিত। আর এটা আল্লাহর তরফ থেকেও পরীক্ষা।’

    সূত্র: জিও নিউজ

    বিনোদন ডেস্ক

  • কেন ছেলের জন্মদিনে আর কেক কাটবেন না অপু বিশ্বাস?

    ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা অপু বিশ্বাস। ছেলে আব্রাম খান জয়কে নিয়ে মাতৃত্ব উপভোগ করছেন। হরহামেশাই ছেলের সঙ্গে কাটানো বিভিন্ন মুহূর্ত নেটিজেনদের সঙ্গে ভাগ করে নেন তিনি।

    বুধবার অপু বিশ্বাস ৩৩ বসন্ত পার করে ৩৪-এ পা রাখেন। বিশেষ এ দিনে ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভালোবাসায় সিক্ত হন নায়িকা।

    তবে জন্মদিনের একদিন আগে এ নায়িকা জানালেন, সারপ্রাইজ তার অনেক আনন্দের হলেও জন্মদিনের কেক কাটছেন না তিনি। এমনকি সন্তান আব্রাম খান জয়ের জন্মদিনেও আর কখনো কেক কাটবেন না।

    এ প্রসঙ্গে অপু বিশ্বাস বলেন, জন্মদিনের আগের দিন থেকেই যে সারপ্রাইজ পার্টি হতে পারে বিষয়টা আমার একদমই মাথায় ছিল না। হঠাৎ এমন সারপ্রাইজ পেয়ে আমি সত্যি ভাষাহীন!

    তিনি আরও বলেন, আমি আর কেক কাটতে চাই না। গত বছর আমার ছেলের জন্মদিন থেকে আমি মা হিসেবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আর কখনো জয়ের বার্থডে কেক কাটব না। আর আমিও কখনো আমার জন্মদিনের কেক কাটব না।

    কিন্তু হঠাৎই কেন এমন সিদ্ধান্ত? সে বিষয়টি আড়ালেই রাখলেন এই নায়িকা। শুধু জানালেন, সন্তান একজন মায়ের জন্য কী তা কোনো মা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবে না। তার ব্যতিক্রম আমিও নই। জয়ের প্রথম বার্থ ডে থেকে পঞ্চম বার্থ ডে আমি খুব আনন্দ নিয়ে করেছি। ষষ্ঠ বার্থ ডে জয় তার পরিবারের সঙ্গে করেছে। ওই সময় একটা বিষয়ের পর আমার মনে হলো জয়ের জন্মদিন আর ঘটা করে না করি। এরপর থেকে সিদ্ধান্ত নেই জন্মদিনে আর কখনো কেক কাটব না।

    এদিকে জন্মদিনে ঢাকায় ছিলেন না অপু। পেশাগত কাজে ছিলেন ভোলায়। তিনি জানিয়েছিলেন, জন্মদিন ঘিরে তার নিজের কোনো বিশেষ পরিকল্পনা নেই। তিনি বলেন, ‘আজ আমার জন্মদিন। অন্যদিকে আমার সবচেয়ে প্রিয় অভিনেতা শ্রদ্ধেয় অমিতাভ বচ্চনেরও জন্মদিন। তার অভিনীত বহু সিনেমা আমি দেখেছি। আমার খুব ইচ্ছা, তার সঙ্গে দেখা করার। তার সান্নিধ্য পাওয়ার। তাই জীবনে একবার হলেও অমিতাভ বচ্চন স্যারের সঙ্গে দেখা করার প্রবল ইচ্ছে রাখি। জানি না আমার এ ইচ্ছা পূরণ হবে কী না। আর জন্মদিনে সবার কাছে দোয়া চাই, যেন সুস্থ থাকি, ভালো থাকি।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • জীবনসঙ্গী খুঁজছেন কৃতি, ছেলের থাকতে হবে যেসব যোগ্যতা

    বলিউড অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন জীবনসঙ্গী খুঁজছেন। ‘বাহুবলী’খ্যাত দক্ষিণী তারকা প্রভাসের সঙ্গে প্রেম ভেঙে যাওয়ার পর তিনি নতুন সঙ্গী খুঁজছেন। এখন কোনো প্রেমিক নেই তার জীবনে। তবে কৃতির ভাষ্য— আপাতত তিনি সিঙ্গেল। তার কাছে এ মুহূর্তে ক্যারিয়ারই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। 

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এ কথা নিজেই বলেছেন কৃতি। সঙ্গে জানিয়েছেন, জীবনসঙ্গী হিসেবে কেমন ছেলে তার পছন্দ।

    এ নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কৃতি বলেন, ‘আমার আপাতত কোনো সঙ্গী নেই। তবে জীবনে একজনকে অবশ্যই প্রয়োজন। তাকে সৎ হতে হবে, ভালো মানুষ হতে হবে। আমার এমন সঙ্গী চাই, যে আমাকে অনুপ্রেরণা জোগাবে। আর অবশ্যই আমার থেকে লম্বা হতে হবে।’

    এদিকে আপাতত কৃতি এখন ব্যস্ত ‘দ্য ক্রু’ সিনেমার শুটিংয়ে। এতে কৃতি সঙ্গে পাশাপাশি দেখা যাবে কারিনা কাপুর, টাবু ও দিলজিৎ দোসাঞ্জ।

    বলিউডে পা দেওয়ার পর টাইগার শ্রফের সঙ্গে নাম জুড়েছিল কৃতির। একসময় সুশান্ত সিং রাজপুতের সঙ্গেও প্রেমের বন্ধনে ছিলেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ের জন্য কেমন পাত্র চান মিমি?

    টালিউডের অবিবাহিত নায়িকাদের মধ্যে প্রথমেই নাম আসবে মিমি চক্রবর্তীর। বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে অন্যতম সুন্দরী ও প্রতিভাবান অভিনেত্রী তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা তার। কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনে এখনো কেউ প্রবেশই করতে পারেননি অভিনেত্রীর মনে।

    অভিনয়ের বাইরেও তার আরও একটি পরিচয় হচ্ছে— তিনি তৃণমূলের একজন সংসদ সদস্য। 
    জনপ্রিয়তার শীর্ষে থেকেও সিঙ্গেল জীবন কাটাচ্ছেন মিমি। 

    তবে কেমন পাত্র পছন্দ সে বিষয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মিমি জানিয়েছেন, সঙ্গী হিসেবে এমন কাউকেই পছন্দ হবে তার, যিনি তাকে নিয়ে ‘ইনসিকিউরড’ থাকবেন না। 

    মিমি বলেন, আমার সময়ই নেই। এমন নয় যে, প্রেম করিনি। কিন্তু একটা বিষয় বুঝেছি— আমি নানাবিধ কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকি, সেটা যদি কোনো মানুষ বুঝতে পারেন, আমার কাজকে শ্রদ্ধা করেন, তা হলে সে আমার জীবনে আসবেন।

    বিষয়টি ব্যাখ্যা করে মিমি চক্রবর্তী বলেন, আই ডোন্ট ওয়ান্ট ইনসিকিউরড মেন ইন মাই লাইফ। যদিও এমন পুরুষ মেলা কঠিন। আমি ওই চৌদ্দ-ষোলো ঘণ্টা কাজ করে বাড়ি ফিরে জবাবদিহি করতে পারব না, কার সঙ্গে ছিলাম, এই ছবিটা কেন, এটা কে, ওখানে কী হয়েছে– এত ব্যাখ্যা দিতে পারব না। আই হ্যাভ ডান দ্যাট। সেই স্পেসে আমি আর নেই। তেমন কিছু ঘটলে, নিশ্চয়ই জানাব।

    ব্যক্তিগত জীবনে পরিচালক ও বিধায়ক রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন মিমি। ‘বোঝে না সে বোঝে না’ সিনেমায় অভিনয় করতে গিয়ে এ সম্পর্কের সূচনা। দীর্ঘদিন চুটিয়ে প্রেম করেন মিমি-রাজ। তবে আকস্মিকভাবে অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলিকে বিয়ে করে চমকে দেন রাজ চক্রবর্তী। তার পর মানসিকভাবে অনেকটাই ভেঙে পড়েছিলেন মিমি।

    মিমি চক্রবর্তীর পরবর্তী সিনেমা ‘রক্তবীজ’। এ সিনেমায় প্রথমবার পুলিশ অফিসারের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। তার সহশিল্পী হিসেবে রয়েছেন আবির চ্যাটার্জি। নন্দিতা রায়-শিবপ্রসাদ মুখার্জি পরিচালিত এ সিনেমা আগামী পূজায় মুক্তি পাবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পদ্মকে নিয়ে আবেগঘন পোস্ট পরীমনির

    ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়িকা পরীমনি গত ১৮ সেপ্টেম্বর ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছেন স্বামী অভিনেতা শরিফুল রাজকে। 

    ডিভোর্সের পর অভিনেত্রী জানিয়েছেন, ছেলে পদ্ম তার কাছেই থাকবে। ছেলের যাবতীয় ভরণপোষণ বর্তমানের মতো আগামীতে মা পরীমনিই বহন করবেন।

    এদিকে অন্যসব তারকার মতো এ নায়িকাও সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ সক্রিয়। 

    আরও পড়ুন 

    রোববার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ছেলের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেন পরীমনি। সেখানে এবার ছেলে পদ্মকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা দিলেন তিনি।

    আরও পড়ুন 

    পরীমনি ক্যাপশনে লেখেন, ‘জীবনের কাছে আমি শুধু একটি জিনিসই চাই, তা হলো— জীবন যেন আমাকে সবসময় আমার ছেলের পাশে থাকতে দেয় এবং তাকে বেড়ে ওঠা দেখতে দেয়।’

    এর আগে গত ২১ সেপ্টেম্বর ছেলে পদ্মর সঙ্গে খুনসুটির একটি ভিডিও শেয়ার করেন পরীমনি। সেখানে ক্যাপশনে জানিয়েছিলেন— যা কিছুই হোক না কেন, পদ্মই তার বেঁচে থাকার সবচেয়ে সুন্দর কারণ। আর শেষে একটি লাভ ইমোজি জুড়ে দিয়েছিলেন আলোচিত এ অভনেত্রী।

    উল্লেখ্য, ২০২১ সালে নির্মাতা গিয়াসউদ্দিন সেলিমের ‘গুণিন’ সিনেমায় কাজ করার সময় পরিচয় হয় রাজ-পরীমনির। পরিচয় থেকে প্রেম ও ভালোবাসার সম্পর্ক এবং পরবর্তীতে সেই সম্পর্ক গড়ায় বিয়েতে। ২০২২ সালের জানুয়ারি তারা পারিবারিক আয়োজনে বিয়ে সম্পন্ন করেন। 

    এরপর ২৯ মে দিবাগত রাতে অভিনেতার ফেসবুক আইডি থেকে তিন অভিনেত্রীর সঙ্গে ব্যক্তিগত কিছু ছবি ও ভিডিও ফাঁস হয়। এতে রাজ-পরীমনির দাম্পত্য জীবনে কলহের শুরু হয়। এর পর থেকে আলাদা থাকছিলেন তারা। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ছেলের জন্মদিনে খোলা চিঠিতে যা বললেন পরীমনি

    ঢালিউডের আলোচিত দম্পতি পরীমনি ও শরিফুল রাজ দম্পতির ছেলে শাহীম মুহাম্মদ পদ্মর প্রথম জন্মবার্ষিকী ছিল বৃহস্পতিবার। এ উপলক্ষ্যে সন্ধ্যায় রাজধানীর পাঁচতারকা হোটেল রেডিসন ব্লু-তে আয়োজন করা হয় জন্মদিনের জমকালো অনুষ্ঠান।

    জন্মদিন উপলক্ষ্যে ছেলের জন্য একটি খোলা চিঠি লিখেছেন পরী। সেই চিঠিতে ভিডিও আকারে আবেগমাখা কণ্ঠে ছেলের উদ্দেশে নিজের মনের সব কথা প্রকাশ করেছেন পরীমনি।

    খোলা চিঠিতে পরীমনিকে বলতে শোনা যায়, আমার বাজান, বড় হয়ে এটা তুমি যখন দেখবে, তখন বুঝবে গলায় আটকে থাকা কান্না গিলে গিলে, মা তোমাকে বলেছিল— এই সেই আনন্দের দিন। যেদিন তুমি আমার বুকে এলে, ছোট্ট দুটি হাত ধরে। কী মনে হচ্ছিল জানো, পরী সত্যিকারের দুটো ডানা পেল। কী আনন্দ, কী আনন্দ। বড় হয়ে লাল পরী, নীল পরী হাজার পরীর ভিড়ে শুধু জানবে, তুমি এই মা পরীর দুটো ডানা হয়ে জন্মেছিলে।

    আমি তোমার বুকে কান পেতে শুনি, মা। তোমার গায়ে গা ঘেঁষে, বুকে মিশে থেকে ঘুমের ঘোরে কিংবা জেগে থেকে তোমার চোখের দৃষ্টিজুড়ে শুধু আমি, মা আর মা। তোমার জগৎজুড়ে যেন শুধু একটাই শব্দ, মা। আর এই মা-টা আমি। ভাবতে ভাবতে দেখো, কখন যে আমাদের এক বছর পেরিয়ে গেল। তোমার গায়ের ঘ্রাণে বেঁচে আছি আমি। তোমার কান্নায়, হাসিতে, খেলায়। কি দারুণ বেঁচে আছি আমি। দুঃখ আর আমাকে ছুঁতেই পারে না।

    তোমার সঙ্গে রূপকথার রাজ্যের পৃথিবী আমার। টগবগ করে রাঙা ঘোড়ায় চড়ে আমার পালকির পাশে পাশে চলবে। পথে পথে যত দস্যুই আসুক, তুমি বলবে আমি আছি তো, ভয় নেই মা। আমার সত্যিকারের বীর পুরুষ হবে তুমি। আমার সব শূন্যতার পাশে তুমি এক হয়ে জুড়ে গেছ। তাই তো আমাদের এই সংখ্যা দশ।

    মনে রেখো, এই তারিখটা কিন্তু তোমার। এই দিনটা তোমার বিশেষ দিন। এই আজ যেমন আমরা সবাই ধুমধাম করে তোমার জন্মদিনটা উদযাপন করছি, তুমিও কিন্তু করো। মা যখন থাকবে না বেঁচে তখনো করো। শত পুন্যে আমি তোমাকে পেয়েছি। এই দেখো আমরা তোমার প্রথম মাসের জন্মদিনটা সেলিব্রেট করেছি। কত ছোট্ট তুমি। শুধু একটু কান্না করতে পার তখন। এরপর দুই মাস, তিন মাস, চার, পাঁচ, ছয়, দেখো কেমন মাস চলে যায়। কাছের মানুষও ছেড়ে চলে যায়। সম্পর্কও কেমন বদলে যায়। শুধু বদলে যায়নি তোমার এই বিশেষ দিয়ে আয়োজন করে ঘর সাজানো, কেককাটা। এই যে তোমার মা আছে তো। আনন্দের কমতি কি করে হয় বল।

    শোনো পদ্মফুল এই দিনে কখনো মন খারাপ করবে না। এই দিন তোমার জন্য অনেক আনন্দের দিন, খুশির দিন। ঠিক আজকের মতোই তোমার ভালোবাসার সবাইকে নিয়ে হইহুল্লড়ে ভরিয়ে রেখো। আমার পুণ্য, তুমি আমার পুণ্য। তুমি এই পৃথিবীর জন্য আলোর বাহক হও। মা তোমাকে অনেক ভালোবাসে, হ্যাপি বার্থডে বাবা।

    বিনোদন ডেস্ক