Tag: গ্রেফতার

  • ভোট দিতে গিয়ে গ্রেফতার হলেন হিরো আলম

    ফের গ্রেফতার হলেন আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম। বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণ, শারীরিক নির্যাতন ও গর্ভপাতের অভিযোগে মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে তিনি বগুড়া যান। সেখান থেকেই তাকে গ্রেফতার করেছে বগুড়া সদর থানার পুলিশ।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজ আলম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আজ (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে হিরো আলমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার নামে একটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন আদালত। সেই মামলাতেই তাকে গ্রেফতার করা হলো।’

    এর আগে বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণ, শারীরিক নির্যাতন ও গর্ভপাতের অভিযোগে করা মামলায় গত ১০ ফেব্রুয়ারি দুপুরে বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক আনোয়ারুল হক মামলাটির শুনানি শেষে হিরো আলমের বিরুদ্ধে ওই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ‘নায়িকা বানানোর প্রলোভন দেখিয়ে’ সাদিয়া রহমান মিথিলাকে একাধিকবার ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতন করেন হিরো আলম। পাশাপাশি তাকে জোরপূর্বক গর্ভপাতেও বাধ্য করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

    তদন্ত শেষে পিবিআই প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা জানায়। আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।

    এরপর ১১ ফেব্রুয়ারি হিরো আলম বলেন, ‘আমি এলাকার দিকে রওনা হয়েছি। রাতের মধ্যে এলাকায় চলে যাবো। মামলা তো ভুয়া। নির্বাচনের পর আমি আদালত যাবো। গ্রেফতারি পরোয়ানা মাথায় নিয়েও আমি ভোট দিতে যাবো। কারণ ভোট দেয়া আমার নাগরিক অধিকার।’

    শেষ পর্যন্ত নিজের এলাকা বগুড়া থেকেই গ্রেফতার হলেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হিরো আলমের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, গ্রেফতারি পরোয়ানা

    আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এ পরোয়ানা জারি করা হয়।

    মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক আনোয়ারুল হক এ আদেশ দেন।

    রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আলী আসগার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে উপস্থাপনের পরই বিচারক হিরো আলমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।

    এজহারে বলা হয়েছে, সাদিয়া রহমান মিথিলাকে নায়িকা বানানোর স্বপ্ন দেখিয়ে আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম প্রতারণামূলকভাবে বিয়ের প্রলোভন দেখান। পরে তিনি ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ, শারীরিক নির্যাতন এবং গর্ভপাত করাতে বাধ্য করেন। হিরো আলম ঘটনাটি অস্বীকার করলে সাদিয়া রহমান মিথিলা ২০২৫ সালের ২১ এপ্রিল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে হিরো আলমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

    মামলার তদন্তে পিবিআই প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পায়। পরবর্তীতে আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

    এ ব্যাপারে হিরো আলমের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফের গ্রেফতার হতে পারেন নোবেল

    নতুন করে আবারও বিতর্কে জড়িয়েছে ‘সারেগামাপা’খ্যাত কণ্ঠশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেলের নাম। অর্থ আত্মসাৎ, প্রতারণাসহ একাধিক অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তরুণ এই গায়কের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। মামলার শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদের আদালত এই আদেশ দেন। 

    ফলে গ্রেফতার হতে পারেন এই কণ্ঠশিল্পী। 

    যদিও কারাবাসের ঘটনা আলোচিত-সমালোচিত এই শিল্পীর জন্য নতুন কিছু নয়।  বেফাঁস মন্তব্য ও নানা বিতর্কিত কাণ্ডের জন্য পরিচিত নোবেল আগেও গ্রেফতার হয়ে কারাবাস করেছেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মামলার এজাহার অনুযায়ী ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ- নোবেল বিভিন্ন সময়ে তার গোপন ছবি তুলে সেগুলো ব্যবহার করে তাকে ব্ল্যাকমেইল করতেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, একপর্যায়ে পারিবারিকভাবে নোবেলের সঙ্গে তার বিয়ের উদ্দেশ্যে এনগেজমেন্টও হয়। তবে শারীরিক সম্পর্কের জন্য নোবেল চাপ সৃষ্টি করলে তিনি তাতে সম্মতি দেননি। পরবর্তীতে ওই গোপন ছবি দেখিয়ে নোবেল তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ২০ লাখ টাকারও বেশি অর্থ হাতিয়ে নেন। 

    ভুক্তভোগী নারীর আইনজীবী সাজিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে বলেন, আদালতে উপস্থাপিত অভিযোগ ও প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে। এতে পর্ণোগ্রাফি অভিযোগ আনা হয়েছিলো। মামলাটি আদালতে গত বছরের ১৩ আগস্ট করা হয়। ঘটনা তদন্তে দায়িত্ব পেয়েছিল পুলিশের তদন্ত সংস্থা পিবিআই।  

    বিনোদন ডেস্ক

  • অক্ষয়ের গাড়িচালক গ্রেফতার

    বলিউডের খিলাড়িখ্যাত অভিনেতা অক্ষয় কুমারের গাড়িচালক ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ধরা পড়লেন। জনবহুল এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটান চালক রাধেশ্যাম রাই। তার বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় অভিযোগ করেছে মুম্বাই পুলিশ।

    জুহু পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সিলভার বিচ ক্যাফের মতো জনবহুল এলাকা দিয়ে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিলেন অভিযুক্ত চালক রাধেশ্যাম রাই। জুহু থানায় তার বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় অভিযোগ করে। 

    ইতোমধ্যে তার বিরুদ্ধে বিএনএস-এর ২৮১, ১২৫(এ), এবং ১২৫(বি) ধারায় অভিযোগ করেছে। তদন্ত এখনো চলছে। প্রশাসন। পুলিশ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকালের মধ্যে গ্রেফতার করে চালককে।

    আরও জানা গেছে, সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিয়ের ২৫ বছরের উদযাপন সেরে বিদেশ থেকে নিজেদের বাড়ি ফিরছিলেন অক্ষয় কুমার-টুইঙ্কেল খান্না। জুহুর কাছাকাছি কনভয় পৌঁছাতেই এ বিপত্তি।

    জুহু পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় সিলভার বিচ ক্যাফে এলাকা জনবহুল। সেখানে আচমকা একটি মার্সিডিজ ঢুকে পড়ে সজোরে ধাক্কা মারে চলন্ত একটি অটোরিকশাকে। সেই অটো গিয়ে ধাক্কা দেয় অভিনেতার কনভয়ের একটি গাড়িকে। সঙ্গে সঙ্গে উল্টে যায় কনভয়ের গাড়িটি। যদিও এ ঘটনায় তারকা দম্পতির বা তাদের গাড়িতে কোনো আঁচড় পড়েনি। তবে চোখের সামনে দুর্ঘটনা ঘটতে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পথচারীরা। 

    দুর্ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে অক্ষয় ও তার নিরাপত্তারক্ষীরা দ্রুত গাড়ি থেকে বেরিয়ে আহতদের সহায়তায় কাজে নেমে পড়েন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আদালতে আত্মসমর্পণ মেহজাবীন চৌধুরীর

    গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর মডেল ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেছেন। রোববার (১৬ নভেম্বর) বিকালে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এ হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন তারা।

    এর আগে পারিবারিক ব্যবসায় পার্টনার করার আশ্বাস দিয়ে ২৭ লাখ টাকা নেওয়ার পর তা আত্মসাৎ ছাড়াও ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে বাদী আমিরুল ইসলামের করা মামলায় ঢাকার একটি আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

    অনলাইনে আমার নাম ব্যবহার করে কিছু ভিত্তিহীন ‘মামলা’ সংক্রান্ত খবর ছড়িয়ে পড়ছে। আমার সকল সাংবাদিক সহকর্মীদের প্রতি অনুরোধ, দয়া করে কোনো প্রকার যাচাইহীন ও সত্যতা-বিহীন সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকুন।

    মডেল ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী

    ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক আফরোজা তানিয়া গত ১০ নভেম্বর তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। মামলার বাদী আমিরুল ইসলাম রোববার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির তথ্য নিশ্চিত করেন।

    আমিরুল বলেন, গত ১০ নভেম্বর মামলার আসামিদের আদালতে হাজির হওয়ার দিন ঠিক থাকলেও তারা আসেনি। এজন্য আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে।

    গ্রেফতার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামি ১৮ ডিসেম্বর দিন ঠিক করেছে আদালত।

    মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, আমিরুল ইসলামের সঙ্গে দীর্ঘদিন পরিচয়ের সুবাদে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে মেহজাবীন চৌধুরীর নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখবে বলে নগদ অর্থে এবং বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে ২৭ লাখ টাকা দেন। এরপর মেহজাবীন ও তার ভাই দীর্ঘদিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ না নেওয়ায় আমিরুল ইসলাম বিভিন্ন সময় টাকা চাইতে গেলে আজকে দিব, কালকে দিবো বলে দীর্ঘদিন কালক্ষেপন করে।

    পরবর্তীতে গত ১১ ফেব্রুয়ারি বিকালে পাওনা টাকা চাইতে যান তিনি। তাকে ১৬ মার্চ হাতিরঝিল রোডের পাশে একটি রেস্টুরেন্টে আসতে বলেন। ওইদিন ঘটনাস্থলে গেলে মেহজাবীন ও তার ভাইসহ আরো অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। তারা বলেন ‘এরপর তুই আমাদের বাসায় টাকা চাইতে যাবি না। তোকে বাসার সামনে পুনরায় দেখলে জানে মেরে ফেলব’।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এসব কথা বলে তারা আমিরুলকে জীবননাশের হুমকি ধামকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট ভাটারা থানায় গেলে কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা দায়ের করার জন্য পরামর্শ দেয়।

    এ ঘটনায় আমিরুল ইসলাম গত ২৪ মার্চ বাদী হয়ে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন।

    এদিকে গ্রেফতারি পরোয়ানার খবর উড়িয়ে দিয়েছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন।

    অভিনেত্রী তার ফেসবুকে এক পোস্টে লিখেছেন, ‘অনলাইনে আমার নাম ব্যবহার করে কিছু ভিত্তিহীন ‘মামলা’ সংক্রান্ত খবর ছড়িয়ে পড়ছে। আমার সকল সাংবাদিক সহকর্মীদের প্রতি অনুরোধ, দয়া করে কোনো প্রকার যাচাইহীন ও সত্যতা-বিহীন সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকুন।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • হিরো আলমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    স্ত্রী রিয়া মনির করা মামলায় আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। বাদীপক্ষের আইনজীবীর আবেদনের পর বুধবার (১২ নভেম্বর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াহিদুজ্জামানের আদালত এ আদেশ দেন।

    রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় হত্যাচেষ্টা, মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে মামলাটি করেছিলেন রিয়া মনি। হিরো আলমের সঙ্গে একই মামলার আরেক আসামি আহসান হাবিব সেলিমকেও খুঁজছে পুলিশ।

    বাদীপক্ষের আইনজীবী জিয়াউর রহমান চৌধুরী জানান, ‘আসামিরা জামিনের শর্ত ভঙ্গ করেছেন। তারা নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিচ্ছেন না। এজন্য আমরা তাদের জামিন বাতিলের আবেদন করি। শুনানি শেষে আদালত জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ দেন।’

    মামলার অভিযোগে বলা হয়, সম্প্রতি হিরো আলম ও রিয়া মনির মধ্যে মনোমালিন্য দেখা দেয়। পরে হিরো আলম তাকে তালাক দিয়ে বাসা থেকে বের করে দেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    গত ২১ জুন মীমাংসার উদ্দেশ্যে হাতিরঝিল থানাধীন একটি বাসায় উভয় পরিবারের বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সেই সময় হিরো আলমসহ ১০-১২ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি বাদী ও তার পরিবারের সদস্যদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। পরবর্তীতে তারা বাদীর বর্তমান বাসায় বেআইনিভাবে প্রবেশ করে কাঠের লাঠি দিয়ে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। এতে বাদীর শরীরে জখম হয়। 

    অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলার সময় বাদীর গলায় থাকা দেড় ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন চুরি করে নিয়ে যান তারা।

    ঘটনার পর ২৩ জুন রিয়া মনি হাতিরঝিল থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ধর্ষণের অভিযোগে টিভি সিরিয়ালের অভিনেতা গ্রেফতার

    ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন ভারতীয় হিন্দি টিভি সিরিয়ালের পরিচিত মুখ অভিনেতা আশিস কাপুর। 

    বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) পুনে থেকে গ্রেফতার করা হয় তাকে। 

    সূত্রের খবর, গত ১১ আগস্ট একটি হাউজ পার্টিতে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে অভিনেতার বিরুদ্ধে। নির্যাতনের শিকার নারী আশিসের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই আশিসকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    আগস্টের মাঝামাঝি অভিযোগ দায়ের হলেও, গ্রেফতার করতে কেন এত দেরি হলো সেটার ব্যাখা দিয়েছেন পুনে নর্থের পুলিশ কর্মকর্তা রাজা বান্থিয়া। 

    তিনি জানিয়েছেন, নির্যাতিতার অভিযোগের পর থেকে আশিস পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। তবে তার গতিবিধির উপর নজর রাখা হচ্ছিল। 

    ওই পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, আশিস প্রথমে গোয়াতে যান। তারপর সেখান থাকা যান পুনেতে। সেখান থেকে পুলিশের জালে ধরা পড়েন তিনি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আশিসকে গ্রেফতার করা হলেও, অভিযোগকারীর বয়ানে অসংগতি রয়েছে বলে জানানো হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে। 

    অভিযোগকারী প্রথমে জানান, আশিসের আয়োজন করা পার্টিতে অন্য দুই ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করে। ৭ দিন পরে ১৮ আগস্ট বয়ান বদল করে তিনি জানান, আশিস একাই তাকে ধর্ষণ করেছে। 

    পুলিশ প্রাথমিকভাবে গণধর্ষণের মামলা রুজু করেছে। আশিসকে জিজ্ঞাসাবাদের পরে বাকিটা স্পষ্ট হবে বলে ধারণা করা যাচ্ছে। 

    আশিসের অভিনয় ক্যারিয়ার কম দিনের নয়। মূলত ধারাবাহিকেই অভিনয় করতে দেখা যায় তাকে। ‘লাভ ম্যারেজ’, ‘প্রতিজ্ঞা ২’, ‘নন্দিনী’-সহ বেশ কিছু জনপ্রিয় সিরিয়ালে অভিনয় করেছেন তিনি। বিশেষত ‘ইয়ে রিস্তা ক্যয়া কহেলতা হ্যায়’ ধারাবাহিকে নিখিল চরিত্রে অভিনয় করে পরিচিতি পান এই অভিনেতা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভারতে বাংলাদেশি মডেল গ্রেফতার

    একাধিক ভুয়া ভারতীয় পরিচয়পত্র রাখার অভিযোগে কলকাতায় শান্তা পাল (২৮) নামের এক বাংলাদেশি মডেল ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাকে দক্ষিণ কলকাতার বিক্রমগড় এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছে ভারতের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক সময় বিমানসেবিকা হিসেবে কর্মরত ছিলেন শান্তা। পরে তিনি মডেলিং, অভিনয় ও ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরির দিকে ঝুঁকে পড়েন। পাশাপাশি, তিনি ফুড ব্লগার হিসেবেও বেশ সক্রিয় ছিলেন এবং সম্প্রতি পর্যন্ত তার ব্লগে বিভিন্ন রেসিপি ও ব্লগ পোস্ট করতেন।

    প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তিনি সম্ভবত বিদেশে যাওয়ার জন্য বিকল্প উপায় খুঁজছিলেন। তার কাছ থেকে উদ্ধার করা ভারতীয় আধার কার্ড ও ভোটার কার্ডের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য পুলিশ স্থানীয় আধার কর্তৃপক্ষ, নির্বাচন কমিশনসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।

    পুলিশ জানায়, শান্তা পালের যাদবপুরের ফ্ল্যাট থেকে একাধিক বাংলাদেশি পাসপোর্ট, একটি বাংলাদেশি এয়ারলাইনসের আইডি কার্ড, ঢাকার একটি মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রবেশপত্র ও কিছু ভুয়া ভারতীয় নথি পাওয়া যায়।

    পুলিশ আরও জানিয়েছে, শান্তা পাল কয়েক মাস আগে ঢাকা থেকে কলকাতায় এসে প্রথমে পার্ক স্ট্রিট এলাকায় ভাড়া থাকতেন। পরে তিনি যাদবপুরের বিক্রমগড় এলাকার গল্ফ গ্রিন থানার অধীনে একটি তিনতলার ফ্ল্যাটে চলে যান। সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, তার আধার কার্ডটি ২০২০ সালে বর্ধমানের একটি ঠিকানা ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল।

    ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, শান্তা পাল ‘মিস এশিয়া গ্লোবাল বাংলাদেশ’ নামের একটি প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়েছিলেন। বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে, তিনি ঠাকুরপুকুর থানায় প্রতারণার একটি অভিযোগও করেছিলেন। আরও একটি সূত্রের দাবি, তার স্বামী অন্ধ্রপ্রদেশের বাসিন্দা। পুলিশ এই দম্পতির বিয়ের সম্পর্ক নিয়েও তদন্ত করছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আলিয়ার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেফতার কে এই বেদিকা শেঠি?

    বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাটের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট এবং তার প্রযোজনা সংস্থা থেকে বিপুল অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তার সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী বেদিকা প্রকাশ শেঠিকে গ্রেফতার করেছে মুম্বাই পুলিশ। 

    ভারতীয় গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় ৭৬.৯ লাখ রুপি প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে বেদিকার বিরুদ্ধে। আলিয়ার মা সোনি রাজদানের অভিযোগের ভিত্তিতে এই গ্রেফতার করা হয়েছে।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের মে মাস থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট মাসের মধ্যে এই আর্থিক প্রতারণা সংঘটিত হয়। চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি আলিয়ার মা সোনি রাজদান মুম্বাইয়ের জুহু থানায় অভিযোগ দায়ের করলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এরপরই বেদিকা শেঠির বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রতারণার অভিযোগে মামলা দায়ের করে পুলিশ তদন্ত শুরু করে।

    বেদিকা প্রকাশ শেঠি কে?

    ৩২ বছর বয়সি বেদিকা প্রকাশ শেঠি ২০২১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আলিয়া ভাটের সঙ্গে কাজ করেছিলেন।  তার বিরুদ্ধে আভিনেত্রীর  প্রযোজনা সংস্থা ‘ইটারনাল সানশাইন প্রোডাকশনস প্রাইভেট লিমিটেড’-এর ৭৬.৯ লাখ রুপি প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে।

    আরও পড়ুন

    প্রযোজনা ব্যানারে তার কাজের পাশাপাশি বেদিকা প্রকাশ শেঠি আলিয়া ভাটের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টগুলোও দেখভাল করতেন। 

    পুলিশ জানিয়েছে, বেদিকা প্রকাশ শেঠি ২০২২ সালের মে থেকে ২০২৪ সালের আগস্টের মধ্যে এই জালিয়াতি করেছেন। চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি আলিয়ার মা সোনি রাজদান মুম্বাইয়ের জুহু থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। 

    সোনি রাজদান অভিযোগ দায়ের করার পরপরই বেদিকা প্রকাশ শেঠি নিখোঁজ হন এবং তার অবস্থান পরিবর্তন করতে থাকেন। পুলিশের মতে, তাকে রাজস্থান, কর্ণাটক, পুনে এবং তারপর বেঙ্গালুরুতে তাকে খুঁজে পাওয়া যায়।  অভিযোগ দায়েরের প্রায় পাঁচ মাস পর পুলিশ অবশেষে বেঙ্গালুরুতে তাকে গ্রেফতার করে এবং মুম্বাই আনা হয়। 

    সূত্র: এনডিটিভি

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক

  • আলিয়া ভাটের সাবেক সহকারী গ্রেফতার

    বলিউড তারকা আলিয়া ভাট বিশ্বাস করে দীর্ঘদিন ধরে তার ব্যক্তিগত ও প্রযোজনা সংক্রান্ত আর্থিক বিষয়াদি পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছিলেন তার সহকারী বেদিকা প্রকাশ শেঠিকে। তবে সেই আস্থার বড়সড় অপব্যবহার করেছেন বেদিকা। প্রায় দুই বছর ধরে কৌশলে আলিয়ার কাছ থেকে আত্মসাৎ করেছেন প্রায় ৭৭ লাখ রুপি।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, ২০২২ সালের মে মাস থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত আলিয়ার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ইটারনাল সানশাইন প্রোডাকশনস প্রাইভেট লিমিটেড এবং তার ব্যক্তিগত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ আত্মসাৎ করেন বেদিকা।

    ঘটনাটি প্রথমে নজরে আনেন আলিয়ার মা, অভিনেত্রী সোনি রাজদান। তিনিই মুম্বাই পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং বেদিকাকে বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেফতার করে। পরে পাঁচ দিনের ট্রানজিট রিমান্ডে এনে তাকে মুম্বাইয়ের আদালতে হাজির করা হয়।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পুলিশ জানিয়েছে, বেদিকা দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত জাল ভাউচার তৈরি করতেন। ভ্রমণসহ বিভিন্ন ভুয়া খরচের কথা উল্লেখ করে আলিয়ার স্বাক্ষর সংগ্রহ করতেন। তদন্তে উঠে এসেছে, তিনি এই প্রক্রিয়ায় মোট ৭৬ লাখ ৯০ হাজার রুপি আত্মসাৎ করেছেন।

    এ ঘটনা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনো প্রকাশ্য মন্তব্য করেননি আলিয়া ভাট। বর্তমানে তিনি ব্যস্ত রয়েছেন তার আসন্ন অ্যাকশনধর্মী সিনেমা ‘আলফা’-র শুটিংয়ে, যেখানে তাকে এক গুপ্তচরের চরিত্রে দেখা যাবে। ছবিতে আরও অভিনয় করছেন অনিল কাপুর ও ববি দেওল, এবং অতিথি চরিত্রে থাকছেন হৃতিক রোশন।

    বিনোদন ডেস্ক