Tag: কঙ্গনা রানাওয়াত

  • ধ্বংসস্তূপে আটকে আছে মানুষ, যা বললেন উদ্বিগ্ন কঙ্গনা

    সামাজিক মাধ্যমে এক স্ট্যাটাস দিয়ে মান্ডির সংসদ সদস্য বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, মান্ডির ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে রয়েছে বহু মানুষ। অভিনেত্রীর এমন পোস্টের পরেই মানুষের কাছে ভুল খবর না ছড়ানোর আবেদন করেছেন ডেপুটি কমিশনার।

    এর আগে অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন, রাজনীতির জগতে এসে তিনি হিমশিম খাচ্ছেন। এবার নিজেই নিজের এলাকা মান্ডির বিধ্বস্ত অবস্থার কথা তুলে ধরলেন কঙ্গনা রানাউত। এ এলাকারই সংসদ সদস্য তিনি। 

    সামাজিক মাধ্যমে কঙ্গনা লিখেছেন মান্ডিতে বনালার কাছে বড় দুর্ঘটনার খবরে খুবই বিধ্বস্ত লাগছে। ধস নামার পর ধ্বংসস্তূপের নিচের বহু মানুষ ও যানবাহন আটকে রয়েছে বলে আশঙ্কা হচ্ছে। 

    অভিনেত্রী বলেন, বিধ্বস্ত পরিবারের সঙ্গে আমি আছি। আমি প্রশাসনের সঙ্গেও অনবরত বিষয়টি নিয়ে কথা বলছি। ত্রাণ এবং উদ্ধারের কাজ চলছে। আশা করছি, ঈশ্বর সবাইকে সুরক্ষিত রাখবেন। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    কঙ্গনার এই পোস্টের কিছুক্ষণের মধ্যেই বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের চেয়ারম্যান তথা ডেপুটি কমিশনার অপূর্ব দেবগণ জানান, ধ্বংসস্তূপের নিচে মানুষ আটকে রয়েছে এমন কোনো খবর তাদের কাছে নেই। তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, দয়া করে গুজব ছড়াবেন না বনালার ধস নিয়ে। ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ আটকে নেই।

    দুজনের ভিন্ন বক্তব্যে ধন্দে পড়েছেন সামাজিক মাধ্যমের নেটিজেনরা। আবার নিন্দুকদের দাবি, রাজনীতির ময়দানে নিজেকে মানিয়ে নিতে গিয়ে ভুল করে ফেলছেন কঙ্গনা রানাউত। তার রাজনীতি ছেড়ে আবার অভিনয়ে ফেরা উচিত।

    বছর না ঘুরতেই রাজনীতি নিয়ে তৈরি হওয়া আক্ষেপ একেক করে শেয়ার করে নিচ্ছেন কঙ্গনা রানাউত। গত বছর বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে হিমাচলপ্রদেশের মান্ডি কেন্দ্রের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন অভিনেত্রী। সেই সময় তিনি জানিয়েছিলেন— নালা পরিষ্কার করা ও রাস্তা সাফাই করার মতো সমস্যা নিয়ে তার দ্বারস্থ হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। বিষয়টি মোটেই পছন্দ হচ্ছে না তার। রাজনীতি করে রোজগারের পরিমাণ নিয়েও সন্তুষ্ট নন বলে জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পুরুষেরা শিকারি, ওরা নারীকে অন্তঃসত্ত্বা করে পালিয়ে যেতে পারে: কঙ্গনা

    বলিউডের ঠোঁটকাটা স্বভাবের অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। আবারও বেফাঁস মন্তব্য করে বসলেন। কিছু দিন আগেই বিতর্ক তৈরি হয়েছিল আধ্যাত্মিক গুরু অনিরুদ্ধাচার্যের একটি মন্তব্য কেন্দ্র করে। স্বঘোষিত ধর্মগুরু বলেছিলেন— আজকালকার পুরুষেরা ২৫ বছরের আশপাশের নারীদের সঙ্গী হিসাবে খুঁজে বার করেন। কিন্তু এ নারীরা ততদিনে চার-পাঁচজনের শয্যাসঙ্গিনী হওয়ার অভিজ্ঞতা অর্জন করে ফেলেন। এ মন্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন অভিনেত্রী দিশা পাটানির দিদি খুশবু পাটানি। 

    অনিরুদ্ধাচার্যকে ‘দেশদ্রোহী’, ‘নারী বিদ্বেষী’ ও ‘নপুংসক’ বলেও কটাক্ষ করেছিলেন খুশবু। সেই বিতর্কে এবার ঘৃতাহুতি দিলেন কঙ্গনা রানাউত। বললেন একত্রবাসের বিপক্ষে তিনিও।

    কঙ্গনা রানাউত বলেন, বিয়ে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পুরুষেরা নারীদের অন্তঃসত্ত্বা করে ফেলতে সক্ষম। তিনি বলেন, আদালত এখন বলেন— বিয়ের মতোই একত্রবাসও ভালো। আদালত তো বলেই দিয়েছেন— নারীর সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে মানে তাকে স্ত্রীর মর্যাদা দিতে হবে। সব আইন তো নারীরই পক্ষে। তবে সম্পর্কে থাকা নারীর জন্য খুব একটা ভালো নয় বলে মনে করেন অভিনেত্রী।

    খুশবু পাটানির প্রসঙ্গে কঙ্গনা বলেন, আপনি সাধুসন্তানদের গালাগাল করছেন। কিন্তু বড় দিদির মতো একটা কথা বলতে পারি— একত্রবাস নারীর জন্য মোটেও ভালো নয়। একত্রবাসে থাকা নারীর উদ্দেশে অভিনেত্রী বলেন, গর্ভপাত করাতে আপনাকে কে সাহায্য করবে? একত্রবাসের সময়ে যদি আপনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন, তাহলে আপনার দেখাশোনাই বা কে করবেন। 

    তিনি বলেন, পুরুষেরা শিকারি। ওরা নারীকে অন্তঃসত্ত্বা করে পালিয়ে যেতে পারে। আমরা নারীরা এখন যতই শক্তিশালী বা প্রগতিশীল হই না কেন, বিজ্ঞানসম্মতভাবেই বলছি— পুরুষেরা আলাদা হয়ে যেতে পারে, কিন্তু নারীরা পারে না।

    কঙ্গনা আরও বলেন, লোকে বলে পুরুষেরা মঙ্গলের জাতক আর নারীরা শুক্রের। আমরা আধুনিক হতে পারি, কিন্তু সমীক্ষা থেকে একটা বিষয় দেখা গেছে— পুরুষের কেমন নারী পছন্দ একাধিকবার জিজ্ঞাসা করলে, ভিন্ন ভিন্ন উত্তর পাওয়া যায়। কিন্তু নারীকে প্রশ্ন করলে সেই ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে একই উত্তর পাবেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বলিউড অভিনেতাদের ‘অসভ্যতার’ কথা ফাঁস করলেন কঙ্গনা

    বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত ঠোঁটকাটা হিসাবে বলিপাড়ায় পরিচিত মুখ। কখন কাকে কি বলবেন, তা নিজেও জানেন না। এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে চরম সমালোচিত হন তিনি। বেশিরভাগ সময়েই বিতর্কে থাকেন। আবারও বিতর্কে জড়ালেন অভিনেত্রী। এবার বলিউডের নায়কদের নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসলেন কঙ্গনা রানাউত। এ নিয়ে বলিপাড়ায় শুরু হয়েছে হইচই।

    যদিও বলিউডে বরাবরই নিজেকে ‘আউটসাইডার’ বলে দাবি করেন অভিনেত্রী। বহু বছর ধরে লড়াই করে জায়গা করে নেওয়ার অভিজ্ঞতা একাধিকবার শেয়ার করে নেন তিনি। সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা রানাউত দাবি করলেন ইন্ডাস্ট্রির বেশিরভাগ নায়কই ‘বদমাশ’।

    সঞ্চালক যখন জানতে চাইলেন, কখনো কোনো নায়কের অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যবহারের মুখোমুখি হয়েছেন কিনাএমন প্রশ্নের উত্তরে কঙ্গনা বলেন, আমি খুব বেশি বলি-নায়কদের সঙ্গে কাজ করিনি। কারণ বলিউডের বেশিরভাগ নায়কই চূড়ান্ত অসভ্য।

    অভিনেত্রী বলেন, ওদের অসভ্যতা শুধু যৌন হেনস্তা নিয়েই নয়; শুটিংয়ে দেরি করে আসা, রূঢ় আচরণ, অভিনেত্রীকে ছোট করা, অপমানিত করা, ছবি থেকে গুরুত্বহীন করে দেওয়া, বিশ্রামের জন্য ভ্যানিটি ভ্যান না দেওয়া অভিনেত্রীদের… আমি তো এই ব্যাপারগুলোর মুখোমুখি হয়েছি।

    তিনি বলেন, এ জ্বালা সহ্য করেছি। আমার বিরুদ্ধে কতগুলো মামলাও করল শুধু এ কারণে যে, আমি এসব মেনে নিইনি। অথচ ইন্ডাস্ট্রির বেশিরভাগ মেয়েই চুপ থাকে। তাই ওদের আমার ব্যাপারে মনে হয়েছিল এত অহংকার কিসের।

    উল্লেখ্য, গ্যাংস্টার থেকে কুইন কঙ্গনা রানাউত। ২০০৬ সালে অনুরাগ বসু পরিচালিত ও মহেশ ভাট প্রযোজিত ‘গ্যাংস্টার’ দিয়ে বলিউডে পা রাখেন অভিনেত্রী। এরপর ওহ লমহে (২০০৬), লাইফ ইন এ মেট্রো (২০০৭)-এর মতো সিনেমায় নজর কাড়েন কঙ্গনা রানাউত। অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতিতেও সমানতালে কাজ করে যাচ্ছেন অভিনেত্রী। বর্তমানে কঙ্গনা রানাউত বিজেপির সংসদ সদস্য হিসাবে রাজনীতির ময়দানে বিচরণ করে চলেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কারও আর্থিক প্রয়োজন, আবার কারও শারীরিক: কঙ্গনা

    কঙ্গনা রানাউত ঠোঁটকাটা বলিউড অভিনেত্রী হিসাবে পরিচিত। মাঝে মধ্যেই তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনদের কাছে সমালোচনার খরাক হন। এবার প্রেম ও সম্পর্ক নিয়ে মন্তব্য করে বিতর্ক তৈরি করলেন অভিনেত্রী। 

    অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতিতে জড়িত কঙ্গনা রানাউত। বর্তমানে তিনি বিজেপির সংসদ সদস্য। কিন্তু ব্যক্তিগতজীবন নিয়ে খবরে আসেন না অভিনেত্রী। দীর্ঘদিন একাকী থেকে গেছেন তিনি। কোনো সম্পর্কে জড়াননি। বিয়ের প্রসঙ্গেও কিছু বলেননি কঙ্গনা রানাউত।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কখনো কি সঙ্গী খুঁজতে ডেটিং অ্যাপে ঢুঁ মেরেছেন কঙ্গনা রানাউত?—এমন প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন অভিনেত্রী। যদিও আজকাল সঙ্গীর খোঁজে ডেটিং অ্যাপে অ্যাকাউন্ট খোলেন অনেকেই। কিন্তু কঙ্গনার কোনো ভরসা নেই এ ধরনের অ্যাপে। 

    বরং ডেটিং অ্যাপের কথা শুনেই ফুঁসে উঠেন অভিনেত্রী। এমনকি ডেটিং অ্যাপকে নর্দমার সঙ্গেও তুলনা করেন তিনি। 

    কঙ্গনা বলেন, আমি কখনো ডেটিং অ্যাপে থাকতে চাইনি। এটা হলো সমাজের নর্দমার মতো। এদের প্রত্যেকের জীবনেই কিছু প্রয়োজন রয়েছে। কারও আর্থিক প্রয়োজন, আবার কারও শারীরিক প্রয়োজন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বর্তমান যুগের সম্পর্ক নিয়েও হতাশ অভিনেত্রী বলেন, আজকের যুগে নারী ও পুরুষ উভয়েরই কিছু না কিছু প্রয়োজন রয়েছে। সেই প্রয়োজনগুলো বোঝা যাবে কীভাবে? সেটাই আমার প্রশ্ন। সুস্থ ও ভদ্রভাবে সম্পর্ক তৈরি করা উচিত, না কি রোজ রাতে সঙ্গী খুঁজতে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে যাওয়ার মতো অসভ্যতা করা উচিত? এই হলো আজকের যুগের সম্পর্কের ধরন, যেটি খুবই ভয়ানক বলে জানান অভিনেত্রী।

    কঙ্গনা রানাউত বলেন, যারা ডেটিং অ্যাপ ব্যবহার করেন, তাদের সঙ্গে কথা বলতেও ঘেন্না লাগে। এতে দ্বিমত পোষণ করেন সঞ্চালক। সঙ্গে সঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, আপনি আসলে কটাক্ষের ভয়ে নিজের মতপ্রকাশ করতে পারছেন না। নিজের ভাইবোনের ব্যাপারেও কি আপনি এমনই ভাবনা রাখেন? 

    তিনি বলেন, আমার মনে হয় না, সাধারণ কোনো মানুষ এ ধরনের ডেটিং অ্যাপকে সমর্থন করবেন। যাদের জীবনে আত্মবিশ্বাসের অভাব রয়েছে, তারা ওইসব অ্যাপ ব্যবহার করেন।

    শিক্ষাক্ষেত্রে কিংবা কর্মক্ষেত্রে আদর্শ সম্পর্ক তৈরি হওয়ার মাধ্যম বন্ধন তৈরি করা সম্ভব বলে মনে করেন কঙ্গনা রানাউত।  তিনি বলেন, অফিসে বা কলেজে আপনি ভালো মানুষ খুঁজে পেতে পারেন। অথবা আপনার বাবা-মাও ভালো সঙ্গী খুঁজে দিতে পারেন। 

    অভিনেত্রী বলেন, আমার মতো কাউকে ডেটিং অ্যাপে আপনি খুঁজে পাবেন না। যত রাজ্যের অপদার্থ লোকজনকে খুঁজে পাবেন, যারা জীবনে কিছুই করে উঠতে পারেননি। অফিসে বা কলেজে আপনি খুঁজে পাননি। বাবা-মাও কাউকে খুঁজে দিতে পারেননি। তাই আপনি ডেটিং অ্যাপ ব্যবহার করছেন। নিজের চরিত্র কতটা খারাপ, আপনি নিজেই ভাবুন বলে জানান কঙ্গনা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কঙ্গনার ভিডিও শেয়ার করে অসন্তোষ প্রিয়াংকার

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের একটি ভিডিও রি-শেয়ার করেছেন শিবসেনা ইউবিটির প্রিয়াংকা চতুর্বেদী। সেই সঙ্গে অভিনেত্রীর নিরাপত্তায় মোতায়েন দেহরক্ষীদের নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি। 

    প্রিয়াংকার শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, কঙ্গনা রানাউতের দেহরক্ষী এক প্রবীণ সংসদ সদস্যকে ঠেলে সরিয়ে দিচ্ছেন। আর সেই দেহরক্ষীর আচরণে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রিয়াংকা। প্রশ্ন তুলেছেন— এটা কী ধরনের আচরণ।

    প্রিয়াংকা চতুর্বেদী প্রথম ভিডিওটি পুনরায় শেয়ার করেছেন এবং কঙ্গনা রানাউতের নিরাপত্তায় নিযুক্ত জওয়ানকে সিআইএসএফ সৈনিক হিসাবে বর্ণনা করেছেন। সামাজিক মাধ্যমে তিনি লিখেছেন— এক সংসদ সদস্যের সিআইএসএফ আরেক প্রবীণ সংসদ সদস্য শ্রী এনকে প্রেমাচন্দ্রনকে ধাক্কা দিয়েছে— এটি লজ্জাজনক এবং মেনে নেওয়া যায় না। এসব কী ব্যবহার?

    প্রিয়াংকার পোস্টের জবাবে আবার এক সিআইএসএফ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন—  ভিডিওতে কঙ্গনা রানাউতের সঙ্গে যাকে দেখা যাচ্ছে, তিনি সিআইএসএফ জওয়ান নন। নিজের ভুল শুধরে দিয়ে প্রিয়াংকা আবার লিখেছেন—সুতরাং এক সিআইএফএস স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, অন্য সংসদ সদস্যকে যে ধাক্কা দিচ্ছে, সে তাদের জওয়ান নয়, ওয়াই প্লাস সিকিউরিটি পাওয়ার কারণে সে দিল্লি পুলিশের পিএসও। এটা খুবই লজ্জাজনক। কারণ এটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে।

    এ বিষয়ে সামাজিক মাধ্যম নেটিজেনরা অবশ্য প্রিয়াংকার পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এক নেটিজেন লিখেছেন—প্রথমত কঙ্গনার আর ওয়াই প্লাস সিকিউরিটি নেই। কঙ্গনা যেমন ওই প্রবীণ সংসদ সদস্যকে চেনেন না, তেমনই পিএসও তাকে চেনেন না। কঙ্গনা ঘুরে দাঁড়িয়ে তার সঙ্গে কথা বলেন। তোমার সমস্যা কী? কঙ্গনার টিম দয়া করে তাদের জবাব দিন। তাদের আপনার মনোযোগ প্রয়োজন।

    বর্ষীয়ান অভিনেত্রী জয়া বচ্চনের একটি ভিডিও পোস্ট করে আরেক নেটিজেন লিখেছেন—এ বিষয়েও কিছু বলুন, ম্যাম (যেখানে জয়া বচ্চন ব্যক্তিটিকে ধাক্কা দিচ্ছেন)। অন্য আরেক নেটিজেন লিখেছেন—জয়া বচ্চনের কথা বলছেন না কেন? ভয় লাগছে?

    বিনোদন ডেস্ক

  • সেলফি বিতর্ক: জয়ার রোষে কঙ্গনার তোপ

    দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবের সামনে মঙ্গলবার অনুমতি না নিয়ে জয়া বচ্চনের সঙ্গে সেলফি তোলার চেষ্টা করেন এক ব্যক্তি। পরে বলিউড অভিনেত্রী ও রাজ্যসভার সদস্যর সঙ্গে চাঞ্চল্যকর এক কাণ্ড ঘটে, যা নিয়ে বিতর্ক চড়েছে। জয়ার রাগকে কঙ্গনা রানাওয়াত ‘মুরগীর’ সঙ্গে তুলনা করে সমালোচনা করেছেন।

    ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, জয়া বিরক্ত স্বরে বলেন, ‘কি করছেন আপনি? এটা কী?’ এবং হাত দিয়ে ওই ব্যক্তিকে ঠেলে দেন। ওই ভিডিও কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ভাইরাল হয়ে শুরু হয় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া।

    কেউ কেউ জয়ার এই পদক্ষেপকে ব্যক্তিগত গোপনীয়তার স্বপক্ষে দৃঢ় অবস্থান বলে ব্যাখ্যা করেছেন। অনেকে আবার মনে করছেন একজন জননেত্রী ও বর্ষীয়ান অভিনেত্রী হিসেবে তার আরও সংযত ও ভদ্র আচরণ করা উচিত ছিল। অতীতে জনসমক্ষে ছবি তোলার বিষয়ে জয়ার অসন্তোষের ঘটনা বহুবার সংবাদ শিরোনামে এসেছে। 

    এই ঘটনার সময় শিবসেনা (উদ্ধব) সাংসদ প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদী সেখানে উপস্থিত থাকলেও তিনি প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি। ঘটনার মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেন অভিনেত্রী ও বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাওয়াত।

    তিনি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ভিডিওটি শেয়ার করে লেখেন, ‘সবচেয়ে আদুরে এবং সুবিধাপ্রাপ্ত নারী। শুধু অমিতাভ বচ্চনের স্ত্রী বলেই মানুষ তার এইসব আচরণ সহ্য করে। তার মাথার সমাজবাদী টুপি দেখতে মোরগের ঝুঁটির মতো, আর তিনি নিজেই মোরগের মতো আচরণ করছেন! লজ্জাজনক।’

    কঙ্গনার এই মন্তব্য নতুন করে বিতর্ক উসকে দেয়। অনেকে তার বক্তব্যকে সাহসী বলেছেন, আবার অনেকে মনে করছেন এটি ব্যক্তিগত আক্রমণের শামিল।

    কলকাতা প্রতিনিধি

  • ১০ বছর পর কঙ্গনা-মাধবনের প্রত্যাবর্তন, ‘সার্কল’ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে

    বলিউডের ঠোঁটকাটা অভিনেত্রী কঙ্গনা
    রানাউত ও তামিল নায়ক আর মাধবন দীর্ঘ ১০ বছর আগের সিনেমা ‘তনু ওয়েডস মনু’র সিক্যুয়েলে
    দুর্দান্ত রসায়ন দেখিয়েছিলেন। সেই সফল জুটিকে আবার একসঙ্গে দেখা যাবে বড়পর্দায়। আসছে
    তাদের অভিনীত নতুন সিনেমা ‘সার্কল’। সিনেমাটি একটি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার, যা ইতোমধ্যে
    বলিউড সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে কৌতূহল জাগিয়েছে।

    অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত ও মাধবন
    দুজনেই অত্যন্ত দক্ষ। তাই সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের প্রত্যাশাও অনেক বেশি। প্রযোজকরা চাইছেন,
    ২০২৫ সালের পূজায় সিনেমাটি মুক্তি দিতে। সিনেমাটি বছরের অন্যতম আলোচিত রিলিজ হতে পারে
    বলেই মনে করছেন অনেকে।

    একটি গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে,
    ‘সার্কল’ হচ্ছে একটি প্যান-ইন্ডিয়া সিনেমা। অর্থাৎ এটি একসঙ্গে হিন্দি, তামিল ও তেলেগু
    ভাষায় নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রায় এক বছর ধরে সিনেমার শুটিং হয়েছে ভারতের বিভিন্ন শহরে—উটি,
    জয়পুর, চেন্নাই ও হায়দরাবাদে। সিনেসার শেষ অংশের শুটিং হয়েছে হায়দরাবাদের জুবিলি হিলস
    এলাকার ‘ক্লাব ইলিউশন’-এ।

    এ সিনেমাটি প্রযোজনা করছে ট্রাইডেন্ট
    আর্টস। প্রযোজক রবীন্দ্রন বলেন, কঙ্গনার দক্ষিণ ভারতে জনপ্রিয়তা বাড়ছে এবং এ সিনেমার
    গল্প এমন, যা আগে কেউ দেখেনি।  তিনি বলেন, এটা
    একদম নতুন ধরনের ছবি, যা দর্শকদের হৃদয় নাড়া দেবে।

     

    বিনোদন ডেস্ক

  • কঙ্গনাকে পদত্যাগের পরামর্শ হিমাচলের মন্ত্রীর

    এক বছরেই রাজনীতি নিয়ে মোহভেঙে গেছে বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াতের। সম্প্রতি জানিয়েছেন, বলিউডের মতো রাজনীতির ময়দানেও প্রতিদিন কঠিন সব চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে তাকে। রাজনীতি মোটেই উপভোগ করছেন না, বলেছেন এ কথাও। তবে কী ভেবে রাজনীতির ময়দানে পা রেখেছিলেন কঙ্গনা? অভিনেত্রী জানান, তিনি ভেবেছিলেন রাজনীতিতে অল্প সময় দিলেই হবে।

    সংসদ সদস্য হওয়ার এক বছরেই রাজনীতি নিয়ে বিরক্ত কঙ্গনা। একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করছেন মান্ডির সাংসদ। রাজনীতিতে আসার পর তার নানা অসুবিধার কথা তুলে ধরছেন। এবার আরও এক বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন কঙ্গনা।

    অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি একেবারেই আশা করিনি এই কাজটা এত কঠিন হবে। যখন আমার কাছে সাংসদ হওয়ার প্রস্তাব আসে, তখন আমাকে বলা হয়েছিল, বছরে মাত্র ৬০-৭০ দিন সংসদে উপস্থিত থাকলেই হবে। বাকি দিনগুলো নিজের কাজ করতে পারব। আমি সেটাই হবে বলে ধারণা করেছিলাম। আমি মোটেও বুঝতে পারিনি এটা এতটা চাপের কাজ।’

    কঙ্গনা যে এলাকার সংসদ সদস্য, সেই হিমাচল প্রদেশের মান্ডিতে সম্প্রতি আকস্মিক বন্যা হয়েছে। ১৫ জনের বেশি নিহত, অনেকে নিখোঁজ, ভেসে গেছে বহু ঘর বাড়ি। দেখা দিয়েছে তীব্র খাদ্য ও পানীয় সংকট। তবে এই দুর্যোগে সংসদ সদস্য হিসেবে তেমন কিছুই করেননি কঙ্গনা। তার পদক্ষেপে খুশি নন স্থানীয়রা।

    দুর্যোগ কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে যে কথা বলেছেন কঙ্গনা, তা নিয়ে তীব্র বিতর্ক হচ্ছে। কঙ্গনা বলেন, ‘আমার হাতে কোনো ফান্ড নেই। আমরা রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যে যোগসূত্র, কেন্দ্রের কাছ থেকে রাজ্যে প্রকল্প পৌঁছে দিতে এবং কেন্দ্রের কাছে আমাদের নির্বাচনি এলাকার সমস্যা ও অভিযোগ উত্থাপনে সহায়ক ভূমিকা পালন করি। আমার কোনো মন্ত্রিসভা বা আমলাতন্ত্র নেই, কেবল ডেপুটি কমিশনারদের সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে পারি এবং প্রতিক্রিয়া জানাতে পারি।’

    এ মন্তব্যের জন্য ইতোমধ্যেই সমালোচনার মুখে পড়েছেন কঙ্গনা। হিমাচল প্রদেশের রাজস্ব ও উদ্যানপালন মন্ত্রী জগৎ সিং নেগি কঠোর ভাষায় কঙ্গনার সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘কঙ্গনা এলেন, আর কয়েকটি ছবি তুলে চলে গেলেন। জনগণ জানে কে আসলে কাজ করছে, আর কে শুধু ছবি তোলার জন্য আসছে।’

    কঙ্গনাকে সংসদ সদস্য পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর পরামর্শ দিয়ে এই মন্ত্রী বলেন, ‘কঙ্গনা রানাওয়াত যদি তার সংসদ সদস্য পদ নিয়ে এতই অসন্তুষ্ট হন, তবে তার উচিত অবলম্বে পদত্যাগ করা।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাজনীতি করে জীবনধারণ করা কঠিন: কঙ্গনা

    বলিউড অভিনেত্রী-রাজনীতিক কঙ্গনা
    রানাউত এবার রাজনীতি নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করে আবার শিরোনামে এলেন। মান্ডির এ সংসদ
    সদস্য রাজনীতিক নেতা হিসাবে এক বছর পূর্ণ হতে আর কয়েক দিন বাকি। এ সময়ে রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য করে সবাইকে চমকে দিলেন এ অভিনেত্রী । সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে যে কথা বলেন
    তিনি।

    কঙ্গনা রানাউত বলেন, রাজনীতি করে
    যা উপার্জন হয়, তাতে জীবনধারণ করা ভীষণই কঠিন। একজন সংসদ সদস্য যে বেতন পান, তাতে তার
    সঠিক জীবনযাপনে অনেক সমস্যা আসতে বাধ্য। অভিনেত্রী বলেন, এই দেশে একজন সংসদ সদস্যকে
    যে বেতন দেওয়া হয়, তার থেকে বাড়ির সহকারীদের বেতন দেওয়ার পর ৫০-৬০ হাজার টাকার মতো
    হাতে থাকে। এরপর সেই টাকায় কেন্দ্রের বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখতে গেলেও অনেক খরচ পড়ে
    যায়।

    তিনি বলেন,  কারণ সেসব জায়গা অনেকটা দূরে। কোনো কোনো জায়গা তো
    প্রত্যন্ত অঞ্চলে। তাই রাজনীতি করার পাশাপাশি আপনাকে কোনো না কোনো পেশায় যুক্ত থাকতে
    হবে। আর অনেক সংসদ সদস্য রয়েছেন, যারা আইনজীবী কিংবা যাদের কোনো ব্যবসা রয়েছে।

    কঙ্গনা আরও বলেন, রাজনীতি শখের
    পেশা। আপনি যদি একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হন, তাহলে আপনার জন্য রাজনীতি আর পেশা হিসাবে
    থাকবে না। পাশাপাশি আপনার সে ক্ষেত্রে একটি চাকরিরও প্রয়োজন পড়বে। তিনি বলেন, আপনি
    যদি একজন সৎমানুষ হন, তাহলে রাজনীতি করার পাশাপাশি আপনাকে অবশ্যই একটি চাকরি খুঁজতেই
    হবে ।

    এর আগে এক সাক্ষাৎকারে এ সংসদ সদস্য
    বলেছিলেন, আমি বেশ বুঝতে পারছি— রাজনীতি একেবারে অন্যরকম একটা কাজ। মূলত সমাজসেবা করা।
    একেবারেই বলব না— আমি এটা উপভোগ করছি। অতীত অভিজ্ঞতাও নেই। তাই আমি কোনো দিন মানুষের
    সেবা করব বলে ভাবিনি।

    অভিনেত্রী কঙ্গনার এমন মন্তব্যে
    অনেকেরই মনে হয়েছে, বছর ঘুরতে না ঘুরতেই রাজনীতি নিয়ে সুর বদল করলেন এ রাজনীতিক।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পাকিস্তানে ভারতের হামলা নিয়ে কঙ্গনার উচ্ছ্বাস

    বুধবার গভীর রাতে ভারতের সেনাবাহিনী ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর মাধ্যমে পাকিস্তান এবং পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে টার্গেটেড হামলা চালায়। এই অভিযানের পরপরই বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত প্রকাশ্যে দেশের নেতৃত্ব ও সেনাবাহিনীর প্রশংসা করেছেন।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও শেয়ার করে কঙ্গনা লেখেন, ‘ওরা বলেছিল মোদিকে বলে দিও… আর মোদি দেখিয়ে দিয়েছে। অপারেশন সিঁদুর জয় হোক।’

    তিনি সেনাদের সুরক্ষা ও সাফল্যের কামনা করে আরও লেখেন, `যারা আমাদের রক্ষা করেন, ঈশ্বর যেন তাদের রক্ষা করেন। ভারতীয় সেনার জয় হোক, শক্তি হোক, সাফল্য হোক।’

    ঘটনার পেছনের প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, জম্মু-কাশ্মিরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার ঠিক দুই সপ্তাহ পর ভারত মধ্যরাতে পাকিস্তান ও পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মিরের অন্তত ৯টি লক্ষ্যে আঘাত হানে। প্রায় ২৫ মিনিটব্যাপী চালানো এই অভিযানে ভারতের পক্ষ থেকে ছোড়া হয় অন্তত ২৪টি ক্ষেপণাস্ত্র। ভারতীয় সেনাবাহিনীর দাবি, এতে পাকিস্তানে প্রায় ৭০ জন নিহত হয়।

    পাকিস্তানের সেনাবাহিনী অবশ্য ভিন্ন দাবি করেছে। তাদের মতে, এই হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ২৬ জন। হামলার পরপরই কাশ্মীর সীমান্তের নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলওসি) বরাবর শুরু হয় ব্যাপক গুলিবিনিময়। এতে ভারত-শাসিত কাশ্মিরে নিহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন, আহত ৩০ জনেরও বেশি।

    পাকিস্তান জানিয়েছে, তারা অন্তত পাঁচটি ভারতীয় যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে। তবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত জম্মু-কাশ্মীর এলাকায় তিনটি বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার কথা স্বীকার করেছে।

    ঘটনার রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক দিক নিয়ে আলোচনা চললেও, কঙ্গনার মতো জনপ্রিয় তারকারা যখন প্রকাশ্যে এমন অভিযানের প্রতি সমর্থন জানান, তখন তা জনমতকে যথেষ্টভাবে প্রভাবিত করে।

    বিনোদন ডেস্ক