Tag: কঙ্গনা রানাওয়াত

  • নোরা ফাতেহির গান নিয়ে কঙ্গনার বিস্ফোরক মন্তব্য

    হিমাচল প্রদেশের মান্ডি লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপির সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউত একজন জনপ্রিয় এবং বিতর্কিত বলিউড অভিনেত্রী। তিনি সাহসী অভিনয় ও স্পষ্টবাদিতার জন্য পরিচিত। ২০২৪ সালে ভারতের সাধারণ নির্বাচনে তিনি বিজেপির টিকিটে হিমাচল প্রদেশের মান্ডি আসন থেকে জয়লাভ করে লোকসভার সদস্য হন। তিনি বিভিন্ন সময়ে নারী অধিকার ও জাতীয়তাবাদী ইস্যুতে কংগ্রেসসহ বিরোধীদের কঠোর সমালোচনা করে আলোচনায় থাকেন।

    এবার বলিউডে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে ‘কেডি: দ্য ডেভিল’ সিনেমার একটি গান। সেই গান ঘিরে তুমুল সমালোচনার মধ্যেই এবার মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত।

    কঙ্গনা রানাউত সরাসরি আক্রমণ করেছেন পুরো বলিউড ইন্ডাস্ট্রিকে। সম্প্রতি প্রকাশিত ‘সরসে নিন্না সেরাগা সরসে’ গানটিতে পারফর্ম করেছেন নোরা ফাতেহি। তবে মুক্তির পরপরই গানটি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে শুরু হয়েছে সমালোচনার ঝড়।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ‘কেডি: দ্য ডেভিল’ একটি কন্নড় পিরিয়ড ড্রামা, যার পরিচালনায় রয়েছেন প্রেম। সিনেমায় গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন ধ্রুব সরজা ও সঞ্জয় দত্ত। সব মিলিয়ে একটি গান ঘিরে তৈরি হওয়া এ বিতর্ক এখন বলিউডের কনটেন্ট ও সীমারেখা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। এ প্রসঙ্গে কঙ্গনা রানাউত বলেন, অশ্লীলতা আর নজর কাড়ার প্রতিযোগিতায় বলিউড সব সীমা ছাড়িয়ে গেছে। গোটা দেশ নিন্দা করছে, কিন্তু তাতেও তাদের লজ্জা নেই।

    শুধু সমালোচনা নয়, কঠোর অবস্থানও জানিয়েছেন কঙ্গনা রানাউত। তিনি বলেন, এ ধরনের কনটেন্টের ওপর কড়া নিয়ন্ত্রণ আনা জরুরি। বলিউডে কঠোর নিয়ম থাকা উচিত।

    এ বিষয়টি শেষ পর্যন্ত সরকারি পর্যায়ে গড়িয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নির্মাতাদের কাছে নোটিশ পাঠিয়েছে বলে জানা গেছে। গানে ব্যবহৃত ভাষা ও উপস্থাপনাকে ‘আপত্তিকর’ বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। দর্শকদের একাংশের অভিযোগ— গানের কথা ও উপস্থাপনা ‘অশ্লীল’ ও ‘যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ’।

    উল্লেখ্য, ‘কেডি: দ্য ডেভিল’ সিনেমার গানটি ইউটিউবে মুক্তির পরই নেটিজেনদের বড় একটি অংশ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অনেকেই গানটিকে ‘কুরুচিপূর্ণ’ ও ‘গ্রহণযোগ্য নয়’ বলে মন্তব্য করেছেন। সমালোচনার চাপ বাড়তে থাকলে শেষ পর্যন্ত নির্মাতারা গানটি সামাজিক মাধ্যম থেকে সরিয়ে নেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আবার অনন্যাকে ট্রল করলেন কঙ্গনা, ভিডিও ভাইরাল

    অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতকে বলিউডে বলা হয় ঠোঁটকাটা অভিনেত্রী। আবারও সামাজিক মাধ্যমে বিতর্কে জড়ালেন তিনি। আবার বিজেপি সংসদ-অভিনেত্রীর একটি ভিডিও নেটিজেনদের মাঝে ভাইরাল হয়ে পড়ে। যেখানে কঙ্গনা ইন্ডাস্ট্রির জুনিয়র অনন্যা পান্ডেকে সারা আলি খান ও জাহ্নবী কাপুরের থেকে ভালো অভিনেত্রী বলেছেন। যদিও নেটপাড়ার মত, চাঙ্কিকন্যাকে ট্রলই করেছেন কঙ্গনা। এ ভিডিও দেখে ভক্ত-অনুরাগীরা বলছেন, অনন্যা পান্ডেকে আবার ট্রোল করলেন কঙ্গনা। লোকেরা বলছে যে, তাঁর ট্রোলিংয়ের স্টাইলটি বেশ ভালো। 

    সম্প্রতি নিউজ১৮-এর একটি অনুষ্ঠানে কঙ্গনা রানাউতকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, তিনি অনন্যা পান্ডে, সারা আলি খান ও জাহ্নবী কাপুরের মধ্যে কাকে বেশি ভালো অভিনেত্রী মনে করেন।—এমন প্রশ্নের উত্তরে কঙ্গনা বলেন, ‘আপনি অনন্যা পান্ডের সঙ্গে চলুন।’ এই কথা বলার পরই হাসতে শুরু করেন কঙ্গনা রানাউত। 

    কঙ্গনার হাসি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের অনেকেই মন্তব্য করেছেন। এক নেটিজেন লিখেছেন— কঙ্গনা স্পষ্টতই অনন্যাকে ট্রল করেছেন। আরেক নেটিজেন লিখেছেন— ‘কুইনের ট্রল করারও আলাদাই কায়দা আছে’। অন্য আরেক নেটিজেন লিখেছেন— ‘এই দুজন যদি কখনো কোনো সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেন, তবে মজা হবে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এর আগে কপিল শর্মার শোতে অনন্যা পান্ডেকে ট্রল করেছিলেন কঙ্গনা রানাউত। কপিল তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে, তার মতে বলিউড বিম্বো কে? এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, যারা বলেন যে তারা জিভ দিয়ে নাক স্পর্শ করতে পারেন, তারা বলিউডের বিম্বো। কঙ্গনা এ কটাক্ষ অনন্যাকেই করেছিলেন। কারণ কপিলের শোতে অনন্যা বলেছিলেন যে, তিনি তার জিভ দিয়ে তার নাক স্পর্শ করতে পারেন। এমনকি তিনি সেই কাজটি করেও দেখিয়েছিলেন। কঙ্গনার সেই ভিডিও ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হয়েছিল সামাজিক মাধ্যমে।

    কঙ্গনা রানাউতের কথা বলতে গেলে, তাকে শেষবার দেখা গিয়েছিল নিজের সিনেমা ‘ইমার্জেন্সি’তে। এ সিনেমায় ইন্দিরা গান্ধীর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন কঙ্গনা রানাউত। এতে অভিনয়ের পাশাপাশি ছবিটি পরিচালনাও করেছিলেন তিনি। ছবির সহপ্রযোজকও ছিলেন কঙ্গনা রানাউত। তবে এ সিনেমাটি বক্স অফিসে সাফল্যের মুখ দেখেনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এপস্টেইন ফাইল দেখে হতাশ কঙ্গনা, জানালেন সমাধানের পথ

    বলিউড অভিনেত্রী ও সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউত সম্প্রতি ‘এপস্টেইন ফাইলস’ নিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ফাঁস হওয়া তথ্য পড়ে তিনি বিস্মিত ও হতাশ বোধ করেছেন।

    কঙ্গনার দাবি, এমন তথ্যে দেখা যাচ্ছে যে, বিখ্যাত ও ক্ষমতাশালী মানুষদের মধ্যে অপরাধকে স্বাভাবিক ও গ্রহণযোগ্য করার প্রবণতা রয়েছে। তিনি লিখেছেন, এটি তার কাছে চরম উদ্বেগের বিষয়। ছোটবেলা থেকে যাদের তিনি তারকা বা প্রভাবশালী হিসেবে দেখেছেন, তাদের নাম এ ধরনের বিতর্কে জড়ানো সমাজের ভবিষ্যতের জন্য চিন্তার বিষয়।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিনেত্রী প্রশ্ন তুলেছেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে মানবিক মূল্যবোধ টিকে থাকবে কিনা। তবে তিনি সমাধানের কথাও বলেছেন। তার মতে, ভারতীয় সংস্কৃতি, মূল্যবোধ এবং সনাতন দর্শনই নৈতিক সংকট থেকে বের হওয়ার পথ দেখাতে পারে। 

    কঙ্গনা বলেন, যেমন পুরাণে দেবতা ও অসুরের লড়াই থাকে, তেমনি আজকের মানুষকেও নিজের পথ বেছে নিতে হবে।

    উল্লেখ্য, কঙ্গনার সাম্প্রতিক মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ‘ইমার্জেন্সি’। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি ভারতের মান্ডি কেন্দ্রের নির্বাচিত সংসদ সদস্য। সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যুতে স্পষ্ট অবস্থান প্রকাশ করার জন্য তিনি নিয়মিতভাবে আলোচনা-সমালোচনার কেন্দ্রে থাকেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এপস্টেইন ফাইলে নাম অনুরাগ কাশ্যপের, যা বললেন কঙ্গনা রানাউত

    যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগে কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের নথি প্রকাশ হওয়ার পর পুরো বিশ্বজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। সারা বিশ্বের রথী-মহারথী রাজনীতিবিদ, বুদ্ধিজীবী, লেখক থেকে শুরু করে অভিনেতারাও জড়িয়ে আছেন। এমনকি পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপকে নিয়েও অভিযোগ উঠেছে, যা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। এবার ফুঁসে উঠলেন বলিউডের ঠোঁটকাটা অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত।

    যদিও বছরের বেশিরভাগ সময়ে চর্চায় থাকেন পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ ও অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। আবার খবরের শিরোনামে তারা। জেফ্রি এপস্টেইন ফাইলে নাম রয়েছে অনুরাগের। আর সেই ফাইল নিয়ে সরব হয়েছেন অভিনেত্রী।

    আমেরিকার বিচার বিভাগ আগের পূর্ব প্রকাশিত ফাইলগুলোর মতো নতুন ফাইলগুলোতেও অনেক স্বনামধন্য ব্যক্তির নাম রয়েছে। গ্ল্যামার, ক্ষমতা আর অগাধ সম্পদের আড়ালে লুকিয়ে ছিল এক পৈশাচিক অধ্যায়। কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইন গড়ে তুলেছিলেন এক নারকীয় সাম্রাজ্য। সেই সাম্রাজ্যে এবার নতুন কিছু নাম জড়িয়েছে— ধনকুবের ইলন মাস্ক, বিল গেটস, চিত্রপরিচালক মীরা নায়ার। সেই ফাইলেই নাকি অনুরাগ কাশ্যপকে ‘বলিউড গাই’ বলা হয়েছে।     

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নতুন ফাইলে রয়েছে বেশ কিছু ইমেইল। তবে এ ক্ষেত্রে ইমেইলে নাম থাকা মানেই যে অনুরাগ কাশ্যপ এপস্টেইনের কার্যকলাপে যোগ দিয়েছিলেন, সেটি নিশ্চিত নয়। কারণ এপস্টিন ও অনুরাগের একই সময়ে একই জায়গায় থাকার কোনো প্রমাণ মেলেনি। তবে অনুরাগের খবর প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে নেটিজেনদের মাঝে নানা চর্চা। 

    এ বিষয়ে কঙ্গনা রানাউত বলেন, অপরাধ সব জায়গায় হয়। তবে এখানে অপরাধকেই আলাদা করে দেখানো হচ্ছে। ছোটবেলা থেকে যে শিল্পীদের দেখেছি, জেনেছি তারা কীভাবে এমন অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন?

    উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) পাম বন্ডি কর্তৃক প্রস্তুতকৃত এপস্টেইন ফাইলের একটি বড় অংশ প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে বিনোদন ও রাজনৈতিক জগতের একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির ছবি পাওয়া গেছে। প্রকাশিত নথিতে দেখা গেছে, জেফ্রি এপস্টেইন ও তার সহযোগী গিজলেন ম্যাক্সওয়েলের সঙ্গে বিভিন্ন প্রমোদ ভ্রমণে অংশ নিয়েছিলেন অনেক তারকা। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • এআর রহমানের কাছে ‘পাত্তা না পেয়েই’ কি এত ক্ষোভ বিজেপির কঙ্গনার?

    কিছুদিন আগে এক সাক্ষাৎকারে সুরের জাদুকর এআর রহমান দাবি করেন, বলিউডের অন্দরে থাকা কুসংস্কার ও ধর্মীয় বিভাজনের কারণে গত আট বছরে তিনি বহু কাজ হারিয়েছেন।  অস্কারজয়ী এই সুরকারের এমন মন্তব্যে বলিউডে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে অনেকেই কথা বলছেন। রহমানের মন্তব্যে চটেছেন বলিউড অভিনেত্রী ও ভারতে ক্ষমতাসীন বিজেপির রাজনীতিবিদ কঙ্গনা রানাউত।  

    ধারণা করা হচ্ছে, এআর রহমানের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন কঙ্গনা। কিন্তু এই গুণী শিল্পী দেখা করতে অস্বীকৃতি জানানোয় বেশ ‘অপমানিত’ হয়েছিলেন কট্টর হিন্দুত্ববাদী গেরুয়া শিবিরের এই রাজনীতিবিদ। তার জেরেই এআর রহমানের সাম্প্রতিক মন্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কঙ্গনা। বলিউড এই অভিনেত্রীর স্বীকারোক্তিতেও বিষয়টি স্পস্ট হয়েছে। 

    কঙ্গনা অভিযোগ করেছেন, এর আগে রহমান তার সঙ্গে দেখা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন এবং তার ছবি ‘ইমারজেন্সি’-তে কাজ করতে চাননি।  কারণ হিসেবে তিনি জানান, এ আর রহমান এটিকে একটি ‘প্রোপাগান্ডা ধরনের ছবি’ বলে মনে করেছিলেন। 

    শনিবার (১৭ জানুয়ারি) কঙ্গনা তার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে বিবিসি এশিয়ান নেটওয়ার্কে দেওয়া রহমানের একটি সাক্ষাৎকারের স্ক্রিনশট শেয়ার করেন। সেখানে তিনি সুরকারকে সরাসরি উল্লেখ করে লেখেন, ‘প্রিয় রহমানজি, আমি একটি গেরুয়া দলকে সমর্থন করি বলে চলচ্চিত্র জগতে বহু কুসংস্কার ও পক্ষপাতের মুখে পড়েছি। কিন্তু আপনার মতো এতটা পক্ষপাতদুষ্ট ও ঘৃণ্য মানুষ আমি আর দেখিনি।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    কঙ্গনা জানান, তিনি রহমানের সঙ্গে তার পরিচালিত ছবি ‘ইমারজেন্সি’ নিয়ে আলোচনা করতে এবং ছবির গল্প শোনাতে আগ্রহী ছিলেন। ‘আমি আপনাকে ইমারজেন্সি ছবির গল্প বলতে চেয়েছিলাম। গল্প শোনা তো দূরের কথা, আপনি আমার সঙ্গে দেখা করতেও অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। আমাকে বলা হয়েছিল, তিনি (এআর রহমান) প্রোপাগান্ডার উদ্দেশ্যে নির্মিত কোনো ছবির অংশ হতে চান না,’ আরও লেখেন তিনি। 

    উল্লেখ্য, ‘ইমারজেন্সি’ ছবিতে কঙ্গনা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর চরিত্রে অভিনয় করেন। ছবিটি ১৯৭৫–৭৭ সালের ভারতের জরুরি অবস্থার সময়কালকে কেন্দ্র করে নির্মিত। মুক্তির পর থেকেই এটি রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়। ছবিটিতে অনুপম খের, শ্রেয়স তালপাড়ে এবং মিলিন্দ সোমানের মতো অভিজ্ঞ অভিনেতারাও অভিনয় করেছেন। 

    তবে ছবিটি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়ার কথা স্বীকার করলেও কঙ্গনার দাবি, বহু সমালোচক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এর প্রশংসাও করেছেন। কঙ্গনা বলেন, ‘বিদ্রূপাত্মকভাবে ইমারজেন্সি অনেক সমালোচকের কাছেই একটি মাস্টারপিস হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এমনকি বিরোধী দলের নেতারাও ছবিটির ভারসাম্যপূর্ণ ও সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গির জন্য আমাকে প্রশংসাসূচক চিঠি পাঠিয়েছেন। কিন্তু আপনি আপনার ঘৃণায় অন্ধ। আপনার জন্য আমার দুঃখ হয়।’ 

    প্রসঙ্গত, ভিকি কৌশলের ঐতিহাসিক সিনেমা ‘ছাওয়া’ নিয়ে এ আর রহমানের সাম্প্রতিক মন্তব্যের পর এই বিতর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে। রহমান ছবিটিকে ‘বিভাজন সৃষ্টিকারী’ বলে উল্লেখ করেন। যদিও একই সঙ্গে তিনি ছবির মূল বিষয়বস্তুর সাহসিকতার কথাও স্বীকার করেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না কঙ্গনার

    অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত বলিউডে ঠোঁটকাটা হিসাবে পরিচিত। অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতিতে জড়িত অভিনেত্রী। বর্তমানে তিনি বিজেপির হিমাচলপ্রদেশের মান্ডি জেলার সংসদ সদস্য। কিন্তু ব্যক্তিগতজীবন নিয়ে মাঝে মধ্যেই তিনি সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের কাছে সমালোচনার খরাক হন। একটা না একটা বিতর্ক লেগেই আছে তার জীবনে। আবার আইনি জটিলতায় পড়েছেন অভিনেত্রী।

    এর আগে ২০২০-২১ সালে দিল্লিতে বিতর্কিত কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে কৃষক আন্দোলন সংগঠিত হয়েছিল। সেই সময় অংশ নিয়েছিলেন পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও উত্তরপ্রদেশের কৃষকরা। সেই সময়ে এক বর্ষীয়ান নারী আন্দোলনকারীকে নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন অভিনেত্রী। এতে কঙ্গনার বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছিল মানহানির মামলা। সেই মামলার জন্যই আগামী ১৫ ডিসেম্বর কঙ্গনাকে পাঞ্জাবের ভটিন্ডা জেলার আদালতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।

    অভিনেত্রী জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) লোকসভায় তাকে উপস্থিত থাকতে হয়েছিল। যার ফলে উল্লিখিত মানহানি মামলার শুনানিতে আদালতে তিনি হাজিরা দিতে পারেননি। কঙ্গনা নিজেই আদালতকে এমন জানিয়েছেন। এরপরে আদালতের বিচারক ইন্দ্রজিৎ সিংহ পরবর্তী শুনানির দিন অর্থাৎ ১৫ ডিসেম্বর কঙ্গনাকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।

    সেদিন কঙ্গনার বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগকারী নারী আন্দোলনকারী মহিন্দর কৌর হুইলচেয়ারে করে বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির ছিলেন। সেই সময় তার বয়ান রেকর্ড করা হয়।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    কঙ্গনার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছিলেন পাঞ্জাবের ভটিন্ডা জেলার বাহাদুরগড় জনদিয়ানের ৭৩ বছর বয়সি এই বাসিন্দা। তাকে নিয়ে মন্তব্য করেই বিতর্কে জড়িয়েছিলেন অভিনেত্রী।  তখন মহিন্দরের ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে নিয়ে কঙ্গনা লিখেছিলেন, তিনি নাকি শাহিনবাগের বিলকিস বানু। এমনকি কঙ্গনা দাবি করেছিলেন, কৌরের মতো মানুষকে ১০০ টাকার বিনিময়ে প্রতিবাদ আন্দোলনে নিয়ে আসা যায়।

    উল্লেখ্য, গত বছর লোকসভা নির্বাচনে মান্ডি কেন্দ্র থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। সম্প্রতি কয়েকটি সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা দাবি করেছেন, তিনি যেমন ভেবেছিলেন, ঠিক তেমনভাবে রাজনীতি উপভোগ করছেন না।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আদালতে ক্ষমা চেয়ে যা বললেন কঙ্গনা

    বলিউডের ঠোঁটকাটা স্বভাবের কারণে বেশ আলোচনায় থাকেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত। ২০২০ সালের শেষ দিকে কৃষক আন্দোলনের কারণে উত্তাল হয়ে উঠেছিল উত্তর-পূর্ব ভারত। তখন সবাই জড়ো হয়েছিল দিল্লির রাজপথে। ঠিক তখনই আন্দোলনের বিরোধীতা করে আকমণাত্মক মন্তব্য করেছিলেন বিজেপি সংসদ সদস্য কঙ্গনা।

    এ অভিনেত্রী তখন কৃষক আন্দোলনে অংশ নেওয়া এক বৃদ্ধাকে ‘শাহিনবাগের দাদি’ বিলকিস বানু বলে ব্যাখ্যা করেছিলেন। এ মন্তব্যই কাল হয়ে দাঁড়ায় তার জন্য। তাই তো এ ঘটনার  কয়েক বছর পর এবার ভাতিন্দা আদালতে ক্ষমা চাইলেন এই বিতর্কিত অভিনেত্রী।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আদালতের বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কঙ্গনা বলেন, আজ ভাতিন্দায় আসার পর ভীষণ ভালো লেগেছে। ভক্তরা এখানে ভিড় করেছেন। কৃষক আন্দোলনের সময় একটি ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। আমি ওই বৃদ্ধার স্বামীকে একটি বিশেষ বার্তা পাঠিয়েছি।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিনেত্রী থেকে সংসদ সদস্য হওয়া কঙ্গনা বলেন, পোস্টটি একটি রিটুইট ছিল, যা সাধারণত মিম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। আমি মাহিন্দরের (বৃদ্ধা) স্বামীর সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনাও করেছি। তখন দেশজুড়ে একাধিক প্রতিবাদ চলছিল। কেউ একজন মিমটির নিচে মন্তব্য করেছিলেন। তারই জেরে বিতর্ক তৈরি হয়। আর এই ভুল বোঝাবুঝির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছি আমি।

    প্রসঙ্গত, শুরু থেকেই কৃষক বিদ্রোহের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ সরব ছিলেন অভিনেত্রী কঙ্গনা। তারপর এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক টুইটার) পোস্ট করেন। আর তার বিতর্কিত মন্তব্য নিয়ে তখন শুরু হয় শোরগোল। এরপর বিভিন্ন সময় নানা মাধ্যমে কটাক্ষের শিকার হতে হয়েছে এ অভিনেত্রীকে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাজনীতি ছেড়ে ফের সিনেমায় মন দিতে চান কঙ্গনা

    বলিউডের জনপ্রিয় ঠোঁটকাটা অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত রাজনীতিতে এসেই ‘জয়’ পেয়েছিলেন। কিন্তু রাজনীতি এখন সেই ভাবে আর উপভোগ করতে পারছেন না তিনি। এর আগে নিজেই জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী। আবার একবার সেই একই ইঙ্গিত দিলেন তিনি। 

    সম্প্রতি বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুরেশ গোপী পদত্যাগ করার ইচ্ছাপ্রকাশ করে বলেন, আমি কখনই আমার চলচ্চিত্রদুনিয়া ছেড়ে মন্ত্রী হতে চাইনি।

    যেসব রাজনীতিবিদ মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করছেন, তাদের অন্য পেশায় সমানভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া উচিত বলেও মনে করেন কঙ্গনা। তিনি বলেন, রাজনীতি এমন একটা পেশা, যার পথ খুব অমসৃণ। এখানে তেমন পারিশ্রমিকও নেই। বহু রকমের খরচ রয়েছে। আর শিল্পীরা এর মধ্যে নিজেদের কাজেও যদি সময়টা ব্যয় করেন, তাদের নিয়ে আবার মশকরা করা হয়।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অন্য পেশায় থাকতে থাকতে যারা রাজনীতিতে আসেন, তাদের পরিস্থিতি মানুষের বোঝা উচিত বলে মনে করেন কঙ্গনা। অভিনেত্রী বলেন, রাজনীতিতে ভালো করে কাজ করার পাশাপাশি নিজেদের পেশাতেও কাজ করতে দেওয়া উচিত।

    উল্লেখ্য, কঙ্গনা বর্তমানে হিমাচলপ্রদেশের মান্ডি কেন্দ্রের সংসদ সদস্য। তবে ‘ইমার্জেন্সি’ সিনেমার পর তিনি আর কোনো কাজ করেননি। জানা গেছে, এবার নাকি তিনি হলিউডে পাড়ি দিচ্ছেন। কয়েক মাস আগে রাজনীতি নিয়ে কঙ্গনা দাবি করেছিলেন, সৎপথে রাজনীতি করে যা উপার্জন হয়, তা দিয়ে জীবনযাপন করা কঠিন। তাই দরকার একটি চাকরি। অভিনয় থেকে রাজনীতির জগতে এসেছেন কঙ্গনা। তিনি বলেন, আমি একটা বিষয় বুঝেছি। একজন সংসদ সদস্যকে যে বেতন দেওয়া হয়, তাতে রাঁধুনি কিংবা গাড়ির চালককে বেতন দেওয়ার পর থাকে মাত্র ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • মোদিকে ‘র‍্যাম্প মডেল’ রূপে দেখতে চান কঙ্গনা, হতবাক নেটিজেনরা

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে এবার ‘র‍্যাম্প মডেল’ রূপে দেখতে চাইলেন বলিউড অভিনেত্রী ও রাজনীতিবিদ কঙ্গনা রানাউত। বললেন, শুধু পোশাক-আশাকের জন্য নয়, ব্যক্তিত্ব ও আদব-কায়দার জন্যই ফ্যাশন দুনিয়াকে মুগ্ধ করতে সক্ষম হবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার ভাষায়, র‍্যাম্পে হাঁটলে ফ্যাশন দুনিয়ায় সাড়া ফেলতে পারবেন নরেন্দ্র মোদি। আর অভিনেত্রীর এমন দাবি শুনে হতবাক নেটিজেনরা। 

    সম্প্রতি দিল্লির একটি ফ্যাশন শোতে গিয়েছিলেন কঙ্গনা রানাউত। সেখানে তিনি নিজেও একেবারে অন্য অবতারে র‍্যাম্পে হাঁটেন। ওই সময় এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রীকে প্রশ্ন করা হয়— রাজনীতির জগৎ থেকে কে সবচেয়ে ভালো র‍্যাম্পে হাঁটতে পারবেন? দুবার না ভেবেই কঙ্গনা রানাউত বলেন, অবশ্যই আমাদের প্রধানমন্ত্রী। তিনি অসাধারণ হাঁটবেন র‍্যাম্পে। ওঁর স্টাইল অসাধারণ।

    প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করে কঙ্গনা বলেন, সব কিছু নিয়েই খুব ওয়াকিফহাল থাকেন উনি। শুধুই রাজনীতি নিয়ে নয়, সমাজের সব কিছু নিয়ে অবগত। তাই আমি মনে করি, ফ্যাশন শোতে তিনি দারুণ ‘শো-স্টপার’ হতে পারেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সম্প্রতি দিল্লিতে পোশাকশিল্পী রাহুলের বিয়ের গহনা কেন্দ্র করে একটি ফ্যাশন শোতে যোগ দেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। তিনিই ছিলেন ‘শো-স্টপার’। অভিনেত্রী এ দিন পরেছিলেন আইভরি রঙের একটি এমব্রয়ডারি করা শাড়ি। সঙ্গে ভারি সোনার গহনা। 

    কঙ্গনাকে এ রূপে দেখে তার অনুরাগীদের মনে পড়ে ‘ফ্যাশন’ সিনেমাটির কথা। সেই সিনেমায় এক র‍্যাম্প মডেলের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন কঙ্গনা। সেই সিনেমায় তার অভিনয় বিশেষভাবে প্রশংসা পেয়েছিল। বাস্তবেও বিভিন্ন ফ্যাশন শোতে হেঁটেছেন অভিনেত্রী।

    উল্লেখ্য, কঙ্গনা রানাউতের শেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘ইমার্জেন্সি’। এর পাশাপাশি রাজনীতির জগতেও ব্যস্ত অভিনেত্রী। ২০২৪ সালে বিজেপির হয়ে লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে সংসদ সদস্য হন কঙ্গনা রানউত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাজনীতি থেকে অভিনয়ে ফেরার সিদ্ধান্ত কঙ্গনার

    মান্ডির সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউত বলিউডে ঠোঁটকাটা অভিনেত্রী হিসাবে পরিচিত। তিনি সামাজিক মাধ্যমে কখন কী বলেন, তা বলা মুশকিল। একের পর এক আলোচনা-সমালোচনা লেগেই আছে। 

    বলিউডে অভিনয় করতে গিয়ে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন অভিনেত্রী। ২০২৪ সালে বিজেপির হয়ে ভোটে লড়ে মান্ডির সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন কঙ্গনা। এখন তিনি পুরো দস্তুর রাজনীতিবিদ। কিন্তু এর মধ্যেই অভিনেত্রী রাজনীতি করতে গিয়ে হাঁপিয়ে উঠেছেন। বছর ঘুরতেই না ঘুরতেই  রাজনীতি নিয়ে তৈরি হওয়া আক্ষেপ এক এক করে শেয়ার করে নেন কঙ্গনা রানাউত। এখন রাজনীতিতে আর তার মন টিকছে না। তিনি জানতেনই না রাজনীতিতে এত কাজ করতে হয়। তাই আবার অভিনয়ে মন দিয়েছেন মান্ডি কেন্দ্রের এ সংসদ সদস্য।

    রাজনীতিতে মন টিকছে না— এর আগেই সেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন অভিনেত্রী। কঙ্গনা রানাউত জানিয়েছিলেন যে, রাজনীতিতে এত কাজ করতে হয় তা তার ধারণাই ছিল না। 

    বলিউডের একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘তনু ওয়েডস মনু’ সিনেমার তৃতীয় অংশের জন্যও প্রস্তুতি নিচ্ছেন কঙ্গনা রানাউত। ‘তনু ওয়েডস মনু রিটার্নস’ সিনেমাটিও বক্স অফিসে সাড়া ফেলেছিল। আগামী ২০২৬ সালে এ সিনেমার তৃতীয় অংশের শুটিং শুরু হবে বলে জানা গেছে। ‘কুইন ২’-এর শুটিং শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আনন্দ এল রাইয়ের এ সিনেমার কাজ শুরু করবেন অভিনেত্রী। তার বিপরীতে এবারও দেখা যাবে আর মাধবনকে। তবে এখনো সেই প্রসঙ্গে সিনেমার নির্মাতা কিংবা কঙ্গনা রানাউত, কেউ-ই মুখ খোলেননি।

    উল্লেখ্য, কঙ্গনা রানাউতের শেষ কয়েকটি সিনেমা বক্স অফিসে সফল হতে পারেনি। কিন্তু তার অভিনয় দক্ষতা নিয়ে কেউ কখনো প্রশ্ন তোলেননি। ‘গ্যাংস্টার’, ‘ফ্যাশন’, ‘কুইন’, ‘তনু ওয়েডস মনু’র মতো সিনেমার জন্য বারবার প্রশংসিত হয়েছেন তিনি। এবার নাকি নিজেরই বেশ কয়েকটি সিনেমার সিকুয়েল নিয়ে অভিনয়ে ফিরতে চলেছেন তিনি। আগামী নভেম্বরেই ‘কুইন ২’সিনেমার শুটিং শুরু করতে চলেছেন তিনি। ছবির চিত্রনাট্যও তৈরি হয়ে গেছে। লন্ডনে সিনেমার রেকি চলছে বলে জানা গেছে।

    বিনোদন ডেস্ক