Tag: কঙ্গনা রানাওয়াত

  • ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে শর্মিলা ঠাকুরের মন্তব্য, সংকীর্ণ চিন্তাধারা বললেন কঙ্গনা

    ভারতের জাতীয় সংগীত ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে দেশটির বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুরের একটি বক্তব্যের পর তার কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অভিনেত্রী ও বিজেপি সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাওয়াত। 

    শর্মিলা ঠাকুর অতি সম্প্রতি বন্দে মাতরমের কিছু অংশ একশ্বরবাদে বিশ্বাসী মানুষের ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গে না মেলার বিষয়টি তুলে ধরলে তার জবাবে শিল্পের স্বাধীন রূপক ব্যবহারের বিষয়টি তুলে ধরেন কঙ্গনা। 

    ভারতীয় বার্তা সংস্থা আইএএনএস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে শর্মিলা ঠাকুর বলেন, ‘অনেক ধর্মীয় মানুষ আছেন যারা বহু ঈশ্বরে নয়, কেবল এক ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন। বন্দে মাতরমের একটি স্তবকে একাধিক দেব-দেবীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। যারা এক ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন, তাদের জন্য ‘বন্দে কালী’ বা ‘বন্দে দুর্গা’ বলা কিছুটা কঠিন। তাই ভারতের সব ধর্মের মানুষকে একসঙ্গে নিয়ে এগোতে চাইলে গানটির প্রথম দুটি স্তবকই সবচেয়ে উপযুক্ত।’ 

    শর্মিলা ঠাকুরের এই সাক্ষাৎকারের ভিডিওটি নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করে কঙ্গনা রানাওয়াত লেখেন, ‘বন্দে মাতরম নিয়ে শর্মিলা জি তার আপত্তির কথা সরাসরি তুলে ধরেছেন, বিষয়টিকে আমি সাধুবাদ জানাই। তবে একজন শিল্পী হিসেবে শিল্প বা কবিতার প্রতি তার এমন সংকীর্ণ ও সীমাবদ্ধ চিন্তাধারা দেখে আমি অবাক হয়েছি। যেকোনো কবিতা বা গানে শব্দগুলো রূপক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। একজন কবি বা শিল্পী কাঙ্ক্ষিত বার্তা পৌঁছাতে কল্পনার নানা রূপ ফুটিয়ে তোলেন।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘বন্দে মাতরম হলো আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল চেতনা। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই গানের মাধ্যমে দেশবাসীকে ভেতরের শক্তিকে জাগিয়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এত বড় একটি শিল্পকর্মকে কীভাবে শুধু ধর্মীয় অনুশীলনের সঙ্গে তুলনা করা যায়?’ 

    স্বামী বিবেকানন্দের একটি উক্তি স্মরণ করিয়ে দিয়ে কঙ্গনা লেখেন, ‘বিবেকানন্দ বলেছিলেন, আমার এমন তরুণ সমাজ প্রয়োজন যাদের শরীর লোহার মতো এবং রগ বজ্রের মতো শক্তিশালী। তিনি কিন্তু সেখানে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিচ্ছিলেন না; তিনি ভেতরের ‘শক্তি’ বা ক্ষমতার জাগরণ চেয়েছিলেন। দয়া করে এই হিন্দু-মুসলিম মানসিকতা থেকে বের হয়ে আসুন। এমনকি ডাক্তাররাও মানুষের শারীরিক সামর্থ্যকে শক্তি বলে থাকেন। চলুন আমরা একে অপরকে আপন করে নিই।’ 

    শর্মিলা ঠাকুরের প্রতি নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করে কঙ্গনা আরও লেখেন, ‘আমি আপনাকে অত্যন্ত ভালোবাসি এবং আপনার সেই উষ্ণ ভালোবাসার আলিঙ্গন মিস করি।’ 

    কঙ্গনার এই মন্তব্যের বিষয়ে শর্মিলা ঠাকুরের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমার শোবারঘর নিয়ে দিবাস্বপ্ন দেখবেন না, রামদেবকে কটাক্ষ কঙ্গনার

    ‘গাটার জেনারেশন’ মন্তব্য নিয়ে ও বিজেপির সংসদ সদস্য ও বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতকে কটাক্ষ করেছেন যোগগুরু তথা ব্যবসায়ী রামদেব। এবার তার মন্তব্যের জবাব দিলেন তিনি।

    বুধবার সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে রামদেবকে কটাক্ষ করেন ‘কুইন’ সিনেমার অভিনেত্রী।

    সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টে কঙ্গনা রানাউত লিখেছেন— ‘বাবাজি, আমার যৌবন বা শোবারঘর নিয়ে দিবাস্বপ্ন দেখবেন না। গুজব আর কানাঘুষার ভিত্তিতে যা খুশি ভাবাই যায়! কিন্তু অন্তত আমার বিরুদ্ধে ভুয়া বা প্রতারণামূলক চিকিৎসাদ্রব্য বিক্রির অভিযোগ নেই এবং এর জন্য সুপ্রিম কোর্টের ধমকও খেতে হয়নি। এটি কোনো গুজব বা অনুমান নয়, তথ্য রয়েছে। তাই আমাকে চরিত্রের শিক্ষা দেবেন না। আমার চরিত্র আপনার চেয়ে অনেক ভালো। আমার ক্ষেত্রে কোনো প্রতারণার অভিযোগ ধরা পড়েনি।’

    অভিনেত্রীর ‘গাটার জেনারেশন’ মন্তব্য প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে রামদেব প্রশ্ন তুলেছিলেন— ‘ওর শৈশব কেমন ছিল, যৌবন কেমন ছিল? আগের কীর্তিগুলো কেমন ছিল? আমি এ ধরনের মানুষকে নিয়ে কথা বলতে চাই না। দেশের কোনো যুবককে ‘নর্দমা’ বলা বিকৃত মানসিকতার লক্ষণ। এটা চরম ভুল। তার দলের লোকজনেরও বিষয়টি লক্ষ করা উচিত।’

    সাক্ষাৎকারে রামদেবকে মনে করিয়ে দেওয়া হয়, কঙ্গনা তার যোগাভ্যাসের অনুরাগী এবং নিজেকে সনাতনী বলেও পরিচয় দেন। উত্তরে তিনি বলেন, কেউ আমার যোগের প্রশংসা করলেই কি আমি তার পাপকাজ ঢেকে রাখব? রামদেবের মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর কঙ্গনা যে পালটা জবাব দেবেন, তা নিয়ে জল্পনা ছিলই। শেষ পর্যন্ত ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিলেন অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দুর্নীতি বিতর্কে নাসিরুদ্দিনের মন্তব্যে ঘি ঢাললেন কঙ্গনা

    রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা ও প্রতিবাদী অবস্থান নিয়ে শুরু হওয়া বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ ও বহুমুখী শিল্পী পীযূষ মিশ্রর মধ্যকার বাকযুদ্ধে এবার সরাসরি নাসিরুদ্দিন শাহকে ‘শিয়াল’ সম্বোধন করে তীব্র আক্রমণ ছুড়ে দিয়েছেন বিতর্কিত অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত।

    সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে নাসিরুদ্দিন শাহর আনুগত্য ও অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অভিনেত্রী। সেই পোস্টে কঙ্গনা রানাউত লিখেছেন, সত্যিটা হলো— আমরা প্রত্যেকেই কারও না কারও অনুগত। তিনি বলেন, আমি গর্বিত যে আমি সেই বাড়ির সুরক্ষায় লড়ি, যেখানকার অন্ন গ্রহণ করি। কিন্তু নাসিরুদ্দিন এ দেশের অন্ন খেয়ে অন্য দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন।

    নিজের স্বভাবসিদ্ধ চাঁচাছোলা ভঙ্গিতে অভিনেত্রী বলেন, ‘আজকের দিনে কুকুর শব্দটা আসলে প্রশংসা। কারণ আনুগত্য ও বিশ্বস্ততা এখন বিরল। নাসিরুদ্দিনের মতো ‘শিয়াল’ হওয়ার চেয়ে আমি কুকুর হওয়াকেই শ্রেয় মনে করি।

    একটি সূত্রে জানা গেছে, নিট দুর্নীতি নিয়ে যন্তর-মন্তরে আয়োজিত এক প্রতিবাদ কর্মসূচিতে এ ঘটনার সূত্রপাত। সেখানে তারকাদের নীরবতা নিয়ে তোপ দেগে অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ বলেছিলেন— মুখে হাড় থাকলে কুকুর ঘেউ ঘেউ করতে পারে না। বলিপাড়ার একাংশকে ইঙ্গিত করে এ বর্ষীয়ান অভিনেতার মন্তব্যটি প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। নাসিরুদ্দিনের এ মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানান পীযূষ মিশ্র। ঝাড়খণ্ডের ছাত্র আন্দোলন প্রসঙ্গে নাসিরুদ্দিন কেন নীরব তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। সামাজিক মাধ্যমে পীযূষের সেই মন্তব্যটি পুনঃপ্রকাশ করে তার সঙ্গে একমত পোষণ করেন কঙ্গনা রানাউত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘জেন-জি’ই দেশের চালিকাশক্তি, তীব্র সমালোচনার মুখে সুর পালটালেন কঙ্গনা

    বিজেপির সংসদ সদস্য ও অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত ‘জেন-জি’ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে তোপের মুখে পড়েছিলেন। আখ্যা দিয়েছিলেন— জেন-জি নাকি ‘নর্দমার প্রজন্ম’। কিন্তু এবার সুর পালটালেন অভিনেত্রী। এবার তিনি বললেন— ‘ জেন-জি’ দেশের চালিকাশক্তি ও সম্পদ’। 

    এর আগে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কেন্দ্র করে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচিতে তরুণদের একাংশের আপত্তিকর মন্তব্যের জেরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন অভিনেত্রী-রাজনীতিবিদ কঙ্গনা রানাউত। সেই সময় জেন-জিদের ‘গাটার জেনারেশন’ বা ‘নর্দমার প্রজন্ম’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন তিনি। এমনকি তরুণদের ওই সব ভিডিওকে ‘বমি উদ্রেককারী’ হিসেবেও অভিহিত করেছিলেন কঙ্গনা। সেই মন্তব্য সামাজিক মাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়।

    সম্প্রতি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে আগের অবস্থান থেকে সরে আসেন অভিনেত্রী। এবার কঙ্গনা বলেন, জেন-জি আমাদের দেশের শক্তি এবং জাতির জন্য এক বিশাল সম্পদ। 

    তিনি আরও বলেন, আমাদের তরুণরা যেভাবে দেশের সংস্কৃতি ও পরিচয়ের দূত হিসেবে নিজেদের তুলে ধরছে, তাতে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘পাকিস্তানি বর চাই’, কঙ্গনার পুরনো ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তোলপাড়

    কঙ্গনা রানাওয়াত তার বক্তব্যের জন্য ফের শিরোনামে উঠেছেন। সম্প্রতি তিনি নিজেকে একজন কট্টর হিন্দু হিসেবে বর্ণনা করে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। একই সঙ্গে, সোনাক্ষী সিনহার নাম উল্লেখ না করে তাকে লক্ষ্য করে বলেন, বলিউডের কিছু অভিনেত্রী প্রথমে ধর্ম ও রাজনীতি নিয়ে একেবারে নিরপেক্ষ থাকলেও পরে একজন মুসলিমকে বিয়ে করার পর হঠাৎ করে বামপন্থী হয়ে যান। 

    কঙ্গনার এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার সঙ্গে সঙ্গেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা তার একটি পুরনো সাক্ষাৎকার সামনে নিয়ে আসেন, যেখানে তিনি পাকিস্তানি বর চাওয়ার কথা বলেছিলেন।

    ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া ওই পুরোনো ভিডিওতে কঙ্গনাকে মজা করে একজন সাংবাদিকের কাছে নিজের জন্য একজন পাকিস্তানি বর খুঁজে দিতে বলতে দেখা যায়। ভিডিওর শুরুতেই সাংবাদিক কঙ্গনাকে বলেন, ‘এটাই তাহলে ঠিক হলো তো! আমি পাকিস্তান থেকে আপনার জন্য পাত্র খুঁজছি। কেমন ছেলে খুঁজব?’   

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    জবাবে হেসে কঙ্গনা বলেন, ‘আমি তো বলেই দিয়েছি, বয়স ৩০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে হলেই হবে। আর সে যদি আমাকে চিনতেও না পারে, তাতেও কোনো সমস্যা নেই। আমি আমার সঙ্গীর সঙ্গে খুব সাধারণ জীবন কাটাতে চাই। আমি খুব ভালো চিকেন রান্না করতে পারি। চিকেন কোরমা, চিকেন মাখনিসহ নানা ধরনের পদ বানাতে পারি। ভারতীয় ও মুঘলাই—দুই ধরনের রান্নাই করতে জানি।’

    কঙ্গনার এই ভিডিও ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। একজন লিখেছেন, ‘কঙ্গনা আসলে ভুলে গেছেন যেতাঁর পুরোনো সাক্ষাৎকার সব সময় ইন্টারনেটে থেকে যাবে। আজ যে ব্যক্তি অন্যের আন্তঃধর্মীয় বিয়ের দিকে আঙুল তুলছেন, তিনি একসময় একজন পাকিস্তানি মুসলিমকে বিয়ে করার স্বপ্ন দেখছিলেন।’

    আরেকজন লিখেছেন, ‘যে নারী সবাইকে উদারপন্থী ও বামপন্থী শ্রেণিতে ভাগ করে দিয়েছেন, তিনি নাকি বিয়ের জন্য একজন মুসলিম পাকিস্তানি পুরুষকে খুঁজছিলেন!’

    সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আগুনে আর ঘি ঢালবেন না: হৃতিককে কেন বললেন কঙ্গনা

    বলিউডের বহুল আলোচিত হৃতিক রোশন ও কঙ্গনা রানাউতের প্রায় এক দশক পুরোনো বিরোধ আবারও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ‘উই নিড টু অ্যাপোলজাইজ টু হৃতিক’ শিরোনামে একটি ট্রেন্ড ভাইরাল হওয়ার পর দুজনই বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

    ঘটনার সূত্রপাত লেখক ফ্রেডি বার্ডির একটি পোস্ট থেকে। সেখানে তিনি মন্তব্য করেন, পৃথিবীর উচিত হৃতিক রোশনের কাছে ক্ষমা চাওয়া। পোস্টটি দ্রুত ভাইরাল হলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই ২০১৬ সালের হৃতিক-কঙ্গনা বিরোধ নতুন করে আলোচনা শুরু করেন।

    এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে হৃতিক রোশন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচলিত মতামতের ওপর নির্ভর করে কোনো পক্ষ নেওয়া উচিত নয়। তিনি লেখেন, শুধু একজনকে অপছন্দ করেন বলে আরেকজনের পক্ষ নেওয়া আমাদের সমাজের বড় সমস্যার একটি অংশ। আমি পুরো ঘটনার প্রেক্ষাপট ও তথ্য জানার পরই মতামত দিতে চাই।

    হৃতিকের এই মন্তব্যও দ্রুত ভাইরাল হয়। অনেকেই এটিকে কঙ্গনার সঙ্গে তার পুরোনো বিরোধের ইঙ্গিত হিসেবে দেখেন।

    এর কয়েক ঘণ্টা পর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে হৃতিকের মন্তব্যের প্রতিবেদন শেয়ার করে পালটা জবাব দেন কঙ্গনা রানাউত। তিনি বলেন, হৃতিক এখন অভিনেত্রী ও সংগীতশিল্পী সাবা আজাদের সঙ্গে সুখে আছেন, তাই পুরোনো বিতর্ককে আর উসকে না দেওয়াই ভালো। পাশাপাশি নিজের নাম ব্যবহার করে যারা তাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আক্রমণ করছেন, তাদের বিরুদ্ধেও হৃতিকের অবস্থান নেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন কঙ্গনা। তিনি হৃতিককে ‘আগুনে আর ঘি না ঢালার’ আহ্বান জানান।

    সম্প্রতি কঙ্গনার সঙ্গে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) মুখপাত্র সৌরভ দাসের বাকবিতণ্ডার পর নতুন করে এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়। সৌরভ দাস মজা করে বলেছিলেন, তার বন্ধুরা মনে করেন তিনি তরুণ বয়সের হৃতিক রোশনের মতো দেখতে। এরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা মিম ছড়িয়ে পড়ে এবং পুরোনো বিরোধ আবার সামনে চলে আসে।

    উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে এক সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা রানাউত হৃতিক রোশনকে তার ‘সিলি এক্স’ বলে উল্লেখ করলে দুজনের মধ্যে প্রকাশ্য বিরোধ শুরু হয়। হৃতিক সম্পর্কের অভিযোগ অস্বীকার করলে বিষয়টি আইনি নোটিশ, পালটা-পালটি অভিযোগ ও দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ে গড়ায়। প্রায় এক দশক পরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার সূত্রে সেই বিতর্ক বারবার ফিরে আসছে।

    সূত্র: গালফ নিউজ

    বিনোদন ডেস্ক

  • কঙ্গনার ‘কুইন টু’ মুক্তির আগেই আইনি জটিলতায়

    বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘কুইন টু’ মুক্তির আগেই বড় ধরনের আইনি জটিলতায় পড়েছে। এ সিনেমাটি মুক্তির আগেই মেধাস্বত্ব লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলা হয়েছে। সিনেমাটির মুক্তি আটকে দিতে এবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘ফ্যান্টম স্টুডিওস’। ইতোমধ্যে মুম্বাই হাইকোর্টে ‘জিওস্টার’-এর বিরুদ্ধে ২৫০ কোটি রুপির ক্ষতিপূরণ মামলা করেছে তারা। ফ্যান্টম স্টুডিওসের দাবি, তাদের কোনো রকম অনুমতি না নিয়েই বেআইনিভাবে ‘কুইন’ সিনেমার এ সিক্যুয়েল নির্মাণ করা হয়েছে।

    গণমাধ্যমের প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের শুরুতে পরিচালক বিকাশ বহলের হাত ধরে শুরু হয়েছিল ‘কুইন ২’ সিনেমার শুটিং। সম্প্রতি সিনেমাটির ক্যামেরা ক্লোজ হয়েছে এবং বর্তমানে এটি পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ চলছে। আর শুটিং শেষ হওয়ার এ খবরটি সামনে আসার পরপরই আইনি লড়াইয়ে নামার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় ফ্যান্টম স্টুডিওস।

    সংস্থার ঘনিষ্ঠ সূত্র গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার আগে একাধিকবার জিওস্টার ও পরিচালক বিকাশ বহলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল। ফ্যান্টম স্টুডিওসের পক্ষ থেকে তাদের আপত্তির কথা জানানো হয়। এমনকি প্রকাশ্যে আইনি নোটিশও জারি করা হয়েছিল। কিন্তু তাদের পক্ষ থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি।

    শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়েই মামলর পথ বেছে নিয়েছে ফ্যান্টম স্টুডিওস।

    ফ্যান্টম স্টুডিওসের দাবি, ‘কুইন’ সিনেমার ৫০ শতাংশ মেধাস্বত্বের মালিকানা এখনো তাদের হাতেই রয়েছে। সেই আইনগত অধিকার বলেই এ সিনেমার সিক্যুয়েলসংক্রান্ত যে কোনো সিদ্ধান্তের অংশীদার তারা। চলতি বছরের এপ্রিলে একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংস্থাটি স্পষ্টভাবে জানিয়েছিল— ‘কুইন’-এর ওপর ভিত্তি করে কোনো সিক্যুয়েল বা নতুন কোনো অভিযোজন নির্মাণের অনুমতি তারা কাউকে দেয়নি।

    উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘কুইন’ সিনেমাটি বক্স অফিসে ঝড় তোলার পাশাপাশি দর্শক ও সমালোচকদের কাছ থেকে তুমুল প্রশংসা পেয়েছিল। সিনেমাটি সে বছর দুটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও লুফে নেয়, যার মধ্যে সেরা অভিনেত্রীর সম্মান পান কঙ্গনা রানাউত। সেই সময়ে সিনেমাটির যৌথ প্রযোজনায় ছিল ‘ভায়াকম১৮ মোশন পিকচার্স’ ও ‘ফ্যান্টম ফিল্মস’। 

    অনুরাগ কাশ্যপ, বিক্রমাদিত্য মোটওয়ানে, মধু মন্টেনা ও বিকাশ বহল মিলে গড়ে তুলেছিলেন ফ্যান্টম ফিল্মস। পরে ২০১৮ সালে এ সংস্থাটি বন্ধ হয়ে গেলেও ২০২১ সালে ‘ফ্যান্টম স্টুডিওস’ নামে নতুনভাবে এর পথচলা শুরু হয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মানুষ যত সফল হয়, তত তার শত্রু বৃদ্ধি পায়: কঙ্গনা রানাওয়াত

    বলিউডের ‘কুইন’ অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত এ মুহূর্তে নতুন সিনেমা ‘ভারত ভাগ্য বিধাতা’র প্রচারে ব্যস্ত। একেবারে চরিত্রের মতো করেই নিজেকে সাজিয়ে তুলেছেন তিনি। তার প্রতিদিনের সাজও বেশ আলোচনায় আসছে। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রশ্নের সম্মুখীনও হতে হচ্ছে তাকে। সম্প্রতি বলিউডে অন্যদের সঙ্গে তার যোগাযোগ প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন এই অভিনেত্রী। 

    সারা বছরেই নানা কারণে চর্চায় থাকেন কঙ্গনা। বিশেষ করে তার বেফাঁস মন্তব্য এবং ঠোঁটকাটা স্বভাবের কারণে প্রায়ই আলোচনায় চলে আসেন তিনি। এখন যদিও শুধু সিনেমার কারণে নয়, রাজনৈতিক মন্তব্যের জন্যও তাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে চর্চা চলতেই থাকে। অবশ্য রাজনীতির দুনিয়ায় পা রাখলেও অভিনয়টা সমানতালেই চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রীকে প্রশ্ন করা হয়েছিল— বলিউডের কেউ কি তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সিনেমা মুক্তির আগে? সাধারণত অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রীকেই দেখা যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে। কঙ্গনার ক্ষেত্রে কি কখনো এমনটি ঘটেনি? 

    এ প্রসঙ্গে কঙ্গনার জবাব, ইন্ডাস্ট্রির কারো সঙ্গে তেমন যোগাযোগ নেই তার। কেউ তাকে কখনো মেসেজও করে না। 

    এত বছর ইন্ডাস্ট্রিতে থাকার পরও এমন ব্যবহার পেয়ে কি খানিক মন খারাপ হয়েছে কঙ্গনার? যদিও এ ব্যাপারে খুব একটা মাথা ঘামাতে চান না তিনি। কারণ অভিনেত্রী মনে করেন মানুষ যত সফল হয়, তত তার শত্রু বৃদ্ধি পায়। তাই জীবনের এ বিষয়গুলো নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন তিনি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • পর্দায় নারীদের উপস্থাপন বিতর্কে পরিচালককে দোষ দিতে নারাজ কঙ্গনা

    পরিচালক বুচি বাবু সানার বহুল প্রতীক্ষিত স্পোর্টস অ্যাকশন ড্রামা ‘পেদ্দি’ মুক্তির আগেই বেশ বিতর্কের মুখে পড়েছে। ছবিতে জাহ্নবী কাপুরের চরিত্র ‘অচিয়ম্মা’র উপস্থাপন নিয়ে দর্শক এবং সমালোচক মহলে জোর সমালোচনা শুরু হয়েছে।

    অভিযোগ উঠেছে, ছবির বেশ কিছু দৃশ্যের ক্যামেরা অ্যাঙ্গেল এবং ভিজ্যুয়াল ফ্রেম এমনভাবে সাজানো হয়েছে যা চরিত্রটিকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে অতিরিক্ত আবেদনময়ী করে তোলে। এর পাশাপাশি ছবিতে নায়কের সংলাপে জাহ্নবীর চরিত্রের শারীরিক সৌন্দর্যের বর্ণনা এই বিতর্ককে আরও উস্কে দিয়েছে। 

    সিনেমায় নারীদের এই ধরনের পণ্য হিসেবে উপস্থাপন করার চলমান বিতর্ক নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন বলিউডের ঠোঁটকাটা স্বভাবের অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিত কঙ্গনা রানাওয়াত। নিজের আগামী সিনেমা ‘ভারত ভাগ্য বিধাতা’র প্রচারণায় এসে সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই বিষয়ে নিজের মতামত তুলে ধরেন।  

    সাক্ষাৎকারে কঙ্গনাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল—সিনেমায় এই ধরনের উপস্থাপন এড়াতে তিনি নিজে চরিত্র বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কোনো সীমারেখা টেনে দেন কিনা। জবাবে কঙ্গনা জানান, তার অভিজ্ঞতা অনুযায়ী কোনো পরিচালক বা লেখক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পর্দায় নারীদের পণ্য হিসেবে দেখাতে চান না। 

    তিনি বলেন, ‘সিনেমাপ্রেমী বা নির্মাতাদের কেউই ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে অবজেক্টিফাই করার উদ্দেশ্যে কাজ শুরু করেন না। সিনেমা একটি যৌথ প্রয়াস, যেখানে কাজ করার সময় কোনো দৃশ্যকে যদি সমস্যার কারণ বা উদ্দেশ্যবহির্ভূত মনে হয়, তবে অভিনয়শিল্পীদের তা নিয়ে কথা বলার পূর্ণ সুযোগ থাকে।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    কঙ্গনার মতে, একজন অভিনেতা যখন কোনো প্রজেক্টে যুক্ত হন, তখন কোনো দৃশ্য যদি তার কাছে অনুপযুক্ত বা ভুল ব্যাখ্যার অবকাশ রাখে বলে মনে হয়, তবে সেখানে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করার এবং পরিবর্তনের পরামর্শ দেওয়ার যথেষ্ট জায়গা থাকে। 

    পর্দায় নারীদের এমন উপস্থাপনের পেছনে কঙ্গনা মূলত চিত্রনাট্য লেখা এবং তা রূপায়নের মধ্যকার ধারণাগত পার্থক্যকে দায়ী করেছেন। 

    কঙ্গনার কথায়, অনেক সময় লেখক বা পরিচালকেরা শুরুতে একটি দৃশ্য যেভাবে ভাবেন, পর্দায় তা ফুটিয়ে তোলার পর সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপ নিতে পারে। তাই শুটিংয়ের সময় দলের সবার মধ্যে খোলামেলা আলোচনার মাধ্যমে এই বিষয়গুলো সংশোধন করা সম্ভব। 

    অভিনেত্রী জোর দিয়ে বলেন, একবার একজন অভিনয়শিল্পী কোনো সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়ে গেলে, সেটি আর একক কোনো সিদ্ধান্ত থাকে না; বরং পুরো ছবিটির ভালো-মন্দের দায়ভার তখন যৌথ সৃজনশীলতার অংশ হয়ে দাঁড়ায়। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • জাহ্নবীর শরীর প্রদর্শন নিয়ে কটাক্ষ, জবাব দিলেন জয়া-কঙ্গনা

    ‌‘পেড্ডি’ সিনেমার গান ‘হাল্লাল্লাল্লো’ নিয়ে মুক্তির আগেই বিতর্ক শুরু হয়েছিল। দক্ষিণী সিনেমার সুপারস্টার রামচরণের সঙ্গে অভিনেত্রী শ্রুতি হাসান ও জাহ্নবী কাপুরের ‘চটুল’ নাচ! আর ‘আপত্তিকর’ কনটেন্টের সমালোচনায় মুখরিত হয়েছিলেন সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের একাংশ। আবার সেই সিনেমাটি মুক্তির পর বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে। 

    সিনেমাটি বক্স অফিসে ভালো সাড়া ফেললেও অভিনেতা রামচরণের সঙ্গে প্রথমবার অভিনয় করেই তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে জাহ্নবী কাপুরের। যদিও সেটা সিনেমার সঙ্গে জড়িত কলাকুশলীদের জন্য নয়, নিন্দুকদের জন্য তা বলার অপেক্ষাই রাখে না। আর এ সিনেমায় অতিরিক্ত শরীর প্রদর্শন নিয়ে সমালোচনার প্রতিবাদ করেছেন জাহ্নবী কাপুর নিজেই। এবার এ ঘটনায় সরব হয়েছেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী জয়া বচ্চন থেকে  শুরু করে হালের অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত।

    ‘পেড্ডি’ সিনেমা নাকি কেবলই ‘শরীরসর্বস্ব’। বিতর্কের কেন্দ্রে অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুরের চরিত্র। রামচরণের বিপরীতে একজন গ্রামের মেয়ের চরিত্রে দেখা গেছে অভিনেত্রীকে। কিন্তু এ সিনেমায় তার পোশাক একেবারেই গ্রামের মেয়েদের মতো নয়। সে নিয়েই যেন বিতর্ক নানা মহলে। 

    এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে জাহ্নবী কাপুরের একটি কথোপকথন ভাইরাল হয়েছে। সেখানেই জাহ্নবী কাপুর মত, তার দিকে এমনভাবে ক্যামেরা তাক করা হয়েছে যে, পর্দায় তার চরিত্রের থেকে তার শরীর বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। 

    শুটিংয়ের সময়েও আপত্তি জানিয়েছিলেন জাহ্নবী কাপুর। সেই কথোপকথনের স্ক্রিনশট এমনই দাবি করছে। শুটিং সেটে পেড্ডি সিনেমার নায়ক রামচরণ তাকে সমর্থন করেছিলেন বলেও জানান অভিনেত্রী। আর তাতে বিশেষ কোনো কাজ হয়নি জাহ্নবীর। 

    তিনি বলেন, আমি বলে দিয়েছিলাম— স্তন ও কোমরের শট যেন আলাদা করে নেওয়া না হয়। রাম স্যারও আমাকে সমর্থন করেছিলেন এবং চিত্রগ্রাহককে কড়াভাবে নিষেধ করেছিলেন। বিষয়টি নিয়ে তিনিও অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন। 

    একে একে একাধিক অভিনেত্রী এ ঘটনার সমালোচনা করেছেন। এবার সে প্রসঙ্গে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী জয়া বচ্চনের সাফ কথা— আমার সঙ্গে কোনো পরিচালক এমন কিছু করার সাহস পায়নি। একবার একটা অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটে। তারপর সেই পরিচালকের সঙ্গে কাজ করিনি। 

    জয়ার সঙ্গে ঘটনাটি ঘটে ‘শোর’ সিনেমার সেটে। জয়া তখন প্রতিষ্ঠিত। এ সিনেমায় ভিখারীর চরিত্রে অভিনয় করার কথা ছিল জয়ার। সেখানেই তার বুকে কোথায় ওড়না থাকবে তা নিয়ে পরিচালকের নির্দেশে আপত্তি তোলেন জয়া।

    অন্যদিকে অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত বলেন, তিনি সর্বদা নিজের চারপাশে একটা সীমারেখা টেনে দেন। ঠিক কতটা ছাড় তিনি কাউকে দেবেন সেটা নিজেই নির্ধারণ করেন। 

    ‘পেড্ডি’ সিনেমায় অহেতুক যৌন ভঙ্গিমার দৃশ্য বাকি গল্প নষ্ট করে দিয়েছে বলে মত সমালোচকদের। এহেন অভিযোগ শুনে ক্ষমা চেয়ে নেন সিনেমার পরিচালক বুচি বাবু সানা। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লিখেছেন— কাউকে অস্বস্তিতে ফেলা বা কাউকে অসম্মান করার ইচ্ছা কখনো আমার ছিল না। সিনেমার উদ্দেশ্য হওয়া উচিত দর্শককে বিনোদন দেওয়া, অনুপ্রাণিত করা এবং দর্শকের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করা।

    পরিচালক বাবু সানা বলেন, নারীদের অবমাননা বা বস্তু হিসেবে উপস্থাপন করার কোনো উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে তিনি সবসময় নারীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধাশীল।

    উল্লেখ্য, ‘পেড্ডি’ সিনেমা মুক্তির পর দর্শকদের একাংশের অভিযোগ, জাহ্নবী কাপুরকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা দেখে লজ্জায় নিজেরাই চোখ ঢেকেছেন। প্রেক্ষাগৃহে এমন দৃশ্য প্রচণ্ড অস্বস্তিকর বলেই দাবি করা হচ্ছে। সিনেমাপ্রেমী দর্শককে সিনেমার প্রতি আকৃষ্ট করতে পরিচালক মাত্রাতিরিক্ত ‘অশ্লীলতা’কে প্রশ্রয় দিয়েছেন। জাহ্নবীও কেন এ ধরনের দৃশ্যে শট দিতে আপত্তি জানাননি তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সমালোচকরা।

    বিনোদন ডেস্ক